বসন্তের_ঝরা_ফুল #পর্ব২১

0
23

#বসন্তের_ঝরা_ফুল
#পর্ব২১
কলমে #নিলুফা_নাজমিন_নীলা

★★★
বসন্তের দুপুরের সময়। চারদিকে বসন্তের কোকিলের ডাক ভেসে আসছে। ইদ্রিস খন্দকার বারান্দায় একটা কাঠের চেয়ারে বসে আছেন। এখনো তিনি শিউলির সাথে কোনো কথা বলেননি। ইদ্রিস খন্দকার কপালে হাত দিয়ে বসা তার মনে তখন কেবলই অপরাধবোধ আর অসহায়তা। জাবেদা বেগম স্বামীকে এমন চিন্তাযুক্ত দেখে বললেন,
“কী চিন্তা করছেন? এখন তো সমস্যা সমাধান হয়েই গেছে।”

​ইদ্রিস খন্দকার কথা বললেন না। উনার বারবার চোখের সামনে ভেসে উঠছিল ওই রাতটার কথা। মনে পড়ছিল শিউলির সেই অসহায় মুখটার কথা। তিনি তার মেয়ের অপমানের বিচার করতে পারেননি এই লজ্জা তাকে কুরে কুরে খাচ্ছিল।
​তখনি দেখা গেল শিমুল। সে এসে ইদ্রিস খন্দকারের সামনে এসে দাঁড়াল। জাবেদা বেগম বললেন,
“কী রে শিমুল? সকালে একবার আইলি, এহন আবার কেন?”

​শিমুল ধীর কণ্ঠে বলল,
“আমার চাচার লগে কথা আছে।”

​ইদ্রিস খন্দকার ভ্রু কুঁচকে জিজ্ঞেস করলেন,
“আমার লগে কথা? কী কথা, বলে ফেল দেখি।”

​শিমুল চোখ বন্ধ করে নিজের মাঝে সাহস সঞ্চয় করল। এই পরিস্থিতি, এই পরিবেশ সবকিছুই তার বিরুদ্ধে। তবুও সে দৃঢ় হলো। তারপর বলল,
“চাচা, আমি বিয়া করতে চাই।”

“হুম, বিয়া করবি, কর। এটা আমার সাথে এসে বলতাছো কেন? তোর আম্মারে গিয়া বল।”

​শিমুল মাথা উঁচু করে স্থির দৃষ্টিতে ইদ্রিস খন্দকারের দিকে তাকিয়ে বলল,
“চাচা, আমি শিউলিরে ভালোবাসি। আমি শিউলিরে বিয়া করতে চাই।”

​কথাটা ইদ্রিস খন্দকারের কর্ণপাত হতেই ওনার মুখের রং পাল্টে গেল। তিনি চেয়ার ছেড়ে দাঁড়িয়ে গেলেন। তিনি রাগে হুংকার করলেন,
“তোর মাথা ঠিক আছে রে শিমুল? তোর কত বড় সাহস আমার সামনে দাঁড়িয়ে এরুপ কথা কস!”

​শিমুল মাথা নিচু করে দৃঢ় কণ্ঠে বলল,
“ভালোবাসলে সাহসের প্রয়োজন পরে না চাচা।”

​ইদ্রিস খন্দকারের চিৎকারে শিউলি বাহিরে বেরিয়ে আসল। সে ভাবতে পারেনি শিমুল তার আব্বার কাছে বিয়ে করার কথা বলবে। শিউলি চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে রইল বিস্ময় আর আশঙ্কায়।
​জাবেদা বেগম বললেন,
“এসব কী কইতাছোস তুই শিমুল? আমাদের মাইয়ারে তোর মতো পোলার লগে কেমনে বিয়া দিমু?”

​শিমুল উত্তর দিল,
“ক্যান চাচি, আমাতে কী সমস্যা? আমি কি নেশাখোর নাকি! আমি তোমাদের মাইয়ারে ভালা রাখমু।”

হঠাৎ ইদ্রিস খন্দকার শিমুলের গালে কষিয়ে চড় বসিয়ে দিলেন।শিউলি দূরে থেকেও কেঁপে উঠল শিমুল ভাইয়ের সেই আঘাতে।
​আবারও আরেকটা চড় দিতে চাইলেন ইদ্রিস খন্দকার, কিন্তু শিউলি গিয়ে সামনে দাঁড়িয়ে গেল। বলল,
“দয়া করে শিমুল ভাইকে আর মেরো না আব্বা।”

​এই কথার পরিবর্তে, সেই চড় এসে পড়ল শিউলির নরম গালে। চড়টা এতটাই তীব্র ছিল যে শিউলি গিয়ে মাটিতে ছিটকে পড়ল। শিমুল দৌড়ে গিয়ে শিউলিকে উঠাল। ইদ্রিস খন্দকার রাগে চিৎকার করে বললেন,
“কত বড় সাহস! আমার মাইয়ারে বিয়া করবার চায়! তোর কী যেগ্যতা আছে?”

​শিমুল কিছু বলার আগে শিউলি বলল,
“আব্বা, শিমুল ভাইয়ের যোগ্যতা অবশ্যই আছে। সে আমাকে ভালোবাসে সেটা তার যোগ্যতা। এর চেয়ে বড় যোগ্যতা আর কী থাকতে পারে?”

​ইদ্রিস খন্দকার মেয়ের কথায় আরও রাগি দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললেন,
“শিমুল, তুই এহান থাইকা যা! তা না হইলে আজ হয় আমার মাইয়া মরব, না হইলে তুই মরবি!”

​শিমুল হঠাৎ জোর হাত করে মাথা নিচু করে আকুতি জানিয়ে বলল,
“আমি শিউলিরে ভালোবাসি চাচা। শিউলিরে ছাড়া আমি বাঁচুম না। দয়া করে শিউলিরে আমার করে দিয়ে দিন। আপনারে কথা দিতাছি, শিউলিরে ভালা রাখমু আমি। ভীষন ভালা রাখুম। দরকার পড়লে নিজের রক্ত বেইচ্ছা শিউলির মুখে খাওন তুইলা দিমু। তবুও শিউলিরে কষ্ট পাইতে দিমু না। শুধু আপনে শিউলিরে আমার লগে বিয়া দেন চাচা।”

​শিউলি কান্না ভরা কণ্ঠে শিমুলের দিকে তাকিয়ে রইল। কিন্তু এতটা মিনতি করার পরেও ইদ্রিস খন্দকারের মন গলল না। তিনি তার কথায় অটল রইলেন।

শিমুল বুঝতে পারল, ইদ্রিস খন্দকারকে বুঝিয়ে লাভ হবে না। তিনি সমাজের ভয়ে এবং নিজের মর্যাদার কারণে এক কঠিন জেদ ধরে বসে আছেন।
​শিমুল বলল,
“ঠিক আছে। আমি চলে যাইতাছি চাচা, কিন্তু আমি শিউলিরে ভালোবাসি। অন্য কোনো জায়গায় শিউলির বিয়া হইতে পারে না। আমি বিয়া করুম শিউলিরে।”

​শিমুল শিউলির কান্নারত মুখের দিকে তাকিয়ে বলল,
“চিন্তা করিস না শিউলি। তোর বিয়া অন্য জায়গায় হইবো না। তুই তোর শিমুল ভাইয়েরই বউ হইবি।”

​বলেই শিমুল গটগট পায়ে দ্রুত চলে গেল।
​শিমুল চলে গেলে শিউলি এবার বাবার দিকে মুখ করে দাঁড়াল। এই প্রথম সে বাবার কাছে অনুনয় করছে।
“আব্বা, আপনার কাছে কখনো কিছু চাই নাই। দয়া করে এবারের মতো শিমুল ভাইকে চাইতাছি আব্বা। আমি ওই তামিমরে বিয়া করতে পারুম না।”

ইদ্রিস খন্দকার জোরে চিৎকার করে উঠলেন। রাগে শিউলির হাত ধরে টানতে টানতে নিয়ে যেতে লাগলেন।
​পেছন থেকে জাবেদা বেগম এলেন,
“কী করছেন আপনি?”

​তিনি জাবেদা বেগমের কথা না শুনে শিউলিকে শিউলির রুমে ধাক্কা দিয়ে ফেলে বাহির থেকে দরজায় তালা দিয়ে দিলেন। শিউলি দরজা ধাক্কিয়ে বলল,
“আব্বা, দরজা খুলেন। আমাকে এভাবে আটকিয়ে রাখতে পারেন না।”

​ইদ্রিস খন্দকার বললেন, “আমি কী পারি আর কী পারি না, তা পরে দেখামু।”

​ইদ্রিস খন্দকার জাবেদা বেগমের দিকে ফিরে বললেন,
“খবরদার! এই দরজা খুলবা না। যদি খোলো, তাইলে তোমারর আর এই বাড়িত থাহন হইবে না।”

​বলেই ইদ্রিস খন্দকার বের হয়ে গেলেন। শিউলি কাঁদতে কাঁদতে দেওয়াল ঘেঁষে বসে পড়ল। হাঁটুতে মুখ গুঁজে কাঁদছে মেয়েটা।
“আমাদের বেলা কেন এতটা নিষ্ঠুর হচ্ছে আল্লাহ! শিমুল নামক পুরুষটাকে আমার করে দিতে ক্ষতি কী? আমার দোয়া কি আল্লাহ তুমি কবুল করবে না?”
★★★
শিমুল নিজেদের ঘরের বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছেন। শিমুল বলল,
“আম্মা, আমি শিউলিরেই বিয়া করমু। আর কাউকে বিয়া করা আমার হইবো না।”
​আছিয়া বেগম ছেলের গালে ঠাস করে চড় দিয়ে দিলেন। রাগি কণ্ঠে বললেন,
“তুই আসলেই একটা গাধা। তোর কি মনে হয় তোর লগে মেম্বার তার মাইয়ারে বিয়া দিব? তোর কথা লইয়া তবুও গেছিলাম বিয়ার প্রস্তাব লইয়া, কিন্তু কী হইলো? বরং হাজার খানা অপমান কইরা বাড়ি থাইকা বাইর কইরা দিল। তবুও কইতাছোস ওই মাইয়ারেই বিয়া করবি।”

​“হ আম্মা, মরার আগ পর্যন্ত কমু আমি শিউলিরে বিয়া করমু।” এবার শিমুল তার কণ্ঠ নরম করে, তার মায়ের হাত ধরে বলল, “ও আম্মা, আম্মা তুমি তো আমারে বিরাট ভালোবাসো। আমিও শিউলিরে বিরাট ভালোবাসি আম্মা। তুমি যেমনেই হোক মেম্বার চাচারে কইয়া শিউলির লগে বিয়া দাও। বিশ্বাস করো, শিউলি ওই চেয়ারম্যানের পোলার লগে ভালো থাকব না।”

​আছিয়া বেগম ছেলের দিকে অসহায় নয়নে তাকালেন। তার ছেলের আবদার যে তিনি রক্ষা করতে পারবেন না। তবুও গিয়েছিলেন বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে, কিন্তু মেম্বার রাজি হননি। আছিয়া বেগম বোঝানোর কণ্ঠে বললেন,
“বাপজান, আর মাত্র দুইদিন পরই শিউলির বিয়া। তুই শিউলিরে ভুইলা যা। শিউলি তোর কপালে নাই।”

শিমুল চিৎকার করে উঠল,
“কেডা কইছে শিউলি আমার কপালে নাই? যে আমি প্রেম কী বুঝতাম না, ভালোবাসা কী বুঝতাম না। সেই আমি আজ শিউলিরে ভালোবাইসা সব শিখলাম। তারে যদি না পাই আম্মা, আমি মইরা যামু। তোমার পোলা শেষ হইয়া যাইব। আমার যেমনেই হোক শিউলিরে আমার লাগব!”
★★★
বিকাল হয়ে এসেছে কিন্তু শিউলি এখনো ফ্লোরেই বসে আছে। এখনো একবারও দরজা খুলেনি। আজ সাতাশে চৈত্র। আর মাত্র দুই দিন হাতে সময়, তিন দিনের দিন তামিমের সাথে বিয়ে। শিউলির মাথা কাজ করছে না, সে কী করবে।
​হঠাৎ দরজা খোলার আওয়াজ হলো। দেখল তার মা দাঁড়িয়ে। শিউলি তার মায়ের কাছে গিয়ে বলল,
“তুমি দরজা খুললা কেন আম্মা? আব্বা তোমারে মারব তো।”

​“তোর আব্বাই কইছে খোলার লাইগা। তামিম আইছে তোর লগে দেখা করনের লাইগা।”

​শিউলি জেদি কণ্ঠে বলল,
“ওই কু’ত্তার বাচ্চারে কও বাড়ি থাইকা যাইতে। নাইলে ওরে আজ খুন কইরা ফেলমু!”

​পেছন থেকে তামিম হাসতে হাসতে বলে উঠল,
“দুইদিন পর এই কু’ত্তার বাচ্চার বউ হয়েই তো কুত্তার বাড়িতে যেতে হবে।”

​শিউলি চোখ বড় বড় করে রাগি দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল। তামিম জাবেদা বেগমকে বলল,
“চাচি, আপনে যান। আমার শিউলির লগে কথা আছে।”

জাবেদা বেগম সরে গেলেন। তবে পুরোপুরি সরলেন না, একটু দূরে গিয়ে দাঁড়ালেন।
​শিউলি তামিমকে বলে উঠল,
“আজ কেন এলেন এখানে? একবার বদনাম করে শখ মিঠেনি?”

​তামিম সহজভাবে উত্তর দিল,
“কী আর করি বলো সুইটহার্ট। খুব করে বোঝালাম তোমাকে, কিন্তু তুমি নাছোড়বান্দা। আমাকে বিয়ে করতে রাজি হলে না, তাই শেষ পর্যন্ত এই পন্থার আশ্রয়ই নিতে হলো। আজ আমি ভালো মানুষ হয়ে তোমার সাথে দেখা করতে আসলাম।”

শিউলি বলে উঠল,
“আপনি ভীষণ বড় অন্যায় করেছেন। এর শাস্তি আপনাকে পেতে হবে। আমার বদনাম করার সাথে সাথে আমার আব্বারও আপনি নাম খারাপ করছেন। এর শাস্তি ভয়াবহ হবে, দেখে নিয়েন।”

​শিউলির কথায় তামিম অট্টহাসি হেসে বলল,
“আহারে! বাপের উপর এত মায়া তোমার! তোমার বাপও এত সাধু মানুষ না।”

​শিউলি বলল, “মানে?”

​“মানে তোমার আব্বাও তোমার বদনাম করার পেছনে ছিল,” সিগারেট ধরাতে ধরাতে বলল তামিম।

​শিউলির চোখ বিস্ময়ে বড় বড় হয়ে গেল। এসব কী বলছে তামিম! এসব কি সত্যি? শিউলি চিৎকার করে বলল,
“খবরদার! আরেকটা মিথ্যা বলবেন না। আমার আব্বা জীবনেও এরকম কিছু করতে পারেন না।”

​তামিম হেসে বলল, “ওই রাতে তোমার আব্বা তোমার মামার অসুখের কথা বলে নিয়ে গেছিলো তোমার আম্মারে। কিন্তু সত্যি কথা এটাই যে, ওইদিন তো তোমার মামা অসুস্থই ছিল না।”

​তামিমের কথা শুনে শিউলি যেন নিশ্বাস নেওয়াও ভুলে গেছে। তামিম আরও বলল,
“তোমার আব্বা এমনটা করার কারণ উনাকে আমি বলেছিলাম এটা করার জন্য। জানো তো, এরকম করাতে বেশি কষ্ট করতে হয়নি। শুধু বলেছিলাম, সামনের বছর আমার বাবার পরে উনাকে চেয়ারম্যান বানাবো।”

​তামিম কথা শেষ করে সিগারেট টানতে টানতে বের হয়ে গেল।শিউলি এখনো এভাবে দাঁড়িয়ে আছে। সে বিশ্বাস করতে পারছে না তার বাবা এটা করতে পারে। তার জন্মদাতা পিতা এতটা নিকৃষ্ট কাজ করতে পারে ক্ষমতার লোভে।
​বাহিরে দাঁড়িয়ে জাবেদা বেগম সব শুনেছেন। এটা সত্যিই, ওইদিন গিয়ে সত্যিই দেখেছিলেন তার ভাই অসুস্থ না। তখনও বুঝতে পারেননি তার স্বামীর আসল রূপ।
​জাবেদা বেগম কাঁপা পায়ে মেয়ের রুমে ঢুকলেন। শিউলি নড়ছে না, যেন পাথর হয়ে গেছে মেয়েটা। জাবেদা বেগমের চোখে পানি।

​শিউলি মাটিতে লুটিয়ে পড়ল, যেন তার শরীরের সমস্ত শক্তি শুষে নিয়েছে এই নির্মম সত্য। সে চিৎকার করে কাঁদছে, আর সেই কান্নার তোড়ে ঘর-দালান সব কেঁপে উঠছে যেন।
​“ও আম্মা, তুমি শুনলে? আমার জন্মের ঋণ আমি এইভাবেই শোধ করলাম! আমার বাবা, যিনি আমার মাথার উপর ছায়া হওয়ার কথা ছিল, তিনি আমাকে সমাজের সামনে, পৃথিবীর সামনে নগ্ন করে দিলেন! সামান্য একটা পদ সেই পদের জন্য আমার বাবা তার নিজের মেয়ের জীবনটা, তার পবিত্রতা সবকিছু তামিমের হাতে তুলে দিতে চেয়েছিলেন!”
​সে জাবেদা বেগমের আঁচল খামচে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বলতে লাগল,
“ও আম্মা, তুমি বলো! উনি কি আমার আসল পিতা না? আসল বাবা কি এতটা নিষ্ঠুর হতে পারে? এত সহজে নিজের মেয়ের গলায় অপমানের দড়ি পরাতে পারে? আমার দুনিয়াটা, আমার সব স্বপ্ন সব কিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে আম্মা। আমার বুকটা এমন ভাবে ফেটে যাচ্ছে, আমার মনে হচ্ছে এই মুহূর্তেই আমার আত্মাটা শরীর ছেড়ে বেরিয়ে যাক!”
​জাবেদা বেগমও দু’হাতে মুখ ঢেকে হাউমাউ করে কেঁদে উঠলেন। তার স্বামী যে ক্ষমতার লোভে এতটা নীচে নামতে পারে, এতটা ঘৃণ্য হতে পারে এই সত্যটা ওনার বিস্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে। মেয়ের বুকফাটা আর্তনাদ শুনে তিনি কিছু বলতে পারলেন না।

#চলবে…
(বি:দ্র-ইদ্রিস খন্দকারের মতো পিতা বাস্তবে পাওয়া যায় কিনা আমার জানা নেই,আমার বিস্বাস পিতা কখনোই এমন হতে পারে না।ইদ্রিস খন্দকার চিরত্রটা শুধু মাত্র গল্পের কারণেই ব্যবহার করা হয়েছে।)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here