চাঁদের_হাসি #লেখিকা_সিনথিয়া_জাহান #পর্বঃ২৪

0
17

#চাঁদের_হাসি
#লেখিকা_সিনথিয়া_জাহান
#পর্বঃ২৪

খুব সকাল সকাল অনন্যার ঘুম ভেঙে গেল ৷ ও অলির রুমে ঘুমিয়েছিল ৷ শতবার বলেও আলমগীর প্রামানিককে রুম পরিবর্তন করতে রাজি করাতে পারেনি ও ৷ উনি ওনার ‘রুম বুড়ো হয়ে যাওয়ার’ থিওরি থেকে এক ইঞ্চিও নড়চড় করেননি ৷ অনন্যার মনে হয়েছিল বুড়োকে গাছের সাথে বেঁধে রাখতে ৷ শেষ মুহূর্তে নিজেকে এই অনাচার করা থেকে আটকেছে ও ৷

ঘুম ভাঙার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই অলির রুমের কথাটা মনে পড়ে গেল ওর ৷ এবং সাথে সাথে ও বিছানা থেকে নেমে পড়ল ৷ রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে যে ভ*য়ানক অস্বস্তি হয়েছিল সেটা এখনও হচ্ছে ওর ৷ যতই হোক এই রুমে , এই বিছানায় অলি থাকে ৷ অস্বস্তি লাগারই কথা ৷

অস্বস্তিকে এক পাশে রেখে অনন্যা বাইরে চলে গেল ৷ এখনও চারদিক অন্ধকার ৷ দূর থেকে আযানের ধ্বনি ভেসে আসছে ৷ মনে হয় অনেক দূর থেকে আসছে তাই খুবই ক্ষীণ শোনা যাচ্ছে ৷ সেই ক্ষীণ গলার আযান মনোযোগ দিয়ে শোনার পর অনন্যা কলপাড়ে গিয়ে অযু করে নিল ৷ তারপর অনেক সময় নিয়ে ফজরের নামাজ আদায় করে নিল ৷

বাইরে থেকে কল চাপার শব্দ আসছে ৷ নিশ্চয়ই আলু দাদু উঠে পড়েছে ৷ সেদিকে পাত্তা না দিয়ে অনন্যা আরো কিছুক্ষণ জায়নামাজে বসে থাকল ৷ নামাজের পর জায়নামাজে বসে থাকতে অনেক ভালো লাগে, মনের মধ্যে একটা প্রশান্তি কাজ করে ৷ অনন্যা সেই প্রশান্তি থেকে বঞ্চিত হতে ইচ্ছুক না ৷

আলো ফুটতে শুরু করলে অনন্যা বাইরে চলে গেল ৷ গিয়ে গাছের সাথে হেলান দিয়ে আকাশের পানে তাকিয়ে থাকল ৷ বিল্টু ঘুমঘুম চোখে বাইরে এসে অনন্যাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে ওর দিকে এগিয়ে এলো ৷ তারপর হাই তুলতে তুলতে বলল,,,

তুমিও কি অলি ভাইয়ার মতো গাছকে ভালোবেসে ফেললে নাকি?

অনন্যা হঠাৎ বিল্টুর আওয়াজে চমকে উঠল ৷ পর মুহূর্তে নিজেকে যথাসম্ভব সামলে নিয়ে বলল,,,

আমাকে দেখে গাছের প্রতি ইন্টারেস্টেড মনে হয়?

নিশ্চিত বলতে পারছি না ৷ তবে চান্স আছে ৷ কালকে অলি ভাইয়া যে গাছকে জড়িয়ে ধরে রেখেছিল আজ তুমিও সেই গাছেই হেলান দিয়ে আছে ৷ এসব দেখে তো ওটাই মনে হলো আমার ৷

অনন্যা চট জলদি গাছ থেকে দূরে সরে আসল ৷ হাত দিয়ে নিজের পিঠ ঝাড়তে লাগল যেন গাছের মধ্যে অলি লেগে ছিল ৷ ওর অবস্থা দেখে বিল্টু ভ্রু কুঁচকে বলল,,,

তোমাকে দেখেও একটা ছড়া বানাতে ইচ্ছা করছে ৷ বানাব?

থাক দরকার নেই ৷ যেদিন গাছের প্রেমে পড়ব সেদিন আমাকে নিয়ে ছড়া বানিয়ে দিও ৷

আচ্ছা অপেক্ষায় রইলাম ৷

দুজনে নিরব হয়ে গেল ৷ ক্ষণকাল বাদে অনন্যা এক পলক বিল্টুর দিকে তাকাল ৷ অতঃপর চোখ সরিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে বলতে লাগল,,,

মুখে যে লালা রা বংশবিস্তার করেছে সেগুলো পরিষ্কার করতে হবে না? এতো অপরিষ্কার থাকলে তো পিকু তোমাকে সকাল বিকাল পিটাবে ৷

বিল্টু প্রথম কথায় খানিকটা লজ্জা পেলেও পিকুর প্রসঙ্গ আসতেই রেগে আ*গুন হয়ে গেল ৷ ওর বাচ্চা সুলভ মুখটা রাগে র*ক্তিম হয়ে গেল ৷ তা আড়চোখে খেয়াল করে অনন্যা ঠোঁট টিপে হাসল ৷ কিছুক্ষণ পর বিল্টু রাগত স্বরে বলল,,,

তোমাকে আপু বলে ডাকি বিধায় মাফ করে দিলাম নয়তো ফাইটিং সিন শুরু হয়ে যেত ৷

অনন্যা হাসিকে সাইডে রেখে বলল,,, অলি আর মাহি ভাইয়াকে ভাইয়া বলে ডাকার পরও ফাইটিং সিন শুরু করো কেন?

ভাইয়া হোক আর টাইয়া হোক কিন্তু ছেলে তো? তাই ফাইটিং ফাইটিং শুরু হয় ৷ ছেলেদের মধ্যে এসব মা*রামা*রি নরমাল ৷

তুমি ছেলে?

বলে অনন্যা মুখ ঢেকে হাসি আটকানোর চেষ্টা করতে লাগল ৷ বিল্টু কটমট দৃষ্টিতে কয়েক সেকেন্ড ওর দিকে তাকিয়ে থেকে কলপাড়ে চলে গেল ৷ ও চলে যেতেই অনন্যা জোরে জোরে হাসতে লাগল ৷ হাসতে হাসতে ও আবার গাছটাতে হেলান দিল ৷ ঠিক তখনই ওর অলির কথা মনে পড়ে গেল ৷ ও গাছ থেকে সরে এসে হাই তুলে বলতে লাগল,,,

গাছকে বিনা অনুমতিতে ভালোবাসার জন্য নিশ্চয়ই গাছের থেকেও মাফ চাবে ৷

°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°

কিহ! তুই ওই রোবট মেয়েকে ভালোবেসে ফেলেছিস?

মাহির উত্তেজিত হয়ে বলা কথায় অলি ভড়কে গেল ৷ দ্রুত গিয়ে মাহির মুখ চেপে ধরে ফিসফিস করে বলল,,

আস্তে বল ৷ কেউ শুনে ফেলবে ৷

মাহি নিজের মুখ থেকে হাত সরিয়ে নিয়ে বলল,,, হাত সরা শালাহ ৷ আমরা পাহাড়ের মধ্যে তোর রুমে বসে আছি ৷ এখান থেকে কথা উড়ে গিয়ে এলাকায় পৌঁছাবে না ৷

তবুও সাবধানের মার নেই ৷ আমি নিজের কান্ডে চরম আশ্চর্য! আমি এমন বেহায়া কিভাবে হয়ে গেলাম রে!

শালাহ ঢং করিস না তো ৷ এমন ভান করছিস যেন অন্যের বউকে চু*রি করে এনেছিস!

তা নয় তো কি? উনি নিশ্চয়ই কারো না কারো হবু বউ তাই না? আমি তো তার বউয়ের প্রতিই নজর দিয়েছি ৷ উনার হবু স্বামীর কাছ থেকে মাফ চাইতে হবে ৷

মাহি কপাল কুঁচকে কিছুক্ষণ অলির দিকে তাকিয়ে থাকল ৷ তারপর কাটকাট গলায় বলল,,,

শুভ কাজে দেরি করে লাভ নেই ৷ চল এক্ষুণি মাফ চাবি ৷

অলি অবাক হয়ে বলল,,, কোথায়? তুই উনার হবু স্বামীকে চিনিস?

মাহি অলিকে হাত ধরে বসা থেকে উঠিয়ে বলতে লাগল,,, বেশি প্যাচাল পারিস না ৷ আমি যেখানে নিয়ে যাচ্ছি সেখানে চল ৷

মাহি অলিকে টানতে টানতে রুম থেকে বাইরে নিয়ে আসল ৷ তারপর ওকে পুকুরের সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়ে বলল,,,

নে মাফ চা ৷

অলি আহাম্মক হয়ে বলল,,, এসবের মানে কি?

মানে টানে বুঝি না ৷ তোর যেহেতু পছন্দ হয়েছে তো অনন্যাই হবে তোর বউ ৷ এখন নিজের থোবড়ার থেকে মাফ চা তো ৷ দেখ পানিতে কেমন বলদের মতো দেখা যাচ্ছে তোকে!

অলি অপমান গায়ে মাখার সময়ই পেল না ৷ মাহি একের পর এক যে বো*মা মা*রছে তাতে বাঁচা যাচ্ছে না ৷ ও মাহির কথামতো পুকুরে ভেসে ওঠা নিজের প্রতিবিম্বের দিকে তাকাল ৷ আসলেই ওকে আজ অদ্ভুত দেখাচ্ছে ৷ মনে হচ্ছে বাঁ*ন্দরের ছোট ভাই দাঁড়িয়ে আছে ৷

ওকে অন্যমনস্ক হতে দেখে মাহি ওর মাথায় হালকা থা*প্পড় মে*রে বলল,,,

কিরে হা হয়ে আছিস কেন? মাফ চা ৷

অলি গলা খাকারি দিয়ে বলল,,, ভাইজান আমাকে মাফ করে দিন ৷ দিনের বেলা মাফ করলেও হবে আবার রাতের বেলা মাফ করলেও হবে ৷ তবে মাফ করতেই হবে ৷ তার আগে নিজের থোবড়া টা একটু মেরামত করে নিন ৷ বাজে লাগছে!

ওর নাটক দেখে মাহি জোরে জোরে হাসতে লাগল ৷ ও হাসতে হাসতেই বলল,,,

শালা তোকে ভিডিও বানাতে বলেছিলাম তুই তো দেখি সিনেমা বানিয়ে ফেলেছিস!

°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°

সকাল খানিকটা বেড়ে যাওয়ার পর অলি খোদেজা বেগমের বাড়িতে উপস্থিত হলো ৷ আজ ও অতিথি দুজনকে এলাকা ঘুরিয়ে নিয়ে বেড়াবে ৷ এলাকার প্রতিটা মানুষ যে কতটা আন্তরিক সেটা দেখাবে ৷ ও আলু দাদু আর অনন্যাকে উদ্দেশ্য করে বলল,,,

চলুন সর্বপ্রথম আমার প্রেমিকার বাড়িতে যাওয়া যাক ৷

ওর কথা শুনে আলমগীর প্রামানিক চোখ বড় বড় করে বললেন,,, তোমার প্রেমিকা আছে? তাই তো বলি লিলির মতো এতো রুপবতী একটা মেয়েকে কিভাবে নাকচ করতে পারো!

উনার কথা শুনে অলি সামান্য হেসে অনন্যার দিকে তাকাল ৷ অনন্যা মাথা নিচু করে আছে ৷ ওদের কথায় ওর বিন্দুমাত্র আগ্রহ হচ্ছে না ৷ ওদিকে আলমগীর প্রামানিকের মুখের হাসি শেষ হচ্ছে না ৷ উনি অলি বাবুর প্রেমিকাকে দেখার জন্য খুবই উচ্ছ্বসিত হয়ে আছেন ৷

অলি ওদের দুজনকে নিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে হাঁটতে লাগল ৷ অবশ্য বোনাস হিসেবে মাহি আর বিল্টুও আসছে ওদের সাথে সাথে ৷ অলি আমেনা খাতুনের বাড়ির সামনে এসে দাঁড়াল ৷ অতঃপর গলা খানিকটা উচিয়ে বলল,,,

এই যে আমার প্রিয়তমা বেরিয়ে আসো ৷ দেখো কে এসেছে ৷

অনন্যারও এবার আগ্রহ জাগল ৷ তাই ও সামনের দিকে তাকাল ৷ অন্যদিকে আলমগীর প্রামানিক তো জোনাকি পোকার পা*ছার মতো জ্বলতেছেন ৷ উনি চোখ বড় বড় করে সামনের দিকে তাকিয়ে আছেন ৷ কিন্তু লাঠি ঠকঠক করে এক বৃদ্ধা মহিলা ঘর থেকে বেরিয়ে আসতেই উনার আগ্রহ ফুঁস হয়ে গেল ৷ তবুও সেদিকে তাকিয়ে থাকলেন ৷ হয়তো এটা অলি বাবুর প্রেমিকার দাদী হবে ৷

কিন্তু না ৷ উনার ধারনা ভুল প্রমাণিত হলো যখন অলি ওই বুড়োকেই প্রিয়তমা বলে ডাকতে লাগল ৷ জীবনের অনেক বড় একটা ধোকা মনে হয় আলমগীর প্রামানিক আজ পেলেন ৷ এমন ধোকা উনি বিয়ের রাতে বউ পাশে রেখে লুঙ্গি পড়ে ঘুমানোর পর সকালে উঠে লুঙ্গি না পেয়ে খেয়েছিলেন ৷

আলমগীর প্রামানিকের হতাশ মুখ দেখে অনন্যা মাথা নিচু করে হাসতে লাগল ৷ অলি উনাকে উদ্দেশ্য করে বলতে লাগল,,,

আলু দাদু এই দেখো আমার প্রেমিকাকে ৷ এতো রুপবতী প্রেমিকা এর আগে কারো দেখেছো?

আসলেই দেখিনি!

আমেনা খাতুন জুলজুল চোখে আলমগীর প্রামানিকের দিকে তাকিয়ে বলতে লাগলেন,,,

হ্যাঁ রে অলি এতো হাড্ডিসার বুড়োকে কোথা থেকে জোগাড় করে এনেছিস?

আলমগীর প্রামানিক থতমত খেয়ে গেলেন ৷ পর মুহূর্তে নিজের সম্মান বাঁচানোর জন্য গলা খাকারি দিয়ে বললেন,,,

আপনাকে যেখান থেকে এনেছে আমাকেও সেখান থেকেই এনেছে ৷

এই বুড়ো তো দেখছি দারুন ঝগড়ুটে!

অলি হেসে ফেলে বলল,,, হয়েছে বেশি কথা বলো না ৷ অসুস্থ হয়ে যাবে ৷ তোমার কিছু হলে আমি কিভাবে বাঁচব বলো দেখি?

আমেনা খাতুন লাজুক হাসলেন ৷ অতঃপর সকলকে ভিতরে নিয়ে গেলেন ৷ ছোট খাটো একটা ঘর হলেও বেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ৷ সব জিনিস অনেক সুন্দর করে গুছিয়ে রাখা হয়েছে ৷ বিছানায় নতুন পান্না বিছানো ৷ অনন্যা রা সেখানে গিয়ে বসে পড়ল ৷ আমেনা খাতুন ব্যস্ত হয়ে উনাদের আপ্যায়নের চেষ্টা করলে অলি বাধা দিয়ে বলল,,,

এই যে এতো ব্যস্ত হতে হবে না ৷ তুমি বসো ৷ আমি দেখছি ৷

অলি কিছু শুকনো খাবার উনাদের সামনে দিল ৷ তা দেখে আলমগীর প্রামানিক ভ্রু কুঁচকে বললেন,,,

আমরা কি খাওয়ার জন্য এসেছি? আমি তো তোমার প্রেমিকা কে দেখতে এসেছিলাম ৷ এভাবে ধোকা দিতে পারলে?

অলি হেসে ফেলল ৷ হাসতে হাসতে বলল,,, ইং শা আল্লাহ আমার প্রেমিকা না বরং আমার বউকে দেখতে পারবে তুমি ৷

কথাটা বলে ও আনমনে অনন্যার দিকে তাকাল ৷ মাহি গলা খাকারি দিয়ে উঠল ৷ এতে করে অলি থতমত খেয়ে চোখ সরিয়ে নিল ৷ মাহির দিকে তাকিয়ে দেখল ও মুচুরমুচুর করে হাসতেছে ৷ অলি ওর দিকে এগিয়ে গিয়ে ওকে চোখ রাঙাতে লাগল ৷ এতে করে মাহি থামার বদলে আরো বেশি হাসতে লাগল ৷ অলি গম্ভীর মুখে ওর দিকে তাকিয়ে থাকল ৷

হঠাৎ অলির দিকে নজর যেতেই আলমগীর প্রামানিক নিশ্চুপ হয়ে গেলেন ৷ একদৃষ্টিতে অলির মুখটার দিকে তাকিয়ে থাকলেন ৷ উনার মনে হতে লাগল এমন করে মুখটা গম্ভীর আরও একজন যেন করত! কিন্তু কে সে? আলমগীর প্রামানিক মনে করতে পারছেন না ৷ বয়স হওয়ায় কি উনার স্মৃতিশক্তি হারিয়ে যাচ্ছে নাকি?

আলমগীর প্রামানিকের ভাবনার মাঝে বিল্টু শুকনো খাবারের অর্ধেক সাবার করে দিল ৷ তারপর কিছুই না হওয়ার ভান করে মাহির পাশে গিয়ে বসল ৷ অতঃপর গলা খাকারি দিয়ে বলল,,,

মাহি ভাইয়া তুমি আমাকে খাওয়াতে চেয়েছিলে ৷

একটু আগে সকলের অগোচরে যা খাওয়া খেলি তাতে আগামী বারো ঘন্টা না খেয়ে থাকতে পারবি!

বিল্টু খানিকটা লজ্জা পেলেও বলল,,, সেসব তোমাকে ভাবতে হবে না ৷ তুমি আমাকে খাওয়াতে চেয়েছিলে সো খাওয়াবে ৷

আমার টাকা পয়সা নেই ৷ আমি গরিব ৷

বিল্টু ভ্রু কুঁচকে কয়েকপলক মাহির দিকে তাকিয়ে থেকে বলল,,,
২০ টাকায় পাওয়া যায় কলার হালি
মাহি ভাইয়ার নাকি পকেট খালি
মারো তালি;

চলবে,,,,

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here