চাঁদের_হাসি #লেখিকা_সিনথিয়া_জাহান #পর্বঃ২৫

0
16

#চাঁদের_হাসি
#লেখিকা_সিনথিয়া_জাহান
#পর্বঃ২৫

অনন্যা রা এখনও আমেনা খাতুনের বাড়িতেই আছে ৷ বিল্টুর ছন্দ শুনে হাসির রোল পড়ে গিয়েছিল ৷ সেই হাসির পর্ব এখন থেমে গেছে ৷ তবে মাহির টিটকারি থেকে বিল্টু বাঁচতে পারছে না ৷ মাহি বিল্টুর মাথায় বাড়ি দিয়ে বলল,,,

খুব কবি হয়ে গেছিস তাই না? তোর এই ছন্দ শুনে তো আমার বমি আসছে ছ্যাহ!

বিল্টু মাথায় হাত বুলিয়ে কটমট দৃষ্টিতে মাহির দিকে তাকাল ৷ তা দেখে মাহি আঙুল উচিয়ে বলল,,,

খবরদার ওমন নজরে তাকাবি না! নিজের সাইজের চেয়ে বড় চোখ বানানোর চেষ্টা ভুলেও করবি না ৷

বিল্টু তবুও কিছুক্ষণ ওর দিকে তাকিয়ে থেকে চোখ সরিয়ে নিল ৷ মাহি গলা খাকারি দিয়ে বলল,,,

মানুষের আছে দুইটা ঠ্যাং
বিল্টু নাকি খেয়েছে ল্যাং
মারো তালি;

ওর ছন্দ শুনে আবারও সবাই হাসতে শুরু করল ৷ তবে বিল্টু হাসতে হাসতে বলল,,,

তোমার টা গা*ধা মার্কা হয়েছে মাহি ভাইয়া!

তোর টা মনে হয় রাজকীয় মার্কা হয়েছে?

না রাজকীয় মার্কা না ৷ আমার টা হয়েছে খান্না বাবুর মতো ৷

মাহি কপাল কুঁচকে বলল,,, খান্না বাবু কে? আমাদের এলাকায় তো এই নামে কেউ নেই ৷ সত্যি করে বল বিল্টু তুই এই এলাকাকে ধোকা দিয়ে অন্য এলাকার সাথে লটরপটর করছিস না তো?

বিল্টু হাসবে না রাগ দেখাবে বুঝতে পারছে না ৷ শেষে ও একটা অনুভূতিকেও পাত্তা না দিয়ে বিরক্ত গলায় বলতে লাগল,,,

তুমি এতো মূর্খ কেন? খান্না বাবু হানি বানি কার্টুনের অন্যতম একটা ক্যারেক্টার ৷

মাহি অনেক মনোযোগ দিয়ে ওর কথা শুনছিল ৷ শেষে ও দীর্ঘশ্বাস ফেলে বিল্টুর থেকে চোখ সরিয়ে নিয়ে বলতে লাগল,,,

হাপ বেডা তোর কার্টুন দেখার জন্য তো আমি বসে থাকি তাই না? আমার তো আর কোনো কাজ নেই?

নেই ই তো ৷ এসেছো থেকে শুধু খাচ্ছ, ঘুরছো আর সুযোগ পেলে আমাকে মা**রছো!

আমি এখানে ঘুরতে এসেছি ৷ কোনো কাজ করতে আসিনি ওকে?

ঘুরতে এসেছো জন্য কাজ করতে হবে না? অলি ভাইয়া ঘোরার পাশাপাশি কত কাজ করে সেটা চোখে দেখোনি? আসল কথা হচ্ছে তুমি এক নাম্বার অলস ৷

মাহি বি*স্ফোরিত চোখে বিল্টুর দিকে তাকিয়ে বলতে লাগল,,, বাপরে! তুই দেখি পিকুর মতো ঝগড়া শুরু করে দিয়েছিস! তোর মতিগতি ভালো লাগছে না আমার ৷

এই একটা টপিকে এসে বিল্টু হেরে গেল ৷ একটু চুপ থেকে কয়েক দফা মাহিকে মা*রতে মা*রতে পিকুর কথা না উঠানোর হুমকি দিতে লাগল ও ৷ মা*রামা*রির পর্ব শেষে মাহি আবারও বিল্টুর সাথে মজা করতে লাগল ৷ আর ছোট্ট বিল্টু রাগে গজগজ করতে লাগল ৷ অন্যদিকে অলি নিরব দর্শকের মতো ওদের কান্ডকারখানা দেখছে আর হাসছে ৷

অনন্যা মাথা নিচু করে বসে আছে ৷ মাঝে মাঝে মৃদু হাসছে বিল্টু আর মাহির কথোপকথন শুনে ৷ আরেক পাশে বুড়ো বুড়ি চুপচাপ বসে আছে ৷ তবে আলমগীর প্রামানিক চোখ সরু করে অলির আপাদমস্তক দেখে চলেছেন ৷ কিন্তু কিছুই ধরতে পারছেন না ৷ শুধু পরিচিত মনে হওয়া ছাড়া ৷

শেষে উনি নিজের উপর হাল ছেড়ে দিলেন ৷ তবে অলিকে চেনার রহস্য বের করা থেকে অব্যাহতি নিলেন না ৷ নিজে পারেন নি তো কি হয়েছে ৷ অন্য কেউ তো কিছু না কিছু ক্লু দিতেই পারবে ৷ তাই উনি আমেনা খাতুনের দিকে একপলক তাকালেন ৷ আমেনা খাতুন চোখ আধো আধো বন্ধ করে ঝিমুচ্ছেন ৷ তা দেখে আলমগীর প্রামানিক দোনা-মোনা করতে লাগলেন ৷ শেষে গলা খাকারি দিয়ে বললেন,,,

শুনছেন?

কোনো সাড়া নেই ৷ আলমগীর প্রামানিক এবার কন্ঠটা আরেকটু উচিয়ে বললেন,,,

এই যে শুনছেন?

আমেনা খাতুন দরবর করে চোখ মেলে তাকিয়ে আশেপাশে দেখতে দেখতে বললেন,,, কোন হা*রামী রে!

আলমগীর প্রামানিক থতমত খেয়ে গেলেন ৷ উনি তো আর বলতে পারেন না যে ‘আমিই সেই হা*রামী’ তাই চুপ করে থাকলেন ৷ আমেনা খাতুন চোখমুখ কুঁচকে বললেন,,,

হারামীর হারামী কানের পর্দা ফাটিয়ে দিয়ে উধাও হয়ে গেল! এদেরকে ধরে ধরে নর্দমায় ছুড়ে মা*রা উচিত ৷

বলে উনি আবারও ঝিমানোর মতো করতে ধরলেই আলমগীর প্রামানিক অপমানের কথা ভুলে গিয়ে বললেন,,,

এই যে ঘুমোবেন না ৷ আমি ডাকছি ৷

আমেনা খাতুন জুলজুল চোখে আলমগীর প্রামানিকের দিকে তাকালেন ৷ অতঃপর কাটকাট গলায় বলতে লাগলেন,,,

এই বুড়ো হাড্ডিসার কি চান?

অপমান গায়ে না মেখে আলমগীর প্রামানিক বললেন,,, একটা জরুরি প্রশ্ন ছিল ৷

আমেনা খাতুন গম্ভীর মুখ করে বললেন,,, প্রশ্ন করেই যখন ফেলেছেন তো বলুন ৷

আলমগীর প্রামানিক ইতস্তত করে বলতে লাগলেন,,, অলি বাবু কি ছোট থেকেই এখানে আছে? না মানে ওর শৈশবকাল কি এখানেই কেটেছে?

তো কোথায় কাটবে? এই এলাকায় ওর দাদার জন্ম হয়েছে তাহলে ওর জন্ম কি উগান্ডায় হবে? বড়ই ফালতু প্রশ্ন!

আলমগীর প্রামানিক থতমত খেয়ে গেলেন ৷ তবুও গলা খাকারি দিয়ে বললেন,,,

আমি সেভাবে বলতে চাইনি ৷ অলি বাবু হয়তো কখনো ঢাকায় গিয়েছিল তাই না?

কেন রে ও ঢাকায় যাবে কেন? ঢাকায় কি রাস্তায় রাস্তায় হিরা পড়ে আছে? সেই হিরা নেওয়ার জন্য কি অলিকে যেতে বলছেন?

আপনি বড্ড বাড়াবাড়ি করছেন! আমি সিম্পল প্রশ্ন করেছি ৷

এই বুড়ো ইংরেজি মা*রাবি না আমার সামনে! তার উপর তোর নজর দেখছি আমার জানেমানের দিকে ৷ তোর মতলব কি রে?

আলমগীর প্রামানিক গম্ভীর হয়ে গেলেন ৷ এই বুড়ি তুই তুকারিতে চলে এসেছে ৷ এখন কথা বাড়ানো ঠিক হবে না ৷ উনি ভুল মানুষকে ধরেছেন ৷ বড্ড ভুল হয়ে গেছে বুড়ির সাথে কথা বলার চেষ্টা করে ৷

উনাকে কথা না বলতে দেখে আমেনা খাতুন পুনরায় বলতে লাগলেন,,, তুই আমার জানেমানকে পাচার করে দিতে চাচ্ছিস না তো? বুড়ো তোকে প্রথম দেখাতেই আমার সন্দেহ হচ্ছিল!

আলমগীর প্রামানিক মনে মনে বললেন,,, আমাকে দেখে পাচারকারী মনে হয়? চোখ দুটো কি মার্বেলের সাথে অদলবদল করেছে নাকি আশ্চর্য!

°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°

অনন্যা অলির স্বচ্ছ পানির পুকুরের সামনে বসে আছে ৷ আমেনা খাতুনের ঝগড়া বেড়ে যাওয়ায় অলি উনাকে শান্ত করে আলমগীর প্রামানিকদের নিয়ে নিজের বাড়িতে চলে এসেছে ৷ অলির বুদ্ধিমত্তায় আলমগীর প্রামানিক অত্যন্ত প্রীত ৷ বুড়ির হাত থেকে বাঁচতে পেরে উনি স্বাধীনতার ফিল পাচ্ছেন ৷ হা করে দূষণমুক্ত বাতাস নিজের ভিতরে শুষে নিচ্ছেন ৷

অন্যদিকে অনন্যা পুকুরের পাড়ে বসে থাকলেও ওর চোখ দুটো গাছের রঙিন ফুলগুলোর দিকে নিবদ্ধ যার দরুন ওর চোখে মুগ্ধতা ছড়িয়ে রয়েছে ৷ হঠাৎ ওর চোখ পুকুরের পানিতে ভাসমান নিজের প্রতিবিম্বের দিকে যেতেই মুখটা ফ্যাকাশে হয়ে গেল ৷ ওর এই পরিবর্তন অলির নজর থেকে বাঁচল না কেননা ও অনন্যার দিকেই তাকিয়ে ছিল ৷

তাই অলি নিজের মন আর মস্তিষ্কের সাথে যুদ্ধ করে অনন্যার দিকে ধীর কদমে এগিয়ে এলো ৷ অনন্যার থেকে বেশ খানিকটা দূরে ও বসে পড়ল ৷ বেশ কিছুক্ষণ নিশ্চুপ থাকার পর ও শান্ত গলায় বলতে লাগল,,,

নিজের বাহ্যিক সৌন্দর্যের প্রতি বারবার এতোটা হতাশ হয়ে পড়েন কেন?

অনন্যা চমকে উঠে একপলক অলির দিকে তাকাল ৷ পর মুহূর্তে চোখ সরিয়ে নিল ৷ ও জানেই না অলি কখন ওর পাশে এসে বসেছে ৷ নিজের হতবাক ভাব কাটিয়ে ও পুনরায় দিঘির পানির দিকে তাকাল ৷ অলি আবারও বলে উঠল,,,

আপনি আমাকে বলেছিলেন ‘যে দৃশ্যের দিকে তাকালে কষ্ট লাগে সেই দৃশ্য ইগনোর করতে’ তাহলে আপনি কেন সেই কথা মানছেন না? আপনার বাহ্যিক সৌন্দর্য যদি আপনাকে কষ্ট দেয় তাহলে বারবার দেখেন কেন?

অনন্যা তাচ্ছিল্যের হাসি হেসে বলল,,, আমি না দেখতে চাইলেও অন্যরা ঠিকই প্রতিটি পদক্ষেপে আমাকে বুঝিয়ে দেয় আমি সুন্দর না , আমি ওদের পাশে দাঁড়ানোর যোগ্য না ৷

অলি অনন্যার দিকে কয়েকপলক তাকিয়ে থাকল চুপ করে ৷ তারপর চোখ সরিয়ে নিয়ে বলল,,,

শুনুন একটা কথা বলি ৷ এক ফুলের সাথে অন্য ফুলের তুলনা করা বোকামী ৷ কেননা প্রতিটি ফুলই তার নিজ নিজ জায়গা থেকে অতুলনীয় ৷ তেমনি প্রতিটি মানুষের নিজস্ব সৌন্দর্য রয়েছে ৷ তাই অন্যের সাথে কখনো নিজের তুলনা করতে যাবেন না ৷ আপনি অনন্য ৷ বাকিরাও তাদের মতো অনন্য ৷

সবাই কি আর আপনার মতো চিন্তাধারা লালন করে?

অলি অনন্যার মলিন মুখটার দিকে নিশ্চুপ হয়ে তাকিয়ে থাকল ৷ অতঃপর অত্যন্ত শীতল গলায় বলতে লাগল,,,

আপনাকে তো আমার কাছে অনেক রুপবতী লাগে ৷ কোনো খুঁত চোখে পড়ে না ৷ বলতে গেলে আপনার চোখে যে সৌন্দর্য রয়েছে সেটা আমি আজ পর্যন্ত কারো চোখে পাইনি ৷ হয়তো সকলের সৌন্দর্য বিচার করার মাধ্যম খারাপ নয়তো আমারই চোখ খারাপ ৷ কি জানি বাপু!

কথাটা বলে অলি বসা থেকে উঠে অন্যদিকে চলে গেল ৷ অনন্যা চকিতে ওর দিকে তাকাল ৷ অলি মাহির সাথে গিয়ে ধাক্কা খেয়েছে ৷ দুজনে কপাল চেপে ধরে একে অপরের দিকে তাকিয়ে কিছু কথা বলছে ৷ সেসব কথা শুনতে না পেলেও অনন্যার চোখ দুটো অলির দিকে নিবদ্ধ থাকল ৷ ও অলির দিকেই তাকিয়ে থাকল ৷

ধা*ক্কা খাওয়ার ফলে একটা লাভ হয়েছে ৷ মাহির মাথায় দু*ষ্টু বুদ্ধি চলে এসেছে ৷ ও গলা খাকারি দিয়ে বলে উঠল,,,

আমি সব দেখেছি অলি ৷ এখন বল তোর ভালোবাসার কথা কবে বলবি অনন্যাকে?

অলি চমকে উঠে বলল,,, তোর মাথা খারাপ? আমার দ্বারা ওসব হবে না ৷

না তোর দ্বারা সম্ভব হতেই হবে এবং সেটা আজকেই ৷

পারব না ভাই ৷

পারতে হবে ৷ উনারা দুই একদিনের মধ্যেই ঢাকায় ফিরে যাবে ৷ তখন তুই বসে বসে আঙুল চুষিস!

আমি ওসব জানি না ৷ আমি শুধু এটাই জানি আমার দ্বারা হবে না ৷

মাহি ভ্রু কুঁচকে কয়েকপলক অলির দিকে তাকিয়ে থেকে বলল,,,

তুই একটু আগে আমাকে ধাক্কা দিয়েছিস ৷ তার জন্য নিশ্চয়ই মাফ চাবি কিন্তু আমি মাফ করব না ৷ ভাত না খেয়ে দেখব কতদিন থাকতে পারিস!

তুই এতোটা নি*র্দয় হতেই পারিস না ৷

পারি আমি ৷ এখন চয়েজ তোর ৷ ভালোবাসার কথা জানাবি নাকি ভাত না খেয়ে ম*রবি?

°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°

ভাতের লোভে পড়ে অলি রাজি হয়ে গেছে ৷ ও মাহির সাথে একটা গাছের পিছনে লুকিয়ে আছে ৷ ওদের সামনে অনন্যা লিলির সাথে কথা বলছে ৷ একটু পর কথা বলা শেষে একজন ঘরের ভিতরে চলে গেল ৷ নিশ্চয়ই লিলিই গিয়েছে ৷ ওদের সামনেও একটা ঝোপ তাই স্পষ্ট দেখা যায়নি ৷ তবে লিলি ছাড়া ভিতরে কে যাবে? অনন্যা হুট করে অন্যের ঘরে ঢোকার মতো মানুষ না ৷ তাই মাহি অলিকে তাগদা দিয়ে বলল,,,

যা এবার ৷

অলি যাচ্ছে না ৷ কারন অলির পা থরথর করে কাঁপছে ৷ ও মাহির দিকে তাকিয়ে করুন চোখে বলতে লাগল,,

আমি পারব না রে ভাই!

যাহ শালা! নয়তো ভাত পাবি না আর বউও পাবি না ৷

মাহি অলিকে ধাক্কা দিয়ে গাছের আড়াল থেকে বের করে দিল ৷ অনিচ্ছা সত্ত্বেও অলি সামনে হাঁটতে লাগল ৷ কিন্তু ওর পা এতো কাঁপছে যে ও ঠিকমতো হাঁটতে পারছে না ৷ তার উপর লজ্জায় ওর কান দুটো লাল হয়ে গেছে ৷ হাঁটতে হাঁটতে একবার উল্টেও পড়তে ধরল ৷ তা দেখে মাহি কপাল চাপড়ে বলল,,,

ব*লদ কোথাকার!

অলি অনন্যার সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে গলা খাকারি দিল ৷ যদিও ওর পা থরথর করে কাঁপছে কিন্তু ঝোপের জন্য সেটা দেখা যাচ্ছে না ৷ তবে ওর গলাও কাঁপছে তাই ও আরো একবার গলা খাকারি দিয়ে বলল,,,

একটা কথা ছিল ৷

অপরপাশ থেকে কোনো উত্তর নেই ৷ তার মানে এটা নিশ্চিত অনন্যা ৷ অলি আরো একবার গলা খাকারি দিয়ে বলতে লাগল,,,

কোনোপ্রকার অনুমতি না নিয়ে আপনাকে ভালোবেসে ফেলার জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত ৷ আমাকে দয়া করে মাফ করে দিন ৷

লিলি চকিতে ঝোপ থেকে লাফিয়ে অলির সামনে এসে উচ্ছ্বসিত গলায় বলল,,,

ওহ মাই অলি!

লিলিকে দেখে অলির অন্তরাত্মা পর্যন্ত কেঁপে উঠল ৷ ও বুকে হাত দিয়ে ধপাস করে মাটিতে পড়ে গেল ৷ অন্যদিকে লিলি অলরেডি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে ৷ ওদের অবস্থা দেখে মাহি কপালে হাত দিয়ে মাটিতে বসে পড়ে বলল,,,

কি স*র্বনাশ!

চলবে,,,,

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here