#চাঁদের_হাসি
#লেখিকা_সিনথিয়া_জাহান
#পর্বঃ২৮
২১ বছর আগের কথা,
আলমগীর প্রামানিক উঠানে দাঁড়িয়ে নিজের কালো দাঁড়িগুলো কেটে একটু খাটো করছেন ৷ অনেক বেড়ে গিয়েছিল ৷ আয়নায় দেখে দেখে উনি দাঁড়ি কাটছেন ৷ এমন সময় উনার স্ত্রী আসমা বানু সেখানে উপস্থিত হলেন ৷ তারপর স্বামীর আপাদমস্তক খুটিয়ে খুটিয়ে দেখার পর বললেন,,,
দাঁড়ি কেটে কি বোঝাতে চাচ্ছেন? আপনি এখনও যুবক আছেন? মেয়েরা চাইলে আপনার উপর লাইন মা*রতে পারে?
আলমগীর প্রামানিক থতমত খেয়ে গেলেন ৷ দাঁড়ি কাটা কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ রেখে বলতে লাগলেন,,,
আহা ঘরে এতো সুন্দরী স্ত্রী থাকতে আমি বাইরের রমনীদের পটানোর চেষ্টা করতে যাব কেন? তোমার সামনে নিজেকে সুদর্শন হিসেবে উপস্থাপন করাই আমার একমাত্র লক্ষ্য ৷
এই এক কথায় আসমা বানুর রাগ পড়ে গেল কিন্তু উপরে সেটা বুঝতে না দিয়ে কপট রাগ দেখিয়ে বললেন,,,
আহ ঢংং! ছেলে মেয়েদের বিয়ে হয়ে গেছে অথচ আপনার রঙ কমল না ৷
সেটা কমবেও না গো রুপবতী ৷
আসমা বানু নিজের লজ্জা ঢাকার জন্য বলতে লাগলেন,,, মেয়েটা যে রাঙামাটিতে বেড়াতে গেল তার একটা খোঁজ নিয়েছেন?
আলমগীর প্রামানিক পুনরায় দাঁড়ি কাটায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন ৷ দাঁড়ি কাটা অব্যহত রেখেই উনি বলতে লাগলেন,,,
টেনশন করো না ৷ বড় ভাইয়ের সাথে গিয়েছে কোনো সমস্যা হওয়ার কথা না ৷
আসমা বানু গরম চোখে একপলক স্বামীর দিকে তাকালেন ৷ অতঃপর উনার পিঠে একটা থা*প্পড় মে*রে বললেন,,,
বড় ভাই? ইয়াসির এখন আর আহিয়ার ভাই নেই ৷ ওদের বিয়ে হয়ে গেছে বুড়ো!
চাচাতো ভাইকে বিয়ে করলেও ভাইয়ের পদবীটা তো হারিয়ে যায় না ৷
আসমা বানু দাঁতে দাঁত চেপে বলতে লাগলেন,,, আপনার মোটা মাথায় হয়তো যায় না কিন্তু আমাদের স্বাভাবিক মানুষের মাথায় ঠিকই যায় ৷
রিনা বেগম শ্বশুড় শ্বাশুড়ির সম্মুখে উপস্থিত হলেন চিন্তিত মুখে ৷ উনার হাতে মোবাইল ৷ উনি কান থেকে মোবাইল নামিয়ে বলতে লাগলেন,,,
মা আহিয়া আপু তো ফোনই তুলছেন না ৷ কাল রাত থেকে ট্রাই করছি কিন্তু কোনো লাভ হচ্ছে না ৷
আসমা বানু চকিতে উনার দিকে তাকিয়ে বলতে লাগলেন,,, আহা তুমি এখানে এসেছো কেন বউমা? গর্ভবতী অবস্থায় এতো হাঁটা চলা ভালো না ৷
কিন্তু মা আপুরা ফোন তুলছেন না কেন?
আলমগীর প্রামানিক বললেন,,, টেনশন করো না ৷ ওরা ঠিক আছে ৷ ঘুরতে গিয়েছে তাই হয়তো ব্যস্ত আছে ৷ আর তাছাড়া ওখানে নেটওয়ার্ক সমস্যা তাই হয়তো ফোন ধরতে পারছে না ৷
রিনা বেগমকে চিন্তামুক্ত করে ঘরের ভেতরে পাঠিয়ে দিলেও বুড়ো বুড়ির মধ্যে খুতখুতানি থেকে গেল ৷ এতোক্ষণ থেকে যোগাযোগ অফ রাখার মতো মানুষ তো ওরা না ৷ ওদের সাথে ছোট একটা বাচ্চা আছে , টেনশন তো হবেই ৷
দুপুর গড়িয়ে বিকেল , বিকেল গড়িয়ে রাত হয়ে গেল তবুও কোনো খবর পাওয়া গেল না ৷ বাড়ির সকলে চিন্তিত হয়ে বসে আছেন ৷ ইয়াসির প্রামানিকের বাবা মা অর্থাৎ আহিয়ার শ্বশুড় শ্বাশুড়িও ওদের সাথে বসে আছেন ৷ আপন প্রামানিক এজেন্সিতে ফোন করে বোনের খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করলেন ৷ ফোনে কথা শেষ করার পর উনার মুখটা আরো ফ্যাকাশে হয়ে গেল ৷ তা দেখে সবাই অস্থিরভাবে জিজ্ঞাসা করল,,,
কি বলল? ওদের পেলি?
ওরা কোথাও নেই ৷ কাল থেকে দলচ্যুত হয়ে গেছে আহিয়া রা ৷
এসব শুনে সকলের চিন্তা বহুগুণ বেড়ে গেল ৷ সকলে উঠানের মধ্যে ছটপট করতে লাগল ৷ আলমগীর প্রামানিক বসা থেকে উঠে বললেন,,,,
এভাবে হাত পা গুটিয়ে বসে থাকলে হবে না ৷ আমাদের পুলিশকে খবর দিতে হবে ৷
সকলে সম্মত হলো ৷ পুলিশকে ফোন করতে যাবে এমন সময় অ্যাম্বুলেন্সের আওয়াজে সকলে অবাক হয়ে গেল ৷ অ্যাম্বুলেন্স ওদের বাড়ির সামনে এসেই থামল ৷ সকলে ভীত কদমে বাইরে বেরিয়ে আসল ৷ এসে দেখল অ্যাম্বুলেন্সে আহত অবস্থায় ইয়াসির বসে আছে ৷ ওর চোখমুখ উদভ্রান্তের ন্যায় ৷ পাগলের মতো সামনে তাকিয়ে আছে যেখানে সাদা কাপড়ে মোড়ানো দুটো দেহ ৷
আলমগীর প্রামানিক কম্পিত হাতে সাদা কাপড় উঠিয়ে নিজের মেয়ের নিথর মুখ আর একটা ছোট বাচ্চার ঝ*লসানো দেহ দেখে দূরে ছিটকে পড়লেন ৷
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
বর্তমান,,,
আজও আলমগীর প্রামানিক ছিটকে পড়ে আছেন ৷ তবে ভিন্ন কারনে ৷ কিন্তু একই রকমের চমক পেয়েছেন তিনি ৷ উনি বুকে হাত দিয়ে হৃদপিন্ডের ব্যা*থা দূর করার চেষ্টা করতে করতে ক্ষীণ গলায় বললেন,,,
ও-ও-ওটা তাহলে আমার আরাফাত ছিল না ৷ ওই লা*শ অন্যকারো ছিল ৷ আমার আহিয়ার ছেলে বেঁচে আছে ৷
আলমগীর প্রামানিক নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছেন না ৷ উনি কম্পিত হাতে আবারও ছবিটা হাতে তুলে নিলেন ৷ তারপর ছবিতে থাকা অলির গায়ে হাত বোলাতে লাগলেন ৷ এমন সময় অলি আর মাহি দৌঁড়ে রুমের ভিতর প্রবেশ করল ৷ ওরা শব্দ শুনে ভিতরে এসেছে ৷ আলমগীর প্রামানিকের অবস্থা দেখে অলি চিন্তিত গলায় বলল,,,
কি হয়েছে আলু দাদু?
আলমগীর প্রামানিক অলির দিকে দৃষ্টি অব্যাহত রেখে উঠার চেষ্টা করলেন ৷ উঠার সময় পা ছলকে পড়তে ধরলে অলি এসে উনাকে আগলে নিল ৷ আলমগীর প্রামানিক ভেজা চোখে অলির দিকে তাকিয়ে ছবিটা ইশারা করে ক্ষীণ গলায় বললেন,,,
এ-এটা তোমার ছবি?
অলি ভ্রু কুঁচকে রেখে বলল,,, হ্যাঁ কিন্তু তোমার কি হয়েছে আলু দাদু? অসুস্থ লাগছে?
আলমগীর প্রামানিক ওর কথায় না গিয়ে ওর গালে হাত বুলিয়ে দিতে লাগলেন ৷ মমতাময়ী চোখে অলির দিকে তাকিয়ে থেকে বলতে লাগলেন,,,
আমার চোখ কোনোদিন ভুল করেনা ৷ তোমাকে ভীষণ চেনা লাগা টা অযৌক্তিক ছিল না ৷
অলি অবাক হয়ে গেল ৷ ও কিছুই বুঝতে পারছে না ৷ এমন সময় অনন্যা আর বিল্টুও সেখানে চলে আসল ৷ দাদুর অবস্থা দেখেই অনন্যা দৌঁড়ে এসে কাঁদো কাঁদো গলায় বলল,
তোমার কি হয়েছে দাদু? এমন করছো কেন?
নাতনিকে দেখে আলমগীর প্রামানিক ঝরঝর করে কাঁদতে লাগলেন ৷ এতে করে সবাই বেশ ঘাবড়ে গেল ৷ অনন্যা নিজেও কেঁদে ফেলে বলল,,,
এই বুড়ো কি হয়েছে তোমার?
আলমগীর প্রামানিক কয়েক মিনিট টানা কাঁদার পর বললেন,,, এই অলি আমাদের আরাফাত ৷
কথাটা বলে উনি অনন্যার হাতে ছবিটা দিয়ে দিলেন ৷ ছবিটা দেখতেই ওর চোখ বড় বড় হয়ে গেল ৷ ও অবাক চোখে অলির দিকে তাকিয়ে বলতে লাগল,,,
আরাফাত ভাইয়া!
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
রুমের ভিতরে অলি, অনন্যা আর আলমগীর প্রামানিক বসে আছেন ৷ কারো মুখে কোনো কথা নেই ৷ অলি ফ্যালফ্যাল করে আলমগীর প্রামানিক আর অনন্যার দিকে বারবার তাকাচ্ছে ৷ এতো বড় বিষয়টা ও এখনও হজম করতে পারেনি ৷ এক মুহূর্তের মাঝেই এসব কি হয়ে গেল?
নিরবতা ভেঙে আলমগীর প্রামানিক বলতে লাগলেন,, তোমার বাবা আমার ছোট ভাইয়ের ছেলে ৷ যখন প্যান্ট পড়ত না তখন থেকেই ওকে দেখে এসেছি ৷ সেই ল্যাদা বাচ্চা বড় হয়ে আমার মেয়ে মানে তোমার মাকে বিয়ে করার জন্য পাগল হয়ে গেল ৷ পড়নের লুঙ্গি দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়ার হুমকি দিল আহাম্মক টা ৷ তাই বিয়েটা দিয়েই দিলাম ৷
অলি এতোটা স্তম্ভিত হয়ে আছে যে আলমগীর প্রামানিকের এমন রসাত্মক কথাতেও হাসতে পারল না ৷ আর না পারল অনন্যা ৷ ছোট থেকেই ও আহিয়া ফুফু আর তার ছেলের কথা শুনে এসেছে ৷ তাদের না দেখেই ভীষণ ভালোবাসতো ও ৷ আর আজ সেই হারানো ভাইকে খুঁজে পাওয়া গেল ৷
অলি নিজের হতভম্ভ ভাবের মধ্যে থেকেই অস্ফুট স্বরে বলল,,, আমি তোমার মেয়ের ছেলে?
হ্যাঁ ৷ অবশ্য তোমার বাবার ছেলেও তুমিই ৷ ওই যে পড়নের লুঙ্গি খুলে যে ফাঁস দিতে চেয়েছিল তার ৷ এক নাম্বারের আহাম্মক ছ্যাহ!
অলি চোখ বড় বড় করে আলমগীর প্রামানিকের দিকে তাকাল ৷ পর মুহূর্তে চোখ সরিয়ে নিল ৷ আলমগীর প্রামানিক পুনরায় বলতে লাগলেন,,,
ভাগ্যিস তুমি তোমার মায়ের মতো দেখতে হয়েছো ৷ ওই আহাম্মক টার মতো দেখতে হওনি ৷ তোমার হাসি, তোমার বৈশিষ্ট্য , তোমার মুখের সমস্ত এক্সপ্রেসন তোমার মায়ের মতোই ৷ শুধু হাইট আর হাঁটার স্টাইল টা ওই আহাম্মক টার মতো হয়েছে ৷
অনন্যা প্রথমবারের মতো মুখ খুলে বলল,,, বেশি খুশিতে কি তোমার মাথার তাঁর ছিঁড়েছে বুড়ো? কিসব আবোল তাবোল কথা বলছো বলো দেখি?
আলমগীর প্রামানিক অপমান গায়ে মাখলেন না ৷ বলতে গেলে আসলেই উনার মাথা খারাপ হয়ে গেছে ৷ কিছুক্ষণ আগেই ভ্যা ভ্যা করে কাঁদছিলেন আর এখন কেমন দাঁত কেলাচ্ছেন ৷
অলি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল,,, তুমি বলেছিলে সবাই রাঙামাটিতে গিয়েছিল তাহলে খাগড়াছড়িতে আসলাম কিভাবে?
সেটা তোমার আহাম্মক বাবাই বলতে পারবে ৷ এসব কোনো কথাই ও বলেনি ৷ পারে শুধু লুঙ্গি দিয়ে ফাঁস দিতে!
অনন্যা বিরক্ত গলায় বলতে লাগল,,, আহ বুড়ো আজে বাজে কথা বলো না তো ৷
দাদুর থেকে নজর সরিয়ে অনন্যা অলির দিকে তাকিয়ে বলতে লাগল,,, আসলে ফুফুমনি আর আপনাকে হারানোর ট্রমা সহ্য করতে না পেরে ফুফামশাই পাগলপ্রায় হয়ে গেছেন ৷ কারো সাথে কথা বলেন না ৷ সারাদিন রুমবন্দী হয়ে থাকেন ৷ টাইমে টাইমে শুধু খাবার পাঠানো হয় তাছাড়া কেউ ওই রুমে যাওয়ার সাহস দেখায় না ৷ সেখানে এসব প্রশ্ন করে উনাকে কষ্ট দেওয়ার কোনো মানেই হয় না ৷
অলি অনন্যার দিকে ক্ষণকাল তাকিয়ে থেকে চোখ সরিয়ে নিল ৷ আলমগীর প্রামানিক তাচ্ছিল্যের হাসি হেসে বললেন,,,
ওটা আসলেই আহাম্মক! লুঙ্গিম্যান!
অনন্যা কটমট দৃষ্টিতে দাদুর দিকে তাকাল ৷ আরাফাত কে পাওয়ার সাথে সাথেই ভোল পাল্টেছেন উনি ৷ অথচ এতোদিন ইয়াসির কে নিয়ে সবচেয়ে বেশি চিন্তিত ছিলেন উনি ৷ ঠিকমতো খেয়েছে কিনা, সুস্থ আছে কিনা সবকিছুর খবর রাখতেন ৷ আর আজ কি নাটক!
আলমগীর প্রামানিক একটু পর আবার বললেন,,, এক নাম্বারের আহাম্মক!
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
মাহি আর বিল্টু গালে হাত দিয়ে বাইরে বসে আছে ৷ পারিবারিক মামলায় ওরা পড়তে চায় না তাই বাইরে চলে এসেছে ৷ যা চমক পাওয়ার তা অলরেডি পেয়ে পেয়ে গেছে ওরা ৷ ছাগল তিনটার ম্যা ম্যা আওয়াজে ওরা একপলক ওদের দিকে তাকাল ৷ অতঃপর মাহি কাটকাট গলায় বলল,,,
তোদের বাপের আসল বাপকে পাওয়া গেছে রে! এবার তোদের বিয়ে নিয়ে আমি শঙ্কিত ৷ তবে মনজু চাচার ছাগলের সাথে ইটিশপিটিশ করার সুবর্ণ সুযোগ পেয়ে গেলি ৷
রামছাগল দুটো হয়তো মাহির কথা বুঝতে পারল ৷ তাই খুশিতে জোরে জোরে ম্যা ম্যা করতে লাগল ৷ তা দেখে মাহি ব্যঙ্গ করে বলতে লাগল,,,
তোদের মতো চরিত্রহীন ছাগল আমি আমার বাপের জন্মে দেখিনি! তোরা যে অলির ছাগল সেটাই মাঝে মাঝে বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় ৷ অলির ছাগল হিসেবে তোদের উচিত কথায় কথায় মানুষের পায়ে ঝুলে পড়ে মাফ চাওয়া ৷ তা না শুধু ইটিশপিটিশ করার ধান্দা!
মাহির এতো বকবকানির মাঝে বিল্টু একদম নিশ্চুপ ৷ ও হয়তো দামী কিছুই ভাবছে ৷ মাহির মতো ওর চিন্তা ভাবনা ছাগলের উপর আটকে নেই ৷ ও বেশ কিছুক্ষণ নিশ্চুপ থাকার পর অস্ফুট স্বরে বলল,,,
মাহি ভাইয়ার দাঁত কালা
অলি ভাইয়ার এবার পরিবার পাওয়ার পালা
মারো তালি;
মাহি কি প্রতিক্রিয়া করবে ও ঠিক বুঝতে পারছে না ৷ ও নিজের ৩২ টা দাঁত বের করে বিল্টুর সামনে নিয়ে গিয়ে বলল,,,
দেখ দেখ আমার দাঁত দেখ ৷ মানুষের ভবিষ্যতের চেয়েও আমার দাঁত বেশি উজ্জ্বল ৷
নিজের দাঁতের সম্মান বাঁচানোর পর মাহি বিল্টুর মতো গালে হাত দিয়ে পুকুরের স্বচ্ছ পানির দিকে তাকিয়ে বলতে লাগল,,,,
রামছাগল দুটো হতে চায় সাইয়্যা সাইয়্যা
অলি নাকি অনন্যার ভাইয়া
মারো তালি;
চলবে,,,,

