চাঁদের_হাসি #লেখিকা_সিনথিয়া_জাহান #পর্বঃ২৭

0
18

#চাঁদের_হাসি
#লেখিকা_সিনথিয়া_জাহান
#পর্বঃ২৭

সমস্ত জায়গা টা অন্ধকারে ছেঁয়ে গেল ৷ একটা ছোট বাচ্চা র*ক্তাক্ত শরীরে আপন একটা মুখ খুঁজে চলেছে কিন্তু পাচ্ছে না ৷ এমন সময় অপরিচিত একটা মানুষ এসে বাচ্চা টার হাত আঁকড়ে ধরল ৷ লোকটা অপরিচিত হলেও বাচ্চা টার কাছে তাকে কেন যেন আপন বলে মনে হলো ৷ সে নির্দ্বিধায় লোকটার সাথে চলে গেল ৷ ধীরে ধীরে ওর শরীরের সমস্ত ব্যাথা দূর হয়ে গেল ৷ সবকিছু ভালো লাগতে শুরু করল ৷ অন্ধকার জায়গাটা আলোকিত হয়ে উঠল ৷

কিন্তু হঠাৎ করে সেই অপরিচিত লোকটা হারিয়ে যেতে লাগল ৷ বাচ্চা টা চিৎকার করে ডাকছে কিন্তু লোকটা কোনো সাড়া দিচ্ছে না ৷ এক সময় লোকটা পুরোপুরি ভাবে হারিয়ে গেল ৷ এবং আবারও জায়গা টা অন্ধকার হয়ে আসতে লাগল ৷ এতে করে বাচ্চা টা ভয় পেয়ে কান্না করতে শুরু করে দিল ৷ হুট করে কোথা থেকে একটা হাসির শব্দ কানে এসে বাড়ি খেল ৷ সেই হাসির শব্দ বেড়ে চলেছে এবং সেই শব্দের তীব্রতায় অলির ঘুম ছুটে গেল ৷

ওর সারা শরীর ঘামে ভিজে গেছে ৷ অলি বিছানায় উঠে বসে জোরে জোরে শ্বাস নিতে লাগল ৷ ওর গলাও শুকিয়ে গেছে ৷ টেবিলের উপর রাখা জগ থেকে গ্লাসে পানি ঢেলে ও ঢকঢক করে খেতে লাগল ৷ গাল ভেজা ভেজা অনুভূত হতেই ও চোখে হাত দিল ৷ ওর চোখ বেয়ে পানি পড়েছে ৷ এমন টা প্রায়ই হয় ওর সাথে ৷ যেদিন জামিল চাচার কথা খুব মনে পড়ে সেদিন ও ফজরের নামাজ আদায় করার পর আবারও ঘুমিয়ে পড়ে ৷ এই ঘুমানোর ফলে কখনো অনেক সুন্দর স্বপ্ন দেখে আবার কখনো এমন ভ*য়ঙ্কর স্বপ্ন দেখে ৷ আজ ভ*য়ঙ্কর স্বপ্ন দেখার পালা ছিল ৷

হাসির শব্দ এখনও কানে আসছে ৷ অলি চোখের পানি মুছে বাইরে বেরিয়ে আসল ৷ অনন্যা বিল্টুর সাথে পুকুরের পাশে বসে হাসছে ৷ সেই হাসির দিকে তাকাতেই অলির কিছুক্ষণ আগের সমস্ত কষ্ট বেদনা নির্মূল হয়ে গেল ৷ বেশ কিছু সময় অনন্যার হাসিমুখের দিকে তাকিয়ে থাকল ও ৷ তারপর গলা খাকারি দিয়ে বলল,,,

কি রে বিল্টু সকাল সকাল ডাকাতি করতে এসেছিস?

অলির কন্ঠ কানে যেতেই অনন্যা হাসি থামিয়ে দিয়ে ওর দিকে তাকাল, বিল্টুও তাকাল ৷ ওদের চাহনিকে পাত্তা না দিয়ে অলি ছাগল তিনটার কাছে চলে গেল ৷ তারপর ওদেরকে কিছু কচি ঘাস খেতে দিতে দিতে বলল,,,

সুন্দরী তো অনেক ভদ্র ৷ তোরা দু ভাই ওর থেকে একটু ভদ্রতা শিখতে পারিস না? ওর মতো ভদ্র হলে মনজু চাচার ছাগলি দুটো এমনিই পটে যেত এবং আমি তোদের ধুমধাম করে বিয়ে দিতে পারতাম!

অনন্যা অলির এসব আজাঙ্গর কথায় অভ্যস্ত হয়ে গেছে তাই অবাক হওয়ার পর্ব ইগনোর করে মাথা নিচু করে হাসতে লাগল ৷ তবে বিল্টু হাসল না , ও ব্যঙ্গ করে বলতে লাগল,,,

নিজে বিয়ে না করে অন্যের বিয়ে দেওয়ার কথা ভাবতে একটুও গলা কাঁপল না?

অলি হুট করে দাঁড়িয়ে পড়ল ৷ তারপর পুকুরের সামনে গিয়ে নিজের প্রতিবিম্বের দিকে তাকাল এবং উল্টেপাল্টে নিজের গলা দেখতে লাগল ৷ অনন্যা আর বিল্টু ভ্রু কুঁচকে ওর দিকে তাকিয়ে থাকল ৷ কিছুক্ষণ পর অলি চিন্তিত গলায় বলল,,,

না রে বিল্টু গলা তো একটুও কাঁপছে না ৷ তাহলে কি ওদের তিনজনের বিয়েটাই আগে দিব নাকি?

অনন্যা ফিক করে হেসে ফেলল ৷ অলি চকিতে ওর হাসির দিকে তাকিয়ে নিজেও সামান্য হেসে ফেলল ৷ এই প্রথমবার এমন একটা বাজে স্বপ্ন দেখার পরও ওর মনটা এতো উৎফুল্ল লাগছে ৷ বুকের মধ্যে অসহ্য এক সুন্দর অনুভূতি হচ্ছে ৷ সেই অনুভূতি অলির ভালো লাগছে, ভীষণ ভালো লাগছে ৷

অনন্যা হাসতে হাসতে হঠাৎ থেমে গেল পুকুরে নিজের প্রতিবিম্বের দিকে তাকাতেই ৷ ওর মুখের হাসি পুরোপুরি শেষ হয়নি ৷ নিজের হাসিমাখা মুখটার দিকে তাকিয়ে অনন্যা মনে মনে বলল,,,

আমি তো ভুলেই গিয়েছিলাম হাসলে আমার থুতনিতে টোল পড়ে ৷ কি আশ্চর্য তাই না? কত বছর পর যে এতো মন খুলে হাসতেছি সেটাই স্মরণ করতে পারছি না ৷

বিল্টুর কথায় ওর ধ্যান ভাঙল ৷ ও অলিকে বলছে,, তোমার মনে কি রঙ লেগেছে অলি ভাইয়া? আজকের দিনেও এতো ফূর্তি কোথা থেকে আসছে?

অলি স্বাভাবিক গলায় বলল,,, আমার মনে সবসময় রঙ থাকে ৷ আফসোস তোকে দেখাতে পারছি না ৷ আমার মনে এতো রঙ আছে যে সেই রঙ দিয়ে তুই সারাজীবন ছবি আঁকতে পারবি ৷

লাগবে না ৷ তুমি বরং নিজের বিয়ে নিয়ে ভাবো ৷ অভিভাবকের বিয়ে না হওয়া পর্যন্ত ছাগল তিনটার বিয়ে হওয়া যুক্তিযুক্ত হবে না ৷

অলি ভ্রু কুঁচকে বিল্টুর দিকে একপলক তাকিয়ে বলল,,, কি রে বিল্টু? ছাগল তিনটার অভিভাবক তো একদিক দিয়ে তুইও ৷ তার মানে কি ইনডিরেক্টলি নিজেও বিয়ে করতে চাচ্ছিস নাকি?

বিল্টু থতমত খেয়ে গেল ৷ ও তৎক্ষণাৎ গলা খাকারি দিয়ে বলল,,,, মোটেও না ৷ আমি বিয়ে করব না বুঝতে পেরেছো?

আরে লজ্জা পেতে হবে না ৷ আমি বুঝি তোর মনের কথা ৷ চিন্তা করিস না পিকুর বাবা মায়ের নাম্বার আমার কাছে আছে ৷ আরেকটু বড় হ, আমি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে না না বসে থেকে তোদের বিয়ে দিব ৷ না মানে তোর বিয়ের সময় আমার বয়স হয়ে যাবে তো তাই বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে পারব না ৷

বিল্টু চোখের পলকে তড়াক করে বসা থেকে উঠে অলির দিকে তেড়ে গেল ৷ এতো দ্রুত ঘটনা টা ঘটল যে অলি পালানোর পথ পেল না ৷ বিল্টু ওর উপর ঝাপিয়ে পড়ে ওকে টপাটপ মা*রতে লাগল ৷ ওদের অবস্থা দেখে অনন্যা এক সেকেন্ড আহাম্মক হয়ে থেকে জোরে জোরে হাসতে শুরু করল ৷

বিল্টুর পরপর মা*র অলিকে ব্যা*থা দিতে লাগল ৷ কিন্তু অনন্যার হাসির দিকে তাকাতেই অলি সমস্ত কিছু ভুলে গেল ৷ বিল্টুর মা**রগুলোও এখন ওর কাছে ফুলের পাপড়ি বলে মনে হচ্ছে ৷ ও হাস্যজ্জ্বল মুখে মুগ্ধ নয়নে অনন্যার দিকে তাকিয়ে থাকল ৷

বিল্টু হঠাৎ থেমে গেল ৷ ও ভ্রু কুঁচকে অলির দিকে তাকাল ৷ অতঃপর ওর চোখ অনুসরণ করে অনন্যার দিকে তাকাল ৷ কিছুক্ষণ এদিক ওদিক তাকানোর পর বিল্টু সমস্ত কিছু বুঝে গেল ৷ ও অলিকে ডেকে বলল,,,

এই ভাইয়া শোনো ৷

অলির হুঁশ নেই ৷ বিল্টু অনেক কয়েকবার ডাকল কিন্তু কোনো সাড়া পেল না ৷ শেষে ও অলির গালে আলতো করে একটা চ*ড় মা*রল ৷ সেই চ*ড়ে অলি ধড়পড় করে উঠল ৷ ও ঘোরের মধ্যে থেকেই বলল,,,

তুই এখনও মা**রছিস আমাকে?

বিল্টু তৎক্ষণাৎ অলির উপর থেকে উঠে দু কান ধরে বলতে লাগল,,, দুঃখিত অলি ভাইয়া তোমাকে থা*প্পড় মা*রার জন্য ৷ মাফ করে দাও ৷ তবে এর আগের মা*রগুলোর জন্য মাফ চাব না কারন তুমি ওগুলোর যোগ্য ছিলে ৷

অলি ভ্রু কুঁচকে বিল্টুর দিকে একপলক তাকিয়ে থেকে কাটকাট গলায় বলল,,,

আচ্ছা মাফ করলাম ৷

মাফ পাওয়ার সাথেই বিল্টু মুচুরমুচুর করে হাসতে লাগল ৷ অলির চারপাশে গোল হয়ে ঘুরতে ঘুরতে হাসতে লাগল ৷ তা দেখে অলির কপাল কুঁচকে গেল এবং ও বলতে লাগল,,,

তোর কি সমস্যা বল তো? এভাবে চর্কির মতো ঘুরছিস কেন?

বিল্টু মুচুরমুচুর হাসি অব্যহত রেখে ভ্রু নাচিয়ে নাচিয়ে বলতে লাগল,,, কি ব্যাপার অলি ভাইয়া? তুমি অনন্যা আপুকে প্রেম করো তাই না?

অলির পিলে চমকে উঠল ৷ ও চট জলদি অনন্যার দিকে তাকাল ৷ না অনন্যা কিছু শোনেনি ৷ ও মৃদু হাসতে হাসতে আবারও পুকুরের দিকে তাকিয়ে আছে ৷ এতে করে অলি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল ৷ তবে উঠে গিয়ে বিল্টুর মুখ চেপে ধরতেও ভুলে গেল না ৷ ও চোখ রাঙিয়ে বলতে লাগল,,,

বাজে কথা বলবি না বিল্টু ৷

বিল্টু নিজের মুখ থেকে অলির হাত সরিয়ে নিয়ে বলল,,, বাজে কথা বলিনি ৷ আমি যদি বাজে কথাই বলতাম তাহলে তোমার কান দুটো লাল হতো না হুহহ ৷

অলি নিজের কান দুটো ঢেকে ধরল বিব্রত ভঙ্গিতে ৷ তা দেখে বিল্টু আবারও মুচুরমুচুর করে হাসতে হাসতে বলল,,,

অলি ভাইয়া প্রেমে পড়েছে অনন্…

বিল্টু কথা সম্পূর্ণ করার আগেই অলি গিয়ে ওর মুখ চেপে ধরল ৷ অনন্যা ওদের দিকে ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে আছে ৷ এতে করে অলি বিব্রত গলায় বলতে লাগল,,,

না মানে আমার প্রেমিকা আমেনা খাতুনের কথা বলছে ও ৷ কিছু মনে করবেন না ৷

অনন্যা কিছু না বলে চোখ সরিয়ে নিল ৷ অলির মুখটা এখনও বিব্রতিমাখা ৷ ওর এমন অবস্থা বিল্টু বেশ ইনজয় করছে ৷ ও খিকখিক করে হাসতে হাসতে বলল,,,

আকাশ ছেঁয়েছে তারায় তারায়
অলি ভাইয়া পড়েছে ভীষণ প্যারায়
মারো তালি;

°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°

বেশ কিছুক্ষণ নিজের মাথায় সমস্ত সুত্রগুলো মেলানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হলেন আলমগীর প্রামানিক ৷ তাই উনি অলির বাড়ি অভিমুখে রওয়ানা হলেন ৷ উনি নিশ্চিত উনার রহস্য সমাধানে যে বড় একটা ফাঁক রয়েছে সেই ফাঁক অলিই সমাধান করতে পারবে ৷ এই রহস্যের সমাধান উনার মনমতো হলে বিরাট একটা বিষয় ঘটে যাবে ৷ উনি মনে মনে আল্লাহর কাছে সেই দোয়াই করে যাচ্ছেন ৷

চলার পথে মাহির সাথে উনার দেখা হলো ৷ মাহিও অলির বাড়ির দিকেই যাচ্ছে ৷ তাই ওরা দুজন পাশাপাশি হাঁটতে শুরু করল ৷ হাঁটতে হাঁটতে আলমগীর প্রামানিক বিরবির করে বলছেন,,,

অলি, অলি, অলি ৷ অলি আহাদ, অলি আহাদ…..

মাহি আশ্চর্যানিত হয়ে উনার দিকে তাকাল ৷ আলমগীর প্রামানিকের বিরবির করে অলির নাম নেওয়া এখনও অব্যাহত আছে ৷ মুহূর্তে মুহূর্তে মাহি চমকে চমকে উঠছে ৷ ও কপাল কুঁচকে মনে মনে বলতে লাগল,,,

হায় আল্লাহ আলু দাদু আবার আমার অলির প্রেমে পড়ে গেল না তো? কি সর্বনাশ নিজের নাতজামাইয়ের প্রতি নজর ছ্যাহ!

আলমগীর প্রামানিকের অলির নাম নেওয়া আর মাহির চমকে চমকে উঠার মধ্যেই ওরা অলির বাড়িতে পৌঁছে গেল ৷ বাড়িতে প্রবেশ করেই প্রথমে চোখে পড়ল অনন্যা ৷ ও সবজির বাগানগুলো ঘুরে ঘুরে দেখছে বিল্টুর সাথে ৷ আর অন্যদিকে অলি ছাগল তিনটাকে মেরামত করছে ৷

আলমগীর প্রামানিক নিজের নাতনির দিকে ফিরেও তাকালেন না ৷ উনি সোজা অলির সম্মুখে গিয়ে দাঁড়ালেন ৷ অলি উনাকে দেখতেই মুচকি হেসে বলতে লাগল,,,

আরেএ আলু দাদু ৷ তুমিও এসেছো দেখছি!

আলমগীর প্রামানিক জবাব দিলেন না ৷ উনি পলকহীন চোখে অলির দিকে তাকিয়ে থাকলেন ৷ এভাবে অনেকক্ষন তাকিয়ে থাকার পর উনি ক্ষীণ গলায় বললেন,,,

তোমার রুমে গিয়ে একটু বিশ্রাম নিতে চাই ৷

আলমগীর প্রামানিকের কান্ডে অলি ভড়কে গেছে ৷ তারপরেও ও কন্ঠটা স্বাভাবিক রেখে বলল,,,

যান ৷

আলমগীর প্রামানিক চলে গেলেন ৷ অলি সাথে সাথে পুকুরের পানিতে গিয়ে নিজের মুখটা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখতে দেখতে বলল,,,

আমার মুখের মানচিত্র তো ঠিকঠাকই আছে ৷ তাহলে কি হলো আলু দাদুর? আমাকে কি কোনোভাবে আজ বাঁন্দরের মতো দেখা যাচ্ছে নাকি?

মাহি ওর পাশে এসে বলল,,, বাঁন্দরকে বাঁন্দরের মতো দেখা যাবে না তো কার মতো দেখা যাবে? সেটা বাদ দে, এই আলু দাদু মনে হয় তোর প্রেমে পড়েছে ৷

অলি মুখ বিকৃত করে বলল,,, বাজে কথা বললে মুখ ভেঙে দিব তোর!

মাহি আর অলি ফ্যাচর ফ্যাচর করতে লাগল নিজেদের মাঝে ৷ অন্যদিকে আলমগীর প্রামানিক অলির রুমটা ঘুরে ঘুরে দেখতে লাগলেন ৷ রহস্য সমাধান করার মতো কোনো কিছুই নজরে আসছে না উনার ৷ হঠাৎ উনার হাত লেগে অলির একটা বই নিচে পড়ে গেল ৷ আলমগীর প্রামানিক দ্রুত সেটা তুলতে গিয়ে বই টা এলোমেলো করে ফেললেন ৷ যার ফলশ্রুতিতে সেখান থেকে একটা ছবি বেরিয়ে আসল ৷

উনি ছবিটা হাতে নিয়ে ভালোভাবে দেখতে লাগলেন ৷ ছবিটাতে একটা বুড়ো আর একটা বাচ্চার ছবি ৷ সেটা দেখতেই আলমগীর প্রামানিকের হাত থেকে ছবিটা ছিটকে মাটিতে পড়ে গেল ৷ তার পাশাপাশি উনিও ধপ করে মাটিতে বসে পড়লেন ৷ উনার নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হতে লাগল ৷ তবুও ক্ষীণ গলায় বললেন,,,

আরাফাত….

চলবে,,,,

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here