#বোকামন
#পর্ব_৩৩
#Tahsin_Atoshi
জ্ঞান ফিরতেই নিজেকে অজানা জায়গায় পেয়ে ভরকে ওঠে হুমায়রা৷ দ্রুত উঠে বসতেই চারপাশে ভালোভাবে পরোখ করে নেয় সে। হাসপাতাল দেখে আরো ভয় পায়। মনে মনে ভাবতে থাকে নিজেকে নিয়ে।
“রোদ কি তাহলে আমাকে কিডন্যাপ করে আমার হার্ট, কিডনি সব নিয়ে নিবে? না হলে হাসপাতালে কেন আনলো? আল্লাহ এই বারের মতো বাচিয়ে দেও। প্রমিস করছি আরো বেশি করে তোমাকে ডাকবো নামাজ,রোজা সব রাখবো। যা পারিনা তাও শিখবো। ”
কিছুক্ষণ চলতে থাকে তার বিরবির করা। এরই মাঝে নার্স ভিতরে ঢোকে। তা দেখে আরো ভরকে যায়। দ্রুত ট্রে থেকে একটা ছুরি নিয়ে উঠে দাড়ায়৷ ভয়ে কান্না করে দেয় সে। কান্না করতে করতে বলে,
-আপনি… আপনি কে? আমাকে এখানে কেন এনেছেন। আমাকে যেতেদিন৷ আমি কিছু দিবো না হুম। এখনো আমার বাচ্চা, নাতি-নাতনিদের দেখা বাকি আছে। এতো জলদি আমি মরতে চাইনা৷
নার্স প্রথমে ভরকে গেলেও। হুমায়রার কথায় হাসি পায় তার। না চাইতেও ঠোঁট টিপে হেসে দেয়। হুমায়রা অবাক হয় নার্সের হাসি দেখে। কিন্তু এই মুহূর্তে তার নিজেকে বাঁচানো জরুরি। নার্স হাসতে হাসতেই বাইরে বেরিয়ে আসে। এসে জিজ্ঞেস করে,
-এখানে মিসেস হুমায়রার বাড়ির লোক কে আছেন?
সাথে সাথেই সকলে ছুটে আসে। শুভ অস্থির হয়ে বলে,
-জ্বী বলুন আমি ওর হাসবেন্ড। কিছু হয়েছে? সব ঠিক আছে?
-জ্বী সব ঠিকই আছে। শুধু আমার এবং ডাক্তারদের প্রাণের ভয় আছে। আপনারা দয়া করে যান প্লিজ।
-ঠিক বুঝলাম না।
-জ্বী সেটা ভেতরে গেলেই বুঝবেন৷
শুভও কথা বাড়ায় না। ধীরে ধীরে ভেতরে ঢুকে পরে। হুমায়রা একটু স্বস্তি নিয়ে বসেছিল। আবারো কাউকে ঢুকতে দেখে ছুরি হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে পরে। শুভকে দেখে ভ্রুঁ কুঁচকায় সে। শুভও অবাক হয়েই বলে,
-হূর তুমি ছুরি দিয়ে কি করছো? রাখো ওটা৷ হাত কেটে যাবে।
শুভর পিছু পিছু উপস্থিত সকলেই ভেতরে ঢুকলেন এবার। নীলা বেগমকে দেখে হুমায়রাও আর অপেক্ষা করলো না। হাতে থাকা ছুরিটা ফেলে দৌড়ে জড়িয়ে ধরলো। নীলা বেগমও মেয়েকে নিজের সাথে জড়িয়ে নিলেন। আর বাকিরা হুমায়রার ঘটনা নার্সের কাছে শুনে হেসেই কুল পাচ্ছে না। নীলা বেগমও মেয়েকে নিজের কাছ থেকে ছাড়িয়ে আবারো বেডে নিয়ে বসালেন। কিন্তু হুমায়রা ছাড়ার নামই নিচ্ছে না৷ কোমড় জড়িয়ে আবার বুকে মুখ গুজে দিলো। মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে নীলা বেগম জিজ্ঞেস করলেন,
-কি হয়েছে মা? বেশি ভয় পেয়েছিলি।
এবার মাথা তোলে হুমায়রা৷ চোখে পানি ছলছল করে। কান্না মাখা কন্ঠে বলে,
-মামনি জানো আজ না আমি ওই লোকটাকে দেখেছি। প্রতি রাতে যাকে স্বপ্নে দেখি ওই লোকটা। আমার সামনে ছিল। কিন্তু উনি নাকি রোদের বাবা। কি সব বলছিলেন আমাকে।
নীলা বেগম আবার মেয়েকে জড়িয়ে ধরেন। কপালে চুমু দিয়ে বলেন,
-ও নিয়ে এতো ভাবতে হবে না। যা হয়েছে হয়েছে। শেষ। এখন ওসব ভুলে মন দিয়ে সংসার কর।
এরই মাঝে পেছন থেকে অমিত, অনিলও হুমায়রার দু’পাশে এসে বসে। শুভ তখনও দূর থেকে দাড়িয়েই দেখছে। অনিল পাশে বসেই হুমায়রার মাথায় গাট্টি মেরে বলে,
-খুব সাহস হয়েছে তোর তাই না। পাকামো করে একা একা বাসা থেকে বের হতে গেলি কেন? এতো জেদ কেন তোর? কিছু হয়ে গেলে কি হত বল?
অনিলের প্রশ্নে মুখটা মলিন হয়ে যায় হুমায়রার৷ মন খারাপ করে সামনে তাকাতেই শুভর চোখেচোখ পরে। আবারো চোখ সরিয়ে নেয়। বাকিদেরও এক নজর দেখে নিজের মামনির বুকে মুখ গুজে দেয়। কান্না পায় তার। মুখ গুজে সেভাবেই বলে,
-ভালো হতো। মরে যেতাম। সব সমস্যা শেষ হয়ে যেত। এতো জেদ দেখতে হতো না তোমাদের।
অমিত চোখের ইশারায় থামায় অনিলকে। হুমায়রার মাথায় হাত বুলিয়ে বলে,
-আচ্ছা এতো রাগ করতে হয়? একটু কথা কাটাকাটি হয় তো। তাই বলে রাগ করে বেরিয়ে আসবি?
চোখ তুলে তাকায় হুমায়রা। অমিতের দিকে তাকিয়ে বলে,
-আমি আর যাবো না ওখানে। আমি ডিভোর্স চাই। আমি থাকবো না ওনার সাথে।
হুমায়রার এমন কথায় অবাক হয় সকলে। অনিল আবারো মাথায় গাট্টি মে’রে বলে,
-খুব সাহস হয়েছে না তোর? ডিভোর্স চাই। থাকবি কোথায় শুনি। আমাদের বাড়িতে তো রাখবো না তোকে।
– না রাখলে নেই। দরকার পরলে রাস্তায় থাকবো। তাও যাবো না আমি। থাকবো না আমি ওই লোকের সাথে। উনি..উনি তো..
কথা শেষ না করেই আবার কান্না করে দেয় হুমায়রা।
হঠাৎ করেই বাইরে নার্সের চিৎকারের আওয়াজে সকলের চোখ যায় সেদিকে। আহান দ্রুত যায় স্মৃতির বেডের সামনে। শ্বাসকষ্ট হচ্ছে স্মৃতির। ডাক্তারও এসে হাজির হয়।৷ অক্সিজেন মাস্ক পরিয়ে দেয় তারা৷ কিন্তু লাভজনক কিছুই যেন হচ্ছে না৷ কিছুক্ষণের মাঝেই সবটা কেমন স্তব্ধ হয়ে যায়৷ স্মৃতির শ্বাস নেয়াও থেমে যায়। আর উপায় না পেয়ে ডাক্তাররা শক থেরাপি দেয়া শুরু করে। আহান বাইরে থেকে সবটাই দেখছে। দম বন্ধ হয়ে আসছে তার। সবাই আল্লাহকে ডাকছে। হুমায়রা তখনো স্তব্ধ। স্মৃতির কি হলো তাই যেন মাথায় ঢুকতে না। প্রশ্ন করার মতো শক্তিও পাচ্ছে না৷ ধীরে ধীরে আহানের পাশে দাড়ায়। দেখতে থাকে স্মৃতির অবস্থা। মনে মনে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতে থাকে ওর সুস্থতার জন্য। আর আহান সে স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়েই আছে। ভাবমূর্তি দেখে বোঝা মুশকিল মনের ভেতরে আসলে কি চলছে। শুধু নিজেই মনে মনে বলে যাচ্ছে,
“ঠিক হয়ে যাও তুমি। দেখো তোমার নিমের বংশধর তোমার অপেক্ষায় আছে৷ আর বিরক্ত করবে না? দেখো প্রমিস করছি আর রাগ দেখাবো না। তুমি যত ইচ্ছে বিরক্ত করো। তবুও সুস্থ হয়ে যাও। আপন মানুষগুলো সবাই এতো দ্রুত কেন চলে যায় আমার কাছ থেকে। তুমিও চলে যাবে? আমার জন্য কি কিছুই কল্যাণকর নয়। কেন এমন হয় বলোতো?”
চোখ থেকে দু’ফোঁটা জল গড়িয়ে পড়ে তার। আর যেন দেখতে পারছে না৷ ইচ্ছে করছে ছুটে যেতে। পাশ থেকে হুমায়রা এবার শব্দ করে কান্না করে দেয়। নীলা বেগম জড়িয়ে নেয় মেয়েকে। তবুও কান্না থামে না। কান্না করতে করতেই বলে,
“মামনি স্মৃতি এমন করছে কেন? কি হয়েছে ওর? ও সুস্থ হয়ে যাবে তো? ও এমন কেন করছে মামনি??”
শুভর ইচ্ছে হয় হুমায়রার কাছে আসতে। কিন্তু নিজের কর্মে সে নিজেই যেন লজ্জিত। চোখেচোখ রাখার সাহস হয়না তার৷ শুধু পাশে এসে দাড়ায়৷ কেটে যায় কিছুক্ষণ। আগের থেকে কিছুটা ঠিক হয় স্মৃতি। জ্ঞান ফিরেছে তার। ডাক্তার ঘুমের ঔষধ দিয়ে আবারো ঘুম পারিয়ে দিয়েছে। রাতের আগে কেউ দেখা করতে পারবে না৷ আহানের অনুরোধে সকলেই যার যার বাসায় চলে যায়। এভাবে আর কতক্ষণই বা থাকবে। কেউই আর বারণ করেনি। এর ফাঁকে রাতের খাবারও নিয়ে আসবে আহানের জন্য।
চুপচাপ স্মৃতির বেডের পাশেই বসে রয় আহান। ধীরে ধীরে সাহস করে হাতটা ধরে সে। হালকা নিচু হয়ে অধর ছোয়ায় হাতের পিঠে৷ পুরো রুমটা কেমন নিস্তব্ধ হয়ে আছে। ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে ভারী দীর্ঘশ্বাস৷ চোখ থেকে দুই ফোটা জল গড়িয়ে স্মৃতির হাতের উওর পরে। সযত্নে মুছে দেয় আহান। গলা আটকে আসে তার। তবুও বলে,
“জানো স্মৃতি সবার মতো না আমারও প্রথম ভালোবাসা আমার মা ছিল। খুব ভালোবাসতাম তাকে। মা বলতে খুব পাগল ছিলাম। খুব সুন্দর পরিবার ছিল আমাদের। বাবাকে যে ভালোবাসতাম না সেটাও না। ভালোবাসতাম কিন্তু মায়ের থেকে বেশি না। কারণটা তো সবারই জানা৷
হুট করে না আমাদের পরিবারের উপর খারাপ নজর পরলো কারো। এক নিমিষেই কেমন ভেঙে গেল সবটা। হঠাৎ করে বাবার মায়ের সাথে করা খারাপ ব্যবহার আমার খুব রাগ হতো। কিন্তু কখনো কারণ খুঁজতে যাইনি। খালার কাছে শুনেছি মা নাকি অন্য কারো সাথে সম্পর্কে জড়িয়েছে। মায়ের উপর রাগ হলো খুব। চক্ষু শএু হয়ে উঠলো আমার। খুব খারাপ ব্যবহার করতাম মায়ের সাথে। তারপর হুট করেই চলে গেল আমায় ছেড়ে৷
কিন্তু রাগটা কি আর কমে৷ এরপর বাবাকেও দেখতে পারতাম না৷ মা মারা যাবার পর থেকেই বাবা নেশা করা শুরু করলো যে। এর জন্য রাগ হতো। খালার কাছে আবারো শুনলাম বাবা নাকি অন্য নারীর সাথে সম্পর্কে জড়িয়েছে। ঘৃণা শুরু হতে লাগলো তার প্রতি৷ মা মারা গিয়েছে এক সপ্তাহ হয়নি এখনই অন্য নারীর প্রতি আসক্ত হয়ে গেল। ধীরে তার থেকেও দূরত্ব বাড়িয়ে নিলাম। বাবা চাইলেও তার কাছে যেতাম না৷
আমার জীবনের দু’জন প্রিয় মানুষকে এভাবেই হারালাম। এরপর এলো মায়রা৷ কিন্তু দেখো কি ভাগ্য আমার। ওকেও হারিয়ে ফেললাম। এরপর এলে তুমি। তোমাকে ঠিক ভালোবাসতে পেরেছি কিনা জানি না৷ কিন্তু হারাতেও চাইনা। আমি চাই আমাদের একটা সংসার হোক। আমি মানুষ একটু অন্যরকম। অন্যেরর কথাই বেশি বিশ্বাস করে ফেলি। এর জন্যই প্রিয় মানুষগুলো চলে যায়৷ তুমি চলে যেও না প্লিজ। তাহলে একা হয়ে যাবো আমি। একটা সুযোগ কি দেয়া যায়না? রাগের মাথায় কিসব বলে ফেলেছি আমি নিজেও জানি না। ক্ষমা করে দেয়া যায়না আমায়৷ একটু মানিয়ে নিও প্লিজ৷ তুমি বললে তুমি ভালোবাসো আমায়৷ তাহলে মানিয়ে নেয়া কি কঠিন কিছু? ”
-কিন্তু প্রিয় মানুষের চোখে নিজের প্রতি ঘৃণা দেখলে সেটাও তো মানতে কষ্ট হয়।
স্মৃতির হাতের দিকে তাকিয়েই সবটা বলছিল আহান। কখন জ্ঞান ফিরেছে সে নিজেও জানে না। হঠাৎ ওর কন্ঠ শুনে চমকায় আহান৷ আরেকটু কাছে এগিয়ে বসে সে। স্মৃতির হাতটা নিজের দুই হাতের মুঠোয় ধরে এবার কান্না করে দেয়। তা দেখে হাসি পায় স্মৃতির। মুচকি হেসে বলে,
-ছেলেদের কান্না করলে মানায় না।
হাসে আহান৷ চেয়ার থেকে উঠে বেডের পাশে বসে এবার৷ ধীরে ধীরে স্মৃতির কপালে নিজের অধর ছুয়িয়ে বলে,
– কি করবো বলো। আমার ভাগ্যই এমন৷ সবাই ছেড়ে চলে যায়।
-অন্.. অন্যের কথা বিশ্বাস করতে যান কেন? প্রিয় মানুষ দিয়ে কি হয় যদি তার প্রতি বিশ্বাসই না থাকে? তৃতীয় ব্যক্তির কাজই হলো সম্পর্ক নষ্ট করা৷
-কি করবো আমি মানুষটা বোকা যে খুব।
-আচ্ছা…! বোকা হলেই বুঝি প্রিয় মানুষদের ভুল বুঝতে হয়?
আহান এবার চোখেচোখ রাখে স্মৃতি। দুই কান ধরে বলে,
-আ্ আম সরি স্মৃতি। রাগের মাথায় অনেককিছু বলে ফেলেছি।
-ইট’স ওকে।
আবারো কেটে যায় নিস্তব্ধতা। ধীরে ধীরে আহানের হাতটা ছুয়ে দেয় স্মৃতি। হাত ধরে বলে,
-হুমু কোথায়? ও ঠিক আছে তো?
-হুম ঠিক আছে৷ কিছু হয়নি ওর।
-ওই লোকগুলো?
-রোদের লোক ছিল।
অবাক হয়ে তাকায় স্মৃতি। কিছু বলতে যাবে তার আগেই আহান বলে,
-এখন ঠিক আছে মায়রা৷ কিছু হয়নি ওর৷ তুমি রেস্ট নেও। বেশি কথা বলো না। শরীর খারাপ করবে৷
স্মৃতিও চুপ থাকে। এক ধ্যানে আহানকে দেখতে থাকে। চেহারা ফ্যাকাসে হয়ে আছে। কৌতুহল নিয়ে আবার প্রশ্ন করে,
-আপনি কিছু খেয়েছেন?
উওর দেয়না আহান। স্মৃতি হালকা সাইডে সরে যায়। আহানকে ইশারা করে পাশে সুয়ে থাকার জন্য। আহানের দ্বিধা কাজ করে মনের মাঝে। স্মৃতি চোখের ইশারায় আবারো সুয়ে থাকতে বলে। আহানও এবার কথা শোনে। স্মৃতিকে জড়িয়ে ধরেই সুয়ে পরে। স্মৃতিও চুপচাপ আহানের চেহারাটা আরো গভীর ভাবে পর্যবেক্ষণ করে কিছুক্ষণ। আবারো জিজ্ঞেস করে,
-কিছু খাননি কেন? মুখ ফ্যাকাসে হয়ে আছে।
আহান এবার আরো শক্ত করেই স্মৃতির কোমড়টা পেঁচিয়ে ধরে। ঘারের কাছে মুখ গুজে বলে,
-বউটা হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে লড়ছে। আর আমি খাই কীভাবে?
-মরে গেলে কি করতেন?
মাথা তোলে আহান। স্মৃতির চোখেচোখ রেখেই দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে,
-এবার আমিও মরে যেতাম হয়তো।
-এতো সহজ…!
-হয়তো..!
কেটে যায় দু’জনের মাঝে কিছু মুহূর্ত। আহান স্মৃতির পাশের ঘুমিয়ে পরে। সারাদিনের শরীরের দূর্বলতা, না খেয়ে থাকা সব মিলিয়ে ঘুমের দেশে পারি দেয়। স্মৃতির আর ঘুম আসে না। চুপচাপ আহানকেই দেখতে থাকে। মাঝে ডাক্তার এসে স্মৃতিকে দেখে যায়। বাকিরাও চলে এসেছে। আহানকে ঘুমিয়ে থাকতে দেখে আর ডাকে না। স্মৃতিকে এক নজর দেখেই স্থান ত্যাগ করে।
#চলবে…….!

