বোকামন #পর্ব_৩৮

0
3

#বোকামন
#পর্ব_৩৮
#Tahsin_Atoshi

সকাল থেকেই তুহিন হুমায়রার সাথে কথা বলার চেষ্টা করছে। কিন্তু হুমায়রা কথা বলতে নারাজ। তুহিনকে দেখলেই মুখ ভেঙচি দিয়ে দূরে সরে যায়। বেচারা তুহিন পরেছে বিপাকে। আজ অমিত, অনিলের বিয়ে। তাই খুব একটা জোরও করেনি সে।

মেয়েরা সকলে একটা রুমে রেডি হতে ব্যস্ত। হুমায়রা আজ হালকা আকাশির মাঝেই একটা শাড়ি পরবে বলে ঠিক করেছে। স্মৃতি শাড়ি খুব একটা পছন্দ না। তবুও হুমায়রার জোরাজোরিতে তারও পরতে হয়। সাদার মাঝে কালো কম্বিনেশনের শাড়িটাও স্মৃতিকে ভালোই লাগছে। কিন্তু মেকআপ করতে গিয়ে বিপাকে পরেছে হুমায়রা৷ বড় থেকে শুরু করে ছোটরা সকলেই তার কাছে সাজতে এসেছে। সকলকে সাজানো শেষে নিজে সাজতে বসবে তখনই ডাক পরে সকলের। দেরি হয়ে যাচ্ছে বের হতে হবে। এতে রাগ হয় খুব। ব্লাউজ আর পেটিকোট পরেই বসে আছে। সকলে অলরেডি গাড়িতে গিয়ে বসে পরেছে। অপেক্ষা শুধু হুমায়রার। নীলা বেগম ও তার বোন বকাঝকাও শুরু করে দিয়েছে। হুমায়রাও এবার বারান্দা থেকে চিৎকার করে বলে,

-তোমরা সকলে চলে যাও। যাবো না আমি।

এরই মাঝে অনিলও চিৎকার করে বলে ওঠে,

-তোর ঢং বাদ দিবি এখন। জলদি আয়।

-যাবো না।

বলেই আবার ঘরে গিয়ে বসে পরে। কান্না পাচ্ছে তার৷ সবাই শুধু নিজের কথাই ভাবে।
শুভ কিছুটা অবাক হয়৷ সকালেও তো ঠিক ছিল মেয়েটা। তাহলে হুট করে কি হলো? সে সবাইকে আশ্বস্ত করে নিজেই উপরে চলে আসে৷ এসেই হুমায়রার এই হাল দেখে একটু বিরক্তি নিয়েই বলে,

-হূর তুমি এখনো রেডি হওনি কেন?

রাগ হয় হুমায়রার৷ মুখ ফুলিয়ে বলে,

-বলেছি না যাবো না আমি৷ চলে যান আপনারা।

শুভ এবার একটু নরম হয়। হুমায়রার সামনে মেঝেতে হাটু গেঁড়ে বসে জিজ্ঞেস করে,

-কি হয়েছে আমাকে বলো? কেউ কিছু বলেছে?

এবার ঠোঁট উল্টে আবারো কান্না করে দেয়৷ নাক টেনে বলে,

-সবাই পঁচা নিজেরা রেডি হয়ে গাড়িতে গিয়ে বসে আছে। আমার জন্য কেউ অপেক্ষা করেনি। আমি কি শাড়ি পরতে পারি নাকি হ্যাঁ। ঠিকই সবাইকে সাজিয়ে দিলাম। এখন আমাকে রেখেই চলে গেছে। স্মৃতুটাও বিয়ের পর থেকে খারাপ হয়ে গেছে। সবাই পর হয়ে গেছে।

-এটা তো সব বিয়ে বাড়িতেই সমস্যা। এর জন্য রাগ করতে হয়? আন্টিকে ডেকে বললেই পরিয়ে দিতো। আর স্মৃতুকে আমিই বলেছি গাড়িতে বসতে। ও তো আসতেই চেয়েছিল।

-আম্মুকে ডাকলে আবার বকা দিবে। আম্মু আমাকে পছন্দ করে না।

-ঠিক আছে তোমার মামনিকেই ডাকতে।

-মামনিও বকবে।

দীর্ঘশ্বাস ফেলে শুভ। বারান্দায় গিয়ে সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলে,

-আপনারা চলে যান। আমি হূরকে নিয়ে আলাদাভাবে আসছি।

সবাই এবার হাফ ছেড়ে বাঁচে। বলতে দেরি তাদের গাড়িতে উঠে রওনা দিতে দেরি হয়না। শুভ আবারো ঘরে চলে আসে। চোখের পানি মুছে বলে,

-যাও সাজো। তারপর আমি শাড়ি পরিয়ে দিচ্ছি।

-যাবো না আমি। আপনি চলে যান।

-এতো রাগ করতে নেই।

-ওরা সবাই মজা করবে। মেয়ের বাড়ির লোক গেট ধরবে, আরো কত মজা করবে। আমি সব মিস করবো। গিয়ে কি করবো হ্যাঁ?

-আচ্ছা তুমি এর জন্য যাচ্ছো বুঝি? আমি তো ভাবলাম খাবার খেতে..!

আড়চোখে তাকায় হুমায়রা৷ মুখ ফুলিয়ে বলে,

-ওসব আমি কিনেও খেতে পারবো।

-আচ্ছা এখন সাজো রেডি হও। গেট ধরা মিস করলে। বাকিসময় তো মজা করতে পারবে তাইনা।

হুমায়রাও এবার কথা বাড়ায় না। চুপচাপ সাজতে বসে যায়৷ সাজা শেষে এবার শুভর সামনে এসে দাড়ায়। শুভও চুপচাপ শাড়ি পরিয়ে দিয়ে রওনা হয় বিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে।

.

আজ ছেলেপক্ষ দেখতে আসবে মিষ্টিকে। এতেই বাসায় হৈ-হুল্লোড়। মিষ্টির মামাতো ভাই ইমন ছেলেপক্ষকে এগিয়ে আনতে বাইরে চলে গেছে। মিষ্টির দু’জন ফ্রেন্ড বৃষ্টি ও খুশি এসেছে মিষ্টিকে সাজিয়ে দেয়ার জন্য৷ কিন্তু মিষ্টির এমন ডিসিশনে তাদেরও মন খারাপ হয়। তারা তো জানে মিষ্টি তুহিনকে কতটা পছন্দ করে৷ তাহলে হুট করে এমন ডিসিশন। মিষ্টি তার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনা কিছুই বলেনি। সকলের প্রশ্নে এইটুকু উওর দিয়েছে তুহিন শুধু তার মোহ ছিল। কিন্তু তার চোখ বলছে অন্যকথা।
গাড়ির শব্দে বুঝতে দেরি হয়না ছেলের বাড়ির লোক চলে এসেছে। তারা এসে বসতেই মিষ্টিকে তাদের সামনে নিয়ে আসা হয়। মিষ্টি এক নজর দেখে নেয় ছেলেটাকে। খুব একটা খারাপ না দেখতে। কিন্তু মনটা তো পরে আছে অন্যকোথাও। ছেলের বাড়ির লোক নিজেদের মতো প্রশ্ন করেই যাচ্ছে। আর মিষ্টিও আনমোনা হয়েই সব প্রশ্নের উওর দিয়েছে। কেটে যায় কিছুক্ষণ প্রশ্নের সমাহার। এরই মাঝে ছেলের মা-ও আংটি পরিয়ে দিয়েছেন। ছেলে মেয়েকে পাঠানো হয়েছে আলাদা কথা বলার জন্য।
দুজনই বারান্দায় দাড়ানো। না ছেলেটা কিছু বলছে আর না মিষ্টি। কিছুক্ষণ এভাবেই কাটে। এরপর ছেলেটা হালকা কাশি দিয়ে বলে,

-আপনার কিছু জানার আছে আমার বিষয়ে?

-জ্বী নাহ্। আপনার?

-আপনার আমাকে পছন্দ তো?

-হ্ হুম পছন্দ।

-আসার পর থেকে আনমোনা দেখছি। কোনো সমস্যা? শেয়ার করতে পারেন।

মিষ্টি এবার ছেলেটার দিকে এক নজর তাকায়। ফর্সা চেহারা,গালে চাপ দাঁড়ি দেখতে সুদর্শন লাগছে। মুচকি হেসে আবার মনে মনে হবে…

“তুহিনের মতো সুন্দর নন আপনি।”

আবারো মনে বিষাদ নেমে আসি। কিছু না বলেই দু’জন আবারো ভেতরে চলে আসে। পরের সপ্তাহে বিয়ের তারিখ ঠিক হয়। ঠিক করেই চলে যায় সকলে। আর মিষ্টি? কারো সাথে কথা না বলেই দরজা আটকে ভেতরে বসে থাকে। বৃষ্টি আর খুশিও কিছুটা বুঝতে পারে মিষ্টির মনের অবস্থা। কিন্তু তাদের কিছুই করার নেই।

বারান্দায় হাটু ভাজ করেই বসে রয় মিষ্টি। আকাশের পানে তাকিয়ে আছে। সূর্যীমামা আজ একটু বেশিই কিরণ দিচ্ছে বলে মনে হচ্ছে । অথচ তার মনের মাঝে বিষাদে ভরপুর। সূর্যের সেই তাপের মাঝেই বসে থাকে সে। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতে চললো। সেখানেই বসে রয় মিষ্টি। সূর্যের তাপ কমে গেছে অনেকটা। দূর আকাশে তাকিয়ে আনমনেই বলে ওঠে,

“দূরের আকাশে থাকা সূর্যও কিরণ দিয়ে দিনশেষে আবার বিষাদে মিশে যায়। রাতের আকাশে তার জন্য অপেক্ষা করে এক টুকরো চাঁদ। কিন্তু আমি এক অভাগা যার বিষাদ কখনো শেষই হয়না৷ কি এমন ভুল জীবনে যে কারো ভালোবাসাই কপালে জুটে না। মেঘময় আকাশেও বৃষ্টি শেষে রংধনু ওঠে। আর আমার জীবনে..? মেঘই শেষ হয়না। রংধনু তো বিলাসিতা। ”

বলে আনমনেই চোখের পানিসহ হেসে দেয় সে। সেই হাসিতে নেই কোনো প্রাণোচ্ছলতা। শুধুই বিষাদ পূর্ণ একটা কালোমেঘ।

স্টেজে দুই কাপল পাশাপাশি বসে আছে। এখন তাদের বিয়ে পরানোর পালা। তুলি ও অর্নির মাথায় ঘোমটা দেয়ার কারণে চেহারাও দেখতে পারছে না অমিত অনিল। মুখ ভার করেই বসে আছে৷ কাজী এসেছে বিয়ে পরাতে। হুমায়রা সামনে থাকা চেয়ারের কাছেই বসে আছে। তা দেখে রাহাতও পিছু পিছু পাশের চেয়ারে বসে। হালকা হেসে বলে,

-এক্সকিউজ মি মিস?

ভ্রু কুঁচকে তাকায় হুমায়রা। এমনিতেই মাথা গরম হয়ে আছে সব আনন্দ মিস দেখে। এখন আবার আরেক উটকো ঝামেলা কারই বা ভালো লাগে। তবুও ভদ্রতার সহিত বলে,

-জ্বী বলুন..!

হুমায়রার হাসি মাখা মুখ দেখে রাহাতও একটু আশকারা পায়। হালকা কাশি দিয়ে বলে,

-আচ্ছা গতকাল আপনাদের সাথে আরেকটা মেয়ে ছিল না সিঙ্গেল। সে আসেনি?

– না কেন?

-মেয়েটার জন্য খারাপ লাগছে। তুহিন ভাই সবার সামনে না মারলেও পারতো। আচ্ছা মেরেছিল কেন?

– সেটা ওদের পারসোনাল ব্যাপার আপনার না জানলেও চলবে।

-ঠিক বুঝলাম না।

রাগ হয় হুমায়রার। এবার চেয়ার নিয়ে ভালোমতো রাহাতের দিকে তাকিয়ে বলে,

-শুনুন মিস্টার আপনি যদি মিষ্টিকে লাইন মারার কথা ভাবেন তাহলে ভাবনাটা মাথা থেকে দূর করে দিন। কারণ ও অলরেডি বুকড। ওকে আমি আমার তুহিন ভাইয়ের সাথে বিয়ে দিবো। এখন যেতে পারেন।

-কিন্তু তুহিন ভাই তো ওকে দেখিয়ে দিলো।

-তো?

এবার আঙুল উঠিয়ে ভালোমতো শাসিয়ে বলে,

-দূরে থাকবেন।

বলেই স্টেজের সামনে এসে দাড়ায়। রাহাত পিছু পিছু যাবে এরই মাঝে পেছন থেকে কেউ একজন কাঁধে হাত দিয়ে থামিয়ে দেয়। পিছু ঘুরতেই শুভকে দেখে হালকা হাসে রাহাত। এরপর বলে,

-ভাইয়া আপনার বউটা খুব রাগি৷ আপনি হেল্প করুন না। ওই যে সিঙ্গেল মেয়েটা আছে তার সাথে সেটিং করিয়ে দিন না।

-মিষ্টি তুহিনের জন্য বুকড। তো সিঙ্গেল মর। আর হ্যাঁ আমার বউয়ের থেকে দূরে থাক।

বলে শুভও হুমায়রার কাছে চলে যায়। বেচারা রাহাত অসহায়ের মতো তাকিয়ে থাকে। একা একা বিরবির করে বলে,

“হাসবেন্ড ওয়াইফ দুজনই থ্রেড দেয়া পাবলিক। দূর….!”

কাজী বিয়ে পরানোর জন্য উদ্যত হয়ে জিজ্ঞেস করে কার বিয়ে আগে পরানো হবে। সাথে সাথে অমিত বলে আমার। পাশ অনিল বলে না আমার৷ বোকার মতো তাকায় সবাই। অমিত বলে,

-তোর থেকে বয়সে বড় আমি। তো আমার বিয়ে আগে পরাবে।

অনিল মুখ ভেঙচি দিয়ে বলে,

-বড় হলেই আগে বিয়ে পরাতে হবে নাকি?

-হ্যাঁ। এখন চুপচাপ বস।

ওমনি অনিল বলে,

-কাজী সাহেব আগে আমার আর অর্নির বিয়ে হবে।

অমিত কিছু বলতে যাবে তার মাঝেই অনুরাগ সাহেব বলেন,

-হয়েছে থামো। বিয়ের দিনও দু’ভাই এমন করতে হয়? আমি আরো একজন কাজী এনেছি৷ সমস্যা নেই। একসাথেই বিয়ে পরানো হবে।

সবাই যেন হাফ ছেড়ে বাঁচে। দুই কাপলেই বিয়ে সম্পন্ন হতেই সকলে মোনাজাত ধরে তাদের জন্য দোয়া করে। এখন সময় মুখ দেখানোর। ওমনি স্মৃতি আর হুমায়রা মিলে দু’টো আয়না হাতে দেয় দুই ভাইয়ের। আয়নার মাধ্যমেই দুই কপোত-কপোতী একে অপরকে দেখে নেয়। হুমায়রা ভাইদের উদ্দেশ্যে বলে,

-তা ভাইগণ আপনারা আয়নায় কি দেখতে পারছেন?

সবাই চুপ হয়ে উওরের অপেক্ষা করে। অমিত হালকা হেসে বলে,

-আমার রাগিনীকে।

ওমনি তুলি অমিতকে হালকা ধাক্কা দেয়। এইটুকুতেই একদফা হাসির রোল পরে সবার মাঝে। হুমায়রা আবারো বলে,

-অনিল ভাইয়া তুমি কি দেখছো?

আবার চুপ হয়ে উওরের অপেক্ষায় করে সবাই। হালকা হেসে অনিল বলে,

-আমার রাক্ষসীকে।

ওমনি সবাই ভরকে যায়। অর্নি হালকা চিমটি কাটে অনিলের হাতে। সাথে সাথেই সবার আবার হেসে দেয়। অনিল বলে,

-দেখলে তো রাক্ষসী কীভাবে চিমটি দেয়।

মুখ ফুলায় অর্নি। হালকা ফিসফিস করে বলে,

-এখন কিছু বলবো না। রাতে বুঝাবো এর মজা। বাসায় যাই আগে।

হাসে অনিল। সেও হালকা ফিসফিস করে বলে,

-থ্রেড দিচ্ছেন ম্যাম?

-যা ভাবো।

-দেখা যাক।

স্মৃতি এক কোণে দাঁড়িয়ে সবার কান্ড দেখতে থাকে। হঠাৎ পাশ থেকে কারো কাশির শব্দে পাশে তাকাতেই আহানকে দেখে বলে,

-আপনি এভাবে হুটহাট কোথায় থেকে আসেন বলুন তো।

-এখানেই তো থাকি। হুটহাট কোথায়?

-এই যে…!

কথা বাড়ায় না আহান। কানের কাছে ফিসফিস করে বলে,

-কি দেখছিলে?

-ওনাদের খুব সুন্দর মানিয়েছে তাই না..!

-হুম। তোমার ইচ্ছে করে না বউ সাজতে?

হাসে স্মৃতি। দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে,

-সবার সব ইচ্ছে থাকতে নেই।

স্মৃতির কথা শুনে হালকা মন খারাপ হয় আহানের। স্মৃতির হাত টেনে সবার থেকে এক সাইডে এসে দাড়ায়। অবাক হয় স্মৃতি। অস্থিরতা নিয়ে বলে,

-আরে এভাবে কে নিয়ে আসে। মানুষ কি ভাববে?

-যায় আসে না কিছু।

-এখানে কেন এনেছেন?

-প্রেম করতে।

কিছুক্ষণ চুপ থাকে স্মৃতি। এরপর মাথা তুলে আহানের চোখে চোখ রেখে বলে,

-আপনি ডায়রির সব লেখা পড়েছিলেন?

হ্যাঁ সূচক মাথা নাড়ায় আহান।

-প্রশ্নের উওর পাইনি আমি।

-জানা জরুরি?

-হুম..!

-বাজি ছিল না ম্যাম৷ মন থেকেই কাছে এসেছিলাম। আরেকটা সুযোগ দিতে চেয়েছিলাম জীবনকে। কিন্তু তুমি বার বার প্রশ্ন করছিলে তাই ওই কথা বলেছি৷

চমকে তাকায় স্মৃতি। না চাইতেও ঠোঁটে হাসি ফুটে ওঠে। কিছু বলবে সেই মুহূর্তেই ডাক পরে সবার। একটু পর বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হবে সবাই। তাই কথা না বাড়িয়েই পা বাড়ায় সেদিকে। পেছন আহান বলে ওঠে,

-ভালোবাসি শ্যামাঙ্গিনী… ভালোবেসে ফেলেছি তোমায়। তোমার রাগ, অভিমায়, যত্ন সবকিছুকে।

#চলবে……..!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here