বোকামন #পর্ব_৩৯

0
3

#বোকামন
#পর্ব_৩৯
#Tahsin_Atoshi

বিয়ে শেষে আসতে আসতে প্রায় রাত হয়ে গেছে। সবাই মিলে এবার বসেছে আড্ডা দেয়ার জন্য। বর-বউকে এতো জলদি ঘরে পাঠানো হবে না। তার মধ্যে বড়দের একেকটা আচার-অনুষ্ঠান তো আছেই। সব শেষে সকলেই হাফ ছেড়ে বাঁচে। কিন্তু হুমায়রা তুহিনকে দেখেই মুখ ফুলিয়ে বসে থাকে। তা দেখে হাসে তুহিন। হুমায়রা পাশে বসে পরে সে। হুমায়রা উঠতে নিলেই হাত ধরে থামায়৷ বাকিরাও বসে বসে কাহিনী দেখছে। তুহিন হুমায়রাকে নিজের দিকে ফিরিয়ে বলে,

-আচ্ছা এভাবে রেগে আছিস কেন আমার ওপর। ওই মেয়ের জন্য তুই তোর ভাইয়ের সাথে কথা বলবি না?

-মিষ্টি আপুকে তুমি সবার সামনে অপমান করেছ।

-তো কি করতাম। এভাবে আমার ওপর অধিকার খাটাতে আসলে কি বলবো?

-মিষ্টি তোমাকে ভালোবাসে ভাইয়া। তুমি কেন বুঝো না?

-কিন্তু আমি তো অন্য….

-তুমি যাকে ভালোবাসো তার বিয়ে হয়ে গেছে ভাইয়া। কারো জন্য জীবন থেমে থাকে না।

-চাইলেই কি ভুলে যাওয়া যায় তুই বল? আমার…

-ওহ্ ভাইয়া প্লিজ। আমিও আহানকে ভালোবাসতাম। আহানও ভালোবাসত আমাকে। তাই বলে কি আমাদের জীবন থেমে আছে? নেই তো। আহানও স্মৃতিকে নিয়ে সুখে আছে। আর আমিও শুভর সাথে। হ্যাঁ হয়তো পুরোনো মানুষকে ভুলে যাওয়া সহজ না। কিন্তু তাই বলে ওই ব্যক্তির জন্য তুমি অবশ্যই সারাজীবন এভাবে থাকতে পারো না।

হুমায়রার বলার কথায় সবার মুখটা মলিন হয়েছে। পুরোনো স্মৃতিগুলো হুট করেই মাথায় চলে আসে। হুমায়রা বুঝতে পারলেও পাওা দেয়না। তুহিন বলে,

-আচ্ছা তুই কি চাস বল?

-তুমি মিষ্টিকে বিয়ে করবে।

-কিন্তু হুমু…

-কি?

-ওকে সেদিন অপমান করেছি আমি। ও কি এখনো আমাকে ভালোবাসবে?

-ভালোবাসায় ইগো থাকে না ভাইয়া। আর এমন যদি হয় তাহলে এতদিন যে ইগনোর করেছ তাতে ও তোমাকে ছেড়ে দিতো।

-কিন্তু…

-কিছুই না আমি কল দিচ্ছি। দেখি ওর মনের অবস্থা কি। তারপর তুমি কথা বলবে।

তুহিন কথা বাড়ায় না। হুমায়রাও কল দিয়ে স্পিকার অন করে৷ সবাই এবার ফোনে মনোযোগী হয়৷ প্রথমবার রিং হলেও ধরে না মিষ্টি। তবুও হুমায়রা তো হার মানার পাত্রী না। সে আবারো কল করে। দু’বার রিং হতেই রিসিভ করে মিষ্টি। প্রথমেই সালাম জানায়৷ গলা ভেঙে আছে তার। বুঝাই যাচ্ছে সে কান্না করেছে। হুমায়রা সেদিকে মনোযোগ না দিয়ে বলে,

-আপু তুমি আজ বিয়েতে আসলে না কেন?

-ব্যস্ত ছিলাম।

-কিসের ব্যস্ততা। তুহিন…

কথা শেষ করার আগেই মিষ্টি বলে,

-ছেলেপক্ষ দেখতে এসেছিল৷ আংটি পরিয়ে গেছে। পরের সপ্তাহে আমার বিয়ে। আসবে সকলে হুম?

বিয়ের কথা শুনে অবাক হয় সকলে। হুমায়রা ঠোঁট উল্টে বলে,

-মজা করছো তাইনা?

-এই মুহূর্তে মজা করার মুড নেই আমার। সত্যিই বললাম।

-কিন্তু তুমি তো তুহিন..

-ভালোবাসলেই যে ওই মানুষকে পেতে হবে এর কোনো মানে নেই। আমি এমনিতেও অভাগা বুঝলে। অল্পতে হার মেনে নেই। ভালোবাসা আমার জন্য না।

হাসে মিষ্টি। আবারো চোখ থেকে পানি গড়িয়ে পরে। হালকা কেশে নিজেকে ঠিক করে বলে,

-যার সাথে বিয়ে ঠিক হয়েছে সে খুব হ্যান্ডসাম জানো তো। আমার মামির বন্ধুর ছেলে। খুব ভালো। ব্যবসা করে। ভালোই ইনকাম। আমাকে সুখীই রাখবে। আর কি চাই বলো?

-আপু তুমি রাগ করে এমন ডিসিশন নিও না প্লিজ। তুমি চাইলেই…

– একটা কথা মাথায় রাখবে হুমায়রা এক তরফা ভালোবাসায় মেয়েরা সব সময় হেরে যায়। ছেলেরা চাইলেই নিজের ভালোবাসার মানুষকে জোর করে হলেও বিয়ে করে নিতে পারে৷ কারণ মেয়েদের মন নরম। তারা জানে একদিন না একদিন মেয়েটা তাকে ভালোবাসবে। মেয়েরা ভালোবাসা লোভী। কেউ একটু ভালোবাসলে, আদর যত্ন করলে এমনিতেই গলে যায়। আর ছেলেদের ক্ষেএে তা ভিন্ন। তাদেরকে জোর করে বিয়ে করা যায় না। করলেও মন পাওয়া যায়৷ ছেলেরা স্বেচ্ছাচারী। তাদের মন পাওয়া মুশকিল। তারাও যে ভালোবাসার মর্ম বুঝে না সেটা বলবো না। বুঝে ঠিকই। কিন্তু কখন জানো? যখন মানুষটা হারিয়ে যায়। ধরা ছোয়ার বাইরে হয়ে যায় তখন।

হুমায়রা ঠোঁট উল্টে কান্না করে দেয় এবার। কান্না মাখা কন্ঠে বলে,

-আপু তুমি খুশি বিয়েতে? মেনে নিতে পারবে ওই ছেলেকে বলো?

-মেয়েদের লাইফে এই শব্দটা কমন “মানিয়ে নেয়া”। চাইলেই তারা সব করতে পারে। আমিও পারবো ইনশাআল্লাহ। আর তুমি কাঁদছো কেন বোকা মেয়ে। যা হয় ভালোর জন্যই হয়। আমার জন্যও এটা ভালো। রাখি হ্যাঁ।

ফোন রেখে উঠে চলে যায় হুমায়রা। চুপচাপ নিজের রুমে গিয়ে বসে পরে। শুভও পিছু পিছু আসে তার সাথে। পাশে বসে বলে,

-তুমি কাঁদছো কেন? মিষ্টি কিন্তু ভুল কিছু বলেনি। ওকে ওর মতো থাকতে দাও।

-মিষ্টি আপু খুব ভালো। আপুর জন্য খারাপ লাগে আমার।

-কেন?

-আপু খুব একা জানেন। বাবা-মা কে হারিয়েছে। ভাইকে হারিয়েছে। এখন মামা-মামীর কাছে থাকে। ওনারা আদর করে। কিন্তু বাবা-মায়ের অভাব কি মিটে যায় বলুন। আপু মানসিক ভাবে অসুস্থ। সেদিন আহানই তো বললো। আপুর একটা হাতের প্রয়োজন। যে আপুকে ভালোবেসে আগলে নিবে। তুহিন ভাইয়া তেমনই। তুহিন ভাইয়াও স্মৃতিকে হারিয়েছে। সে তো জানে ভালোবাসার মানুষকে হারানোর কষ্ট। তাহলে কেন মিষ্টি আপুকে আপন করে নিতে পারবে না।

-জোর করে কিছু হয়না হূর। ওদেরকে বুঝতে দাও। মিষ্টি কি বললো শুনলে না? যার সাথে বিয়ে ঠিক হয়েছে সেও খুব ভালো। নিশ্চয়ই আগলে নিবে।

দরজার কাছেই দাড়িয়ে ছিল তুহিন সবটাই শুনেছে সে। কিন্তু চাইলেই কি মন অন্যকাউকে ভালোবাসতে পারে? এটা কি আদেও সম্ভব? তার জানা নেই। বেরিয়ে যায় বাসা থেকে। এই মুহূর্তে একা থাকাটা জরুরি।

সবার আর গল্প করা হয়ে ওঠে না। ধীরে ধীরে নবদম্পতিরাও নিজেদের ঘরে প্রস্থান করে। সবারই মুখটা মলিন হয়ে আছে৷ অনিল চুপচাপ অর্নির পাশে এসে বসে। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে,

-সব কেমন ওলটপালট হয়ে যাচ্ছে তাই না৷

-তুহিনটা কেন মিষ্টিকে মেনে নিচ্ছে না। একটা সুযোগ দিলেই পারে।

-ওর মনে কি চলছে তা কি আমাদের জানা আছে?

কথা বলে না অর্নি। চুপচাপ একটা শাড়ি নিয়ে ওয়াশরুমে চলে যায়। ফ্রেশ হয়ে বাইরে এসে অনিলকেও ইশারা করে ওযু করার জন্য। ওযু শেষে দু’জনই নামাজ আদায় করে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করে বসে বিছানায়। সাথে সাথেই অর্নি হাত পেতে বলে,

-আমার গিফট?

-কিসের গিফট? আমাকে যে বিয়ে করেছ সেটাই তো বড় গিফট।

-এই চালাকি করবে না। জলদি গিফট দেও আমার। এমনিতেও মুখ দেখানোর সময় তোমার বলা কথা কিন্তু আমি ভুলিনি।

-কোন কথা?

অনিল জেনেও না জানার ভান করে প্রশ্ন করলো। রাগ হয় অর্নির৷ উঠে চুপচাপ বারান্দার দিকে পা বাড়াতেই অনিল হাত ধরে আটকে দেয়। কাছে টেনে কোমড় জড়িয়ে বলে,

-রাগ করলে কিন্তু তোমায় সুন্দর লাগে।

-তার মানে বাকি সময় কি সুন্দর লাগে না?

ভরকায় অনিল। মাথা চুলকে বলে,

-না তখনও সুন্দর লাগে।

মুখ ভার করেই থাকে অর্নি। তা দেখে ঠোঁট কামড়ে হাসে অনিল। নাকের সাথে নাক ঘষে বলে,

-এতো রাগ করলে হয়। আমার ভাইটাই জিতেছে তুলিকে বিয়ে করে। সুন্দর শান্ত, রাগ করেনা তেমন।

অনিলের এমন কথায় অবাক হয়ে তাকায় অর্নি। মুখটা আরো মলিন হয়ে যায়। সে তো কারো সাথে নিজের তুলনা পছন্দ করে না৷ অনিল জানে বিষয়টা তবুও? কান্না পায় তার ঠোঁট কামড়ে আটকে নেয়৷ ছোট্ট করে বলে,

-সরি। আর রাগ দেখাবো না।

হাসে অনিল। দুই গালে হাত রেখে বলল,

-রাগ করলে নাকি? মজা করেছি তো। আমার বউ তো আমার কাছে বেস্ট। এতোদিন ভালোবেসেছি কি অন্যের সাথে তুলনা দেয়ার জন্য?

বলেই পকেট থেকে ছোট্ট একটা বাক্স বের করে। তা দেখে অবাক হয় অর্নি। কিছু বলে না অনিল। বাক্স খুলতেই একটা সোনার আংটি বেরিয়ে আসে। অর্নির অনামিকা আঙুলে পরিয়ে বলে,

-আগের আংটিটা রেখে দিও। এখন থেকে এটা থাকবে তোমার হাতে।

আংটি দেখে খুশি হতে পারে না খুব একটা। মাত্র বলা অনিলের কথাটা মনে গেঁথে গেছে তার। অনিলেরও বুঝতে খুব একটা বাকি রয়না বউয়ের অভিমানের বিষয়টা৷ কোমড় জড়িয়ে কাছে টেনে বলে,

-আজকের দিনে এমন অভিমান করতে নেই বউ।

তবুও চুপ থাকে অর্নি। অনিল এবার শক্ত করে জড়িয়ে ধরে। সে যে জেনে-বুঝে ভুল করেছে সে নিজেও জানে ভালোমতো। জড়িয়ে ধরেই আবারো বলে,

-সরি বউ। আর এমন ভুল হবে না।
__

অমিত ও তুলি নামাজ পরে মাত্রই বসলো। তুলির কিছুটা লজ্জা লাগছে। আবার মনে মনে আল্লাহর কাছে লক্ষ কোটিবার শুকরিয়াও করছে। এই দিনটার অপেক্ষাতেই তো ছিল সে। অবশেষে তা পূরণ হলো। অমিত তুলির দিকেই তাকিয়ে আছে। এর কারণে তুলি অমিতের দিকে তাকানোর সাহস পাচ্ছে না। কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকার পর হেসে উঠলো অমিত। উঠে দাড়িয়ে তুলিকেও সামনাসামনি দাড় করালো। তখনও তুলি নিচের দিকেই তাকিয়ে আছে। তা দেখে এবার থুতনিতে হাত রেখে উপরে তুললো অমিত। দুই গালে হাত রেখে তুলির কপালে অধর ছুয়িয়ে দিলো। মনে তারও প্রশান্তি৷ দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল,

-আল্লাহর কাছে লক্ষ কোটি শুকরিয়া তোমাকে আমার করে দিয়েছে বলে।

এবার চোখ তুলে তাকালো তুলি। কোনো কথা ছাড়াই একটা মুচকি হাসি উপহার দিলো। আবারো কেটে গেল কিছুক্ষণের নিস্তব্ধতা। অমিতও ধীর পায়ে ড্রেসিং টেবিলের সামনে গিয়ে ড্রয়ার থেকে একটা বাক্স বের করলো ৷ বাক্সটার ভেতর আছে ছোট একটা চেইন সাথে লাভের মতো লকেট। তা দেখে অবাক হয় তুলি। ঠোঁট উল্টে বলে,

-এসবের দরকার ছিল না। তুমি তো আমার বড় পাওয়া।

অমিত কথা বাড়ালো না। তুলির পিঠ থেকে চুলগুলো সামনে এনে চেইনটা পরিয়ে দিয়ে কোমড় জড়িয়ে বলল,

-বড়দের কাছে শুনেছি বিয়ের রাতে বউকে উপহার দিতে হয়। তাই দিলাম।

-খুব সুন্দর চেইনটা। কিন্তু হারিয়ে গেলে?

-নতুন বানিয়ে দেয়া যাবে..!

হাসে তুলি। আবার মন খারাপও হয় একটু। ঠোঁট উল্টে বলে,

-আমার না মিষ্টির জন্য খারাপ লাগছে খুব। কাল ওর সাথে দেখা করতে যাবে?

-কাল?

-হুম কেন?

-আচ্ছা আগে বড়দের কাছ থেকে পারমিশন নিতে হবে। হাজার হোক আজ বিয়ে হয়েছে আমাদের।

তুলিও বুঝতে পারে বিষয়টা। অমিত মুচকি হেসে বলে,

-সবার ভাগ্যে হয়তো পূর্ণতা লেখা থাকে না। উপরওয়ালা হয়তো চায়না ওদের মিল হোক।

-তুহিন মেনে নিলেই মিল হবে। দেখি কি হয়।

-জ্বী ম্যাম। এখন ওদের কথা বাদ দিন। আজকের রাতটা আমাদের জন্যই স্পেশাল। তো নিজেদের নিয়েই ভাবি।

অমিতের কথায় হালকা লজ্জা পায় তুলি। মাএই লজ্জাটা একটু কমেছিল। অমিতের কথায় আবারো বারে।

___

রাতের আকাশে ওঠা চাঁদটার দিকে এক ধ্যানে তাকিয়ে আছে তুহিন। নিজের জীবনের উপর বিরক্ত সে। কিন্তু বলার কিছু নেই। সবাই যার যার নিজেরটাই বুঝে। তার বিষয়টা কে বুঝতে চায়। মিষ্টির বলা কথাগুলোও কানে বাজছে,

“ছেলেরা চাইলেই নিজের ভালোবাসার মানুষকে নিজের করে নিতে পারে..!”

কথাটা ভেবেই আকাশের পানে তাকিয়ে আনমনে হেসে ওঠে তুহিন। বিরবির করে মিষ্টির কাছেই প্রশ্ন করে,

-যদি তাই হয় তাহলে আমি কেন নিজের ভালোবাসার মানুষকে পেলাম না মিষ্টি? কেন পারলাম না নিজের করে নিতে?

চোখ বন্ধ করে নেয় সে। এরই মাঝে পেছন থেকে একটা মেয়ের কন্ঠস্বর ভেসে আসে।

-আল্লাহ ভাগ্যে লিখে না রাখলে কি করবি দা ভাই?

সাথে সাথেই চোখ খুলে ফেলে তুহিন। তিন্নি দাঁড়িয়ে আছে পেছনে। ধীরে ধীরে তুহিনের পাশে এসে দাঁড়ায়। তুহিনের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করে,

-মিষ্টি কে দা ভাই?

-ভার্সিটির একটা মেয়ে।

-ভালোবাসিস ওকে?

– ও বাসে।

– আর তুই?

উওর দেয়না তুহিন। আকাশের দিকেই তাকিয়ে রয়। আর তিন্নি দেখে নিজের ভাইকে। কিছুক্ষণ পর্যবেক্ষণ করে বলে,

-তুইও ওকে ভালোবাসিস দা ভাই। তাই কোনো উওর নেই তোর কাছে।

হাসে তুহিন। কিছু বলতে যাবে তার আগেই তিন্নি আবারো বলে,

-তোর মাথায় এখনো স্মৃতি মেয়েটাই ঘুরছে তাই হয়তো তুই বুঝতে পারছিস না। কিন্তু জীবন কারো জন্য থেমে থাকে না দা ভাই।

-খুব পাকা পাকা কথা শিখেছিস দেখছি। একা থাকতে দে। যা এখান থেকে।

কথা বাড়ায় না তিন্নি চুপচাপ স্থান ত্যাগ করে। কিন্তু তুহিনের মাথায় গেঁথে যায় তিন্নির বলা কথাটা। নিজের কাছেই নিজে প্রশ্ন করে,

“সত্যিই কি সে মিষ্টিকে ভালোবাসে? এটা সম্ভব? ”

#চলবে……!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here