বৈরি_হাওয়া #পর্ব_৬

0
2

#বৈরি_হাওয়া
#পর্ব_৬
#ফারজানা_প্রণয়_চৌধূরী

বাবা হয়ে নিজ দায়িত্বে নিজের মেয়েকেই আপনি মেরে ফেললেন!
কেন করলেন এই ঘৃণ্যতম অপরাধ?

আপনার কাছে আমি কী চেয়েছিলাম, আব্বা? আমার অপরাধটাই বা কী ছিল?

ঊর্মির বাবা হকচকিয়ে গেলেন। মেয়ের সেই শাণিত দৃষ্টিতে তিনি কুপোকাত। বাবার অবাক চোখের দিকে তাকিয়েই ঊর্মি বলতে শুরু করল—

_”ভয় পাবেন না। আপনি মানুষ খুন করেননি। তবে তার থেকেও বড় অপরাধ করেছেন।
সব সময় যে মানুষ খুন করলেই খুনি হয়, এমনটা নয়। কখনো কখনো বিশ্বাসও খুন হয়, অনুভূতিও খুন হয়। আর সেই খুনটাই আপনারা বাবা–মায়েরা করেন।
মানুষ খুনের থেকেও সবচেয়ে বড় অপরাধ হলো বিশ্বাসের খুন করা।

আচ্ছা বলেন তো, আমরা সন্তানরা ভুল করলে সঙ্গে সঙ্গে আদালত বসে যায়। চোখের পলকেই রায় লেখা হয়ে যায়। কিন্তু বাবা–মায়ের নামে প্রতিদিন যে নীরব অন্যায়গুলো ঘটে, যে নীরব অপরাধগুলো চলতে থাকে সেগুলোর বিচার কে করে?”

ঊর্মির কণ্ঠ ভিজে আসে। আফতাব সাহেব মেয়ের দিকে তাকিয়ে কিছু বলতে যাবেন, তার আগেই ঊর্মি বাবার পায়ের কাছে এসে বসে পড়ল। হাঁটুর ওপর কপাল ঠেকায়। নিজেকে আর কঠোর রাখতে পারে না সে ।তারা যতই তাকে ঠকাক, কিন্তু তারা তো মা–বাবা। আর কত পারবে? সেও তো একটা মানুষ।

হাঁটুর ওপর মাথা রেখে চোখের পানি ফেলতে লাগল ঊর্মি। একসময় কান্নার চিৎকার পুরো ঘরে ছড়িয়ে পরলো ।

আফতাব সাহেব মেয়ের মাথায় হাত রাখলেন। বাবার হাত মাথার ওপর টের পেয়ে কান্নার গতি আরও বেড়ে গেল। হেঁচকি তুলতে তুলতে বলল—

–“আব্বা, আমি কেন মানতে পারছি না? আমাকে এ কী শাস্তি দিলেন আপনারা? বিয়ের মতো একটা পবিত্র বন্ধনে কেন এভাবে ঠকালেন? আমার কত স্বপ্ন ছিল, জানেন? আমার একটা ছোট সংসার হবে। কিন্তু আব্বা, ওটা তো আমার সংসার না।
ঊর্মিলা মাথাটা একটু তুলল। পাগলের মতো রক্তলাল চোখে এক নিশ্বাসে বলতে লাগল—

আব্বা, ওটা আমার সংসার না। ওটা আরেকজনের সংসার। ওখানে একটা বাচ্চাও আছে। কী নিষ্পাপ বাচ্চা! আমাকে ‘মাম্মা’ ডাকে। অথচ আমি কোনো অনুভূতি পাই না। শুধু বাচ্চা না বাচ্চার মাও আছে।
আমি যেদিন বিয়ে করে যাই, সেদিন রাতেই সে আমাদের বাসর ঘরে ঢুকেছিল। মেয়েটাও সাথেই ছিল। পরের দিন আবার নিজেকে তার ওয়াইফ বলে দাবি করল। এগুলো দেখানোর চেয়ে আমাকে মেরে ফেলতেন। কেন এভাবে মারলেন?”

আফতাব সাহেবের চোখ বেয়ে পানি গড়িয়ে পড়ল। মেয়ের কান্নার সঙ্গে হেঁচকি পরিবেশটাকে আরও নিরেট করে তুলছে। সহ্য করতে পারছেন না তিনি।

দূর থেকে সবটা দেখছিল কায়সার। একসময় দীর্ঘশ্বাস ফেলল সে। একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল। সকালে ঘুম থেকে উঠেই এখানে আসার আয়োজন শুরু হয়েছিল। এটা নাকি নিয়ম।
ঊর্মি প্রথমে আসতে চায়নি। কিন্তু কী মনে করে যেন নিজে থেকেই তৈরি হয়ে বসে ছিল। হয়তো এটার জন্যই।
কাঁদতে কাঁদতে হঠাৎ চারপাশ ঘুরতে লাগল ঊর্মির। এত ট্রমা সহ্য করতে না পেরে মেঝেতে লুটিয়ে পড়ল। মেয়েকে পড়ে যেতে দেখে আফতাব সাহেবের বুকটা খামচে ধরল। ধরতে যাবেন, তার আগেই একজোড়া হাত আগলে ধরল । কায়সার!

ঊর্মিকে পড়তে দেখেই দৌড়ে এসেছে সে। তাড়াতাড়ি কোলে তুলে বিছানায় শুইয়ে দিল। সবটা নির্বাক চোখে দেখলেন আফতাব সাহেব। মেয়ের কাছে যাওয়ার শক্তি নেই, মুখও নেই তার।
এবং মেয়েকে আগলে রাখার মতো কোনো কাজ কি করঋিলেন সে? নিজমনে নিজেই নিজেকে ধিক্কার জানালেন তিনি।

______________

–“স্বর্ণা, তুই কিছু দিনের জন্য কোথাও বেড়িয়ে আয়।”

–“মা, তুমি কি এগুলো ওই মেয়েটার জন্য বলছ?”

–“হ্যাঁ, বলছি। এমনেই ওদের সংসারে টানাপোড়েন। তার মধ্যে তুই এখানে থাকলে ওদের সংসারটা টিকবে না।”

–“আমি কি আদৌ তোমাদের মেয়ে?”

বিরক্ত হলেন রেহেনা। তেজি স্বরে বললেন—

–“ওটাই তো সমস্যা। কেন এমন কালনাগিনি হলি? আমার কোন পাপের শাস্তি তুই আমাকে দিচ্ছিস?”

আমার কানের মাথা খেয়ো না। পাশে না থাকো। তবে আমার কাজ আমাকে করতে দাও।

–“স্বর্ণা, তুই ওদের সংসার থেকে দূরে থাকবি।”

ওদের সংসার মানে কী? ওটা আমার সংসার। আমার মেয়েটা আমাকে সহ্য করতে পারে না। আমার চোখের সামনে একটা বাইরের মেয়েকে ‘মাম্মা’ ডাকছে। আর আমার স্বামী আমার সামনেই ওই মেয়েটার সঙ্গে সংসার করছে। কি ভেবেছো সবটা মেনে নেব?

কখনো না। এটা আমার দ্বারা সম্ভব না মা।

–“কোনটা তোর সংসার? তুই ভুলে যাচ্ছিস, তোর ডিভোর্স হয়ে গেছে। সেটাও তোর চরিত্রের জন্য।”

–“তুমিও ভুলে যাচ্ছো। ডিভোর্স পেপারে কায়সার সই করলেও আমি করিনি। তুমি আমাকে ঠকিয়ে সই নিয়েছ।”

–“হ্যাঁ, নিয়েছি। এটা ছিল আমার জীবনে করা অন্যতম ভালো কাজ। তোকে যেমন মেরে ফেলতে পারছি না, তেমনি ওই বাচ্চা আর ছেলেটাকেও তোর মতো বিপদের কাছে ঠেলে দিতে পারিনি।ওদেরকে ওদের মতো সুখে থাকতে দে।”

মায়ের কথায় কোনো ভাবান্তর হলো না স্বর্ণার। এগুলো রোজকার ব্যাপার।
_____________________

–“বুজি না বাবা, ঐ মাইয়ার কিতা সমস্যা। এমন ঢং করার কিতা আছে? আমরার কি বিয়া হয় নাই? তুমার হওরে তিন বিয়া করছে। আমরা হতিন নিয়া খাই নাই। এমনো দিন গেছে, জামাইরে চোখখের দেহাডা দেখতে পারি নাই। জামাই হতিন লইয়া ওলামেলা করছে। তয় আমরা কি সংসার করি নাই? মইরা গেছি আমরা। আমরা তো ভালা ভালা খাওন-পিন্দনও চোখখে দেহি নাই। এহনের যুগের মাইয়াগো কতো ঢং!

শাশুড়ির কথায় কোনো উত্তর দিলেন না রুজিনা বেগম। তবে নিচু কণ্ঠে বললেন,

–“আম্মা, মেয়েটা উঠে যাবে। একটু আস্তে বলেন।”

–“উডুগগা! কাহিনীডা করলো কি? পোলাডায় কি ভাবতাছে? হউর বাইত না জানি ঐ ছেরি কি করতাছে। আরে, পোলা মাইনষের কোনো দোষ আছে? বাকা অইলেও খাঁটি। কথায় আছে না সোনার আংটি বেহা অইলেও দাম আছে। পোলা মানুষ একটা আর দশটা বিয়া আছে। টাহা থাকাডা বড় কথা। বউ পালতে পারাডাই অইলো কথা। খাইবো আর আয়েশ করবো। তা না কইরা ঢং ধরছে! হুনো বউমা, ঐ ছেরির এইসব কাজকামে যদি হউর বাইততে বাইর কইরা দেয়। তাইলে কইলাম, এই বাইত্তে ওর যায়গা নাই।”

সবকিছুই শুনছে ঊর্মি। সিলিংয়ের দিকে স্থির দৃষ্টি তার। বাইরে থেকে ভেসে আসছে দাদির বিষবাক্য। শব্দগুলো যেন এক একটা পাথরের মতো বুকের ওপর আছড়ে পড়ছে। কিছুক্ষণ পর নিজেকে সামলে নিল। ধীরে উঠে বসল।

এই বাড়িতে আসাটা যেন এখানেই শেষ হয়। বিয়ের রাতেই সে এই বাড়ি ত্যাগ করেছিল। আজ এসেছিল বাবার মুখোমুখি হবে বলে। ভেতরে জমে থাকা প্রশ্নগুলো করবে বলে। সেই আশাতেই আসা।

কিন্তু এখানে আশার পর থেকে মায়ের উপদেশমূলক বাক্য সংসারটা চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ।ভয়,পাছে যদি চলে আসি।

একবারো জিগ্গাসা করলেন না। তুই ভালো আছিস তো?এটাই বুঝি মেয়েদের জীবন?হয় মেনে নেও নাহয় মানিয়ে নেও।

উঠে দাঁড়ালো সে। জানালার কাছে দাঁড়িয়ে আছে কায়সার। সেদিকে একবার তাকিয়ে বললো,

–“আসতে পারেন। আমি বাইরে অপেক্ষা করছি।

ঊর্মিকে আসতে দেখে রুজিনা বেগম দৌড়ে আসলেন।ঊর্মি কোথাও না তাকিয়ে সামনের দিকে হেটে যাচ্ছে। পেছন থেকে ভেসে আসছে মায়ের উৎকন্ঠা। ঊর্মি কোথায় যাচ্ছিস।জামাই কে নিয়ে এভাবে যাস না।খাবারটা অন্তত খেয়ে যা।

থামলো ঊর্মি। খানিকটা ঘার বাঁকিয়ে মায়ের দিকে তাকালো। তাচ্ছিল্য স্বরে বললো,

–“ঐগুলো খাবার না মা ঐগুলো পাথর।আমার গলা দিয়ে নামবে না।”

আর কিছু না বলেই চলতে লাগলো।তাকালো না পিছনে।

দেখলো না বাবার ছলছল দৃষ্টি। ইশশ সেদিন যদি মায়ের কথা না ভেবে মেয়ের কথা ভাবতেন। মাকে বাঁচিয়ে রাখতে মেয়েকে হাড়িয়ে ফেললেন তিনি।তবে আগলে রেখে ছিলেনি বা কবে? বাবা হিসেবে পুরোই ব্যার্থ তিনি। এমন বাবা কোনো সন্তানের না হোক।
_______________

–ঐ দেখ, ঊর্মি যাইতাছে।

প্রথম মহিলার কণ্ঠে কৌতূহলের ফিসফাস।

–আরে হ্যাঁ! হাঙ্গাইললা বেডার লগে বিয়া হইছে। একটা ছেড়িও আছে। শুনলাম, টেহার কোনো অভাব নাই।

দ্বিতীয় মহিলা চোখ সরু করে বলল, যেন খবরটা সে নিজেই জোগাড় করেছে।

— হ ভাবি, গোলির মুখে আমি নিজ চোখে দেখছি। একটা বড় গাড়ি দাড়াইয়া ছিল। জামাইডাও অতো বুইরা না। দেখতে তো ভালোই আছে।

প্রথম মহিলা অসন্তুষ্টির সুরে হিসাব মেলাল।

–এই জন্যই তো বলে, মাইয়া মানুষ বেসি বয়স করা ভালা না। বয়স হইলে বিয়া দেওয়া যায় না। ছোডো থাকতেই বিয়ে দিয়ে দেওয়া ভালো।

দ্বিতীয় মহিলার গলায় সমাজের পুরোনো ফরমান।
ভেসে আসছে দুই মহিলার কথোপকথন। খুব স্বাভাবিক, খুব সহজ। যেন কারও জীবনের গল্প না, পাড়ার কোনো পুরোনো খবর।ঊর্মি সবটাই শুনল।
একটা মানুষকে তারা হিসাব করল টাকা দিয়ে, গাড়ি দিয়ে, বয়স দিয়ে। কেউ একবারও ভাবল না সে মানুষটা ভালো আছে কি না।

কোথায় লড়াই করবে সে? এই অসুস্থ সমাজে?
যেখানে মেয়েদের জীবনের দাম মাপা হয় লোকের কথায়, আর সম্মান নির্ধারিত হয় অন্যের চোখে।
এই সমাজে তো চারপাশ জুড়ে শুধু বৈরি বাতাস।
শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারবে তো সে?

______________________

–“দাদু, দদন দেও।দদন খাবো।”

সাজেদা দেওয়ান প্রায় পাগল হয়ে যাচ্ছেন। মিমি সেই কখন থেকে একটানা বলে যাচ্ছে দদন খাবো। কী সেই দদন, কোথায় পাওয়া যায়, মানুষ খায় নাকি অন্যকিছু।কিছুই তার মাথায় ঢুকছে না। একটা শব্দ, অথচ যেন পুরো ঘরটা চেপে ধরেছে।

—”দাদু, পাপা আসুক। তারপর তোমাকে নিয়ে দদন আনবে, ঠিক আছে?”

–“উফ! দাদু, বুতছো না! আমি এতন খাবো!”

মিমির হাতে তেঁতুল। মুখ দিয়ে ‘চচ’ জাতীয় শব্দ, চোখে অদ্ভুত এক জেদ। মেয়েটার এমন ভঙ্গি দেখে সাজেদার নিজেরই তেঁতুল খেতে ইচ্ছে করছে। সেখানে এই বাচ্চা নাকি দদন খাবে! তেঁতুলের সঙ্গে খাওয়ার নতুন কোনো আইটেম বের হয়েছে নাকি? দদন খাওয়ার বস্তু!

তর্ক থামে না। সাজেদা আর মিমির মধ্যে কথার লড়াই চলতেই থাকে। ঘরের বাতাস ভারী হয়ে আসে।
এই সময় গুনগুন করতে করতে এসে দাঁড়ায় আয়াশ। সবটা চুপচাপ শোনে। মিমি খেতে চেয়েছে, আর সে চাচ্চু হয়ে দিতে পারবে না । এটা তার কাছে অসম্ভব। কিন্তু এই দদনটা কী?

মোবাইল বের করে মরিয়া হয়ে সার্চ করে। কিন্তু কোথাও কিছুই নেই। শব্দটা যেন ইচ্ছা করেই পৃথিবী থেকে মুছে ফেলা হয়েছে । আয়াশও মায়ের মতো অস্থির হয়ে ওঠে। ভাগ্নি খেতে চাইছে, আর সে অসহায়।এই অসহায়ত্ব তার ইগোতে গিয়ে কামড় বসায়।

মিমি এবার পুরোপুরি বিরক্ত। কারো দিকে না তাকিয়ে রান্নাঘরের দিকে চলে যায়। আবার ফিরে আসে । চোখে আশা, মুখে অভিমান। একে একে বাড়ির সবার সামনে গিয়ে দদনের দাবি তোলে। কেউই দিতে পারে না। সবাই ব্যর্থ।

ঠিক তখন কায়সার এবং ঊর্মি ঢোকে। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সবটা দেখছে ঊর্মি। কিছুই বলছে না। ঘরে একটা চাপা অস্বস্তি জমে।মিমি আবার রান্নাঘরের দিকে যায়। এবার তার চোখ আটকে যায় উঁচু সেলফে।

ঊর্মি বিষয়টা খেয়াল করে। কখনো সেলফ, কখনো মিমির হাতে ধরা তেঁতুল ,দুটোর মধ্যে অদ্ভুত এক যোগসূত্র খুঁজে পায় সে। হঠাৎ করেই বুঝে যায়। কি সেই বস্তু।

চুপচাপ মিমির পেছনে যায় সে । সেলফ থেকে নামিয়ে আনে একটা বয়াম। ভেতরে লবণ।

লবণ দেখেই মিমির মুখ বদলে যায়। যেন হারানো কিছু ফিরে পেয়েছে। আনন্দে লাফিয়ে ওঠে, হাততালি দেয়—

—”এতাইতো দদন! খেতে তাইথি! কেউ বুদে না!

আয়াশ কখনো লবণের বয়ামের দিকে তাকায়, কখনো মিমির দিকে। এই মুহূর্তে তার নিজের কপাল দেয়ালে ঠুকতে ইচ্ছে করছে। এত নাটক, এত ভাবনা শেষে দাঁড়িয়ে ছিল একটা লবণের বয়াম।

এই একটা জিনিস তারা কেউ বুঝতে পারেনি। আর সে কী না কী ভেবেছিল!

একেই বুঝি বলে,
খুদি পাহাড় নিকলি চুহা।

চলবে,,,,

( লেখার জগতে আমি নতুন, তাই হয়তো অনিচ্ছাকৃতভাবে অনেক ভুল হয়ে যায়। আমার সেই ভুলগুলো ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং সেগুলো শুধরে দেওয়ার চেষ্টা করবেন—এই প্রত্যাশাই রাখি । পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ সবাইকে)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here