কথা_দিলো_রোদ্দুর (১০) #তুসিকা

0
2

#কথা_দিলো_রোদ্দুর (১০)
#তুসিকা
অর্থি কে হসপিটালে ভর্তি করানো হয়েছে,, হসপিটালের সাদা বেডে যেন নিষ্পাণ এক দেহ পড়ে আছে এমন দেখাচ্ছে অর্থিকে। জ্ঞান ফিরেছে, কিন্ত পেটে এখনো ভীষণ ব্যাথা করছে আর শরীর ও দূর্বল দেখে ডক্টর ব্যাথার জন্য স্যালাইন দিয়েছে, আর ইঞ্জেকশন ও পুশ করছে যেন ব্যাথা থেকে কিছুটা স্বত্বি পাওয়া যায়, তাই অর্থি এখন ঘুমাচ্ছে। তবে রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট না আসলে এই মুহুর্তে কিছুই বলতে পারছেন না কি হয়েছে।

ডক্টরের এই কথা শোনার পর যেন রেবেকা বেগমের চোখ থেকে আপনা আপনি পানি পড়ছে, যতই তিনি মেয়েটাকে তার শরীর স্বাস্থ্যের জন্য কথা শোনান, মেয়েটা তার কাল থেকে না খাওয়া আর এখন সন্ধ্যা পার হয়ে রাত হতে চলল তবু ও মেয়েটার পেটে কিছু পড়ে নি, তার উপর স্যালাইন চলছে, এমন অবস্থা দেখে তিনি বারবার ভেঙে পড়ছেন আর চোখের পানি ফেলছেন। রেবেকা বেগমের পাশে মিষ্টির আম্মু তাকে শান্ত হতে বলছেন; এভাবে তিনি অর্থির সামনে কান্না করতে থাকলে অর্থি আরো ভেঙে পড়বে, হয়ত গুরুতর কিছু হয়েছে ভাববে।

[ অর্থির জ্ঞান হারানোর পর রেবেকা বেগম যেন দিশেহারা হয়ে পড়লেন,, তিনি কিভাবে কি করবেন কিছুই যেন তার মাথায় আসছে না। এদিকে তিনি অর্থির মুখে পানির ছটা দিয়ে ও যখন দেখলেন তার জ্ঞান ফিরছে না।

—”অর্থি কি হয়েছে তুই উঠছিস না কেন,,, এই অর্থি মা ,, উঠ মা, বল আমাকে কোথায় ব্যাথা করছে, না বললে আম্মু কি করে বুঝবো বল! অর্থি!

তবু ও অর্থি শুনলো না, শ্বাস টা ও কেমন আস্তে চলছে,
এবার যেন রেবেকা বেগমের নিজের শরীর ই অবশ হতে শুরু করলো।
অর্থির হাত পা মালিশ করতে করতে তিনি আর্তনাদ করতে লাগলেন; অর্থ তখন বুদ্ধি করে মিষ্টির আম্মু জারিন আন্টিকে ডেকে আনলেন।

জারিন আন্টি এসে অর্থির এমন অব্স্থা দেখে তিনি ও অর্থির হাত পায়ের মালিশ করতে লাগলেন,, মুখে পানির ছটা ও দিলেন কিন্ত কোনো কাজ হলো না,, ততক্ষণে জাবের সাহেব হন্তদন্ত হয়ে বাসায় এসে পৌছালেন। মেয়ের অসুস্থতার খবর শুনে তিনি কিভাবে বাসায় পৌঁছেছেন একমাত্র আল্লাহ ছাড়া বোধ কারোরই জানা অসম্ভব। তারসাথে রামিজ সাহেব এলেন, জাবের সাহেবের অফিসের সহকর্মী। তারা সবাই মিলে অর্থি কে হসপিটালে নিয়ে গেলেন]

এবার রেবেকা বেগমের পাশে জাবের সাহেব এসে দাঁড়ালেন, তিনি ফার্মেসী তে ওষুধ আনতে গিয়ে যেভাবে দেখে গেছেন রেবেকা বেগম কান্না করছে এসে ও দেখেন রেবেকা বেগম তখন ও কান্না করছে।

—”এই তুমি এমন কান্না করছো কেন বলো তো,, আমাদের মেয়ে একদম সুস্থ হয়ে যাবে দেখবে,, ডক্টর বললে আমরা রাতেই মেয়ে কে নিয়ে বাসায় ফিরবো দেখবে,, আর দেখবে রিপোর্ট এ ভালো আসবে আল্লাহ রহমতে, চিন্তা করো না,, আর কান্না করো না, অর্থি উঠে যাবে না হলে!

জাবের সাহেব রেবেকা বেগম কে শান্তনা দিচ্ছে, কিন্ত তার চোখ মুখ বলে দিচ্ছে তিনি রেবেকা বেগমের থেকে বেশি ভেঙে পড়েছেন। কান্নার প্রভাবে চোখ লাল হয়ে ফুলে আছে। অর্থি যে তার বড্ড আদরের মেয়ে।

শুধুই আদরের নয়, মেয়ে যে তার বড্ড শখের, তার নিশ্বাসের মতো, বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন।
তবু ও রেবেকা বেগমের সামনে শক্ত ভাব মূর্তি বজায় রেখে আবারো বললেন;

—” যাও অর্থ কে কিছু খাইয়ে দাও, না খেয়ে আছে ছেলেটা, আর তুমি ও কিছু খেয়ে নাও। ডক্টর আসলে আমি কথা বলবো,,,

হসপিটালে এসেছে পর্যন্ত অর্থ চুপ করে অর্থির পাশেই বসে ছিল, অর্থ ও কোনো বায়না করছে না দেখে রেবেকা বেগম যেতে চাইলেন না, তবু ও জাবের সাহেব জোর করে রেবেকা বেগম কে পাঠালেন,, রেবেকা বেগম উঠতে জারিন আন্টি সরে দাঁড়ালেন, তার পাশে মিষ্টি চুপটি করে দাঁড়িয়ে আছে, অর্থির বাবা মায়ের এমন কথা শুনে সে মায়ের কোল ঘেঁসে বলল;

—” আম্মু আথি আপু ঠিক হয়ে যাবে,, এখনো আপু উঠছে না কেন,, দেখো তার মা বাবা কষ্ট পাচ্ছে। আমি ও তো কষ্ট পাচ্ছি, তুমি আপু কে বলো তাড়াতাড়ি উঠতে।

—”আম্মু আপু একটু অসুস্থ, তুমি আল্লাহ কাছে দোয়া করো, দেখবে আপু ঠিক হয়ে যাবে। দেখবে সবার কষ্ট কমে যাবে।

মিষ্টি মাথা নাড়লো, অর্থির বাবা মায়ের মতোই মেয়েটা অর্থিকে খুব পছন্দ করে, তাই তো অর্থির এমন অসুস্থতায় সে ও খুব চিন্তিত। সে ও বারবার আল্লাহ কে বলছে তার আথি আপু যেন সুস্থ হয়ে ওঠে।

মিষ্টির এমন সরলতায় জাবের সাহেবের চোখ ভারী হয়ে উঠলো,, তাই মিষ্টির আম্মু জারিন কে বললো;

—” বোন তুমি সেই কখন থেকে এখানে আছো, যাও মিষ্টি কে নিয়ে গিয়ে কিছু খেয়ে আসো, অর্থির মা তো ক্যান্টিনে আছে, যাও। আমি আছি ওর পাশে,,

জাবের সাবের কথায় জারিন ও চলে গেলেন। তারা যেতে জাবের সাহেব মেয়ের মাথার কাছে বসলেন,, রুমে এখন শুধু বাপ মেয়ে দু জনই আছে, তাই জাবের সাহেবের এতক্ষণ ধরে ধরে রাখা কান্না নিঃশব্দে বেরিয়ে আসতে লাগলো,,

—” অর্থি আম্মা!

অফিস থেকে ফিরলে জাবের সাহেব যখন অর্থিকে এই নামে ডাকে তখন যে কাজেই ব্যস্ত থাকুক না কেন ” জ্বি আব্বু” বলেই সামনেই আসবে,, আর তাকে পানি এগিয়ে দেবে। অর্থির তখন সে কি মায়া ভরা চাহনি, এতেই যেন জাবের সাহেবের সকল ক্লান্তি দূরে সরে যায়। আর অর্থ! সে তো আব্বু কি মজা এনেছো আজকে,, অর্থির থেকে কিন্ত আমাকে বেশি দিতে হবে,,, ওকে বেশি দিলে কিন্ত হবে না,,
তখন আবার অর্থি বলবে, আব্বু আমাকে বেশি ভালোবাসে তাই আমাকে মজা বেশি দিবে, তুই সর অর্থ।

এসব ভেবে কান্নারত চোখে মুখে এক টুকরো মলিন হাসি ফুটলো জাবের সাহেবের মুখে।

কিন্ত অর্থির এমন অবস্থায় মায়া ভরা ডাকের উওর আসলো না, বরং তিনি দীর্ঘশ্বাস নিয়ে অর্থির মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে লাগলেন।

–” তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে পড়ো আম্মা, বাবার যে এভাবে তোমাকে দেখতে ভালো লাগছে না!! ওই হাসি মাখা মুখ ছাড়া এমন নিষ্পাণ চেহারায় যে আমার আম্মাটাকে একদম মানায় না,,

এভাবে জাবের সাহেব অর্থির সাথে নির্লিপ্ত ভাবে কথা বললেন কিছুক্ষণ।

কিন্ত পনেরো, বিশ মিনিটের মাথায় নার্স আসলো।
আর যখন নার্স রিপোর্ট নিয়ে আসলেন জাবের সাহেব উদ্বিগ্ন হয়ে নার্স কে জিজ্ঞেস করতে লাগলেন অর্থির কি সমস্যা হয়ে, কি কারনে সে জ্ঞান হারিয়েছে,,, তখন নার্স টি বললো;

—”আসল রিপোর্ট আমরা ডক্টরের কেবিনে দিয়ে এসেছি, ডক্টর আপনাদের সাথে কথা বলবেন, আপনারা ডক্টরের সাথে কথা বলুন,, আমি এখন ওর স্যালাইন চেক করে দ্বিতীয় ইঞ্জেকশন দেব,,

ততক্ষণে রেবেকা বেগম আর জারিন আন্টি ও রুমে এসে গেছে, ডক্টর তাদের কেবিনে ডাকছে শুনে রেবেকা বেগম বললেন জাবের সাহেব কে ডক্টরের সাথে কথা বলতে তিনি অর্থির কাছে থাকবে। কিন্ত জারিন আন্টি ই বললো;

—” আপা আমি এখানে থাকি অর্থ আর মিষ্টি তো আছে, অর্থি কে ও দেখবো, আপনারা দুজন থাকলে ডক্টর কি বলেছে ব্যাপার টা বুঝতে পারবেন।

জারিন বেগম যখন দেখে রাখবেন বলছেন তখন তারা অর্থিকে বেডে রেখে দুজনেই ডক্টরের কেবিনে গেলেন।

_______

ডক্টর রিপোর্ট এ চোখ বুলালেন,, বিভিন্ন টেস্ট করানো হয়েছে, কিন্ত রিপোর্ট এ কি এসেছে ডক্টরের থেকে উওর না আসলে তো রেবেকা বেগম জাবের সাহেব কিছু জানতে ও পারবে না। তাই জাবের সাহেব বললেন;

—” কি হয়েছে ওর ডক্টর! মানে অন্য কিছু,,,

ডক্টর এবার নিশ্চিত ভাব নিয়েই তাদের বললেন;

—” না.. না.. আল্লাহ ভরসা খারাপ কিছু নয়,,, তবে দেখুন আমরা ভেবেছি পেটে ব্যাথার কারনে জ্ঞান হারিয়েছে যেহেতু, এটা হয়ত এপ্নেডিস, আর না হলে ফুড পয়জনিং এর কারনে। যেহেতু রোগী নাকি দু তিন বার বমি ও করেছে,, কিন্ত এমন কিছুই ধরা পড়েনি,, কিন্ত তাই বিষয়টা তো সামান্য কিছু এমন ও নয়,,

” মাঝে মাঝে গ্যাস্ট্রিকের ব্যাথার কারনে ও এমন টা হয়, আবার অতিরিক্ত স্ট্রেস থেকে এমনটা হয়। হতে পারে ওর ক্ষেত্রে এমন কিছু, কিন্ত…

—” তাহলে স্যার!

—” আরে চিন্তা করবেন না,,, ওর ব্লাড টেস্টে হর’মোন জনিত সমস্যা দেখা গেছে,, মানে বলতে পারে মেয়েলি যে সমস্যা আছে তার জন্যই এমনটা হয়েছে,, তাই আমার মতে একজন ভালো গা’ইনী মহিলা ডক্টর দেখান। আশা করি এতে ওর আসল সমস্যা সমাধান হবে। আর আমার মতে একটা রাত হসপিটালে থাক কাল ওকে বাসায় নিয়ে গেলে আর সমস্যা নেই। আর যদি সুস্থ হয় দু তিন দিনের ভেতর এই ডক্টরকে দেখান।

রেবেকা বেগম ডক্টরের কথা শুনে যেন স্বস্তি পেলেন, তবে গা’ইনী ডক্টরের প্রসঙ্গ আসতে যেন আবারো চিন্তিত হলেন,,, ডক্টর তো নিশ্চিত করে অসুখের নামটি বললো না, এখন মায়ের মন খুঁত খুঁত করতে থাকবে যতক্ষণ না পুরো বিষয়টা জানতে পারবে।

—” স্যার আর কোনো সমস্যা হবে না তো,,

—” না সমস্যা হবে না,, ঠিক হয়ে যাবে,, আসুন!

_____

ডক্টর যতই বলুক নিশ্চিত থাকতে, রেবেকা বেগম জাবের সাহেব কেউ যেন ঠিক থাকতে পারলেন না,, কিন্ত এখন তো অপেক্ষা করা ছাড়া ও উপায় নেই,

তাই কথা মতো একটা রাত হসপিটালে থাকার ব্যবস্থা করলো রেবেকা বেগম। জাবের সাহেব থাকতে চেয়েছেন কিন্ত রাতের বেলা হসপিটালে যেহেতু পুরুষ মানুষের থাকার অনুমতি নেই, তাই মিষ্টির বাবা রায়হান ভাইয়ের সাথে জাবের সাহেব আর অর্থ বাসায় ফিরে গেলেন।
হসপিটালে রেবেকা বেগম ই অর্থি র সাথে রয়ে গেলেন।

এই মুহূর্তে রেবেকা বেগম নিজের কাছে নিজেকে বড্ড অসহায় মনে হচ্ছে, তাই তিনি বড় আপা সাজেদা বেগম আর মেজো আপা নাহিদা বেগম কে ফোন করলেন,, সত্যিই মায়ের দ্বিতীয় স্থান বোধ হয় বড় বোনরা ই পালন করেন, যেখানে মায়ের মতো আভাস পাওয়া যায়, ঠিক তেমন টা তাদের ক্ষেত্রেও হলো,,

অর্থির অসুস্থতার খবর শুনে তো সাজেদা বেগম আসতে চাইলেন, কিন্ত রেবেকা বেগম মানা করলেন,,

—”এখন তো অর্থি একটু সুস্থ আছে, আর কাল তো বাসায় নিয়ে যাবো ওকে,, এখন শুধু শুধু ছয় সাত ঘন্টা জার্নি করার দরকার নেই আপা!

সাজেদা বেগম একটু রাগ মিশ্রিত কন্ঠে বললেন;
—”অর্থি কে যখন হসপিটালে নিয়ে এলি তখন বললেই তো আমরা এতক্ষণে ফেনী থাকতাম,, তুই রাতে একা কি করবি বল, আমরা থাকলে তো আর কোনো চিন্তা থাকতো না।

—’ হঠাৎই পেটে ব্যাথা করছে বললো, কিন্ত এভাবে হসপিটালে ভর্তি করানো লাগবে এটা তো বুঝি নি আপা!

—” আচ্ছা দে, আল্লাহ ভরসা রাখ, অর্থির খেয়াল রাখিস, জাবের কে তো থাকতে দেবে না রাতে, বাসা চলে গেছে ও।

—” হ্যাঁ আপা উনি বাসা চলে গেছে,

—” আচ্ছা ঠিক আছে, চিন্তা করিস না, ওর যত্ন নে,, আর সজাগ থাকিস রাতে।

–”আচ্ছা,, বলেই ফোন রেখে দিল রেবেকা বেগম, বোনের সাথে কথা বলে মনটা একটু শান্ত হয়েছে, তবে মেয়েটার এমন অবস্থায় সারারাত দু চোখের পাতা এক করতে পারেন নি,,

ওদিকে বাসায় ঠিক জাবের সাহেবের ও সমস্ত মন ছিল হসপিটালে, রাতে ঠিক মতো তার ঘুম ও হয়নি, রাতে খানিক বাদে বাদে রেবেকা বেগম কে ফোন দিয়ে অর্থির খবর নিয়েছে,, আর সকাল হতেই হসপিটালে চলে এসেছে অর্থির জন্য।

অর্থিকে খানিক টা সুস্থ দেখে তার স্বস্তি লাগছে, তাই রেবেকা কে বললেন সব কিছু যেন গুছিয়ে নেন, তার রিশেপশনে কাজ শেষ হলেই অর্থিকে বাসা নিয়ে যাবেন। তিনি অর্থির সাথে হাসি মুখেই কথা বলছেন, আর নার্স এসে যখন অর্থিকে ডিসচার্জ এর জন্য ব্যবস্থা করতে লাগলেন তখন জাবের সাহেব গেলেন রিশেপশনে।

রেবেকা বেগম ও গেলেন সাথে।

—” কত টাকা দিতে হবে হসপিটালে,, মাসের ও শেষ, টাকা আছে তোমার কাছে,,, বড় আপা কে বলবো কিছু টাকা দিতে!

রেবেকা বেগমের কথা শুনে জাবের সাহেব হাসলেন,,
—” চিন্তা করো না রেবেকা আমার মেয়ের জন্য ওই টাকা দিতে আমাকে কোনো কিছুর চিন্তা করতে হবে না,,, আর যে পরিমাণ বিল হয়েছে সেটা আছে আমার কাছে।

রেবেকা বেগম কে বললেন না, কিন্ত সব কিছু মিলে হসপিটালের বিল এসেছে প্রায় ত্রিশ হাজারের মতো। কিন্ত এই টাকা ও যে মেয়ের ওই মায়া ভরা মুখের সামনে কিছুই নয়,,,

প্রথম যখন অর্থি হলো হসপিটালে, কাঁপা হাতে অর্থি কে কোলে তুলে নেওয়ার মুহুর্ত টা যেন আজ ও জাবের সাহেবের বুকে উষ্ণ আভা দেয়,
সে বার যেভাবে জাবের সাহেব এক টুকরো সুখ কিনে বাসায় নিয়ে গেলেন!

আজ ও তাই হলো!
আজ ও ঠিক এক টুকরো সুখ বুকে আগলে নেওয়ার জন্য তিনি হসপিটালে টাকা জমা দিয়ে অর্থিকে নিয়ে বাসায় গেলেন।

“এই এক টুকরো সুখের জন্য যদি সারাজীবন ও দিতে হয় তবু ও বোধ হয় কম পড়বে না জাবের সাহেবের কাছে”

চলবে।

জাবের সাহেব! এই চরিত্র টা লিখতে বসলে আমার কেমন কান্না আসে,, আহা বাবাদের ভালোবাসা,,,

কেমন লাগছে জানাবেন, আর ছোট্ট করে একটু রেসপন্স করে জানাবেন,, দিন দিন আপনাদের খুব কমে যাচ্ছে, পোস্ট দেখলে ও লাইক কমেন্ট কিচ্ছু টি করেন না,,

বেশি বেশি লাইক কমেন্ট করুন, আর শেয়ার করুন তাহলে অন্যের কাছে ও আমার গল্প টি পৌঁছাবে। প্লিজ এই ছোট অনুরোধ রাখবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here