প্রভঞ্জনে_প্রেমগুঞ্জন #পর্বসংখ্যা_৬৪

0
2

#প্রভঞ্জনে_প্রেমগুঞ্জন
#পর্বসংখ্যা_৬৪
#ফাতেমা_আক্তার_মাইশা

গুড়ুম গুড়ুম মেঘ ডাকছে। আকাশে জমেছে কালো মেঘ। বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে খানিক বাদে বাদে। প্রবল বেগে ঝড়ো হাওয়া বইছে, গাছের ডালপালা দোদুল্যমান। গোধূলি লগ্ন, অথচ কেমন ঘুটঘুটে আঁধার নেমে এসেছে। আকাশ দেখে কোনোভাবেই বুঝার জো নেই অপরাহ্ণ কেবল। মনে হচ্ছে রাত্রি প্রহর।

লাবণ্য আয়নায় নিজেকে দেখে চলেছে। ঠোঁটের ভাঁজে তার অদৃশ্য হাসি। গায়ে জড়ানো লাল বেনারসি, গলায় সীতা হার, দু হাতে মোটা মোটা বালা, লাল দোপাট্টায় সোনালী রঙের সুতায় খচিত মাহাদের বউ লাবণ্য। নিজেকে এমন লাল বেনারসিতে কতবার কল্পনা করেছে তার ইয়ত্তা নেই। আজ অবশেষে সেই বেনারসি তার গায়ে। তবে যার জন্য বধূ সাজে নিজেকে কল্পনা জল্পনা করে এলো এই সাজ তার জন্য নয়। সে সেজেছে অন্য এক পুরুষের জন্য। ঠোঁটের ভাঁজের হাসিটুকু যেন মুহূর্তেই মিলিয়ে গেল। চোখে মুখে স্পষ্ট বিধ্বস্ত ভাব। আঁখি সিক্ত অশ্রু জলে। পুরো রুমে লাবণ্য একা। অন্য কারো অস্তিত্ব নেই। মেয়েটা আয়নার সামনেই ঠায় দাঁড়িয়ে রইল। নিজেকে দেখতে লাগল অপলক চোখে। চোখের পলক ফেলে না সে। বধূ সাজে অদ্ভুত লাগছে তাকে। হাতের বালাগুলো নেড়েচেড়ে দেখল। এই বালা তার মায়ের। ইয়াজমীন এতকাল যত্ন করে রেখে দিয়েছিল বোনের স্মৃতি হিসেবে, যেমন করে তাকে আগলে রেখেছিল।

ধরণী ভিজে যাচ্ছে বর্ষণের পানিতে। কপাট বেয়ে গড়িয়ে পড়া বৃষ্টির ছটায় লাবণ্যর মুখ ভিজে চলেছে। জানালার ধার ঘেঁষে বসে আছে মেয়েটা। বিষণ্ণ চোখে অবলোকন করছে আকাশ বেয়ে পড়া বৃষ্টি। মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। লাবণ্যর ইচ্ছে করছে এই ঝুম বৃষ্টিতে গা ভেজাতে। ভিজতে তো পারবে না, কিন্তু দেখতে মানা নেই। মেয়েটা তাই দেখেই বৃষ্টিতে ভেজার শখ মেটায়।

বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হলরুমে মুখ ভার করে বসে আছে। বাইরে খেলছিল তারা, তার মাঝে হুট করেই বৃষ্টি নামে। দৌড়ে একেকজন বাড়ির ভিতর ছুটে এসেছে। এমন হুটহাট বৃষ্টিতে তারা বিরক্ত। এখন কী এভাবে বসে থাকবে। এমন অসময়ের বৃষ্টিতে সকলেই চিন্তিত। সন্ধ্যার পরপরই বিয়ে পড়ানো হবে। আর এমন সময় বৃষ্টি পড়ছে। সকলের মধ্যেই যেন দুশ্চিন্তার আবির্ভাব ঘটে।‌ ভালোয় ভালোয় যেন বিয়েটা মিটে যায়।

– এমন হুট করে বৃষ্টি নামল যে? সন্ধ্যার আগে কমে গেলেই হলো।

– মনে হয় না এত জলদি এই বৃষ্টি থামবে বলে।

– না থামলে তো মুশকিল।

– হু।

আভিরা কিছুটা অন্যমনস্ক হয়ে প্রত্যুত্তর করে।

– আমি বলেছিলাম দুপুরের দিকে বিয়ের কাজটা শেষ করে ফেলতে। না সকলে বেশি বুঝে রাতের বেলা বিয়ে পড়ানো হবে বলে ঠিক করল। এখন হলো তো।

– মাহাদ ভাইয়ার বাড়ি আর তো দূরে না, বাড়ির সাথেই। সেজন্য রাতের বেলা ঠিক করেছে।

– জামাই কোথায় রে? ছেলেটা কিছু খেয়েছে তো?

মায়ের কথায় আভিরার টনক নড়ে। লোকটা সকালে যে খেয়ে কাজে হাত লাগিয়েছে তারপর আর খেয়েছে কিনা তার জানা নেই। সে এতটা বেখেয়ালি কবে হয়েছে। লোকটা খেয়েছে কিনা সে খোঁজ নিবে না। আভিরা তড়িঘড়ি করে বাইরে পা বাড়ায়। আনেসা মেয়েকে এমনভাবে উঠতে দেখে পিছু ডাকল,
– আরে কোথায় যাচ্ছিস?

– মা একটু আসছি। তুমি বসো এখানে।

– না। আমি আপার কাছে যাচ্ছি।

আভিরার কানে গেল না। মেয়েটা পা চালিয়ে সিঁড়ি বেয়ে নামতে লাগল। কয়েক সিঁড়ি নেমেই স্থির হয়ে দাঁড়ায়। হলরুমে বাচ্চা থেকে বয়োজ্যেষ্ঠ মুরব্বিরা বসে আছে। সে তাদের মাঝে কি করে যাবে। আভিরা এদিক ওদিক তাকিয়ে ভাইকে খুঁজল। সোফায় মুখ ফুলিয়ে বসে আছে। আভিরা ইশারা করতেই তাযীম ধীর পায়ে এগিয়ে আসে।

– কী হয়েছে? ডাকছ কেন?

– তোর কী হয়েছে? মুখ ফুলিয়ে রেখেছিস কেন?

– ভালো লাগছে না। সরো তো।

আভিরা ভাইকে টেনে নিজের কাছে নেয়। এলোমেলো চুলগুলো ঠিক করে দিতে দিতে বলল,
– তুই না বললে ছাড়ব না।

তাযীম হঠাৎ ফুঁপিয়ে ওঠে। আভিরা ভাইয়ের হঠাৎ কান্নায় অস্থির হয়ে উঠল। দ্রুত চোখ মুছিয়ে দিয়ে বলল,
– কাঁদছিস কেন? কে কী বলেছে?

তাযীম আঙুল উঁচিয়ে একটা ছেলেকে দেখিয়ে বলল,
– ঐ ছেলেটা মটু বলেছে আমাকে। ওর কথায় সবাই হেসেছে।

আভিরা ভাইকে আগলে নেয়। চোখের পানি মুছিয়ে দিয়ে বলল,
– কাঁদিস না। আপু বকে দিব।

– বেশি করে বকবে আপু। সবাই হেসেছে আমার উপর।

ভাইয়ের কান্না মোটেও ভালো লাগল না। তাযীমকে চট করে কোলে তুলে নেয়। ছেলেটা একটু মটুসটু। তাযীমকে এত আদুরে লাগে। আভিরার ইচ্ছে করে ভাইয়ের গাল দুটো টেনে ছিঁড়ে ফেলতে। বাচ্চারা একটু মোটাসোটা না হলে ভালো লাগে না তার কাছে।

– আচ্ছা বকে দিব। তোর ভাইয়াকে দেখেছিস?

তাযীম নাক টেনে ফ্যাসফ্যাসে গলায় বলল,
– হু, মাহাদ ভাইয়ের সাথে বসে আছে।

আভিরা ভাইকে কোল থেকে নামিয়ে দিয়ে বলল,
– তোর ভাইয়াকে গিয়ে ডেকে নিয়ে আয় তো। বলবি আপু এক্ষুনি যেতে বলেছে। জরুরি কাজ আছে।

– আচ্ছা।

– ওনাকে ডেকে সোজা মায়ের কাছে যাবি। এদিক ওদিক যাবি না। ঠিক আছে?

– আম্মু কোথায় আমি তো জানি না।

– শাশুড়ি মায়ের রুমে আছে। তোকে যা বললাম তা কর।

তাযীম দৌড়ে গেল। আভিরা রুমে যায় না। খাবার নিয়ে বের হওয়ার সময় ঐ ছেলেটাকে দেখে কাছে ডাকল। নাওয়াজের চাচাতো বোনের ছোটো ছেলে এইটা। ছেলেটা অনেক চঞ্চল। এই ছেলেটাই তখন তার ড্রেসিং টেবিলের সবকিছু এলোমেলো করেছিল। এখন আবার তার ভাইকে মটু বলেছে। বজ্জাত ছেলে।

– কিছু বলবে?

– হ্যাঁ, এই দিকে আসো।

– কী বলবে বলো? আমার আম্মু ডাকছে আমাকে।

আভিরা হাসল। মৃদু হেসে বলল,
– কাউকে মটু বলতে নেই। এইটা ব্যাড ম্যানারস। আর বলবে না ঠিক আছে।

ছেলেটা লজ্জা পেল। মাথা নাড়িয়ে সায় জানায়, সে আর বলবে না। তারপর আভিরার দিকে না তাকিয়েই দৌড়ে রান্নাঘর ছেড়ে পালাল। আভিরা এমন কাণ্ডে হেসে উঠল। রুমে যেতেই দেখল নাওয়াজ বিছানায় শুয়ে আছে। চোখ না মেলেই গম্ভীর স্বরে বলল,
– কোন দরকার?

– হ্যাঁ উঠুন, খেয়ে নিবেন। দুপুরে কিছু খেয়েছেন বলে তো মনে হয় না।

নাওয়াজ উঠে বসল। মেয়েটার হাত থেকে প্লেট নিয়ে বলল,
– খাওয়ার জন্য ডেকে পাঠিয়েছেন।

– হু।

– কিন্তু আমি এখন খাব না।

– খাবেন না কেন? খেতে সমস্যা কী?

– খেতে ইচ্ছে করছে না আঞ্জুম।

নাওয়াজের কণ্ঠটা কেমন অন্যরকম ঠেকল আভিরার কাছে। মেয়েটা এক পলক নাওয়াজের দিকে তাকিয়ে ভাতের লোকমা মুখে তুলে। নাওয়াজ মুখে নেয় ভাতের লোকমা। মেয়েটাকে মানা করে না। পুরো প্লেটের ভাতই শেষ করল। আভিরা বুঝল লোকটা সত্যি দুপুরে কিছু খায়নি। আভিরার খারাপ লাগল। সে খেয়াল কেন রাখল না। সে খেয়াল রাখলেই তো লোকটার এত সময় অবধি না খেয়ে থাকতে হতো না। নাওয়াজ হুট করে কোমর জড়িয়ে পেটে মুখ গুঁজতেই আভিরা চমকে ওঠে। লোকটার আবার কী হলো। আভিরা মুখ নামিয়ে আস্তে আস্তে বলল,
– আপনার কি খারাপ লাগছে?

– হুম।

আভিরা অস্থির হয়ে শুধাল,
– অনেক বেশি খারাপ লাগছে?

– হ্যাঁ।

– আমি কী করব? কী করলে আপনার খারাপ লাগা কমবে?

– আপাতত আমাকে সঙ্গ দিন।

– আপনার কি আপুর জন্য খারাপ লাগছে?

– হ্যাঁ।

নাওয়াজ ছোটো করে জবাব দেয়। মেয়েটার সাথে স্বীকার করতে সমস্যা কী। বরঞ্চ মিথ্যা বলতে বাঁধবে।

– আপুকে অনেক ভালোবাসেন তাই না?

নাওয়াজের নিঃশ্বাস ভারী হয়ে আসে। জবাব দেয় না সে। সে কি অনুভূতি প্রকাশে এতটাই অক্ষম যে লাবণ্য তার স্নেহ, ভালোবাসা উপলব্ধি করতে পারল না। কই আভিরাকে তো না বলতেই বুঝে যায়। লাবণ্য কেন বুঝল না?

_

সময়ের সাথে বৃষ্টির প্রকোপ বাড়ছে। থামার সম্ভবনা নেই।‌ বৃষ্টির দাপটে অস্পষ্ট স্বরে মাগরিবের আজানের প্রতিধ্বনি কানে ঠেকল। আশেপাশে থাকা প্রতিটি মসজিদে সমস্বরে সালাতের জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে। বৃষ্টি কমার অপেক্ষায় থাকলে নির্ঘাত নামাজ কাযা হবে। হলরুমে কার্পেট বিছিয়ে পুরুষরা একে একে সালাতে দাঁড়ায়। সালাত আদায় শেষে হলরুমেই সকলে বৈঠকে বসে। অনেকেই বলছে আর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলেই ভালো হবে। বৃষ্টি থেমে যাবে এর মধ্যে। আবার অনেকেই বলছে আর অপেক্ষা করা ঠিক হবে না। এ বৃষ্টি থামার নয়। ঘণ্টাখানেক বসে রইল এভাবেই। বৃষ্টি থামছে না। আগের মতোই তুমুল বেগে বর্ষণ হচ্ছে। ঝড়ো হাওয়ার মাঝেই নাওয়াজ আর জিদান বেরিয়ে গেল কাজি নিয়ে আসার জন্য। আর অপেক্ষা করা মানে শুধু শুধু সময় নষ্ট।

লোডশেডিং হয়েছে খানিকক্ষণ আগে। মুহূর্তেই হলরুম তলিয়ে গেল আঁধারে। সকলে এবার বিরক্তকর চাহনি নিক্ষেপ করে। কারেন্ট যাওয়ার আর সময় পেল না। আজকে যেন একটার পর একটা ঝামেলা লেগেই আছে।

হলরুমে থাকা স্যান্ড ল্যাম্প জ্বালানো হয়েছে। ঘর সাজানোর জন্য কয়েকটা মোম রাখা ছিল। আভিরা দুটো মোম জ্বালিয়ে দিল। মুহূর্তেই হলদেটে উজ্জ্বল আলোয় আলোকিত হয়ে উঠল হলরুম। বাইরে ঝড়ো হাওয়া প্রবাহমান, ভিতরে নিস্তব্ধতা, সাথে দুর্বোধ্য আলোকসজ্জা!সাদা ফিনফিনে পর্দা টানানো হয়েছে হলরুমের মাঝে। হলদেটে, স্বচ্ছ আলোয় লাল বেনারসি শোভিত নারীর সৌন্দর্য ভয়ঙ্কর ঠেকল মাহাদের নিকট। ভয়ঙ্কর সাজে সজ্জিত রমণীকে এক নজর দেখার জন্য মরিয়া হয়ে উঠল মাহাদ।

তিন কবুল আর কাগজে কলমে স্বাক্ষর করে কয়েক মুহূর্তের মধ্যে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলো নর নারী দুজন। একজনের মাঝে প্রবলতর অনুভূতি পরিলক্ষিত হলেও অন্যজনের অনুভূতি বুঝা দায়। সেই রমণী মাথা নুইয়ে বসে আছে। পাশে বসে থাকা পুরুষটাকে দেখার প্রয়াস অবধি চালায় না।

_

মেয়ে বিদায়ের সময় ইয়াজমীনকে না দেখে সকলের মাঝে কানাঘুষা শুরু হয়ে গেল। নিস্তব্ধ হলরুম জুড়ে শুধু ফিসফিসানির শব্দ।

– তোমার শাশুড়ি মা কোথায়? যাও ডেকে নিয়ে এসো।

কুলসুম মুখ বেঁকায়। তখন কী ভাবটাই না নিল। মাইয়ার মাস্টার্স শেষ না হইলে নাকি বিয়া দিব না। এখন দেখো পোলার বিয়ার বছর যাইতে না যাইতেই মাইয়ার বিয়া ধরছে। তাদের বাড়ির মেয়ের যে আগে থেকেই মাহাদের সাথে চক্কর চলে তা তো আর তখন বলতে পারেনি।

আভিরা আমতা আমতা করে। কী বলবে? আভিরা কিছু বলবে তার আগেই দেখল ইয়াজমীন আসছে।
ইয়াজমীনকে আসতে দেখে মেয়েটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে।

– সারাদিন কোথায় ছিলেন আপা? মেয়ের বিয়ে আর আপনি ঘরের দোর আটকে বসেছিলেন।

– শরীরটা খারাপ লাগছিল ভীষণ। কেন আভিরা আপনাদের বলেনি?

তারপর আভিরার দিকে তাকিয়ে গম্ভীর স্বরে বলল,
– কী ব্যাপার আভিরা বলোনি?

আভিরা নিচু স্বরে বলল,
– বলেছিলাম।

ইয়াজমীন আর কিছু বলে না। কদম বাড়িয়ে লাবণ্যর কাছে এগিয়ে গেল। বৃষ্টি থেমে যায়নি। এখনও ঝিরিঝিরি বৃষ্টি বিদ্যমান। সকলে সদর দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে আছে। ইয়াজমীন বৃষ্টি মাথায় নিয়ে লাবণ্যর সামনে গিয়ে দাঁড়াল। কণ্ঠে কাঠিন্যতা এনে বলল,
– নতুন জীবনে পদার্পণ করছ। আশা করছি পুরনো সব ভুলে যাবে।

লাবণ্য যেভাবে দাঁড়িয়ে ছিল সেভাবেই মাথা নুইয়ে দাঁড়িয়ে রইল। ইয়াজমীন এক পলক লাবণ্যকে দেখে আদেশের সুরে বলল,
– গাড়িতে ওঠো।

লাবণ্য নীরব রয়। শুধু দেখে তুই থেকে সম্বোধন কীভাবে তুমিতে পরিণত হয়েছে। নিশ্চুপ এ গিয়ে গাড়িতে বসে। লাবণ্যকে উঠতে দেখে মাহাদও গিয়ে গাড়িতে বসল। কদম ফেলতেই তার বাড়ি। অনেকেই বলেছে হেঁটেই বাড়ি চলে যেতে। কেউ আবার বলেছে নতুন বউ কী হেঁটে যাবে না কি? জামাই আছে কেন? জামাই কোলে করে নিয়ে যাবে। মাহাদের মোটেও এলাকা ঘুরে গাড়ি করে বউ ঘরে তুলতে ইচ্ছে করছে না। ইচ্ছে করছে মেয়েটাকে পাঁজাকোলা করে বাড়ি নিয়ে যেতে।

ইয়াজমীনকে দেখা গেলেও নাওয়াজের দেখা নেই কোথাও। পুরোটা সময় সব কাজ করেছে। আর এখন সে লাপাত্তা। সকলের মাঝে কানাঘুষা থেমে গেলেও নাওয়াজের কাজে ফের শুরু হলো। উপস্থিত কারোর যেন কানাঘুষা থামছে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here