#মেঘের_মুলুকে_চল
#আয়রা_তাবাস্সুম
পর্ব ২০
__________________________
নাজিয়া তখনো একইভাবে আযানের বুকে মুখ গুঁজে রেখেছে। তাতে বদ টা তাকে যা ইচ্ছে ভাবুক! নাজিয়ার ই ত বর। নাজিয়া তাকে গা ঘেঁষে জড়িয়ে না ধরলে আর কে ধরবে শুনি! খুব ভালোও লাগছিল তার আযানের এভাবে ক্রমাগত মাথার চুলে হাত বুলাতে বুলাতে একই প্রশ্ন বারবার করায়। লোক টা তাহলে নাজিয়া কে নিয়ে ভাবে! ভাবেই ত! নাহলে সেদিন অমন করে লম্পট টার গায়ে হাত তুলতো? তার কুটনি শাশুড়ির মুখে মুখে নাজিয়ার হয়ে কথা বলতো? আর আজ। আজ এভাবে অফিসের কাজ দ্রুত শেষ করে স্রেফ নাজিয়া ভয় পাবে এমন ভাবনায় বাড়ি ফিরে আসত?
বিয়ে করে কজন পুরুষমানুষ এতটা ভাবে বউ য়ের জন্য! অনেকে ত বউ কে স্রেফ শয্যাসঙ্গীনি বানিয়ে রেখে দেয়। সেখানে লোকটা এত যত্ন নেয় তার, ভাবে তার কথা৷ ভালবাসে নাকি বাসে না সেটা পরের বিষয়৷ নাজিয়া এখন আর মোটেও হাহুতাশ করবে না সেটা ভেবে৷ লোকটা যে এতদিন ধরে নাজিয়ার এত খেয়াল রেখেছে এই ঢের! নাজিয়া র মনে হলো তাকে আল্লাহ ভীষণ ভালোবাসে, তাই কোনো কষ্ট পেতে দেই নি তাকে৷ নাহলে একটা হুট করে হওয়া বিয়ে যেটায় নাজিয়ার প্রত্যাশার পারদ একেবারে শুন্যের কোটায় ছিল সেই বিয়ের সুবাদে একেবারে একশ তে একশ পাবার মতন এমন চমৎকার মানুষকে খোদা তার জীবনে দেবে কেনো!
সমস্ত ভাবনার লাগাম টেনে সে আস্তেধীরে আযানের কাছ থেকে সরে এলো। তখন লজ্জা না লাগলেও হুট করে এখন কেমন জানি লাগছে তার৷ লজ্জা জড়তায় মুখ নামিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকল মেয়েটা দরজার আগল আটকে৷ আযান দেখল তাকে। বুঝতেও পারল হুট করে নিজের করা এমন আচরণে হয়ত লজ্জা পেয়েছে মেয়েটা৷ আযান তার লজ্জা বাড়াল না আর। বরং নিরবে তার হাত ধরে ফ্ল্যাটের ভেতরে নিয়ে এলো তাকে। তার মন তখন আকুপাকু করছিলো জানতে এমন কি দেখে ভয় পেয়েছে মেয়েটা।
ইদানিং একটা বাজে রোগ হয়েছে আযানের। সর্বক্ষণ মেয়েটার চিন্তা মাথায় ঘুরে। অফিসে লাঞ্চ করতে গিয়ে খাবারের লোকমা মুখে তুললে প্রথমে মাথায় আসে মেয়েটা খেয়েছে কিনা। অফিসের কোনো কলিগকে বেয়াক্কলপনা করতে দেখলে বেকুবের কথা মাথায় আসে তার। আলাপ আড্ডায় কেউ শব্দ করে হেসে উঠলে মেয়েটার হাসিমুখ ভেসে উঠে মনের পর্দায়৷ নিজের এসমস্ত ভাবনার সুবাদে নিজেই বিরক্ত সে৷ এই উনত্রিশ বছর বয়সে এসে এমন ছেলেমানুষি প্রেম রোগ হয়েছে তার!
আগে তার কলিগেরা ঘন্টায় ঘন্টায় বউয়ের খবরাখবর নিলে বিরক্ত লাগত তার। অথচ আজ সে নিজেই দুপুরের পর থেকে পুরোটা সময় মনোযোগ মোবাইলের রিংটোনে রেখেছিল। সাইট ভিজিট করে ইনফরমেশন টুকে নেয়ার সময়ও বারবার প্যান্টের পকেট থেকে ফোন বের করে দেখেছে বেকুবের টেক্সট মেসেজ কিছু এসেছে কিনা৷ স্বভাবসুলভ গাম্ভীর্যের কারণে পারেনি নিজেই মেয়েটাকে একটা কল দিয়ে খবরাখবর নিতে।
তবে ফ্ল্যাটে ফিরে মেয়েটাকে যখন এমন নাজুক কাঁদোকাদোঁ অবস্থায় দেখেছিল তখন ভুলে বসেছিল নিজের স্বভাবসুলভ ভাববেশ। দেখিয়ে ফেলেছে নির্ভেজাল অস্থিরতা।
প্রথমবার বুঝল মেয়েটার কিছু হলে আযানেরও কিছু একটা হয়!
এই যেমন সারাদিন মেয়েটার চিন্তায় গলায় আটকে থাকা দমটুকু সে অবশেষে নিশ্চিন্তে ছাড়তে পেরেছে মেয়েটা তখন ভীতসন্ত্রস্ত হরিণীর মতন তার বুকে আশ্রয় নেয়ায়। গোটা দিন উথালপাতাল চলতে থাকা মনের ভেতর টা শান্ত হয়েছে।
হাতের অফিস ব্যাগটা টেবিলে রেখে মেয়েটাকে সোফায় বসাল সে৷ তারপর নিজে এক গ্লাস পানি নিয়ে এসে বাড়িয়ে দিল মেয়েটার উদ্দেশ্যে। ইশারায় পানিটুকু পান করতে বলল তাকে। মেয়েটা ধীরস্থির হয়েছে এমন বুঝতে পেরে আযান এবার আগের ফর্মে ফিরে এলো৷ চোখ পাকিঁয়ে প্রশ্ন করল,
‘আরমিন? এত ভয় কেনো পেয়েছিলে? আমি আসার আগে আর কেউ এসে বারবার বিরক্ত করেছে?’
মেয়েটা একইভাবে মুখ নামিয়ে রাখল৷ কিভাবে বলবে এমন কথা৷ কিভাবে বলবে সে তাকে ভয় পেয়ে জড়িয়ে ধরেনি বরং হঠাৎ বদটার প্রতি প্রেম ভালবাসা উথলে পড়েছে তাই জড়িয়ে ধরেছে। ইশ! মেয়েরা কখনো যেচে পড়ে বলে নাকি ভালোবাসার কথা! নাজিয়া মোটেও বলবে না এসব। মনের কথা মনেই রাখবে ! মনে মনে এমনেও বদটাকে রোজ কত শতবার ভালবাসার কথা বলে সে! সেই ভাবনায় মেয়েটা কিছুটা কথা আড়াল করে বলে গেল বাকিটা৷
‘আমিই আসলে ভেবেছি ফাঁকা বাসা ভেবে দুপুরের ডেলিভারিম্যান টা কোনো বদ মতলবে আবার এসেছে৷ জানতাম না কলিংবেল আপনি চাপছিলেন। কারণ আপনি ত সন্ধ্যের আগে ফিরে আসেন না সচরাচর।’
আযান স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল এবার। ভেবেছিল মেয়েটা ফাঁকা বাসায় উল্টাপাল্টা কিছু কল্পনা করে এমন ভয় পেয়েছে৷ সে মেয়েটর পুরো কথা শুনে সমাধানও বের করল তৎক্ষনাৎ।
‘আচ্ছা। কাল থেকে আর ডেলিভারিতে আনা খাবার খেতে হবে না এমনিও। আমি রাতে রান্না করে রাখব৷ তুমি ভার্সিটি থেকে এসে গরম করে খেয়ে নিও। আর আমাদের ফ্ল্যাটের বাইরেই সিসিটিভি ক্যামেরা আছে। তবুও আমি ওয়াচম্যান কে নাহয় বলে যাব অপরিচিত কেউ চার তলায় উঠার আগে আমাকে জানাতে।’
সচরাচর একনাগাড়ে এতগুলো কথা বলে না ছেলেটা৷ তবুও মেয়েটাকে নিশ্চিন্ত করতেই যেন স্বভাববিরুদ্ধ এই কাজটা করল সে।
নাজিয়া তখন নিজের ভাবনায় বিভোর। আযানের বলা এত কথাবার্তার মাঝে তার মনোযোগ গিয়ে আটকেছে এক লাইনে৷ লোকটা রান্নাও পারে! বাব্বাহ! দেখে ত মনে হয় না অমন দানবের মত হাত দুটো খুন্তি চামচ ও নাড়তে জানে। বিশ্বাস ই হচ্ছিল না তার৷ ফ্রেশ হয়ে আসা আযানকে কিচেনে ঢুকে কাটাকুটি শুরু করতে দেখে মেয়েটার অবিশ্বাস টুকু দূর হলো। কেমন পারদর্শী হাতে মিহি করে টমেটো শসা কুঁচি করছে বদ টা। তার ভাবনার মধ্যেই শুনল আযানের ব্যস্ত গলার প্রশ্ন,
‘আরমিইন! রাতের রান্না দেরি হবে। স্যান্ডউইচ খাবে এখন নাশতায়?’
‘হ্যা খাবো। খুউব পছন্দ আমার৷’
মেয়েটা খুশিখুশি মুখ বানিয়ে জবাব দিলো৷ দশে দশ বর ভেবেছিল অথচ এখন দু নম্বর বাড়িয়ে দিতে মন চাচ্ছে তার। দশে বারো পাবার মতন বর নাজিয়ার। রান্নাবান্না হয়ত কম পুরুষেরা ই করে কিন্তু খুউব কম পুরুষমানুষ সেই রান্নাটুকু স্বাচ্ছন্দ্যে বউ য়ের জন্য করে! এই যেমন নাজিয়ার সামনের পুরুষ টা। তার খারাপও লাগল এটা ভেবে বউ য়ের রান্নার হাত ভালো না তাই বোধহয় লোকটা এমন অফিসফেরত ক্লান্ত হয়েও এভাবে রান্নাবান্না করছে৷ নিজের অপরাধবোধ থেকেই মেয়েটা সাহায্য করতে চাইল। সিদ্ধান্ত নিলো সে টুকটাক রান্না করার চেষ্টা করবে৷ কিছুটা হলেও শিখবে। তাহলে অন্তত লোকটার এমন ক্লান্তব্যস্ত দিনের শেষে কিচেনে ঢুকতে হবে না।
‘আমি আপনাকে কোনো হেল্প করে দিই?’
তারপর থেমে থেমে যোগ করল, ‘আমি কাটাকুটি পারি। রান্নাও পারি। মানে জানি কি কি দিতে হয়৷ কিন্তু মসলা নুন এগুলোর মেজারমেন্ট টা বুঝি না তাই রান্না ভালো হয় না আমার৷ আপনার এরকম রোজ রোজ রান্না করতে হবে না। আমি করে নেবো।’
মেয়েটা গাঁইগুঁই করে শেষের কথাগুলো বলল।
আযান কাটাকুটি থামিয়ে একপলক দেখল তাকে। বেকুবটা রান্না ভালো না পারার অপরাধবোধে কেমন আইঢাই করছে! মেয়েটার অস্বস্তি কমাতেই যেন আযান এটাওটা করার সুযোগ করে দিল তাকে। গমগমে গলায় আদেশ দিল, ‘ঠিকাছে। একটা কাজ করো তবে৷ ফ্রিজ থেকে কিমার বাটি টা নিয়ে এসো। এরপর ফ্রাইপ্যানে নিয়ে লো ভলিউমে নেড়েচেড়ে গরম কর সেটা। খুব ত হেল্প করতে চাচ্ছিলে কোনো ভেজাল করলে একেবারে কান ধরে কিচেন থেকে বের করে দিবো আমি। মনে থাকে যেনো৷’
শেষের কথাগুলো ইচ্ছে করেই বলল সে নিজের আগের ফর্মে ফিরে গিয়ে। বাঁদর কে আজ যথেষ্ট আদর দেখানো হয়েছে! এর বেশি আদর দেখালে বাঁদর একেবারে মাথায় উঠে বসবে তার।
______________________________
অথৈ গতদিন অফিসে আসে নি৷ ইচ্ছে কিংবা সাহস কোনোটা হয়নি তার হাসান সরোয়ার কে নিয়ে কথাগুলো বলার পর অই লোকের মুখোমুখি হতে। যদি তার শাস্তি না হয়! কিংবা অথৈ কে চেপে ধরে এভাবে তার নামে নালিশ করায়। অথৈ জয়েন করেছে একটা বছরও হয়নি অথচ ওই বদমায়েশ সার্ভিস দিয়ে গেছে কতগুলো বছর। অবশ্যই অথৈ র কথার চেয়ে বেশি দাম তার কথার! সে রাদ স্যার যতই বলুক শেষমেষ হয়ত ওই জানোয়ার চাকরিসমেত বহাল তবিয়তেই থাকবে। মাঝখান থেকে অফিসের কলিগেরা অথৈ কে নিয়েই গসিপ করবে আড্ডায়। এমনিও তারা কথায় কথায় ত বলেই কাজকর্মে এমন লবডঙ্কা আনাড়ি হয়েও অথৈ কার সুদৃষ্টির কৃপায় এখনো টিকে আছে কে জানে!
এসমস্ত ভাবনায় মেয়েটা গতদিন অফিসে আসে নি। কোনো মেইলও করেনি কাউকে। বহত রুলস সে মেনেছে। আর মানবে না। যা হবার হবে৷ বিয়ের পর এই চাকরি আর করা হবে কিনা সেই গ্যারান্টিও নেই। বাসায় বিয়ের কথা উঠেছে তার। হয়ত কয়েকদিনের মধ্যে পাত্রপক্ষও দেখতে আসবে। পাত্র জুতসই পেলে বিয়েটাও হয়ে যাবে। বিয়ের পরে সংসারের চাপে এমনিও এসব চাকরিফাকরি করার সুযোগ মিলবে না তাই এই চাকরি নিয়ে সে মাথা ঘামাল না আর। থাকলে ভালো না থাকলে আরো ভালো।
অথৈ র ভাবনার সাথে অবশ্য মেলেনি অফিসের ভেতরের দৃশ্য টা। আর পাঁচ দশটা ওয়ার্কিং ডেইজের মতন ই অবস্থা ভিতরে যেমন সে বরাবর দেখে এসেছে। অথৈ কে দেখেও কোনো কানাঘুঁষা নেই কারোর মধ্যে যেন বরাবরের মতই মেয়েটাকে দেরিতে আসতে দেখে অভ্যস্ত তারা। সে হজম করতে পারল না এমন নিত্যনৈমিত্তিক স্বাভাবিক আচরণ। রাদ স্যার তাহলে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারে নি। সব মুখের কথা তার। ব্যবস্থা নেবেই বা কিভাবে৷ আনাড়ি একজন এমপ্লয়ি র কথাতে অভিজ্ঞ একজন কে হাতছাড়া করার মতন বেকুব কিংবা আবেগী কোনো কোম্পানি ওউনার কখনো হবে না৷ সে ভাবনায় মেয়েটা গুটিগুটি পায়ে একবার হাসান জা নোয়ারের বাচ্চার কেবিনের দিকে পা বাড়াল। বাইরে থেকে উঁকি দিতেই কাঁচের দরজার ভেতরে দেখল নতুন মুখ। হাসান সরোয়ারের পরিবর্তে এখন অন্য কেউ! অথৈ ভ্যাবাচ্যাকা খেলো রীতিমতো।
ব্যাপারটা বিশ্বাস হচ্ছিল না তখনও তার। তাই শিওর হতে রিসিপশনের মেয়েটাকে গিয়ে ধরল। মেয়েটা তাকে বেশ পছন্দ করে, অফিসের অন্যদের মতন জাজমেন্টাল না। তার থেকে শুনল আগাগোড়া কাহিনি৷ জানল নতুন তথ্য। হাসান সরোয়ারের বিরুদ্ধে নারীঘটিত কেলেঙ্কারি না বরং আনা হয়েছে টাকা সরানোর অভিযোগ, দুর্নীতি অনিয়ম করেছে এমন সলিড প্রমাণও পাওয়া গেছে। এজন্যই তাকে চাকরি থেকে পার্মানেন্টলি বহিষ্কার করা হয়েছে। অথৈ অবলীলায় ধরতে পারল পুরো ব্যাপারটা।
রাদ তেহযীব চৌধুরী এমনি এমনি খালি মাথায় ত আর পুরো কোম্পানি সামলাচ্ছে না! ঠান্ডা মাথার ভীষণ বুদ্ধিমান মানুষ তিনি৷ নাহলে কেমন ভাবে সামলে ফেলল বিষয়টা! অথৈ র পুরো ঘটনাটা স্কিপ করে, তাকে কোনোভাবে না জড়িয়েই একেবারে নিজস্ব কায়দায় চুড়ান্ত শাস্তি টা দিয়েই ফেলল
জা নোয়ার টাকে। তার ব্যাপারে আনীত দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ গুলো আদৌ সত্য কিনা সে ব্যাপারে অথৈ র মাথাব্যথা নেই তেমন৷ অপরাধ করলে সেটার শাস্তি কোনো না কোনোভাবে পেতে হয়! আর সেখানে একটা মেয়ের সম্মানহানি করতে চাওয়া ত মহা অপরাধ!
রাদের প্রতি কৃতজ্ঞতায় ভিজে এলো মেয়েটার মন। অথৈ র সাথে কেলেঙ্কারির বিষয়টা জানাজানি হলে অফিসের কয়েকজন নিশ্চয় কাঁদা ছিটাতো তার গায়েও৷ এত ফিমেল কলিগ ফেলে অথৈ কে কেনো টার্গেট করেছে এমন বাজে ইঙ্গিত ও হয়ত করত। রাদ তেহযীব চৌধুরী সেসবের হাত থেকে বাঁচিয়েছে তাকে। লোকটা নিজে যেমন মেয়েদের মানসম্মান করতে জানে তেমন জানে মানসম্মান টা কিভাবে বজায়ও রাখতে হয়।
অথৈ সেই প্রথমবার প্রফেশনালিজমের বাইরে গিয়ে অন্যরকম চিন্তা করল রাদ কে নিয়ে। ভাবল কি সৌভাগ্যবান সেই মেয়েটা হবে যার জীবনে রাদ তেহযীব চৌধুরী র মতন চমৎকার পুরুষমানুষ আসবে! নিছক কর্মচারী হয়েও অথৈ র সম্মানের যেভাবে খেয়াল রাখল লোকটা নিজের সহধর্মিণী র সম্মান রাখতে সে নিশ্চয় জানপ্রাণ হাজির করবে এক লহমায়!
[ রিয়েক্ট কমেন্ট করো না কেনো মানুষজন? গল্প বোরিং
লাগছে? হু? ]

