#চোরাবালির_পিছুটানে (১৬)
#জেরিন_আক্তার
মিষ্টি মাথা দিয়ে না করতে থাকে। সায়মা চৌধুরী ফোনটা জোরপূর্বক মিষ্টির হাতে দিয়ে বলেন,
“কথা বল!”
সায়মা চৌধুরী চলে গেলেন রুম থেকে। মিষ্টি ফোনের দিকে তাকিয়ে মিন মিন করে বকতে বকতে কানে নিয়ে বলে,
“আস্সালামুআলাইকুম!”
“ওয়ালাইকুম আসসালাম!”
“কেমন আছেন?”
“ভালো। তুমি কেমন আছো?”
“ভালো।”
“তোমার ফোনে কল দিচ্ছি ধরছো না কেনো?”
মিষ্টি আসফাঁস করতে করতে বলে,
“আ আসলে চার্জ নেই। চার্জ দিতে ভুলে গিয়েছি।”
তুহিন ভাবুক গলায় বলে,
“তোমাকে কালকে থেকে কল দিচ্ছি। তুমি মিথ্যে বলছো কেনো?”
মিষ্টি মিথ্যে বলে,
“আসলে কি বলুনতো ফোনটা হারিয়ে গিয়েছে।”
“ওহ। আগে বলবে তো!”
“হুম। আজ ফোন কিনতে গিয়েছিলাম কিন্তু ফিরে এসেছি।”
“কেনো?”
“একটা বান্ধবীর সাথে যাওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু ও কাজের জন্য আমার সাথে যেতে পারেনি। তাই আরকি কিনতে যাওয়া হয়নি।”
তুহিন হেসে বলে,
“তুমি আমাকে কারো ফোন দিয়ে কল দিয়ে জানাতে আমি তোমার সাথে যেতাম। কালকে যখন যাও আমাকে কল দিও তোমার আম্মুর ফোন দিয়ে। আমি তোমার সাথে যাবো।”
এই শুনে মিষ্টি চোখে বড় বড় করে বলে,
“আপনি সাথে যাবেন?”
“হুম যাবো। আর কিছু কেনাকাটা আছে বিয়ের। দুজনে একসাথেই না হয় কেনাকাটা টা শেষ করবো।”
মিষ্টি দ্বিধায় পড়ে গেলো। মাথায় রাদিফের কথা ঘুরপাক খাচ্ছে। এই ছেলে এগুলো শুনলে ওকে জ্যান্ত মাটিতে পুঁতে ফেলবে। সেদিন শুধু বলেছিলো ওর হবু বরের সাথে কথা বলেছে। তাই ফোনটা নিজের বাবার কাছে দিয়ে দিতে বলেছে। মিষ্টি কি বোঝেনি রাদিফের কথা। বেশ বুঝেছে।
মিষ্টির হাত পা ঠান্ডা হয়ে এলো। ওপাশে থেকে তুহিন হেসে বলে উঠে,
“লজ্জা পাচ্ছো? কিচ্ছু হবে না। কেউ কিচ্ছু বলবে না। আর বিয়ের আগে ছেলে-মেয়েরা তো বিয়ের কেনাকাটা করতে দেখা করেই।”
মিষ্টি ছোট্ট করে উত্তর দেয়,
“হুম।”
“কি হুম? আসছো তো?”
“হুম।”
“কখন? ও শোনো, সকালে হবে না। কারণ আমি অফিসে থাকবো। বিকেলে বের হবে। আমি তোমাকে তোমার বাড়ির সামনে থেকে নিয়ে যাবো।”
“ঠিক আছে।”
“এখন কি করছো?”
“কিছু করছিনা। আপনি কি করছেন?”
তুহিন মুচকি হেসে বলে,
“এতক্ষন তোমার কথাই বলছিলাম মায়ের সাথে।”
মিষ্টি হাসার চেষ্টা করে বলে,
“আমার কথা বলছিলেন?”
“হুম। জানো আমার মায়ের তোমাকে খুব খুব পছন্দ হয়েছে। তার তো ইচ্ছে করছে এখনই তোমাকে বাড়িতে নিয়ে আসতে। কিন্তু বিয়েরও তো একটা ব্যাপার আছে তাইনা।”
“হুম।”
“তবে আমার মায়ের অনেক ইচ্ছে ছিলো বিয়েটা ধুমধাম করে অনুষ্ঠান করবে।”
তুহিনের বলা কথাগুলো মিষ্টি শুনে যাচ্ছিলো। পরক্ষনে মিষ্টির মাথায় এলো তুহিনের তো মা নেই। তাহলে তুহিন মায়ের কথা বলছে কেনো? নাকি অন্য কাউকে মা বলে ডাকে!
ভাবতে ভাবতে মিষ্টি ইতস্তত গলায় বলে,
“আপনার তো মা বেঁচে নেই তাহলে মা বলছেন কাকে?”
তুহিন গভীর গলায় বলে,
“কে বলেছে আমার মা বেঁচে নেই। আমার মা বেঁচে আছে। আমার সাথেই আছে।”
মিষ্টি তুহিনের অনুভূতি বুঝতে পেরে আর কোনো প্রশ্ন করলো না। তুহিন বলে,
“আমি কখনও মনে করিনা যে আমার মা নেই। মা আমার সাথে সাথেই থাকে।”
“ওহ।”
“আচ্ছা মিষ্টি, তোমার না কাজিন ছিলো, কি যেনো নাম রাহা ও কোথায়? আর তোমার ভাই রাজই বা কোথায়? তোমাদের বাড়িতে গেলাম ওদেরতো দেখাই পেলাম না।”
“ওরা দুজনে আলাদা রয়েছে।”
“আলাদা! কিন্তু কেনো?”
“দুজনে বিয়ে করে অন্য জায়গায় রয়েছে।”
“কিহ! দুজনে বিয়ে করেছে। ভালোই তো।”
“হুম।”
“ওরা বিয়ের দিন আসবে না?”
“ওদের জানিয়েছি। ওরা বলেছে তো আসবে।”
তুহিন মজার ছলে বলে,
“আসলেই ভালো হবে। দুই শালা-শালীর সাথে ভালোই মজা করা হবে।”
এই শুনে মিষ্টি খুব কষ্টে হাসে। তুহিনের সাথে আর কথা বলতে ইচ্ছে করছে না। তাই বলে উঠে,
“তাহলে এখন রাখি!”
তুহিন কপাল কুঁচকে উঠে বলে,
“রাখবে কেনো? কথা বলো!”
মিষ্টি বাহানা দিয়ে বলে,
“না মানে আম্মুর ফোনে কল দিয়েছেন, এতক্ষন কথা বলতে থাকলে কি ভাববে বলুন!”
তুহিন হেসে বলে,
“কি ভাববে? কিছুই ভাববে না। এখন যদি আমি তুমি সারাদিন সারারাতও কথা বলি তিনি কেনো, তোমার আমার বাড়ির লোক কেউ কিছুই ভাববে না। বুঝতে পেরেছো?”
মিষ্টি মিন মিন করে বকতে থাকে। আর কিছুক্ষন কথা হলো দুজনের মাঝে। এরপরে তুহিনই কেটে দেয়। মিষ্টি হাফ ছেড়ে ফোন রেখে বসে থাকে। এরপরে তার মায়ের ফোনটা দিতে রুম থেকে বের হয়। সায়মা চৌধুরী রুমে বসে নিজের গহনা গুলো দেখছিলেন। এর মাঝে মিষ্টি রুমে ঢুকে বলে,
“আম্মু তোমার ফোন!”
সায়মা চৌধুরী বলেন,
“হুম, দিয়ে যা। আর তোর ফোন কোথায়?”
মিষ্টি বিছানায় ফোন রেখে বলে,
“হারিয়ে গিয়েছে! আর কালকে কিনে নিবো। এটা নিয়ে আর প্রশ্ন করো না তো!”
এই শুনে সায়মা চৌধুরী হেসে হেসে বলেন,
“তাহলে আমার ফোনটাই নিয়ে যা। তুহিন যদি ফোন দেয় আবার!”
মিষ্টি মায়ের কথা শুনে রেগে হনহন করে চলে গেলো। নিজের রুমে এসে ধপ করে দরজা লাগিয়ে দিয়ে বিছানায় উঠে বসলো। নিজেকেই বকতে লাগলো— কেনো যে কালকে রাদিফের ফোনটা ধরতে গেলাম। আরও নিজের ফোনটা হারালাম। মনে হচ্ছে নিজেও আর দেশে আসবে না আর আমার বিয়েও ভাঙবে না। বিয়ে তুহিনের সাথেই হয়ে যাবে। যদি কোনোদিন রাদিফকে পাই। ধুর, আসবেই না তো!
রাত বারোটা,,, মিষ্টি ঘুমিয়ে পড়েছে প্রায়। হঠাৎ, দরজার সামনে এসে কেউ হাত দিয়ে কড়া নারে। মিষ্টি প্রথমে খেয়ালে নিলো না। শুয়েই রইলো। এরপরে যখন আবার শব্দ পায় তখন উঠে বসে। ওড়নাটা গায়ে জড়িয়ে নেমে যায়। মনে মনে বলতে থাকে,,, নিশ্চই ওই তুহিন আম্মুর ফোনে কল দিয়েছে। তাই হয়তো তার আম্মু এসেছে। না হলে কে আসবে এতো রাতে।
মিষ্টি দরজা খুলে দিয়ে দাঁড়ায়। রুবেল চৌধুরী এসেছেন। মিষ্টি বলে,
“ছোট আব্বু তুমি এইখানে! কিছু বলবে?”
রুবেল চৌধুরী কিছু বলেন না। হাতে থাকা ফোনটা মিষ্টির দিকে এগিয়ে দিয়ে বলেন,
“এই নাও!”
মিষ্টি মাথা নিচু করে বলে,
“থাক, ছোট আব্বু নিয়ে যাও!”
রুবেল চৌধুরী গম্ভীর গলায় বলেন,
“রাদিফ কলে আছে। আর ফোনটা আমারই।”
মিষ্টি তৎক্ষণাৎ ফোনটা হাতে নিয়ে রুমের ভিতরে চলে আসে। মনে করেছিলো হয়তো তার ফোনটা দিয়ে দিয়েছে। কিন্তু তা আর হলো কই? ফোনটা তার ছোট আব্বুরই।
রুবেল চৌধুরী মিষ্টির যাওয়ার পানে তাকিয়ে হেসে চলে গেলেন। তিনি নিজের রুমে পা রাখতেই রুমানা চৌধুরী বলেন,
“কোথায় গিয়েছিলে?”
রুবেল চৌধুরী বিছানায় বসতে বসতে বলেন,
“ঘুম আসছিলো না তাই বাহিরে গিয়েছিলাম। গিয়ে দেখি মিষ্টি জেগে আছে। পরে মিষ্টি বললো শুয়ে পড়তে!”
“ওহ। ওই মেয়ে আবার জেগে জেগে কি করছে?”
রুবেল চৌধুরী গা ছাড়া ভাব নিয়ে বলেন,
“এখন জেগে থেকে আর কি করে করবে? নিশ্চই হবু বরের সাথে কথা বলবে।”
রুমানা চৌধুরী লম্বা শ্বাস ছেড়ে বলেন,
“হুম, তাইতো করবে। আমার রাদিফও তো ফিরে এলো না। এখন তো আর ওকেও বসিয়ে রাখা যায় না। হোক বিয়ে। মেয়েটা সুখী হলেই হয়। আল্লাহর কাছে আর কিছু চাওয়ার নেই।”
________________
মিষ্টি রুমের দরজা লাগিয়ে দিয়ে ফোনটা নিয়ে বিছানায় বসে। একদিকে রাগ হচ্ছে আবার একদিকে অভিমান হচ্ছে রাদিফের উপরে। তাই ফোন কানে নিয়ে অভিমানী কণ্ঠে বলে,
“হ্যালো রাদিফ ভাই বলুন!”
রাদিফ কিছুক্ষন চুপ করে রইলো। এমনেই রাগ উঠে আছে তখন মিষ্টি ফোন ফিরিয়ে দিতে চেয়েছে বলে। আবার এখন মিষ্টির মুখে ভাই, আর আপনি শুনতে পেয়ে।
রাদিফ গম্ভীর গলায় বলে,
“তু্ই যে আগে আমাকে ভাই বলতি আমি তার জন্য তোকে যে আগে চড় মারতাম, তোর সেগুলোর কথা মনে আছে?”
“হ্যা মনে আছে!”
রাদিফ চিবিয়ে চিবিয়ে বলে,
“তাহলে আবার কোন কারণে ভাই বলছিস? তু্ই কি ভুলে গিয়েছিস। ভাগ্য ভালো তু্ই সামনে নেই। নাহলে ঠাটিয়ে চড় মারতাম।”
মিষ্টি সাথে সাথে বলে,
“তুমি তো আসবে না। তাহলে ওখানে থেকে আমাকে হুমকি দিচ্ছো কেনো?”
রাদিফ ধমকে উঠে বলে,
“চুপ বেয়াদব! মুখে মুখে তর্ক শিখেছিস? নিজেকে খুব বড় শেয়ানা মনে করিস তাইনা! বাপের মতো হয়েছিস। এহ বলে হুমকি দিচ্ছি। তোমার জন্য আমি দূরে থাকবো, আবার কষ্ট পাবো। তোমার বিয়ে হবে অন্য কারো সাথে আমি সেটা দেখবো আর ফুলবো তোমাকে কিচ্ছু বলবো না তাইনা! আমাকে পুতুল পেয়েছো? আমার যখন ইচ্ছে তোকে হুমকি দিবো। তু্ই বলার কে রে? নিজে থেকে তো কিচ্ছু বলতে পারবি না। দুকে দুকে মরবি। আমাকেও মারবি ভেবেছিস তাইনা! না আমি তোকে মারবো।”
মিষ্টি নিচু গলায় বলে,
“তোমার কথা আমি বুঝতে পারি না। তুমি আসছোও না আবার আমার উপরে অধিকার দেখাচ্ছো। কি করতে চাইছো তুমি?”
রাদিফ স্পষ্ট গলায় বলে,
“যা করার আমি করবো তোর শুনতে হবে না। বিয়ের দিন দেখতে পারবি। আর কি করছিস এখন?”
“শুয়ে আছি!”
রাদিফ তপ্ত শ্বাস ফেলে বলে,
“তোর হবু বরের সাথে কথা বলছিস আজকে?”
মিষ্টি এই প্রশ্নের উত্তরটা সাজিয়েই রেখেছিলো। তাই বুকে সাহস নিয়ে বলে,
“না বলিনি তো! তুমি তো ফোন ছোট আব্বুকে দিয়ে দিতে বলেছিলে তাই আমার দিয়ে দিয়েছি। আর কথা বলবো কি দিয়ে।”
রাদিফ বাঁকা হেসে বলে,
“ভেবে বলছিস তো? আমি যদি পরে শুনতে পাই তু্ই কথা বলেছিস তাহলে কিন্তু তু্ই জানিসই কি করবো!”
মিষ্টি শুকনো ঢোক গিলে। যতই নিজে কড়া থাকুক না কেনো এই রাদিফের কাছে একবারে ভেজা বেড়াল হয়ে যায়। মিষ্টি আমতা আমতা করে বলে,
“আ আসলে কল দিয়েছিলো। কথাও বলেছি!”
ওপাশে রাদিফ হাসে। সে জানে আজ মিষ্টি তার হবু বরের সাথে কথা বলেছে। রাদিফ ফোনে কথা বলছিলো তার বাবার সাথে। রুবেল চৌধুরী তখন ড্রইং রুমে বসেই ছেলের সাথে কথা বলছিলাম। ঠিক তখনই সায়মা চৌধুরী আর রুমানা চৌধুরী ড্রইং রুমে ঢুকতে ঢুকতে বলাবলি করছিলো মিষ্টি তুহিনের সাথে কথা বলেছে।
রাদিফ ঠান্ডা গলায় মিষ্টিকে বলে,
“তাহলে মিথ্যে বললি কেনো? আর পরে সত্যিই বললি কেনো?”
“আসলে মিথ্যে বলে মনে হলো সত্যি বলা দরকার তাই।”
রাদিফ প্রশ্ন করে,
“তো কি কি কথা বললো তোর হবু বর?”
মিষ্টি খানিকটা রাগ নিয়ে বলে,
“কথায় কথায় হবু বর বর করবে না! আমার ভালো লাগে না!”
রাদিফ সুরে সুরে বলে,
“ও তুমি তার সাথে মিষ্টি মিষ্টি কথা বলবে আর আমি বললেই ভালো লাগে না। কি কি বলেছে তাড়াতাড়ি বল!”
মিষ্টি থেমে থেমে বলে,
“ভালো-মন্দ কথা বলেছে। আর কালকে দেখা করতে বলেছে!”
রাদিফ দৃঢ় কণ্ঠে বলে,
“তু্ই কি বলেছিস যাবি কালকে?”
“হ্যা বলেছি!”
রাদিফ রেগে যায় না। বরং শুধানো গলায় বলে,
“তু্ই কি চাস বলতো? তোর কথা শুনে মনে হচ্ছে তু্ই বিয়েটা করতে চাইছিস। আমায় বলে দে! তাহলে আমি এগোবো নয় এগোবো না। যার জন্য এতো কষ্টে মা-বাবার থেকে দূরে আছি। সেই যদি বিয়ের জন্য এক পা এগিয়ে থাকে তাহলে আমার এগোনো ঠিক হবে না।”
রাদিফ মূলত কথাগুলো বলেছে মিষ্টির মুখ শুনতে যে, আমি এই বিয়ে করতে চাই না তুমি প্লিজ ফিরে এসো। রাদিফ মিষ্টির মুখ থেকে এই কথাটা শুনলে মনে থেকে আরও সাহস পাবে। জানে মিষ্টি বিয়ে করতে চায়না। তবে সেটা মিষ্টির মুখে থেকে শুনতে চায়।
মিষ্টি প্রায় কেঁদে দিয়েছে রাদিফের কথা গুলো শুনে। কান্না করতে করতে বলে,
“তোমার কি মনে হয় আমি বিয়ে করতে চাইছি। যদি তাই মনে হয়, তাহলে হ্যা আমি বিয়ে করতে চাইছি। আমি কি করবো এখন। তুমি ফিরছো না এখনও, ওখানে নিশ্চিন্তে বসে আছো। কিছুই বলছো না। না আসতে চাইছো, না বলছো মিষ্টি বিয়ে করিস না বা বিয়ে নিয়ে ভালো কি মন্দ কোনো কথাই বলছো না। আমার কি খারাপ লাগে না খুব খারাপ লাগছে। দম বন্ধ লাগছে। এদিকে বিয়ের সব কিছুর প্রস্তুতি নিয়ে ফেলছে। আমি তোমার কাছে এর আগে কিচ্ছু বলিনি তবে এখন অনুরোধ করে বলছি তুমি কিছু করো! আমি বিয়ে করবো না।”
চলবে….
দুঃখিত দেরি করে গল্প দেওয়ার জন্য। আজ এইটুকুই।কালকে ঠিক সন্ধ্যায়ই গল্প আসবে। ইনশাআল্লাহ।
ভুল-ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। কেউ বাজে মন্তব্য করবেন না। আর এই পার্টটা ভালো লাগলে রেসপন্স করবেন!!!!!!
[হেশট্যাগ ব্যবহার ছাড়া কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ]

