চোরাবালির_পিছুটানে (১৫) #জেরিন_আক্তার

0
2

#চোরাবালির_পিছুটানে (১৫)
#জেরিন_আক্তার

রুবেল চৌধুরী ঠান্ডা গলায় বলেন,

“চা নিয়ে এসো!”

রুমানা চৌধুরী অবাক হয়ে বলেন,

“আমি বললাম রাজের বাবা তোমাকে খুঁজছে আর তুমি বলছো চা নিয়ে এসো। তুমি তো উনার সাথে কথা বলতে যেতে পারতে।”

রুবেল চৌধুরী আগের মতো করেই বলেন,

“হুম, আগে চা নিয়ে এসো।”

রুমানা চৌধুরী কিছুক্ষন তাকিয়ে থেকে চলে গেলেন। রুবেল চৌধুরী আয়েসি ভঙ্গিতে বসে নিজের ফোন বের করলেন। রুমানা চৌধুরী চা নিয়ে এলেন। রুবেল চৌধুরী চা তে চুমুক দিয়ে রুমানা চৌধুরীর দিকে তাকিয়ে বলেন,

“তুমি সব কিছু নিয়ে এতো বেশি চিন্তা করো কেনো বলোতো? এই দেখো আমি এখন এতো চিন্তা করিনা। আর চিন্তা করেই কি করবো। ভাগ্যের চাকা কি ঘোরাতে পারবো। না একদম পারবো না।”

রুমানা চৌধুরী যত শুনছেন ততই অবাক হচ্ছেন। হঠাৎ তার হলো কি এটাই ভেবে পাচ্ছেন না। সবসময় তো চুপচাপই থাকেন আজ হঠাৎ এমন কথা বলছেন যার মানে খুঁজে পাচ্ছেন না।

রাশেদ চৌধুরী নিচে নেমে আসলেন। তাকে দেখে রুবেল চৌধুরী কোনো প্রতিক্রিয়া দেখালেন না। যেমন বসে চা খাচ্ছিলেন ঠিক তেমনই বসে রইলেন। রাশেদ চৌধুরী রুবেল চৌধুরীর সামনাসামনি বসে বলেন,

“কোথায় গিয়েছিলি?”

রুবেল চৌধুরী ঠান্ডা গলায় বলেন,

“মিষ্টি শপিংয়ে যেতে চেয়েছিলো তাই ভাবলাম মেয়েটাকে আজ নিয়ে যাই। বিয়ে হয়ে গেলে তো আর এই মেয়েকে কাছেই পাবো না।”

রাশেদ চৌধুরী চিন্তিত গলায় বলেন,

“আজ অফিসে যাসনি জানিস কি হয়েছে?”

রুবেল চৌধুরী চায়ের কাপ রেখে ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে বলেন,

“কি হয়েছে?”

“হুট্ করে আমাদের সব প্রজেক্ট ক্যানসেল করে দিয়েছে।”

“কি বলছো ভাই?”

“হুম, আজ একসাথে আমাদের সব বিজনেস পার্টনাররা নিজেদের কোম্পানির সাথে আমাদের কোম্পানির ডিলগুলো ক্যানসেল করেছে।”

রুবেল চৌধুরী কপালে ভাজ এনে বলেন,

“হঠাৎ করে সবার ক্যানসেল করার কারণ কি?”

“কারণটাই তো জানা যাচ্ছে না।”

“তোমার জানামতে কোম্পানিতে কিছু হয়েছে কি?”

“না। সব ঠিকই ছিলো। দুপুরে একসাথে সবাই জানালো কেউই একসাথে কাজ করতে চায় না।”

রুবেল চৌধুরী ভাবুক গলায় বলেন,

“তাহলে তো বেশ চিন্তার বিষয়!”

“হুম, কি করবো এখন! আমার মাথায় কিচ্ছু ঢুকছে না। সবাই এভাবে পাশে থেকে চলে গেলে একা একা কি করে বিজনেস করবো। আর চলে যাওয়ার কারণই বা কি?”

“ভাই, শান্ত হও! মাথা গরম করা ঠিক হবে না এখন। মাথা ঠান্ডা রেখে এগোতে হবে।”

“কি করে মাথা ঠান্ডা করি বল!”

রুমানা চৌধুরী একটু দূরে থেকে ভালো করে রুবেল চৌধুরীকে পরখ করলেন। তার এমন ঠান্ডা থাকা কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না তিনি। নিজেদের কোম্পানির এমন দশা শুনে নিজেও কেমন শান্ত রয়েছে আর কি করেই বা নিজের ভাইকে শান্ত হতে বলছে।

তৎক্ষণাৎ, রুবেল চৌধুরী উঠে চলে গেলেন। রাশেদ চৌধুরী চিন্তিত হয়ে বসে রইলেন।

_______________

জাপানে তখন সন্ধ্যা,,, রাদিফ রাজকে নিয়ে বাহিরে গিয়েছে। রাজ এখানে আসার পর থেকে ওকে কোথাও ঘোরানো বা কোথাও নিয়ে যায়নি রাদিফ। আজকে অফিসে থেকে দুপুরেই বাড়িতে ফিরে এসেছিলো। সন্ধ্যার সময় ফ্রিই ছিলো রাদিফ। তাই রাজকে নিয়ে বের হয়েছে।

রাহা বাড়িতে একা রয়েছে। মেইড গিয়েছে কিছু জিনিস কিনতে শপে। রাহা ভাইয়ের কথামতো মেইন দরজা লাগিয়ে দিয়ে ড্রইং রুমে বসে টিভি দেখছিলো। নিজে নিজেই বোর হচ্ছিলো।

এর একটু পরে বাড়ির কলিং বেল বেজে উঠে। রাহা উঠে দাঁড়ায়। মনে করে মেইড হয়তোবা তার ভাই এসেছে। আর নয়তো সাইমন অফিসে থেকে এসেছে।

রাহা মেইন দরজা খুলে দিয়ে দাঁড়ায়। সামনে থাকা ব্যাক্তিকে দেখতেই অবাক হয়ে যায়। জারা এসেছে। কিন্তু জারা কেনো এখানে এসেছে? তার ভাইকে দেখতে! কিন্তু তার ভাই তো সুস্থ হয়েছে। তাহলে জারা আবার এসেছে কেনো?

রাহা কথাগুলো ভাবতে ভাবতে জারার দিকে তাকিয়ে হাসার চেষ্টা করে বলে,

“ভালো আছেন?”

জারা হালকা হেসে বলে,

“হুম। আপনি কেমন আছেন?”

“ভালো। বাহিরে কেনো, ভিতরে আসুন না!”

“হুম।”

জারা ধীর পায়ে রাহার সাথে ভিতরে ঢুকলো। রাহা জারাকে সোফায় বসতে বলে। জারা বসতে বসতে আশেপাশে তাকায়। তার দুটো চোখ অন্য কাউকে খুঁজছে।

রাহা জারাকে বসিয়ে কিচেনের দিকে চলে আসে। কফি বানায়, সাথে হালকা কিছু খাবারও ট্রে তে করে নিয়ে ড্রইং রুমে ফিরে আসে। ট্রে টি-টেবিলে রেখে কফিটা জারার সামনে এগিয়ে দেয়। এরপরে পাশের সোফায় বসে।

জারা খানিকটা ইতস্তত গলায় বলে,

“আচ্ছা আপনার ভাই মানে রাদিফ সে কোথায়? বাড়িতে আছে?”

“না, ভাইয়া বাড়িতে নেই!”

“কোথায় গিয়েছে?”

“ভাইয়া, একটু ঘুরতে গিয়েছে।”

“ওহ। উনি সুস্থ হয়েছে?”

এই শুনে রাহা মনে মনে বলে,,, এই মেয়ে বলে কি, সুস্থ হয়ে হেটে চলে বেড়াচ্ছে। আর এখন বলছে উনি কি সুস্থ হয়েছে।

রাহা হালকা হেসে বলে,

“হুম সুস্থ হয়েছে।”

“যাক, ভালোই হয়েছে। অনেক টেনশনে ছিলাম।”

“ওহ।”

রাহা কৌতূহল বসত প্রশ্ন করে,

“আচ্ছা, আপনার কি বিয়ে হয়েছে?”

জারা হেসে মাথা নাড়িয়ে বলে,

“না না, আমার বিয়ে হয়নি। আমি এখানে পড়তে এসেছি। আর আমার ফ্যামিলিও এখানে থাকে।”

“ওহ। প্লিজ কফিটা খান!”

“শুধু আমার জন্যই এনেছেন? আপনি খাবেন না!”

রাহা হেসে বলে,

“না, আমি কফি খাই না।”

“ওহ।”

রাহা আর জারার কথার মাঝে সাইমন ঢুকে বাড়ির ভিতর। সাইমন এগিয়ে আসতে আসতে রাহার সাথে জারাকে কথা বলতে দেখে দাড়িয়ে যায়। মনে মনে ভাবতে থাকে, এই মেয়ে আজ আবার এসেছে কেনো?

জারা সাইমনকে দেখে উঠে দাড়িয়ে বলে,

“ভালো আছেন!”

সাইমন গম্ভীর গলায় বলে,

“হুম। আপনি হঠাৎ এখানে?”

পাশে থেকে রাহা সাইমনকে বলে,

“আসলে উনি ভাইয়াকে দেখতে এসেছে।”

সাইমন কপাল কুঁচকে মনে মনে বলে,,, একজনকে কয়বার দেখা লাগে! নিশ্চই এই মেয়ের মাঝে কোনো ঘাবলা আছে।

সাইমন সিঁড়ির দিকে যেতে যেতে বলে,

“আমি রাদিফকে কল দিয়ে আসতে বলছি!”

রাহা বলে,

“ঠিক আছে।”

সাইমন চলে যায়। জারা রাহার দিকে তাকিয়ে বলে,

“এই ছেলেটা মানে উনি কি হয় আপনার?”

“উনি আমার ভাইয়ের বন্ধু। আমার ভাইয়ের মতোই।”

“ওহ।”

এর একটু পরেই সাইমন উপরে থেকে হাই তুলে রাহাকে ডেকে উঠে,

“রাহা…!”

“হ্যা ভাইয়া বলুন!”

“উপরে এসো তো!”

“আসছি!”

রাহা জারার দিকে তাকিয়ে হেসে বলে,

“আপনি বসুন! আমি শুনে আসছি!”

“হুম, যান।”

রাহা সিঁড়ি বেয়ে উপরে চলে এলো। সাইমন নিজের রুমে বিছানায় বসে ছিলো। রাহা এসে বলে,

“ভাইয়া বলুন!”

সাইমন উঠে দাড়িয়ে ভাবুক গলায় বলে,

“রাহা জারার ব্যাপারটা কেমন একটা লাগছে না?”

“হুম। আমারও কেমন যেনো লাগছে। একবার তো ভাইয়াকে দেখেই গেলো। আবার এসেছে ভাইয়াকে দেখতে।”

সাইমন মাথা দুলাতে দুলাতে বলে,

“না না, বলো যে রোগী দেখতে!”

“হুম। তবে আপনি কেনো ডাকলেন সেটা বলুন!”

“আমি ডেকেছি এই নিয়ে তোমার সাথে কথা বলতে!”

“আমার সাথে কথা না বলে ভাইয়াকে কল দিন!”

সাইমন দরজার কাছে গিয়ে উঁকি দিয়ে এসে রাহাকে বলে,

“শোনো রাহা, এখন রাদিফকে জারার আসার কথা জানাবো না।”

রাহা কপালে ভাজ এনে বলে,

“কেনো?”

“শোনো, আমি বলি, রাদিফের এখন মন-মেজাজ ভালো নেই। মিষ্টিকে নিয়ে কি চিন্তায় আছে জানোই তো। আর এই মেয়ে ওর সাথে দেখা করতে এসেছে। মেয়েটার কথা শুনেই বোঝা যাচ্ছে নিশ্চই রাদিফকে ভালোবাসে।”

“হুম, ভাইয়া আমিও এটাই ভেবেছি।”

“তাহলে এখন কি করবে!”

রাহা সাইমনের দিকে তাকিয়ে বলে,

“কি করবো?”

“এই মেয়েকে এখন কিছু একটা বলে চলে যেতে বলো। বলো যে রাদিফের আসতে লেট্ হবে।”

“আমি একা বলবো! আপনিও সাথে আসুন!”

“চলো।”

সাইমন রাহার সাথে রুম থেকে বেরিয়ে যায়। সিঁড়ির কাছে এসে সাইমন রাহাকে বলে,

“রাহা তুমিও আমার কথার সাথে সাথে তাল মেলাবে।”

রাহা মাথা নাড়িয়ে বলে,

“ঠিক আছে।”

সাইমন আর রাহা নিচে নেমে আসে। সাইমন হেসে হেসে জারার দিকে তাকিয়ে বলে,

“আসলে রাদিফকে কল দিয়েছি। আপনার কথা জানিয়েছিও কিন্তু ওর আসতে অনেক লেট্ হবে। বলতে গেলে দুই-তিন ঘন্টা।”

জারা চিন্তিত গলায় বলে,

“এতো লেট্! আমার তো এতক্ষন সময় নেই।”

রাহা হেসে হেসে বলে,

“সময় নেই, তবে থেকে যান! মানে বলছিলাম, ভাইয়ার আসতে তো অনেক লেট্ হবে তাই থেকে যান আজকে এখানেই।”

এই শুনতেই সাইমন রাহার দিকে তাকায়। জারা রাহার কাছে এসে দাঁড়ায়। রাহাকে ধরে বলে,

“অন্য একদিন এসে থাকবো। উনার যখন আজকে লেট্ হবে আসতে তাহলে আর বসে থাকতে চাইনা। উনি আসলে আমার কথাটা বলবেন প্লিজ!”

“হুম, বলবো।”

“তাহলে আজ আসি!”

জারা রাহা আর সাইমনের থেকে বিদায় নিয়ে চলে যায়। জারা চলে যেতেই সাইমন বলে,

“রাহা তুমি কিন্তু রাদিফকে বলবে না ওর কথা।”

“ঠিক আছে বলবো না। শুধু আপনি আর আমিই জানবো। এখন যান ফ্রেশ হয়ে আসুন! আমি খাবার বাড়ছি!”

“তুমি খাবার বাড়বে মেইড কোথায়?”

“উনি শপে গিয়েছেন। এখন আপনি যান!”

“হুম যাচ্ছি।”

সাইমন সিঁড়ির কাছে গিয়ে আবার রাহার কাছে ফিরে আসে। এরপরে বলে,

“রাহা, রাজ আসলে তুমি ওকে নিয়ে আমার কাছে এসো!”

“কেনো?”

“কথা আছে!”

“ঠিক আছে!”

রাত আটটার দিকে রাদিফ আর রাজ বাড়িতে এলো। দুজনে ফিরে যে যার রুমে গেলো। রাজ রুমে এসে দেখতে পায় রাহা বেলকনিতে দাড়িয়ে আছে। রাজ চুপিচুপি রাহাকে পেছনে থেকে জড়িয়ে ধরে। রাহার ঘাড়ে মুখ ডুবিয়ে দেয়। রাহা আচমকা রাজের উপস্থিতিতে খানিকটা কেঁপে উঠে। রাজ আলতো করে হাত রাখে রাহার পেটে। রাহা মুচকি হাসে। রাজ নেশালো কণ্ঠে বলে,

“অনেক জায়গায় ঘুরে আসলাম, নতুন জায়গা দেখলাম, সাথে নতুন নতুন মানুষ দেখলাম, তবে জানো কোথাও এমন শান্তি পাইনি।”

রাহা পেছনে ফিরে রাজকে জড়িয়ে ধরে। রাজ হাতের বাঁধন শক্ত করে রাহাকে জড়িয়ে ধরে রইলো। রাহার কপালে ঠোঁট ছুঁইয়ে বলে,

“অনেক ভালোবাসি তোমায়!”

রাহা দুষ্টু হেসে বলে,

“আমাকে না বাবুকে?”

“দুজনকেই।”

রাজ রাহাকে ছাড়িয়ে মুখোমুখি করে ধরে বলে,

“দেশে ফিরে যাবে?”

রাহা চোখ নামিয়ে বলে,

“সময় হয়নি!”

রাজ গভীর গলায় বলে,

“হুম, জানি সময় হয়নি। আমি, তুমি রাদিফ এই তিনজনেই আছি বাবার একটা কথার অপেক্ষায়। বাবা যদি একবার বলতো যে তোরা ফিরে আয়! আমরা শুধু এই একটা কথার অপেক্ষায় আছি। এই বাবাকেই বা কে বোঝাবে বলো! মিষ্টি! মিষ্টির জন্য কষ্ট হচ্ছে। ভাই হয়ে ওর পাশে থাকতে পারছি না।”

রাহা বলে,

“তুমি চিন্তা করছো কেনো? তুমি এতো কিছু দেখেও বুঝতে পারছো না ভাইয়া মিষ্টিকে অন্য কোথাও বিয়ে হতে দিবে না।”

“হুম। রাদিফও শুধু কষ্টই পেয়ে যাচ্ছে। এভাবে আর ওকে দেখতেও ভালো লাগছে না। আল্লাহ ওদের একসাথে করে দিক।”

রাজ কথা বলতে বলতে রাহাকে নিয়ে রুমে চলে আসে। রাহা বিছানায় বসে। রাজ বেলকনির দরজা লাগিয়ে দিয়ে পানি খেয়ে রাহার পাশে বসে। জারা যে এসেছিলো সেটা রাহা রাজকে জানায়।

__________

পরেরদিন মিষ্টির বিয়ের দিন তারিখ ঠিক করা হলো। আগামী শুক্রবারই। হাতে রয়েছে চারদিন। রাশেদ চৌধুরী এখন নিজের কোম্পানি নিয়ে ঝামেলার মধ্যে আছেন। তাই বিয়েটা নিয়ে অনুষ্ঠান পরে করবেন।

রাশেদ চৌধুরীর খুব কাছের বন্ধু সোহেল শিকদার। সোহেল শিকদারের একমাত্র ছেলে তুহিন শিকদার।পড়াশোনা শেষ করে বাবার কোম্পানির পুরো দায়িত্বটা তার উপরে। তুহিনের সাথেই মিষ্টির বিয়ে ঠিক হয়েছে।

তুহিন দুইদিন ধরে মিষ্টিকে কল দিচ্ছে মেসেজ দিচ্ছে। মিষ্টির কোনো উত্তর নেই। বেশ চিন্তিত হয়ে পড়লো। অনেক ভাবাভাবির পরে মিষ্টির মায়ের নাম্বারে কল দিলো।

“আস্সালামুআলাইকুম!”

“ওয়ালাইকুম আসসালাম।”

“কেমন আছেন আন্টি?”

“ভালো। কে তুমি? তোমাকে তো চিনতে পারলাম না?”

“আমি তুহিন। আসলে মিষ্টিকে কল দিচ্ছি ও ধরছে না। ওর সাথে কথা বলতে চাই!”

“ওহ। তুমি একটু লাইনে থাকো আমি নিয়ে দিচ্ছি।”

সায়মা চৌধুরী নিজের রুম থেকে বেরিয়ে মিষ্টির রুমে এলেন। মিষ্টি উঁবু হয়ে শুয়ে ছিলো। সায়মা চৌধুরী মিষ্টিকে পেছনে থেকে ডাক দিয়ে ফোন এগিয়ে দিয়ে বলেন,

“এই নে কথা বল!”

মিষ্টি উঠে বসে বলে,

“কি কথা বলবো? কে ফোন দিয়েছে?”

“তুহিন!”

চলবে….

ভুল-ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। কেউ বাজে মন্তব্য করবেন না। আর এই পার্টটা ভালো লাগলে রেসপন্স করবেন!!!!!!

[হেশট্যাগ ব্যবহার ছাড়া কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here