তোমার_আমার_প্রেম পর্ব – ২১

0
32

#তোমার_আমার_প্রেম
পর্ব – ২১
লেখনীতে – #রুবাব_ফারহা
.
পূর্ব আকাশে সূর্য উঠেছে।ঘরে মৃদু আলো প্রবেশ করতেই ঈশানির ঘুম ছুটে গেলো।এমনিতেও তার রাতে তেমন ঘুম হয়নি। কাল আরহান কেমন একটা নির্লিপ্ত ছিলো।ঈশানির সেটা নিয়েই চিন্তা।মন কু গাইছে।ঈশানি পাশফিরে চাইলো ঘুমন্ত আরহানের পানে।গভীর চোখে দেখছিলো।তখনি আরহান ও চোখ মেলে তাকালো।দুজোড়া চোখের মিলন ঘটলো।কথার বিনিময় হলো না।শুধু চেয়ে রইলো।হয়তো চোখের ভাষা বোঝার চেষ্টা করছিলো।ঈশানি নিজের হাত বাড়িয়ে রাখলো আরহানের গালের উপর।তখনো তাদের দৃষ্টির মিলনে ব্যাঘাত ঘটেনি।ঈশানি আরহানের গাল ছুঁইয়ে কোমল কন্ঠে জিজ্ঞেস করলো “আপনি…আপনি ঠিক আছেন?”

আরহান তাকিয়েই আছে ঈশানির দিকে।দৃষ্টি ফেরায়নি একবারো।তার গালের উপর ঈশানির রাখা হাতে নিজের হাত রাখলো।তারপর বলে –
“ঠিক নেই আমি।”

ঈশানির মনটা কেমন যেনো করলো।তবুও শান্ত হয়ে জিজ্ঞেস করে –
“কি হয়েছে আপনার?বলুন না।কেনো চিন্তায় ফেলছেন আমায়।”

আরহান একটু এগিয়ে গেলো।ঈশানির শরীর গলিয়ে তাকে আর একটু টেনে আনলো। তারপর বলে –
“জীবন অনেক বড় আর মূল্যবান।সেখানে এসব এ বিষয় নিয়ে চিন্তা করলে হবে?”

ঈশানি অপলক তাকিয়ে রইলো।তারপর কণ্ঠে জোর দিয়ে বললো –
“আমার কাছে সবচেয়ে মূল্যবান আপনি।

আরহানের হৃদয়ে শীতল হাওয়া বয়ে গেলো যেনো।প্রশান্তি অনুভব করলো।তারপর ঈশানির নাক টেনে বললো –
“পাক্কা বউ বউ কথা বলছো কিন্তু।আমাকে কি একদম বেঁধে ফেলতে চাইছো?”

ঈশানির ঠোঁটের কোণে ভেসে উঠল এক অলক্ষ্য হাসি, শ্বাস ফেলে, চাপা কণ্ঠে সে বলল
“উহু… নিজেকে ডুবিয়ে দিতে চাইছি, সেই অচিন্ত্য বন্ধনে, যেখান থেকে ফেরার আর কোনো পথ থাকে না। চোরাবালির মতো, নীরবে, নিঃশব্দে… একবার যে পথ ধরি, আর ফিরে আসা হয় না।”

আরহান অপলক চেয়ে রইলো।বাচ্চা মেয়েটার ভারিক্কি কথায় বিষ্ময় হলো। আরহান কিছু না বলে জড়িয়ে নিলো ঈশানিকে।গভীরভাবে আবদ্ধ করলো নিজের বক্ষতলে।
.
আরহান হসপিটালে এসেছে মিনিট ত্রিশ হবে। অলিভিয়াকে অবজারভেশন রাখা হয়েছে।এখনো জ্ঞান ফিরেনি। আরহান বেড়িয়েছে রাউন্ডে।তখনি চেঁচামেচির আওয়াজ কানে আসলো তার। আরহান গুরুত্ব দিলো না।নিজের কাজ করে যাচ্ছে।কিছুক্ষণ পর একজন নার্স এসে জানালো অলিভিয়ার সেন্স এসেছে আর সে পাগলামি করছে। আরহান সেদিকটায় গেলো।
অলিভিয়া কাদঁছে আর জিনিষ ছুঁড়ছে ।আর চিল্লিয়ে বলছে –
“কেনো বাঁচলে আমায় ?আমি বাঁচতে চাই না। যে জীবনে আরহান নেই সেই জীবন চাই না আমার। আমি কিভাবে ওকে সহ্য করবো অন্য কারো সাথে।কেনো বাঁচালে আমায়।আমি মরতে চাই।মেরে ফেলো আমায়।”

অলিভিয়ার বাবা আনোয়ার সিদ্দিক মেয়েকে বুঝানোর জন্য এগিয়ে গেলেন দুপা।অলিভিয়া পাশে থাকা টেবিল ফেলে দিয়ে বললো –
“কাছে আসবে না।সহ্য হচ্ছে না তোমায়।আমি মরে একটু সুখ পেতাম তোমার সহ্য হলো না সেটা।আমাকে দুঃখ পেতে আমার বাঁচালে তাই না।”

আনোয়ার সিদ্দিক কেঁদে উঠলেন।তার পিতৃহৃদয় কাতর হলেন। অসহায়বোধ করলো।মেয়েকে বুঝাতে বললো –
, ন্যায়”মা রে,এভাবে বলে না।তোর কিছু হলে আমি কি নিয়ে বাঁচবো?আমার যে তুই ছাড়া আর কেউ নেই।”

অলিভিয়া আবার চিল্লিয়ে উঠলো –
“আর আমার আরহানকে চাই।এনে দেবে ….”

সামনে আরহানকে দাড়িয়ে দেখতে থেমে যায় অলিভিয়া।চোখদুটো চকচক করে উঠে।উদ্ভ্রান্তের ন্যায় এগিয়ে যায়। আরহানকে জড়িয়ে ধরে বলে –
“এসেছিস তুই?সত্যি এসেছিস?আমি জানতাম তুই আসবি।আমার এতো ভালোবাসা তুই দূরে ঠেলতেই পারবি না। এই আরহান, আরহান…

আরহান ঠেলে সরিয়ে দেয় অলিভিয়াকে।নিজের সর্বস্ব দিয়ে একটা থাপ্পর বসায় তার গালে।আনোয়ার সিদ্দিক আগুন চোখে তাকায় আরহানের দিকে।কিন্তু মেয়ের ডুকরে কাদা দেখে নিভে যায়।অলিভিয়া ডুকরে কেঁদে উঠে। আরহান হুংকার দিয়ে বলে –
“এসব করে কি প্রমাণ করতে চাইছিস তুই?আমাকে খুব ভালবাসিস?আমাকে ছাড়া মরে যাবি? এসবই? লাভ নেই।আমি মনে প্রাণে এই বিয়ে মেনে নিয়েছি।আর ঈশানিকে আমার হৃদয়ে স্থান দিয়েছি।সেখানে আর কারো স্থান নেই।তুই যতই পাগলামি কর লাভ হবে না।তাই বলছি শুধরে নে নিজেকে।নিজের কথা না ভাবিস ,নিজের বাবার কথা ভাব।”
একটু থেমে আবার বলে –
“তোর আমার মধ্যে কখনোই ভালোবাসা বাসির সম্পর্ক ছিলো না।তোকে আমি বহু আগেই ক্লিয়ার করেছিলাম যে আমার মনে সেরকম কোনো অনুভূতি নেই।তুইও বলেছিলি বন্ধু হিসেবেই থাকবি।তাহলে আজ এসব নাটক কেনো?আমাকে গিল্ট ট্রিপে ফেলতে চাইছিস?পারবি না।আমি নিজের কাছে স্বচ্ছ,পরিষ্কার।আমি জানি আমি তোকে কথা দেয়নি কখনো ,তাই এ দায়ভার আমার কখনোই না।তবে তোকে আমি বন্ধ ভাবি।সেখান থেকেই তোর জন্য সমবেদনা আসবে।এতবেশি কিছু না।”

অলিভিয়া ফুপিয়ে কেঁদে উঠলো।অশ্রুসিক্ত নয়নে তাকিয়ে বললো –
“তোকে ভালোবাসা কি আমার অপরাধ আরহান?এতো ভালোবেসেও আমি তোকে পেলাম না।আর একটা মেয়ে যে কখনো তোকে চাই’ই নি সে তোকে পেয়ে গেলো?আমার ভালোবাসায় কোথায় কমতি ছিলো বল না।এতদিন তো আশায় ছিলাম তুই একদিন ঠিক বুঝবি।কিন্তু এখন কোন আশায় থাকবো?আমার বেঁচে থাকার অবলম্বন যে নেই।”

আরহান এগিয়ে গেলো।অলিভিয়ার হাত ধরে বসায় কেবিনের বেডে।তারপর ঠাণ্ডা শীতল কন্ঠে বললো –
“তাকা ওই মানুষটার দিকে।মানুষটা তোর জন্য কালকে থেকে ছুটছে।কাদঁছে।এই মানুষটার প্রতি কি তোর কোন দায়িত্ব নেই? একজন শিক্ষিত ,স্মার্ট,স্বাধীনচেতা,সুন্দরী মেয়ে হয়ে এসব ভাবছিস?তাহলে লাভ কি হলো তোকে বিদেশে পড়িয়ে।”

অলিভিয়া তাচ্ছিল্যের হাসি হেসে বললো –
“তারপরও তোকে পেলাম না।এই স্মার্ট,শিক্ষিত,প্রতিষ্ঠিত দিয়ে কি করবো?”

আরহান তপ্ত নিশ্বাস ছাড়লো।তারপর অলিভিয়ার মাথায় হাত বুলিয়ে বললো –
“তোর জন্য যে সঠিক মানুষটা আছে সে ঠিক বেছে নেবে।হাজার মানুষের ভিড়ে তুই না চাইলেও তোকেই বেছে নেবে।তোর জন্য পুরো দুনিয়ার খুশি এনে তোর পায়ে ফেলবে।সঠিক মানুষের জন্য অপেক্ষা কর।সেদিন আর আমাকে মনে পড়বে না।সেই মানুষটার কাছে তখন আমাকে তোর নগণ্য লাগবে।”

অলিভিয়া হাসলো।বিদ্রুপের হাসি। এই শান্তনা বানি তার কাছে অসহ্য ঠেকছে। আরহান আর কিছু বললো না।বেরিয়ে গেলো।
.
আরহান আর কেবিনে যায়নি। অ্যাসিস্ট্যান্টকে বলে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে গেছে সোজা।গন্তব্য ঈশানির কোচিং।তার ভীষন অস্থির লাগছে। এই অস্থিরতা কাটানো বিশেষ প্রয়োজন।

ঈশানি সবে মাত্র কোচিং শেষে বেড়িয়েছে।মিথিলাকে বিদায় দিয়ে সামনে এগোতেই দেখতে পায় একান্ত নিজের পুরুষকে।প্রথমে অবাক হয়।পড়ে খুশি হয়ে যায়।দৌড়ে যায় আরহানের কাছে।গিয়ে উৎফুল্ল কন্ঠে বলে –
“আপনি?আপনি কখন এসেছেন?”

আরহান পকেট থেকে রুমাল বের করে ঈশানির কপালের,নাকের বিন্দু বিন্দু ঘাম মুছে দেয়।তারপর ঈশানির কাঁধের ব্যাগ নিতে নিতে বলে –
“ঘণ্টা খানেক হবে।”

ঈশানি অবাক হয়ে বলে –
“এই রোদে এতক্ষন দাড়িয়ে ছিলেন?আমাকে ডাকতেন আমি বেরিয়ে আসতাম।”

আরহান ঈশানির হাত ধরে গাড়িতে বসায়।তারপর নিজেও বসে।ঈশানি কিছু বলতে নেয়।কিন্তু তার আগেই জড়িয়ে নেয় আরহান ঈশানিকে।ঈশানিকে থমকে যায় হঠাৎ করে জড়িয়ে ধরায়।কিছুক্ষণ মূর্তি হয়ে বসে থেকে।হঠাৎ নিজের ডানহাত গলিয়ে দেয় আরহানের চুলে।মুখে কিছু বলে না।নীরবে চুল বুলাতে থাকে।যেনো নীরব আস্কারা,শান্তনা দিচ্ছে।প্রায় দশমিনিট তারা ওভাবেই ছিলো। আরহান ঈশানির বুকে।আর ঈশানির হাত বুলিয়ে দিচ্ছিলো আরহানের চুল। আরহান উঠে এলো।পানির বোতল নিয়ে ঈশানিকে দিলো।ঈশানি ঢকঢক করে খেলো। সে কিছু বলার আগেই আরহান বলে –
“আজ তোমায় এক জায়গায় নিয়ে যাব।যাবে?”

ঈশানি সম্মোহনী হয়ে বললো –
“আপনি সাথে থাকলে আমি পাতালেও যেতে রাজি।”

আরহান শব্দ করে ঈশানির কপালে চুমু বসায়।তারপর গাড়ি স্টার্ট দেয়।
.
মিথিলা রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০ মিনিট হবে।এই দুপুরের কড়ারোদে এতক্ষন এভাবে দাড়িয়ে থেকে তার মেজাজ সপ্তমকাশে।সিদ্ধান্ত নিলো এখনি চলে যাবে।তখনি কোথা থেকে দৌড়ে আসলো অভ্র। দুপায়ের হাঁটুর উপর ভর দিয়ে হাল্কা উপুর হয়ে হাঁপাতে থাকে।মিথিলার রাগ কমলো কিনা কে জানে।তবে একটু মায়া হলো বোধ হয়।তাই তো ব্যাগ থেকে পানির বোতল বের করে এগিয়ে ধরলো অভ্রের দিকে।অভ্র সেটা নিলো ।ঢকঢক করে পুরোটা শেষ করলো।তারপর ব্যস্ততার সাথে কান ধরে বললো –
“সরি সরি।প্লীজ রাগ করো না।আমি ঠিক সময়েই আসতাম কিন্তু বেরোনোর সময় একটু আটকে গিয়েছিলাম।প্লীজ রাগ করো না, মিথু।”

মিথিলা কেনো যেনো এই ছেলের সাথে রেগে থাকতে পারে না।সে সামনে না থাকলেই তার যত হম্বিতম্বি।অথচ এই লম্বাটে, শ্যামবর্ণের, তীক্ষ্ণ নজরের লোকটা তার সামনে এসে দাঁড়ায় তার সমস্ত রাগ,অভিমান,অভিযোগ কর্পূরের মতন উড়ে যায়।এর কারণ আজো বুঝে উঠে পারেনা মিথিলা। আর যখন আল্লাদ করে মিথু বলে যেনো পেটে একশো প্রজাপ্রতি উড়ে যায়। কার সাধ্য এরপরও রেগে থাকার? কারো না। মিথিলাও পারলো না।কিন্তু সেটা প্রকাশ করলো না। মুখটা ইচ্ছে করে গম্ভীর করে,নাক মুখ কুচকে বলে –
“তুমি প্রতিদিন একই অজুহাত দেও।কি সমস্যা বলোতো ? আমাকে প্রতিদিন অপেক্ষা করিয়ে কি শান্তি পাও।”

অভ্র তাঁকালো মেয়েটার সুশ্রী মুখে।রোদের তাপে ফর্সা মুখটা লালচে হয়ে গেছে।চুলগুলো খানিক এলোমেলো হয়ে আছে। মুখ ঘেমেনেয়ে যাচ্ছে তাই অবস্থা।তবুও যেনো অভ্রকে ভীষন টানলো সেই মুখটা।তার চোখে সবচেয়ে মায়াবী এই মুখটা।মুখে হাল্কা রাগের আভাস।মেয়েটাকে মোহনীয় লাগছে তার কাছে।সে হাতের ছাতা মেলে ধরলো মিথিলার উপর।তারপর কন্ঠে অপরাধবোধ নিয়ে বলে –
“মন খারাপ করছো কেনো? আর হবে না সত্যি। এখন চলোতো।এদিকে কি রোদ দেখেছো।”

বলেই হাতের ইশারায় রিক্সা ডেকে মিথিলাকে উঠিয়ে দিয়ে নিজেও উঠে বসলো। এই গ্রীষ্মের রোদে পুড়ে আসা প্রেমিকের দিকে অপলক চেয়ে রইলো মিথিলা।ঘামে জবজবে পরণের শার্ট।চুলগুলো এলোমেলো।শ্যামবর্ণ মুখটা আরেকটু কালো হয়েছে রোদের তাপে।মিথিলা জানে সে হেঁটে এসেছে এই পথ তাই দেরি।তবুও মিছেমিছে রাগ দেখায় সে।মিথিলা নিজে ওড়নার আচল দিয়ে মুছিয়ে দিলো ছেলেটার মুখশ্রী।মনে করতে লাগলো প্রথম দেখা হওয়ার সে মুহূর্তটা ।রেস্টুরেন্টে কিরকম হাবুল হয়ে বসে ছিলো।যেনো তাকে জোর করে বসানো হয়েছে।মিথিলা সেদিনই প্রেমে পড়েছিল অচেনা,অজানা,ভীতু,লাজুক ছেলেটার। সেই যে পিছলে গেলো আর উঠে আসার রাস্তা খুঁজে পেলো না।
অভ্র চোখের চশমাটা আঙুল দিয়ে উপরে তুলে বললো –
“এভাবে তাকাবে না, মিথু।আমার ভীষন লজ্জা পায়।”
মিথিলা ফিক করে হেসে ফেলে।তারপর অভ্রের মাথার চুলগুলো এলোমেলো করে দিয়ে বলে –
“ওরে আমার লজ্জাবতা।”

অভ্র নাকমুখ কুচকে ফেলে ।চশমার ভেতর ছোটো ছোটো চোখ করে বলে –
“হোয়াট ইজ লজ্জাবতা?লজ্জাবতী শুনেছি।এই লজ্জাবতা আবার কোত্থেকে আসলো?”

মিথিলা খিলখিল করে হাসলো।তারপর বলে উঠলো –
“লজ্জাবতীর মেল ভার্সন লজ্জাবতা।ছেলেরা লজ্জা পেলে তাদের লজ্জাবতা বলে।”

অভ্র শুধু চেয়ে দেখলো প্রেমিকার প্রাণোচ্ছল হাসি। তার চারপাশ যেনো সেখানেই থমকে গেছে।প্রেমিকার হাসির ঝংকার তার পুরুষালি হৃদয় কাঁপিয়ে তুলছে।মিথিলা গা দুলিয়ে হাসছে।অভ্র মিথিলার কোমড় চেপে নিজের দিকে টেনে আনলো।মুখে বললো শুধু –
“এদিকে এসো।পড়ে যাবে তো।”

মিথিলাও চেপে আসলো।উত্তপ্ত দুপুরে কড়া রোদের নিচে একজোড়া প্রেমিক যুগল ছুটে চলছে নিজেদের নিজস্ব সুখের খোঁজে।

~চলবে

{ ভুল – ত্রুটি মার্জনা করবেন।কষ্ট করে একটু রিয়েক্ট কমেন্ট ও ফলো দিয়ে যাবেন প্লীজ।}

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here