গুপ্ত_প্রেমের_সুপ্ত_পিয়াসা” 🖤|২৭| #শার্লিন_হাসান

0
28

#গুপ্ত_প্রেমের_সুপ্ত_পিয়াসা” 🖤|২৭|
#শার্লিন_হাসান

সন্ধ্যায় ফারিশ এসেছে তার মামুর বাসায়। এসেই সবাইকে সালাম দেয়। বিশেষত ইনান শেখ ফারিশকে পেয়ে ভীষণ খুশি হয়। তার চোখে দেখা অন্যতম ভদ্র, সভ্য ছেলে ফারিশ। সেজন্য তিনি তাকে প্রচুর পছন্দ করেন। সবার সাথে লিভিং রুমে ছিলো আদনান,ইলমা তৃপ্তি সহ বাকীরাও।

ঈশিতা সন্ধ্যার নাশতা টেবিলে রাখে। ইনান শেখ ইলমার রেজাল্ট শুনেছে। তবে তেমন প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। ফাইজা রুমে বসে আছে। এখানে আসেনি। সবাই গল্প গুঁজবে মেতে উঠে। তবে আদনানের সেসবে মন নেই। সে আনমনা হয়ে কফিতে চুমুক দিচ্ছে। একটু পরপর ইনান শেখ আর ফারিশকে দেখছে। ফাতিহা নিজের ভাইয়ের ছেলেকে দেখছে। আগের থেকে অনেক পরিবর্তন এসেছে।

ইনান শেখ কথা শেষ করে রুমে যায়। পুনরায় ফিরে আসে। ইলমার তৃপ্তির পাশে বসেছিলো। ইনান শেখ ইলমাকে ডাক দেয়। ইলমা উঠে বাবার সামনে আসে। তখন ইনান শেখ বক্স থেকে একটা গোল্ডের চুড়ি টাইপের ব্রেসলেট বের করে। ইলমার হাতে সেটা গলিয়ে দেয়। মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বলে, “আমার বিশ্বাস ছিলো তুমি ফার্স্ট হবে। সেজন্য আগেই গিফ্ট কিনে রেখেছি।”

বাকীরা মুগ্ধ হয়ে বাবা মেয়েকে দেখছে। তবে আদনান সেদিকে দেখেও দেখছেনা টাইপের মুড নিয়ে বসে আছে। ভাবছে, নিজের সর্বনাশের কথা। দুইবছর আগে ইলমা ষোড়শী কন্যা ছিলো। আদনানের বাচ্চা ইলমাকে জাস্ট চোখের ভালো লেগেছে। হৃদয়ে তেমন স্থান নেয়নি ইলমা। শাড়ি পরিহিত ইলমার ছবিটা লুকিয়ে তুলেছিলো, কারণ সেদিন ইলমাকে আদনানের কাছে ভালো লেগেছে। পিচ্চি একটা মেয়েকে সে শাড়িতে দেখেছে।

ভার্সিটি পড়ুয়া ছেলে, গায়ে হাওয়া লাগিয়ে ঘুরে। আশেপাশে তাকালে শুধু মেয়ে আর মেয়ে। সেখানে প্রেমের ফাঁদে পা দিতে কতক্ষণ? ইলমাকে নিয়ে তখনো সিরিয়াস ছিলো না আদনান। তবে হুট করে জেনো হৃদয়টা দখল করে নিয়েছে মেয়েটা। আদনানের সাথে আবরণের ঝামেলা শুরু হওয়ার পর থেকে দু’জনে জেনো মেয়ে নিয়ে কমপিটিশনে নেমেছে। আবরণের পছন্দ করা মেয়ের সাথে আদনান আগে,আগে ফ্লার্টিং করতো। প্রেম করা, ক্লাবে যাওয়া একটা সময় আদনানের কাছে নরমাল হয়ে গেলো। কিন্তু মেলিচা নামক পবিত্র নারীকে হৃদয়ে স্থান দিয়ে সব জেনো এলোমেলো হয়ে যায়। আদনান নিজেই নিজেকে অগোছালো ভাবে আবিষ্কার করলো। ভালো লাগা,প্রেমে পড়া এগুলো খুবই ক্ষণস্থায়ী ব্যপার। একটা মানুষ অনেকের প্রেমে পড়ে, কিন্তু মায়ায় পড়ে না। প্রেমে পড়া আর মায়ায় পড়া দুটো ব্যপার সম্পূর্ণ আলাদা। আদনানের কাছে ইলমাকে ভালো লেগেছিল, সেটা পাত্ত দেয়নি সে। তবে স্বল্প সময়ের সাথে প্রেম জিনিসটা তার হৃদয়ে স্থান নিলো। প্রেম তো ক্ষণস্থায়ী ব্যপার। সেটাকেও তাড়িয়ে দিলো তাচ্ছিল্যতার সাথে কিন্তু ধীরে,ধীরে সেই মানুষটাকে নিয়ে গভীর ভাবনায় তলানো,চোখের সামনে দেখতে দেখতে একটা সময় মায়ায় পড়ে যায়। ইলমাকে নিয়ে একটু ভাবলেই তো কত কিছু মাথায় আসে। সিম্পল, ইলমার প্রতি ফাইজার করা রুড বিহেভিয়ার। সেই ছোট থেকে যেটা সবারই কম বেশি দেখা। ইলমাকে বিয়ে দিলো সেখানে যদি ফ্যামিলিটা ভালো না হয়। ইলমা কখনো মায়ের ভালোবাসা পায়নি, নিশ্চয়ই তার একটা এক্সপেকটেশন থাকবে, শাশুড়ী মায়ের মতো করবে। কিন্তু সেটাও যদি না হয়! আদনানের কাছে তার আম্মু বেস্ট। ইলমার জন্য মায়া,টান,আদর দেখতে পায়। সেই হিসাবে জেঠিমা থেকে শাশুড়ী মা হলে খারাপ কী? ইলমা এই বাড়িতে থেকে গেলে কোনদিক দিয়েই খারাপ হয়না। এরকম হাজারো চিন্তা করেছে আদনান।

ইলমা চুড়িটা হাতে গলিয়ে দেখছে। বেশ সুন্দর। ছোট,ছোট বাটারফ্লাইও আছে চুড়ির উপরে। ইলমা তার বাবাকে ধন্যবাদ জানায়। তখন আদনান সোফা থেকে উঠে,তাদের বাবা মেয়েকে পাশ কাটিয়ে রুমে যায়। বাকীরা আদনানের যাওয়া দেখে। তবে কেউই কিছু বলেনা। ইলমা সোফায় বোসে আদনানের রুমের দিকে তাকায়। ইনান শেখ ফারিশের সাথে কথা বলায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন। আগামী পরিকল্পনা, বিয়ে-শাদির অনেক ব্যপারই তোলা হয় সেখানে। ইলমা,তৃপ্তিকে পাঠানো হয় পড়ার টেবিলে।

ফাতিহা তখন ইনান শেখকে জিজ্ঞেস করে, “ইনান, ইলমার বিয়ে-শাদি নিয়ে পরিকল্পনা কী?”

বোনের কথায় ইনান শেখ জবাব দেয়, “পড়তে থাকুক। সঠিক সময় হলে নিশ্চয়ই বিয়ে দেব।”

“শোন, এখন মেয়েদের জন্য ভালো,ভালে সম্মন্ধে আসবে। বিয়ে না দেও, এনগেজমেন্ট করে রাখতে পারো।”

“ইলমা আগে ভার্সিটি যাক। পরিস্থিতি বুঝি এরপর নাহয় এসব নিয়ে ভাববো।”

তখন তারেক মাহমুদ রসিকতা করে বলেন, “একমাত্র মেয়ে নিশ্চয়ই দূরে কোথাও দেওয়ার ইচ্ছে নেই। পরিবারেই রেখে দিলে কেমন হয়?”

তারেক মাহমুদের কথায় ফাতিহা সুর মিলিয়ে বলে, “হ্যাঁ। আইডিয়াটা খারাপ না। তবে ইনানের ইচ্ছে।”

ভাই-বোনের কথায় ইনান শেখ মৃদু হাসে। ফারিশ তাদের কথা শ্রবণ করে মৃদু হাসে। ফরিদা পারভীন বলেন, “এখন তো বিয়ের সিরিয়াল ফারিশের। এরপর আদনানের। তৃপ্তি, ইলমা, ইজাজ তো অনেক দেরিতে।”

মায়ের কথায় তারেক মাহমুদ বলেন, “আম্মা, ফারিশের জন্য মেয়ে দেখো ভালো করে। আগে ভাগিনার বিয়ে দেখব। আদনানের বিয়ে দেরি আছে। গ্রেজুয়েশন কমপ্লিট করবে, মাস্টার্স করবে। এরপর চাকরি নিবে। দুই তিন বছর গেলে বিয়ের চিন্তা ভাবনা। হিসেব করে দেখলাম আদনানের বিয়ের আরো পাঁচ বছর বাকী আছে।”

ফাতিহা বলে, “তৃপ্তির বিয়ে শাদি নিয়ে কী পরিকল্পনা?”

“আদনানের পর তৃপ্তির বিয়ে দেব।”

“তাহলে তো অনেক দেরি।”

“হুম।”

সেদিনের মতো কেউ আর কোন রকম ঝামেলা করেনি। বলা যায় ঈশিতা কাজের কথা তোলেনি। মেহমানের সামনে এসব বলাও লজ্জার। বলবে, অতিথি আসায় একটু কাজ বেশি করা লাগছে সেজন্য এরকম করছে। এমনিতে ফারিশ সহজে আসেনা এই বাসায়। ফাতিহাও আসতো আগে তবে ফারিশের চাকরি হওয়ার পর থেকে আসা বন্ধ প্রায়।

সবাই রাতের খাবার খেতে বোসে। তারেক মাহমুদ, ইনান শেখ,ইজাজ,ফারিশ,আদনান, ফাতিহা আগে বসেছে। ইলমা,ঈশিতা খাবার সার্ভ করছে। আজকে ইনান শেখ আর আদনান পাশাপাশি চেয়ারে বসেছে। ব্যপারটা অষ্টম আশ্চর্যের মতো। ইলমা তার বাবার কাছে আসে চিংড়ী নিয়ে। ইনান শেখকে চিংড়ী দিয়ে আদনানের দিকে বাড়িয়ে দেয়। সাথে সাথে আদনান না করে দেয়। মূহুর্তে ইলমা মুখটা কালো করে ফেলে। তখন ফারিশ ইলমাকে বলে, “এদিকে দাও।”

আদনান বিরক্ত হয়ে ইলমার দিকে তাকায়। ইলমা যাওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ হলে আদনান কেশে উঠে। ইলমা চিংড়ীর বাটি রেখে পানির গ্লাস এগিয়ে দেয় আদনানকে। তখন ফাতিহা চিংড়ীর বাটি নিয়ে ফারিশকে দেয়। সোফায় তৃপ্তির পাশে গিয়ে বোসে ইলমা। ইনান শেখ আদনানের দিকে একনজর তাকায়। সে খাবার খাওয়ায় ব্যস্ত। পরক্ষণে আবার ইলমার দিকেও তাকায়।

ছেলেদের খাওয়া হতে মেয়েরা সব বসে খেতে। তারেক মাহমুদ এবং ফাতিহা বসে,বসে রুম ঠিক করছে। আজকে কে কোথায় ঘুমাবে। ফাতিহা ঠিক করে, সে এবং ফরিদা পারভীন এক রুমে ঘুমাবে। ইলমা, তৃপ্তির রুমে ঘুমাবে। আর ইলমার রুমে ফারিশ ঘুমাবে। এরকম সিদ্ধান্ত শোনে আদনানের চোখ কপালে উঠার মতো ব্যপার। এই টেপলা ফারিশ কেন ইলমার রুমে ঘুমাবে? ইজাজের রুমে কী ঠা’ডা পড়েছে? নাকী তার রুমে ঠা’ডা পড়েছে? আদনান কিছুতেই মেনে নিতে পারছেনা ব্যপারটা। সেজন্য তার বাবাকে বলে, “ইজাজ আমার রুমে চলে আসুক। ফারিশ ভাইকে ইজাজের রুমে দিয়ে দাও।”

“আরেহ্ আদনানের আইডিয়াটা তো ভালো। ফাতিহা এতোক্ষণ কী ঠিক করলে? উল্টাপাল্টা সব। ইজাজ বাবা, আদনান ভাইয়ার কাছে চলে যেও। তৃপ্তি মা, ইজাজের রুমটা গুছিয়ে দিও।”

কাজের কথা শোনে তৃপ্তি বিরক্ত হয়। আজকে সে কতগুলো কাজ করলো। আবারো কাের আদেশ। ইলমার দিকে তাকিয়ে বলে, “ইলমা প্লিজ রুমটা গুছিয়ে দিস। আমার আর ভালো লাগছে না কাজ করতে।”

তখন ঈশিতা খাবার টেবিলে তৃপ্তিকে চোখ রাঙিয়ে জোরেই বলে, “জমিদারের বেটি তো। কার বাতাস গায়ে লেগেছে শুনি? তোমাকে কী জমিদার ঘর দেখে বিয়ে দিবো নাকী? না,তোমার বাবা চার পাঁচটা কাজের লোক পাঠাবে সাথে? একদম অলসতা করবে তে থাপ্রিয়ে সোজা করে দেব। কাজ করতে আক্কেল লাগে। অনেকের বয়স হয় তবে আক্কেলের অভাব থাকে।”

কথাগুলো তৃপ্তিকে বললেও, আসলপ তো ফাইজাকে উদ্দেশ্য করে বলেছে। ইলমা বুঝেছে ঈশিতার মেজাজ গরম। অবশ্য হওয়ারই কথা। সারাটা দিন রান্নাবান্না নিয়ে খেটেছে। বর্তমানে সদস্য সংখ্যা এগারো জন। গ্যাস আর ইলেকট্রনিক চুলার রান্না তাও কত আইটেম। ফাইজা তো বড় মেহমান। কাজ কর্মের ধারে কাছেও আসেনা। ইলমা,তৃপ্তি যতটুকু সম্ভব হেল্প করেছে।
ঈশিতার কথায় তৃপ্তি আর জবাব দেয়না। ইলমা বলে, “এমন করছো কেন? আমি রুম গুছিয়ে দেব সমস্যা নেই। আজকে এমনিতে অনেক কাজ করেছে তৃপ্তি। খেতে বসেছে বকাঝকা না করলে হয়না।”

ইলমার কথায় আদনান ভ্রু কুঁচকে তাকায়। বিড়বিড় করে বলে, “আসছে আমার কাজেরঝি। দুইদিন পর দেখব কাজ দুটো করে দক্ষিণ দিকে মাথা রেখে চিৎ হয়ে আছে।”

তৃপ্তি প্লেট গোছায়। ইলমা ইজাজের রুমে চলে যায়। আদনান ইজাজকে সাথে নিয়ে নিজের রুমে চলে আসে।

এসেই খাটের উপর বোসে আদনান। ইজাজ চিৎ হয়ে শুয়ে পড়ে। আদনান ইজাজকে দেখে বলে, “কিরে বিয়ে করবি?”

“আরে ভাইয়া এসব কী বলছ?”

“আরেহ লজ্জা পাচ্ছিস নাকী?”

“মেয়েমানুষ দেখলে আমার লজ্জা করে। লজ্জায় তাকাই না।”

ইজাজের কথায় আদনান হো হো করে হেঁসে উঠে। গাল টেনে বলে, “তুই তো দেখি মেয়েদের মতো লজ্জাবতী।”

“যাও।”

আদনান হাসি থামিয়ে বলে, “ছেলে মানুষ বেশি লজ্জা রাখতে নেই। বেশি লজ্জা রাখলে তাড়াতাড়ি বাবা হওয়া যায়না।”

আদনানের কথা শেষ হতে দরজার দিকে নজর যায় দু’জনের। ইলমাকে দাঁড়ানো দেখে আদনান তওবা পড়ে। ইজাজ চোখ কচলে তাকায়। ইলমা এসেছে ইজাজের ঔষধ নিয়ে। ইনান শেখের আদেশ ছিলো, ইজাজের রাতের ঔষধ দিয়ে আসার জন্য। এসেই এরকম কথাবার্তা শোনে ইলমার চক্ষু চড়কগাছ। আদনান কত বড় ঠোঁটকাটা! তার ভোলা ভালা ভাইটাকে কিসব শিখাচ্ছে। আদনান, ইজাজ দু’জনে শোয়া থেকে উঠে বসে। ইলমা ঔষধের পাতা আর পানির গ্লাস নিয়ে এগিয়ে আসে। সপগুলো টেবিলের উপর রেখে, ইলমা ইজাজের কানে ধরে তেজী স্বরে বলে, “এসব কী শিখছ তুমি?”

ইজাজ কান ছাড়িয় আদনানের দিকে তাকিয়ে বলে, “ভাইয়া এসব শিখাচ্ছে।”

আদনান আমতাআমতা করে বলে, “তুই তো আমাকে বলেছিস, একটা মেয়েকে তোর পছন্দ। প্রপোজ করতে চাস। সেজন্য না আমি এটা বললাম।”

ইলমা ইজাজের দিকে রাগী দৃষ্টিতে তাকায়। ইজাজ হতভম্ব হয়ে যায় আদনানের কথায়। কতবড় পল্টিবাজ! ইলমা ইজাজকে শাসিয়ে বলে, “এক্ষুনি বাবাকে বলছি।”

বাবার কথা বলায় আদনান বিরক্ত হয়। রুক্ষ গলায় বলে, “সব ব্যপারে বাবা ডাকা লাগে নাকী? এক কাজ করিস, জামাইয়ের থেকে চুমু খেতে গেলেও বাবার পারমিশন নিস।”

” ছিঃ! মুখ সামলে কথা বলো নাহলে স্ক্যচটেপ লাগিয়ে দেব।”

“ইজাজ তোর বোন এটা এরকম কেন? কথার আগে হুমকি দেয় কেন? এটার থেকে দূরে থাকবি নাহলে দেখবি নিজেও এটার মতো হয়ে গেছিস।”

“বাবা…
গলার আওয়াজ চওড়া করে ডাকে ইলমা। আদনান ধমকে বলে, “আমার নামে উল্টাপাল্টা বলবি তো আগামী কাল সকালে তোর বাপের কোর্টে যাওয়া বন্ধ।”

“উল্টাপাল্টা থ্রেট দিলে খবর আছে।”

কথাটা বলে ইলমা বেরিয়ে আসে। এমনিতে ঝগড়া করতে,করতে দেরি হয়ে গেছে তার। না জানি কে কী ভেবে বসবে।

ইলমা আসতে ইনান শেখ জিজ্ঞেস করে, “এতো দেরি হলো কেন?”

“ইজাজ ঔষধ খেতে চায়নি। এতো বড় ট্যাবলেট নাকী ওর গলা দিয়ে নামবে না।”

“ছেলেটা বড় ফাঁকিবাজ। ঔষধ নিয়ে ওর যত সমস্যা।”

ইলমা মাথা নাড়িয়ে চলে আসে। রুমে এসে লম্বা শ্বাস নেয়। এবারের মতো বেঁচে গেছে। এই আদনান টা আর ভালো হবে না। এতো ঝগড়ুটে আর কিসব বলে দেয়! ওর যা ট্যালেন্ট। যার তার মান সন্মান নিয়ে ফুটবল খেলতে পারবে। মুখের ভাষা যেমন আসতাগফিরুল্লাহ মার্কা তেমনি একনাম্বারের ঠোঁট কাটা।

#চলবে

যারা আদনান -ইলমাকে মিস করবেন তারা চাইলে “বুকপকেটের মায়াবিনী” বইটা কিনতে পারেন। যখন খুশি তখন বইটায় আদনান-ইলমাকে পড়তে পারবেন। তারা সবসময় আপনার সাথেই থাকবে। ৩৫% ছাড়ে ২৪০৳ টাকায় বইটা অর্ডার করতে ম্যাসেজ
https://www.facebook.com/boiprangon1

ছবিয়াল: নাফিসা কামাল আপু ❤️

দ্রঃ আপনাদের ইভটিজার ভাই, আদনান বইয়ের পাতায় আসবে। সবাই রেডি হোন তাকে ঘরে তোলার জন্য।❤️

আমার গ্রুপ লিংক,
https://m.facebook.com/groups/582123563029858/?ref=share&mibextid=NSMWBT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here