#আকাশ_জুড়ে_একা_আমি
#লামিয়া_ইসলাম
#পর্ব_৩১
(শব্দসংখ্যা ১৫৫০+)
“আপনি আমাকে কোন প্রমাণ ছাড়াই অ্যারেস্ট করেছেন?”
বেশ ক্ষোভ নিয়ে সিনথিয়া জামান কথাটা বলল। এবার সাদাত নিজের পকেট থেকে ফোন বের করে রিফাতের কাছ থেকে পাওয়া ভিডিওটা অন করে বলল,
” উত্তরায় যে খুনটা হয়েছে এই হচ্ছে সেটার ফুটেজ। অ্যান্ড আমাদের আইটি টিম অলরেডি চেক করেছে, ভিডিওটা একদম অরজিনাল। তো ডাক্তার সিনথিয়া এবার আপনি কি বলবেন? ”
” হ্যাঁ আমি খুন করেছি। এখন আমাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিন। ”
” আহা মিস সিনথিয়া এত তাড়াতাড়ি ফাঁসিতে ঝুললে হবে? আপনার আরেকজন সহযোগীর নাম তো বলবেন? ”
” কে আমার সহযোগী? আমি একাই খুনগুলো করেছি। ”
” ডা. সিনথিয়া আমরা পুলিশের লোক। আপনার কি মনে হয় যে আপনি আমাদের থেকে অতিরিক্ত চালাক। আপনার মত সাধারন একজন ডাক্তারের পক্ষে এতগুলো লোকের ইনফরমেশন বের করা পসিবল না। কেউ তো আছে যে আপনাকে সাহায্য করেছে। নামটা বলে দিন? ”
” কেউ আমাকে সাহায্য করেনি। সবগুলো খুনের সাথে শুধু আমি জড়িত ছিলাম। ”
সাদাত বুঝতে পারলো যে এর মুখ থেকে কথা বের করা যাবে না। তাইতো সে আরশাদকে ফোন করে সবকিছু জানালো।
————-
লাস্ট কয়েক দিনের মধ্যে আজই প্রথম যেদিন ফরাজী পরিবারের সদস্যরা মনে একটু শান্তি নিয়ে খেতে বসলো। বাড়ির ডাইনিং টেবিলে মোটামুটি ফরাজী পরিবারের সবাই উপস্থিত রয়েছে। ইরিনা মিতা ফরাজীকে খাবারগুলো টেবিলে আনতে সাহায্য করছে। মেঘলা আরশাদের পাশে বসে তার স্যুপটা নাড়িয়ে ঠান্ডা করছে। আদনান ফরাজী টেবিলে বসেই বললেন,
” আরশাদ, রিফাতের মুখ থেকে ওরা কিছু বের করতে পেরেছে? ”
আরশাদ লাস্ট দুই দিনে ঘটে যাওয়া সব ঘটনা একে একে সবাইকে খুলে বললো। আদনান ফরাজী বিস্ময়ের সাথে জিজ্ঞেস করল,
” কিহ?যে ডাক্তার পোস্টমর্টেম করেছে সেই খুনগুলো করেছে? ”
” হ্যাঁ বাবা। তবে সমস্যা হচ্ছে উনি ওনার খুনের মোটিভ বলছে না। ”
মেঘলা এবার আরশাদের মুখে স্যুপ তুলে দিতে দিতে বলল,
” হয়তো উনি সাইকোপ্যাথ। তার জন্যই এভাবে খুনগুলো করেছে। ”
” সাইকোপ্যাথরা নির্দিষ্ট কোন টার্গেট করে না। কিন্তু উনি যাদের খুন করেছে তারা সবাই একসময় একসাথে জব করতো। আর খুন শেষে ওনার রেখে যাওয়া চিরকুটগুলো দেখেও বুঝা যাচ্ছে যে উনি হয়তো প্রতিশোধ নিতে খুনগুলো করেছে। উনার সাথে অন্য কেউ ও হয়তো জড়িত ছিল। ”
আদনান ফরাজী এবার আরশাদকে জিজ্ঞেস করল,
” যেহেতু এখন উনি মুখ খুলছে না তাহলে পুলিশ এখন কি করবে? ”
” উনি খুনের মোটিভ না বললে, ওনাকে কোর্টে পেশ করেও কোন লাভ নেই। তাই এখন পুলিশ খোঁজার চেষ্টা করছে যে ওনার সাথে আর কে জড়িত ছিল। ”
” কি একটা অবস্থা খুন করেছে এখন কি কারণে খুন করেছে সেটাও বলবে না। ওহ তোমাদের সাথে আমার একটা বিষয় নিয়ে আলোচনা করা দরকার ছিলো। ”
আদনান ফরাজীর কথা শুনে সবাই খাওয়া বন্ধ করে তার দিকে তাকালো,
“দেখো লাস্ট কয়েকদিন আমাদের সবার উপরেই বেশ ভালো প্রেসার গিয়েছে। আর এখন যেহেতু সবাই বাড়িতেই আছে তাহলে আমরা সবাই না হয় কয়েকদিন আমাদের গাজীপুরের ফার্মহাউসে গিয়ে সময় কাটিয়ে আসি।”
মিতা ফরাজী আদনান সাহেবের কথায় বাধা দিয়ে বললেন,
“কিন্তু আরশাদ তো এখনো সুস্থ হয়নি।”
“আহা আদিব তো সাথে যাচ্ছেই। আর ডাক্তার এভাবেও আরশাদকে একটু হাওয়া পরিবর্তন করতে বলেছে। ওখানে গিয়ে ও তো রেস্ট করতে পারবে। সবচেয়ে বড় কথা ঢাকায় থাকলে ও যেকোনো সময় আসামি ধরতে দৌড় দিতে পারে।”
আদনান ফরাজীর কথা শুনে আরশাদ গোমড়া মুখ করে তার বাবার দিকে তাকালো।
“আমার দিকে ওভাবে তাকিয়ে লাভ নেই। সবাই আমরা কাল সকালে রওনা হচ্ছি এটাই ফাইনাল। পিকু মিকুর স্কুল বন্ধ। আর আদিব ইরিনার ও ছুটি চলছে। মেঘলা তোমার কয়েকদিন অফ দিলে কি বেশি সমস্যা হবে?”
“না, না কোনো সমস্যা নেই। ম্যানেজার আছে আর বাকি স্টাফরা ও আছে। সবকিছু ওরাই সামলে নেবে।”
মেঘলার কথা শেষ হতেই মনোয়ারা বেগম রুটি চিবুতে চিবুতে বললেন,
“গাজীপুর গেলে ভালোই হবে,এই শহরের আশেপাশের এতো শব্দ শুনলে আমার বুক ধড়পড়
করে। কয়দিন এই শব্দ থেকে মুক্তি পাবো।”
খাওয়া শেষে সবাই যার যার ব্যাগ প্যাকিং করতে চলে গেলো। গাজীপুর যাওয়ার জন্য সবচেয়ে বেশি এক্সসাইটেড হয়ে আছে পিকু আর মিকু। পিকু নিজের কাপড় গুলো ব্যাগে ভরতে ভরতে মিকুকে বললো,
“এই রাসেল ভাইকে ওই জিনিসগুলোর লিস্ট দিয়েছিস?”
“হ্যা, রাসেল ভাই বলেছে ঐগুলো ডিরেক্ট আমাদের গাজীপুর থেকে কিনে দিবে।”
“সেটাই ভালো। এখান থেকে নিয়ে গেলে বাড়ির বড়োরা কেউ দেখলে সমস্যা হতে পারে।”
“হ্যা, জিনিসগুলো একটু ডেঞ্জারাস তো। তবে ওই ফাজিল হেনা খাতুন আর তার মেয়েটার জন্য এমন জিনিসই দরকার। এমনভাবে দুই মা মেয়েকে নাচাবো যে দুইটা গাজীপুর থেকেই বিদায় হবে।”
“সেটাই ভালো হবে। নইলে এই মা মেয়ে আরশাদ ভাইকে শান্তিতে সংসার করতে দেবে না।”
————
ওষুধ নিয়ে মেঘলা তার দাদি শাশুড়ির রুমে ঢুকে দেখতে পেল টেবিলের ওপর ভেষজ তেল রাখা। সে খুব সতর্কতার সাথে মনোয়ারা বেগমকে জিজ্ঞেস করল,
” দাদি এই তেলটা কি আপনি ব্যথার জন্য ব্যবহার করেন? ”
” হ্যা রে নাতবউ। কত ডাক্তার দেখাইলাম কিন্তু কোনো কাজ হইলো না। শেষমেশ হেনা যেনো কথা আনলো এইটা। এখন একটু রুহে শান্তি পায়। ”
“ওহ, হেনা ফুপু কি এসব ভেষজ উপাদান সম্পর্কে জানে নাকি? ”
” হ্যাঁ। ওর যে স্বামী ছিল ওই লোক তো ছিল কবিরাজ পরিবারের। ওইখান থেকেই ও এসব জানে। ”
মেঘলা এতক্ষন শুধু হেনা খাতুন কে সন্দেহ করছিল। এখন সে বুঝতে পারলো চট্টগ্রামের সেদিনের রাতের ঘটনাটা আসলে হেনা বেগম ঘটিয়েছে । কারণ শর্বরী পাতার ধোঁয়ায় যে মানুষ অচেতন হয়ে পড়ে সেটা শুধুমাত্র গাছপালা নিয়ে অভিজ্ঞ মানুষের পক্ষেই জানা সম্ভব। মেঘলা বোটানি নিয়ে পড়েছিল তাই সে সেদিন খুব সহজেই গন্ধটার উৎস বুঝতে পেরেছে। হেনা খাতুন এর স্বামী কবিরাজ পরিবারের ছিলো যারা মূলত ভেষজ ঔষধ বানায়। তাই হেনা বেগম ও যে গাছপালা সম্পর্কে ভালো জানে তাঁতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু এই বাড়িতে এসে প্রথম দিনই সে যদি হেনা খাতুনের নামে এভাবে অভিযোগ করে তাহলে স্বাভাবিক কেউ বিশ্বাসই করবে না। হেনা খাতুন এখন তার সংসার ভাঙার চেষ্টা করছে। সে চাচ্ছে কেয়াকে তার জায়গায় আনতে। তার জন্যই তো সেদিন হসপিটালেও সে কেয়াকে আরশাদের সেবা করার জন্য রেখে আসতে চাচ্ছিলো। এই মহিলা গাজীপুর গিয়েও কোনো না কোনো ঝামেলা পাকাবে তাঁতে কোনো সন্দেহ নেই । তাই একে এখন চোখে চোখে রাখতে হবে। সুযোগ পেলেই হাতেনাতে মা মেয়ে দুইজনের আসল চেহারা সে সবার সামনে নিয়ে আসবে।
—————–
অনন্যা আর সাদাত পুলিশ স্টেশনে বসেই সিনথিয়া জামানের কেস ফাইল স্টাডি করছে। অনেকক্ষণ যাবত ও কিছু খুঁজে না পেয়ে অনন্যা কিছুটা হতাশ হতে বললো,
“এটা কেস না অন্যকিছু? একটা কেসের মধ্যে যে কত কান্ড ঘটলো। এমনকি আমাদের সিনিয়র গুলি ও খেলো। এখন যাই হোক ফাইনালি খুনি বের হয়েছে। কিন্তু সে কি কারণে খুন করেছে তা আমাদের খুঁজে বের করা লাগবে।”
হুট্ করে সাদাতের কিছু মনে পড়তেই সে তড়িঘড়ি করে ল্যাপটপ ওপেন করলো।ল্যাপটপে কিছু সার্চ করে বেশ উৎসাহের সাথে বললো,
“অনন্যা যেকোনো মানুষের ডিটেইলস পাওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায় কি?”
অনন্যা সাদাতের কথা শুনে তার দিকে বোকার মত তাকিয়ে থাকলো। অনন্যার উত্তরের অপেক্ষা না করে সাদাত নিজে থেকেই বললো,
“সিম কোম্পানি। কারণ সাধারণ মানুষ নরমালি নিজের পার্সোনাল ইনফরমেশন দিয়েই সিম ওঠায়। সিম কোম্পানির ইনফরমেশন মানেই হচ্ছে এনআইডি। যেখানে একটা মানুষের ফিঙ্গার প্রিন্ট পর্যন্ত থাকে।”
“স্যার আপনি বলতে চাচ্ছেন যে কোনো সিম কোম্পানির স্টাফের সাহায্যে উনি ইনফরমেশন যোগাড় করেছে?”
“ইনফরমেশন দাতা সিম কোম্পানির মালিক হওয়ারই চান্স বেশি। কারণ প্রাইভেসির কারণে প্রায় প্ৰত্যেকটা সিম কোম্পানির ডেটাবেজের একসেস শুধুমাত্র মালিকের কাছেই থাকে। আরো একটা ব্যাপার আছে ডা সিনথিয়া যেহেতু মেয়ে তাই ওনাকে যে ইনফরমেশন দিয়েছে সে ও হয়তো মেয়ে হবে।”
” স্যার যেহেতু বাংলাদেশে গোটা কয়েক সিম কোম্পানি আছে তাহলে আমরা যদি এদের নিয়ে একটু ঠিকঠাক ভাবে রিসার্চ করি তাহলে হয়তো খুব সহজেই আমরা এর সহযোগীকে খুঁজে পাবো। ”
“হ্যা, ইমিডিয়েটলি আইটি টিম নিয়ে এসে কাজ শুরু করে দেও। আমি আরশাদ স্যারের কাছ থেকে পারমিশন নেয়ার ব্যবস্থা করছি।”
“জী স্যার।”
—————-
লাজু বেগম যখন বৃদ্ধাশ্রমে পৌছালো তখন বাজে সকাল ৬ টা। সব ফর্মালিটি শেষ করে নাবিল তার মায়ের কাছে গিয়ে বললো,
“আমি কথা বলে নিয়েছি। এখানে থাকতে তোমার কোনো কষ্ট হবে না। সবাই এখানে তোমার বয়সী মানুষ।”
“কিন্তু বাবা, আমি তো তোর কাছে থাকতে চাই। নিজের বউয়ের কথায় আমাকে এখানে রেখে যাবি? আমি তোকে এই শিক্ষা দিয়েছি?”
“মা তুমিই তো আমাকে এই শিক্ষা দিয়েছো। যখন আমি বিসিএস ক্যাডার হলাম তুমিই তো বলেছিলে মেঘালর প্রতি এতো কৃতজ্ঞতা দেখানোর দরকার নেই। তানিয়াকে বিয়ে করলে আমার লাভ বেশি হবে
এই আইডিয়া তো তুমিই আমাকে শিখিয়েছিলে। এখন যা সিচুয়েশন তোমাকে রেখে তো আমার কোনো লাভ নেই। তাই তোমাকে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে যাচ্ছি।”
“আমি জানি আমি একটা ভুল করেছি। তাই বলে সেই ভুলের শাস্তি তুই আমাকে এভাবে দিবি। ”
“মা তুমি তো তোমার কর্মফল ভোগ করছো। তোমার কি মনে হয় আমি ভালো আছি? তানিয়া কেমন মেয়ে তা আমি খুব ভালো করেই বুঝে গিয়েছি। ওর বাবা মায়ের কাছ থেকে পাওয়া অর্থের বিনিময়ে আমাকে সারাজীবন ওর গোলামী করে কাটাতে হবে। আর আমার এই অবস্থার জন্য তুমি দায়ী। দেখো না যে মেঘলাকে আমরা মা ছেলে মিলে অপমান করেছিলাম সে রানীর মত সুখে আছে। ওর শশুর এই শহরের সবচেয়ে ধনী ব্যাক্তিদের মধ্যে একজন। আর ওর স্বামী আমার থেকে কয়েকগুন বেশি যোগ্যতাসম্পন্ন। সবই কর্মফল মা।
নাবিল আর কোনো কথা না বলে নিঃশব্দে বৃদ্ধাশ্রম থেকে বের হয়ে গেলো। লাজু বেগম তার জীর্ণশীর্ণ শরীর নিয়ে ঝাপসা চোখে অসহায়ভাবে নাবিলের চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়ে রইলেন। বৃদ্ধাশ্রমের মেইন গেটটা ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যেতেই, তাঁর বুকের ভেতর থাকা শেষ আশাটুকুও যেন নিঃশব্দে ভেঙে পড়লো।
————–
নাবিল অফিসে পৌঁছাতেই তার সামনে নতুন ঝামেলা এসে উপস্থিত হলো। ডিপার্টমেন্ট হেড নাবিলকে ডেকে নিয়ে বললেন,
“নাবিল সাহেব দুইদিন আগে আপনি যে প্রজেক্টের কাজ শেষ করেছেন সেখানে আজ একটা দুর্ঘটনা ঘটেছে। ”
নাবিল অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো,
“কি হয়েছে স্যার?”
“বিল্ডিং এর ৫ম তলার দেয়াল একটা ভেঙে নিচে পড়েছে। ৪ জন স্কুল শিক্ষার্থী স্পট ডেড, আর ৬ জন মারাত্মক ভাবে আহত হয়েছে।”
নাবিল চিন্তিত স্বরে বললো,
“স্যার আমি শুধু প্রজেক্টের হেড হিসাবে ছিলাম। হয়তো ঠিকাদার কাজে কোনো গাফলতি করেছে তাই এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে। এখানে তো আমার কোনো দোষ নেই। ”
“ঠিকাদার তো আপনিই ঠিক করেছিলেন। তাই এখানে সম্পূর্ণ দায়ভার আপনার। ১০ সদস্যসের তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। যতদিন না আপনি নির্দোষ প্রমাণিত হবেন ততোদিন পর্যন্ত আপনাকে সাসপেন্ড করা হলো।”
সবকিছু শুনে নাবিল যেনো চোখে সর্ষেফুল দেখলো। এবার সে কি করবে? এভাবে হুট্ করে চাকরিটা চলে গেলে সে সমাজে মুখ কিভাবে দেখাবে। এই চাকরির জোরেই তো সে তানিয়াকে বিয়ে করেছিলো।মাথাভরা একরাশ চিন্তা নিয়ে নাবিল ফুটপাথের রাস্তা ধরে ধীরপায়ে হাঁটতে লাগলো।
চলবে……
কেমন লাগছে গল্প? রাতে আরেক পর্ব পেতে চাইলে টুস করে লাভ রিয়েক্ট দিন আর পেইজের রিভিউ অপশন গল্পটির রিভিউ দিয়ে যাবেন। রিভিউ একদম আপনার মনের মত করে লিখবেন। যদি আমার লেখার কোনো অংশ আপনাদের পছন্দ না হয় সেটাও উল্লেখ করবেন ❤️

