#বোকামন
#পর্ব_৪০
#Tahsin_Atoshi
সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠেই রান্না ঘরে হাজির হয় অর্নি ও তুলি। তাদের দেখে কিছুটা অবাক হয় নীলা বেগম। বিস্ময়ের স্বরে বলে,
-তোমরা দু’জন সকাল সকাল এখানে কি করছো?
হাসে দু’জন। তুলি বলে,
– আন্…আই মিন মা বিয়ে হয়ে এ বাড়ি এসেছি। তো ঘুমিয়ে থাকবো নাকি?
হাসে নীলা বেগম। দুই মেয়ের গালে হাত দিয়ে একটু ভালোবাসার পরশ একে দেয়। এরপর বলে,
-তার জন্য আমি আছি তো। তোমাদের দায়িত্ব পরে নিবে ক্ষণ। এখন যাও ঘরে যাও।
অর্নি ঠোঁট উল্টায়। এরপর একটু ভাবুক হয়ে বলে,
-মা তো বলে দিয়েছে শাশুড়ীর সব কাজে সাহায্য করতে।
– সে দায়িত্ব দু’দিন পরে নিও। নতুন বউ হয়ে এসেছ। কিছুদিন যাক।
কথা বাড়ায় না দু’জন। ধীর পায়ে ঘরের দিকে এগিয়ে যায়। তুলি ঘরে আসতেই দেখে অমিত ফ্রেশ হয়ে বাইরে বের হয়েছে৷ খালি গায়ে দেখে একটু লজ্জাও পায় সে। তাই মাথা নিচু করে আবারও ঘর থেকে বের হতে যাবে সেই মুহূর্তেই অমিত আটকে দেয়। দেয়ালের সাথে মিশিয়ে এক হাত দিয়ে আটকে কৌতুহল নিয়ে জিজ্ঞেস করে,
-কোথায় যাচ্ছিলে?
একটু ভরকায় তুলি। মাথা নিচু করে বলে,
-হু..হুমুর কাছে।
-কেন?
-আ্ আপ মানে ত্ তুমি..
-হুম আমি…?
চুপ থাকে তুলি। ঠিক কি বলা উচিত বুঝতে পারছে না৷ চোখ বন্ধ করেই রাখে সে। হঠাৎ নিজের গালে ঠান্ডা স্পর্শ পেতেই একটু কেঁপে ওঠে। কিন্তু চোখ খোলার সাহস করে না। তা দেখে হাসে অমিত। কোমড় জড়িয়ে কাছে টেনে বলে,
-আপনার বিয়ে করা হাসবেন্ড আমি ম্যাম। তাহলে এতো লজ্জার কি আছে? গত…
কথা শেষ করার আগেই তুলি মুখ চেপে ধরে। হাসে অমিত। মুখ থেকে হাতটা সরিয়ে নাকের সাথে নাক ঘষে বলে,
-মেয়ে মানুষ লজ্জাশীল হওয়া সুন্দর। কিন্তু আমার বউ তো দেখি এই মুহূর্তে মাটির তলায় ঢুকে যাবে হুম?
তুলির আরো বেশি লজ্জা লাগে এবার। এখান থেকে যেতে পারলেও যেন একটু শান্তি পায়। কিন্তু অমিত তো ছাড়ার নামই নিচ্ছে না। যতবার ছাড়ানোর চেষ্টা করছে আরো শক্ত করে কোমড় জড়িয়ে ধরছে। হুট করেই অমিত ঘটিয়ে ফেলে আরেক কান্ড। কিন্তু এই মুহূর্তে তুলির সায় দেয়া উচিত নাকি ছাড়ানো উচিত তাই বুঝতে পারছে না৷ দরজা খোলা। কেউ যদি চলে আসে?
★
ঘরে আসতেই অনিলকে কুম্ভকর্ণের মতো ঘুমিয়ে থাকতে দেখে মাথার গরম হয়ে গেল অর্নির। ওমনি পাশে থাকা জগ থেকে এক গ্লাস পানি নিয়ে অনিলের মুখে ছুড়ে মারলো। সাথে সাথেই উঠে বসে অনিল। এক নিমিষেই ঘুমটা যেন উধাও হয়ে যায়। উঠে বসে বুঝার চেষ্টা করে আসলে কি হয়েছে। যখন বিষয়টা বোধগম্য হয় তখনই অর্নির দিকে রাগি লুকে তাকায়৷ অর্নির যেন তাতে কিছু যায় আসে না। উল্টো রাগ দেখি বলে,
-তা নবাব সাহেব আরো কয়টা পর্যন্ত ঘুমাবেন শুনি? এতো ঘুম আসে কোথা থেকে?
-এটা কি ছিল?
-পানি ছিল।
-নরমাল ভাবে ডাকা যেত না?
-না যেত না। এতো বেলা পর্যন্ত ঘুমানো চলবে না। উঠো এখন।
অনিল তবুও কিছুক্ষণ থমকে বসে থাকে। একা একা বিরবির করে বলে,
“শালার বিয়ে করে ঘরে বউ আনলাম নাকি ডাইনি?”
এরই মাঝে অর্নির কন্ঠ ভেসে আসে,
-গতকাল সবার সামনে বলেছিলে না রাক্ষসী দেখছো। তো রাক্ষসী এখন কি করতে পারে সেটাও দেখো।
অনিল এবার ভ্রুঁ কুঁচকে তাকায়। উঠে দাঁড়িয়ে গায়ের পানি মুছতে মুছতে বলে,
-আচ্ছা এই ব্যাপার তাহলে? তো ম্যাম রাক্ষসীকে কীভাবে কাবু করে রাখতে হয় সেটাও এই অনিল খুব ভালো মতোই জানে।
কথাটা শেষ হতে দেরি অর্নির হাতটা ধরতে দেরি হয় না অনিলের। নিজের কাছে টেনে কোমড় জড়িয়ে বলে,
-তো এখন কোথায় পালিয়ে যাবেন মেডাম জি? গতরাতে তো কিছু করতে দিলেন না। তাহলে আজ,এখনই যা হওয়ার হোক।
এবার ভরকায় অর্নি। হালকা তুতলে বলে,
-প্ পাগল হয়েছ নাকি? ছাড়ো আমাকে।
-শান্ত সিংহকে জাগিয়ে তুলে এখন ছাড়া পেতে চাচ্ছেন ম্যাম..?
– অ.. অনিল আমি নিচে যাবো। মায়ের সাথে কাজে সাহায্য করবো ছাড়ো।
-নতুন বউকে দিয়ে প্রথমদিনই কাজ করাবে এমন মা আমার না। আর কি বাহানা দিবে শুনি..?
-এ..এভাবে নতুন বউ ঘরে থাকাটাও ভালো দেখায় না। ছাড়ো বলছি।
-কে বললো শুনি? নতুন বউ তো আরো বেশি ঘরে থাকবে বরের সাথে সময় কাটানোর জন্য।
-তু…
কথা শেষ করার আগেই অনিল থামিয়ে দিলো। হঠাৎ অনিলের কান্ডে ভরকায় অর্নি। বিষয়টায় এখন আস্কারা দিলে লোকটা সত্যি সত্যি কিছু করে ফেলবে এখন৷ কিন্তু এই মুহূর্তে এসব… তার মাথায় ঢুকছে না কিছু। হাত দিয়ে কয়েকটা কিল-ঘুষি দেয় আবার। বিরক্ত হয় অনিল সেভাবেই অর্নির দুই হাত নিজের হাতের মুঠোয় নিবদ্ধ করে নিলো। কেটে গেল কিছুক্ষণ। এরপর ছেড়ে দিয়ে বলল,
-আপাতত এইটুকু শাস্তি দিলাম। বাকিটুকু পরে দেখে নিবো।
বলেই তোয়ালে নিয়ে ওয়াশরুমে ঢুকলো। অর্নিও চুপচাপ যাওয়ার পানেই তাকিয়ে থাকে। ঠোঁটে ফুটে ওঠে মিষ্টি হাসি। লজ্জায় দুই হাত দিয়ে মুখ ঢেকে নেয় এবার। এরই মাঝে ভেতর থেকে অনিলের কন্ঠ শোনা যায়…
-এইটুকুতেই এতো লজ্জা পেলে পরে কি করবে শুনি?
___
ঘুম ভাঙতেই নিজেকে বিছানায় পেয়ে একটু অবাক হয় স্মৃতি। গতরাতে সবার সাথে আড্ডা দেয়ার পর রাতেই তারা বাড়ি ফিরেছিল। বেশি রাত হওয়ায় গাড়িতেই ঘুমিয়ে পরে সে। এরপর? এরপর আর কিছুই মনে নেই তার।
মাথা ঘুরিয়ে পাশে তাকাতেই আহানকে দেখে। বুঝতে বাকি রয়না এই লোকই যে তাকে ঘরে নিয়ে এসেছে।
আহান উপুড় হয়েই ঘুমিয়ে আছে। শরীরে কিছুই দেয়া নেই। উন্মুক্ত ফর্সা পিঠটার দিকে একবার চোখ যায় স্মৃতির। সাথে সাথেই অন্যদিকে চোখ ঘুরিয়ে ফেলে। এই লোকটাকে দেখলেই শরীরে কেমন শিহরণ বয়ে যায়৷
তারমধ্যে এই অবস্থায় দেখলে কি হবে তা জানা কথাই। সাথে সাথেই কাঁথাটা টেনে গায়ে জড়িয়ে দেয়। পরণে এখনো গতদিনের পরা শাড়িটাই আছে। তা দেখে জলদি উঠে পরে। কাভার্ডের সামনে দাড়িয়ে ভাবতে থাকে আজ কি পরবে? শাড়ি,সেলোয়ার নাকি গোল ড্রেস। তা দেখেই ঠোঁট উল্টে তাকিয়ে থাকে। এরই মাঝে পেছন থেকে আহানের কন্ঠ ভেসে আসে,
-এখন থেকে শাড়ি পরবে প্লিজ। তোমাকে শাড়িতেই সুন্দর লাগে।
আহানের কথায় পেছন ফিরে তাকায় স্মৃতি। ঠোঁট উল্টে বলে,
-শাড়ি সামলানো খুবই বিরক্তি কর। আর শাড়ি পরে কাজ করা যায় নাকি?
-আগের দিনের মানুষরা কিন্তু শাড়ি পরেই কাজ করতো।
-আগেরদিনের মানুষরা ছোট থেকেই শাড়ি পরতে পরতে বড় হয়েছে।
-তবুও তুমি শাড়িই পরবে। আর কি কাজ করবে শুনি? রান্না? সে তো রানি খালা করে দিয়ে যাবে। আর কি কাজ আছে?
ঠোঁট উল্টায় স্মৃতি। এই লোকের সাথে কথায় পারা যায় না। কাবার্ড থেকে কালো রঙের শাড়িটা নিয়ে ওয়াশরুমের দিকে এগিয়ে যেতে যেতে বলে,
-তাহলে আরো চল্লিশ পঞ্চাশটা শাড়ি কিনে দিয়েন। পরবো না হয়। আর বাকি যা জামা আছে সব আগুনে জ্বালিয়ে দিবো।
বলেই ওয়াশরুমের দরজাটা জোরে ধাক্কা দিয়ে আটকে দেয়। হাসে আহান৷ সেও আরেকটু রাগানোর জন্য বলে,
-ওকে কিনে দিবো না হয়৷ আর বাকিগুলো জ্বালিয়ে দিতে হবে না। রাস্তায় গরিবদের দান করে দিবোনি।
স্মৃতির মন চাচ্ছে এখন গিয়ে আহানকে শাড়ি পরিয়ে দিতে। দেখুক কেমন লাগে শাড়ি পরে থাকতে। মনের কথা মনেই থেকে যায়। চুপচাপ ঝর্না ছেড়ে তার নিচেই দাঁড়িয়ে রয়৷ হুট করে মাথায় আসে তুহিনের বিষয়টা। কাকে ভালোবাসে তুহিন? এমন কে আছে? সবাই জানে অথচ স্মৃতিই জানে না। বিষয়টা জিজ্ঞেস করতে হবে আহানকে। আবার মাথায় আসে মিষ্টির বলা কথাগুলো। শুভ আর হুমায়রার বিষয়টা দেখলেই বুঝা যায়,
সত্যিই ছেলেরা চাইলেই নিজের পছন্দের মানুষকে বিয়ে করতে পারে এবং ওই মানুষটার মনও পেতে পারে।
আবার আহান আর তুহিনের দিকটা দেখতে গেলে কথার মানেটা উল্টো দাঁড়ায়। মনে মনেই বলে ফেলে সে,
“এরজন্য মনোবলও প্রয়োজন। মুভির ভিলেনদের মতো হতে হয়। যেমন আমার ভাই হয়েছে। আর উপরওয়ালা ভাগ্যে যাকে রাখে কেউই তা দূরে সরিয়ে দিতে পারবে না।”
★
হাসপাতালের বেডে সুয়ে আছে মিষ্টি। গতরাতে অতিরিক্ত কান্নার কারণে প্যানিক অ্যাটাক উঠেছিল তার। সেই রাতেই তার মামা-মামী হাসপাতালে নিয়ে এসেছে। আগের চেয়ে এখন কিছুটা সুস্থ বললেই চলে। ডাক্তার ঘুমের ঔষধ খায়িয়ে দিয়েছে। তাই এখনো ঘুমিয়ে আছে সে।
রেহেনা বেগম পাশেই বসা। চাইলেই মেয়েটাকে সুস্থ রাখতে পারেন না তিনি৷ মায়ের অভাব কি আর অন্যকেউ মিটিয়ে দিতে পারে। মিষ্টির এমন অসুস্থ হওয়াটা নতুন কিছু না৷ তার বাবা-মা মা’রা যাবার পর থেকেই এই সমস্যাটা দেখা দিয়েছে। ডাক্তার বলে দিয়েছে এভাবে চলতে থাকলে বড় ধরনের রোগও হতে পারে।
রেহেনা যথা সাধ্য চেষ্টা করেন মেয়েটাকে হাসিখুশি রাখার। কিন্তু কোথাও না কোথাও ব্যর্থ হয়েই যান। মিষ্টির দিকে তাকিয়েই বিষয়গুলো ভাবছিলেন তিনি। এরই মাঝে মিষ্টির ফোন বেজে ওঠায় ফোনটা হাতে নেন। ফোনের উপর ঝলঝল করছে হুমু লেখা নামটা। মিষ্টির পানে একবার তাকিয়ে চোখের পানি মুছে কল রিসিভ করে। করার সাথে সাথে ওপাশ থেকে হুমায়রার কন্ঠ ভেসে আসে,
-আপু কি করছো? আজ কিন্তু আমাদের বাসায় আসবে ওকে? কোনো না শুনবো না৷
হুমায়রার কথা শুনে দীর্ঘশ্বাস ফেলে রেহেনা বেগম। এরপর বলেন,
-আমি মিষ্টির মামি বলছি মা। মিষ্টি ঘুমাচ্ছে।
-ও আচ্ছা। আপু উঠলে রেডি হয়ে আমাদের বাসায় আসতে বলবেন আন্টি।
– ও যেতে পারবে না মা। ও অসুস্থ। হাসপাতালে আছি।
হাসপাতালের কথাটা শুনে অবাক হয় হুমায়রা৷ শুভ পাশেই বসে ছিল। স্পিকার অন থাকায় সব কথাই শুনছে সে। দুজনই দুজনার দিকে তাকায়। হুমায়রা কৌতুহল নিয়ে বলে,
-কি হয়েছে আপুর? হাসপাতালে কেন?
-তেমন কিছু না মা। বাবা-মায়ের কথা মনে করে কান্না করেছে হয়তো। তাই প্যানিক অ্যাটাক উঠেছিল। এখন সুস্থ আছে।
-আমি আসছি।
বলেই হুমায়রা কল কেটে রেডি হতে চলে যায়। এখনো সকালের নাস্তাই করেনি সে৷ ঘুম থেকে উঠেই শুভর সাথে প্ল্যান করেছিল মিষ্টিকে বাসায় ডেকে তুহিনের সাথে কথা বলিয়ে প্যাচআপ করিয়ে দিবে। বেচারা শুভরও যেন কিছু করার নেই। তাই বউয়ের কথায় সায় দিয়ে কল দেয়ায় মিষ্টির কাছে। কিন্তু মিষ্টির অসুস্থতার কথা শুনে দু’জনই বেশ অবাক হয়।
__
সকাল সকাল না খেয়েই দু’জন হাসপাতালে এসে হাজির হয়। মিষ্টিকে ঘুমিয়ে থাকতে দেখে আর জাগানোর প্রয়োজন মনে করেনি তারা। ডাক্তার বলেছে বিকেলের আগে ঘুম ভাঙবে না। এর মাঝে তুহিনকে কল করেও আসতে বলেছে হুমায়রা। তুহিনও না করেনি৷ কেন যেন তার না করতে ইচ্ছে হয়নি। দশ মিনিটের মাথায় সে হাসপাতালে এসে হাজির হয়। দরজার কাছে এসেই থেমে যায়। কান্না করার কারণে চোখ-মুখ ফুলে আছে মিষ্টির। তা দেখে একটু অবাক হয়৷ মনে মনে নিজেই বলতে থাকে,
-কেন ভালোবাসো আমায় মিষ্টি? আমি কি তোমার ভালোবাসার মর্ম বুঝি? এর প্রতিদান কি আমি দিতে পারবো?
তুহিনকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে হুমায়রা হাত টেনে ভেতরে নিয়ে আসে। এরপর পরিচয় করিয়ে দেয় মিষ্টির মামির সাথে। এই মুহূর্তে সত্যিটা বলবে কি বলবে না সেই দ্বিধায় পরে যায় হুমায়রা। অন্যদিকে সকালে কিছু না খাওয়ায় পেটের ভেতর ইঁদুর খুব ভালোমতোই দৌড়াদৌড়ি করছে। তাই আর উপায় না পেয়ে ছোট একটা হাসি দিয়ে বলে,
-আন্টি আপনি হয়তো সকাল থেকে কিছু খাননি। এখন চলুন কিছু খেয়ে নেয়া যাবে। সাথে আপনার সাথে কিছু কথাও বলে নেয়া যাবে।
এরই মাঝে তুহিন ইশারায় জিজ্ঞেস করে কি বলবো। হুমায়রা কোনো উওর দেয়না। দাঁত কেলিয়ে শুধু হাসে। তুহিন ইশারায় বলে কিছু না বলতে। সে এখনো দ্বিধার মাঝে আছে। বলেই সামনে হাঁটা শুরু করে। এরই মাঝে মিষ্টির মামা আলম মিয়া এসে হাজির হয়। তাকে দেখে বড় করে একটা সালাম দেয় হুমায়রা। এরপর আবার ক্যান্টিনের দিকে হাটা শুরু করে। তুহিন পাশে এসে বলে,
-দেখ হুমু এমনটা করা ঠিক হবে না। আমি এখনও প্রস্তুত নই। আমার সময় লাগবে। চাইলেই কাউকে ভালোবাসা যায় না। বুঝার চেষ্টা কর।
হুমায়রা এবার গম্ভীর হয়ে তাকায়। এরপর বলে,
-সে নিয়ে আমাকে ভাবতে দাও৷ তুমি বেশি কথা বলো।
#চলবে…….!

