কথা_দিল_রোদ্দুর (২১) #তুসিকা

0
1

#কথা_দিল_রোদ্দুর (২১)
#তুসিকা
সাম্যের গানে সবাই তাকে চিয়ারআপ করতে লাগলো,,ইমরান তো জিজ্ঞেস করলো এমন সময়ে এই গান হঠাৎ তার মাথায় কিভাবে আসলো। কিন্ত সাম্য কিছুই বলল না,, হেসে তাদের সব কথা উড়িয়ে দিল। তবে নিপা তাকে জিজ্ঞেস করলো সাম্য তার প্রেমিকার কথা চিন্তা করে এই গান গাইল নাকি। তখন সাম্য বলল;

—” এমন কিছুই নয়, তবে যেদিন জীবনে সেই মুহূর্ত আসবে তখন এমন কিছু করবো ভেবে রেখেছি আরকি।

সবাই তখন আবার হেসে উঠল। বাকি কেউ না বুঝলেও সাম্যের কথা গুলো মুসাব ঠিকই বুঝলো,, বিকেলে সাম্য ই জবা ফুল গুলো নিয়ে ফাহার রুমে জানালার বাইরে রেখেছে। হয়ত ফুল গুলো অর্থি, ফাহা এরা দেখেছে ও তাই ওরা যেন কিছু বুঝতে না পারে তাই মুসাব কথা ঘোরানোর জন্য বলল;

—” হয়েছে ওর কথা বাদ দাও, অন্য কেউ গান করো,, আচ্ছা অর্থি তুমি একটা গাও, আসা থেকে কেমন চুপচাপ বসে আছো, দেখি গাও একটা,, আমরা শুনি।

অর্থি চকিত হয়ে মানা করলো,এমনিতেই সে সবার সামনে কম কথা বলে এখন তাকে গান গাইতে বলছে সবাই। তাই সে বলল;
—” না না ভাইয়া,, আমি আসলে এতটা ভালো পারি না। আপনারাই করুন!

নিপা অর্থির এমন কথায় মুখ ভেঙচি দিয়ে বলল;
—” ওর গান শুনলে মনে হয় না এখানে আর বসা যাবে, যা গরুর মতো গলা তোর,, তার চেয়ে অর্থি তুই বরং চুপ ই থাক।
প্রতিবারের মতো তোর ট্যালেন্ট ভ্যাঁ ভ্যাঁ করে কাঁদা, ওটাই কর, তাহলে অন্তত একটু মজা পাবো সবাই।

—” আপু আমার চোখে আল্লাহ উপহার স্বরূপ এক ঝর্ণা দিয়েছে বুঝেছো, আপনা আপনি তাতে পানি ঝরে কিন্ত মানুষের মতো অন্য কে নিয়ে গিবত করা, কুচুটামি করা স্বভাব টা অন্তত দেন নি, এটা নিয়ে আমি কি পরিমাণ যে শুকরিয়া আদায় করি বলে বোঝাতে পারবো না।

অর্থির বাবা তাকে প্রায় বলেন মানুষের খারাপ কথা কানে তুলতে নেই, সবসময় খারাপ কথা বলা মানুষদের নাকি এড়িয়ে চলতে হয়। কিন্ত মাঝেমাঝে নিজের আত্নসম্মানের জন্য ওইসব মানুষদের মুখের উপর কিছু উচিত কথা বলা উচিত যাতে নিজের মনে শান্তি পাওয়া যায়। আর নিজেকে সব জায়গায় দূর্বল মনে করা ও হয় না। তাই তো এখন নিপার মুখের উপর কথা গুলো বলে কেমন জানি শান্তি লাগছে,, আর নিপার রেগে যাওয়া চেহারা দেখেই আত্নতৃপ্তি হচ্ছে, নিপা হয়ত ভেবেছিল অর্থি আগের মতোই চুপ করে থাকবে, কিন্ত এভাবে তাকে অকপটে কুচুটি বলবে সে এটা ভাবেনি।

তাই তো সে দাঁত কিড়মিড় করে বলল;
–” এই অর্থি! তোর কি দেখে আমাকে কুচুটি মনে হয়,, তোর তো সাহস কম না,,, এই ভাইয়া তুই কিছু বলছি ওকে।

ফারিশ এতক্ষণ সবার সাথে বসে থাকলে ও, সে ফোন নিয়েই ব্যস্ত ছিল। কিন্তু নিপার কথা শুনে সে ফোন সাইডে রেখে বলল;
—” তুমি অর্থিকে এত কথা বললা তখন তো মেহেদী ভাই কিছু বলেনি,, আর অর্থি কি তোমার নাম উদ্দেশ্য করে বলেছে তাহলে তুমি এত ক্ষেপছো কেন বলতো। তাহলে কি তুমি সত্যিই কুচুটি।

এই কথা শুনে নিপা রেগে যাওয়ার জন্য উদ্যত হলো, ঝুমুর আর আনিকা কে বলল আর সাথে যেতে কিন্ত ওরা তার সাথে গেল না দেখে নিপা রাগে গজগজ করতে করতে সেখান থেকে চলে গেল। সাম্য খুশি হয়েছে ফারিশের উপর, সে অর্থির হয়ে কথা বলেছে দেখে। কিন্ত এখন ফারিশ উঠে গিয়ে অর্থির সাথে বসেছে দেখে সাম্যের মুখে কেমন হিংসুটে ভাব তৈরি হলো।

ওপাশে বসেছে ঠিক ছিল, কিন্ত অর্থির পাশে বসার দরকার কি ছিল। এখন আবার অর্থির সাথে কি নিয়ে ফুসুর ফুসুর করছে। এটা দেখে সাম্য কেমন নাক কুঁচকে নিল। আর গলা খাঁকারি দিয়ে বলল;

—” এখানে বসে না থেকে আমরা নিচে যাই, রাত হচ্ছে খাবার খেয়ে নিলে ভালো হবে তাই না।

মুসাব বলল;
—” কি রে কিছুক্ষণ আগেও তো বলছিলি খিদে নেই, এখন খিদে পেয়ে গেছে।

—”আগে পায়নি, এখন পেয়েছে, তোরা যাবি না আমি একাই যাবো বল।

রাত হয়েছে দেখে কেউ আর কিছু বলেনি, সবাই নিচে চলে গেল। নিচে তখন সবাই গল্প গুজব করছিল। বাকিদের সাথে সাম্যের মা ফাতেমা বেগম, আর আনিকার মা হাসেনা বেগম ও ছিলেন। তারা সন্ধ্যার দিকে এসেছিল, কিন্ত শারমিন বেগম তাদের আর যেতে দেন নি। অনেক করে বলার পর তারা রাতের খাবার শারমিন বেগম দের ঘরে খাওয়ার জন্য রাজি হয়। আর এখন ছেলেমেয়ে রা যখন ছাঁদ থেকে নেমে আসে তখন একসাথে বসে তারা খাবার খেতে বসে।

সবাই একসাথে নিচে পাটি বিছিয়ে খেতে বসে,, মাহিয়া ভাবী লুবান কে প্রথমে খাইয়ে দেন, এটা দেখে জুন আবার বায়না করে তাকে ও খাইয়ে দিতে। কিন্ত জুনের মা রাইমা বেগম.সবাই কে পরিবেশন করছে দেখে অর্থি জুন কে খাইয়ে দিতে থাকে। আর এই চক্করে তার খেতে দেরী হয়ে যায়। আর খালামনি যে তার জন্য ডিম ভর্তা করেছিল শেষে তার পাতে অল্প একটু পড়ে।

রান্না গুলো সাজেদা বেগম ই করেন, আর খাবার খেয়ে ফাতেমা বেগম তো বলেন;

—” আপা রান্না কিন্ত অনেক ভালো হয়েছে,, আমার আম্মা এমন করে রান্না করতেন!!

—” কি যে বলেন না আপা, বিয়ের দুদিন ভারী খাবার দাবার খেয়েছে সবাই তাই ভাবলাম হালকা রান্না করি খেয়ে যেন তৃপ্তি পায়।

–” হ্যাঁ আমার সাম্য আবার এমন রান্না পছন্দ করে বেশি, ছেলেটা একবেলার রান্না আরেক বেলা খেতে চায় না,, তাই আমি এমন করে ওর জন্য রান্না করি।

সবাই আসলেই তৃপ্তি করে খাবার টা খেল। ফাতেমা বেগম আর হাসেনা বেগম তো খেয়ে আবার চলে গেল নিপাদের বাড়িতে, তবে সাম্য মুসাব, ইমরান সেখানেই রয়ে গেল থাকার জন্য। রাতে তো যে যার মতো শুয়ে পড়ল, অর্থি, ফাহা ফারিন এরা নিজেদের রুমে ঘুমালো। কিন্ত বিকেল বেলা ঘুমানোর ফলস্বরূপ অর্থির চোখে ঘুম ধরা দিল না। সে কিছুক্ষণ ফোন দেখলো, যুথির সাথে কথা বললো, ফোনে গেমস ও খেলল।

কিন্ত একা একা ভালো লাগছে না। ফাহা, ফারিন কেউ জেগে থাকলে হয়ত তাদের সাথে কথা বলতে পারতো। কিন্ত তারা ও ঘুমাচ্ছে। আর এখন যদি নিজের বাসায় থাকতো তবে কড়া করে এক কাপ চা খেত। কিন্ত এখানে তো তার উপায় নেই তাই আপাতত পানির খাওয়ার জন্য ডাইনিং রুমের দিকে গেল। লাইট গুলো জ্বালিয়ে রাখলো একে একে, কিন্ত পানির খেয়ে রুমে যাওয়ার আগে কারো পায়ের শব্দ শুনতে পেয়ে অর্থির শরীর যেন সেখানেই শীতল হয়ে গেল। ফারিশের বলা ভূতের কথাটা মনে পড়ল। আর মনে মনে দোয়া পড়তে লাগলো। রুমের দিকে যে এগোবে তার ও সাহস হলো না। আর কাউকে যে ডাকবে সে খেয়াল ও লোপ পেল। কাঁপা কাঁপা হাত পা নিয়ে চারপাশে নজর দিল আর বড় একটা ঢোঁক গিলল। তবে পেছন ঘুরতেই সাম্য কে দেখে পেল। সাথে সাথে বুকে হাত দিয়ে বলল;

—” লা হাওলা…. লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ্ । এটা দুবার উচ্চারণ করে জোরে জোরে শ্বাস নিতে লাগলো। আর বলল;

—” আপনি এখানে কি করছেন, আল্লাহ। আমি ভাবছি ভূ’ত। সকালের মতো আবার ভয় পাইয়ে দিয়েছেন।

—” আমাকে কি তোমার ভূ’ত মনে হয়। দেখলেই যে খালি ভয় পাও।

অর্থি তৎক্ষণাৎ উওর করলো না, তার সাম্য কে হঠাৎ দেখে মনে হয়ে ছিল প্রাণ টা বুজি হাতে চলে আসলো। চিৎকার করলে হয়ত ঘরের সবাই উঠে যেত। তাই সে হাঁপাতে হাঁপাতে বলল;

—” তাই মনে হয়! না হলে আপনি এখানে আছেন একটি বার শব্দ ও তো করতে পারতেন, তা না করে পেছনে দাঁড়িয়ে ছিলেন কেন বলুন। আর সকালে না হয় ইচ্ছাকৃত ছিল না, কিন্ত এখন আপনি এটা ইচ্ছা করেই করেছেন তাই না।

—” তোমাকে ভয় দেখিয়ে আমার কি লাভ বলো, আমি এখানে পানি খেতে এসেছি, আর তুমি যে এখানে থাকবে আমি জানতাম নাকি। তাহলে এটা একটা কোইনসিডেন্ট। কিন্ত তুমি এখানে কি করছো।

অর্থি বলল;
“”আমি ও পানি খেতে এসেছি,, কিন্ত…..
অর্থি পরে আর কিছু বলল না,, এখনই হয়ত নোয়াখাইল্লা নিয়ে কিছু বলে বসবে। তার চেয়ে বরং চুপ থাকাই শ্রেয়। তাই অর্থি সাম্যের জন্য গ্লাসে পানি ঢেলে রুমের দিকে পা বাড়াল।
তবে তার পেছনে সাম্য বলল;

—” ওই ভীতুরানী,, এত ভয় পেলে চলে। স্ট্রং হও,, আর আত্মবিশ্বাসী হও নাহলে জীবনে চলবে কিভাবে। কথাটা বলেই সাম্য হাসলো,, কিন্ত অর্থি অবাক হয়ে তাকালো। এই কথা গুলো যুথি তাকে বলে। কিন্ত সাম্য কিভাবে এই কথা গুলো জানবে। তাই তাকে জিজ্ঞেস করতে নেয়,, কিন্ত এর আগে ই সাম্য দু হাত পকেটে রেখে মাথা দোলাতে দোলাতে চলে গেল।

অর্থি ও চলে গেল,, কিন্ত রুমে গিয়ে লাইট আর বন্ধ করলো না। লাইট চালু রেখে চোখ বন্ধ করে শুয়ে পড়ল। কিন্ত মোবাইলে টুং টাং শব্দ হলো দেখে মোবাইল হাতে নিল। দেখলো সায়েফ আহমেদ আইডি থেকে মেসেজ এসেছে। এটা সাম্য। কিন্ত এই মাত্রই তো তার সাথে দেখা হলো, তাহলে এখন আবার মেসেজ দিচ্ছে। কোনো দরকার নাকি তাই সে মেসেজ টি দেখলো। সাম্য লিখেছে;

–” ওই ভীতুরানী… দেইখো ভূত কিন্ত যেখানে সেখানে যেতে পারে, বলা তো যায় না হয়ত তোমার পাশে ও থাকতে পারে। দেখে শুনে থাকো! গুড নাইট।

মেসেজ টা পড়ে অর্থির কি পরিমাণ যে রাগ হলো,, কিন্ত মেসেজের উওর দিল না,, মোবাইল অফ করে শুয়ে পড়ল।

____________

পরদিন সকাল টা অর্থির জন্য অন্তত ভালো কাটলো। সকালের নাস্তা ছিল খোলাজালি পিঠা দিয়ে। যেটা অর্থির ভীষণ পছন্দ। আর নাস্তা খেয়ে তারা গেল তার নানুদের পাশের বাড়িতে। সেখানে গিয়ে তারা কিছু সময় থাকলো। এর মাঝে সাম্যদের সাথে তাদের আর দেখা হলো না,, এতে অর্থি আবার একটু খুশিই হলো।

তবে তারা ওই বাড়ি থেকে যখন আসবে তখন তাদের সবাই কে দেখলো পুকুর পাড়ে। ছিপ ফেলে মাছ ধরছে তখন সবাই। ফাহা নাচতে নাচতে তাদের দিকে যেতে চাইলো। কিন্ত অর্থি এবার তাকে টেনে ঘরে নিয়ে গেল। ফাহা অবশ্য তাকে জিজ্ঞেস করলে অর্থি তাকে কাল রাতের ঘটনা টা বলে। ফাহা আবার সবটা শুনে বলল;

—” সাম্য ভাই এমনই,, তোমাকে তো আগেই বলেছি ওনাদের থেকে উনি সবার থেকে এক্টিভ। সবার সাথে একদম মিশে যায়।

অর্থি ফাহা র কথা শুনে বিরবির করে বলল;
—” হ্যাঁ, একদম ঘাস ফড়িংয়ের মতো, যেখানে সেখানে তিরিংবিড়িং করে।

____________

দুপুরের সময়টা তে তারা ঘরে ঘরে থাকলো,, অর্থি ভাবলো খেয়ে একটু ঘুমাবে,, কিন্ত ফাহা র জন্য পারলো না,, অর্থি ঘুমালে তাকে হাজার ডাকার পরও ওঠার নাম থাকে না,, আর সবাই মিলে আজ একটু হাঁটতে বের হবে,, ওই কারনেই ফাহা অর্থিকে ঘুমাতে দিল না। বিকেল পর্যন্ত তারা লুডু খেলে কাটালো। আর যখন বিকেল হলো তখন তৈরি হয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়ল। ঘরে তখন সাজেদা বেগম, রেবেকা বেগম, মাহিয়া, শারমিন বেগম, রাইমা বেগম, শামীম সাহেব সকলেই উপস্থিত আছেন। আর সাইফুল সবে মাত্র গোয়াল ঘর থেকে গরু কে খাবার দিয়ে ঘরে আসলেন।

সবাই কে একসাথে বসা দেখে তিনি জিজ্ঞেস করলেন এভাবে সবাই বসে আছে কেন। এর উওরে সাজেদা বেগম ই বলেন;

—” আসলে আমি একটা কথা বলার জন্যই সবাই কে এখানে ডেকেছি,, তোর আসার অপেক্ষা করছিলাম। জাবের টা থাকলে ও ভালো হতো। কিন্ত ভাবলাম আগে তোদের কে বলি।

সাজেদা বেগমের কথায় সাইফুল সাহেব বললেন;

—’কি হয়েছে আপা! গুরুত্বপূর্ণ কিছু নাকি।

—” হ্যাঁ ওইরকম ই কিছু। আসলে আমি ভাবছিলাম কি ফারিশের তো বিদেশের ভিসা হবে ইনশাল্লাহ পনেরো বিশ দিনের মধ্যেই।

—” এটা তো ভাল কথা! তাহলে তুমি কি বলতে চাইছো।

—” আসলে বলছি কি ফারিশ বিদেশ গেলে তো এক বছর বা দুই বছর সময় লাগবে আসতে। কিন্ত আমি চিন্তা করছি যদি ফারিশ বিদেশ যাওয়ার আগে অর্থির সাথে ওর আকদ টা করিয়ে রাখি তাহলে কেমন হয়। অর্থি ও তো বড় হয়েছে,, মেয়ে মানুষ কখন কার পছন্দ হয়। তাই বলছি যদি ফারিশের সাথেই ওর বিয়েটা হয়। আমি তো আমার আম্মাকে ফারিশের বৌ বানাবো ভেবে রেখেছি এখন তোরা কি বলিস।

—” বড় ভাই জানে,, আর জাবের ভাই জানে কিনা।

—” বড় ভাই তো জানে,, রাজি ও আছে। কিন্ত জাবের কে বলা হয়নি। রেবেকা ও তো কিছু বলছে না,, রেবেকা যদি রাজি থাকে তাহলে ফারিশের আব্বু জাবের এর সাথে কথা বলবে আরকি। কি রে রেবেকা কিছু বলছিস না কেন!

রেবেকা বেগম বললেন;
—” কি বলবো আপা! অর্থির বাবা যা বলে!! কিন্ত ছেলে মেয়ে দুটো রাজি হবে তো!

—” ফারিশ কে বললে সে আমার কথা ফেলতে পারবে না,, আর তুই এত দোনামোনা করছি যেন আমার কাছে গেলে অর্থি ভালো থাকবে না।

সাজেদা বেগমের কথায় সবাই সহমত জানালো। খুশি ও হলো সবাই। এখন জাবের সাহেবের সাথে কথা বলা বাকি। কিন্ত সাজেদা বেগম মনে মনে অনেক কিছুই ঠিক করে রাখলেন। কিভাবে কি হবে। কিন্ত তার এই ভাবনার পরিণাম কোথায় গিয়ে ঠেকবে তার সবার অজানা।

চলবে।

কেমন লাগছে জানাবেন,, আর এই পর্বের শেষে.কিছু অংশ এখনও বাকি আছে। ও গুলো এই পর্বে আবার যুক্ত করবো তখন আবার সবাই কে মেনশন দেব পড়েন নিয়েন। আপাতত এইটুকু পড়েন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here