#মেঘের_মুলুকে_চল
#আয়রা_তাবাস্সুম
পর্ব ২২
_____________________________
[ এই যে পেইজের স্টোরি দেখা সহ যাবতীয় সব আপডেট রাখা সাইলেন্ট রিডার পাঁচশ ছয়শ জন মানুষ! হ্যা আপনাদের ই বলছি! পেইজ ফলো দেন না কেনো আপনারা? রেসপন্সও করেন না ম্যাক্সিমাম ই। আমি একটা গোটা গল্প লিখতে পারছি অথচ আপনারা সামান্য ফলো দিতে পারছেন না? সিরিয়াসলি! ]
তুষারের কথাগুলো শুনে ইশিতার তখন ইচ্ছে হচ্ছিল ভয়াবহ কঠিন কিছু কথা শুনিয়ে দিতে। ফালতু একটা! ভালোবাসার কথা বলবে আবার অপমানও করবে! ভন্ড সে অনর্থক ডাকে তাকে! ভাবি কিচেনে আছে এমন ভাবনায় মেয়েটা মুখ বন্ধ রাখল নিজের। এছাড়াও বেশিক্ষণ এমন দরজা ভেজিয়ে একটা রুমে দুজনে থাকলে, সেটা ভাবির চোখে পড়লে কি না কি ভেবে বসবে! সেই খেয়াল মাথায় আসতেই মেয়েটা চটজলদি সরে পড়ল৷ কথার বিপরীতে কথা বাড়াল না আর৷ তবে যাওয়ার আগে তুষারকে চোখমুখ শক্ত বানিয়ে একটা রাগী চাহনি তে দেখে যেতে ভুলল না। তুষার অবশ্য সেই সুযোগটাও ছাড়ল না মেয়েটাকে খ্যাপাঁনোর। মেয়েটার নিরবতায় যেনো প্রশ্রয় পেয়ে বসল ছেলেটা৷ হাসতে হাসতে বলে ফেলল, ‘যেরকম চোখমুখ বানিয়েছিস একেবারে বাংলা ফিল্মের ডিপজল লাগছে তোকে!’
ভয়াবহ কঠিন কিছু কথা ঠোঁটের আগায় ছিল মেয়েটার। তবুও হাত মুঠো করে রাগটুকু গিলে রুমের দরজা সটান খুলে বেরিয়ে পড়ল মেয়েটা। ভন্ড টাকে শায়েস্তা করার বহু উপায় তার জানা আছে। পরে সেসব করা যাবে৷ আপাতত ভাবি র সাথে গল্প করে মাথা টা ঠান্ডা করা যাক। এমন ভাবনায় কিচেনে যেতেই দেখল নাজিয়া নেই সেখানে। তারপর লিভিংরুমে গিয়ে খুজেঁ পেল তাকে। বাকিদের সাথে গল্প করছে। তবে চেহারায় সেই হাসির আমেজ টা নেই যেটা দুপুরে আসা মাত্র দেখেছিল সে। ভাবি কি তার আর ভন্ডটার কথাবার্তা শুনেছে কিছু, এমন বিরূপ ভাবনা মাথায় আসতেই দুশ্চিন্তা জাঁকিয়ে বসল মেয়েটাকে। আরো কিছুক্ষণ আড্ডা দিতে দিতে মাগরিবের আজান দিচ্ছে তখন। যাওয়ার জন্য উশখুশ করছে সবাই। ওদিকে নাজিয়া এঁটো কাপ পিরিচ নিয়ে কিচেনে ব্যস্ত।
ভন্ডটা তখনো ফিচেল হাসি হেসে দেখে যাচ্ছে মেয়েটাকে৷ এদিকে ইশিতা র চিন্তায় মরিমরি অবস্থা। ভন্ডের জন্য দুনিয়ার ঝামেলা আর ভন্ড কেমন আনন্দে আছে! বাহ। টেনশনে ত মরছে সে! মেয়েটা রাজ্যের দ্বিধা নিয়ে কিচেনে ঢুকে দাঁড়াল ভাবির নিকটে। মনে যে প্রশ্নটা তোলপাড় করছে সেটা জড়তা সংকোচ নিয়ে করে ফেলল৷ এত দুশ্চিন্তা সে নিতে পারছিল না আর৷ মৃদু গলায় বলে ফেলল মনে চেপে রাখা কথাটা।
‘ভাবি তুমি কি কিছু নিয়ে আপসেট? চেহারা কেমন জানি লাগছে তোমার।’
দুঃখ হাসি মনখারাপ এসব বরাবরই নাজিয়ার চেহারায় ফুটে উঠে৷ এটা তার চিরায়ত স্বভাব যে চাইলেও লুকোতে পারে না এগুলো। তাই হয়ত লুকোতে পারল না তার এমন মনোভাব। দু মিনিট থেমে মিহি গলায় প্রশ্নটা করেই ফেলল মেয়েটাকে, ‘ইশিতা! তোমার আর তুষারের মধ্যে কি কিছু চলছে? তেমন কিছু হলে আমাকে জানাতে পারো সবটা। আমার তুষার কে ভালোই মনে হয়েছে তবে তোমার ভাইয়া জানলে হয়তো ব্যাপারটা এত সহজে মানবে না।’
এবার ইশিতা সংকোচে মুখ নামিয়ে নিলো। সে যা ভয় পাচ্ছিল ঠিক তাই হল। ভাবি নিশ্চয়ই কিচেন থেকে লিভিংরুমে যাবার পথে দরজার বাইরে থেকে শুনে ফেলেছে সবটা। মেয়েটা আইঢাই করে কোনমতে শব্দ যোগ করে ধীমিস্বরে জবাব দিল,
‘হ্যাঁ তুষার ভাইকে আমি দু’বছর ধরে ভালোবাসি। কিন্তু বিশ্বাস কর ভাবি আমরা দুজনের কেউ ই লিমিট ক্রস করিনি কখনো৷ ইনফ্যাক্ট আর পাঁচ দশটা টিপিকাল প্রেমিক-প্রেমিকার মতন সম্পর্কও আমাদের মধ্যে নেই। আমি নিজে কল দিলেই কথা হয় আমাদের। এমনকি মাসের পর মাস দেখাও হয় না কখনো কখনো৷ স্রেফ ফোনে কথাবার্তা বলি এটুকুই৷’
নাজিয়া বড়সড় একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললো এবার। ঘটনা তার ভাবনার চেয়েও জটিল। সে তবুও মনকে বুঝ দিয়েছিল হয়তো কাজিন দের মধ্যে যেমন ভাললাগা থাকে তেমন অথচ ঘটনা ভালবাসা অব্দি গড়িয়েছে। নিজের বরকে সে এতদিনে যেটুকু জেনেছে তাতে মনে হয় না রষকষহীন কাটখোট্টা লোকটা এসব প্রেম ভালবাসা পছন্দ করার মানুষ। নাজিয়ার ভাবনা ই সঠিক হলো। সে মুখ খুলে কথাটা ইশিতাকে বলবে তার আগে ইশিতাই তার হাত দুটো ধরে খুব আকুল গলায় রিকোয়েস্ট করল।
‘ভাবী! প্লিজ তুমি ভাইয়াকে কিছু বলবে না। ভাইয়া এসব প্রেম ভালবাসা মানে না। জানলে আমাকে শেষ করে ফেলবে। এটাও ভাববে এই কারণেই রেজাল্ট খারাপ হচ্ছে আমার আর তুষার ভাইকেও অনেক কথা শোনাবে।’
নাজিয়া এবার ভারী দোটানাই পড়লো। সে ত জানে লোকটা কেমন বদ মেজাজি। এভাবে কথা গোপন করলে আর সেটা কোনোদিন যদি জানাজানি হয় বদ টা নাজিয়াকেও ত ছাড় দেবে না। তবু সে স্রেফ এটুকু বলল, ‘যত তাড়াতাড়ি পারো তোমাদের সম্পর্কটার ব্যাপারে বাড়িতে জানাও। বিয়ের কথাবার্তা আগাও। তোমার ভাইয়া অন্য কোনোভাবে জানলে ব্যাপারটা বিশ্রী হবে।’
নাজিয়া নিজেও ছোট মানুষ। দুনিয়াদারি বুঝে না এতো। তাই ভেবে বসল এটাই হয়তো সমাধান। চেপে গেল কথাগুলো। মনস্থির করল আযান কে কিছু জানাবে না। একবার বিয়ের কথাবার্তা এগুলে ঘটনা এমনিই ধামাচাপা পড়ে যাবে।
ঈশিতা এবার আশ্বস্ত হলো ভাবির এমন কথা শুনে। নাজিয়া কে টাইট করে জড়িয়ে ধরে গালে চুমু দিল একটা৷ সরল মনে বলে ফেলল, ‘তোমার মত ভাবি আর দুটো হয় না! বেস্ট ভাবি একদম! কারা বলে ননদ ভাবী এদের মধ্যে সব সময় খুনখারাবি মার কাটারি চলে!’
নাজিয়া হেসে ফেলল মেয়েটার এমন বাচ্চা সুলভ আচরণে। কেমন মন খারাপ করেছিল দু মিনিট আগেও অথচ এখন কেমন ফুরফুরে হয়ে উঠেছে। এত মিষ্টি মেয়েকে নাজিয়া বিপদে কিছুতেই বিপদে ফেলতে পারবে না! তাই মাথা থেকে তার অনায়াসে বেরিয়ে পড়ল আযানের কাছ থেকে কথা গোপন করার সুবাদে নিজের বিপদের কথা।
দুজনে মিলে কিচেনে সবকিছু গোছগাছ করে সবার সাথে গল্প করল আরো খানিকক্ষণ। তারা ফ্ল্যাটের বাইরে যেতেই নাজিয়ার মাথায় জাঁকিয়ে বসা চিন্তা পুনরায় ফিরে এলো। বুঝতে পারল কি হবে সেটা ভেবে আর লাভ নেই, ননদকে ত বিষয়টা তার ভাইকে জানাবে না এমন কথা দিয়েই ফেলেছে। এখন আর চিন্তা করে দুনিয়া উদ্ধার করে ফেললেও বদ টাকে জানাতে পারবে না এসব। পরক্ষণে মেয়েটার মাথায় এই ভাবনাও এলো যে যদি কোনদিন কোন কারণে কেলেঙ্কারি হয় আর আযান জানে যে নাজিয়া আগাগোড়া ব্যাপারটা জানত। তাহলে যদি তাকে ভুল বুঝে বসে, কি করবে সে! কিন্তু মন বলে বসল, তুষার ভালো ছেলে। সে কোনো কেলেঙ্কারি করবে না। হতেও দেবে না। নিজের এমন ভাবনায় নিজেকে যেন সান্ত্বনা দিতে চাইলো মেয়েটা। এটাও ভাবলো বদটা তো তার খুব যত্ন করে, হয়তো ভুল বুঝবে না তাকে। কথা শুনবে তার।
আযান ফ্ল্যাটে ফিরলো সন্ধ্যার পরে। ইশিতা তাকে আগেই জানিয়েছিল আজ তারা সবাই মিলে ভাবিকে দেখতে যাবে তাই সে অতটা চিন্তা করিনি মেয়েটার জন্য। ভেবেছে মেয়েটা আড্ডা গাল গল্প মেরে খুশিই থাকবে। তবে দরজা খুলে মেয়েটার মুখ ভার দেখে তার অবাক লাগলো। ভেবেছে মেয়েটা ইশিতা আসার খুশিতে একেবারে ফুরফুরে মন মেজাজ নিয়ে থাকবে অথচ এখন মেয়েটার মন ভার! এক পলক মেয়েটা কে দেখে চটজলদি ফ্রেশ হতে গেল সে। গরমে গা চিটচিট করছিল তার।
ফ্রেশ হয়ে এসেও বেকুব কে দেখল অন্যমনস্কভাবে টিভির রিমোট হাতে বসে থাকতে অথচ টিভি অফ। আযান ডাক দিল মেয়েটাকে, ‘অ্যাই বেকুব! তুমি রিমোট হাতে কেন বসে আছো! টিভি তো অন ই করো নি!’
নাজিয়া এবার ভাবনার জগত থেকে ধুম করে বেরিয়ে এলো। এমন দুশ্চিন্তা মাথায় ভর করেছে তার আযান আসার ব্যাপারটা নিয়েও উৎফুল্ল হতে পারল না অথচ আযান বাসায় আসলেই মন মেজাজ ভালো হয়ে যায় তার। সারাদিন মেয়েটা রীতিমতো মুখিয়ে থাকে কবে বদ টা বাসায় আসবে।
আর নাজিয়া তাকে সারাদিনের না দেখা মিটিয়ে তাড়িয়ে তাড়িয়ে দেখবে যেন মেয়েটা সদ্য প্রেমে পড়া এক কিশোরী। প্রেমিক চেখের আড়াল হলে মন উদাস হয় তার! অথচ আজ দুশ্চিন্তায় এমন মশগুল ছিল যে লোকটা কখন ফ্রেশ হয়ে এসে দাঁড়িয়েছে সেটাও মেয়েটা খেয়াল করল না। প্রসংগ পাল্টাতে তাড়াতাড়ি বললো, ‘আমি আজকে নুডুলস চপ এসব বানিয়েছি। আপনার জন্য নিয়ে আসি?’
আযানের উত্তরের অপেক্ষা না করে মেয়েটা পা বাড়ালো সেসব নিয়ে আসতে। উদ্দেশ্য- নিজের দুশ্চিন্তার ব্যাপারটা আজানের চোখে পড়তে দিবে না। বদ টা তো মন পড়তে পারে তার যদি চেপে ধরে সব সত্যি কথা বের করে ফেলে! তখন ইশিতা মন খারাপ করবে, ভাববে ভাবি কথা দিয়েও কথা রাখেনি! সেটা ত নাজিয়া হতে দেবে না!
আযান আগাগোড়া দেখল মেয়েটাকে। আজ এমন অন্যমনস্ক হয়ে আছে! আবার মনে হল মেয়েটা চটজলদি কিচেনে যাবার ছুতোয় প্রসঙ্গও পাল্টাতে চাইল। বেকুব কোনো কিছু নিয়ে কি দুশ্চিন্তায় আছে এমন ভাবনায় অস্থির হলো ছেলেটা। আযানের বড় রাগও হল। মেয়েটা কিচ্ছু বলে না তাকে নিজের সুবিধা অসুবিধা। যখন মা তাকে কড়া কড়া কথা বলতো তখনও বলেনি। এখন কিছু নিয়ে আপসেট কিনা সেটাও বলছে না। বেয়াক্কল মেয়ে একেবারে! ইশিতার আসায় সে ভেবে বসে ছিল মেয়েটা খুব খুশি খুশি থাকবে অথচ চেহারায় কেমন দুশ্চিন্তার রেখা খেলা করছে তার। সমস্ত ভাবনা ঠেলে মেয়েটার নিয়ে আসা নাশতা গুলো আযান খেলো একে একে। মেয়েটা র আধাঁর চোখমুখ খুশি করার অভিপ্রায়ে করে ফেলল স্বভাববিরুদ্ধ একটা কাজ। সাধারণত প্রশংসাবাক্য সে বলতে পারে না৷ তবুও সংক্ষিপ্ত এক বাক্যে জানাল, ‘খেতে ভালো হয়েছে।’
স্রেফ তিনটা শব্দ! অথচ নাজিয়ার দুশ্চিন্তায় ত্যক্তবিরক্ত মেজাজ ফুরফুরে হলো মুহূর্তেই৷ মেয়েটা চটজলদি আযানের গা ঘেঁষে বসল হাসিহাসি মুখ বানিয়ে। বুঝল লোকটার মনমেজাজ ভালো আজ। নাহলে বদ টার মুখ থেকে জীবনে ভালো কথা বের হবে! প্রশ্রয় পেয়ে মেয়েটা আচমকা প্রশ্ন করে বসল তাকে। মুলত ঠাহর করতে চাচ্ছিল আযানের মনোভাব। সরল গলায় জানতে চাইল তুষারকে কেমন লাগে তার।
আযান খ্যাঁকিয়ে উঠল এমন ছাতার মাথার প্রশ্ন শুনে। মহাবিরক্ত হয়ে গমগমে গলায় বলল, ‘আশ্চর্য! এটা কেমন প্রশ্ন! আমার তাকে কেমন লাগবে! আমি মেয়ে নাকি? ছোট থেকে জানি তাকে। ভালো ভদ্র ছেলে এটুকু। আজ কি সে ও এসেছিল? তুমি হঠাৎ তার কথা বললে৷’
নাজিয়া ঠাহর করতে পারল আযানের ভাবনা। তাহলে হয়ত ইশিতার বিয়ের আলাপ উঠলে এই লোক তেমন বাগড়া দেবে না৷ বলছে ত ভালো ছেলে৷ বিকেল থেকে তার মাথা কুঁড়ে কুঁড়ে খাওয়া বিরাট সমস্যার সমাধান পেল মেয়েটা। সেই খুশিতে মেয়েটার মুখে কথার ফোয়ারা ছুটল।
অনায়াসে বলে বসল সরল মনের কথাগুলো, ‘হ্যা। আমারও তাকে ভালো মনে হয়েছে। ভদ্র সভ্য ছেলে। কথাবার্তা র ধরণও ঠিকঠাক।’
আযানের ভুরু কুঁচকে এলো এমন নিখাঁদ প্রশংসার স্তুতিগাথা শুনে, সেটাও তার ব্যক্তিগত বেকুবের মুখে! মুহুর্তেই রন্ধ্রে রন্ধ্রে রাগ বিরক্তি এসে ভর করল ছেলেটার। নিজের এমন ছেলেমানুষী রাগে নিজে ই বিরক্ত হলো সে। বেকুব কে বিয়ে করার পর থেকে তার এসমস্ত ছেলেমানুষী উদ্ভট আচরণ শুরু হয়েছে৷ হুটহাট মেয়েটার কথা মনে পড়বে, মেয়েটার মনখারাপে তার নিজের মনভার হবে আর আজ মেয়েটার মুখে অন্য পুরুষের ব্যাপারে প্রশংসা শুনে রাগে গা জ্বলছে তার৷
অথচ আযান ছোট বাচ্চা না। বিচক্ষণতা বিবেচনাবোধ যথেষ্ট আছে তার৷ এটুকু বুঝতে সমস্যা হয়নি বেকুব কথার কথা বলেছে। অন্য কোনো ইঙ্গিতে বলে নি। আযান এটাও জানে অহেতুক অনর্থক সব কথাবার্তা বলার বাচাঁল স্বভাব আছে মেয়েটার। সব জেনেবুঝেও আযানের খুউব রাগ হলো।
মনে হলো বেকুবটা অহেতুক আউলফাউল কথাবার্তা বললে বলুক কিন্তু সেসবের বিষয়বস্তু আযান বাদে অন্য পুরুষমানুষ হবে কেনো!
[ মাত্র একটা পর্বে আযাবের বাচ্চা টা ছিল না তোমরা মানুষজন আমাকে এতটা বকা দিয়েছ! হ্যাপি আজকে? কোলে নিয়ে বসে থাকো বদ টাকে। হুহ ]

