#প্রেম_অপ্রেম_অধ্যায় |২|
“ কিরে মেয়ে এমন করে কান্দিস ক্যান? আজও বুঝি তোর রাজপুত্রর এলো না তোরে এই রাক্ষসপুরী থেকে উদ্ধার করতে? ”
মৌনি চমকে পিছু ফিরে তাকায়। হাতে একটা বাটি নিয়ে হাসি মুখে দাঁড়িয়ে আছে রুপা। বাটিতে বোধহয় তেতুল মাখা, মুখের চারপাশে তেতুল লেগে আছে। মৌনিকে পিছু ফিরে তাকাতে দেখে গাল ভরে হাসে। লাফ দিয়ে ছাদের কার্নিশে পা ঝুলিয়ে বসে পড়ে। ছাদে রেলিং নেই, পা শূন্যে ঝুলছে অথচ মেয়েটা অনায়াসেই বসে আছে। মৌনির দিকে তাকিয়ে ভ্রু নাচিয়ে শুধায়,
“ ওখানে বসে আছিস ক্যান রে? আমার পাশে এসে বস। ”
মৌনি কিছু বলেনা। আবারো হাটুতে মুখ গুজে বসে।
সে আবারো বলল,
“ কিরে আমার কথা কানে যায় না? আমার পাশে এসে
বস। ”
“ না তুই বস। আমার ওখানে বসতে ভয় লাগে। ”
মেয়েটা খিলখিল করে হাসে। হাসতে হাসতে তার চোখ দিয়ে পানি বেরিয়ে যায়। মৌনি অবাক হয়ে তার হাসি দেখছে। হাসলে তার গালের দুপাশে টোল পড়ে কি সুন্দর যে দেখায়। মৌনিরও হাসলে গালে টোল পড়ে তবে তাকে একটুও সুন্দর দেখায় না। রুপার গালের টোলটাই নয় তার চেহারাটাও ভীষণ সুন্দর। নামের মতোই আল্লাহ রুপ যেন ঢেলে দিয়েছে তাকে৷ তবে মানসিক প্রতিবন্ধী সে। আল্লাহ বোধহয় সবাইকে কোনো না কোনো খুত দিয়েই পাঠায়। যেমন তার রুপ আছে কিন্তু অপরিপক্ক মস্তিষ্কের কারণে সবার কাছে পাগল সে। অন্যদিকে মৌনির মস্তিষ্ক পরিপক্ব অথচ তার রুপ নেই। ছোট বেলায় দাদি মৌনিকে কালনিমি বলে ডাকত। বলত মৌনির কখনো বিয়ে হবে না। অথচ মৌনির বিয়ে হয়েছিল বটে, রাজপুত্রের মতো দেখতে এক ছেলের সাথে। অথচ সেই রাজপুত্র তার মতো সাধারণ মেয়ের কথা মনে রাখেনি, তার রাজ্যে সে তার রাজকন্যাকে নিয়ে সুখে আছে।
“ এই দেখো, আবার কান্দে। কান্দিস ক্যান রে? ”
“ কষ্ট হয় রুপা। ”
মৌনি এবার শব্দ করে কেঁদে ফেলে। এই মেয়েটার কাছেই বোধহয় সে তার অনুভূতি গুলো ঠিকঠাক প্রকাশ করতে পারে সে।
“ থাক কান্দিস না। তেতুল খাবি? ”
সে মৌনির দিকে বাটি বাড়িয়ে দেয়। মৌনি সেটা ঠেলে দেয়।
“ উম, ভীষণ মজা হইছে.. খেয়ে দেখ। ”
“ তুই খা রুপা। আমি খাবোনা। ”
“ আচ্ছা এতো কানতেছিস ক্যান বল? আজও রাজপুত্রর আসেনি বলে? ”
“ রাজপুত্রর আর কখনো আসবে রে। রাজপুত্রর অন্য কারো হয়ে গেছে? ”
“ তুই কি করে জানলি? ”
“ আজ রাজপুত্রের দেখা পেলাম যে। ”
“ সত্যি বলছিস? ”
রুপার কন্ঠে এবার তুমুল উৎসাহ। সে এগিয়ে এসে মৌনির সামনে নামাজের ভঙ্গিমায় বসল। গোল গোল চোখে তাকিয়ে রইল মৌনির দিকে৷ মৌনি চোখ মুছে বলল,
“ হ্যাঁ, আজ ভার্সিটিতে দেখলাম তাকে—-
“ ছবির থেকেও কি সুন্দর দেখতে তাকে? ”
“ হুম। ওর প্রেমিকাও ভীষণ সুন্দর। ”
“ প্রেমিকা! তাইলে তুই কি? ”
“ আমি কেউ না৷ ”
“ কেউ না তাইলে কান্দিস ক্যান? ”
“ কই কান্দি? এটা তো স্বপ্ন ভাঙার গান রে পাগলি। তারে নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিলাম যে। ভেবেছিলাম একদিন সে এসে এই রাক্ষসপুরী থেকে বের করে নিয়ে যাবে আমাকে। কিন্তু সে স্বপ্ন তো আজ ভেঙে গেল। আর আমার জীবনটা এই রাক্ষস পুরিতে আটকে রইল যে।”
“ যারা স্বপ্ন ভাঙে তারা রাজপুত্রর হয় ক্যামনে? তারা তো রাক্ষস হয় রে। ”
“ কি জানি। ”
মৌনির হতাশ স্বর।
“ থাক কান্দিস না৷ দেহিস একদিন এই রাক্ষসপুরী থেকে মুক্তি পাবি তুই। তুইও মুক্তি পাবি আর আমিও। তখন আমরা পাখি হয়ে আকাশে উড়মু কেমন? ”
“ হু। এই যে চোখ মুছলাম আর তার জন্য আর কখনো কাঁদব না। তাকে মনেও রাখব না। আজ আমার স্বপ্ন ভেঙেছে তো তাই মাকে একটু স্বপ্ন ভাঙার গান শোনাচ্ছিলাম। তুই স্বপ্ন ভাঙার গান বুঝিস
তো? ”
“ এই যে কান্দিস। ”
“ বাহ! ”
“ আমি আরো জানি। ”
“ কি জানিস? ”
রুপা চুপ করে তাকিয়ে রইল মৌনির দিকে। তার দৃষ্টির গভীরতা বুঝতে অক্ষম মৌনি। মৌনি ভ্রু কুচকে চাইতেই সে আনমনে শুধালো,
“ আজ কমুনা। অন্য একদিন কমু। দেখগে ওই শাকচুন্নি তোরে বকতে বকতে বাড়ি মাথায় তুলে ফেলিছে। ”
“ এই রে আমি এখানে অনেকক্ষণ এসেছি। তাই হয়তো মনি বকছে। আমি যাই রে রুপা। ”
রুপাকে বিদায় মৌনি ছুটতে ছুটতে চলে এলো। ওর যাওয়ার পানে তাকিয়ে রুপা বিরবির করে কি যেন বলল৷ আবারো ছাদের কার্নিশ পা ঝুলিয়ে বসল। এবার শুধু বসে থাকল না, টানটান হয়ে শুয়েই পড়ল৷ পা শূন্যে ঝুলছে আর শরীর ছাদের উপরে৷ সে আকাশে দিকে তাকিয়ে চোখ বন্ধ করে ফেলল৷ তার ঠোঁট নড়তে দেখা গেল৷ পরক্ষণেই চোখ খুলে হেসে আবার মনের সুখে তেতুল মাখা খেতে লাগল।
______________
মৌনি ছুটতে ছুটতে সোজা রান্নাঘরে এলো। তাড়াতাড়ি ছুটতে গিয়ে পা মচকে ব্যথা পেয়েছে বেজায়। তবে সে ব্যথাকে উপেক্ষা করে সে ভ/য়ে ভ/য়ে রান্নাঘরে মনির পাশে গিয়ে দাঁড়ালো৷ ওকে দেখতেই ওর তাসলিমা বেগম তীব্র আক্রোশে ওর চুলের মুঠি ধরে ঝাকিয়ে বলে উঠল,
“ বে/শ্যা মেয়ে। এতো বলি তাও লজ্জা হয় না তোর৷ আজ যে রান্না হয়নি সে খেয়াল আছে তোর। ছাদে গিয়ে কোন ছেলের সাথে নষ্টামি করছিলি শুনি তাই আসতে এতো দেরি হলো? রান্না তো করলি না এখন দুপুরে কি খাব শুনি? ”
কথাগুলো বলে তিনি মৌনিকে ছুড়ে ফেলার মতো করে ছেড়ে দেন। মৌনি ব্যালেন্স রাখার জন্য কেবিনেটে হাত দিতে গিয়ে হাত পড়ে গরম হাড়িতে। সাথে সাথে হাত রি রি করে জ্বলে ওঠে। ওর মা হাত তুলতে না দিয়ে মৌনির হাত হাড়ির সাথে চেপে ধরে ভালো করে। মৌনি আর্তনাদ করে উঠল,
“ আহ! ছাড়ো মনি! লাগছে! ”
“ কষ্ট হচ্ছে তাই না? আমার ছেলেমেয়ে গুলো সারাদিন বাইরে পরিশ্রম করে, স্কুল-কলেজ করে বেড়ায়। দুপুরে যে বাড়ি ফিরে দুটো ভাত মুখে দেবে সে খেয়াল তো নেই তোর। এখন দুপুরে তোর জন্য না খেয়ে সবাই কষ্ট করবে নাকি? ”
“ মনি, ভাবি বলেছিল আজ রান্না করবে তাই আমি…
তখনই ড্রয়িংরুম থেকে আওয়াজ ভেসে এলো-
” ওমা মৌনি! আমি কখন বললাম আমি রাধব? আমি তো তোমায় কানে ধরে বলে দিয়েছি যে তাড়াতাড়ি কাপড় মেলে এসো, রাধতে হবে কিন্তু। ”
“ মিথ্যে বলার আর জায়গা পাস না তাই না? বে/জন্মা কোথাকার, খাবার রাধিস নি ভালো কথা। তবে দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা তুই-ই করবি। নিজের টাকায় খাবার কিনে এনে খাওয়াবি আমাদের৷ আজ দুপুরে বাড়ি আর কোনো রান্না হবে না। বুঝেছিস! ”
উনি মৌনিকে ছেড়ে রান্নাঘর থেকে চলে গেলেন হনহন করে। মৌনি দৌড়ে ট্যাব ছেড়ে পানিতে হাত চুবালো। হাতের তালু লাল হয়ে গিয়েছে একেবারে। মনে হচ্ছে সেখানে কেউ আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। মৌনি হাত চেপে নিঃশব্দে কেঁদে উঠল। আল্লাহ গো! এতো জ্ব/লছে কেন?
একটু আগে মনি কি বলে গেল সেটা মনে পড়তেই মৌনি যেন ব্যথা ভুলে গেল। মনি বলল আজ আর রান্না হবে না। তাকেই খাবার কিনে আনতে হবে। মৌনি কি করবে এবার চিন্তায় পড়ে গেল। তার কাছে তো টাকা নেই যে সে খাবার কিনে আনবে। এদিকে খাবার না কিনে আনলেও মনি কাচা চিবিয়ে তাকেই খেয়ে ফেলবে। সে বুঝতে পারছে না এবার কি করবে। সে হাত চেপে ভ/য়ে ভ/য়ে মনির পাশে গিয়ে দাঁড়ালো। উনি কপাল কুচকে তাকিয়ে শুধালেন,
“ কি বললাম কানে গেল না? তাড়াতাড়ি গিয়ে খাবার কিনে আন। এক্ষুণি সবাই বাড়ি ফিরবে। ”
“ আমার কাছে তো টাকা নেই মনি। আমি রান্না বসিয়ে দিই। এক্ষুণি হয়ে যাবে। ”
“ এখন দুপুর দেড়টা বাজে। আর তুই এখন রান্না বসাবি সেই রান্না খাওয়ার জন্য আমরা অপেক্ষা করবো। আহ্লাদ দেখানোর আর জায়গা পাস না তাই না? ”
“ বেশিক্ষণ লাগবে না মনি–
“ ওতো কথা শুনতে চাচ্ছিনা। যা বললাম তাই কর। ”
“ আমার কাছে টাকা নেই মনি সত্যি। ”
“ কেন? তোর মামু যে তোকে টাকা পাঠালো আগেরদিন। সেটা কি গিলে ফেলেছি নাকি? ”
“ ওগুলো আমার বই কেনার টাকা..
“ ওতো বই কিনতে হবে না। শ্বশুড় বাড়ি গিয়ে বরের টাকায় বই কিনে পড়িস। ধুর হ তো চোখের সামনে থেকে। ”
মৌনি মন খারাপ করে চলে এলো সেখান থেকে। গত পরশু দিন মামা ১০০০ টাকা পাঠিয়েছিল। বাকি টাকাটা তাকেই জোগাড় করে নিতে বলেছিল। মৌনি এখনো এক টাকাও জোগাড় করতে পারেনি। এর মধ্যে আবার সে টাকা থেকেও খরচ হয়ে যাবে। মৌনির মনটা আরো খারাপ হয়ে এলো। বিষাদে তেতো হয়ে এলো মনটা।
____________
একটা দুইশ টাকার আর একটা একশ টাকার নোট নিয়ে বেরিয়েছে মৌনি। মোট তিনশ। একেকটা খিচুড়ির প্যাক ৩০ টাকা করে। সে নিবে ৫টা। মোট হয় ১৫০টাকা। সাথে ৫টা সিদ্ধ ডিম ১২ টাকা করে ৬০টাকা। আর সালাদ ৩০টাকার। মোট ২৪০টাকা। আর সে নিজের জন্য নেবে ১০টাকা দিয়ে দুটো পাউরুটি। সবমিলিয়ে ২৫০টাকা। আরো ৫০টাকা ফিরবে। বাহ মৌনি! তুই তো টাকা আরো বাচিয়ে নিলি। এই খিচুড়ি কেনার আইডিয়াটা যদি রুশা না দিত কি যে হতো। রুশা রুপার বোন। তারা মৌনিদের পাশের ফ্লাটেই থাকে৷ মেয়েটা বয়সে ছোট হলেও বুদ্ধিতে দারুণ এগিয়ে। ঠিক রুপার বিপরীত। এসব ভাবতে ভাবতে দোকানের দিকে যেতে থাকে। সহসাই কিছু পড়ার আওয়াজে সজাগ হলো তার কান। আওয়াজের উৎস তার পিছনে। পিছন ফিরে দেখল কিছুই না। তাহলে কি আওয়াজ হলো? যার আওয়াজ হয় হোক গে। আমি বাবা তাড়াতাড়ি খাবার নিয়ে বাসায় ফিরে নয়তো মনি আমার রোস্ট করে খেয়ে ফেলবে। মৌনি দ্রুত পা চালিয়ে হাটতে লাগল। হাটতে হাটতে হাতের দিকে তাকায়। হাতের তালুতে ফোসকা পড়েছে। হাতটা জ্ব/লে যাচ্ছে। আল্লাহ আমার এই যন্ত্র/ণা একটু কমিয়ে দেও।
মাথার উপর কড়া রোদ্দুর। মৌনি আরো তাড়াতাড়ি পা চালাতে থাকে। ইশ! কাছেপিঠে যে কেন একটা খিচুড়ির দোকান হলো না! এখন সেই ৩ কিলোমিটার হেটে হেটে যেতে হবে৷
মৌনি হাটছিল। হঠাৎ মৌনির মনে হলো কেউ যেন তার পিছু নিচ্ছে। মৌনি পিছু ফিরে তাকালো। ওমা, কেঊ নেই তো। সে এদিক ওদিক তাকালো। এই সময়টায় রাস্তা ফাকা থাকে। রাস্তাই ফাকাই আছে। তবে এমন মনে হলো কেন? মৌনি দ্বিধাদ্বন্দ্ব নিয়ে ফের হাটতে লাগল।
সহসাই যে ঘটনাটি ঘটল তাতে সে ভরকে গেল। একটা ছেলে তীব্র বেগে বাইকে করে তার সামনে এসে থেমেছে। একেবারেই পায়ের কাছে। সেজন্য মৌনি চমকে পিছনে সরে গেল। আরেকটু হলেই গায়ে লাগত। ছেলেটার মুখে হেলমেট পড়া, সেজন্য তার মুখ দেখতে পেল না৷ মৌনি রেগে বলল,
“ এটা কি ধরণের অসভ্যতামো? চোখ নেই নাকি হেলমেট পরে অন্ধ হয়ে গেছেন? এতো বড় রাস্তা থাকতে এখানে এসেই বাইক থামাতে হলো? আর একটু হলে তো আমার গায়েই তুলে দিতেন! অসভ্য কোথাকার! ”
“ উফ! আস্তে আস্তে। আমি লোক নয়। এটা আমি। একটু দেখেশুনে রিয়্যাক্ট করবে তো। ”
সে হেলমেট খুলে ফেলল। মৌনি তাকে দেখে চমকালো। মানুষটাকে চিনতে পারতেই বিস্ময়টা আরো একটু। এ এখন এখানে কি করছে?!
— চলবে.
#আফরিন_সুলতানা ❤️.
[ কার্টেসি ছাড়া কপি নিষিদ্ধ ]
[ #লেখক_নোটবার্তা :- গল্পটি নিয়ে কয়েকটা কথা আপনাদের বলা জরুরী। সময়ের অভাবে এখন বলতে পারছিনা। শুধু মোস্ট ইম্পোর্টেন্ট কথাটা এখন বলি। গল্পের শুরুর দিকটা পড়ে গল্পটি বা চরিত্রগুলোকে বিচার করবেন না। প্রথম পর্বেই আমাকে এমনভাবে এট্যাক করা হয়েছে যে আমি গল্পটি লিখব কিনা রীতিমতো মতো ভ/য় পেয়ে গিয়েছিলাম। তারপর মনে হলো আপনারা তো উপরটাই দেখেছেন, ভেতরটা না। ভেতরটা দেখানোর জন্যই দ্বিধা কাটিয়ে আবার লিখছি। আর যারা আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন যে আমি নতুন লেখিকা, রোমান্টিকজম লিখতে গিয়ে অশ্লীলতা লিখি তাদের বলি কয়েকটা লাইন দিয়ে আমার লেখাকে বিচার করবেন না। হ্যাঁ আমি নতুন, তবে অশ্লীলতা কি রোমান্টিকতাও আমি ঠিকঠাক লিখতে পারিনা। সেটা আমার পুরাতন পাঠকরা খুব ভালো করেই জানে। তবুও যেহেতু অভিযোগ উঠেছে যে আমি অশ্লীলতা লিখি আমি তার জন্য আন্তরিক ভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।
এবার থেকে বিষয়গুলো খেয়াল রাখব। ধন্যবাদ। ]

