#আমার_উপমা_তুমি —০৩
#আফরোজা_আঁখি
❌অনুমতি ব্যাতীত কপি নিষিদ্ধ।
উজ্জ্বলের এবার ধৈর্যের বাঁধ ভাঙছে, এই ছেলে এতো সময় ধরে বলছে না কেন সবটা। উজ্জ্বল চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে অধৈর্য কণ্ঠে বলল ইয়াশকে।
‘কি হলো শালা বাবু? তাড়াতাড়ি বলো তোমার বিয়ের কাহিনী।’
বিরক্ত হলো ইয়াশ, ভ্রু কুঁচকে তাকাল উজ্জ্বলের দিকে। উজ্জ্বল তেমন পাত্তা দিল না ইয়াশের রাগকে, তাকে আপাতত জানতে হবে কীভাবে কী হলো।ইয়াশ ওর হাতে থাকা চায়ের কাপটা রেখেছে টেবিলে, ভাবছে কাল সন্ধ্যার ঘটনা।
ফুল স্পিডে গাড়ি চালিয়ে বাড়ির দিকেই আসছিল ইয়াশ। উদ্দেশ্য কেবল তার বাড়ির মানুষদের সাথে দেখা করা নয়, এসেছে অন্য কাজে। এই উছিলায় সবাইকে দেখে যাবে, এই আরকি। এতো বছর পর বাড়িতে আসছে শুনে সবাই নিশ্চয়ই খুশি হয়েছেন? তার আসাতে খুশি না হলেও অবাক হবেনা। ছোটবেলা থেকে মায়ের আদর পায়নি বললেই চলে, মায়ের প্রতি এক আকাশ পরিমাণ অভিমান ইয়াশের। বিদেশের মাটিতে পা রেখেছিল সেই কবেই, বাড়ির সবার জন্য কষ্ট হতো ওর, কতোবার চলে আসতে চেয়েছে দেশে। প্রতিদিন কল দিয়ে কান্নাকাটি করতো, ফিরে আসবে বলে। কিন্তু মায়ের বড়সড় ধমকে চুপ করে যেতো আবার। নিজেকে গুছিয়ে নিয়েছে ইয়াশ, এখন আর সে আগের মতো নেই অল্পতেই ভেঙে পড়ে না। কেমন গম্ভীর হয়ে গেছে এখন। কেউ ভালো কথা বললেও অকারণেই রাগ দেখায় তার উপরে। ইয়াশ তো এমন ছিল না! পরিস্থিতি বাধ্য করেছে তাকে এতো কঠোর হতে। এগুলো ভাবছে আর ড্রাইভ করছে ইয়াশ।
কোথা থেকে বিয়ের সাজে এক মেয়ে দৌড়ে এসেছে গাড়ির সামনে। অসাবধানতায় মেয়েটা পড়ে গেছে মাটিতে হাতে আর পায়ে হয়তো ব্যথা পেয়েছে অনেকটাই। ইয়াশ দ্রুত গাড়ির ব্রেক কষলো। রাগান্বিত মুখশ্রী নিয়ে তাকাল মাটিতে পড়ে থাকা মেয়েটির দিকে। আরেকটুর জন্যই এক্সিডেন্ট হতে যাচ্ছিল, তারপর কী হতো! এই এক্সিডেন্টের জন্য লোকজন ইয়াশকেই দোষারোপ করতো নিশ্চয়ই। গাড়ি থেকে নেমে মেয়েটার সামনে গিয়ে দাঁড়ালো ইয়াশ। চোখ-মুখ শক্ত করে বলল ওকে
‘এই মেয়ে, চোখ কি বাসার আলমারিতে রেখে এসেছ? এখনই তো একটা অঘটন ঘটে যেত!’
মেয়েটা ছলছল চোখে তাকাল ইয়াশের দিকে। ইয়াশও তখন লক্ষ্য করল ওকে কান্নার কারণে চোখ দুটো ফুলে আছে মেয়েটার। চোখের কাজল লেপ্টে গেছে ওর, লাল শাড়িতে বসে থাকা মেয়েটার দিকে চোখ আটকে গেছে ইয়াশের।নিঃসন্দেহে মেয়েটাকে সুন্দরী বলা যায়। ইয়াশের দেখা সবথেকে সুন্দরী রমনী বললেও ভুল হবে না খুব একটা। ইয়াশের কেন মনে হচ্ছে আগেও দেখেছে মেয়েটাকে! নিজের ভাবনায় নিজেই বিরক্ত হলো ইয়াশ, চলে যেতে নিলেই দু’হাত দিয়ে ইয়াশের পা আঁকড়ে ধরল মেয়েটা। ক্রন্দনরত অবস্থাতেই বলল ইয়াশকে।
‘আ…আমাকে বাঁচান প্লিজ। ওরা আমাকে মেরে ফেলবে।’
হতবাক হয়ে ওর দিকে দৃষ্টি ফেলল ইয়াশ। কী বলছে মেয়েটা! কে মারবে ওকে? নিজেকে স্বাভাবিক করে, হাত ধরে মাটি থেকে তুলল মেয়েটাকে। চোখ মুখ শুকিয়ে আছে মেয়েটার দেখে মনে হচ্ছে সারাদিনে খায়নি কিছুই, ইয়াশের কেমন মায়া হলো এই অপরিতার জন্য,পাশের দোকানটার সামনে রাখা বেঞ্চে নিয়ে বসাল ওকে, বলল শান্ত কণ্ঠে।
‘কিছু খাবে?’
উপর-নিচ মাথা নাড়িয়ে বলল মেয়েটা।
‘পানি খাব। আমাকে একটু পানি দিন, প্লিজ।’
দোকানে বসে থাকা বৃদ্ধ লোকটা কেমন মায়াভরা চোখে তাকিয়ে আছেন মেয়েটার দিকে। কিছু হয়তো ভাবছেন মনে মনে। খারাপ লাগল ওনার, ইয়াশ উঠে যাওয়ার আগেই গ্লাসে করে পানি নিয়ে এলেন ওর সামনে। বললেন চিন্তিত কণ্ঠে।
‘কি হয়েছে মামুনি তোমার?’
কাশফিয়া হয়তো চিনে লোকটাকে। কিছু না বলে কান্না করে দিয়েছে ও। ইয়াশ বারবার বুঝিয়ে বলছে ওকে, কী হয়েছে বলতে, কিন্তু কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না কাশফিয়ার মধ্যে। আগের মতোই কান্না করে যাচ্ছে সে। ইয়াশের হয়তো ভালো লাগলো না বিষয়টা, ধমকের স্বরে বলল কাশফিয়াকে।
‘এই মেয়ে, কান্না থামিয়ে, কেন আটকেছ বলবে আমাকে?’
কাশফিয়া তাকাল পাশে বসে থাকা লোকটির দিকে। মানুষটাকে পুরোপুরি অচেনা লাগছে ওর, আগে কোথাও দেখেছে বলেও বলা হয় না। কাকে না কাকে হাতে-পায়ে ধরে আটকেছে ভাবলেই কেমন অস্বস্তি হচ্ছে ওর। ইয়াশ বিরক্ত হলো এবার, উঠে চলে গেলো ওখান থেকে। গাড়িতে উঠে স্টেয়ারিংয়ে হাত রেখেছে তখনই ফোন বেজে উঠেছে ওর। কিছু সময় দাঁড়িয়ে কথা বলার পরপরই স্টার্ট দিল গাড়িটা। কিছুদূর যেতেই গাড়ির সাইড মিররে দেখতে পেলো ইয়াশ, কিছুক্ষণ আগে দেখা হওয়া সেই মেয়েটাকে কেউ একজন টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছে। চায়ের দোকানী কান্নাকাটি করছেন, প্রাণপণে চেষ্টা করছেন ওদের থেকে মেয়েটাকে বাঁচাতে। দ্বিতীয়বার গাড়ির ব্রেক কষলো ইয়াশ, দ্রুত নেমে গিয়ে সামনে দাঁড়ালো ওদের। দোকানী তখন পায়ে পড়ে বললেন ইয়াশকে।
‘মেয়েটাকে বাঁচাও বাবা,ওর কেউ নেই ওরা মেরে ফেলবে ওকে।’
পা সরিয়ে নিল ইয়াশ হাত ধরে ভদ্রলোককে তুলে বলল সে।
‘করছেন কী চাচা উঠুন।’
ওনি আগের মতোই কান্না করছেন, হাত দুটো জোর করে বলছেন ইয়াশকে।
‘মেয়েটাকে বাঁচাও বাবা।’
ইয়াশকে দেখেই ছেলে দুটো থেমে গেছে। ওদের পাশেই এক চল্লিশার্ধো বয়সের লোক দাঁড়িয়ে। কপাল কুঁচকে তিনি তাকিয়ে আছেন ইয়াশের মুখপানে দেখেই বোঝা যাচ্ছে যে খুশি হননি খুব একটা। ইয়াশ বাঁকা হেসে বলল লোকটাকে।
‘সামনেই কিন্তু পুলিশ স্টেশন।’
‘তো কী হয়েছে! তুমি ভয় দেখাচ্ছ আমাকে?’
‘যাকে নিয়ে টানাটানি করছেন, সে আমার পার্সোনাল প্রোপার্টি জানেন এটা?’
লোকটা একবার কাশফিয়ার দিকে তাকিয়ে, আরেকবার তাকাল ইয়াশের দিকে। ইয়াশের বলা কথাটা পছন্দ হয়নি, তা ওনার চোখ মুখ দেখলেই বোঝা যাচ্ছে। কটমট করে বলে উঠলেন ইয়াশকে।
‘বাঁদরামো করার জায়গা পাও না? সম্পর্কে ও তোমার হবু মামী হয়, ইয়াশ।’
‘আপনি আমার কোন জন্মের মামা লাগেন?’
‘তোমার আম্মু আমার বোন…’
পুরো কথাটা শেষ হওয়ার আগেই ইয়াশ রক্তচক্ষু নিয়ে তাকাল ওনার দিকে। ইয়াশের এমন চাহনিতে হয়তো ভয় পেল লোকটা, কাশফিয়ার ধরে রাখা হাতটা ছেড়ে দিল তখনই। ইয়াশের খুব একটা অসুবিধা হয়নি লোকটাকে চিনতে। ছোটবেলায় নানাবাড়ি গিয়েছে হাতে গোনা দুই এক বার। ওর নানার এক ড্রাইভার ইয়াশের আম্মুকে বাঁচাতে গিয়ে মা/রা গিয়েছিলেন এক্সিডেন্টে। তাদের আর্থিক অবস্থা ভালো ছিলোনা বিধায় সব সময় নিজের সবটা দিয়ে হলেও সাহায্য করতেন আহাদের পরিবারকে। কিন্তু অকালেই চলে গেলেন আলাদের আম্মু এরপর ইয়াশের নানা আহাদকে নিয়ে এসেছিলেন নিজের বাড়িতে। আহাদের বাজে স্বভাবের জন্য কেউই তেমন পছন্দ করতো না ওনাকে। সুফিয়া বেগমের সাথে সম্পর্ক ভালো না হলেও বেশ কয়েকবার এসেছেন খন্দকার মঞ্জিলে। ইয়াশের পুরোপুরি মনে আছে আহাদকে।আহাদ কাশফিয়ার হাতটা ছাড়তেই ও ছুটে গিয়ে দাঁড়ালো ইয়াশের পেছনে। ইয়াশের বয়সী কয়েকটা ছেলে মেয়ে এসে উপস্থিত হয়েছে ওখানে। সবাই হয়তো চেনে ইয়াশকে, আবার একই পাড়ার হওয়ায় কাশফিয়াকে কম বেশি সকলেই চেনে। ওদের সবাইকে একসাথে এদিকে আসতে দেখে, আহাদের সাথের দুটো ছেলে নিজেদের জান বাঁচিয়ে পালিয়েছে অনেক আগেই। ইয়াশ এক পা, দু’পা করে এগিয়ে গেল আহাদের কাছে, চোখ মুখ শক্ত করেই বলল।
‘বিয়ে করবেন?’
ইয়াশের হাবভাব ভালো ঠেকছে না আহাদের, ছেলেটাকে ভালো করেই চেনে ও। খারাপ কিছু হতে পারে বুঝেই আমতা আমতা করে বলল।
‘না…আ বিয়ে করব না আমি।’
‘না কেন? চলুন, আজকেই আপনাকে বিয়ে করাবো।’
আহাদ দুই পাশে তাকিয়ে দেখল, তারপর কথা না বলেই দৌড় লাগাল উল্টো রাস্তায়। ইয়াশের পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা ছেলেমেয়েগুলো খিলখিল করে হেসে উঠলো আহাদের দৌড়ানোর স্টাইল দেখে। হাসল না কেবল কাশফিয়া, এখনও আগের অবস্থানেই দাঁড়িয়ে আছে সে। কোথায় যাবে, কী করবে ভাবছে এসবই। ইয়াশ এগিয়ে এল কাশফিয়ার কাছে। ওর পাশেই দাঁড়িয়ে থাকা তুহিনকে উদ্দেশ্য করে বলল।
‘মেয়েটাকে তোমরা চিনো তো?’
‘হ্যাঁ ভাইয়া।’
‘ওকে ঠিকঠাক মতো বাসায় পৌঁছে দিও।’
ওমনি বলে উঠল কাশফিয়া।
‘পালিয়ে এসেছি কি ফিরে যাওয়ার জন্য!’
মেয়েটার সোজাসাপ্টা উত্তরে ভড়কালো না কেউই। ওরা হয়তো জানে, কাশফিয়া এমনই। ইয়াশ ভ্রু কুঁচকে তাকাল ওর দিকে। কাশফিয়া নিজের চোখ সরাল অন্যদিকে। ইয়াশ বুঝল, মেয়েটার যাওয়ার জায়গা নেই। কিন্তু নিজের সাথেই বা নিয়ে যাবে কোন পরিচয়ে? কী যেন ভেবে গম্ভীর কণ্ঠে বলল ইয়াশ।
‘ফেরার জায়গা না থাকলে বসে থাকো এখানেই।’
ইয়াশ চলে যাচ্ছিলো ওখান থেকে, মাটিতে পড়ে থাকা কাচের ফ্রেমের একটা ছবি লাগল ওর পায়ে। হাতে নিলে পরিচিত কারো মুখ ভেসে উঠল ছবিটাতে। চোখ মুখে বিস্ময় নিয়ে ইয়াশ একবার তাকাল কাশফিয়ার দিকে, পরে আবার ছবিটাকে দেখল ভালো করে। মনে পড়ল ওর,তখন যখন এসে মাটি থেকে টেনে তুলেছিল কাশফিয়াকে ওর হাত থেকেই পড়েছিল ছবিটা। আস্তে আস্তে কাশফিয়ার কাছে হেঁটে এসে জিজ্ঞেস করল ওকে।
‘ছেলেটা কে?’
কিছু সময় পরে উত্তর দিল কাশফিয়া।
‘আমার ভাইয়া।’
‘তোমার আম্মু আব্বু নেই?’
‘না।’
ইয়াশের ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটল মুহূর্তেই এই মেয়েটাকে খুঁজতেই যে এসেছে বাংলাদেশ। এতো তাড়াতাড়ি পেয়ে যাবে ধারণাতেও ছিলো না ইয়াশের। ঋণ পরিশোধ করার সময় এসেছে এবার ইয়াশের।এদিকে ভাই আর মা বাবার কথা উঠতেই চোখ ভরে এলো পানিতে। কান্না আটকে রাখতে ব্যর্থ হলো কাশফিয়া। মুখে হাত চেপে কান্না করে দিল তখনই। নিজের এত বড় বাড়ি এখন মামীর দখলে। ভাইটা ওর বেঁচে আছে না মা/রা গেছে, এও জানে না। কষ্ট তো হবেই! এত বড় শহরে কার কাছেই বা যাবে মেয়েটা! ইয়াশ চোখের ইশারায় আশেপাশে থাকা সবাইকে চলে যেতে বলল। অপেক্ষা না করেই ইয়াশের আদেশ পালন করল ওরা। ইয়াশ মিছে মিছে ভয় দেখিয়ে বলল কাশফিয়াকে।
‘এই মেয়ে কান্না থামাবে তুমি! কান্না না থামালে ওই বুড়োর হাতে তুলে দিব কিন্তু!’
কান্না থামাল কাশফিয়া। মনে হলো, লোকটা কোনোভাবে চেনে ওর ভাইকে। নিজেকে স্বাভাবিক করে বলল ইয়াশকে।
‘আপনি কি আমার ভাইয়াকে চেনেন?’
‘চিনি তো।’
কাশফিয়া হাসল। চোখের পানি মুছে ইয়াশের হাত দুটো ধরে বলল ওকে।
‘আমাকে একবার ভাইয়ার সাথে কথা বলিয়ে দিবেন, প্লিজ? আমি ভাইয়ার সাথে কথা বলব। ও ঠিক আছে কিনা, এইটুকুই কেবল জিজ্ঞেস করব।’
ইয়াশ শান্ত হতে বলল কাশফিয়াকে। হাত দুটো শক্ত করে ধরেই আদুরে গলায় বলল।
‘তোমার ভাইয়া ঠিক আছে,চিন্তা করো না ওর জন্য। কিন্তু ওর তো আসতে সময় লাগবে, তুমি যাবে কোথায়?’
কোনো কিছু না ভেবেই অবুঝের মতো বলে উঠল কাশফিয়া।
‘আপনার সাথে নিয়ে চলুন।’
ইয়াশ হয়তো অপেক্ষা করছিল এটারই। বাঁকা হাসল, কী যেন ভেবে।
বর্তমান…….
কথা বলা শেষ হতেই থামলো ইয়াশ। ওর পাশেই দাঁড়িয়ে আছে উজ্জ্বল। ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে আছে ইয়াশের মুখপানে। ইয়াশ বিরক্ত হলো উজ্জ্বলের এমন চাহনি দেখে।
‘মুখে মাছি ঢুকবে দুলাভাই,এভাবে হাঁ করে আছ যে?’
ধ্যান ভাঙল উজ্জ্বলের। ইয়াশের কথা পাত্তা না দিয়ে কৌতূহলী হয়ে বলল।
‘তারপর কী হলো শালাবাবু?’
ইয়াশ অন্যদিকে তাকিয়ে হাসল। তারপর নিজেকে স্বাভাবিক করে বলল উজ্জ্বলকে।
‘তারপর আর কী, বিয়ে হলো। আমার মুড ভালো থাকলে আজকে বাসরও হবে।’
ইয়াশের কথা শুনে চমকালো উজ্জ্বল। গম্ভীর ইয়াশ কিনা রসিকতা করছে আজ! সব কি তাহলে ‘বিয়ে’ নামক ঔষধেরই কাজ? যে ঔষধ গম্ভীর, বদমেজাজী ইয়াশকে রোমান্টিক বানিয়ে তুলেছে!
#চলবে….
রেসপন্স কমে যাচ্ছে কেন? এমন হলে কিন্তু গল্প আর আসবে না।
পর্ব দুই পড়ে না থাকলে পড়ে নিন—https://www.facebook.com/61564128154756/posts/122162136026470938/?app=ফ
★
পড়ুন রোমান্টিক ই-বই “রাগে অনুরাগে সিক্ত কাব্য”
https://link.boitoi.com.bd/GQcM
গল্প সম্পর্কে নিজেদের মতামত জানাতে জয়েন হন আমার গ্রুপে।
আমার গ্রুপ—https://facebook.com/groups/569604222322147

