শুভ্রফুল — ১৩ #কলমে_লিজা_আক্তার_আলো

0
36

#শুভ্রফুল — ১৩
#কলমে_লিজা_আক্তার_আলো [ কপি নিষিদ্ধ ]

“ছেলেটার আইডিয়াটা ধারুন বলা চলে তাইনা রে?
নয়তো ভালোবাসার অভিনয় করে সবার আড়ালে নিজের বউকেই কিডন্যাপ করে কেউ ?

এক গুন্ডার কথায় আরেক গুন্ডা বলে উঠলো,

” আমাদের কি ভাই আমরা টাকা পামু। কাজ করমু
ব্যাস! এসব বড়লোকদের কারবার সারবার! আমাদের দেখার বা জানার কোনো প্রয়োজন নেই।

” ঠিকই বলেছিস আচ্ছা পাহাড়া দে। যদি স্যার বলে তাহলে মেরে দিবি আর লাশটা ও এমন ভাবে
লুকাবি যেনো কুকুরে ও গন্ধ শুঁকে না টের পায় যে লাশটা কোথায় আছে।

“ঠিক আছে।

ভয়ে মেরুদণ্ড বেয়ে শিহরণ বয়ে গেলো আলোর।
বউ মানে? শুভ্র কি তাহলে তাকে মারার জন্য প্ল্যান করেছে এসব। এজন্যই এতো ভালো ব্যাবহার করছে তার সাথে। আর আমি সব ভুলে বেহায়ার মতো তার কাছেই ঠায় নিতে চেয়েছিলাম? কেন করলেন আপনি শুভ্র? আপনি এতোটা নিচ কিভাবে হতে পারলেন? আমি তো আপনাকে মুক্তি দিতেই চেয়েছিলাম তাহলে কেন আমায় এভাবে শাস্তি দিচ্ছেন? এটা কি আমার প্রাপ্য ছিলো? আমি তো সবটা মেনে নিয়েছিলাম। হয় সব ছাড়বো নয়তো আমায় আপনি সব সুখ দিবেন তাহলে কি এই আপনার সুখ?

রাগে,দুঃখে,জেদ আর ঘৃণায় চোখ মুখ খিঁচে ফেলে
আলো। একটা মানুষ কিভাবে এতো জঘন্য হতে পারে? এই প্রশ্নটায় মনের মধ্যে বারবার ঘুরপাক খাচ্ছে আলোর।

একলোক আসে ভেতরে আলোকে দেখার জন্য।
টের পেতেই আলো আগের ন্যায় অজ্ঞান হওয়ার ভান করে পড়ে থাকে ফ্লোরের মধ্যে। লোকটা কিছুক্ষণ দেখে বেরিয়ে যায় রুম থেকে।

চোখ মেলে তাকায় আলো। শক্তির জোড়ে ওঠে বসে কোনোরকমে। হাত-পা শক্ত ভাবে বাঁধা। চারদিকে চোখ বুলায় সে। কিছুই তো নেই এখানে।
হাত দিয়ে মুখের স্কস্টিপটা খোলে। দু-হাত দিয়ে অনেক ধৈর্য্যেরসাথে চেষ্টা চালিয়ে যায় সে। গ্রামের মেয়ে আলো। চাচিদের গরুর দড়ির বাঁধন সে দেখেছে কিভাবে বাঁধে। দেখতে কঠিন কিন্তু বুঝলে সহজ। সেই টেকনিক কাটালো আলো। দ্রত কয়েক
মিনিটের মধ্যে হাত পা মুক্ত করে দিলো সে। ওঠে দাঁড়ালো আলো। সবকিছুই অন্ধকার লাগছে।
বাইরে থেকে হালকা আলো আসছে একটু ফুটো
দিয়ে। সামনে এগুতেই দেখলো জানালা। আস্তে আস্তে বললো,

” হ্যা আল্লাহ এবারের মতো বাঁচিয়ে দাও।

অনেক বাড়িতে তো গ্রিল থাকে সেটা ভেবে আশা ছেড়ে দিলো আলো। অনেক কষ্টে ধীরে ধীরে সতর্কতার সাথে জানালাটা খুলতেই মনের মধ্যে একটা বেঁচে থাকার ইচ্ছে জন্ম নিলো। জানালায় গ্রিল নেই। আর সেটা একতলা বিশিষ্ট বাড়ি। এটা বাড়ির পিছনে দিকটা আর গেইট ও দেখা যাচ্ছে। সাথে রাস্তা ও।

চারদিক তাকালো আলো। কেউ যদি এসে যায় তাহলে তো হিতে বিপরীত হতে পারে। সময় নিলো তারপর পা বাড়ালো সামনে জানালা দিয়ে নেমে
দ্রুত পা চালিয়ে রাস্তায় চলে আসলো। ওমা রাস্তা
তো তার চেনা। ভার্সিটির পেছনের রাস্তা এটা।
ফের ভার্সিটির দিকে যেতে নিলো আলো। তার শুভ্রর সাথে কথা বলতেই হবে। হয়তো শেষবারের মতো।
_____________

শুভ্র ভার্সিটির পেছনে নিস্তব্ধ হয়ে বসে রইলো। তার চোখে পানি। কোথায় চলে গেলো আলো? ভার্সিটির সিসিটিভি ফুটেজে কোথাও আলোকে দেখা যায়নি কোথাও না। অবাক হলো শুভ্র। বার বার সন্দেহ তার মিহুলের দিকে। হয়তো সে সিসিটিভি ফুটেজ এ কোনো কারচুপি করেছে। আর আলো ও তার কাছেই আছে। রাগে ওঠে দাঁড়ালো সে। ভার্সিটির মাঠে যেতে লাগলো।
মিহুলকে ধরতে পারলেই আলোর খোঁজ মিলবে।

সময় তেমন হয়নি কেবল দশটা পয়ত্রিশ মিনিট হবে। ভার্সিটির অনুষ্ঠান ক্যান্সেল করে দেওয়া হয়েছে। শুধু মিহুলের কথায়। যেহেতু সে ভার্সিটির একজন রাজনীতিবিদ স্টুডেন্ট। পদ ও বড়। একজন ভিপির কথায় পুরো ভার্সিটির এড়িয়া ও স্টুডেন্টদের একজন একজন করে বের হতে দিলো। হয়তো আলো তাদের মধ্যে থাকতে পারে। রাগ করলে মেয়েটা একাকী বসে থাকে সবার আড়াল হয়ে যায়।

মিহুল আনমনে দাঁড়িয়ে দেখছে মাঠের দিকে তাকিয়ে। কত-শত মেয়ে আছে কিন্তু, তার আলো নেই কারোর মাঝে । চোখ দু’টো লালচে রং আর তার কোণে জমে
টলমল করছে নোনাপানি।

” মিহুল! আমার আলো কোথায়?

মিহুল শুভ্রর কথায় কোনো প্রতিক্রিয়া দেখালো না
বরং সে নিজের মতো করে মাঠে থাকা স্টুডেন্টদের মধ্যে আলোকে খুঁজতেছিলো। ভার্সিটির বাইরে যায়নি মেয়েটা। তাহলে কোথায় যাবে আলো? প্রশ্নের উত্তর মিলছে না কারোর কাছেই। ইতিমধ্যে আসিফ চৌধুরী ও আরিফ চৌধুরী ও খুঁজতে শুরু করেছেন আলোকে। সাথে পুলিশ আছে। এতো মানুষের মধ্যে ভার্সিটি মনে হচ্ছে ছোট্ট একটা জায়গা। কারোর চোখেই পড়ছে না আলোকে।

” আমি কিছু জিজ্ঞেস করেছি মিহুল। আমার আলোকে কোথায় লুকিয়ে রেখেছো আমার কাছ থেকে?

এবার ফিরলো মিহুল শুভ্রর দিকে সে। গম্ভীর স্বরে বলে উঠলো মিহুল,

” আমি ওকে ভালোবাসি। কোনো গুন্ডা নয় যে ওকে আমি কিডন্যাপ করবো। বা জোড় করে নিয়ে যাবো। মিহুল আহমেদ যেমন ভালোবাসতে যানে, আবার সে তেমন আগলে রাখতে ও জানে। কিন্তু আপনার মতো অবহেলা আর কষ্ট দিতে জানে না। আমার তো মনে হচ্ছে আপনি আলোকে নিজের পথ থেকে সরিয়ে দিতে চাচ্ছেন মি. শুভ্র শাহরিয়ার চৌধুরী। কারন ওকে আপনার পছন্দ ছিলো না।

শুভ্রর রাগ হলো না। নিজের করা ভুলের কারনে কেউ কথা শুনাতে পিছপা অব্দি হয়নি। কিন্তু এই মুহুর্তে অতীত নিয়ে না টানলেই ভালো। সে নিজেকে শান্ত করলো। মিহুলের দিকে তাকিয়ে সিরিয়াস ভঙ্গিতে বলে,

” আমি কি করেছি তা আমি জানি কিন্তু তুমি কি করেছো বলোতো? আমার ওয়াইফকে তুমি ভালোবাসার কে? একজন বিবাহিত নারীর দিকে
তাকানোর সাহস হয় কি করে? আমার তো মনে হচ্ছে তুমি আমার আলোকে কিডন্যাপ করেছো। আমার কাছ থেকে দূরে সরানোর জন্য।

ক্রোধান্বিত হয়ে শুভ্রর সার্টের কলার চেপে ধরলো মিহুল। চোখমুখ শক্ত করে কাঠিন্যে স্বরে বলে উঠলো সে,

” খবরদার স্যার আমার নামে মিথ্যা কথা আমি একদম টলারেট করতে পারি না। একদম না! আমি আলোকে ভালোবাসি। এবং বাসবো ও সারাজীবন। আলো আমার না হলে ও কারোর হতে পারবে না। ধ্বংস করে দিবো সব কেবলই ধ্বংস!

কথা শেষ হতে না হতেই শুভ্র ও ফের পাল্টা আঘাত করলো। বলতে গেলে ব্যাপারটা হাতাহাতি অব্দি চলে যাচ্ছিলো। একে অপরকে যেভাবে পারছে আঘাত করতে লাগলো। হঠাৎ খুব জোরে ঘুসি মারলো শুভ্র মিহুলকে। রাগান্বিত স্বরে ক্ষোব্দ হয়ে বলে উঠলো,

” আমার আলোর কিছু হলে তোকে আমি প্রাণে মেরে দিবো। কি ভেবেছিস তুই আমার ওয়াইফ হয় ও। আর তুই তাকে তোর ভালোবাসা বলছিস? তোর এই মুখ আর রাখা যাবে না।

শুভ্র তৎক্ষনাৎ আছাড় মারলো ফ্লোরের দিকে মিহুলকে আকস্মিক আঘাতে নিচে পড়ে গেলো মিহুল। শুভ্র আবারও তুলে আঘাত করতে নিলো মিহুলকে। মিহুল ও কম নয় একে অপরের দিকে তেড়ে আসলো দু’জনই।

তাদের অবস্থার প্রায় অবনতির দিকে যাচ্ছিলো। আহি মিহুলের কাছেই আসছিলো সাথে ছিলো জামিল সাহেব।

ছেলেকে মার খেতে ও মারতে দেখে দ্রুত কাছে আসলেন তিনি।

” এএএই তোমরা কি শুরু করছো। মিহুল বাবা তুই ঠিক আছিস তো?

দ্রুত দুজনকে আলাদা করে মিহুলকে নিজের দিকে টেনে নিলো জামিল সাহেব। আহি তো ভয়ে এক কোণে দাঁড়িয়ে গেলো। হাত পা কাঁপছে তার। আর একটু দেরি হলে না জানি দুজনের অবস্থা কেমন হতো। কোথায় আলোকে খুঁজবে তা না করে দুজনে মিলে মারামারি করছে।

” ছাড়ো আমায় আব্বু আমি ও দেখি স্যারের কতটুকু শক্তি আমায় মেরে ফেলার। আমি আলোকে এক মুহূর্তের জন্য ও ছাড়বো না। আমি তোমাদের সামনে চ্যালেঞ্জ করছি আমি আমার আলোকে আমার করেই ছাড়বো। সেটা সোজা পথ হোক বা বাঁকা তাতেই আমার কিচ্ছু যায় আসে না। হয় মরবো নয়তো মারবো।

বলেই বুড়ো আঙুলের সাহায্যে নাকের কাছে গড়িয়ে পরা তরল রক্ত মুছে ফেলে মিহুল।

মিহুলের এমন কথায় শুভ্রর রাগ তীর তীর করে বেড়ে গেলো। নিজেকে সালাতে ব্যর্থ হয়ে এগিয়ে যেতে নিলো মিহুলের দিকে,

” থামুন!

চেনা কন্ঠস্বর চিনতে অসুবিধা হলো না কারোর। শুভ্র তড়িৎ গতিতে তাকালো পেছনে। মিহুল ও আহি ও তাকালো। জামিল সাহেব ভ্রুু কুঁচকে তাকিয়ে আছে আলোর মুখপানে।

” আলো কোথায় ছিলে এতোক্ষণ বলেই সামনে এগুতে
নিলে বাধ সাধলো আলো। ঘৃণিত দৃষ্টি ও কাঁপা কাঁপা গলায় বললো সে,

” ওখানেই দাঁড়ান আপনি।

আলোর কথা শুনে মিহুল খুশি হলো। হাসলো সে পা বাড়াতে বাড়াতে বললো,

” আলো তুমি ঠিক আছো তো? কোথায় ছিলে তুমি?
তোমার জন্য কত টেনশন হয়েছিলো জানো তুমি?

আলো জবাব দিলো না। তার চোখ কেবল শুভ্রর চোখের দিকে সীমাবদ্ধ রয়েছে।

আহি বুঝলো না আলোর কি হয়েছ ও এমন থম মেরে দাঁড়িয়ে রইলো কেন? শুভ্র অবাক হলো আলোর কথায়
সে কি করেছে তার সাথে? এমন ভাবে কথা বলছে কেন? শুভ্র আবার ও বললো,

” আলো এমন বিহেভিয়ার করছো কেন? তুমি ঠিক আছো তো?

আলো অস্ফুটস্বরে কয়েকটা বাক্য বলে লুটিয়ে পড়লো
মাটিতে।

” আমাকে বললেই তো আপনার জীবন থেকে বিদায় নিতে পারতাম চৌধুরী সাহেব। এভাবে পৃথিবী থেকে বিদায় না করলে ও পারতেন। আপনার সাথে বেঁচে থাকার তীব্র ইচ্ছে ছিলো আম………

কেউই বুঝলো না আলোর কি হয়েছে। আলোকে পড়তে দেখে শুভ্র সহ সকলে দৌড়ে এগিয়ে গেলো। মিহুল ও আহি আলো বলে চিৎকার দিয়ে উঠলো। শুভ্র নিজের কোলে তুলে নিলো সাথে সাথে। এতোক্ষণ কেউ না বুঝলে ও পরে সকলে আৎকে উঠলো।

” এই আলো কথা বলো কি হয়েছে তোমার? প্লিজ কথা বলো।

শুভ্র অস্থির হয়ে গালে চাপড় দিচ্ছিলো। বুঝতেছিলো না আলোর কি হলো।

যখন তার কালো প্যান্টা ভিজে যাচ্ছিলো আলোকে
যেখানে নিজের হাটুর মধ্যে রেখেছিলো তখন বুঝতে পারলো শুভ্র। হতভম্বের ন্যায় স্থির হয়ে এলো শুভ্রর চোখ দুটো।

আলোকে ছুড়ি দিয়ে আঘাত করা হয়েছে পিটের মধ্যে।
সে কেবল ভার্সিটির পেছনের গেইট দিয়ে আসছিলো দৌড়ে কিন্তু শেষ রক্ষা তার আর হলো না। কিভাবে যেন গুন্ডা গুলো টের পেয়ে গেলো আর তার পিছু নিলো।
আকস্মিক ভাবে নিজের পিটের তীব্র গতিতে কিছু ডুকতেই চোখমুখ উল্টিয়ে দিলো আলো। জোরপূর্বক ধাক্কা দিয়ে এতোটুকু পথ এসে মিহুল ও শুভ্রকে দেখে
দেওয়ালের সাথে হেলিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলো সে।

” আলো এই আলো আমার আলোর কি হলো আব্বু আলোকে কে মেরেছে কার বুকের এতো বড় পাটা আমার আলোর গায়ে আঘাত করেছে আমি ওকে জানে মেরে ফেলবো আব্বু ও কথা বলছে না আব্বু। আৃি কি করবো বলো? আহি ওকে উঠতে বল। আমার কষ্ট হচ্ছে।

আহি কান্না করে দিয়েছে আলোর অবস্থা দেখে। আহি
কান্নারত কন্ঠে বলে উঠলো,

” ভাইয়া শান্ত হও। আগে এম্বুলেন্সে কল করো। ওকে মেডিকেল নিতে হবে এক্ষুনি।

শান্ত হলো মিহুল আহির কথা মতো দ্রুত ফোন বের করে ইমিডিয়েটলি এম্বুলেন্সে কল করলে তার আগেই
শুভ্র কোনো কিছু না ভেবে পাঁজা কোলে নিয়ে নিজের গাড়ির কাছে যেতে নিলে পথ রোধ করে দাঁড়ায় মিহুল।
রক্ত চক্ষু নিয়ে দু-হাত প্রশস্ত করে বলে উঠলো সে,

” কোথাও যেতে পারবেন না স্যার। আমার আলো বলেছে আপনি ওকে মারতে চেয়েছেন তার মানে আপনি একটা খুনি। আমার আলোকে মেরেছেন। আলোকে ছাড়ুন ওর কিছু হলে আপনার লাশ ফেলে দিবো আমি।

ভয় আর টেনশনে রাগ করা ভুলে গেলো শুভ্র। ছলছল করা চোখে তাকিয়ে বলে উঠলো সে,

” এখন ঝগড়া করার সময় নই মিহুল আমাকে যেতে দাও আগে ওকে বাঁচাতে হবে তারপর যা ইচ্ছে করো।

” আলো কোথাও যাবে না আপনার সাথে। ওকে আপনি মেরে ফেলবেন৷ ও আমার সাথে যাবে ছাড়ুন ওকে।

” কি বলছিস মিহুল তুই? এদিকে আয় ওদেরটা ওদের বুঝতে দে।

মিহুল দ্বিগুণ চেঁচিয়ে বলে উঠলো,

” আপনি কোনো কথা বলবেন না আব্বু। এটা আমার আলোর জীবন মরনের প্রশ্ন। আর আমি বেঁচে থাকতে ওর কিছুই হতে দিবো না।

কথা শুনলো না শুভ্র পাশ কাটিয়ে চলে যেতে নিলে ফের সামনে এসে আলোর হাত ধরলো মিহুল। আহি এসে আটকালো মিহুলকে,

” মিহুল ভাইয়া তোমাদের রাগ সব পরে করো পরে দেখিও। আগে আলোকে বাঁচাতে হবে। নয়তো ওর এখানে জীবন শেষ।

” কি হয়েছে এখানে?

” আলোকে পেয়েছিস শুভ্র?

ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছালো আসিফ চৌধুরী ও আরিফ চৌধুরী। সাথে পুলিশ ফোর্স ও।

” ওকে বাঁধা দিবেন না আপনি মেয়েটি ওনার ওয়াইফ হন।

মিহুল কিছু বলতে নিলে পুলিশ থামিয়ে দেয়। শুভ্র দ্রুত গাড়ির কাছে যায়। সাথে আসিফ চৌধুরী ও আরিফ চৌধুরী যায়।

চলবে,,,,,,,,

[ পেইজে ফলো দিয়ে রাখবেন পরবর্তী পর্ব পাওয়ার জন্য ]ল

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here