শুভ্রফুল — ১৫ #কলমে_লিজা_আক্তার_আলো

0
47

#শুভ্রফুল — ১৫
#কলমে_লিজা_আক্তার_আলো

[ কপি নিষিদ্ধ ]

সন্ধ্যা ঘনিয়ে এসেছে ধরনীর বুকে। আকাশটা আজ মেঘলা। মেঘেরা উড়ে বেড়াচ্ছে আকাশের বুকে,কখন না জানি ঝরে পড়ে অলিগলির ভিজিয়ে দেই বৃষ্টি হয়ে। করিডোরের শেষ মাথায় অস্থির চিত্তে বসে আছে শুভ্র। কপালে দুই হাত ঠেকিয়ে। বার বার ওঠে ICU এর দিকে উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে সে। আলোর কোনো উন্নতি হচ্ছে না বরং অবনতির দিকে কয়েক ধাপ এগিয়ে গিয়েছে। ডক্টর জানিয়ে দিয়েছেন একশো পার্সেন্ট এর মধ্যে বিশ পার্সেন্ট বাঁচার চান্স আছে।

অন্যদিকে আসিফ চৌধুরী ও আরিফ চৌধুরীর জন্য একটা কেবিন বুক করেছে রাতটা থাকার জন্য।
আফিয়া চৌধুরী ও নীলিমা চৌধুরী ওনাদেরকে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছেন জোর করে। তার মধ্যে দু’বার
পুলিশ আসে তদন্ত করার জন্য। ভার্সিটির পেছনের দিকের সিসি ক্যামেরায় চার পাঁচজন লোক দেখা গিয়েছে। শুভ্রকে সন্দেহর তালিকায় রেখেছেন সাথে মিহুলকে ও। কারন দুজনের কাছেই মারার যথেষ্ট কারন আছে। কিন্তু দু’জনই আলোর ভালো চাই সেটা পুলিশ বুঝতেছে না। তারা আবেগে নয় প্রমানে বিশ্বাসী। শুভ্র কিছুই বলেনি শুধু পুলিশকে যেভাবে পারছে সাহায্য করার চেষ্টা করছে। কার এতো বড় সাহস সেও দেখতে চাই তারপর দেখা যাবে।
__________________

” খাবারটা ওকে খাইয়ে দাও শাহানা। ওর হাত খোলা যাবে না। আমি চাই না ও বাড়ির বাইরে পা রাখুক।

” আম্মু চলে যাও তুমি। আমি খাবো না যতোক্ষণ না আমার হাতের বাঁধন খুলে দিচ্ছে।

শাহানা বেগম নরম স্বরে স্বামীর উদ্দেশ্যে বলেন,

” সেই বারোটা বাজে ওর হাত উল্টো করে বেঁধে রেখেছেন ব্যাথা লাগছে তো আমার ছেলেটাকে আর কতক্ষণ বেঁধে রাখবেন আপনি ?

মুখটা কাঠিন্য করে ফেললেন জামিল আহমেদ।
নিমিষেই চোখ নামিয়ে ফেললো শাহানা বেগম।
তিনি কঠিন গলায় বলে উঠলেন,

” আমার কথার উপরে কারোর কথা বলা আমার একদম পছন্দ না জেনে ও কেনো বার বার কথা বলছো তুমি? যা বলছি তাই করো। আর ও না খেলে না খাবে ছেলে মানুষ একদিন না খেয়ে থাকলে কিছুই হবে না। তবুও ওকে আজ আমি ছাড়তে পারবো না। কিছুক্ষণ পর কাজী আসবে। আহিকে রেডি করে রাখবে আমি আজ রাতে ওদের বিয়ের আয়োজন করেছি।

বিরক্ত হলো মিহুল। এই বাবা নামক লোকটাকে এখন সত্যিই বিরক্ত লাগছে৷ কেন এমন করছে তিনি হঠাৎ ভ্রুঁ কুচকে তাকালো জামিল আহমেদ এর দিকে, বলে উঠলো সন্দেহজনক কন্ঠে,

” আব্বু তুমি করো নি তো আলোর এই অবস্থা..? তোমার হাবভাব ভালো ঠেকছে না।

চমকে ওঠলো শাহানা বেগম ও তাদের পিছনে দাঁড়িয়ে থাকা আহি। সকলের চোখ এখন জামিল আহমেদ এর দিকে, তিনি নির্বিকার! না আছে ভয় না আছে নিজেকে প্রমান করার কোনো আকুলতা। তিনি আরেকটু কড়াভাবে বলে,

” যদি আমার কথা না শুনো তাহলে ওই মেয়ের যেটুকু প্রাণ এখনো চলছে না সেটা ও শেষ হয়ে যাবে শুধু আমার একটা আদেশে। আমার লোক রয়েছে ওখানে আমার অর্ডার পেলেই কেইস খতম! তারপর ফেঁসে যাবে শুভ্র শাহরিয়ার চৌধুরী। আলো না থাকলো তোমার আর না থাকলো ওই ছেলের। মাঝখান থেকে ছেলেটার জীবনটা নষ্ট হয়ে যাবে। বলতে বাধ্য হয়েছি তোমায় আমার কথা না শুনলে পরিস্থিতি খুবই খারাপ হবে।

রেগে দাঁতে দাঁত চেপে বলে ওঠে মিহুল,

” আ’ম শিউর তোমারই কাজ আমি শুধু শুধু ভুল বুঝেছিলাম স্যারকে। তুমি থাকতে আমার শত্রুর কোনো প্রয়োজন আছে বলে কখনো মনেই করিনি আর আজ আমিই ভুলে বসলাম ড্যাম ইট!

হাসলেন জামিল আহমেদ।

” গুড বয় মা’ই সান! বাবাকে ছেলে চিনবে এটাই তো স্বাভাবিক। আমি যা চাই তাই যেনো হয়। নয়তো…..

” আমি ও তোমারই ছেলে তোমার শরীরে যেমন রাগে রক্ত টগবগ করছে তেমন আমার ও। তাই
আমি ও জানি কিভাবে তোমার সাথে খেলতে হয়।
ফাইন আমি বিয়ে করবো তোমার কথা মতো। তবে আলোর যদি কিছু হয় আই সয়ার, তার জন্য তুমি জেলে নয় কবরে যাবা বলে রাখলাম

” একসেপ্টেড! আমি তোমার শর্ত মানালাম। বিয়ে করো ওদিকে সব ভালো থাকবে। আমি চেষ্টা করবো যেনো মেয়েটা দ্রুত ভালো হয়। কারন ডক্টরের মেয়ে আবার আমার হাতে বন্ধী আমি যদি ডক্টরকে বলি সঠিক চিকিৎসা করতে করবে নয়তো বলবে আ’ম সরি হি ইজ ডেড!

আহি বিস্ময় নিয়ে তাকিয়ে আছে জামিল সাহেব এর দিকে। লোকটা এতোটা জঘন্য হতে পারলো?
নিজের ভবিষ্যতে নিয়ে খুবই চিন্তিত আহি। আলোর জীবনটার কি পরিনতি হবে? আর নিজের
জীবনের ধ্বংস সে নিজেই দেখছে যে মানুষটার সবটা জুড়ে রয়েছে আলো আর সে তাকে ভালো বাসবে কখনোই না। কি হচ্ছে সুন্দর স্বাভাবিক জীবনটার? কেন সব অস্বাভাবিক লাগছে? আহি প্রস্থান করলো তৎক্ষনাৎ। দাঁড়িয়ে থাকা পসিবল হচ্ছে না তার।
___________________

” এই যে মিস্টার আপনার ওয়াইফ রেসপন্স করছে। জ্ঞান ফিরেছে। দেখা করতে পারেন এখন।

শুভ্রর চোখ দুটো আনন্দে ছলছল করে উঠলো। ওষ্ঠদ্বয়ে হাসি ফুঠলো। দ্রুত বলে উঠলো সে,

” আমি যাবো ডক্টর। আমি ওর সাথে দেখা করবো। প্লিজ চলুন।

” ইয়েস আসুন আমার সাথে।

ডক্টর ICU রুমের সামনে নিয়ে গেলো তারপর বলেন,

” মাত্র পাঁচ মিনিট কথা বলবেন। আর এমন কোনো কথা বা প্রশ্ন করবেন না যেন সে উত্তেজিত হয়ে যায়।

” আপনি কোনো টেনশন করবেন না ডক্টর। আমি ওর হাসবেন্ড আমি চাইবো না ওর কোনো প্রবলেম হোক!

” বেস্ট অফ লাক!

ভেতরে গেলো শুভ্র। হাত পা কাঁপছে খুব। বুকের বা পাশটা কেমন চিনচিন ব্যাথা করছে। আলোর কাছে না যেনো কোনো পরীক্ষা দিতে যাচ্ছে এমন লাগছে শুভ্রর।
আলোর জ্ঞান ফিরেছে অনেকক্ষণ চোখ বুঝে আছে সে কিন্তু চোখের কোণ বেয়ে পানি পড়ছে। কাঁদছে মেয়েটা।
শুভ্র নিঃশব্দে এসে পাশে বসলো। আলো বোধহয় তা ঠাহর করতে পারলো না। শুভ্র আলোর কান্নারত বুঁজে
আসা চোখের দিকে তাকিয়ে আছে। মেয়েটা তাকে ভুল বুঝলো কেন? হাত বাড়ালো সে, চোখের পানি মুছে দিলো বুড়ো আঙুলের সাহায্যে। চমকে উঠলো আলো।
ধীরে ধীরে চোখ খুললো ফ্যাকাশে মুখখানা কেমন মরা মানুষের মতো লাগছে। কেউ যেনো মেয়েটার শরীরের সব রক্ত চুষে নিয়েছে। শরীর কেমন নিস্তেজ হয়ে গিয়েছে।

আলো তাকালো পাশে, চোখের সামনে ভেসে উঠলো শুভ্রর মলিন চেহেরাটা। যেখানো অন্ধকারে হালকা আলো ফুটার মতো উজ্জ্বল লাগছে।

” কেমন লাগছে এখন? ঠিক আছো তো..?

অস্থির হয়ে জিজ্ঞেস করলো শুভ্র। আলো জবাব দিলো না। ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে রইলো শুভ্রর মুখপানে। শুভ্র আলোর মাথায় হাত রাখতে নিলে আলো মুখ ফিরিয়ে নিলো। শুভ্র কিঞ্চিৎ কষ্ট পেলো। দীর্ঘ শ্বাস ছেড়ে বললো,

” তোমার মতে আমি কোনো অন্যায় করে থাকলে তা আজ নিরদ্বিধায় বলতে পারো আমি সব মাথা পেতে নিবো। কিন্তু তোমায় মেরে ফেলার মতো কুৎসিত অভিযোগ আমার উপর করো না প্লিজ। আমি এতোটা ও নিচ মনের মানুষ না যে নিজের ওয়াইফকে নিজে মেরে ফেলবো। তা যদি হতো এতো বছর আলাদা না থেকে এমন একটা ঘৃনিত কাজ কবেই করতে পারতাম।
যায় হোক আমি নিজেকে প্রমান করতে চাই না আমি কি করেছি আর কি করিনি।

আলোর হাতের উপর হাত রাখলো শুভ্র। আলো চাইলো কিন্তু সরাতে পারলো না। সেই শক্তিটা সে পাচ্ছে না।
অতঃপর শুভ্র আবার ও বললো,

” তোমার আমার প্রতি যদি এই বিশ্বাস থেকে থাকে যে আমি এমন একটা জঘন্য কাজ করেছি তাহলে আমি নিরদ্বিধায় পুলিশকে জানাচ্ছি আমি অপরাধী। বলো তুমি বিশ্বাস করো?

আলো আধভাঙ্গা গলায় শুধালো,

” আমি আপনার সাথে কোনো কথা বলতে চাই না। উপরওয়ালা যেহেতু বাঁচিয়ে দিয়েছেন এতেই আলহামদুলিল্লাহ। আমি কাউকে কোনো দোষারোপ করছি না। আমার এই অবস্থার জন্য কেউ দায়ী না।
আপনি চলে যান এখান থেকে আমি একা থাকতে চাই।
প্লিজ লিভ্ মি এলন!

” আলো আমি তো…..

” প্লিজ চলে যান।

” স্যার প্লিজ ওনার শ্বাস নিতে প্রবলেম হচ্ছে আপনি এখন আসতে পারেন।

নার্স দ্রুত এগিয়ে এসে অক্সিজেন মাস্ক পড়িয়ে দেয়
আলোকে।

শুভ্র হতাশ হলো। কেন তার প্রতি এতো ঘৃণা সে তো কোনো অন্যায় করেনি। কে বুঝবে এই কথাটা। যেখানে প্রিয় মানুষটা ভুল বুঝতেছে থাকে।

অসহায় হয়ে বাইরে বেরিয়ে এলো শুভ্র। তার কিছুক্ষণ পর নার্স এসে জানালো,

” মি. চৌধুরী মিসেস চৌধুরী বলেছেন কাইন্ডলি পুলিশ কে ইনফর্ম করতেন। তিনি পুলিশের সাথে জরুরি কিছু কথা বলতে চাচ্ছেন।

শুভ্র অবাক হলো বেশ। দ্রুত ফোন বের করলো ফোন দিলো পুলিশ অফিসারকে। জানালো কিছুক্ষণের মধ্যে চলে আসতে। নার্স চলে গেলো। মেডিকেলের করিডোরের শেষ মাথায় গ্রিলে হাত রেখে দাড়িয়ে আছে শুভ্র। কি অদ্ভুত জীবন কখন কাকে কোন পরিস্থিতিতে ফেলে দেয় কেউ বলতে পারে না। সেইদিন চলে যাওয়াটায় ছিলো সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত যা আজকে খুব করে পস্তাতে হচ্ছে শুভ্রকে। নিজের ওয়াইফ , নিজের ভালোবাসার মানুষটাকে অন্য একটা মানুষ কত তীব্র ভাবেই না ভালোবাসে। শুধু তার নিখোঁজ হওয়ার সুযোগে। নয়তো কারোর সাহস হতো না তার প্রিয় শুভ্রফুলের দিকে তাকাতে? ঘুরে ফিরে সকল অভিযোগ নিজের দিকেই ইশারা করে।

নাওয়া খাওয়া সব ভুলে এক কাপড়ে পড়ে আছে মেডিকেলে শুভ্র। কখন সুস্থ হবে তার আলো সেই অপেক্ষায় প্রহর গুনছে। আসিফ চৌধুরী ও আরিফ চৌধুরী রাগে কথা বলেন না শুভ্র সাথে তাদের ধারনা হয়তো শুভ্র কিছু করেছে বা কিছু বলেছে। তাছাড়া ছোট্ট মেয়েটার শত্রু বলতে তেমন কেউ নেই এই শহরে।
এতো দিন তো কিছুই হয়নি। যেই না শুভ্র এলো ওমনি বিপদ ও উঁকি দিলো আলোর জীবনে। শুভ্র কারোর কথা তেমন পাত্তা দিলো না। আর এই মুহুর্তে রাগ করাটা মোটেও ভালো কাজ না। সে শুধু আলোর মুখে সত্যি কথাটা জানতে চাই। আর আলোর সুস্থতা।

” শুভ্র!

কন্ঠ শুনে চিনলো তবে তাকালো না পিছনে শুধু ছোট্ট করে জবাব দিলো শুভ্র,

” বলো চাচ্চু!

” খেতে আয় ভাইজান ডাকছে। সকাল থেকে তো কিছুই পেটে পড়েনি।

” আমার খিদে নেই তুমি আর ড্যাড খেয়ে নাও।

” সব সময় এই না শব্দটার জন্যই বিপদ আসে জীবনে কেন এমন করিস বলতো?

ফিরলো এবার শুভ্র। বললো,

” চাচ্চু আলো আমায় ভুল বুঝতেছে আর তোমরা আমায় খেতে বলছো? তোমরা ও তো আমায় সন্দেহ করো।

কাঁধে হাত রেখে সান্তনা স্বরুপ বলে উঠলেন আরিফ চৌধুরী,

” সব ঠিক হয়ে যাবে। আলো এখন আগের থেকে অনেকটা সুস্থ। সী ইজ আউট অফ ডেঞ্জার! কিন্তু তুই এভাবে না খেয়ে থাকলে আলোর সাথে তোকে ও মেডিকেলে থাকতে হবে দেখছি। আয় আমার সাথে।
আর আমি জানি তুই এমন কোনো কাজ করবি না যেখানে আলোর কোনো বিপদ হতে পারে। সেইসময় রাগ হয়েছিলো তোর প্রতি তাই মনে যা আসছে তাই বলেছি।

জোড় করে নিয়ে গেলো আরিফ চৌধুরী। বাসা থেকে ড্রাইভার কে দিয়ে খাবার পাঠিয়েছেন আফিয়া চৌধুরী।
তিনি আসতে চেয়েছিলেন কিন্তু কড়াভাবে বারন করে দিয়েছেন আসিফ চৌধুরী। আজ টেনশনের কোনো কারন নেই আলো এখন অনেক সুস্থ। একেবারে কাল এসে দেখা করতে। তাই তিনি আর কিছুই বলেননি।
আরিফ চৌধুরী ও আসিফ চৌধুরী আলোর সাথে দেখা করেছেন। মেয়েটা আগের থেকে অনেকটা ভালো।
________________

” এই যে ভাইজান আমি কি শুনছি আপনি আলোকে মারেননি কেন? পরিবেশটা অন্যরকম লাগছে ওদের মিল হয়ে গেলে আমার মেয়ের কি হবে। আমি যে এতো সাহায্য করলাম আপনাকে?

আতিকা বেগম এর কথায় চশমাটা ভালো করে পড়লো
জামিল আহমেদ। ফোনটা কানে ভালো করে ধরে তারপর শুধালো,

” টাকা আপনার একাউন্টে তো আর কম পড়েনি মিসেস আতিকা। আমার কাজ সবার আগে আমি তো আপনার কাজ করার জন্য এতোকিছু করিনি। টাকা পেয়েছেন মুখ বন্ধ রাখুন। নয়তো এই খেলা কখন কোন দিকে ঘুরে যায় তা আপনি টের ও পাবেন না পরে দেখা যাবে, না আপনার আত্মীয়তা থাকবে, আর না আপনার ইচ্ছে পূর্ণ হবে মেয়ের শশুর বাড়ি। বুঝলেন তো কথার মানেটা?

রেগে ফুঁসে ওঠে আতিকা বেগম। টাস করে কেটে দিলো কলটা। লোকটা বড্ড সেয়ানা। নিজের স্বার্থ মতো কাজ করলো। কত আর দিয়েছে দশলাখ। আর তার মেয়ে এই বাড়ির বউ হলে দশলাখ কেন দশকোটির ও বেশি সম্পদের মালিক হবে। বড় স্বপ্নর জন্য এই তুচ্ছ টাকা কিছুই না। যা করতে হবে নিজেকেই কারোর উপর ভরসা করা যাবে না। ভাবতে লাগলেন তিনি কি করা যায়।
__________________

ওইদিকে বিয়ের তোরজোর শুরু হয়ে গিয়েছে। ঘরোয়া ভাবে হলেও পরিবেশটা বেশ রমরমা অথচ বর কনে কারোর মুখে কোনো আনন্দ নেই। মিহুল কে ছেড়ে দিয়েছে কিন্তু হাত পা খোলা থাকলে ও কোথাও একটা বাঁধা পড়ছে। কিভাবে জানাবে আলোর বিপদ যে সামনে। তার ভুল আলোর জীবন শেষ। দোটানায় আটঁকে গেলো মিহুল। নিজেকে জীবন্ত লাশ মনে হচ্ছে তার। কি করা যায় এখন………..

চলবে,,,,,,

[ পরবর্তী পর্ব পেতে পেইজটি ফলো দিয়ে রাখবেন..! ]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here