#শুভ্রফুল — ৭
#কলমে_লিজা_আক্তার_আলো
[ কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ]
” আমার হাত ছাড়ুন মি. চৌধুরী!
শুভ্রর এইরুপ দেখে সকলের চোখ ছানাবড়া। যে ছেলে আলোর জন্য বাড়ি ছাড়া আজ সে বাঁধা দিচ্ছে আলোকে ডিভোর্স পেপারে সাইন করতে ? হতবাক নয়নে তাকিয়ে আছে সবাই। কিন্তু, সবার মধ্য থেকে আসিফ চৌধুরীর গম্ভীর কন্ঠস্বর ভেসে এলো,
” শুভ্র আলোর হাত ছেড়ে দাও। ও যা করছে করতে দাও তারপর আমি ওকে নিজ দায়িত্বের সহিত ভালো ছেলে দেখে বিয়ে দিবো। অন্তত তোমার মতো অসভ্য হবে না।
আসিফ চৌধুরীর সাথে সায় দিয়ে আরিফ চৌধুরী ও বলে উঠলো,
” ভাইজান ঠিকই বলেছে শুভ্র ওর হাত ছেড়ে দে। হঠাৎ তোর কি এমন হলো বলতো?
হাত মুচড়া মুচড়ি করছে আলো। শুভ্র ধৈর্য ধরে সবার কথা শুনলো। অতঃপর শুধালো,
” অর্নব উকিল সাহেব কে দিয়ে আয়। যেখান থেকে এনেছিস সেখানে।
অর্নব অবাক হয়, সাথে অনেক খুশি হলো সে শুভ্রর কাজে। তাই সে দ্রুত উকিল সাহেবকে নিয়ে যেতে লাগলো। কিন্তু উকিল সাহেব যেতে চাচ্ছে না। বার বার পিছু তাকায়। তার মধ্যে আলো বলে উঠলো,
” আপনি যাবেন না উকিল সাহেব। এই ডিভোর্স হবে। আমি সিগনেচার করবো তারপর ওটা জমা দিবেন। এই লোকের সাথে আমার কোনো সম্পর্ক ছিলো না আর না কোনোদিন হবে! যে মানুষটা অন্যের কথা বিশ্বাস করে
তার সাথে আর যায় হোক সংসার করা যায় না।
উকিল সাহেব দাড়ালো আলোর কথা শুনে। খুশি হয়ে বসতে এলো। কিন্তু, ধমক দিলো শুভ্র, ফের দাঁড়িয়ে গেলো উকিল।
” অর্নব কি এক আবুলকে এনেছিস তুই? তার ফি দিয়ে বিদায় কর তো। হালাল সম্পর্কের মধ্যে বিচ্ছেদ করতে চাইছে। নিশ্চয়ই সয়তানের পক্ষ থেকে আসছে।
উকিল সাহেব খুশি হলেন। তার মূলত টাকার জন্য যেতে ইচ্ছে করছিলো না। টাকার কথা শুনে বাইরে চলে আসলো। কথা শুনা কোনো ব্যাপার না এমন কথা তার কাছে পান্তাভাত মাত্র!
আফিয়া চৌধুরী সস্থি পেলেন ফাহিমা চৌধুরী তো নিঃশব্দে হেসে উঠলেন। মেয়েটা তার যাবে না এই ভেবে স্থির হলেন। মনটা শান্ত হলো সবার। কিন্তু, আলো আলোর সিদ্ধান্তে অটল সে থাকবে না এখানে।
” কি হলো হাত ছাড়ুন বলছি। আমি চলে যাবো। এমনিতেই অনেক দেরী হয়ে যাচ্ছে।
শুভ্র আলোর নীকাবটা খুলে ফেললো। কান্নার কারনে চোখ দু’টো ফুলো ও লাল হয়ে আছে। নীকাবটা এখনো ভিজে আছে চোখের পানিতে। আলোর একটা স্বভাব চোখের পানি মানুষ বোঝে না পরিস্থিতি বোঝে না। ঝড়ঝড়ে পড়ে যায়। শুভ্র হাতের বুড়ো আঙুল দ্বারা দু’চোখের পানি মুছে দিলো। নাক গাল লাল টকটক করছে। শুভ্র আলোর দিকে সবার সামনেই স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো। আলো তাকলো না বরং সে ঘৃণায়
মুখ ফিরিয়ে নিলো অন্যদিকে। শুভ্র সকলের সামনে বললো,
” মম ড্যাড, কাকাই কাকিয়া তোমাদের সবার কাছে আমি মাফ চাইছি, আ’ম সরি। আমার এই ভুলের জন্য যে পানিশমেন্ট দিবে তোমরা তাই মাথা পেতে নিবো শুধু আমার বউ ছাড়া। আমি আমার বউকে কোথাও যেতে দিবো না। ও আমার ছিলো আমারই থাকবে। চলো আমার সাথে।
” আমার হাত ছাড়ুন বলছি। নয়তো খুব খারাপ হবে।
শক্ত হাতে মুঠোয় বন্ধী আলোর হাত চাইলে ও সরানো অসম্ভব আলোর কাছে। শুভ্র মৃদু হাসলো।
বললো,
” এতোদিন সব খারাপ হয়েছে মিসেস শুভ্র। আজ থেকে যা হবে সব ভালো হবে।
দাঁতে দাঁত চেপে বলে উঠলো আলো,
” আপনার ভালো নিয়ে আপনি থাকুন। আমাকে ধরে রেখেছেন কেন? কিসের এতো অধিকার আপনার কোথায় ছিলেন এতোদিন? আমার মতো লোভী, গাইয়া,ছোটলোক, এতিম মেয়ে,আপনার সাথে যায় না। আমি আপনাকে মুক্ত করে দিলাম। আমি এবার একটু শান্তি চাই। এই ঝামেলা থেকে। হাঁপিয়ে গিয়েছি আমি।
মামুনি এই লোকটাকে বলো আমায় ছাড়তে নয়তো খুব খারাপ হবে।
কেউ কোনো কথা বললো না উল্টো সকলে তাদের রুমে চলে গেলো। তাদের কে একা ছেড়ে দিলো। মিটিয়ে নিক যতো ঝামেলা মান অভিমান। অবাক হলো আলো। তার মধ্যে অবাকের চরম পর্যায়ে চলে গেলো শুভ্রর এমন কান্ডে । শুভ্র আলোকে পাঁজা কোলে তুলে নিলো এক ঝটকায়। আলো চেঁচিয়ে উঠলো সাথে সাথে,
” লজ্জা করে না আমাকে টাচ করতে। নামান আমায় আমি কখনো আপনার মতো একটা নিচু মনের মানুষের সাথে সংসার করবো না।
শিড়ি বেয়ে উপরে উঠতে লাগলো শুভ্র। আলোর তীক্ষ্ণ চোখের দিকে তাকিয়ে ঘোরের মধ্যে বলে উঠলো,
” নো প্রবলেম মিসেস নিচু মন উচু করবো তারপর ও আমার সাথেই সংসার করতে হবে।
” জীবনে ও না নামান আমায়। লজ্জা করে না আপনার আমাকে বউ বলার?
শুভ্র শব্দ করে হাসলো। তাদের রুমে এসে পৌঁছালো। চিরচেনা রুমটা চারদিকে চোখ বুলালো সে। শুভ্রর বেখেয়ালিতে জোড় করে নেমে পড়লো আলো। আকস্মিকতায় শুভ্র বুঝতে বুঝতে আলো ততোক্ষণে দূরে সরে আসলো। কাঠ কাঠ গলায় বলে উঠলো সে,
” আমি আলো। ধৈর্যের গভীরতা নিয়ে যেমন কাউকে তীব্রভাবে ভালোবাসতে পারি, তেমনি একদিন মন থেকে উঠে গেলে, একই তীব্রতায় ঘৃণাও করতে পারি। আমার ভালোবাসা যেমন তীব্র, আমার ঘৃণাও ঠিক তেমনি তীব্র থেকে ও তীব্রতর!
শুভ্র দরজা লক করলো। এগিয়ে আসতে লাগলো
আলোর দিকে, আলো চমকালো। কি করতে চাইছে লোকটা? ভয় পেলো সে খানিকটা। উল্টাপাল্টা কিছু করবে নাকি!
” কাছে আসবেন না আপনি।
শুভ্র বুকে হাত গুঁজে দাঁড়িয়ে গেলো। শান্ত স্বরে বললো,
” আমি নয়তো কে তোমার কাছে আসবে শুনি?
” ভদ্রভাবে কথা বলুন। আর আমি আপনার সাথে কোনো তর্ক করতে চাচ্ছি না। আমাকে যেতে দিন।
হঠাৎ করে এতো ভালোবাসা উদয় হলো কোথা থেকে মি. চৌধুরী? আমি তো আপনার যোগ্য নয় তাহলে আমার যাওয়াতে খুশি না হয়ে পথ অবরোধ করার মানে কি?
শুভ্র সুন্দর করে সহাস্যে জবাব দিলো,
” সিম্পল! আমি আপনার হাসবেন্ড। সেই অধিকারে আপনাকে আটকে দিয়েছি ম্যাডাম।
” সেই অধিকারের পতন করার চেষ্টা করেছিলাম আমি আপনার জন্য তা হলো না আ….
মুখে হাত দিয়ে থামিয়ে দিলো শুভ্র। বিরক্ত হয়ে বললো,
” বাদ দাও তো পুরনো ক্যাচাল। ভুল করেছিলাম ওই সময়। হঠাৎ ড্যাডের মুখে বিয়ের কথা শুনে আর হুকুমজারি দেখে রাগ হয়েছিলো। আমি ওই সময় বিয়ে করতে চাইনি। ব্যাস নিজের সাথেই নিজের যুদ্ধ চলছিলো। রাগের কাছে হেরে গিয়ে দেশ ছাড়ার ডিসিশন নিয়েছিলাম। এখন আফসোস হচ্ছে বউ তিনটে বছর আমার জীবন থেকে বউ ছাড়া কেটে গেলো।
” আমি আপনার কোনো কথাই শুনতে চাই না। আমি চলে যাবো এটাই ফাইনাল।
” তুমি যাবে না মানে যাবে না। এই বাড়ি থেকে যদি এক পা বের হও তাহলে তোমার অবস্থা খুব খারাপ হবে বলে দিলাম। আমাকে যতোটা ভালো দেখছো আমি তার থেকে ও ভালো বুঝতে পেরেছো মাই মিসেস?
” আপনিও আমায় চেনেন না! আমি যা চাই তা-ই করি।
আপনাকে আমার জাস্ট সহ্য হচ্ছে না।
বলেই বেডের এককোনায় এসে বসলো আলো। রাগে রিরি করছে সে। শুভ্র ও বসলো পাশে। বললো,
“মানুষ নাকি অভ্যাসের দাস। আররর খুবই তাড়াতাড়ি আপনার অভ্যাস হয়ে যাবো ম্যাম। যেমনটা আপনি আমায় দুদিন ভর করিয়েছেন।
” মানে!
” আমাকে চিনে ও না চেনার অভিনয়টা পারফেক্ট মিসেস চৌধুরী। তাই তো মন থেকে সরাতেই পারছি না।
বউ বলে কথা।
” চুপ করুন অসভ্য লোক। আজ যদি আমার জায়গায় অন্য মেয়ে থাকতো তাহলে ও আপনি সেইম কাজটায়
করতেন।
” রাগী, গম্ভীর হতে পারি কিন্তু চরিত্র একদম খাটি মিসেস। নয়তো এতোক্ষণে আপনার সাথে আরেকজন থাকতো যে আমার হয়ে আপনার সাথে ঝগড়া করতো।
দাঁত কিড়মিড় করে উঠলো আলো। খুব ভালো করেই বুঝতে পারছে কিসের কথা বলছে এই লোকটা। কেন হার মানছিস আলো। চলে যা তুই। সব মিথ্যা। লোকটা তোকে ভালোবাসে না। আলো ছটফট করছে। মন মস্তিষ্ক দুজন দু’জনের বিরুদ্ধে লড়ায় করছে। শান্তি পাচ্ছে না। মস্তিষ্ক বলছে অবহেলার প্রতিশোধ, মুক্ত করে দিতে, আর মন বলছে সব মেনে নিয়ে আপন করে নিতে। সুন্দর সংসার করতে।
আলোর অবস্থা বুঝতে পারছে শুভ্র। সে নীরবে আলোর দিকে তাকিয়ে আছে। নিজের কাছেই নিজেই অপরাধী
শুভ্র। আজ যদি সঠিক সময় না আসতো তাহলে তার আলো তার একমাত্র বউ কি তার সামনে বসে থাকতো? তার সাথে ঝগড়া, অভিমান করতো?ভেতরটা হঠাৎ মোচড় দিয়ে উঠলো। অদ্ভুৎ ভয় জন্ম নিলো মনের মধ্যে। তার সাথে জুড়ে গেলো আর ও একটা নাম, যাকে বলে ভিলেন! আলোর উপর কেবলই তার অধিকার আর কারোর নয়। মিহুল নামক ছেলেটাকে সোজাসুজি ভাবে বলে দিতে হবে তাহলেই সব ঝামেলা মিটে যাবে।
_________________
“কি হয়েছে মিহুলের এই আহি আজ আবার কি করেছে মিহুল?
শাহানা বেগমের কথায় আহি ভার মুখে বলে উঠলো,
” আর বলো না বড়মা ওই রাকিব্বা মারতে আসছিলো গুন্ডা নিয়ে। আচ্চা মতো দিয়েছে ওদের।
” চুপ কর আহি। তুই যেমন মিহুল ও তেমন। সবসময় বলি এই ঝামেলা যাস না বাপ শত্রু তৈরি হয়। ক্ষতি করতে পারে। না আমার কথা কে শুনে। আসুক আজ তোর আব্বু। কয়েকটা দিন ভার্সিটিতে আছিস এই যে ঝামেলা করছিস আহি একা একা গেলে তোর কারনে ওর যদি কোনো বিপদ হয় সেই খেয়াল আছে তোর?
মিহুলের কানে কথা গিয়েছে কিনা সন্দেহ। আনমনে অন্যত্রে মগ্ন সে। কথা না বলে সোজা নিজের রুম চলে গেলো। শাহানা বেগম এতে অবাক হলেন। আহির দিকে তাকালেন তিনি বললেন,
” কি হয়েছেরে আহি ? কোনো কথা বললো না কেন?
আহি চুপ রইলো। যা বলার মিহুল ভাইয়া বলবে। পরে দেখা যাবে সব দোষ তার।
” এই আহি কিছু বলছিস না কেন?
আহি রুমে চলে যেতে যেতে বললো,
” তোমার ছেলেকে জিজ্ঞেস করো বড়মা। আমি কিছুই জানি না। আর জানলে ও বললে সমস্যা আছে।
বিরক্ত হলেন শাহানা বেগম। দুইটায় এক রকম হয়েছে।
কথা ভেতরে আটকে রেখে সবার দম আটকে দেওয়ার ব্যবস্থা করে। তিনি ফোন দিলেন জামিল সাহেবের ফোনে। ছেলে মাথায় আঘাত পেয়েছে জানাতে হবে নয়তো ওনাকে ও বকা শুনতে হবে না জানানোর জন্য।
_______________
আলো ও শুভ্রকে আসিফ চৌধুরী ডেকেছেন তাদের রুমে। আলো স্থির হয়ে রেগে বসেছিলো। আরেকজন স্থির নয়নে তার বউয়ের দিকে তাকিয়ে রইলো। তাদের মধ্যে ব্যাঘাত ঘটালো ফাহিমা চৌধুরী। আসিফ চৌধুরীর ডেকেছেন শুনে আলো এক সেকেন্ড ও দেরী করলো না
শুভ্রকে পাশ কাটিয়ে ধুপধাপ পায়ে বেরিয়ে এলো রুম থেকে। পিছু পিছু শুভ্র ও আসলো।
” একবার ভুল করেছি দ্বিতীয় বার ভুল করতে চাইছি না। এখন দুজনের ফাইনাল ডিসিশন শুনতে চাচ্ছি আমি। তোমরা কি সংসার করতে চাও? আর শুভ্র, বিয়ে ছেলেখেলা নয় এটা সারাজীবনের বন্ধন। আমৃত্যু একসাথে থাকার প্রতিশ্রুতি। কেবল মৃত্যুই আলাদা করতে পারে এই সম্পর্ক থেকে।
সকলের উপস্থিতিতে শুভ্র আলোর হাত ধরে বলে উঠলো,
” এটা কোনো প্রশ্ন হলো নাকি ড্যাড। বিয়ে করা বউ আমার। অন্যের বউ নয় যে পালিয়ে নিয়ে আসছি ডিসিশন ফাইনাল করে বিয়ের পিড়িতে বসতে হবে।
তুবুও দুজনের একই বক্তব্য রাখছি যে আমরা একসাথে আছি থাকবো। এবার আসি। বউয়ের রাগ ভাঙাতে হবে।
” না বাবা আমি থাকবো না এই লোকের সাথে। বাবা তুমি ওনার কথা শোনো না। ছাড়ুন আমার হাত কিছু না হলেই হাত ধরে ফেলবে।
রুম থেকে বেরিয়ে গেলো শুভ্র আলোকে নিয়ে। আলোর কথা শুনে সকলে দীর্ঘ শ্বাস ফেলে। বেচারির মনটা অনেক খারাপ। কষ্ট পেয়েছে সে। শুভ্র আলোকে রুমে নিয়ে আসলো আবার। আলো ছাড়া পেয়ে রেগে বলে উঠলো,
” আসতে না আসতেই যা অবস্থা শুরু করেছেন দুদিন পর তো গলায় রসি বেঁধে গরুর মতো আটকে রাখবেন
দেখছি।
পাঁচ ফুট চার ইঞ্চি আলোর কাছে ছয় ফুট এক ইঞ্চি লম্বা শুভ্রর ঝুঁকে কথা বলতে হয়। শুভ্র কাছে এসে সামান্য ঝুকলো আলোর দিকে। ফিসফিস করে বলে উঠলো,
” সরি ম্যাম রসির জায়গায় অন্যকিছু ও হতে পারে তা আপনি বুঝে নিবেন নয়তো আমি প্র্যাক্টিকালি বুঝিয়ে দিবো।
” ছিহ! সরুন সামনে থেকে আজ যাওয়া হলো না তো কি হয়েছে কাল যাবোই। আপনার সাথে থাকার ইচ্ছে আমার ওই ফোনকলের বাক্যতেই ইতি টেনেছে।
” আমার তো কেবল শুরু বউ।
চোখ মুখ কুঁচকে আলো বলে উঠলো,
” গিরগিটির মতো রুপ বদলাতে পারেন বটে চৌধুরী সাহবে।
” অবশ্যই কারন এটা ক্লাস নয় যে গম্ভীর মোড নিয়ে বউয়ের সাথে প্রেম করবো।
” প্রেম নয় জাহান্নাম মনে হচ্ছে।
চলবে,,,,,,,
[ যারা ফলো দাওনি প্লিজ ফলো দিয়ে রাখুন। সাথে লাইক কমেন্ট করো উৎসাহিত করবেন।]

