#তোমার_আমার_প্রেম
পর্ব -১১
লেখনীতে – রুবাব ফারহা
.
আরহান বিমূঢ় হয়ে বসে আছে।তার বাবা যে হঠাৎ এমন একটা সিদ্ধান্ত নিবে সেটা তার কল্পনাতীত ছিলো।সে কিছুটা উত্তেজিত হয়ে বললো –
” বাবা,তুমি এসব কি বলছো?ঈশানির বয়স দেখেছো? নেহাৎই বাচ্চা মেয়ে।আমাদের আয়রার থেকেও ছোটো।কিভাবে তুমি এখন ওর বিয়ের কথা ভাবছো?”
জাহিদ চৌধুরী এবার সোজা হয়ে বসলেন।দৃঢ়কণ্ঠে বললেন –
“তুমি আমি এই সমাজের ধার না ধারলেও তারা কিন্তু ঠিকই আমাদের নিয়ে সমালোচনা করবে।তোমার মামা মামী যেটা বলেছে সেটা ভুল বলেনি।সমাজের মানুষের চোখে ঈশানির উপর দাগ লেগে গেছে।আড়ালে সম্মুখে মেয়েটাকে অনেক কথা সইতে হবে।তার থেকে বাঁচানোর একমাত্র উপায় এটায় ,আরহান।”
আরহান এ পর্যায়ে বেশ বিরক্ত হলো।ডানহাতের দুআঙ্গুল কপালে ঘষে বললো –
“তুমি এই সমাজের কথা ভেবে একটা মেয়ের জীবন নষ্ট করে দিবে?তুমিও কি মামীর কথা মেনে নিচ্ছো?”
জাহিদ চৌধুরী ছেলের দিকে চাইলেন। ছেলের ভাবাবেগ বোঝার চেষ্টা করলেন।তারপর বললেন –
“তোমার মামীর কথা বিশ্বাস করলে নিজের একমাত্র ছেলের সাথে ওকে বিয়ে দেয়ার কথা ভাবতাম না।তুমি আমার ছেলে।তোমাকে আমি আমার আদর্শে মানুষ করেছি। সেখান থেকে আমি শতভাগ নিশ্চিত ঈশানি তোমার কাছে সবচেয়ে বেশি নিরাপদ। তাই তোমাকে ওকে বিয়ে করতে হবে।সমাজের চোখে ,ধর্মনুযায়ী সেই অধিকার অর্জন করতে হবে, যেই অধিকার দিয়ে তুমি ঈশানিকে সকলকিছু থেকে রক্ষা করতে পারবে।”
আরহান এবার বিরক্তের চরম পর্যায় গেলো।কপালে ভাঁজ ফেলে চাইলো বাবার দিকে।বাবার এহেন ছেলেমানুষী তার মোটেও ভালো লাগছে না।সে বিরোধ করে বললো –
“বাবা,বিয়েটা কোনো ছেলেখেলা না।আমার আর ঈশানির বয়সের পার্থক্য দেখেছো? দশ বছর! একটা বাচ্চাকে কিভাবে বিয়ে করতে বলছো? ও কি চায় সেটাও গুরুত্বপূর্ণ জানা।বিয়ে জিনিস এভাবে কারো ঘাড়ে ফেলে দেয়া একদমই অনুচিৎ।”
জাহিদ চৌধুরী তর্কে গেলেন না। কাটকাট গলায় বললেন –
“তোমার মা আমার থেকে বারো বছরের ছোট,আমরা কি সংসার করছি না?আমি এতো কথা শুনতে চাই না।আমি আমার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছি। মানা না মানা তোমার ব্যাপার।তবে মনে রেখো তোমার উত্তরের উপর নির্ভর করছে সব।তোমার উত্তর হ্যাঁ – বোধক হলে ঈশানির নতুন জীবন শুরু হবে এই সমাজে।আর না – বোধক হলে ঈশানিকে নিয়ে চলে যাবো আমি অন্য কোথাও।নতুন সমাজে নতুন মানুষের মাঝে যেখানে ওর উপর কেউ আঙুল তুলতে না পারে।তোমরাও থাকবে না সেখানে।বাকিটা তোমার সিদ্ধান্ত।”
আরহান এবার ভারী অবাক হলো।কি বলছে তার বাবা।ইনিয়ে বিনিয়ে বাড়ি ছেড়ে যাওয়ার হুমকি দিচ্ছে তাকে। আরহান আর কিছু বলতে পারলো না। ওষুধ কাজে দিয়েছে ভেবে মনে মনেই হেসে উঠলেন জাহিদ চৌধুরী।এদিকে আরহান বিরক্ত হয়ে দাড়িয়ে আছে। এই মুহূর্তে তার মনে হচ্ছে তার এখানে আসাটাই ভুল হয়েছে।তার বাবা এরকম ছেলেমানুষী করবে কে জানতো।জাহিদ চৌধুরীকে ছেলের মনোভাব সম্পর্কে নিশ্চিত হতে আবার জিজ্ঞেস করলেন –
“তোমার সিদ্ধান্ত কি?”
আরহান ভ্রু যুগল কুঁচকে ফেলে।প্রচণ্ড বিরক্ত হয়ে চওড়া হয়ে বললো –
“তুমি কি আর কোনো উপায় বাকি রেখেছো তোমার কথায় রাজি না হয়ে?”
জাহিদ চৌধুরী প্রশস্থ হেসে ছেলেকে জড়িয়ে ধরলেন।পরক্ষণেই কাজীকে ফোন করলেন। আরহান অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলো তার বাবার দিকে।এই রাত এগারোটায় কি এখন তাকে বিয়ে করতে হবে?
.
জাহিদ চৌধুরী হতবিহ্বল হয়ে চেয়ে আছে।বিশ্বাস করার চেষ্টা করছে এই যে তীরের ফলার মতো কথা গুলো আসলেই ওনার সহধর্মিনী বলছেন।প্রতিটি কথায় যেনো উনি বিমূঢ়,বিমূর্ত হয়ে আছেন। মিনারা বেগম আবার চিল্লিয়ে বলে উঠলেন –
“আমি কখনোই এই মেয়ে নিজের ছেলের বউ হিসেবে মানবো না।”
জাহিদ চৌধুরী শান্ত কন্ঠে বললেন –
“এই বিয়েটা হবেই।তুমি চাইলেও হবে না চাইলেও হবে।এবং সেটা আজ এই মুহূর্তে।”
মিনারা বেগম যেনো আরো রুষ্ট হলেন।স্বামীর দিকে চাইলেন রাগান্বিত হয়ে সেভাবেই বললেন –
“না,এই বিয়ে হতে পারে না।এরকম কলঙ্কিত মেয়ে আমার ছেলের বউ হতে পারে না।কিছুতেই না।!
জাহিদ চৌধুরী এবার ক্ষেপে গেলেন। ক্ষেপাটে কন্ঠে বললেন –
“মুখ সামলে কথা বলো ,মিনা। কার সম্পর্কে কি বলছো ভুলে যাচ্ছো।”
মিনারা বেগম সেভাবেই জবাব দিলেন –
“আমি কিচ্ছু ভুলিনি।ভুলে যাচ্ছো তুমি।আমার ছেলের জীবন নষ্ট করতে উঠে পড়ে লেগেছো।ঐরকম মেয়েদের কখনো সংসার হয়না।”
ঈশানিকে রুমে এনে আয়রারা ওষুধ দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিয়েছিলো।পাওয়ার একটু কমে যাওয়ায় তার ঘুমের রেশ কেটে যায় আর শুনতে পায় নিচ থেকে চিল্লাচিল্লির শব্দ। সে রুমে কাউকে দেখতে না পেয়ে নিচে নেমে আসে।এসেই শুনতে পায় চাচ্ছু আর ছোটমার কথা।ঈশানির পা জোড়া আপনা আপনি থেমে যায়। আয়রা নিজের রুমে ছিলো সেও নিচে নেমে আসে।অবস্থা বেগতিক দেখতে পেয়ে ঘাবড়ে যায়।ঈশানিকে দেখ আরো বেশি থমকে যায়।তখনি সদর দরজা দিয়ে প্রবেশ করে আরহান ,সাথে কাজী নিয়ে। এসেই ড্রয়িং রুমের সোফায় বসে পড়ে।তারপর বাবার উদ্দেশ্যে বলে-
“যা করবে তাড়াতাড়ি করো,কালকে কিন্তু আয়রার গায়ে হলুদ।”
জাহিদ চৌধুরী কিছু বলার আগে মিনারা বেগম বললেন –
“কিচ্ছু হবে না।হবে না এই বিয়ে।তুমি কাজীকে বিদায় করো।এই কলঙ্কিত মেয়েকে আমি নিজের ছেলের বউ হিসেবে কিছুতেই মানবো না।”
সিঁড়ির উপর দাঁড়ানো ঈশানি চোখ খিঁচে বন্ধ করে নিলো।চোখ দিয়ে এক ফোঁটা পানিয়ে গড়িয়ে পড়লো।তাকে এখন সারাজীবন এই কলঙ্ক বয়ে বেড়াতে হবে? এখানে তার দোষ কোথায়? তবুও সমাজের চোখে সেই দোষী!আরহান সিঁড়ির উপর দাঁড়ানো ঈশানিকে দেখে নিলো একবার।তারপর মায়ের সম্মুখে দাঁড়িয়ে বললো –
“তুমি ওকে কলঙ্কিনী কেনো বলছো?কারণ?”
মিনারা বেগম ছেলের উপর বিরক্ত হলো।তারপর ও বললো –
“তুমি জানো না কেনো বলছি? ওর শরীরে পরপুরুষের ছোঁয়া লেগে আছে।এমন মেয়েকে নিয়ে তুমি কিভাবে সংসার করবে?ওর শরীর নষ্ট , ও নষ্ট।”
“মিনা! মুখ সামলে কথা বলো।” ধমকে উঠলেন জাহিদ চৌধুরী
আরহান বাবাকে শান্ত হতে বললো।সে দেখছে ব্যাপারটা বলে মায়ের দিকে ফিরলো।তারপর আবার শান্ত স্বরে বললো –
“তাহলে কি এখন ওর মরে যাওয়া উচিৎ।”
মিনারা বেগম কপাল কুচকে চাইলেন।ভাবছেন এই ছেলে কি বলতে চাইছেন।তারপর প্রত্যুত্তর করলেন –
” কলঙ্কিত মেয়েরা সমাজে মৃতই। বেঁচে থেকেও মৃত।তবু এই মেয়ের কলঙ্ক দুর করার প্রস্তাব দিয়েছিলো আমার ভাই তোমাদের পছন্দ হয়নি।এখন এই কলঙ্ক আমি নিজের সংসারে আনবো না।কিছুতেই না।”
জাহিদ চৌধুরী এবার ক্ষিপ্ত হলেন। মিনারা বেগমকে কিছু বলতে নিলে আরহান বলে উঠলো –
“সে কি নিজেকে নিজে কলঙ্কিত করেছে? আর না নিজে যেচে গিয়ে কলঙ্কিত হয়েছে? তোমাদের সমাজের এসব ঠুনকো নিয়মরীতিতে তোমরা একটা মেয়ের চরিত্রে নিলামে তুলছো।তার ফলাফল কি ভয়ানক হতে পারে ভাবছো? কত মেয়ে তোমাদের সমাজের এসব কটূক্তি শুনে আ*ত্ম*হ*ত্যা করে সেই খবর জানো? যেখানে দোষটা আদো মেয়েটার না।তবুও তোমাদের পুরুষযাচিত সমাজ সেই মেয়েটাকেই কথা শোনায়,যেখানে সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্বপ্রায় সে। মেয়েটার পাশে তুমি দাঁড়াতে না পারলেও, তার বিপক্ষে যেও না।তোমাদের এই আঙুল সেই কাপুরুষের দিকে তাক করা উচিৎ,বুঝেছো। অথচ যেই মেয়েটার দিকে আঙুল তুললে সেই মেয়েটাকেই নিজের মেয়ের মতো মানুষ করেছো।অথচ আজ একটা ছোট্ট ঘটনায় তুমি মেয়েটাকে যা ইচ্ছে বলে যাচ্ছো।তুমি একবারো মেয়েটার মনের কথা ভেবেছো?ওর জায়গায় নিজের মেয়ে হলে পারতে এরকম ব্যবহার করতে।আমি সবসময় গর্ববোধ করতাম তোমাকে আমার মা হিসেবে পেয়ে।অথচ আজ আমার মাথা নিচু হচ্ছে।”
মিনারা বেগম করুন চোখে ছেলের দিকে চাইলেন।ছেলের কথা তাকে বিধ্বস্ত করছে।একেকটা কথা গিয়ে তার অন্তরে লাগছে। আরহান আবার বললো –
“আমি বাবার কথা মানিনি।বাবা বলেছিলো সমাজের মানুষ ওকে ছেড়ে কথা বলবে না।আমি ভাবিনি সেই সমাজের মানুষের সূচনা আমাদের ঘর থেকেই হবে।তুমি সেসব বস্তা পঁচা সমাজের মানুষের কাতারে কিভাবে পড়লে মা।তুমি তো এমন ছিলেনা।আমি কি তবে তোমায় ভুল চিনেছি?”
আরহানের একেকটি কথা যেনো মিনারা বেগমের মা সত্তা কাঁপিয়ে তুললো।ভীষন কষ্ট পেয়ে ব্যথিত নজরে তাকালো।মুখে কিছু বলতে পারলো না।চুপচাপ নিজের রুমে চলে গেলো।জাহিদ চৌধুরী ছেলের ঘাড়ে হাত রাখলেন। ছেলের প্রশস্থ কাধ চাপড়ে গর্বের সাথে বুক ফুলিয়ে বললো –
“আমার শিক্ষা বৃথা যায়নি।”
তারপর আয়রাকে বললো ঈশানিকে নিয়ে নিচে নামতে।ঈশানি নিচে নামলো চাচ্ছুর সামনে দাঁড়িয়ে নতমস্তিষ্কে দাড়ালো। নিজের উপরের দন্ত দিয়ে নিচের ঠোঁট কামড়ে ধরে কান্না আটকানোর চেষ্টা করে বললো –
“চাচ্চু,আমি এই বিয়ে করতে চাই না।ছোটমা ঠিকই বলেছে।আমার কলঙ্ক আমি ওনার গায়ে ,এই সংসারে,এই চৌধুরী বাড়িতে মাখাতে চাই না”
জাহিদ চৌধুরী ঈশানির মাথায় হাত রাখলেন কিছু বলার আগেই আরহান কাজীকে বললো –
“নিন বিয়ের কাজ শুরু করুন।দ্রুত শেষ করুন ।আমার কিন্তু ঘুম পাচ্ছে।”
শেষের কথা হাইহাই তুলতে তুলতে বললো।যেনো ঈশানি কথা শুনতেই পায়নি।ঈশানি চোখ তুলে চাইলো আরহানের দিকে। আরহান ভাবলেশহীন বসে আছে।জাহিদ চৌধুরী ঈশানির মাথায় হাত বুলিয়ে বললো –
“চাচ্চুকে বিশ্বাস ও ভরসা করো তো?”
ঈশানিকে এ পর্যায়ে ডুকরে উঠলো।কোনরকম বললো –
“এদুনিয়ায় একমাত্র তুমিই আমার ভরসা জায়গা , চাচ্চু।বাবা মা মারা যাওয়ার পর থেকে তুমি আর ছোটমা আমাকে নিজের মেয়ের মতো আদর দিয়ে মানুষ করেছো।তোমাদের ছাড়া আর কে আছে আমার।ছোটমা চায় না , চাচ্ছু।এই বিয়ে এখানেই থামিয়ে দেও।ছোটমা ভীষন কষ্ট পাবে।”
হুট করে আরহান এসে ঈশানির হাত ধরে টানতে লাগলো।ঈশানি অবাকনেত্রে তাকিয়ে রয়। আরহান তাকে সোফায় তারপাশে বসিয়ে দিয়ে কাজীকে ডেকে বললো –
“বিয়ে পড়ানো শুরু করেন,কাজিসাহেব।”
ঈশানির দিকে তাকিয়ে বলে –
“বিয়েটা হয়ে যাক,তারপর সারারাত কান্নাকাটি করো।আমার ভীষন ঘুম পেয়েছে।”
ঈশানি কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে চেয়ে আছে।জাহিদ চৌধুরী ধমকে বললেন –
“একটু আগেই না বিয়ে করতে চাইছিলে না, বিয়ে না করার জন্য যুক্তি দিচ্ছিলে।আর এখন বিয়ে করার জন্য মেয়েটাকে কথাও বলতে দিচ্ছো না।”
আয়রা ফিক করে হেসে ফেললো।তারপর দৌড়ে নিজের ঘরে গিয়ে ওর বিয়ের লাল ওড়না এনে ঈশানির মাথায় পড়িয়ে দিলো। এবার একটু বউ বউ লাগছে।আরহান ঈশানির দিকে চাইলো একবার।তারপর বাবার দিকে তাকিয়ে বললো –
“বাহ্ রে,তোমার ইচ্ছে পূরণের জন্যই এতো রাতে হয়ে কাজী আনলাম।তো এখন বিয়ে না করে ফ্যাচফ্যাচ কান্না শুনবো।অবশ্য কান্না শোনার জন্য বাকিটা সময় পরে আছে ,আপাতত বিয়ে করা ইম্পর্ট্যান্ট।আপনি শুরু করুন।”
ঈশানি তখনো বিস্মিত হয়ে বসে আছে।কিছু বলার মতো ভাষা খুঁজে পাচ্ছে না।ঈশানি যেনো বুঝতেই পারলো না তার বিয়ে হচ্ছে।কাজী যখন তাকে কবুল বলতে বললো তখন তার হুশ এলে সে তৎক্ষণাৎ না করে।কিন্তু জাহিদ চৌধুরীর জেদের কাছে হার মানতে হয় তাকে।অবশেষে সকল অশান্তির অবসান ঘটিয়ে মধ্যরাতে আরহান – ঈশানির বিয়ে হয়।আসলেই কি অশান্তির অবসান মিটিয়ে?নাকি নতুন কোনো জটিলতা,উদ্বেগের কারণ হবে এই বিয়ে? দুটি ভিন্ন মানুষ, ভিন্ন চিন্তাধারা যাদের মনের মিলের আগে ভাগ্যের মিল হলো তারা কি পারবে নিজেদের মনের মিল ঘটাতে? এটা কি নতুন জীবনের সূচনা নাকি ভবিতব্য তাদের জন্য ভেবে রেখেছে অন্যকিছু।
চলমান~
{অবশেষে দিয়ে দিলাম আরহান – ঈশানির বিয়ে।খুশি তো আপনারা?নিজেদের মতামত প্রকাশ করতে ভুলবেন না। আর আজকে আমি ভীষন দুঃখিত,সন্ধ্যার পর থেকে কারেন্ট ছিলো না,তাই পোস্ট করতে পারিনি।}

