#হিপনোটাইজ
#তাজনিন_তায়্যিবা
পর্ব :13
⭕পূনর্জন্ম বা টাইম ট্রাবল কোন ধর্মে গ্রহনযোগ্য
___________________________________________ নয়,এটি কেবল রুপকথার উপমা।
_______________________________⭕
পূর্ণিমার স্নিগ্ধ চাঁদে গ্রহণ লাগার মতোই ফ্লোরেন্সার উজ্জ্বল চাঁদমুখ ফ্যাকাসে হয়ে বিবর্ণ রূপ ধারণ করেছে।
দ্যা ম্যান্ডেট মহলে কেটে গেছে তিন তিনটি দীর্ঘ দিন, অথচ এই অল্প সময়েই মেয়েটির চেহারায় নেমে এসেছে অবসাদের ছাপ।
চোখের নিচে জমেছে কালো দাগ, অতিরিক্ত কান্নায় ম্লান হয়েছে তার মায়াবী দৃষ্টি। রূগ্নতার চাদরে ঢেকে গিয়েছে রূপের অপার জৌলুশ।
বাবার আদরের রাজকন্যার রাজকীয় ভাব ধুলোয় মিশে গেছে, হারিয়ে গেছে এক কঠোর বাস্তবতার আঘাতে। সোনালী দিনগুলো চাপা পড়েছে জোসেফের বর্বরতার জাতাকলে।
যে মেয়েটি নিজের হাতে এক গ্লাস পানি তুলে খেতো না, সেই ফ্লোরেন্সা এখন দুঃখ-অপমানের ভার সয়ে প্রতিনিয়ত লড়াই করে যাচ্ছে নিষ্ঠুর বাস্তবতার সাথে।
ক্যাথরিন ম্যারীর পা টেপা থেকে শুরু করে জামাকাপড় ধোয়া,এমনকি হাত পুড়িয়ে খাবার রান্না করার কাজটাও করতে হচ্ছে দাতে দাত চেপে।
_______________
লর্ড মাউন্ট মহলে ফিরেছেন আজ, সেই আনন্দে আয়োজন করা হয়েছে এক বিশাল ভোজন সভার। পুরো মহলজুড়ে সাজ সাজ রব, রান্নাঘরে চলছে উৎসবের প্রস্তুতি। তবে, সবার খাবার একসাথে প্রস্তুত হলেও, ক্যাথরিন ম্যারির জন্য আলাদা করে রান্নার দায়িত্ব পড়েছে ফ্লোরেন্সার উপর।
অথচ ফ্লোরেন্সা গতকাল রাত থেকেই ভীষণ জ্বরে কাবু। তার তপ্ত দেহে যেন আগুন জ্বলছে।সারা রাত জেগে নাবহা তার মাথায় জলপট্টি দিয়ে চেষ্টা করেছে তাপমাত্রা কমানোর। কিন্তু শরীরের তীব্র তাপমাত্রা এক রত্তিও কমেনি।
এই অবস্থায় রান্নাঘরে যেতে হবে ফ্লোরেন্সাকে,কিন্তু কিছুতেই মাথা তুলে উঠতে পারছে না বিছানা থেকে।
এদিকে দুজন দাসী এসেছে ফ্লোরেন্সাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য।কিন্তু ফ্লোরেন্সার অসুস্থ শরীর আর রিক্ত শুন্য মুখের দিকে তাকিয়ে তারা জোর করতে পারলো না ফ্লোরেন্সাকে।অগত্যা ফিরে গেলো ক্যাথরিন মেরির কক্ষে।
ক্যাথরিন তখন নিজ কক্ষে রূপচর্চার আয়োজনে ব্যস্ত। সাদা মখমলের পোশাক পরে, আয়নার সামনে বসে গোলাপের পাপড়ির নির্যাস আর তাজা দুধের মিশ্রণ তার মসৃণ ত্বকে লাগানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলো।
ঠিক সেই সময় কক্ষে হাজির হয় দুজন দাসী।দুজন কাচুমাচু করে দাড়াতেই ক্যাথরিন কপাল কুচকালো,তিরিক্ষি কন্ঠে বললো,
“এখানে কি করছো তোমরা?”
দুজন দুজনের মুখ চাওয়া চায়ি করলো দু তিনবার, অত:পর শুখনো ঢোক গিলে বললো,
“আপনার খাস দাসী ফ্লোরেন্সার খুব জ্বর, উনি আজ হেসেলে আসতে পারবেন না।”
দাসীর কথা শুনে ক্যাথরিন ভিষণ ক্ষেপে উঠলো,নিজের স্বাচ্ছন্দ্যের চেয়ে অন্যের কষ্ট কখনোই তার চিন্তার বিষয় নয় বরং নিজের স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যাঘাত ঘটল তার রাগ বেড়ে মাত্রাতিরিক্ত হয়। গোলাপের নির্যাস মেশানো দুধের মিশ্রণের বাটিটা এক হাতে শক্ত করে চেপে ধরে, দাঁড়িয়ে গেলো ক্যাথরিন, প্রচন্ড আক্রোশে বাটিটা ছুড়ে মারলো দাসী দুজনের মুখের উপর।
ক্যাথরিনের ক্রোধের শিকার হয়ে থরথর কেঁপে উঠলো দুজনেই, মাথা নত করে পাথরের মতো দাঁড়িয়ে রইলো ক্যাথরিনের পরবর্তী আদেশের অপেক্ষায়,
ক্যাথরিনের চোখ রাগে জ্বলজ্বল করে উঠলো,ক্রোধিত কন্ঠে আদেশ ছুড়লো,
“জোসেফকে খবর পাঠও শীঘ্রই।”
_________________
ক্যাথরিনের তলব পেতেই, মুহূর্তের মধ্যে হাজির হলো জোসেফ। মায়ের প্রতি তার অসীম ভালোবাসা। একমাত্র ক্যাথরিনই যেনো তার জীবনের কেন্দ্রবিন্দু।
জোসেফের ভালোবাসার সিংহাসনে একচ্ছত্র অধিকার শুধু তার মায়ের। মায়ের প্রতি রয়েছে তার অসীম শ্রদ্ধা এবং অন্ধ ভালোবাসা। জীবনের সমস্ত সম্পর্ক, বন্ধন, চাওয়া-পাওয়ার ঊর্ধ্বে মায়ের স্থান তার কাছে সবচেয়ে বেশি পবিত্র। মায়ের সামান্য অসন্তোষ বা অস্বস্তি দেখলেও তার রক্ত যেন টগবগ করে ফুটে ওঠে,
“ডেকেছিলেন আম্মিজান?”
দৃঢ় অথচ গম্ভীর কণ্ঠে ক্যাথরিনকে জিজ্ঞেস করলো জোসেফ।
জোসেফের প্রশ্নের উত্তরে রূঢ় কন্ঠে ঝাঝিয়ে উঠলো ক্যাথরিন,
“আমি তোমার কাছে দাসী চেয়েছিলাম জোসেফ,কোন অসুস্থ রোগী চাই নি।”
জোসেফ ভ্রু গোটাল,কন্ঠে আরেকটু দৃঢ়তা টেনে বললো,
“কি হয়েছে পরিস্কার করে বলুন।”
“কি আর হবে?আজ মহলে ভোজন সভা আর আমাকে না খেয়ে থাকতে হবে।”
“কারনটা? ”
“কারন তুমি নিশ্চয়ই অবগত জোসেফ, আমি সবার জন্য রান্না করা এক হাড়ির খাবার খাই না, সবসময় আমার জন্য আলাদা করে খাবার রান্না করতে হয়।”
“তারপর? ”
“তোমার এনে দেওয়া দাসীর জ্বর হয়েছে, তিনি বলেছেন আজ রান্না করতে পারবেন না,তার মানে কি আমি সারাদিন না খেয়ে থাকবো।”
জোসেফ প্রতিক্রিয়া বিহীন তাকালো মাথা নত করে রাখা দুজন দাসীর দিকে।শীতল কন্ঠে জিজ্ঞেস করলো,
“ফ্লোরেন্সার জ্বর হয়েছে?”
“জ্বি প্রিন্স,ফ্লোরেন্সার খুব জ্বর হয়েছে, বিছানা থেকে উঠতে পারছে না।” উত্তর দিলো দাসী।
জোসেফ প্রতিক্রিয়া বিহীন আবারো চুপ করে রইলো কিছুক্ষন, তারপর ক্যাথরিনের উদ্দেশ্যে বললো,
“আমি আপনার বিশ্বস্ত দাসী শাকিলা কে বলে দিচ্ছি, আজকে শাকিলা রান্না করবে।”
জোসেফের সমাধানে সন্তুষ্ট হতে পারলেন না ক্যাথরিন, রুষ্ঠ কন্ঠে বললো,
“আমার খাবার ওই মেয়েকেই রান্না করতে হবে জোসেফ, নয়তো আমি সারাদিন অভুক্ত থাকবো বলে দিলাম।”
জোসেফ চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইলো,চোখ মুখের ধরন স্বাভাবিক অথচ শক্ত।মায়ের জেদ আর আত্মগরিমাকে প্রশ্রয় দিয়ে বললো,
“আপনি নিশ্চিন্ত থাকুন আম্মিজান,আপনার ভোজনের ব্যাবস্থা আপনার খাস দাসী ফ্লোরেন্সাই করবে।”
________________
“আব্বুজান,আব্বুজান,আম্মিজান। আপনি কোথায়?আমাকে নিয়ে যান আব্বুজান।আইরিশ ভাইকে বলুন না আমাকে নিয়ে যেতে।”
জ্বরের ঘোরে চোখ বন্ধ করে অস্পষ্টভাবে কিছু একটা বিড়বিড় করছে ফ্লোরেন্সা। শরীরের রন্ধ্রে রন্ধ্রে বিষাক্ত ব্যথা ছড়িয়ে পড়েছে। তীব্র যন্ত্রণা তার কণ্ঠস্বরকে আরও অস্পষ্ট করে তুলেছে। নাবহা কক্ষে নেই। কাজের তলব পড়ায় ফ্লোরেন্সাকে একা রেখে অগত্যা বেরিয়ে যেতে হয়েছে তাকে।
দুজন দাসী এবং তিন চারজন সৈন্য নিয়ে ফ্লোরেন্সার কক্ষে প্রবেশ করলো প্রিন্স জোসেফ।আঙুলের ভাজে জ্বলন্ত সিগারেটের ধোঁয়া উড়ছে নির্দিধায়, নির্বিগ্নে।
ফ্লোরেন্সাকে বিছানায় শুয়ে থাকতে দেখেই পদযুগল এগিয়ে নিলো ধিরে ধিরে।নিগূঢ় দৃষ্টিতে তাকালো ফ্লোরেন্সার ফ্যাকাসে মুখের দিকে।পদ্মফুলের ন্যায় দুটো ঠোঁটের নড়াচড়া আর মৃদু বিরবিরাবির শব্দ অবজ্ঞা করতে পারলো না জালিম পুরুষ, কোন এক অজানা আকর্ষণ অনুভব করেই ফ্লোরেন্সার দিকে ঝুকলো কিছুটা।
ফ্লোরেন্সার মুখের উপর অগোছালো কেশ গুচ্ছ সরিয়ে দিতে হাত বাড়ালেই, সেই হাতটা আলগোছে আগলে ধরলো ফ্লোরেন্সা, বিরবির করতে করতে বললো,
“আপনি নির্দয় জালিম পুরুষ,ওই নীল চোখের মতোই বিষাক্ত আপনি,আমার পবিত্র মন ছুয়ে দিয়ে আমাকে কলঙ্কিত করেছেন।”
প্রিন্স জোসেফের দৃষ্টি কঠিন, চোয়াল অবরুদ্ধ,অস্বীকারযোগ্য রূঢ়তায় ঢেকেছে তার সমগ্র হৃৎপিন্ড। ফ্লোরেন্সার দু ঠোঁটের অস্পষ্ট বিরবিরানি সহ্য হলো না এক দন্ড।ভেতরকার ডেবিল স্বত্ত্বা মাথাচাড়া দিয়ে উঠলো, কোন এক পিচাশ চেচাতে শুরু করলো কানের কাছে।জোসেফ ফিরে এলো তার চিরাচায়িত রুপে, একটু আগের নমনীয়তা লোপ পেয়েছে,শীতল স্পর্শ রুপ নিয়েছে কঠোরতার।
নিজের হাতের জ্বলন্ত সিগারেট টা চেপে ধরলো ফ্লোরেন্সার নাভিপদ্ম বরাবর,সিগারেটের জ্বলন্ত উল্কা জামা পুড়ে মসৃন চামড়া স্পর্শ করতেই, জ্বরের ঘোরে অসহনীয় যন্ত্রণা উপলব্ধি করলো ফ্লোরেন্সা,জ্বালা তিব্র থেকে তীব্রতর হতেই, বিমূর্ষ কন্ঠে চেচিয়ে উঠলো গলা ফাটিয়ে,
“ও আল্লাহ,,,,,,,ও,,,,”
পরবর্তী চিৎকারের সুযোগ দেওয়া হলো না তাকে, প্রিন্স জোসেফ এক হাতে চেপে ধরলো তার মুখ,শান্ত সাবলীল কন্ঠে বললো,
“আমার রিক্ত শুন্য হৃদয় রক্তাক্ত করার অপরাধে দু একটা কলঙ্ক পাপ্য ছিলো তোমার।”
যন্ত্রণা গিলে নিয়ে নিভু নিভু চাইলো ফ্লোরেন্সা,অস্ফুটে বিরবির করে বললো,
“অশুভ শক্তির পূজারী, মানুষ রুপি পিচাশ আপনি, আপনাকে অজ্ঞানে ভালোবাসে আমি পাপ করেছি।”
“তোমার মস্তিষ্ক হাতের মুঠোয় নিতে আমি না হয় কালো জাদু করেছি,কিন্তু আমার হৃদয় হাতের মুঠোয় নিতে তুমি কি জাদু করেছো, ব্লু ব্লাড গার্ল?
” আপনি অশুভ শক্তির কালো অস্তিত্ব, আপনার হৃদয়টাও সেই আস্তরণে ঢাকা, ওই অপবিত্র জিনিসের প্রতি রুচি নেই আমার।”
ফ্লোরেন্সার এক একটি উত্তর ঝাঝিয়ে তুললো জোসেফের মস্তিষ্ক,সামান্য একটা মেয়ের এতো বেশি আস্পর্ধা সহ্য করতে না পেরে, অভিব্যক্তি বিহীন সিগারেটের পুড়ে যাওয়া শেষ অংশ টুকুও চেপে ধরলো ফ্লোরেন্সার উদরে।
ফ্লোরেন্সা এবার আর চিৎকার করলো না,দাত দিয়ে ঠোঁট কামড়ে ধরলো কেবল,ডান হাতটা দিয়ে চেপে ধরলো নিজের চুল।সমস্ত প্রতিরোধ ভেঙে খিচে রাখা নয়নজোড়া হতে গড়িয়ে পড়লো অশ্রুর বর্ষন।
জোসেফ প্রাশান্তির নিঃশ্বাস নিলো,বুক চওড়া করে উঠে দাড়ালো বিছানা থেকে,স্থির চিত্তে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে খায়েশ মিটিয়ে চাইলো ফ্লোরেন্সার ছটপটানি।অত:পর দুজন সৈনিকের দিকে তাকিয়ে আদেশ ছুড়লো,
“ওকে রান্নাঘরে নিয়ে যাও।”
উপস্থিত দুজন সৈনিক যেনো এই আদেশেরই অপেক্ষায় ছিলো।চোখে মুখে তাদের লালসার ছাপ,লোলুপ দৃষ্টিতে তাকালো ফ্লোরেন্সার লালিমা মুখের দিকে।
পরির মতো মোহময়ী জোছনা দেবীকে স্পর্শ করার তৃষ্ণা মেটানোর আকাঙ্ক্ষায় দুজন সৈনিক এগিয়ে গেল জোসেফের আদেশ পেতেই। ফ্লোরেন্সার নিস্পাপ পবিত্র সৌন্দর্যের দিকে তাদের লোভি আর অস্থির দৃষ্টি ক্রমশ এগিয়ে আসছে, এক অনিন্দ্য সুরভির স্পর্শে তাদের সমস্ত আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ করার পায়তারায় মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে ব্রিটিশ সৈন্যের অশুভ আত্মা।
তাদের নোংরা হাত এগিয়ে যাচ্ছে ফ্লোরেন্সার কোমল শরীর স্পর্শ করার উদ্দেশ্যে,যন্ত্রনায় কাতর মেয়েটা তখনও বিরবির করছে,
“আমি পবিত্র, আপনি পিচাশ, আপনার স্পর্শে আমি কলঙ্কিত,দুষিত হয়েছে নিঃশ্বাস।”
ফ্লোরেন্সার বলা কথাগুলো শুনতে একটুও ভুল হলো না জোসেফের।যেনো স্পষ্ট ভাবে দুই দুইবার কানে বাজলো ফ্লোরেন্সার তিক্ত কন্ঠস্বর।তৎক্ষনাৎ বাধা প্রয়োগ করলো জোসেফ, সৈন্যদের উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারি করলো অকস্মাৎ,
“দাড়াও,ওকে স্পর্শ করবে না।”
ফ্লোরেন্সাকে ছুয়ে দেওয়ার জন্য বাড়িয়ে দেওয়া নোংরা হাত গুটিয়ে নিলো সৈন্যদ্বয়।ভীত নয়নে তাকালো জোসেফের কাটখোট্টা শক্ত মুখবীরের দিকে।জোসেফ এগিয়ে এলো ধির পায়ে, শব্দ বিহীন দু হাতে কোলে তুলে নিলো ফ্লোরেন্সার রূগ্ন দেহ।
জোসেফের স্পর্শ পেতেই গা ঘিন ঘিন করে উঠলো ফ্লোরেন্সার, হাত পা ছুড়ে রক্ষা পেতে চাইলো এই অশুভ আলিঙ্গনের কবল থেকে।ফ্লোরেন্সার দাপাদাপি বেশ উপভোগ করলো জোসেফ,হাতের বাধন আরেকটু শক্ত করে , ঠোঁট বাকিয়ে মেকি হেসে বললো,
“এখন থেকে প্রতিদিন তুমি কলঙ্কিত হবে, দুষিত হবে তোমার নিঃশ্বাস,ক্ষত হবে শরীর, ফুরিয়ে যাবে বিশ্বাস।আফসোস, মুক্তি অথবা মৃত্যু কোনটাই তুমি পাবে না।”
কন্ঠে দৃঢ়তা টেনে, পায়ের গতি বাড়াতে বাড়াতে আবারো বললো,
“আমার অশুভ স্পর্শ তোমার নিয়তিতে চিরধার্য হিসেবে ঘোষণা করা হলো ব্লু ব্লাড গার্ল।”
চলবে,,,,,,,,,

