ফালাক #লেখিকা_ইনায়া_জারিশ #পর্ব_________১৫

0
27

#ফালাক #লেখিকা_ইনায়া_জারিশ
#পর্ব_________১৫

কেটে গেছে কোয়েকদিন বাড়ির সবাই গ্রাম থেকে ফিরে এসেছে।। সাদ আগের মতোই আছে। আবারও কয়েকদিন তার খোঁজ নেই। এসব এখন ফালাকের অভ্যাস হয়ে গেছে।।।

বিকেলের ফালাক আর মিরা বের হয়েছে শপিংয়ে। শপিং শেষ করে ফেরার পথে মিরা বায়না ধরল রিকশায় করে একটু ঘুরবে। ফালাকও না করতে পারল না। বাড়ির গাড়ি তে গেলো না।খোলা হাওয়ায় রিকশায় চড়ে তারা যখন একটা কিছুটা নিরিবিলি গলি পার হচ্ছিল, তখনই আপদগুলো জুটল।
তিন-চারটে বখাটে ছেলে বাইক নিয়ে রিকশার পিছু নিল। প্রথমে শিস দেওয়া, তারপর কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য। মিরা রাগে ফুঁসছিল। রিকশাটা মোড় ঘুরতেই একটা বাইক গতিরোধ করে দাঁড়ায়।

এসব দেখে মীরা বলে “রাস্তা ছাড়ুন! আপনাদের সাহস তো কম না, দিনের বেলা মেয়েদের বিরক্ত করছেন?”

একটা ছেলে বাইক থেকে নেমে এসে মিরার হাত খপ করে ধরে ফেলল। “আরে জানু, রাগ করো কেন? চলো না একটু আড্ডা দিই।”
ফালাক আর চুপ করে থাকতে করতে পারল না। রিকশা থেকে নেমে হন্তদন্ত হয়ে এগিয়ে গিয়ে ওই ছেলেটার গালে কষে একটা থাপ্পড় বসিয়ে দিল।

“তোর এত বড় সাহস! আমাকে হাত তুলিস? দেখতে তো বেশ মাল খাসা । দাঁড়া, তোকে আজ মাঝরাস্তায়…”

ছেলেটা বিশ্রী একটা গালি দিয়ে ফালাকের কোমরের দিকে হাত বাড়ায় তাকে জাপটে ধরার জন্য। ফালাক ভয়ে চোখ বন্ধ করে ফেলে। কিন্তু হাতটা তার শরীরে পৌঁছানোর আগেই বাতাসের বেগে একজোড়া পাথরের মতো শক্ত হাত এসে ছেলেটার কবজিটা ধরে ফেলল।
পরের মুহূর্তেই শোনা গেল হাড় মড়মড় করে ভাঙার শব্দ আর ছেলেটার বুক ফাটানো আর্তনাদ।

“আমার জিনিসের ওপর হাত দেওয়ার আগে নিজের কবজিটার মায়া করা উচিত ছিল তোর।”

ফালাক চোখ মেলে দেখল—সাদ মির্জা! তার চোখের মণি দুটো রাগে টকটকে লাল হয়ে আছে। ছেলেটার কবজিটা এমনভাবে মচকে দিয়েছে যে হাত ই ভেঙে গেছে।
সাদ এক ঝটকায় ছেলেটাকে রাস্তায় ছুড়ে ফেলে দিয়ে বাকি দুটোর দিকে তাকাল। হাতে তখন একটা ধাতব চাবির রিং, যা সাদ আঙুলে ঘোরাচ্ছে।

“কী রে? আর কার কার হাত চুলকাচ্ছে আমার স্ত্রীর গায়ে হাত দেওয়ার জন্য? আয়, তোদের হাতগুলো আজ শরীর থেকে আলাদা করে দিই।”

বাকি দুজন ছেলে সাদের চেহারা দেখেই চিনে ফেলল “সাদ মির্জা “।
“স-সাদ ভাই! আমাদের মাফ করে দেন, আমরা জানতাম না উনি আপনার…”

সাদ কোনো কথা না বলে সামনে এগিয়ে গিয়ে একজনের কলার চেপে ধরল এরপর মেরে রক্তাত করে ফেলে।সাদের এই রূপটা ফালাক আগে কখনো দেখেনি। এটা
সাদ তার পকেট থেকে রুমাল বের করে হাতটা মুছল, যেন কোনো আবর্জনা পরিষ্কার করল। তারপর ফালাকের দিকে ঘুরে দাঁড়ায়।

“রিকশায় ওঠো দুজনে। মিরা, ওকে নিয়ে এখনই বাসায় যা। আমি আসছি।”

মিরা ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে ফালাকের হাত ধরে রিকশায় উঠল। ফালাক রিকশায় উঠে পেছন ফিরে দেখল—সাদ মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে, আর তার সামনে ওই বখাটেগুলো কুকুরের মতো পায়ে পড়ে ক্ষমা চাইছে। কিন্তু সাদ মির্জা আজ ক্ষমা করার মুডে নেই।
_________

ফালাক ঘর গোছাচ্ছিল, ঠিক তখনই ধুলোবালির মাঝে পড়ে থাকা একটা পুরনো অ্যালবামের ভাঁজ থেকে ছবিটা বেরিয়ে এলো। ছবিটা হাতে নিতেই ফালাকের চোখ আটকে গেল।

ছবিটা নিয়ে ফালাক অনেকক্ষণ ভাবল। কৌতূহল সামলাতে না পেরে সোজা চলে গেল আয়ানের কাছে। আয়ান তখন নিজের রুমে ল্যাপটপে কাজ করছিল।
“আয়ান ভাইয়া, একটু কথা ছিল।”
আয়ান ল্যাপটপ থেকে মাথা তুলে হাসল। “বলুন ভাবি, কী ব্যাপার?”
ফালাক দ্বিধা কাটিয়ে ছবিটা আয়ানের দিকে এগিয়ে দিল। “ভাইয়া, আমাকে সত্যি করে একটা জিনিস বলবেন? আমি উনার (সাদ) অতীত সম্পর্কে জানতে চাই। এই ছবিটা… এটা কবেকার?”

ছবিতে দেখা যাচ্ছে জাঁকজমকপূর্ণ একটা স্টেজ, রঙিন আলোর খেলা। মাঝখানে গিটার হাতে দাঁড়িয়ে মাইক্রোফোনের সামনে এক তরুণ। পরনে কালো টি-শার্ট, গলায় একটা চেইন, আর চোখের তীব্র চাউনি—ঠিক যেন এক অশান্ত ঝড়। এটা সাদ! কিন্তু এই সাদের সাথে ফালাকের চেনা গম্ভীর সাদের কোনো মিল নেই। এখানে সাদ প্রাণবন্ত, উদ্দাম ,অদ্ভুত এক মায়ায় ঘেরা।

ছবিটা দেখামাত্রই আয়ানের মুখের হাসি মিলিয়ে গেল। কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়ে ছবিটার দিকে তাকিয়ে রইল, যেন স্মৃতির পাতায় কয়েক বছর পিছিয়ে গেল। আয়ান একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল
“আপনি এটা কোথায় পেলেন ভাবি? ভাইয়া তো এই অতীতটাকে অনেক আগেই কবর দিয়ে দিয়েছেন।
“আয়ান ভাইয়া আমাকে বলুন প্লিজ জানতে চাই আমি।”

তখন আমার বয়স মাত্র ১৬, আর ভাইয়া তখন ২০-২১ বছরের টগবগে যুবক।”
আয়ান বলতে শুরু করল —
“জানেন ভাবি, ভাইয়া তখন একটা ব্যান্ডের লিড ভোকাল ছিল। ভাইয়া, আবির, ফয়সাল আর রনি—ওরা চারজন ছিল অভিন্ন হৃদয় বন্ধু। ওই সময়টায় এই পুরো এলাকায় ওদের বিশাল দাপট ছিল। কেউ ওদের মুখের ওপর কথা বলার সাহস পেত না। ভাইয়া গান যেমন পাগল করে করত, আবার মেজাজটাও ছিল আগুনের মতো হিংস্র। কিন্তু আব্বু এগুলো একদম পছন্দ করতেন না।”

আয়ান ফালাকের দিকে তাকিয়ে বলতে থাকল-
“বড় আব্বু ছিলেন খুব নীতিবান মানুষ। তিনি চাইতেন ভাইয়া উনার মতো ডিসিপ্লিনড হোক। কিন্তু ভাইয়া তখন রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েছিল। এলাকা শাসন করত ওরা চার বন্ধু মিলে। আব্বু যখন দেখলেন ভাইয়া কথা শুনছে না, তখন শুরু হলো চরম অশান্তি। আব্বু ভাইয়ার সাথে খুব খারাপ ব্যবহার করতে শুরু করলেন। শেষমেশ ভাইয়ার পড়াশোনার আর হাতখরচের সব টাকা বন্ধ করে দিলেন। ভাইয়া তখন পরিবারের সাথে একদম দূরত্ব তৈরি করে নিয়েছিল। একগুঁয়ে, জেদি আর হিংস্র হয়ে উঠেছিল ও…”

আয়ান থামল। ফালাক লক্ষ্য করল আয়ানের চোখে এক ধরণের বিষণ্ণতা। ছবির সেই হাসিখুশি গিটার হাতে ছেলেটা আজ কীভাবে এমন এক পাথরের মতো মানুষে পরিণত হলো, সেটা ভেবে ফালাকের বুকের ভেতরটা হু হু করে উঠল।

আয়ানের কণ্ঠস্বর এবার আরও ভারী হয়ে এলো। জানালার বাইরে তাকিয়ে এক দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল, যেন সেই বিভীষিকাময় দিনগুলো আবার তার চোখের সামনে ভেসে উঠছে। ফালাক স্তব্ধ হয়ে শুনছে—

“অশান্তিটা চরমে পৌঁছাল যেদিন খবর এলো ভাইয়াকে অপোজিট রাজনৈতিক পার্টির লোকেরা আক্রমণ করেছে। খবরটা যখন মির্জা মঞ্জিলে পৌঁছাল, আমরা সবাই দিশেহারা। ভাইয়াকে যখন হাসপাতালে নেওয়া হলো, ওর সারা শরীর রক্তে ভেজা ছিল। আম্মু সেই দৃশ্য দেখে জ্ঞান হারিয়েছিলেন, তারপর বেশ কয়েকদিন আম্মুর অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক ছিল।”

ফালাক নিজের অজান্তেই শাড়ির আঁচলটা শক্ত করে চেপে ধরল। আয়ান বলতে থাকল—
“হাসপাতাল থেকে একটু সুস্থ হয়ে ফিরেই ভাইয়া উন্মাদ হয়ে উঠল। প্রতিশোধের নেশায় ও হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিল। সোজা গিয়েছিল ওই লোকদের মারতে, কিন্তু গিয়ে শোনে যাকে ও খুঁজছে, সে আগেই মারা গেছে। আর ঠিক এই সুযোগটাই নিল ওর শত্রুরা। সেই মার্ডার কেসে ভাইয়াকে ‘অ্যাকুয়জড’ করা হলো। আসলে ওটা ছিল একটা বিশাল ট্র্যাপ। ভাইয়াকে ফাঁসানোর জন্যই সব সাজানো হয়েছিল।”

আয়ানের চোখদুটো তখন লাল হয়ে গেছে।
“আব্বু ভেঙে পড়লেন। মির্জা পরিবারের সম্মান ধুলোয় মিশে যাচ্ছে দেখে তিনি ভাইয়ার সাথে সব ধরণের সম্পর্ক ছিন্ন করলেন। কথা বলা তো দূর, ভাইয়ার ছায়াও তিনি সহ্য করতে পারতেন না। আব্বুর ঘৃণা আর পরিবারের অবজ্ঞা ভাইয়াকে আরও জেদি আর হিংস্র করে তুলল। নিজের ভেতর একটা দেয়াল তুলে নিল। আর সেই একাকীত্ব থেকে বাঁচার জন্য ও… ও ড্রাগস অ্যাডিক্টেড হয়ে গেল।”

“দিনের পর দিন ভাইয়া রুমে নিজেকে বন্দি করে রাখত। কারো সাথে কথা বলত না, শুধু নেশার ঘোরে পড়ে থাকত। বড় আব্বু ভাবলেন ভাইয়া শেষ হয়ে গেছে।
আয়ানের কথাগুলো যেন ফালাকের কানে বিঁধছিল। আয়ান একটু থামল, তারপর আবার বলতে শুরু করল—
“বাড়ির পরিস্থিতি তখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, ভাইয়াকে এখানে রাখা মানেই ছিল ওর মৃত্যু পরোয়ানা। পুলিশি ঝামেলা আর ড্রাগসের সেই অন্ধকার জগত থেকে ওকে বের করার জন্য আম্মু আব্বুকে রাজি করালেন। শেষে আম্মু, মেজো চাচ্চু আর ছোট চাচ্চু মিলে একরকম জোর করেই ভাইয়াকে লন্ডনে পাঠিয়ে দিলেন।”

ভাইয়া যাওয়ার সময় একটা কথাই বলে গিয়েছিল—’মির্জা মঞ্জিলের সাদ আজ মরে গেল, ফিরলে অন্য কেউ ফিরবে।’ লন্ডনে গিয়ে নিজের জীবনটা পুরোপুরি বদলে ফেলেছে। প্রথম কয়েক বছর আমাদের কারো সাথে যোগাযোগ করেনি। নিজের পড়াশোনা শেষ করেছে, ওই ১০ বছরে নিজেকে একদম পাথর বানিয়ে ফেলেছে। ভেতরের গান, গিটার, আবেগ—সব বরফে জমাট বেঁধে গেছে।”
আয়ানের গলাটা এবার ধরে এলো।
আয়ান একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে ফালাকের দিকে তাকিয়ে বলল—
“ভাইয়া জেদ ধরেছিল আর কখনো এ দেশে ফিরবে না। দশটা বছর ও একা কাটিয়েছে, আমাদের কারো ছায়াও মাড়ায়নি। শেষে আম্মু উপায় না দেখে নিজের চরম অসুস্থতার কথা বলে মিথ্যা নাটক করে ব্ল্যাকমেইল করলেন। মা তো… সন্তানের জন্য এইটুকু ছলনা না করলে হয়তো ভাইয়াকে আর কোনোদিন দেখাই যেত না। আম্মুর কথা শুনে ভাইয়া সব ফেলে দেশে ফিরে এলো।”

আয়ান ছবির দিকে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে বলল—
” ১০ বছর পর যখন ভাইয়া ফিরে এলো, আমরা কেউ ওকে চিনতে পারিনি। এখনো কাউকেই নিজের খুব কাছে আসতে দেয় না, পাছে আবার কেউ ওকে ভেঙে দিয়ে যায়।”

আয়ান একটু থামল, ফালাকের মুখটা তখন ফ্যাকাসে হয়ে গেছে। আয়ান আবার বলতে শুরু করল—
“ভাইয়া ফেরার পর বাড়িতে একটা অস্থিরতা কাজ করছিল।
আয়ানের কথাগুলো শুনে ফালাক যেন এক অজানা ঘোরের মধ্যে চলে গেল। তার চোখের সামনে আজ সাদের পুরো জীবনটা একটা সিনেমার মতো ভেসে উঠছে। আয়ান বলতে থাকল—
“জেনে রাখুন ভাবি, ভাইয়া কখনো হার মানতে শেখেনি। লন্ডন থেকে ফেরার পর সবাই ভেবেছিল ও হয়তো বদলে গেছে, শান্ত হয়ে গেছে। কিন্তু ওর রক্তে তো সতেজ। যখন এলাকায় ফিরল, দেখল পুরোনো শত্রুরা এখনো ডালপালা মেলে বসে আছে। ভাইয়া তখন আর চুপ থাকেনি।”

আয়ান একটু ম্লান হাসল,
“ভাইয়া সেই পুরোনো দাপট আবার ফিরিয়ে আনল। চেয়েছিল সবাইকে বুঝিয়ে দিতে যে সাদ মির্জা ফুরিয়ে যায়নি।
ফালাক বুঝতে পারল, কেন সেদিন রাস্তায় ওই বখাটেগুলো সাদের নাম শুনেই কুঁকড়ে গিয়েছিল।

এরপর সবাই ভাবল ভাইয়াকে একটা নিয়মের মধ্যে বাঁধতে হবে, নাহলে আবার হারিয়ে যাবে। ঠিক তখনই… মেজো চাচ্চুরা মিলে ঠিক করলেন ভাইয়াকে বিয়ে দেবেন। আর তখনই ভাইয়ার জীবনে এলো উর্মিলা ভাবি।”

উর্মিলার নামটা শুনতেই ফালাকের বুকের ভেতরটা যেন একটা মোচড় দিয়ে উঠল। সে তো জানে সাদের জীবনে এই প্রথম বিয়ে কথা, কিন্তু উর্মিলার কথা কেউ কখনো ওর সামনে খোলাসা করেনি।
আয়ান ইতস্তত করে বলতে থাকল—
“উর্মিলা ভাবি ছিলেন খুব সুন্দরী আর আধুনিকা। ভাইয়া শুরুতে একদম রাজি ছিল না, কিন্তু আম্মুর কান্নাকাটি আর অসুস্থতার কাছে হার মানল। ভাইয়া আর উর্মিলা ভাবির বিয়েটা হলো খুব ধুমধাম করে। ভাইয়া তখন ভাবিকেও ভালোবাসতে শুরু করেছিল। পাথরের মতো মানুষটা আবার একটু একটু করে হাসতে শিখছিল। কিন্তু…”

আয়ান থেমে গেল ফালাক রুদ্ধশ্বাসে জিজ্ঞেস করল, “কিন্তু কী আয়ান ভাইয়া? তারপর কী হয়েছিল?”
আয়ান ফালাকের দিকে তাকিয়ে খুব নিচু স্বরে বলল

“উর্মিলা ভাবি ভাইয়াকে বুঝতে পারেননি। ভাইয়ার উগ্র মেজাজটা তিনি মেনে নিতে পারেননি। তাদের সম্পর্কের মাঝে এমন কিছু ঘটে গেল, যা ভাইয়াকে আবার সেই ১০ বছর আগের চেয়েও ভয়াবহ এক অন্ধকারে ঠেলে দিল। ওই বিচ্ছেদটাই ভাইয়াকে আজকের এই জলজ্যান্ত পাথরে পরিণত করেছে ভাবি।”
ফালাক স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইল। এমন একজনের জায়গায় এসেছে যার স্মৃতি সাদের জন্য এক বিষাক্ত ক্ষত।

চলবে —

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here