#শূন্য_অর্থ_পূর্নতা(৫)
…
(দেখুন আগেই বলে রাখছি দুঃখিত , ত্রিশ হাজারের উপরে মানুষ গল্প টা পড়ছেন , যারা পড়ছেন অবশ্যই রেসপন্স করবেন, সত্যি বলতে আপনাদের রেসপন্স দেখেই লিখছি , রিয়েক্ট কি ১হাজার আশা করতে পারি না?)
…
হুরের টনক নড়লো , ও কাকে বলছে এসব? যে ওকেই মারতে চাইছে ।মুখের সামনে থেকে হাত সরাতেই নওশাদ এর মুখটা চোখে পড়লো ।ও চোখ নামিয়ে নিলো । আড়চোখে আরেকবার চাইলো ।
নওশাদ চমৎকার হাসলো ।হুরের কান্নার বেগ যেন আরোও বেড়ে গেলো ।এই লোকটা ওর কাছে কি চায় ও জানেনা , এতো ঝামেলায় পড়তে হবে জানলে ফুপাতো বোনের সাথে জীবনেও ও ওখানে যেতো না ।
– হুর সুলতানা, পরিচয় লুকাতে চাইছেন কেন? মেহবুবা চৌধুরী হুর নামটা অবশ্যই কোনো অভিজাত পরিবারের সদস্যের নাম ই হবে , আপনি নিজের পরিচয় লুকিয়ে ধনী সাজতে চাইছেন না তো?
হুর নওশাদ এর এরূপ কথা শুনে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে রইল, নিজের নাম নিয়ে কেউ মিথ্যা বলে নাকি?
– আচ্ছা কতো টাকা পেয়েছো আমাকে ফাঁসানোর জন্য? আমার প্রতিদ্বন্দ্বী তোমাকে পাঠিয়েছে?
নওশাদ এর ঠান্ডা বার্তা হুরের সর্বাঙ্গ কাঁপিয়ে তুললো । দুদিকে মাথা নাড়ালো , ভাঙ্গা স্বরে বললো- আমি আপনাকে ফাঁসাইনি বিশ্বাস করুন।আমাকে মাম্মা ফাঁপার কাছে যেতে দিন ।
নওশাদ তার সামনে বসে থাকা অপরুপ সৌন্দর্যের অধিকারী রমনীর দিকে তাকালো , কোনো আকর্ষণ হচ্ছে না , তবে কেন যেন মনে হচ্ছে মেয়েটা মিথ্যা বলছে না । হঠাৎ মনের মধ্যে জমে থাকা রাগ ধপ করে জেগে উঠলো ,,
– তোমার বয়স কতো মেয়ে?
হুর কথাটা শোনেনি কারন সে হাঁটুতে মুখ চেপে কান্নায় ব্যাস্ত ছিল ।
নওশাদ বেডের উপর রেগে হাত দিয়ে বাড়ি মারলো ।হুর লাফিয়ে বেড থেকে নেমে দাঁড়ালো , হাতে ব্যাথা পেলো । রক্ত ঝড়ছে কিন্তু দৃষ্টি নওশাদ এর দিকে।
নওশাদ মুচকি হেসে আবার বললো- সুলতানা তোমার বয়স কতো?
হুর কাঁপা স্বরে বললো-উনিশ ।
-কোন ইউনিভার্সিটিতে পড়ো?
হুরের এবার রাগ হলো খানিকটা, ভয়ের জন্য চাপা পড়ে গেলো ।
মনে মনে বললো- উনিশ বছর বয়সে কি কেউ ইউনিভার্সিটিতে পড়ে?
হুর কে চুপ থাকতে দেখে নওশাদ চোখ রাঙালো।এতে কাজ হলো
হুর গড়গর বললো- কোনো ইউনিভার্সিটিতেই না । এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছি।
নওশাদ এবার পাশের কাঁচের টেবিল টা ছুঁড়ে মারলো মেঝেতে , ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে গেলো ।
হুর নিজের হাতে স্যালাইন এর সুই টা টান দিয়ে খুলে দড়জার দিকে দৌড়ে গেলো , প্রানপন চেষ্টা করলো খুলতে কিন্তু পারলো না ।কারন দড়জা পাসওয়ার্ড সিস্টেম এর ।
এদিকে নওশাদ ভয়ঙ্কর ভাবে তার দিকে এগিয়ে আসছে , হুর কি করবে বুঝতে পারলো না সেখানেই দাঁড়িয়ে রইল থম মেরে ।
নওশাদ হুরের বাহু শক্ত করে চেপে ধরে বললো – মিথ্যা বলছিস কেন মেয়ে? তোকে আমি বিয়ে করেছি , ডিভোর্স ও দিয়ে দেব যদি সত্যি বলিস ।
হুর কাঁদতে কাঁদতে বললো- কি মিথ্যা বলেছি আমি? কোথায় মিথ্যা খুঁজে পাচ্ছেন বলুন? কিছু না করেও এমন পরিস্থিতিতে পড়তে হচ্ছে আমাকে , আমি কিছুই করিনি।আমাকে মাম্মা পাপার কাছে দিয়ে আসুন ,আপনি খুব খারাপ মানুষ খুন করেন ।
হুরের কথায় নওশাদ চমকে উঠলো , এভাবে তো কেউ মিথ্যা বলতে পারে না।
হুর আবারো বলে উঠলো – আমি আপনাকে বিয়ে করতে চাইনি , জোর করে বিয়ে করেছেন, আপনি খুনী , আমাকেও মেরে ফেলবেন।
বলেই নওশাদ এর বুকে লুটিয়ে পড়লো ।
……
আয়ান সামনের মেয়েটাকে দেখলো , দেখে মেডিকেল স্টুডেন্ট অথবা ডাক্তার মনে হলো ।
আয়ান মনে মনে বললো – বিরাট শিক্ষিত মেয়ে লাগছে , এমন কথা বলছে কেন?
উঠে দাঁড়িয়ে প্যান্ট ঝাড়তে ঝাড়তে বললো- তা খালা আপনের ভ্যাটকাতে মন চাইলে আপনিও ভ্যাটকান ।দেখে তো ছোটোই মনে হচ্ছে ডাক্তার নাকি স্টুডেন্ট?
মেয়েটা আয়ান এর খালা ডাকে বিব্রত বোধ করলো – জি মেডিকেল দ্বিতীয় বর্ষে , এখানের ডাক্তার আমার আম্মু।আপনার আমাকে খালা লাগলো কোন অ্যাঙ্গেল থেকে?
আয়ান দাঁত কটমট করে বললো- তা শালী পড়ালেখা কইরা এমন ফকিন্নি ভাষা মারাস কেন ? হয় পড়াশোনা ছেড়ে রিক্সা চালা নাইলে বিয়া করে বাচ্চা পয়দা কর।সর শালী সামনে দিয়ে , একদিকে চাকরি যায় আরেকদিকে ভ্যাটকান মারায়।
সামনে দাঁড়িয়ে থাকা আহিয়া নামের মেয়েটা স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে,আয়ান এর কথা শুনে ওর ইচ্ছে করছে এক বোতল পানি ছুড়ে মারতে ।
আয়ান আহিয়া কে চুপ থাকতে দেখে আবার বললো- তা শালী চাকরি গেলে কি তুই আমাকে বিয়ে করবি? চাকরি না থাকলে তো কোনো মেয়েই বিয়ে করবে না আমাক.কিরে করবি বিয়া?
আহিয়া আঙুল উঁচু করে শাশিয়ে কিছু বলতে গেলো – দেখুন!
আয়ান- আরে রাখ তোর দেখা দেখি , এগুলাই পারোছ ? শালী মুখে তালা মারছে ।
এরমধ্যে আহিয়াকে ওর মা ডাক দিলো – আহিয়া কোথায় তুই এদিকে আয় বাসায় যেতে হবে ।
আহিয়া তাকিয়ে দেখলো ওর মা এদিকেই আসছে ,ও আয়ানের দিকে তাকিয়ে রাগে ফসফস করতে করতে বললো – মিস্টার বেয়াদব আপনাকে দেখে নেব পরে আমি , বজ্জাত শয়তান।
আয়ান মুখ বাঁকিয়ে উত্তর দিলো – আয় শালী জামাকাপড় খুলি এখুনি দেখে যা ।
আহিয়া- ছিঃ, অশ্লীল , এখানে আসাই ভুল হয়েছে ।
বলেই গটগট করে চলে গেলো ।
আহিয়া যেতেই আয়ান চেয়ারে বসে পড়লো এরপর পেটে হাত রেখে বললো- আহ শান্তি লাগছে এখন ,কারোর সাথে ঝগড়া করে ,পেটটা ফেটে যাচ্ছিল। নওশাদ ভাইয়ের দিন এখন ,দিন আমারো আসবে ,দেখা যাবে ।যাই পেট পরিষ্কার করে আসি ওয়াসরুমে গিয়ে।
…
– আসসালামুআলাইকুম, আব্বু,আমি ছোটো পাখির সাথে দুদিন ধরে যোগাযোগ করতে পারছিনা , কাজের চাপে ফোন দিতে পারিনি,এখন সময় বের করে ফোন দিলাম।
রেয়ানশ চৌধুরীর গলা শুকিয়ে এলো এই ছেলেকে কোনো মতেই কিছু জানতে দেওয়া যাবে না ,পরে দেখা যাবে ছেলে তার বেহুঁশ হয়ে অসুস্থ হয়ে গিয়েছে ।
রেয়ানশ চৌধুরী ফ্যাকাশে মুখে হেসে জবাব দিলেন- সাদি বেটা চিন্তা করো না ,ও রুমে ঘুমচ্ছে,ওর ফোনটা পানিতে পড়ে গিয়েছে, নতুন নিতে চায়নি বললো ভাই এসে কিনে না দিলে কিনবে না ।
সাদিক চমৎকার হেসে বললো – আব্বু আমি পাঁচদিন পর দেশে ফিরছি ,পাখিকে বলবে না সারপ্রাইজ দেব ,আর হ্যাঁ কাল কথা বলিয়ে দিও ।
রেয়ানশ চৌধুরী স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললো ।
এরপর কিছুক্ষণ গভীর চিন্তায় মগ্ন থাকলো । ঢাকায় যাওয়া টা জরুরি, খুব জরুরি কিন্তু এখানে থেকে বের হতেও পারছেনা ।
রেয়ানশ চৌধুরী খেয়াল করলেন তাঁকে কেউ দেখছে ,একটা ছায়া , তীক্ষ্ণ দৃষ্টি এরপর বিকট শব্দ ।
রেয়ানশ চৌধুরী এগিয়ে গেলেন,একটা তীক্ষ্ণ ছুঁড়ি দেওয়াল এ গেঁথে আছে সাথে একটা লাল মসলিন এর কাপড় ।
…
– হ্যালো সুফিয়ান!
– আসসালামুআলাইকুম বস , বলুন কি আজ্ঞা ,আমি পালন করার জন্য প্রস্তুত।
ফোনের ওপাড়ে থেকে একজন এর বিকট হাসির শব্দ পাওয়া গেলো – সুফিয়ান জানো তো কি করতে হবে ? কাল যেটা বলেছি ,সেটা সম্পূর্ণ করার সময় এসে গিয়েছে প্রত্যেক কে মেরে ফেলো ।কাল রেয়ানশ চৌধুরীর অবাক হওয়ার দিন ,বয়স বাড়ার সাথে হয়তো শক্তি খুইয়ে বসেছে বেচারা ।
সুফিয়ান লোকটা ওপাশে থেকে খুক খুক করে কেশে উঠলো ।
সুফিয়ান – কিন্তু ম্যাম উনি তো…
– খামোশ সুফিয়ান,বস বলবে বস । দ্বিতীয় বার এক ভুল আমি মেনে নেব না।আর হ্যাঁ আমিই তোমার সাথে যোগাযোগ করবো তুমি না ।
বলেই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলো সে । এদিকে সুফিয়ান ফোনের দিকে তাকিয়ে বললো – বস আপনি নির্ঘাত পাগল হয়ে গিয়েছেন!
….
নওশাদ তোমার কোলে মেয়েটা কে ? অলরেডি দ্বিতীয় বিয়ে করেছো তুমি আমি চাই ওর সাথেই সংসার করো তুমি । আবার কাকে নিয়ে আসলে ।
মেহেরিন মির্জা নওশাদ এর কোলে থাকা হুরের দিকে তাকিয়ে কথাগুলো বলছেন। এদিকে নওশাদ বিরক্তিমাখা মুখ নিয়ে বললো- ভালো করে তাকিয়ে দেখেন আম্মা,একেই বিয়ে করেছিলাম, পালিয়েছিল তুলে এনেছি ।
বলেই গটগট করে সিড়ি বেয়ে উপরে চলে গেলো । নিজের রুমের সামনে যেতেই কিছুক্ষন দাঁড়ালো এরপর সেটাকে ডিঙিয়ে নূরের রুমের পাশে বেশ বড়োসড়ো রুমটায় নিয়ে গেল । বিছানায় শুইয়ে দিয়ে কয়েকজন মেয়ে স্টাফ করে অর্ডার করলো হুর কে দেখে রাখতে ।
এরপর বেরিয়ে গেলো নিজের রুমের উদ্দেশ্যে।
এদিকে মেহেরিন মির্জা অবাক হয়ে এখোনো সেখানে দাঁড়িয়ে আছে ,ছেলের কোলের মেয়েটাকে দেখে তিনি নিজেই চোখ ফেরাতে পারেন নি ।ছেলের মনে কি কোনো অনুভূতি সৃষ্টি হয়নি?
তিনি হুরের রুমের দিকে চলে গেলেন । দড়জা খুলে প্রবেশ করতেই বিছানায় শুয়ে থাকা হুরের মিষ্টি মুখটা নজর কাড়লো ।
মেয়েটার মাথায় হিজাব অগোছালো অবস্থায়, তিনি বুঝলেন মেয়েটা মারাক্তক পর্দাশীল।
তিনি মুগ্ধ হয়ে হুরের পাশেই বসে রইল একদৃষ্টিতে তাকিয়ে হুরের দিকে।
এদিকে মাঝরাতে হুরের গা কাঁপিয়ে জ্বর আসলো ,মেহেরিন মির্জা হুরের পাশেই শুয়েছিল,তার কেন যেন মনে হচ্ছিল বাচ্চা মেয়েটা ভয় পাবে সে গেলে ।মনের সব অহংকার ধুলোর সাথে মিশে গেলো । সেখানে স্থান নিল অন্যরকম অনুভূতি।
তিনি জলপট্টি দিলেন হুরের কপালে ।স্যুপ তৈরি করে খাওয়ালেন ।হুর ঘুমের মধ্যেই আপনমনে বিড়বিড় করছিল,তার প্রিয় মা বাবার কথা ।
…..
ভোর পাঁচটা বেজে পঁচিশ মিনিট,,,,
হুর উঠে বসলো ,মাথাটা কেমন ঝিম ধরে আছে ।আজানের সুমধুর সুর ভেসে আসছে । হুরের বুঝ হওয়ার পর থেকে ও কখনোই নামাজ বাদ দেয়নি ।তাই উঠে পড়লো । অভ্যাস মতো খাট থেকে নেমে ডান দিকে হাঁটতে শুরু করলো ,এরপ লাইট জ্বালানোর জন্য সুইচ খুঁজতে শুরু করলো ।সামনে দেওয়াল ছাড়া কিছুই নেই । এদিকে হুর ঘুমের ঘোরে দেওয়াল হাতরে যাচ্ছে।
মেহেরিন মির্জার ঘুম ভেংগে গিয়েছে ,তার যেদিন ভোরে ঘুম ভাঙ্গবে সেদিন ই নামাজ পড়বে ।তাই আজ ও ভাবলো উঠেছি যখন নামাজ পড়ে নেই।
হুরকে খুঁজতে গেলে খুজে পেলো না ,তিনি চমকে টেবিল ল্যাম্প জ্বালিয়ে , সুইচ বোর্ড এর কাছে গিয়ে লাইট জালিয়ে দিলো ।
সুরকে দেওয়াল হাতরাতে দেখে তিনি অবাক হলেন ।
হুরের নামটা মনে করতে চাইলো , পরক্ষনেই মনে পড়লো হুর নাম ওর ।তাই সেটাই সম্মোধন করে ডাকলো – হুর তুমি ওখানে কি করছো ?
হুর চোখ বন্ধ করে সেভাবেই উত্তর দিলো – মাম্মা সুইচ বোর্ড কোথায়,নামাজ পড়তে হবে তো,রুমের লাইট না জ্বালালে ওয়াসরুমে যাব কীভাবে?
মেহেরিন মির্জা হাসবে না কাঁদবে বুঝতে পারলো না,এই মেয়ে জেগে স্বপ্ন দেখছে নির্ঘাত।
– হুর চোখ মেলো ,তুমি নিজের বাড়িতে নেই।
হুর এমন কথা শুনে চোখ মেলে তাকায়,ঘোলা ঘোলা দেখছে , মস্তিষ্কে তেমন একটা প্রভাব ফেললো না কথাটা ,তবে হঠাৎ করে সবকিছু মনে পড়তেই ভালো করে তাকালো ।
না রুমটা তার নয় ,তার রুম আরোও বড়ো , বিশাল, ফুটবল খেলা যাবে সেই রুমে, কিন্তু এই ছোটো রুমে সে কি করে আসলো?
মেহেরিন মির্জার দিকে তাকালো ,এই মহিলা কে চিনতে অসুবিধা হলেও পরক্ষনেই মনে পড়লো ,ইনি তো নওশাদ এর মা ।
হুর- আপনি এখানে? আমি এখানে কি করে আসালাম?
মেহেরিন মির্জা হুরের কথা শুনে রুম থেকে বের হয়ে যেতে যেতে বললো- নওশাদ নিয়ে এসেছে তোমায় ,নামাজ পড়ে নাও মেয়ে ,আমি যাচ্ছি। জায়নামাজ রাখা আছে রুমে ।
হুর ভ্রু কুঁচকে সেদিকে তাকিয়ে মেহেরিন মির্জার যাওয়া দেখলো ,এই মহিলাই তো তাকে ময়লা আবর্জনার সাথে তূলনা করেছে ।এনাকে নিয়ে মাথা ঘামালো না । আসেপাশে তাকালো ,না কেউ নেই ।
এরপর ওয়াসরুমে গিয়ে ওজু করে নামাজ পড়ে নিলো ।
নামাজ পড়ে বিছানায় চুপচাপ ভাবুক হয়ে বসে রইল, কীভাবে বাসায় ফোন দেওয়া যায় সেটা ভাবতে লাগলো ।
– পাপা আমি জানি আমি তোমাকে ফোন দিলে আমাকে তুমি খুঁজে বের করবে , কিন্তু কীভাবে করবো?
চলবে কি?
মিহিকা রোজা- Black Rose
সাহরীর সময়ের মধ্যে ১ হাজার রিয়েক্ট চাই জনগণ ।ভালোবাসলে রিয়েক্ট আর কমেন্ট করে যাবেন।
যেহেতু আমি বেশি পর্ব পর্যন্ত যাইনি তাই ডিলিট করতেও ভাববো না ।

