#শূন্য_অর্থ_পূর্নতা(৭)
….
স্যার উনি ডিল করতে রাজি হয়েছেন, আপনি নিশ্চিত হয়ে বাসায় যান , আপনি কোথায় ওনার সাথে কথা বলতে চাচ্ছেন ? কাল ডিল টা ফাইনাল করলে ভালো হবে ।আপনাকেও অসুস্থ লাগছে ।
ম্যানেজার কাইফ কথাটা শেষ করে থামলো ।তাকে চিন্তামুক্ত লাগছে । নওশাদ মুচকি হাসলো । এরপর নিজের ব্যাথা জায়গায় হাত বুলিয়ে বললো- সুস্থ আছি চিন্তা নেই । আপনি তাকে বরং আমার বাড়ির ঠিকানাটা সেন্ড করে দিবেন ।বিকেল পাঁচটার দিকে ।
নওশাদ আজ সাদা পাঞ্জাবি পড়েছে , এমপি হওয়ার দরুন পাঞ্জাবি টাই মাঝে মাঝে পড়ে সে ।তবে তাকে নীল শার্ট এই বেশি দেখা যায় তাকে ।
কম্পানি থেকে বের হতেই বুকের ডান দিকে চিনচিনে ব্যাথা করছে । তাকিয়ে দেখলো ছোপছোপ রক্তের দাগ ।হুরের দেওয়া আঘাত আর তার বলা কথাগুলো মনে পড়ে গেলো ।
কানে একটা কথাই বাজলো “আপনাকে আমার পাপা ছাড়বেনা মিস্টার এমপি ।আমি তাদের রাজকন্যা, আমার ভাই আপনাকে কেটে টুকরো টুকরো করে ফেলবে ,ছেড়ে দিন আমাকে।আমি বোকা হলেও আমার পরিবার এর একজন মানুষ ও বোকা না ।”
নওশাদ মুচকি হেসে বিড়বিড় করে বললো- ক্যাটরিনা তুমি আসলেই খুব বোকা ।ভীষন বোকা ।আমাকে ছোঁয়ার সাহস এখন পর্যন্ত কারোর হয়নি ।
বাড়িতে যাওয়ার সময় কতগুলো বেলুন কিনে নিলো নওশাদ নূরের জন্য বেলুন নিয়ে খেলতে খুব পছন্দ করে নূর ।
….
মুখোমুখি বসে আছে মেহেরিন মির্জা আর নওশাদ। নওশাদ এর চোখেমুখে বিরক্তির ভাব আর মেহেরিন মির্জার মুখে উদ্বিগ্নতা।
তিনি ছটফট করে জিজ্ঞেস করলো- এবার কি আমাকে ক্ষমা করা যায় না নওশাদ, আমি ক্ষমা চাচ্ছি।আমাকে সুযোগ দাও।তোমাকে আজ এ মেয়েটা আঘাত করেছে , আমাকে দেখতেও দিলে না । আমার কষ্ট টা একটু বুঝতে চেষ্টা করো।
নওশাদ তাচ্ছিল্যের হাসি দিয়ে বললো- সুন্দর দেখে , মর্ডান দেখে, উচ্চ শিক্ষিত দেখে নিয়ে এসেছিলেন তাকে , কি করলো পরিবারের মান ইজ্জত ধুলোয় মিশিয়ে দিতো ।আমি সেটা হতে দেইনি আমার বাবার তৈরি এতো বড় সাম্রাজ্যের ধ্বংস আমি হতে দিতে পারি নি ।তাই এটা করতে বাধ্য হয়েছি । তখন আমার কথাটা শোনার প্রয়োজন বোধ করলে এটা হতো না ।
মেহেরিন মির্জা মাথা নিচু করলো , প্রতিবার এই এক জায়গায় এসে থেমে যেতে হয় তাকে।
ইতস্তত করে আবার বললো- নূর কে কি করবে ভাবছো ? দিয়ে দেই ? তুমি নতুন করে শুরু করো ডিভোর্স দিয়ে দাও নাবিলা কে ।
নওশাদ মুচকি হেসে বললো- আম্মা নূর আমার মেয়ে , দ্বিতীয় বার এ নিয়ে কোনো কথা শুনতে চাই না , আর ডিভোর্স সেটা নিয়ে পরে ভাববো ।
মেহেরিন মির্জা চমকে উঠলো- তাহলে দুই বউ নিয়ে সংসার করবে তুমি নওশাদ, যাকে বিয়ে করেছো দুদিন হলো তাকে কি করবে , বিয়ে কোনো ছেলেখেলা নয়।
নওশাদ মেহেরিন মির্জার দিকে তাকিয়ে ভ্রু নাচিয়ে বললো- সেটাই আম্মা বিয়ে কোনো ছেলে খেলা নয় ।
মেহেরিন মির্জা হতাশ চোখে নওশাদ এর যাওয়ার দিকে তাকিয়ে বললো-এমন ঘাড় ত্যাড়া ছেলে আমার পেটে কীভাবে জন্মালো ? সবসময় কথায় প্যাচ লাগিয়ে চলে যায় ।
এরপর নিজেকে শক্ত করে বললো- দেখ নওশাদ আমিও তোর মা , আমি এক ভুল নিয়ে পড়ে থাকবো না ,হুর প্রতারক হলেও এই হুরের সাথে সংসার করিয়ে ছাড়বো নাহলে আমার নাম ও মেহেরিন মির্জা নয় ।
এরপর কোলে থাকা নূরের দিকে তাকিয়ে বললো- তুই আমার সাথেই থাকিস তোর বাপ মায়ের মিল করাতে ।তোর আপন মা তো আপন মা ,থাক আর কিছুই বলবো না ।সৎ মাকেই বেশি ভালোবাসবি ঠিকাছে?
নূর মাড়ি বের করে হাসলো ।মেহেরিন মির্জা সেদিকে তাকিয়ে রইল আর আপনমনে বিড়বিড় করলো – তুইও সুন্দর কেন হলি রে ,শ্যামলা হতি ! তোর কপাল ভালো বলতে হবে ।চল কার্টুন দেখি দুজন মিলে ।
….
– নওশাদ হুর মেয়েটা সকাল থেকে কিছু খায়নি ,ঐ রুমে দড়জা আটকে বসে আছে আর খুলেই নি এতোবার ডাকার পরেও ।
নওশাদ – মরে টরে গেলো নাকি?ঐ রুমে নিশ্চয়ই তুমি নিয়ে গিয়েছো ।
মেহেরিন মির্জা অবাক হলেন ছেলে তাকে আচমকা তুমি বলতে শুরু করেছে তিনিও খুশি হলেন কিন্তু প্রকাশ করলো না।
মেহেরিন মির্জা – তুমি তাকে এনেছো দায়িত্ব ও তোমার,মরে গেলে ওর বাপ মা তোমাকে ধরবে ।
নওশাদ বাঁকা হেসে বললো- এই নওশাদ মির্জা কে ছোঁয়ার ক্ষমতা কার আছে?
মেহেরিন মির্জা কিছু বললো না চলে গেলো এই ছেলের সাথে কথা বলাই বেকার ।
নওশাদ ফ্রেশ হয়ে কাটা জায়গায় নতুন ব্যান্ডেজ করে নিলো । এরপর একটা কালো টিশার্ট গায়ে জড়িয়ে হুরের রুমের সামনে গেলো ।
ডুপ্লিকেট চাবি দিয়ে রুম খুলতেই অবাক হলো পুরো রুম অন্ধকার লাইট জ্বালিয়ে দিলো নওশাদ।
সামনেই হুর বিছানায় হাঁটুতে মুখ গুঁজে বসে আছে ,দিন দুনিয়ায় খেয়াল হারিয়ে বসে আছে সে ।
রুমে কারোর উপস্থিতি টের পেয়ে মুখ তুললো সে নওশাদ কে দেখে ভয়ে কুঁকড়ে গেলো ।আরোও গুটিয়ে গেলো । সবুজ রাঙা চোখের সাদা অংশ টকটকে লাল আকার ধারণ করেছে ।
নওশাদ গিয়ে হুরের সামনে গিয়ে বললো – মরে যেতে চাও নাকি? অবশ্য মরলে একটা ঝামেলা কমবে , আমার কষ্ট করে মারা লাগবে না ।
হুর ফুঁপিয়ে কান্না করতে করতে বললো- আমি বাড়ি যাব । ভাইয়ার কাছে যাব ।
নওশাদ হুরের মুখের কাছে গিয়ে ফিসফিস করে বললো- সুলতানা তুমি মানসিক রোগী নয়তো ।
হুরের সেসব শোনার সময় কোথায় সে পেট চেপে ধরে ঠোঁট কামড়ে কান্না আটকাতে চেষ্টা করছে । নওশাদ এর কেন যেন হাসি পেলো। তবুও নিজেকে সামলে নিলো ।না হাসিতে তাকে মানায় না ।
তখুনি খাবারের ট্রলি হাতে রুমি ঢুকলো মাথা নিচু করে , আবার বেরিয়েও গেলো সেটা রেখে । নওশাদ হুরে হাতে একটা প্লেট এগিয়ে দিয়ে বললো – নাও খেয়ে নাও ।
হুর ছোট করে বললো- আমাকে না মেরে ফেলতে চান?
নওশাদ বাঁকা হেসে বলল – কোরবানির গরু কে খাইয়ে মোটা তাজা করে নেই ।
হুর এবার শব্দ করে কেঁদে উঠলো, দুহাতে চোখ মোছার বৃথা চেষ্টা করলো। একদমই বাচ্চা লাগছে তাকে ।
নওশাদ হুরের এমন বাচ্চা ভাব দেখে কি বলবে বুঝতে পারলো না ।
– সবসময় এমন ফ্যাচ ফ্যাচ করে কাদো কেন তুমি, এখুনি মেরে ফেলবো তাহলে ।
হুর কান্না থামিয়ে নওশাদ এর দিকে তাকালো, নওশাদ এর অবচেতন মনে ইচ্ছে করলো হুরের গাল দুটো টেনে দিতে ।
হুর চামচ হাতে নিয়ে খেতে চেষ্টা করলো । বেচারি মনে হয় ভুলেই গেলো কীভাবে খেতে হয় খাবার সহ চামচ নিজের গায়ে ফেলে দিল ।
এরপর ভীতু মুখ নিয়ে নওশাদ এর দিকে তাকালো এই বুঝি থাপ্পড় মারলো ওকে ।
নওশাদ বুকে হাত গুজে বললো – এখন বল তিন বেলা তোর বাপ মা খাইয়ে দিতো?
হুর দ্রুত উপরনিচ মাথা ঝাঁকাল।
নওশাদ বিরক্ত হলো । এরপর আবার বললো- জীবনেও নিজের হাতে খাবার খাসনি ?
হুর দুপাশে মাথা নাড়ায়।
নওশাদ উঠে দাঁড়ালো – তোর বাপ মা কি তোকে ঢেঁড়স বানিয়েছে? অকর্মার ঢেকি একটা । রান্না বান্না পারিস?
হুর – না এটা তো শেফ যা করে ।
নওশাদ – খাবার হাত দিয়ে না খেলে আজ চাপকে পিঠের ছাল তুলে ফেলবো শালী অকর্মার ঢেঁকি। বুদ্ধি শুদ্ধি কিছু নাই , নির্বোধ।আমি এখানে বসে আছি খাবার নিজ হাতে শেষ কর , ফাস্ট।
হুর কেঁপে উঠল ধমকে কান্না বন্ধ হয়ে গেলো , এমন না যে ও চামচ ধরতে পারে না কিন্তু নওশাদ এর সামনে ও তো সোজা হয়ে বসে থাকতেই পারছেনা , হাত পা কাপছে ।খাবে কীভাবে!
নওশাদ হঠাৎ প্রশ্ন করে বসলো – তোমার বাপের নাম বলো শুনি কোন মহারাজা উনি ।
হুর খাবার রেখে উত্তর টা দিতে প্রস্তুত হলো , কিন্তু নওশাদ এর ফোনে একটা ফোনকল আসায় চুপ করে গেলো ।
নওশাদ উঠে হুরকে কড়া গলায় খেতে বলে চলে গেলো কিন্তু যাওয়ার আগে বললো- পরে এসে শুনছি তোর বাপের নাম ।খাঁ এখন চুপচাপ, বিছানায় খাবার পড়লে তোকে দিয়ে ধোয়াবো ।
নওশাদ যেতেই হুর হাফ ছেড়ে বাঁচলো ,ধীরে ধীরে একটু একটু করে খাবার খেলো পরিপাটি ভাবে । এরপর সেগুলো গুছিয়ে নিজের শরীরে পড়ে থাকা খাবার টাও পরিস্কার করে নিল ।
নিজেকে পরিপাটি করে সে ঘুমিয়ে পড়লো ,সেদিন রাতে নওশাদ এর দেখা পাওয়া গেলো না।এটা হুর কে স্বস্তি দিল । কিন্তু হুর জানে না তার দেওয়া আঘাত এ বেচারা নওশাদ এর জ্বর এসেছে।
….
পরদিন সকালে হুর গোসল করে গোলাপী একটা গাউন পড়ে হিজাব পেঁচিয়ে নিল । তখুনি দড়জায় নক করলো কেউ হুর গিয়ে দড়জা খুলে দিল ।মেহেরিন মির্জা এসেছে।
তার মুখ গম্ভীর, মুখ দেখে বোঝা যাচ্ছে না আসলে মনে কি চলছে ।
হুর সালাম দিয়ে দূরে সরে দাঁড়ালো ,মেহেরিন মির্জা সালামের উত্তর দিয়ে মিহি কন্ঠে জিজ্ঞেস করলো – কাপড় গুলো পছন্দ হয়েছে হুর ?
হুর অপ্রস্তুত হয়ে মাথা নাড়ায়।এর অর্থ দাঁড়ায় মেহেরিন মির্জা ই তাকে এই কাপড়গুলো দিয়েছেন।হুর মনে মনে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলো , কিন্তু মুখে কিছু বললো না।
মেহেরিন মির্জা গম্ভীর কন্ঠে বললো- আমার সাথে নিচে চলো , তুমি এবাড়ির বউ সব বুঝে নিতে হবে ।
হুর অপ্রসন্ন চোখে তাকালো, অর্থাৎ সে নিচে যেতে চায় না ।অনেক পুরুষ কর্মী রয়েছে সেখানে।
মেহেরিন মির্জা হয়তো হুরের মনোভাব বুঝলেন, চমৎকার হাসলেন তিনি, ছেলের জন্য উপযুক্ত মেয়ে পেয়েছেন, কে জানে ছেলেটা হয়তো ভুল বুঝে মেয়েটাকে তুলে এনেছে।
– চিন্তা নেই , এবাড়িতে এখন কোনো পুরুষ মানুষ নেই । কিন্তু বাড়ির বাহিরে কড়া গার্ড তাই পালাতে চেষ্টা করলে নওশাদ তোমাকে ছাড়বেনা ।
কথাগুলো বলে আড়ালে মুখ টিপে হাসলেন তিনি।
হুর যাওয়ার সম্মতি দিলো ।
তারা নিচে নেমে আসলো হুরকে সোফায় বসতে বলে তিনি কোথা থেকে নূরকে এনে হুরের কোলে দিয়ে বললো – ওকে দশমিনিট কোলে রাখবে , আমি তোমার জন্য নাস্তা নিয়ে আসছি ।
হুর কোলে থাকা নূরের দিকে তাকালো , হুরের ঠোঁটে মৃদু হাসি খেলে গেলো ।তার নিজের ছোটোবেলায় ছবিতে সে দেখেছে নূরের মতো রাজকন্যা সাজিয়ে রাখতো সারাদিন।তবে প্রতিটা ছবিতে তার মাথায় হীরের মুকুট থাকতো ।
নূর এর গোলাপী গালাপী গাল দুটো একটু পর পর টেনে দিতে লাগলো ।এদিকে নূর তো হুরের দিকেই তাকিয়ে আছে চুপ করে মিষ্টি বাচ্চার মতো ।দুটো হাত দিয়ে হুরের জামা খামচে রেখেছে যদি হারিয়ে যায়!
তখুনি কলিং বেল এর আওয়াজ পাওয়া গেলো , একজন সার্ভেন্ট গিয়ে দড়জা খুলে দিলো ।
হুর সেদিকে তাকালো না , ও তো নূরকে আদর করতে ব্যাস্ত।এটা যে ওর সতীনের মেয়ে সেটা ভুলেই গিয়েছে।
ড্রয়িংরুমে হীলের শব্দ প্রতিধ্বনিত হচ্ছে, হুরের দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে কেউ তার দিকেই এগিয়ে আসছে ।হুর সেটা বুঝতে পেরে তাকালো।
সামনে অপূর্ব সুন্দরী একজন রমনী, পরনে নীল রঙের শাড়ি , স্লিভলেস ব্লাউজ।আর ঘাড় অবধি কাটা চুল গুলো বাতাস এ দোল খাচ্ছে।
হুর চোখ নামিয়ে নিল , রমনীর দিকে তাকাতে তার খুব লজ্জা লাগছে , কারনটা অবশ্যই তার পোশাকা।
শাড়িটা এতটাই ফিনফিনে পাতলা যে পেট স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।
মেয়েটা তার দিকেই এগিয়ে এসে সামনের সোফায় বসলো ।হুর তাকালো আরেকবার।মেয়েটা মিষ্টি হাসলো ।
– বাহ নওশাদ তো পরীর মতো মেয়েকে বিয়ে করেছে !
হুর একথা শুনে লজ্জা পেলো ,মেয়েটাকে ও চিনতে পারছেনা ,হয়তো পরিচিত কেউ হবে ।
মেয়েটা হুরকে জিজ্ঞেস করলো – নাম কি তোমার মেয়ে ?
হুর কিছু বলতে যাবে তার আগেই মেহেরিন মির্জার কর্কশ গলার শব্দ পাওয়া গেলো , হাতের প্লেট টা শব্দ করে রেখে এগিয়ে আসলো – হুর নাম ওর ,তা তুমি এখানে কি মনে করে ? নিরুদ্দেশ হয়ে গিয়েছিলে না?
মেয়েটা নূরের দিকে একপলক তাকিয়ে নূরকে হাত বাড়িয়ে কোলে নিয়ে আদর করে বললো- বাহ মেয়েটা তো ভারী সুন্দর, আমার মেয়ে না এটা ? মামুনি দেখো আমার মেয়ে দেখি নওশাদ এর দ্বিতীয় বউয়ের মতো সুন্দর দেখতে ! আমার মতো হলো না কেন?
মেহেরিন মির্জা ছো মেরে নূর কে নিয়ে নিলো এরপর হুরের কাছে দিয়ে বললো- এটা হুরের আর নওশাদ এর মেয়ে ,এতো অধঃপতন হয়েছে তোমার দেখেই ভালো লাগছে এখন বলো কি করতে এসেছো ।
মেয়েটা উঠে এলো একটা হাত দিয়ে নূরের মাথা স্পর্শ করে আদর করে দূরে সরে দাড়ালো ।ঠোঁট কামড়ে নিজের কান্না আটকানোর চেষ্টা করছে সে ।
সেভাবেই বললো- মামুনি আমার এই অবস্থার জন্য দায়ী তুমি ।
হুর কিছু বুঝতে পারছেনা এই মেয়েটা কে তার পরিচয় কি?
তখুনি একটা গম্ভীর পুরুষালি কন্ঠ ভেসে এলো – নাবিলা! আপনি এখানে?
চলবে,,,,,,,
লেখনিতে ~ মিহিকা রোজা- Black Rose
আজ বড়ো করে কমেন্ট করবেন।ছোটো ছোটো কমেন্ট দেখলে মন খারাপ হয়ে যায় । পর্ব টা সম্পর্কে মন্তব্য করবেন।আর নেক্সট নেক্সট না করে সুন্দর মন্তব্য করুন এতে আমি খুশি হয়ে পরের পর্ব দ্রুত লিখতে পারবো।

