শূন্য_অর্থ_পূর্নতা (১৩)

0
30

#শূন্য_অর্থ_পূর্নতা (১৩)

হালকা গোলাপী রাজকীয় গাউন আর হালকা কাজের হিজাব এ হুর কে অপ্সরার থেকে কম লাগছে না , নওশাদ তাকিয়ে থমকে গেলো কিছু সময়ের জন্য, মেহেরিন মির্জা হুরকে দেখে কিছু বুঝলেন না তবে বুঝলো হয়তো কোথাও ভুল বোঝাবুঝি ছিল ।
এখানে যে নওশাদ আর হুরের বিয়ের কথা হবে সেটা শুনে তিনি খুশিতে আত্মহারা হয়ে গেলেন ।ছেলে তার কলিজার টুকরা , ছেলের সুখ দেখলে তার মন খুশি থাকে সবসময়।

হুরকে বসিয়ে আহিয়া আয়ান এর দিকে দেখলো , খচ্চর টা এখানে কি করছে? তার মানে হুরের মার সাথে বিয়ে হবে তার পরিবারের সদস্য হবে ।
কটকটে দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল যতক্ষন না পর্যন্ত আয়ান ওর দিকে তাকায় তবে আয়ান পারছেনা ফোনটার মধ্যে ঢুকে যেতে ।তাই সে আহিয়ার ভয়ঙ্কর দৃষ্টি দেখতে পেলো না।

সাদিক বোনকে একপাশে বসালো , এরপর নওশাদ এর পাশে গিয়ে বসলো , উচ্চতা সাদিক নওশাদ এর থেকে বেশ লম্বা। নওশাদ একবার অবাক হয়ে দেখেছিল সাদিক কে পুরুষ মানুষ কি আসলেও এতো সুন্দর হয়?
সাদিক লাজুক ছেলে , গম্ভীর ভাব থাকলেও সবার সাথে ঠান্ডা স্বরে কথা বলবে ।ঝগরা কিংবা কড়া কথা তার মুখ থেকে বের হবে না ।

তাই নওশাদ এর সাথে খুব অল্প কথাই হয়েছে , নওশাদ খুব বিচক্ষণভাবে কথাগুলোর সাথে তাল মিলিয়েছে ।এতে সাদিক মুগ্ধ এবং নিশ্চিত হয়েছে ।

মেহেরিন মির্জা – ভাই, আপা , হুর মামুনি আমার ঘরের রাজকন্যা হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই তা আপনারা জানেন, এখন সেটা দুর্ঘটনা ছিল তবে হুর মামুনি কে নওশাদ স্নেহ করে।এখন পারিবারিক ভাবে এই শুক্রবার অর্থাৎ পরশু বিবাহের আয়োজন ঘরোয়া ভাবে করতে চাই ।

ইয়াসমিনা চৌধুরী মুচকি হেসে বললো – আপু আমরা সহমত তবে একমাত্র মেয়ের বিয়েটা এভাবে ঘরোয়া আয়োজনে দিতে আমরা কেউই ইচ্ছুক নই।
মেহেরিন মির্জাও সায় দিলেন তাতে – হ্যাঁ অবশ্যই কোনো সমস্যা নেই এতে ।

এবার নওশাদ মুখ খুললো – কিছু মনে করবেন না আম্মা, হুর চাইছে এই বিয়েটা শান্তিপূর্ণ ভাবে গানবাজনা ছাড়া সম্পন্ন করতে ।মানে হলো সাধারণ ইসলামি নিয়মে , আপনারা আশা করি এই ইচ্ছা কে সম্মান করবেন।

হুরের ও সম্মতি পেয়ে তারা কেউ অমত করলো না, সবাই রাজি হয়ে গেলো ।
হুরকে একটা সুন্দর পদ্ম ফুলের ডিজাইন এর পান্নার আংটি পড়িয়ে দিলো নওশাদ, তখন হুরে মুখটা রক্তিম হয়ে উঠেছিল লজ্জায় ।

নওশাদ মুচকি হেসে সকলের থেকে বিদায় নিলো বিয়ের দিন ঠিক করে ।


এদিকে আয়ানর এর মনে হচ্ছে ফোন এর দিকে চেয়ে থাকতে থাকতে ও কানা হয়ে যাবে , রেয়ান চৌধুরী কে দেখে কেনো যেনো কলিজার পানি শুকিয়ে যাচ্ছিল ।
আয়ান একটু ওয়াসরুমে গিয়েছিল, সকলে বাহিরে যাচ্ছিল তখন।পেছন থেকে রেয়ান চৌধুরী হঠাৎ আয়ান এর কাঁধে হাত রাখতেই চমকে উঠলো আয়ান ।
রেয়ান চৌধুরী – কি ইয়াং ম্যান, তোমার স্যার তো মাটির মানুষ।তাই না? কখনো খুন টুন করতে দেখেছো?

আয়ান রেয়ান চৌধুরীর ফিসফিস কথা শুনে শুকনো ঢোক গিললো , খুন তো ও নিজেই করেছে নওশাদ এর সাথে মিলে । সেগুলো এখানে বলা ঠিক হবেনা।
– না না , কি যে বলেন আঙ্কেল। স্যার রক্ত ভয় পান ।রক্ত দেখলে উনি অজ্ঞান হয়ে যান , দু তিনবার হয়েছেন ও ।

রেয়ান চৌধুরী হো হো করে হেসে উঠলো, ওরা দুজন ধীরে ধীরে হেঁটে যাচ্ছে আর কথা বলছে । কয়েকজন পিছু ফিরলো উৎসুক নয়নে । রেয়ান চৌধুরী পরিস্থিতি কে সামলাতে বললো- আয়ান একটা জোক্স বললো , তাই হাসছিলাম। আপনারা এগোন আমরা আসছি গল্প করতে করতে ।

রেয়ান চৌধুরী আবার ফিসফিস করে বললো – তোমার স্যার যে রক্ত দেখে অনেক ভয় পায় তা আমি গত পরশু প্রমাণ পেয়েছি ।বস আর ভাই প্রশংসা ভালোই করো তুমি। একদম পিওর সত্যবাদী।

কথাগুলো বলে মুচকি হেসে গটগট করে সামনে এগিয়ে গেলেন ।আয়ান থতমত খেয়ে গেলো ।সে কিছু ভুল বললো? ইংরেজি তে একটা বাক্য আছে say something but meaning is opposite এটাই অ্যাপ্লাই করেছে আয়ান ।

তখনই মনে হলো ঘাড়টা চেপে ধরেছে কেউ ,আয়ান লাফিয়ে উঠলো – শাকচুন্নি, শাকচুন্নি।

তখুনি কোথা থেকে আইভি উড়ে এসে বললো – প্রিন্সেস শাকচুন্নি এসেছে ,এসেছে এসেছে ।
হুর ড্রয়িংরুমেই বসে ছিলো ও যায়নি ,ওকে যেতে বারন করেছে ইয়াসমিনা চৌধুরী। এদিকে আহিয়াকে এভাবে আয়ান এর ঘাড় চেপে ধরতে দেখে ও এগিয়ে আসলো ।

– আপু এই ভাইয়া টা কি করলো ? তুমি ওনাকে এভাবে ধরেছো কেনো ?

আহিয়া দাত কিড়মিড় করে বললো -আমাকে অপমান করেছে ।

হুর – ও আচ্ছা,তাহলে লাঠি নিয়ে আসবো?

আয়ান বড়ো বড়ো করে তাকালো হুরের দিকে,নেকাব এর আড়ালে হুর মুচকি হাসছে ।চোখ দেখে বোঝা যাচ্ছে।আয়ান এতো অবাক জীবনেও হয়নি যতটা হুরের এরূপ আচরণ দেখে হয়েছে ।এই শান্ত মেয়ে তো দেখি ফাজিল ।

আয়ান আহিয়ার দিকে তাকালো , এরপর শয়তানি হাসি দিয়ে ওর দিকে এগিয়ে গিয়ে বললো- সরি ডিয়ার আহিয়া শাকচুন্নি।

আহিয়া রেগে বললো- বেয়াদব,তোকে টাকলু করে পুরো এলাকা না ঘোরালে আমার নাম আহিয়া খন্দকার না ।

আয়ান এগিয়ে গিয়ে আহিয়ার গালে টুপ করে চুমু খেলো , এরপর বললো- ভাবী আপনার পাখিটা খুব কাজের,ওকে দিয়ে এই আহিয়াকে ডাইনি ডাকাবেন।আর আহিয়া আপনি এখান সবজায়গায় বলবেন আমাকে চুম্মা দিয়েছে আয়ান তাই টাকলু করবো ‌

কথাগুলো বলেই উল্টো ভো দৌড় ।আহিয়া তম মেরে দাঁড়িয়ে আছে , ছ্যাচড়া ছেলে টা ওর মান ইজ্জত লুটে নিয়ে চলে গেলো ।

হুর ও চোখে হাত দিয়ে অন্য দিকে তাকিয়ে বললো- আহি আপু দোষ তোমার, তুমি পর্দা করো না,যেচে গিয়ে ছেলেটার সাথে ঝগড়া করেছো ।গুনাহ হলো কতো তোমার হিসাব করো ।

আহিয়া কাদো কাদো হয়ে বললো – হুর পাখি একটা বোরকা দাও তো ,এই মুখ দেখানোর লায়েক নাই আর । শয়তান টাকে পুলিশ এ দেবো আমি ।

এদিকে হুর নাচতে নাচতে গেলো নিজের নতুন একটা বোরকা বের করতে , এতোদিন বুঝিয়ে লাভ হয়নি ।আজ নিজ থেকে চাইছে এর থেকে খুশির খবর আর কি হতে পারে ।

….
হুমায়রা মায়ের বুকে গুটিশুটি মেরে শুয়ে আছে , প্রায় আড়াই বছর পর মেয়ের সাথে দেখা হলো তার ।
– মা তুই আসবি একবার ও বললি না ,কানাডা যাওয়ার জেদ করেছিলি তাই যেতে দিয়েছিলাম।এখন আর যাওয়ার দরকার নেই ।তুই এখানেই অ্যাডমিশন নে কোথাও ।

হুমায়রা মুচকি হেসে বললো – উফ মা ,একটু চুপ করো তো ।পরে দেখা যাবে এসব ।আগে বলো নাবিলা ভাবি কোথায়, ওদের বিয়ের সময় তো আমি ছিলাম না ।নূর কে একা ফেলে কিকরে চলে গেলো ।

মেহেরিন মির্জা চুপ করে গেলেন,মুখটা কালো হয়ে গেলো , হুমায়রা তা খেয়াল করলো ,কিছুটা আন্দাজ করতে পারলো হয়তো । কিন্তু কিছু বললো না।
– নাবিলা কে তো ভালোই ভেবেছিলাম,এই দুবছর এ একটা উঁচু গলায় কথা বলেনি , কিন্তু জানিস ,ওর নাকি আগেই কোথাও বিয়ে হয়ে গিয়েছিল,ওর মা নাকি জোর করে ওকে নওশাদ এর সাথে বিয়ে করতে বাধ্য করেছিল।

হুমায়রা চমকে উঠলো – বিয়ে হয়েছে মানে? ভাইয়া জানতো না? বিয়েটা হলো কি করে?

মেহেরিন মির্জা – বিয়ে হয়নি তো ,ভুয়া কাগজপত্র বানিয়েছিল নওশাদ,আমি ওকে জোড় করে রাজি করিয়েছিলাম তাই ও জেদ ধরে নাবিলা কে বিয়ের নাটক করে আটকে রেখেছিল।

হুমায়রা অবাক হয়ে বললো – কি বলো এসব? তাহলে নাবিলা ভাবি বিয়ে ছাড়াই ভাইয়ার সাথে একঘরে থাকতো? নূর অবৈধ সন্তান ভাইয়ার? তুমি এতো কাহিনী কেন বলোনি আমাকে ,এতো বছর লুকিয়ে রেখেছো!

মেহেরিন মির্জা হতাশ কন্ঠে বললো- নওশাদ এর কড়া বারন ছিলো তাই বলিনি। তাছাড়া ওরা একঘরে থাকা তো দূরের কথা নিজেদের মুখ দর্শন ও করেনি কখোনো ।দুই একবার ছাড়া ।নূর নাবিলার আসল স্বামীর সন্তান, নওশাদ নূর করে জোড়‌ করে রেখে দিয়েছে নাবিলা কে শাস্তি দিতে ।কারন নাবিলা যখন জেনেছিল ও প্রেগন্যান্ট ও বাচ্চা রাখতে চায়নি ওর শরীর এর ক্ষতি হবে তাই , কিন্তু ঐদিন নওশাদ প্রথমবারের মতো নাবিলার মুখোমুখি হয়েছিল এবং একটা কন্ট্রাক্ট সাইন করিয়েছিল । নাবিলা আধুনিক মেয়ে তাই বাচ্চা রাখতে চায়নি কিন্তু নওশাদ ওকে ছেড়ে দেবে বলে নাবিলাকে বাচ্চা টা রাখতে বাধ্য করেছিল।

এরপর হুরের কাহিনী থেকে শুরু করে নাবিলা কে ছেড়ে দেওয়ার কাহিনী সবকিছু খুলে বললো মেহেরিন মির্জা। হুমায়রা শুধু চুপ করে শুনলো কথাগুলো,তার ভাই এমন কেন করবে বার বার একই প্রশ্ন মাথায় উঁকি দিতে লাগলো ।আনমোনা হয়ে মায়ের রুম থেকে বেরিয়ে এলো ।

একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে নূরের রুমের সামনে এগিয়ে এলো ,ভেতরে নওশাদ কে দেখা যাচ্ছে। নওশাদ নূরের ছবি তুলছে। ব্যাপার টা স্বাভাবিক ভাবেই নিলো এরপর রুমে চলে এলো ।
বিছানায় মুখ গুজে হুঁ হুঁ করে কেঁদে উঠলো,মাকে মিথ্যা বলে আসলো ও , মিথ্যা বলেনি কখোনোই হুমায়রা,আজ বলতে হয়েছে ।

ভাঙ্গা গলায় সাদিক এর ছবি মুখের সামনে নিয়ে বললো- প্রিয় সাদি আমি মাকে মিথ্যা বললাম যে আমি কানাডায় ছিলাম। কিন্তু আমি মিশরে ছিলাম আপনার খুব কাছে ,কেন বলতে হলো এতো মিথ্যা? মৃত্যু যন্ত্রণা হচ্ছে আমার, আপনাকে কাছে থেকে দেখেও ছুতে না পারার কষ্ট আমার আজীবন থেকে যাবে ।

হঠাৎ ফোন এ পরিচিত ম্যাসেজ টোন বেজে উঠতেই চমকে উঠলো ,এই ম্যাসেজ টোন তার কাছে বিষাক্ত লাগে এখন ।কেবল একজন মানুষ ই আছে যে তাকে প্রতিনিয়ত ম্যাসেজ পাঠাতে পারে ।গত আড়াই বছরে অভ্যাস হয়ে গেছে।

– ভালো খুব ভালো, এভাবে চুপ থাকবে , তোমাদের পারিবারিক বিজনেস এ জয়েন করবে তুমি,আশা করি কথার নড়চড় হবে না। তোমার বাড়ির বাচ্চা মেয়েটাকে সবসময় তুমি দেখাশোনা করবে ।
আর হ্যাঁ তোমার ভাইয়ের বিয়েতে একদম স্বাভাবিক থাকবে ,কোনো উল্টো পাল্টা দেখলে ,জানোই তো কি হবে ।

মোবাইল টা ছুড়ে মারলো দেওয়াল এ ,সে জানে এতে কিছুই হবে না , এরকম সে বহুবার করেছে আর বহুবার দড়জার সামনে একটা করে মোবাইল এসেছে , শর্ত একটাই বাহিরের অন্য কোনো মোবাইল ইউজ করা যাবেনা।
বালিশে মুখ গুজে কাঁদতে কাঁদতে ঘুমিয়ে পড়লো হুমায়রা । লক্ষ্য করলোনা তার রুমের দরজার সামনে থেকে একটা কালো ছায়া সরে গেলো মাত্র । দড়জা লক করতে ভুলে গিয়েছিল হুমায়রা। প্রতিবার ই এই ভুল হয় তার । ছায়াটা চলে গেলো হুমায়রা কে একবার দেখেই ।

…..
– তোমার রুমে এই লোকটার ছবি এলো কি করে? নওশাদ কে তুমি চেনো কীভাবে? আর ওনার ছবিতে এভাবে লাল ক্রস চিহ্ন কেন দিয়েছো ।

নওশাদ এর ছবিটা লুকিয়ে রাখতে ভুলে গিয়েছিল , কিন্তু এখন সেটা তার সামনের রমনী দেখে ফেলেছে ।তাতে অবশ্য কিছুই যায় আসে না তার ।কিছুই বললো না সে ।

মেয়েটা ছলছল চোখে তাকিয়ে বললো- তুমি এতো নিষ্ঠুর কেনো? গতদিন বলেছিলাম আমরা কি একান্তে কিছু সময় কাটাতে পারি না ,তুমি কোনো উত্তর দাওনি ,আমি তোমাকে ভালোবাসি সেটা তুমি জেনেও এমন কেন করো ।
লোকটা বিড়বিড় করে বললো- নওশাদ? তুই কাজটা ভালো করিসনি তোকে আমি দেখে নেব ,তোকে ফাঁসাতে যেয়েও ফাঁসাতে পারলাম না ,আবারো বেঁচে গেলি ,বিয়ে করছিস না ? রেয়ান চৌধুরীর সামনে নিজেকে ভালো প্রমাণ তো করলি তবে আমি তোর উদ্দেশ্যে সফল হতে দেবো না।

প্রবল ধাক্কায় লোকটা দূরে সরে গেলো , এতক্ষণ নিজের চিন্তায় মগ্ন ছিলো সে ।
রেগে বললো- এনাফ ইজ এনাফ নাবিলা।আমি পারছি না সহ্য করতে ।নূর তোমার আর নওশাদ এর মেয়ে? একটা বাড়িতে ছিলে তারপরেও আমাকে বিশ্বাস করতে বলো কিছুই হয়নি?

নাবিলা হতবাক হয়ে তাকিয়ে রইল – তুমি কি বলতে চাইছো ইয়াদ ?,আমি তোমাকে ভালোবাসি সেখানে ঐ মেয়ে কিছুই না , কিন্তু সবচেয়ে বড়ো সত্য কি জানো তো নূর তোমার মেয়ে ।

– আমার মেয়ে মানে? তুমি ঐ নওশাদ এর ফল আমার উপর চাপিয়ে দিতে চাইছো?

নাবিলা শক্ত কন্ঠে বললো- কেনো তুমি তো বললে নূর কে যেন নিয়ে না আসি । একবার ও কি জানতে চেয়েছো কিছু? তোমার উপর চাপিয়ে কেন দেব ? নওশাদ তোমার রক্ত কে কিনে রেখে দিয়েছে ।

#মিহিকা_রোজা

চলবে কি?
⛔⛔⛔পড়ার অনুরোধ রইল:::::::::::
না বললে রিয়েক্ট করেন না , কমেন্ট করেন না,ভালো খুব ভালো ,হ্যাপি এন্ডিং জীবনেও দিমু না যদি রিয়েক্ট আর কমেন্ট না করেন ।
কিছুই বলবো না তাকিয়ে খালি দেখবো ।আর প্রতিদিন পর্ব দেবো ।আরে ভাই ৩০ হাজার এর বেশি মানুষ পড়ছেন ।
রিয়েক্ট করতে মন চায় না? চুপচাপ চোরের মতো পড়ে চলে যান ।আজ যদি রিয়েক্ট কমেন্ট না করেন তাহলে আপনাদের বাড়িতে একেকটা মিসাইল মারবো হুহ।

গত পর্ব দুইটার রিয়েক্ট করে ১ হাজার করে দিন ।১১,১২,১৩ এই তিনটায় ১ হাজার রিয়েক্ট করবেন সবাই ।না বললে সবডি চুপ থাকে ।আর রিয়েক্ট করতে বললে এসে খালি চিল্লিয়ে বলে – আপনি এমন কেন হ্যান ত্যান , বিলিভ মি ভাই এরকম সবগুলো কে ব্লক করবো ।

আমার প্রিয় কতগুলো পাঠক পাঠিকা আছে যারা খুব ভালো,তারা থাকলেই হবে ।নাম বলবো না , কয়েকদিন পর আমার প্রিয় পাঠক/পাঠিকার একজন এর নাম উল্লেখ করবো গল্পে । এদের ব্যাবহার দেখলে মুগ্ধ হই আমি । ভালোবাসা সবাইকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here