#গুপ্ত_প্রেমের_সুপ্ত_পিয়াসা” 🖤|১০|
#শার্লিন_হাসান
পঞ্চাশ হাজার টাকার একটা বান্ডেল রাহেলার মুখের উপর ছুড়ে মেরেছে জয় আবরণ। রাহেলা ফুফিয়ে কাঁদছে। জয় বিরক্ত হয়। ধমকে বলে, “একটা শব্দ করলে গলা চেপে ধরব। মরণের পর যত পারিস কাঁদিস। আর হ্যাঁ এসব কাউকে কোনোদিনও বলতেও যাবিনা। নাহলে, তোর সাথে সাথে তোর পরিবারও তিন হাত মাটির নিচে থাকবে। এখন বেরো রুম থেকে।”
জয়ের ধমকে রাহেলা কেঁপে উঠে। ফ্লোরে পড়ে আছে টাকার বান্ডেল।
সেদিকে তাকিয়ে উঠে দাঁড়ায়। জয়ের দেওয়া টাকাটা হারাম কাজের বিনিময়ে। সেটা জোর করেই হোক,হারাম টাকা রাহেলার জন্য। একজন স্ত্রী এবং মা হয়ে পরিস্থিতির শিকার সে। তবে হারাম টাকা দিয়ে মেয়ের বা স্বামীর চিকিৎসা করবে না। দুফোঁটা অশ্রু এবং দীর্ঘশ্বাস খোদার দরবারে জমা দিয়েছে সে। তিনি নিশ্চয়ই ন্যায় বিচারক।
রুম থেকে বেরিয়ে চোখের পানি মুছে নিজেকে স্বাভাবিক করে নেয় সে। তবুও মনের মধ্যে তোলপাড় হচ্ছে। সে তার অসুস্থ স্বামীর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। নাহ্! সে পরিস্থিতির শিকার হয়েছে।
নিচে আসতে জয়ের আম্মু সাহেলা পুষ্প রাহেলাকে জিজ্ঞেস করেন, “এতো দেরি হলো কেন? জয় কী রুমে?”
রাহেলা দম নিয়ে জবাব দেয়, “জ্বী, রুম গুছিয়ে দিছিলাম। ছোট সাহেব বারান্দায় ছিলেন।”
রাহেলার কথায় সাহেলা পুষ্প জবাব দেয়, “কিচেনে যাও।”
রাহেলা মাথা নাড়িয়ে কিচেনে যায়।
★★★
মধ্যাহ্ন প্রহর। বাইরে উত্তপ্ত রোদের জন্য পরিবেশ অনেকটাই গরম। বসন্ত চলছে, তো রোদের তাপ মাত্রায় বাড়ছে।
লান্স করে মেলা যাওয়ার উদ্দেশ্য তৈরি হচ্ছে তৃপ্তি এবং ইলমা। দু’জনেই লং গাউনের সাথে হিজাব বেঁধে, মাস্ক দিয়ে মুখ ঢেকে নেয়। সুন্দর শালীন ভাবেই তৈরি হয়েছে দু’জন।
আদনান নিজেও রেডি হয়ে লিভিং রুমে আসে। আদনান আসার পেছন দিয়ে তৃপ্তিও আসে। ইলমা তখনো রুম থেকে বেরোয়নি। আদনান সোফায় বোসে ফোন স্ক্রোল করছে। তৃপ্তিও ফোন ঘাঁটছে। কয়েক মূহুর্ত কেটে যাওয়ার পর ইলমার আগমন হয়। আদনান উঠে দাঁড়ায়। ইলমাকে আঁড়চোখে পরখ করে নেয়। অশ্লীলতার যুগে এসে এখনো যে দু’জন শালীন ভাবে চলাফেরা করছে এটাই বা কম কী? আদনান তো বাইরে মর্ডাণ মেয়ে দেখতে দেখতে চোখ ঝলসে গেছে। সেজন্য সেসবে আগ্রহ পাচ্ছেনা সে। একটা সময় মনে উপলব্ধি হয়, সেসব মর্ডাণ মেয়ে প্রেমিকা হিসাবে পারফেক্ট, লাইফ পার্টনার হিসাবেনা। লাইফ পার্টনার হিসাবে ওভার স্মার্ট বা অতিরিক্ত মর্ডান মেয়ে না,বরং শালীন এবং ব্যাকডেটেড মেয়েই পারফেক্ট। পোষাক এমন একটা জিনিস যেটা আপনাকে সোসাইটিতে উপস্থাপন নয়, পারিবারিক শিক্ষা, রুচি,পছন্দ সবটার পরিচয় বহন করে।
দু’জন রমণী নিয়ে বেরিয়েছে আদনান। দু’জনেই তার বোন। আদনানোর রুলসে মেয়েমানুষ নিয়ে বেরোনোর লাইনটা কাট। কিন্তু আজকে সেটা যোগ হলো।
বাসার সামনে থেকে রেলস্টেশনের উদ্দেশ্য রিকশা ধরে তিনজন। আদনান উপরে বসেছে তার সামনে তৃপ্তি পাশে ইলমা বসা। বাইক নেওয়ার পর রিকশায় ঘুরা হয়নি তার। তবুও তপ্ত রোদে কিছুটা হলেও ক্লান্তি লাগছে আদনানের। মনে,মনে ভাবছে মেলায় গিয়ে সে করবে টা কী? বউ নেই যে,কিছু কিনে আনবে। যেই গার্লফ্রেন্ড, এসব মেলার জিনিসপত্র পছন্দ করবেনা।
কাউন্টার থেকে তিনটা টিকেট নিয়ে ট্রেনের জন্য দাঁড়িয়ে ছিলো তিনজন। কারণ নির্দিষ্ট সময়ে ট্রেন আসে। আদনান বারবার হাত ঘড়ি দেখছে, কখন ট্রেন আসবে। তৃপ্তি ইলমা দাঁড়িয়ে কিছু একটা নিয়ে কথা বলছিলো। আদনান সেসবে আগ্রহ দেখায়না।
ট্রেনের জন্য একজন ভদ্রলোক এবং তার মেয়ে এসে দাঁড়িয়েছিলো আদনানের পাশেই। আদনান তৃপ্তিদের দিলেও তাকাচ্ছে,কখনো ফোন স্ক্রোল করছে,কখনো বা আশেপাশে তাকাচ্ছে।
নিজের পাশে সুদর্শন একটা যুবক দেখে ভদ্রলোক কথা বলার লোভ সামলাতে পারেনি। বেশভূষায় ভদ্রপরিবারে ছেলে মনে হয়েছে। সেজন্য আগ বাড়িয়ে জিজ্ঞেস করেন, “কোথায় যাচ্ছ বাবা?”
“মেলায় যাচ্ছি।”
কথাটা বলে ভদ্রলোকের চোখের দিকে তাকায় আদনান। পাশের মেয়েটার দিকে নজর দেয় সে। ভদ্রলোক পুনরায় বলেন, “বাসা কোথায় তোমার?”
“আপনার মেয়ের মনে।”
মূহুর্তে ভদ্রলোকের চোখেমুখে পরিবর্তন আসে। আদনান ভদ্রলোকের মেয়ের দিকে তাকিয়ে শীস বাজায়। ভদ্রলোক রাগ দেখিয়ে জিজ্ঞেস করে, “তুমি আমার মেয়েকে ইভটিজিং করছ নাকী আমাকে?”
“অবশ্যই আপনার মেয়েকে।”
“বেয়াদব ছেলে বাসায় কী মা-বোন নেই?”
“বউ ছাড়া সবই আছে।”
তৃপ্তি এগিয়ে আসে। পেছন দিয়ে ইলমাও আসে। তৃপ্তি এসে আদনানকে জিজ্ঞেস করে, “কী হয়েছে ভাইয়া?”
ভদ্রলোক তৃপ্তির দিকে তাকায়। শুধু দুটো চোখ নজরে আসে। পাশে ইলমাকেও একবার পরখ করে। দুজনের বেশভূষা একই প্রায়।
ননদ ভাবী হতে পারে। যেহেতু তৃপ্তি আদনানকে ভাইয়া ডেকেছে,তাহলে পাশের মেয়েটা নিশ্চয়ই বউ হবে। একমুহূর্তের জন্য আদনানের বলা, “বউ ছাড়া সবই আছে” বলা কথাটা মাথা থেকে উড়ে গেছে। ভদ্রলোক তেজী স্বরে ইলমাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “এই মেয়ে,কেমন বর নিয়ে ঘর সংসার করছ? তোমার বর আমার মেয়েকে ইভটিজিং করার সাথে আমাকেও ইভটিজিং করছে।”
তৃপ্তি, ইলমা দু’জনেই অবাক হয়। তৃপ্তি হতভম্ব হয়ে যায়। আদনান নিজেও বেকুব হয়ে যায়। ইলমার জবাব না পেয়ে ভদ্রলোক চটে বসেন। আঙুল দিয়ে ইলমাকে ইশারা করে বলে, “তোমাকেই বলছি। এরকম বেয়াদবের সাথে এখনো টিকে আছো কীভাবে?”
“আরেহ্, আপনি ভুল বুঝছেন। সে আমার কিছু হয়না।”
আদনান ভদ্রলোককে উদ্দেশ্য করে বলে, “টাক হওয়ার সাথে বুদ্ধিটাও খসে পড়ে গেছে আপনার। আপনার মেয়েকে বিয়ে দিবেন? বিয়ে করব! এখনো বিয়ে-শাদি করিনি আমি। ওরা দু’জনের একজন আমার বোন। আরেকজন আরেকবেডার বউ।”
তখন ভদ্রলোকের মেয়ে আদনানকে উদ্দেশ্য করে বলে, “কাজী অফিস আসুন, আপনাকে আমার পছন্দ হয়েছে।”
সাথে সাথে ভদ্রলোক ধমক দেন মেয়েকে। ধমক খেয়ে মেয়েটা চুপসে যায়। চোয়াল শক্ত করে আদনানকে থ্রেট দেন, “তোমার নামে ইভটিজিং এর মামলা দেব আমি।”
আদনান ক্রুর হেঁসে বলে, “কোন থানায় দেবেন?”
“পাশেরটায়।”
“ওটা আমার শ্বশুর বাড়ি।”
“মজা করছ? বেয়াদব ছেলে।”
“নাহ্। এরকম দু’চারটা থানা শাহরিয়ার আদনান শেখের শ্বশুর বাড়ি। বাই দ্যা ওয়ে, আমার বাবা এখনকার চেয়ারম্যান, সো ভেবেচিন্তে থ্রেট দিবেন।”
আদনানের কথা শোনে আর একমুহূর্তও দাঁড়ায়নি ভদ্রলোক। নিজের মেয়েকে নিয়ে চলে যান। আদনানের শ্রী মার্কা ব্যবহারে লজ্জা পায় ইলমা। সেই সাথে বিরক্তি এবং বিতৃষ্ণা তো জমেছে। এই আদনান টা এমন কেন? যেখানে যাবে ঝামেলা একটা পাকাবে। মেয়েমানুষ নিয়ে কথা না বললে নাই। ইলমা মনে মনে আদনানকে বকা দেয়। তার জীবনে এরকম লো পার্সোনালিটির, প্লেবয় সে দেখেনি। যদি প্লেবয় হিসাবে কোন এওয়ার্ড থাকে, সেটা আদনান পাবে। এটা তারই প্রাপ্য।
ট্রেন আসতে দু’জনকে নিয়ে ভেতরে যায় আদনান। সীট প্রায় বুকিং। ব্যপারটা দেখে মেজাজ হারায় আদনান। টাকা দিয়ে টিকেট কেটে লাভটা হলো কী? অনেক খোঁজাখুঁজি করে তৃপ্তি এবং ইলমার জন্য দু’টো সীট পায় আদনান। পাশে আরেকটা মেয়ে বসা। তৃপ্তি মেয়েটার পাশে বোসে,তৃপ্তির পাশে এবং সাইডে বোসে ইলমা। ইলমার পাশে আদনান দাঁড়িয়ে রয়। কারণ, ট্রেনে মানুষ আশা যাওয়ার মাঝে থাকে। কেউ যদি বেড টাচ করে? সেজন্য ইলমার পাশে দাঁড়িয়ে ফোন স্ক্রোলে ব্যস্ত হয়ে পড়ে সে। তবে মাঝেমধ্যে আঁড়চোখে দুজনকে দেখছে সে।
দশমিনিটের মাঝে স্টেশনে আসে ট্রেন। তারা তিনজন ট্রেন থেকে নামে। ইলমা তৃপ্তি হাত ধরে হাঁটছে। পেছন আদনান আসছে। মেলার গেট দিয়ে প্রবেশ করতে ইলমার ঠোঁটের কোণে মুচকি হাসি ফুটে। আদনান দু’জনকে নিয়ে সামনে এগোয়। তৃপ্তি এবং ইলমা দু’জনেই চুড়ি এবং ঝুমকার দোকানে দাঁড়ায়। আদনান আশেপাশে চোখ ভোলায়। সবই এখানে মেয়েমানুষের জিনিসপত্র। যেগুলো সম্পর্কে তার আইডিয়া শূন্য! তবে ঝুমকা,চুড়ি কমন জিনিস। ইলমা,তৃপ্তি দু’জনে দেখে,দেখে চুড়ি ঝুমকা নিচ্ছে। ঈশিতা এবং ফাইজার জন্যও নিয়েছে। আদনান পাশে দাঁড়িয়ে দেখছে তাঁদের কান্ড। দু’জনের চুড়ি নেওয়া হতে সামনে এগোয়। আদনান তখনো চুড়ির দোকানে দাঁড়িয়ে একজোড়া চুড়িতে হাত রাখে।
ইলমা তৃপ্তি মেলা ঘুরছে,পেছনে আদনানও আসছে। হুট করে ইলমা একটা শাড়ির দোকানে যায়। যেখানে বিভিন্ন রকমের শাড়ি দেখা যাচ্ছে। ইলমা একটা লাল শাড়ি হাতে নেয়। সমস্যা হলো, শাড়িটা তার পছন্দ হলেও নিচ্ছেনা। সে কী বউ নাকী যে লাল শাড়ি পরবে? শাড়িটা নতুন বউদের জন্য পারফেক্ট। ইলমা শাড়িটা হাতে নিয়েও রেখে দেয়। তৃপ্তি ইলমাকে বলে, “রেখে দিলি কেন?”
“নতুন বউদের শাড়ি নিয়ে আমি কী করব?”
ইলমার কথায় আদনান সেই শাড়িটার দিকে তাকায়। তখন তৃপ্তি বলে, “অন্যটা দেখ?”
“নাহ্, শাড়ি কিনলে বকা খাবো।”
তৃপ্তি নিজেও মিইয়ে যায়। শাড়ি কেনা ফাইজা তেমন একটা পছন্দ করেনা। শাড়ির দোকান থেকে সরে ফুচকা খাওয়ার জন্য একটা দোকানে যায় দুজন। আদনান ফুচকার দোকান থেকেই নাক ছিটায়। তৃপ্তি বিরক্ত হয়ে বলে, “সমস্যা কী?”
“এসব খেতে হবেনা। বাইরে গেলে রেস্টুরেন্টে খাওয়াবো তোদের।”
“নাহ্, তুমি না খেলে নাই। আমরা খাবো।”
“ওয়াক, এগুলো কীভাবে বানায় জানিস?”
“এই সরো।”
তৃপ্তির কথায় আদনান বিরক্ত হয়। দু’জনকে দোকানে বসিয়ে বলে, “তোরা থাক, দুই মিনিটে আসছি।”
“কোথায় যাচ্ছ?”
তৃপ্তির কথায় আদনান বিরক্ত হয়ে বলে, “সেটা তোর না জানলেও হবে।”
ইলমা একটা টু শব্দ ও করেনি। আদনান কথা শেষ করে কোথায় জেনো হারিয়ে গেলো। দু’জনের ফুচকা খাওয়া শেষ হতে আদনানের আগমন হয়। আরো কিছুক্ষণ ঘুরাঘুরি করে মেলার প্রাঙ্গণ ছাড়ে তিনজন। আদনান বলছে গাড়ি দিয়ে যাবে। ইলমা ট্রেন দিয়ে ফিরবে বলে জানিয়েছে। এই নিয়ে দুদণ্ড তর্ক হলেও ইলমার কথাই মেনে নিয়েছে আদনান। সন্ধ্যার ট্রেন ধরে স্টেশনে আসে তারা। রিকশা নিয়ে সোজা বাড়িতে চলে আসে। আদনান বাড়িতে এসে দেরি করেনি, সোজা বাইক নিয়ে বেরিয়ে যায়। কল দিয়ে শেজানকে আসতে বলেছে মোড়ে।
★★★
রাত এগারোটায় জেভিন আদনানকে ম্যাসেজ দিয়েছে। মূলত ক্লাবে আসার জন্য। আদনানও না করেনি। ম্যাসেজ দেখেই ক্লাবে চলে গেছে।
তবে আজকে আর জেভিনের সাথে নাচানাচি করেনি। বরং এক কোণে বোসে বোতল শেষ করেছে। আদনানের পরিবর্তনে জেভিন বিরক্ত হয়। এসে হাত ধরতে আদনান হাত ছুঁড়ে ফেলে দেয়। জেভিন জবাব দেয়, “কী হলো? ডান্স করবেনা?”
“দূরে সর আমার থেকে। এখানে লাংয়ের অভাব পড়বেনা। যাহ্ তাদের সাথে ডান্স কর।”
আদনানের কথায় জেভিন রেগে আগুন। কলার চেপে ধরে বলে, “তোদের ছেলেদের সমস্যা এখানেই! পাশের রুমে চল।”
আদনান নিজের কলার থেকে জেভিনের হাত সরায়। উঠে দাঁড়ায়। জেভিন অগ্নি দৃষ্টি নিক্ষেপ করে আছে আদনানের দিকে। আদনান
কাঁপা কাঁপা আঙুল নাড়িয়ে বলে, “ছুঁবি না আমাকে।”
“কেন,তোর বউ আছে নাকী?”
কথাটা বলে আদনানের দিকে এগোয় জেভিন। আদনান বিরক্ত হয়। বুকের বা পাশে হাত রেখে বলে, “এখানে কেউ আছে। খুবই পবিত্র কেউ।”
“তোর সর্বাঙ্গে পরনারীর ছোঁয়া, তাহলে তোর হৃদয়ে পবিত্র কেউ কী করে থাকতে পারে?”
“হৃদয়টা এখনো একান্ত আমার আছে এবং সেটা পবিত্র! আমার সর্বাঙ্গে পরনারীর ছোঁয়া নেই। আমি এখনো ভার্জিন।”
“আজকে নেশা বেশি ধরেছে নাকী?”
“চোপ মা’*গী।”
কথাটা বলে আদনান ক্লাব থেকে বেরিয়ে যায়। জেভিন তার যাওয়ার পাণে চেয়ে আছে। বিরক্তিতে নাক মুখ কুঁচকে নেয়। আদনান গেছে তো কী হয়েছে, কত আদনান বোসে আছে। ভেবেই বাঁকা হাসে জেভিন। এখনো জয়ের ম্যাসেজের রিপ্লাই করেনি সে। ভাবছে করবে! ড্রিংকসের গ্লাস হাত সেটা ঢকঢক করে গিলে নেয় জেভিন। ডান্স ফ্লোরে ডান্স করে অচেনা কারোর সাথে।
#চলবে
আমার গ্রুপ লিংক,
https://m.facebook.com/groups/582123563029858/?ref=share&mibextid=NSMWBT
যারা আদনান -ইলমাকে মিস করবেন তারা চাইলে “বুকপকেটের মায়াবিনী” বইটা কিনতে পারেন। যখন খুশি তখন বইটায় আদনান-ইলমাকে পড়তে পারবেন। তারা সবসময় আপনার সাথেই থাকবে। বইটা অর্ডার করতে ম্যাসেজ
https://www.facebook.com/boiprangon1

