#প্রিয়_নীলপদ্ম —১৫.
#মুশরাফা_মিরা
[কোনো প্রকার কপি নিষিদ্ধ]
কোনো কথা ছাড়াই নিজ আয়ত্তে নিলো নৌমির কাঁপতে থাকা ওষ্ঠযুগল।হঠাৎ আক্রমনে নৌমি হতভম্ব হয়ে পড়লো।ভুলে গেলো কাঁদতে।কি হলো এটা?বুঝে সরাতে চায় তূর্যকে।নৌমির নড়ে উঠতেই আরো গারো ভাবে ছোঁয় নৌমিকে ও।কিছুক্ষন বাদে ছেড়ে নিজের ঠোঁট মুছে শয়তানি হেঁসে বলে,
‘কি হলো বউ কান্না করছো না কেন?’
নৌমি এখনও ঘোরের মাঝে আছে।তূর্যের এমন আকস্মিক ছোঁয়া ও মানতে পারছেনা।তারউপর এমন কথা!বেজায় রেগে গেলো নৌমি,কটমটিয়ে চায় তূর্যের দিকে।ঠেলে সরিয়ে দেয় নিজের কাছ থেকে। তবে মুখে কিছু বলে না।কথা বলতে চায়না ও এই অসভ্য পুরুষের সাথে। তূর্য দাঁত মেলে হেসে বলে,
‘কথা বলবে না?বেশ আমিও ছাড়বো না তোমায়’
আরেকটু ঘনিষ্ঠ হতে যায় ও নৌমির।আঁতকে উঠে নৌমি কপাল হাঁটুর সঙ্গে ঠেকিয়ে কুঁজো হয়ে বসে।আবারও ওর ঠোঁট দখলের পরিকল্পনা তূর্যের।তা কিছুতেই হতে দিবে না নৌমি,কিছুতেই না।তূর্য হাসি থামাতে পারে না নৌমির কান্ডে হো-হো করে হেসে ওঠে।তূর্যের এমন ভয়ংকর হাসিতে নৌমি অল্প একটু মাথাটা তোলে।এতে আবারও তূর্য নিজের ওষ্ঠ ছোঁয়ায় নৌমির কপালে।নৌমির রাগ আরো দ্বিগুণ হলো পেয়েছেটা কি ওকে?বুঝলো কথা না বললে তূর্য ওর কাজে বহাল থাকবে তাই।সোজা হয়ে বসে তূর্যকে নিজের থেকে দূরে সরাতে সরাতে রাগী কন্ঠে বলে,
‘অসভ্য,বর্বর লোক কোথাকার। খালি ছোঁয়ার বাহানা আপনার তাই না?কেন এসেছেন এখানে আবারও মারতে?মারুন, একদম মেরেই ফেলুন আমায়।দিনদিন মানসিক আর শারিরীক কষ্ট দেওয়ার থেকে একদম মেরেই ফেলুন না আমার’
‘আর মারবো না।রেগে ছিলাম তো বউ।কেন তুমি ওভাবে বললে কথাটা?জানো না স্বামীরা বউয়ের মুখে পরপুরুষের কথা শুনতে পারে না তবুও কেন বললে?’
‘স্বামীর দায়িত্ব পালন করে অধিকার নিতে আইসেন।এ্যাহ,একটু হলেই ছুঁতে আসেন কই দায়িত্ব তো পালন করেন না!’
‘সময়ই তো দিচ্ছো না আমায়।দেখলেই এড়িয়ে যা-ও, ভুলের ক্ষমা করো না।এভাবে হলে কিভাবে হয় বলো?আমি তো নিজের ভুলের জন্য অনুতপ্ত হচ্ছি নৌমি।কি করলে তুমি আমায় ক্ষমা করবে বলো?’
নৌমি উত্তর দিলো না।উঠে গেলোক ওখান থেকে। ওর অভিমান হয়েছে তূর্যর উপর। কত জোরে মারলো!ওর বুঝি ব্যাথা লাগে না?তূর্য আটকালো না যেতে দিলো রুমে ভালোই হলো যদি রাগের বসে নৌমি ওর গায়ে হাত-টাত তোলে তখন কেউ যদি দেখে ফেলে?ইজ্জত থাকবে ওর?তারথেকে রুমে বসে রাগ ভাঙানো ভালো!
ভদ্রলোকের মতো নৌমির পিছুপিছু রুমে ঢুকে গেলো।নৌমি তূর্যকে ওর পিছনে আসতে দেখে তরিগরি করে ওয়াশরুমে ঢুকে গেলো।তূর্য মাথা চুলকে রুমের দরজা বন্ধ করে খাটে আয়েশ করে বসলো।যাক মেয়েটা একটু ফ্রেশ হয়ে আসুক পরে না হয় আবার জ্বালাবে।
প্রায় পনেরো মিনিট লাগিয়ে ওয়াশরুম থেকে বের হলো নৌমি।রুমে এসে দেখে তূর্য যায় নি খাটে বসে পা দোলাচ্ছে। এটা দেখে নৌমির রাগ আরো বেরে গেলো।এই মানুষটা এতোটা ফাজিল হতে পারে তা ওর ভাবনার বাহিরে ছিলো।উফফ দেখলে তো ভালোই মনে হতো তাহলে চরিত্র এমন ছুঁকছুঁক স্বভাবের কেন? নৌমির ভাবনার ভিতরে ডেকে উঠলো তূর্য।
‘আরে কি ভাবছো ওখানে বসে?এদিকে আসো তো।’
নৌমি পাত্তা দিলে তো।নৌমি নিজের মতো ড্রেসিং টেবিলের সামনে গিয়ে মুখে ক্রিম দেয়,মাথা আঁচড়ায়। এমন একটা ভাব করছে ও যে তূর্য এখানে নেই অদৃশ্য মানব সে।তূর্য বউয়ের কার্যকলাপ দেখে বাবু হয়ে বসে গালে হাত দিয়ে।তূর্যের এমন একদৃষ্টিতে ওকে পর্যবেক্ষন করাতে বেশ অস্তিত্ব হয় নৌমির। আঁড়চোখে তূর্যকে দেখে ভেংচি কাটে ও।ঢং! এমনভাবে তাকিয়ে আছে যেনো খুব ভালোবাসে নৌমিকে।কিন্তু আসলে তো সেটি নয়!নৌমি চুপ থাকতে পারে না।হাতের চিরুনিটা তূর্যের দিকে তাক করে বলে,
‘এই..এই আপনার সমস্যাটা কি হ্যা?এভাবে আমার ঘরে বসে আছেন কেন?আমাকে এভাবে দেখছেন কেন আপনি?যান বলছি এখান থেকে। আপনাকে আমার অসহ্য লাগছে’
‘আমার বাড়ি,আমার ঘর, আমার বউ আমি দেখবো তাতে তুমি বলার কে?তোমার কি সমস্যা?’
‘বউ – বউ করবেন না তো আপনি।এতোদিন খোঁজখবর না নিয়ে এখন সারাদিন বউ নামে তছবি ঠেলে কি প্রমান করতে চান?ভালোবাসেন আমায়?আমাদের দেখা হয়েছে মোট দশদিনের মতো।এরমাঝে ভালোবাসা হলো কিভাবে, তূর্য?’
তূর্য কিছু ভেবে উঠে দাঁড়ায়। প্রতিদিনকার এই মানা..না মানের ঝামেলা এবার অন্তত শেষ করা দরকার অনেক তো হলো!সামনা-সামনি হয় নৌমির।লাইটের আলোতে গালে মারার দাগগুলো ফুটে উঠেছে। বোঝাই যাচ্ছে দারুণ ব্যাথা করছে গালে। তূর্য নৌমির চোখে চোখ রেখে বলে,
‘তুমি তো আমায় চেনো অনেক আগে থেকেই পাঁচ বছর ধরে, তা তুমি কি আমায় ভালোবাসো?’
নৌমি একথার উত্তর সাজাতে পারলো না।মাথায় এলো না কিভাবে দিবে একথার উত্তর?ভালো তো বাসে সেই বিয়ের পর থেকেই না দেখেই তবে তা অভিমান,রাগের নিচে চাপা পরেছে।তা-ই তা বুঝলো না নৌমি বা ইচ্ছে করে বুঝতে চাইলো না।নৌমিকে চুপ দেখে তূর্য ওর চোখমুখে ফু-দিয়ে ফের বলে,
‘আমি হয়তো-বা তোমায় এখনও ভালোবাসতে পারিনি তবে আঁটকে গেছি তোমাতে। পরিত্রাণ হিসেবে তোমাকেই চাই আমার।’
নৌমি হাসফাস করে ওঠে তূর্যের কথায়,কান্ডে।পালাতে চায় তূর্যের এমন নেশালো কথা থেকে।তাই মুক্তির পথ খুঁজতে বলে,
‘আমি..আমি ঘুমাবো তূর্য আপনি যান এখান থেকে’
তূর্য তা শুনলে হয় আরো এগিয়ে এসে দাঁড়ালো নৌমির দিকে,ঘনিষ্ঠ হয়ে। নৌমির কপালে চুমু খেয়ে বলল,
‘এবারের মতো মাফ করো না বউ।অনেক তো শাস্তি দিলে বলো?এবার এই অধমকে ক্ষমা করো না।আমি আর পারছি না তোমার দুচোখে আমার জন্য রাগ দেখতে। তোমার এই বাদামী বর্ণের চোখদুটোতে আমি ভালোবাসা দেখতে চাই।শুধু ভালোবাসা চাই আমার। ক্ষমা করো না আমায়।একটিবার, শুধু একটিবার। কথা দিচ্ছি আর অভিযোগের সুযোগ রাখবো না মুড়িয়ে রাখবো ভালোবাসার চাদরে।আমার ক্ষমা না করলে আমি আজই চলে যাবো, এইমুহূর্তে।ফিরবো না আর বাসায় কখনো না।’
নৌমি চোখ বন্ধ করে শুনছিলো তূর্যের মনোমুগ্ধকর কথাগুলো এভাবে বললে কি আর রেগে থাকা যায়?অন্তত নৌমি তো পারে না।এমনিতেও অনেক তূর্য ক্ষমা চেয়েছে ভুলের জন্য। একবার তো ক্ষমা করাই যায়,তাইনা?তবে তূর্যের শেষ কথাতে নৌমির বুক মোচড় দিয়ে ওঠে। সত্যিই কি চলে যাবে তূর্য?তাহলে নৌমি কিভাবে সইবে এ ব্যাথা?মরে যাবে না?
তূর্য নৌমির থেকে কোনো প্রতিউত্তর না পেয়ে দীর্ঘ নিশ্বাস ছাড়ে। এতো রাগ মেয়েটার?আর কিভাবে ক্ষমা চাইবে তূর্য?তূর্য আশাহত হয়ে ফিরে যেতে নেয়।ওমনি নৌমি চোখ খুলে বলে,
‘আবারও আমায় ফেলে পালানোর পায়তারা করছেন তূর্য?এক মন আর ক’বার ভাঙবেন?’
তূর্যের কানকে বিশ্বাস হলো না।তারমানে.. তারমানে নৌমি ওকে ক্ষমা করে দিয়েছে?বুকটা প্রশান্তিতে ভরে উঠলো ওর।নিজেকে সুখী মানুষ মনে হতে লাগলো।নৌমি তূর্যকে নিজের দিকে ঘুরতে না দেখে ভ্রু কুঁচকে বলে,
‘কি মশাই আমায় ফেলে আবারও যাওয়ার ফন্দি ভেস্তে গেলো বলে দুঃখ পেয়েছেন?কষ্ট হচ্ছে বু..’
বাকিটা শেষ করা হলো না তূর্য জাপ্টে ধরলো নৌমিকে একদম শক্ত করে।তূর্যের এই হঠাৎ হঠাৎ কর্মে নৌমি বড্ড লজ্জায় পরে।প্রিয় মানুষের পক্ষ থেকে প্রথম আলিঙ্গনকে নৌমি অনুভব করলো চোখবুঁজে। নিশ্বাস ছাড়ে জোড়েজোড়ে,বুকের মাঝে ধিমধিম শব্দ হচ্ছে এ কেমন অনুভূতি? নৌমির মনে হচ্ছে অনুভূতিরা ওকে মেরেই ফেলবে। তূর্য জাপ্টে ধরেই বললো,
‘আমি আমার খুশিটা প্রকাশ করতে পারবো না বউ।ভাবিনি আমায় মেনে নিবে তুমি। বিশ্বাস করো কখনো কষ্ট পেতে দিবো না তোমায়।’
‘কিন্তু আমার মনে হচ্ছে দু-চারটে চড় আমার কপালে অবধারিত। যে মানুষ আপনি!’
তূর্য সোজা হয় নৌমির কোমড় একহাতে ধরে অন্যহাতে নৌমির সরু নাকটা টেনে বলে,
‘তা যখন লাগবে তখন। আসলে ঝগড়া মারামারি তো ভালোবাসার অঙ্গ তাই-না? তবে অতিরিক্ত নয়!’
‘তাহলে তো আমিও মারতে..?’
নৌমি কথা সম্পূর্ণ করলো না।অর্ধেক বলে ভ্রু নাচিয়ে বুঝায় বাকিটা। নৌমির কর্মে তূর্য গাল ভরে হেঁসে বলে,
‘তুমি রাগ,অভিমান, অভিযোগ আর ভালোবাসবে।এগুলো তোমায় মানায় বুঝলে,বউ?’
বউ! ডাকটা একটু বেশিই মন কাড়ে নৌমির।একদম মনে গিয়ে লাগে।তূর্যের এই গম্ভীর কন্ঠে বউটা ভিষণ পছন্দ হয় নৌমির।তূর্য নৌমির কপালে ফের চুমু খায়।এরপর ওকে ছেড়ে বিছানায় বসে,
‘আজ থেকে তাহলে আর আলাদা রুমে থাকার প্রয়োজন নেই বুঝলে?আমার রুমে থাকবে।’
নৌমি ওর দিকে তাকালো আড়চোখে। বলে কি এলোক?এভাবে হূট করে থাকা যায় একসাথে?সময় লাগে তো নিজেকে বুঝাতে তাই-না? সে কথা কি তূর্য বোঝে?তূর্য নৌমিকে চেরাচোখে নিজের দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখে। নৌমির হাতে টান দিয়ে নিজের কাছে আনে বলে,
‘আমি ছাড়ছি না তোমায় আর।তোমাকে আমার পাশে চাই সারাজীবনের জন্য’
‘তূর্য..!’
‘হু?’
‘আমি এতো তারাতাড়ি সব মানিয়ে নিতে পারবো না।আমার সময়ের প্রয়োজন!’
কিন্তু ক্যাপ্টেন তানজিম তা শুনলে তো।নৌমিকে নিয়ে শুয়ে পরে বিছানায়। বলে,
‘আমি যতদিন আছি আমার ঘরে,আমার পাশেই ঘুমাতে হবে তোমায় মিসেস।মানিয়ে নিও আমি যাওয়ার পরে!’
কি খারাপ লোক!নৌমির দিকটা একটুও বুঝলো না।চেষ্টাই করলো না, নৌমি আর কিছু না বলে চুপটি করে পরে রইলো স্বামীর বক্ষপিঞ্জরে।হঠাৎ দরজার বাহির থেকে তুলির ডাক আসে,
‘নৌমি? খাবি না মা?আয় রাত হয়েছে তো অনেক!’
হঠাৎ তুলির ডাকে ওরা দুজনই হকচকিয়ে ওঠে। নৌমি উঠতে চায় শোয়া থেকে কিন্তু তূর্য ওকে ছাড়ে না।জোর করে বেঁধে রাখে নিজের সাথে ফিসফিস করে বলে,
‘বলে দাও পরে খাবে।এখন ভার্সিটির এসাইনমেন্ট করছো’
নৌমি বৃথা চেষ্টা করে তূর্যের হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার। তবে তা হয়না।বুঝে যায় মিথ্যা বলা ছাড়া উপায় নেই ওর।ভার্সিটির এসাইনমেন্টে এভাবে স্বামীর বুকে পরে থাকা আছে কোথাও? নেই তো!উফফ, এই পুরুষটা ওকে দিয়ে যে কি-কি করাবে আল্লাহ মালুম। ফোঁস করে নিশ্বাস ছেড়ে বলে,
‘আম্মু ভা..ভার্সিটির এসাইনমেন্ট বাকি আছে পরে খেয়ে নেবো।আপনারা খেয়ে নিন!’
‘খেয়ে করিস মা।না হলে শরীর খারাপ হবে তো’
‘কথা দিচ্ছি কাজ শেষেই খেয়ে নিবো। আপনি টেনশন নিবেন না!’
তুলি আর কিছু বলে না। নৌমির এমন কাজে সে অভস্ত্য। মাঝেসাঝেই না খেয়ে পড়াশোনা করে।তাই বেশিকিছু ভাবলো না।চলে যেতে নিয়ে আবারও ঘুরে দাঁড়ায়।
‘নৌমি তূর্যকে দেখেছিস কোথাও?এতো ডাকলাম কোথাও পাইনি। কই গেলো ছেলেটা!’
নৌমি তাকায় তূর্যের দিকে যে কিনা আপাতত ওর ঘাড়েই মুখ গুজে আছে।বিরক্ত করছে ওকে।চোখ ছোটছোট করে তূর্যের কার্যকপাল দেখে তুলির উদ্দেশ্য আবারও মিথ্যা কথা বলে,
‘না মা দেখি নি ওনাকে।দেখুন কোথাও গেছে কি-না!’
তুলি বেচারি চিন্তায় পরে গেলো।কোথায় উধাও হয় এক-এক জন হূট করে?সন্ধ্যায় নৌমি এখন আবার তূর্য!এরা কি লুকোচুরি খেলছে পালাক্রমে?
______________
‘ছাড়বেন আপনি আমায়!’
‘ঘুমাবো বউ,অনেক দিন হলো ভালো করে ঘুমাইনা।এখন একটু ঘুমাই?তুমি চুলগুলো একটু টেনে দাও না!’
কি মিষ্টি আবদার তূর্যের।নৌমি বিপরীতে কিচ্ছুটি বলতে পারলো না।মেনে নিলো তূর্যের এ আবদারখানি।মুচকি হেসে চুল টেনে দিতে লাগলো বাধ্য বউয়ের ন্যায়।মেয়েরা প্রিয়জনের ভালোবাসায় সব ভুলে যায়। নৌমি বুঝলো এ মন আর ওর নিয়ন্ত্রণে নেই তূর্যের দখলে চলে গেছে। না হলে তূর্যের করা অন্যায়ের ক্ষমা এতো তাড়াতাড়ি হয়?আচ্ছা তূর্য কি পারতো নৌমি এমন কাজ করলে? নৌমি অনেক ভাবলো এ-সব। শেষমেশ নিজেও ঘুমের দেশে পারি জমালো তূর্যের বুকে মাথা রেখে, শান্তির ঘুমের উদ্দেশ্যে!
চলবে…?
[কোথাও ভুলভাল লিখে থাকলে ধরিয়ে দিও পাখি,হ্যাপি রিডিং]

