#বলো_কোন_প্রিয়_নামে_ডাকি:~
#পর্ব_৮
#সমৃদ্ধি_রিধী
পরপর দুবার কলিংবেল বেজে উঠে। নওশাদ বড় বড় পা ফেলে রুম থেকে বেরিয়ে দরজা খোলে। দরজা খুলে এদিক ওদিক না তাকিয়ে রুক্ষ গলায় প্রশ্ন করে,
“কটা বাজে?”
পুনম হাত ঘড়িতে সময় দেখে। মিনমিন করে বলে,
“সাড়ে সাতটা।”
“বাসায় আসার কথা ছিল কয়টায়?”
পুনম কথা বলে না। নওশাদ বুকে হাত গুঁজে বলে,
“কয়টায় আসার কথা ছিল?”
“অর্ক কাঁদছিল। ও ঘুমানোর পর এলাম।”
“একা?”
“না ভাইয়া দিয়ে গিয়েছে। আমাকে একা আসতে দিতে চায়নি।”
নওশাদ দরজার সামনে থেকে সরে দাঁড়ায়। পুনম বাসার ভিতর ঢোকে। নওশাদ দরজা লাগিয়ে বলে,
“তোমার ভাই কোথায়?”
“চলে গিয়েছে।”
“বাসায় আসতে বলোনি?”
পুনম এড়িয়ে যেতে চাইলো, তবে পারলো না। প্রিতমকে বলেইনি বাসায় আসতে। নওশাদকে মিথ্যা বললো,
“বলেছি, আসেনি।”
“আমি যে এতবার করে কল দিচ্ছিলাম ধরার প্রয়োজনীয়তা বোধ করোনি? নাকি আমার কল রিসিভ করতেও সময় লাগবে?”
পুনম ফোঁস করে শ্বাস ফেলে হাতে থাকা ব্যাগ টেবিলের উপর রাখে। ব্যাগ থেকে মোবাইল বের করে বলে,
“সাইলেন্ট করা ছিল।”
“কল ব্যাক করতে পারোনি?”
“এই বাসার সিঁড়িতে উঠার সময় দেখেছিলাম। তখন কল ব্যাক করে কি করতাম?”
“এই ব্যাগে কি?”
“আম্মু রাতের খাবার দিয়ে দিয়েছে। পিঠাও দিয়েছে। খাবেন?”
“কি পিঠা?”
“পুলি পিঠা।”
“না, পরে খাবো।”
পুনম রুমে ঢুকে। লাগেজ থেকে পোশাক, বারান্দা থেকে তোয়ালে নিয়ে ওয়াশরুমে যায়। একেবারে গোসল করে বের হয়। ওয়াশরুম থেকে বের হতেই দেখে নওশাদ আলমারিতে নিজের পোশাক গোছাচ্ছে। পুনম নওশাদের পিছনে এসে দাঁড়ায়। নওশাদ পিছনে না ফিরেই নিজের পোশাক একপাশে গুছিয়ে রাখতে রাখতে বলে,
“একপাশ খালি করে দিয়েছি, তুমি ওইপাশে তোমার জামাকাপড় রাখো।”
“আপনার এত অল্প পোশাক কেনো?”
“ছেলেদের এত জামাকাপড় লাগে নাকি?”
“আমার ছোট ভাইয়ার পুরো আলমারি ভরা পোশাক।”
“ভালো তো।”
“আপনার বুঝি বেশি পোশাক লাগে না?”
“আমার দুটো পাঞ্জাবি আছে বেশ ভালো মানের। ভালো ভালো কয়েকটা শার্ট আছে। তিনটে জিন্স আছে। কলেজে যাওয়ার জন্য ফর্মাল পোশাক আছে। বাসায় যেসব পোশাক পড়ি ওগুলো ভালো না?”
“ভালো।”
“তাহলে? আর কি দরকার? বেশি পোশাক দিয়ে আমি করবোটা কি?”
“কোথা থেকে কিনেন আপনি আপনার জামাকাপড়?”
“কলেজে তো যেনতেন পোশাক পড়তে পারি না। ওগুলো ব্রান্ডের দোকান থেকে কিনি আর বাকি সব গুলিস্তানের।”
“আপনার তো ইনকাম খারাপ না। তাহলে গুলিস্তান থেকে কিনেন কেনো?”
“অভ্যাস।”
“মানে?”
“ছোট থেকে যে ধারায় বড় হয়েছি সেটা তো সহজে ছাড়া যায় না।”
“আপনার আব্বু মানে শ্বশুর আব্বু মারা যাওয়ার পর থেকে নাকি আরিফের আব্বু আপনার আর শ্বাশুড়ি আম্মুর খরচ বহন করতো? আরিফ তাহলে ছোট থেকে আলিশান ভাবে বড় হলে, আপনি সেভাবে কেনো বড় হননি?”
নওশাদ পুনমের দিকে ফিরে। “রাজার ছেলে কি হয়?”
“রাজা।”
“আর প্রজার ছেলে?”
“প্রজা!”
“এগজ্যাক্টলী।”
“বুঝলাম না।”
নওশাদ পুনমের লাগেজ টেনে খাটে উঠায়। “রাজার ছেলে সবসময় রাজাই হয়। সাধারণ একটা মানুষ হঠাৎ করে রাজা হতে পারে না। একটা সময় দামী, সুন্দর পোশাক পড়তে ইচ্ছে হতো। দামী খেলনা কিনতে ইচ্ছে হতো। দামী ক্রিকেট ব্যাট কিনতে মন চাইতো। তখন টাকা ছিল না। এখন টাকা আছে। কিন্তু আফসোস! সেই ইচ্ছেটা আর নেই।”
পুনম ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে। নওশাদ বলে,
“হোয়াটএভার! তোমার জামাকাপড় বের করে দাও। গুছিয়ে রাখি। নাকি ওগুলো গোছাতেও সময় লাগবে?”
পুনম মাথা নামিয়ে ফেলে। এখন যদি নওশাদের নাক বরাবর একটা ঘুষি দিয়ে বসো তাহলে কি খুব খারাপ হয়ে যাবে? ছোট করে শ্বাস ফেলে বলে,
“বাসায় পড়ার জামাকাপড়?”
“ওগুলো ওয়ারড্রবে রাখো। আলমারিতে শুধু বাইরের পোশাকই রাখবে।”
“ঠিক আছে।”
পুনম লাগেজ থেকে শাড়ি বের করে। হেঙ্গারে ঢুকিয়ে নওশাদকে দেয়। নওশাদ তা ঝুলিয়ে রাখে। পুনম ওর ওয়ানপিস গুলো নওশাদের হাতে তুলে দিয়ে বলে,
“কালকে যে ওই বাসা থেকে আরেকটা ব্যাগ এনেছিলাম ওটা কোথায়?”
“আম্মার রুমে। আমি নিয়ে আসছি।”
নওশাদ পুনমের ওয়ান পিসগুলো রেখে হোসনেআরার রুমে যায়। পুনম থ্রি-পিসগুলো আলাদা করে রাখে, পুনমের প্যান্ট, হিজাব, ওড়নাগুলো একপাশে রাখে। বাসায় পড়ার থ্রি পিসগুলো আলাদা করে রাখে। নওশাদ ব্যাগ নিয়ে আসে। পুনম নওশাদের হাতে আলমারিতে রাখার পোশাকগুলো দিয়ে ব্যাগ খোলে। নওশাদ পুনমের বাইরে পড়ার সব পোশাক গুছিয়ে রেখে আলমারি বন্ধ করে ফেলে।
“বোরকা পড়ো না?”
“না।”
নওশাদ ওয়ারড্রব খুলে বাসায় পড়ার পোশাক রাখে। পুনম বলে,
“পড়তে হবে?”
“মনের বিরুদ্ধে গিয়ে পড়ার দরকার নেই। যে পোশাক দেখলাম ওগুলো খারাপ না। শুধু শালীনতা বজায় রেখে পোশাক পড়লেই হবে।”
পুনম মাথা নাড়ে। ব্যাগ থেকে বই খাতা বের করে। ওকে কলম বের করতে দেখে নওশাদ বলে,
“কলম এনেছো কেনো? আমার বাসায় কলম নেই? নাকি আমার কলম ব্যবহার করতেও সময় লাগবে?”
পুনমের কান লাল হয়ে গেল। কি না কি বলে ফেলেছে এটা নিয়ে কথা শুনিয়েই যাচ্ছে? পুনম ব্যাগ থেকে বই বের করে। নওশাদ ওর টেবিলের একপাশও ফাঁকা করে দেয়। পুনম ওখানে নিজের বইখাতা রাখে। নওশাদ বুকে হাত গুঁজে বলে,
“এত কম বই কেনো?”
“এমনই, অল্প বই আমার।”
“তুমি জানো আনফরচুনেটলি তোমার আর আমার সাবজেক্ট সেইম।”
পুনমের চোখ বড় বড় হয়ে যায়। নওশাদ বলে, “এত বাতেলা মেরেছো পড়াশোনা করে চাকরি পেয়ে আমার টাকা শোধ করে দিবে ব্লা ব্লা ব্লা! বই-ই তো নেই পড়াশোনা করবে কি করে?”
“বই কিনি নাই এখনও। কিনবো আরকি? এত সিরিয়াসলি নেওয়ার কি আছে?”
“কেনো বই কিনতেও কি সময় লাগে?”
পুনম এবার রেগে যায়। ফোঁস ফোঁস করে শ্বাস ফেলে বলে,
“আল্লাহ! কি একটা বলেছিলাম তাই নিয়ে কি যা তা করছেন। সব কথায় ওটা বলা লাগবে?”
নওশাদ মনে মনে ভীষণ মজা পেলো। “কোনটা?”
“আপনি বুঝেন না কোনটা?”
“না।”
পুনম ফোঁস ফোঁস করে শ্বাস ফেলতে থাকে। নওশাদ পকেটে হাত গুঁজে বলে,
“বললে না তো কোনটা?”
“এই যে সময় লাগবে কথাটার?”
“নাইস নিকনেইম।”
নওশাদ ড্রেসিংটেবিলের সামনে যায়। ড্রয়ার থেকে একটা ছোট্ট বক্স বের করে। পুনমের মুখোমুখি এসে দাঁড়ায়।
“বউকে দেওয়ার জন্য একটা আংটি কিনেছিলাম। যেহেতু তোমাকে বিয়ে করেছি এবং তোমার সংসার করার ইচ্ছে আছে সেহেতু আমি কি পড়িয়ে দিতে পারি? নাকি সেটার জন্যও সময় লাগবে?”
পুনম নওশাদের হাত থেকে বক্সটা কেড়ে নেয়। তেজ দেখিয়ে বলে,
“না পারেন না।”
বলে আংটিটা বের করে। নিজে পড়বে বলে ঠিকও করে। তারপর মনে হলো নওশাদের হাত থেকে না পড়লে বিষয়টা বড় অন্যায় হয়ে যাবে। আংটি বের করে নওশাদের দিকে হাত বাড়িয়ে বলে,
“পড়িয়ে দিন।”
নওশাদ ঠোঁট বাঁকিয়ে হাসে। আংটিটা পড়িয়ে দিলো৷ নওশাদের ইচ্ছা হলো আংটি পড়িয়ে দেওয়ার পর হাতে ঠোঁট ছোঁয়াতে। পুনমেরও ক্ষণিকের জন্য মনে হলো ফিল্মি ওয়েতে আংটি পড়িয়ে নওশাদ যদি চুমু খেতো! তবে ওদের মধ্যে অনেক দূরত্ব। এখনও এতটা কাছাকাছি আসার মতো সহজ ওরা হয়ে উঠতে পারেনি।
নওশাদ পুনমের হাত ছেড়ে দেয়। ছোট করে শ্বাস ফেলে বলে,
“কি এনেছো বাসা থেকে?”
“তেহারি।”
“কালকেও হেভি খাবার খেয়েছি। আজকেও?”
“খাবেন না?”
“আমি এত হেভি খাবার পর পর খেতে পারি না।”
“তাহলে কি খাবেন?”
“তুমি কি খাবে?”
“পিজ্জা খাবো।”
“এটা কি লাইট খাবার? এটাও তো হেভি খাবার।”
“ওহ হ্যাঁ। আচ্ছা আপনি কি খাবেন?”
“তোমাকে পিজ্জা কালকে খাওয়াবো। বাসায় ইস্ট নেই। চিকেন নেই।”
“বাসায় বানাবেন? আপনি?”
“হুম।”
“পারেন?”
“না পারলে তো বানাতাম না।”
“এখন কি খাবেন?”
নওশাদ রুম থেকে বেরিয়ে বলে, “আজকে নুডলস খাবো।”
পুনমও নওশাদের পিছন পিছন আসে। “পারেন?”
“মোটামুটি।”
নওশাদ রান্নাঘরে যায়। হাতে পেঁয়াজ নিয়ে বলে,
“টেবিল থেকে যে খাবার নিয়ে এসেছিলে ওগুলো আনো।”
পুনম নিয়ে আসে। নওশাদ ওগুলো ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখে। পুনম বলে, “একটা পিঠা খেয়ে দেখতেন। আম্মু দিয়েছে আপনার জন্য।”
“পরে। এখন ইচ্ছে করছে না।”
পুনম দাঁড়িয়ে থাকে। নওশাদ বলে, “এই সময় লাগবে সেল্ফ থেকে তিনটা নুডলসের প্যাকেট নিয়ে আসো।”
পুনমের নাকের পাটা ফুলে উঠে। ও নুডলসের প্যাকেট নওশাদকে দেয়। নওশাদ একটু পর আবারও বলে,
“এই সময় লাগবে পানি দাও।”
পুনম হাঁড়ি ভরে পানি নেয়। নওশাদের দিকে হাঁড়ি ভর্তি পানি এগিয়ে দিয়ে বলে,
“নিন।”
নওশাদ ঘাড় ঘুরিয়ে হাঁড়ি ভর্তি পানি দেখে বলে,
“এটা কি? পাগল হয়ে গিয়েছো? তিনটা নুডলসের জন্য হাঁড়ি ভর্তি পানি?”
“তো কতটুকু দিবো?”
“গাধা।”
পুনমের ফিমেল ইগোতে লাগে কথাটা।
“একটু রান্না পারেন বলে দাম দেখাচ্ছেন? আমি একদিন আপনার থেকেও ভালো রান্না করবো।”
নওশাদ হাসে। পুনম আঙুল তাক করে বলে,
“বিদ্রুপের হাসি দিবেন না।”
“বাবাহ! তুমি বিদ্রুপও বোঝো? আমি তো ভেবেছিলাম খালি জেদই করতে পারো।”
“বাড়াবাড়ি হচ্ছে।”
নওশাদ কড়াইয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি দিয়ে ঢেকে দেয়। পুনমের দিকে ফিরে বুকে হাত গুঁজে বলে,
“করছি বাড়াবাড়ি। কি করবে? সংসার করবে না? চলে যাবে? নাকি এক সপ্তাহর জায়গায় দু সপ্তাহ সময় লাগবে?”
“আপনি সবসময় ব্যঙ্গ করে কথা বলেন। এটা তো ঠিক নয়।”
নওশাদ কথা এড়ালো। “পড়াশোনার কি অবস্থা সেটা বলো।”
“ভালো।”
“ভালো হলেই ভালো।”
ঢাকনা তুলে বলে, “আমি শুধু রেজাল্ট দেখবো। কতক্ষণ পড়ো না পড়ো দেখার দরকার নেই আমার।”
“রেজাল্ট ভালো না হলে?”
“আল্লাহকে ডাকো। খারাপ হলে রেজাল্ট ভালো করানোর দায়িত্ব আমার।”
পুনম অবাক হয়ে তাকায়। নওশাদ পুনমের দিকে ফিরে বলে,
“এগেইন আনফরচুনেটলি তোমার আর আমার সাবজেক্ট সেইম। সো….”
“এমন করবেন কেনো?”
“তোমার পড়াশোনার পিছনে টাকা ঢালবো এমনি এমনি? সময় দিবো এমনি এমনি? আমার টাকা, সময়ের মূল্য এতটা সস্তা না।”
টাকার কথা পুনম বুঝলো। তবে সময় বলতে লোকটা কি বুঝালো! পুনম যা ভাবছে তা?
নওশাদ দুটো বাটিতে দুজনের জন্য নুডলস নেয়৷ টেবিলে নিয়ে রাখে। পুনম ফ্রিজ থেকে ঠান্ডা পানির বোতল বের করে। নওশাদ চেয়ার টেনে বসে৷ পুনমও বসে। পুনম মুখে দিয়ে বলে, “মজা হয়েছে।”
“ধন্যবাদ।”
পুনমের খাওয়া শেষ। ও রান্নাঘরের দিকে পা বাড়ালে নওশাদ বলে, “বেসিনে রেখে আসো। ধুতে হবে না।”
পুনম বাটি বেসিনে রেখে হাত ধোয়। পিছনে ফিরতেই নওশাদের বুকের সাথে বারি খায়। পুনম কপাল ঘষতে ঘষতে লক্ষ্য করে নওশাদ গভীর চোখে তাকিয়ে আছে। পুনম সমস্ত কায়া কেঁপে ওঠে। মাথা নুইয়ে ফেলে। নওশাদ হাত বাড়িয়ে পুনমের ঠোঁটের কিনারায় লেগে থাকা নুডলস সরিয়ে দেয়।
নওশাদ কিছু একটা বলবে তখনই পুনম নওশাদের বুকে ধাক্কা মেরে রুমে চলে আসে। বুকে হাত চেপে হাঁপাতে থাকে। নওশাদের নজর ভালো না। একটুও ভালো না। পুনমকে কিভাবে যেন দেখে। পুনম এই নজর সামলে উঠতে পারছে না।
———————-
আজ পুনম, জেরিন, জাইমা কেউ ভার্সিটিতে যায়নি। জেরিন সকালে নাস্তা নিয়ে এসেছে। পুনম আর জেরিন একসাথে গল্প করতে করতে নাস্তা করে। জাইমা এখনও ঘুমে। পুনম হাত ধুয়ে আসতেই জেরিন হাত ধুতে যায়। তখন জেরিনের মোবাইলে টুং করে মেসেজ আসে। পুনম না চাইতেও দেখে ফেলে।
জেরিনের মোবাইলের স্ক্রিনে জ্বলজ্বল করা আইডিটা দেখে পুনম চোখ বড় বড় করে তাকায়। ও একটা অনধিকার চর্চা করে ফেলে। হাত বাড়িয়ে ইনবক্সে ঢোকে। এই মুহুর্তে ওর চোখ দুটো পুরো মার্বেল আকৃতির হয়ে গিয়েছে। জেরিন লাভ ইউ লিখেছে। বিপরীতের মানুষটিও রিপ্লাই দিয়েছে লাভ ইউ টু। মোবাইলের স্ক্রিন থেকে চোখ না তুলেই পুনম চোখ বড় বড় করে চাপা স্বরে চেঁচিয়ে উঠে,
“ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন!”
চলমান…….
(কে গেস করুন। হ্যাপি রিডিং)

