আফরিন_আখ্যান #পর্ব_১৫(ক)

0
47

#আফরিন_আখ্যান
#পর্ব_১৫(ক)
#সমৃদ্ধি_রিধী

এমডি সাফওয়ান সিদ্দিক তার ছেলের আকিকার দিন সকালেই আদৃতকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে পাড়ি দিয়েছেন। সেখান থেকে ফিরেছেন আজ দেড়মাস পর। ফরিন এতদিন ধানমন্ডিতেই ছিল। আহসানের প্রতি ওর রাগের স্তর বেড়েই যাচ্ছে, বেড়েই যাচ্ছে। ছেলের আকিকার দিন বাবা হয়ে এই লোক কিভাবে যেতে পারলো সেই হিসেবই তো মেলাতে পারছে না। সময় আটটার বেশি। আহিয়ান ঘুমে ছিল। ফারিন আহিয়ানের কাঁথা, ডায়পার ওগুলো গুছিয়ে রাখছিল। সেইসময় দরজায় নক করা হয়। অনি প্রতিদিন এইসময় ঘরে আসে। আহিয়ান ঘুমে থাকুক নাহলে সজাগ থাকুক, অল্প সময়ের জন্য হলেও আদর করতে আসে। ফারিন ওড়না ঠিক করে আহিয়ানের কাঁথা ভাঁজ করতে করতে বলে,

“আসো। দরজা খোলা আছে।”

ফারিন তাকালো না সামনে। তবে লাগেজ টানার শব্দে তাকায়। আহসানকে দেখে অবাকই হলো তবে ভাবভঙ্গিমায় প্রকাশ করলো না। মেজাজ ধপধপ করে জ্বলে উঠলো। মাথা নত করে নিজের কাজে মনোযোগ দেয়। আহসান লাগেজ টেনে পাশে রাখে। ঘুমন্ত আহিয়ানের কাছে আসলে নিজে ফারিন রুক্ষ গলায় বলে,

“ফ্রেশ না হয়ে আমার ছেলের গায়ে কেউ যেন হাত না দেয়।”

আহসান থেমে গেল। ফারিনের দিকে তাকালো। তবে ফারিন তাকালো না। আহসান গলা খাঁকারি দিয়ে বলে,

“কেমন আছো?”

“আল্লাহ যেমন রেখেছে।”

“সেলাই শুকিয়েছে?”

“জ্বি।”

আহসানের রাগ উঠলো। প্রথমত উত্তর দিচ্ছে অনিচ্ছা সত্ত্বে, দ্বিতীয়ত ফারিন একবারও ওকে ‘কেমন আছো’ জিজ্ঞাসা করতে পারলো না? আহসান জামাকাপড় নিয়ে ওয়াশরুমে চলে গেল। ফারিন আহিয়ানের দিকে তাকায়। বিড়বিড় করে বলে, “বাপের আদলই পেতে হলো তোকে? তোর বাপ কয়দিন খবর নিয়েছে পেটে থাকতে?”

আহিয়ান কি কিছু বোঝে? ফারিন আবারও বিড়বিড় করে বলে, “তুই আমার ছেলে না হলে তোকে খেতেও দিতাম না আমি। বাপকে বেশি ভালো লাগলে তোর বাপের কাছে গিয়ে খা। আমি মরলে খাবারও জুটবে না। এইদিকে একটু পরে কাঁথা ভিজিয়ে ফেলবি? তোর বাপ ওটাও পরিষ্কার করতে পারবে না। আমিই সেলাইয়ের পেট নিয়ে সব করেছি। বাপের ছোঁয়া পেলে তো বেইমানিই করবি৷ গাদ্দার বাপের রক্ত না তুই? বংশের ধারা বজায় রাখতে হবে না তোকে?”

আহিয়ান নড়ে চড়ে উঠে। ফারিন কাত হয়ে মশারি খুলে বুকে হাত বুলিয়ে দেয়। দুটো কাঁথা ছিল গায়ে, একটা সরিয়ে দিলো। আবারও মশারি টানিয়ে দেয়। আহিয়ানের ছোট ছোট বানানো ফতুয়া, প্যান্ট গুছিয়ে জায়গামতো রাখতেই আহসান বের হয়। চুল মুছে আহিয়ানের পাশে বসে। মশারি সরিয়ে আহিয়ানের হাত ধরে। ওর দিকে ঝুঁকে চুমু খায়৷ ফারিন বিছানা থেকে উঠে বলে,

“কারো দাঁড়ির জন্য যাতে আমার ছেলের গাল না ছিলে যায়।”

আহসান শক্ত গলায় বলে, “ছেলেটা আমারও।”

“হাও ফানি। এতদিন কোথায় ছিলে? দেড়মাস পর এসে মনে পড়লো তোমার একটা ছেলে আছে?”

“কাজের জন্য সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলাম জানো না তুমি?”

“আমাকে বলে গিয়েছিলে যে জানবো?”

“আম্মু বলেনি?”

“ছেলের বাবা তুমি না আম্মু? আকিকার দিন সকালে চলে গিয়েছে কে? বাবা না দাদি?”

আহসান চোখ সরিয়ে নিল। ছেলের দিকে মনোযোগ দিলো। ঘুমন্ত আহিয়ানকেই কোলে তুললো। ফারিন ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। তবে যাওয়ার আগে বলে,

“জন্ম দিয়েই বাপ হয়ে গিয়েছে। আমার ছেলের যেন ঘুম না ভাঙে। ঘুম ভাঙলে যেন যে ভাঙিয়েছে সেই ঘুম পাড়ায়।”

আহসান শক্ত চোখে তাকিয়ে রইলো ওর যাওয়ার পানে। আহিয়ান একটু নড়েচড়ে উঠলে আহসান আহিয়ানের দিকে তাকায়। কপালে চুমু খায়। বিড়বিড়িয়ে বলে,

“তোমার মা এত বেয়াদব কেনো? এত ইগো কিসের ওর? কিসের অহংকার? আগে নিজে নিজে কাহিনি করতো, এখন তোমাকে নিয়ে নিয়েছে। তুমি বকে দিবে তোমার বাবার সাথে এরপর বেশি বাড়াবাড়ি করলে। আমি তো বকতে পারি না। বকতে পারলে শুরু থেকেই টাইটে রাখতাম। এত তামাশা জীবনেও সহ্য করতাম না।”

আহিয়ান যেন খুব বুঝতে পারছে বাবা মায়ের কথা? ও নিশ্চিত মনে ঘুমাচ্ছে, রাতেও তো উঠতে হবে ওকে। নাইট গার্ডের চাকরি করে তো, সেইজন্য ঘন্টাখানেক পরপরই উঠে।
____________________

শিরিনা আদৃতের জন্য কফি বানাচ্ছে। আদৃত আলু দিয়ে ক্যাচ ক্যাচ খেলতে খেলতে বলে,

“আব্বু কি কথা বলবে রাতে?”

“আমি কি জানি!”

“আমি জানি তুমি জানো।”

“তোর বিয়ে দিবে।”

“কার সাথে?”

“মেয়ে দেখবো, খুঁজবো।”

“আমি তো এখন বিয়ে করবো না। মেয়ে খুঁজে লাভ আছে?”

“বয়স কত?”

“একত্রিশ।”

“তাহলে?”

“সময় হলে এমনিতেই করবো।”

“সময় হয়ে এসেছে।”

“মেয়ে কি দেখে ফেলেছো?’

“না।”

“আয়েশা খাতুনের থেকে ইন্সপ্রায়ার হয়ে আবার চৌদ্দ, পনেরো বছরের মেয়ে দেখো না আমার সাথে। মানুষ আমাকে পেডোফিল মনে করবে।”

“সেটা আবার কি?”

“তুমি বুঝবে না।”

“আমি চক, পেনসিল, কলম না ধরা শেখালে এত ইংরেজি আওড়ানো লাগতো না বেয়াদব।”

“আমাকে এভাবে অপমান করবে না।”

“তোর মান আছে যে অপমান করবো?”

“ধূর আম্মু সেসব বাদ দাও। এখন বিয়ে করবো না।”

“বিয়ে করবি না কেনো?”

আদৃত হাতের ইশারা দিয়ে বলে, “বিবাহিতদের জীবনে আগুন জ্বলে, আগুন। আমি আগুনে পা দিবো না।”

“কোন বিবাহিতর জীবনে আগুন জ্বলছে দেখেছিস?”

“দেখেছি, দেখেছি। তোমাকে বলা যাবে না। আগুনের তাপে আমার প্রাইভেসি নষ্ট হয়ে গিয়েছিল।”

শিরিনা গো ধরে বলে, “এত কিছু বুঝি না, মেয়ে দেখছি। ভালো লাগলে এগোবো।”

“আরেহ এখন করবো না।”

“চুল সাদা হয়ে গেলে করবি?”

আদৃত জবাব দিলো না। এড়িয়ে গেল। ফারিন তখন রান্নাঘরে আসে। শিরিনা ওকে বলে, “তোমার কোনো বোন আছে বিবাহযোগ্য? আদৃতের জন্য ভাবছি।”

আদৃত ক্ষেপে গেল। “বলেছি না বিয়ে করবো না?”

ফারিন শিরিনার কথায় মাথা নাড়ে। ফ্রিজ থেকে পানি বের করে। মনে মনে ব্যঙ্গ করে বলে, “কয়দিন পর দেখবো এটাও ভাইয়ের মতো কোন মেয়েকে জোর করে বিয়ে বউয়ের সাথে তামাশা করছে। ভালো মানুষি এদের উপরে উপরে, বিয়ের প্রথম প্রথম। বিরক্তকর, টক্সিক, ফালতু।”

ফারিন পানি নিয়ে চলে গেল। আদৃত সিঙ্কে হেলান দিয়ে বলে, “মেয়ে পছন্দ হলেই বিয়ে করবো। এত প্যারা নিও না।”

শিরিনা আদৃতের হাতে কফি মগ ধরিয়ে দিয়ে বলে, “তুই তোর পছন্দ মতো খোঁজ, আমরা আমাদের মতো দেখি।”

আদৃত মুখ খোলার আগেই শিরিনা ওর সামনে থেকে সরে যায়। সামনে থাকলেই ভ্যানভ্যান করা শুরু করবে।

_________________

আহসান উত্তরা আসার সময় এবার ফারিনও ওর সাথে চলে এসেছে। জেসমিন অনেকবার থাকতে বলেছিল ফারিন থাকেনি। জেসমিনের ভীষণ মনঃক্ষুণ্ন হলেও রাগে কিছু বলেননি। ভেবেছিল আহিয়ানকে একটু শক্তপোক্ত করে তবেই পাঠাবে, তা না!

ফারিন প্রায় তিনমাস পর বাসায় এসে কোনোমতে ঘর একটু পরিষ্কার করলো৷ নতুন বেডশিট পেতে আহিয়ানকে খাটে মশারি টানিয়ে শোয়ায়৷ তারপর ব্যাগ থেকে ওর যাবতীয় জিনিসপত্র বের করে সামনে রাখে। জামাকাপড় নিয়ে গোসল করতে গেলেও ঠিক মতো গোসল শেষ করতে পারে না৷ আহিয়ানের কান্নার শব্দে বের হয়ে আসে। চুলে তোয়ালে পেঁচিয়ে খাটে বসে। কোলে নিয়ে আদর করে কান্না থামাতে চাইলেও পারে না। বুঝতে পারে খিদে পেয়েছে। উঠে গিয়ে দরজা চাপিয়ে এসে আহিয়ানকে খাওয়াতে থাকে।

কিছুক্ষণ ওর দরজা খোলার শব্দে ফারিন সামনে তাকায়। আহসানের সাথে চোখাচোখি হতেই ফারিন ঘুরে গেল। এক হাতে ওড়না টেনে নিজেদেরকে আবৃত করে ফেলে। আহসান হাতে থাকা লাগেজ ঘরে আনে। ফারিন আড়চোখে দেখে। আহসান বের হয়ে গেল। এরপর ল্যাপটপ, চার্জার, ফোন এনে বেডসাইড টেবিলে রাখে। ফারিন একদম নির্বিকার। দেখেও না দেখার ভান করছে পুরোপুরি। আহসান এরপর বালিশ আর পাশবালিশ নিয়ে এলো। ফারিন ঠোঁট বাঁকায়। আহসান পিঠে বালিশ ঠেকিয়ে হেলান দিয়ে বসে বলে,

“আমি তোমার জন্য এইঘরে আসিনি। আহিয়ানের জন্য এসেছি।”

“তোমাকে একবারও বলেছি আমার জন্য এসেছো?”

“এভাবে তাকিয়ে সেটাই মিন করছো।”

ফারিন আহসানের দিকে পিঠ দিয়ে পাশ ফিরে বলে, “পেটে হাত দিয়ে কথা বললে তো কিছু করার নেই।”

“আমি আহিয়ানের জন্যই এসেছি।”

“তোমাকে আমি বেডরুম থেকে বেরও করিনি, আবার বেডরুমে ফিরিনি আনার জন্য কাঁদিওনি।”

“তুমি তাহলে এত বাজেভাবে তাকালে তো বল….”

আহিয়ান শব্দ করে কেঁদে ওঠে। ফারিন আহিয়ানের পিঠে আদর করে হাত বুলিয়ে দিতে থাকে। আহসান মা ছেলের দিকে তাকিয়ে থাকে। ওর একমুহূর্তের জন্য মনে হলো আহিয়ানের জন্মই হয়েছে ওদেরকে এক রাখার জন্য। আহিয়ান জন্ম থেকেই বাবা মাকে এক রাখার দায়িত্ব নিয়ে এসেছে। আহসান উঠে দাঁড়ায়। আলমারিতে নিজের পোশাক রাখে, যেগুলো একদিন জেদ করে অন্যঘরে রেখেছিল।

ফারিন আহিয়ানের ঢেকুর তুলে ওকে শুইয়ে দেয়। ফারিন অনেকক্ষণ ধরে বসে খাওয়ানোর পর সোজা হতে পারে না। কোমরে হাত চেপে দাঁড়ায়। একটানা বসে থাকতে যে ওর কি কষ্ট হয়! এক এনেস্থিসিয়া জীবনের সব সুখ শান্তি কেড়ে নিয়েছে। একটু হাঁটাহাঁটি করে। আহসান আলমারিতে সব গুছিয়ে লাগেজ খোলে। ছেলের জন্য জিনিসপত্র কিনেই পুড়িয়ে ফেলেছে। বেবি লোশন থেকে শুরু করে ফিডার, জামাকাপড়, ডায়পার সব এনেছে। আহিয়ানের পাশে রাখে সব।

ফারিন এইসব আদিখ্যেতা দেখে বাঁচে না। জন্মের আগে খোঁজও নেয়নি, এখন পিরিত দেখিয়ে মরছে। ছেলে তো এইসব, এখনকার পিরিতই দেখবে। পরে বাপ হয়ে যাবে ভালো মানুষ, মা হয়ে যাবে খারাপ। আহসান ফারিনের দিকে তাকায়। ফারিন জানালার সামনে দাঁড়িয়ে ওর দিকেই তাকিয়ে ছিল। ফারিন চোখ সরায় না। আহসান বলে,

“এদিকে আসো।”

“কি দরকার?”

“বসো সামনে।”

ফারিন বসে। আহসান একটা ক্রিম এগিয়ে দিয়ে বলে,

“ফাটা জায়গায় লাগাতে পারো। দাগ নাকি চলে যায়।”

তারপর মুভ এগিয়ে দিলো। “কোমর ব্যথা করলে দিতে পারো।”

ফারিন নিলো। আহসান ওকে দুটো প্যাকেট দিয়ে বলে,

“তুমি তো ওয়েস্টার্ন পড়ো। সো…”

ফারিন নেয়। “বাইরে কবে পড়েছি ওয়েস্টার্ন?”

“বাসায় তো পড়োই।”

“এখন পড়তে পারবো? মশকরা করো?”

“ইচ্ছে হলে পড়াে নাহলে ফেলে দাও। আনার দরকার এনেছি।”

ফারিনের রাগ লাগলো এটা ভেবে আহসান আনার দরকার এনেছি বলতে কি বুঝিয়েছে? ও ভালো মতো বলতে পারতো এখন পড়তে না পারলেও পরে পড়বে। কিন্তু না! বললে কি? আনার দরকার এনেছি! দায় সারা কাজ নাকি?

ফারিন সত্যি সত্যিই ঠেলে সরিয়ে দিলো। ফেললো না তবে অবজ্ঞা করে সরিয়ে দিলো। আহসানের এত রাগ উঠলো। ও একটা জিনিস পছন্দ করে নিয়ে এসেছে, ফারিন সেটা সাদরে গ্রহণও করলো না। রাগের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে ও এক লাথি মেরে লাগেজ খাট থেকে মেঝেতে ফেলে দেয়। অনেকটাই জোরে শব্দ হয়। আহিয়ান ঘুমের ঘোরেই কেঁদে ওঠে। আহসান আহিয়ানের দিকে তাকিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। ফারিন উঠে শব্দ করে দরজা লাগিয়ে দেয়।

আহিয়ান কাঁদতেই থাকে। ফারিন রেগে আঙুল তাক করে বলে, “চুপ একদম চুপ। একটুও কাঁদবে না তুমি।”

আহিয়ান কাঁদতেই থাকে। ফারিন কি পারে কঠোর হতে? ছেলেকে গিয়ে ধরে। আদর করতে থাকে। মায়ের স্পর্শ পেয়ে বাচ্চাটাও চুপ করে যায়। ফারিন ওর বুকে হাত বুলিয়ে দেয়। হিসেব কষতে থাকে ওর ফ্রেন্ড পম্পির কথা মতো বিয়ের আগে পালিয়ে গেলে কি এত কষ্ট এখন করতে হতো? এই জালিমের সাথে সংসার করতে হতো?

ফারিন আহিয়ানের হাতে চুমু খায়। ছেলেকে বলে,

“তোমাকে পেটে নিয়ে যখন মরতে চাইলাম, হাতে ছুরি চালানোর আগে পেটে লাথি দিয়েছিলে কেনো? বাঁচাতে চেয়েছিলে মাকে? তোমার বাবার এইসব উদাসীনতা দেখানোর জন্য লাথি মেরে নিজের অস্তিত্বের জানান দিয়ে আমার হুঁশ ফিরিয়েছিলে?”

ফারিন আহিয়ানের দিকে তাকিয়ে থাকে। এখন ছেলেকে কত কথা বলবে ও! চারদিন আগে জেসমিন বকেছে ওকে। আহিয়ানের সাথে রাতে রাতে এভাবে কথা বললে নাকি পরে রাত জাগার অভ্যাস হয়ে যাবে। তখন কথা না বললেও ঘুমাবে না। ফারিন এখন সদ্য মা, এখন নাহয় এনার্জি আছে। একবছর পর কি থাকবে? তখন আরো বেশি ভোগাবে। ফারিন তেমন গায়ে মাখলো না। রাত জাগতে হলে জাগবে, ফারিনের সমস্যা নেই। কিন্তু দুনিয়ার সবচেয়ে ভালো মা ছেলে জুটি হয়ে দেখাবে ওরা। অন্যদের মতো অযথা তেল দিয়ে ছেলেকে ইগোস্টিক বানাগে না৷ নিজের আদর্শে, প্রকৃত শিক্ষায় ছেলেকে শিক্ষিত করবে। মোট কথা বাপের মতো বেকুব, ইগোস্টিক বানাবে না।

চলমান…..

(হ্যাপি রিডিং……..)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here