আমার_বোবাফুল(৩০) #তৃপ্তি_এহসান_নাওরা

0
64

#আমার_বোবাফুল(৩০)
#তৃপ্তি_এহসান_নাওরা

সুখের বয়স তখন ছয়। নিশ্চুপ অথচ চঞ্চল হরিণীর মতো ছুটন্ত এক বাচ্চা। সেদিন জেলার বাহিরে পিকনিক বানিয়েছিলেন তামিজ শিকদার।শিকদার নিবাসের ছোট বড় প্রত্যেকে ছিলো সঙ্গী।খোলা আকাশের নিচে সবুজ মাঠে তাবু টাঙানো হয়েছে।পাশেই –তলায় কাঠে আগুন ধরিয়ে ত্রিধারে ইটের উঁচু স্তুপে বড় ডেক্সিতে বিরিয়ানি পাক করছেন দুটো লোক।সেদিন কীভাবে কী করে যেনো বেকায়দায় সুখের হাত চলে গিয়েছে জলন্ত আগুনে।টাটকা আগুন কোমল হাতটা খুব স্নেহ ভরে গ্রহণ করেছিল বোধকরি।তাই তো অতিদ্রুত-তই নীলচে রঙা ফোস্কায় ফেড়ে ওঠেছিল নরম হাতের পিঠ। সুখের নিদারুণ যন্ত্রনা মিশ্রিত কান্না দেখে রুবাইয়্যাতের বুক চাপড়ানো সে কী আর্তনাদ।পারলে নিজের শরীর কেটে চামড়া ছিলে মেয়ের হাতে লাগিয়ে দেয়। ডাক্তারকে অবুঝের মতো আবদারটা করেও ছিল!

এরপর একদিন আপেল কাটতে গিয়ে হাতের তালুতে পুচ লেগে গিয়েছিল সুখের।তখন দশ বছর বয়স। কাটা জায়গা থেকে পিনকি রক্ত বেরিয়েছে গলগলিয়ে।সুখের যতটা না ব্যথা লাগছিল,তার চেয়ে দ্বি-গুণ ব্যাথা যেনো রুবাইয়্যাতের মাতৃ হৃদয় কাবু করেছিল।সুখ তখন বুঝতে শিখেছে। –মায়ের অস্থিরতা, উম্মাদনা গুলো হতভম্ব হয়ে সেদিন দেখে গিয়েছিল সুখ।সুখের ঊনিশ বছরের জীবনীতে এমন অহরহ আরো কতো শতো ঘটনা ঘটেছে তা বেহিসেবি সব।

যার সামান্য যন্ত্রণায় রুবাইয়্যাত অস্থির হয়ে যেতো,পাগলের মতো মেয়েকে বুকের উষ্ণতায় লুকিয়ে রেখে কপালে মমতায় চুমুর পর চুমু এঁকে দিতো।নিজের ব্যর্থতা বলে মেয়ের কাছে মাফ চাইতো বিকারগ্রস্তের মতো।সেই মেয়ে আজ
র/ক্তা/ক্ত দেহে নিথর পড়ে আছে। অচেতন, বেহুঁশ।রুবাইয়্যাত কীভাবে এই অবিচার সহ্য করবে?মাহিরের প্রথম করুন বর্ণনা শুনতেই চেতনা হারিয়েছেন তিনি। মেয়েটার ভীষণ কষ্ট হয়েছিল নিশ্চয়ই? আব্বুকে আম্মুকে মনে পড়েছিল খুব –যখন জানোয়া/রদের কবলে ছিল!ওরা কী করেছে কোমল মেয়েটার সাথে?

রাত ১২টা ০৩ মিনিট।জেলায় অবস্থিত হসপিটালে সুখকে জবাব দিয়ে দিয়েছে।হাল ছেড়ে দিয়েছেন ডক্টররা।অবস্থা ক্রিটিক্যাল।এর যথাযোগ্য চিকিৎসা নেই এখানে। ইমার্জেন্সি ঢাকায় নিতে হবে।

আযাদ শিকদার চলে যাচ্ছিলেন ঢাকা।সুখ হারানোর সংবাদে তড়িঘড়ি করে পুণরায় ফিরেও এলেন রংপুর। হেলিকপ্টারে নিয়ে যাওয়া হবে সুখকে।আযাদ ভাইয়ের বিধ্বস্ত অবস্থা দেখে রংপুর থেকে যেতে বলেন।বর্ণ আর মাহির তো আছেই;সাথে তিনিও থাকবেন। কিন্তু মেয়েকে ছেড়ে আর একদন্ডও নড়তে রাজি নন তামিজ শিকদার।

রুবাইয়্যাতকে এখানে রেখে যাওয়া সম্ভব নয়। বাচ্চা দের মতোন জেদ ধরে নিজের উপর আঘাত করছেন। মেয়েকে বুকের খাঁচায় জড়িয়ে ধরতে পাগলামি করে যাচ্ছেন। চোখের পানি ছেড়ে দিয়ে তামিজ শিকদারকে ঝাঁকিয়ে বার বার বলে গেছেন,

“ তুমি কথা দিয়েছিলে আমার মেয়েকে সুস্থ অবস্থায় আমার কাছে ফিরিয়ে দেবে। হ্যাঁ ,ফিরিয়ে তো দিয়েছো কিন্তু ওতো …
হুঁ হুঁ কেঁদে উঠেন রুবাইয়্যাত, “ তুমি কথা রাখতে পারোনি তামিজ।..মিথ্যেবাদী!”

হেলিকপ্টারে সুখকে নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাতে ৩টে পেরিয়ে যায়।হাতে ক্যানেল,মুখে অক্সিজেন মাস্ক। ভদ্র মেয়েটির মতো শান্তিতে চোখ বুজে আছে।যেনো কোনো তাড়া নেই,ভীতিও নেই। বক্ষস্থল উঠানামা করছে ধীরে ধীরে; ঠাহর করাও মুশকিল।শরীরে নীল পোশাক। মুখশ্রীতে লালচে, কালসিটে জখমের চিহ্ন এতোটাই যে –এটা সুখ,তা চেনায় উপায় নিতান্তই কম।

সারা পথ বর্ণ’র কোলেতেই ছিলো।পাথর হৃদয়ে গড়া নিষ্ঠুর পুরুষটিও আজ বহুদিন পর টের পেয়েছিলো তারও ভয়ে ভেতর বাহির কাঁপে। হৃদযন্ত্রটা তোলপাড় তুলে;যেনো এখুনি ঝড়ের তান্ডব এসে লন্ডভন্ড করে দিয়ে যাবে অন্তঃকরণ ।এই কাঁপুনি কীসের যের ধরে ওঠেছিল?বোবাফুলকে হারানোর!হয়তোবা…

..সুখ যদি আজ দেখতে পেতো তার শখের পুরুষ,শতো শতো রাত জেগে কল্পনায় আঁকা কল্পিত পুরুষ তাকে ছুঁয়েছে; দুহাতে জাপটে ধরে আলতো পরশে কোলেতে রেখে অতৃপ্ত নিয়ে কাতর চোখে চেয়ে থেকেছে –যেভাবে সুস্থ অবস্থায় সময় সময় সে তাকিয়ে থাকতো!কানের কাছে মুখ নিয়ে একবার চোখ মেলতে কখনো আদুরে স্বরে,কখনো বা হুঁশিয়ারি,কখনো কখনো ধমকে বলেছে –এ্যাঁই ফুল ওপেন ইউ্যুর আইস!
এসব কিছু স্বচক্ষে দেখার সৌভাগ্য-লাভ করলে
সুখের প্রতিক্রিয়া কেমন হতো?সুখাবেশ মাখা বিষ্ময়ে স্তব্ধ হয়ে যেতো;নাকি আকাশচুম্বী অভিমান নিয়ে প্রচন্ড অনিহায় মুখ ফিরিয়ে নিতো আসফিয়ান বর্ণ’র কাছ থেকে?

বর্ণ’র মস্তিষ্ক যেনো আজকের জন্য খানিক অকৃতকার্য।কতোই না বাজে অভিজ্ঞতা অনুশীলনে ছেড়ে দিয়েছে ফুল। ইতোপূর্বে সে কখনো ভাবতেও পারেনি –যেই ফুলেকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে সেদিন ভেঙে গুটিয়ে দিয়েছিল সেই ফুলকে জাগাতে একদিন তাকে উদ্ভ্রান্তের ন্যায় ছুটতে হবে দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে!
কোলে নিয়েই হসপিটালের অভ্যন্তরে ছুটলো বর্ণ। দুপাশ থেকে আযাদ এবং তামিজ ডক্টরকে ডাকছে।আগেই ইনফর্ম করা হয়েছিল হসপিটালে। তিনটে নার্স এসে স্ট্রেচারে করে সুখকে নিয়ে গেলো অপারেশন থিয়েটারে।তামিজ শিকদার একা ছাড়তে চাইছিলেন না একমাত্র কলিজা ছেঁড়া ধনকে। কিন্তু তা কী করে হয়?এটা নিয়ম বহির্ভূত!

মূল ডক্টর আসছিল না। বর্তমানে উপস্থিত দুজন ডক্টর ততোটা দক্ষ নয়।
তামিজ আর আযাদ শিকদার ছুটোছুটি করছেন।বর্ণ রিসেপশনের মেয়েটার কাছে উড়ে গেলো উদ্ভ্রান্তের মতো।পড়নে কালো শার্ট।তামিজ শিকদারের আহ্বান পেয়ে রেক হাতড়ে যেটা পেয়েছে সেটাই শরীরে জড়িয়ে তখন ছুটে বেরিয়ে এসেছিল।পরে আর পাল্টানো হয়নি।শুরুর দুটো বোতাম ছিঁড়ে কোথাও পড়ে গেছে খেয়ালে নেয়।লুশম যুক্ত বক্ষদেশ কিছুটা উন্মুক্ত। ঘর্মাক্ত ঘাড়। অনূভুতি শূন্য গম্ভীর মুখশ্রী।

রাত ৩টা ১২মিনিট। হসপিটাল প্রায় শান্ত ছিল খানিক আগেও। শিকদার বাড়ির তিন পুরুষের পদচারণায় ঘমঘমে হয়ে উঠেছে নিমেষেই।

“ ডক্টর কোথায় এখানের?”
বর্ণ’র চেঁচিয়ে বলা স্বরে রিসেপশনিস্ট খানিকটা ইতস্তত নিয়েই তাকিয়ে রইলো। মুখশ্রীটা চেনা চেনা লাগছিল তার। বর্ণ পুণরায় গর্জে উঠে কাঁচের ডেস্কে মুঠো বদ্ধ হাতে থাবা মারলো।

“ স্যার উত্তেজিত হবে না!যেই ডক্টর আসার কথা ছিল উনি এখন…

“ আসতে পারছেনা?”

রিসেপশনিস্ট মেয়েটা ইতিবাচক জবাব দিতেই দাঁতে দাঁত চেপে মুখের ভেতর দুটো শব্দ বিড়বিড় করে হাত বাড়িয়ে মেয়েটার চুলে আক্রমণ করতে চেয়েও দমিয়ে নিলো বর্ণ।
অপ্রত্যাশিত ঘটনায় আতঙ্কে মেয়েটা পিছিয়ে নিলো মুখ ।কিছু বলার আগে আর একজন মহিলা ডক্টর ছুটে এলো সেখানে।আই কার্ডে নাম জ্বলজ্বল করছে —ডক্টর আঁচল!তিনি কোন একটা নাম ধরে উক্ত ব্যাক্তিকে অবিলম্বে হসপিটালে আসার জন্য কল দিতে তাড়া দিলেন দ্রুত।

বদ্ধ রুম। আঁধারে পরিপূর্ণ চারপাশ। বেডে হাত-পা ছড়িয়ে শুয়ে আছে এক সুপুরুষ। ক্রমশ নিঃশ্বাস ভারী হয়ে আসছে। অর্থাৎ সময় বাড়ার সাথে সাথে ঘুম ভারী হচ্ছে।মাত্রই চোখ লেগে এসেছিল তার।সাইড বক্সে অবহেলিত পড়ে থাকা ফোনটা বোধহয় চোখের এই বিশ্রামটুকু মেনে নিতে পারলো না। স্বশব্দে বেজে উঠল ক্রিং ক্রিং…!লোকটার ঘুম পাতলা।অল্প আওয়াজেই ঘুমের দফারফা হয়ে যায়।কপাল কুঁচকে নিলো বিরক্তি মিশ্রিত ক্ষোভে। এদের জন্য একটু শান্তিতে চোখ বুজারও জো নেই!বাঁ হাতে কয়েক সেকেন্ড হাতটে ফোন এনে কানে চেপে ধরলো।ঘুম জড়ানো স্বরে চোখ বুজেই বললো,

“ ইয়েস?”

ওপাশ হতে চিরচিরে মেয়েলি স্বর ভেসে আসে,
“ ডক্টর মেহরাব!”

করিডোরে.. ও.টি’র বাহিরে উশখুশ মুখে এদিক ওদিক পায়চারি করছেন তামিজ। গলা শুকিয়ে আসছে আতঙ্কে।অল্প পানি গিলে গলা ভিজিয়ে আযাদ শিকদারকে পুণরায় পানির বোতল এগিয়ে দিলো।ও.টি থেকে ক্ষণে ক্ষণে একবার নার্স ছুটে বেরোচ্ছে ,তো একবার ডক্টর।আযাদ শিকদার উঁকি দিয়ে ভেতরে দেখতে চাইলেন। বেশিক্ষণ চেয়ে থাকার সাধ্যি হয়না।চোখ ছাপিয়ে জল ভরে আসতে চায়। তাদের সেই ছোট্ট সুখপাখি!যার মিষ্টি হাসি দেখে মনে হতো –এইতো পৃথিবীটাও হাসছে।যার উপস্থিতি, নিঃশব্দে মনের ভাব হাতের ইশারায় ফুটিয়ে তোলার দৃশ্য দেখলে ভার মনটা হালকা হয়ে যায় নিমেষেই।যে-ছিল শিকদার বাড়ির অন্যতম নক্ষত্র;সেই সুখ পাখিটা আজ হসপিটালের বেড়ে নিশ্চুপ ভাবনায় শায়িত। পাঞ্জা লড়ছে জীবন -মৃত্যুর!এ কেমন নিয়তি!বর্ণ এখানে নেই।

ডঃ আঁচলের সাথে ডঃ মেহরাব ছিলেন। সবুজ ইউনিফর্ম পরিধানে।মুখে মাস্ক। চোখদুটোই দেখা যাচ্ছিল কেবল।
বণ্ড পেপারে সাইন করে দিয়েছেন তামিজ শিকদার। বুকের ভেতরটা দুমড়ে মুচড়ে যাচ্ছিল সেসময়। হসপিটালের সাথে চুক্তি হয়েছে —আল্লাহ না করুক যদি সুখের সাথে খারাপ কিছু হয়ে যায়,যেনো হসপিটাল কিংবা ডক্টরকে দায়ী না করা হয়!
ও.টিতে প্রবেশের পূর্বে আশেপাশে নজর বুলিয়ে নেন ডঃ মেহরাব।বর্ণ তখন সামনে থেকে হেঁটে আসছিলো। কিয়ৎক্ষণের জন্য চোখাচোখি হয়। বর্ণ’র সুদৃঢ়, সূচালো ধূসর কালো মণিতে দৃষ্টি নিক্ষেপণ বেশিক্ষণ স্থায়ী হওয়ার আগে ডঃ ও.টিতে ঢুকে পড়েন!

রুবাইয়্যাতের সাথে আইজা আসতে গিয়ে পরে সিদ্ধান্ত বদলে নিলেন।বাড়িতে শাশুড়ি একা।উনাকে রেখে দুই বৌ-ই যদি বাড়ি ছাড়া হয় –বৃদ্ধা অসন্তোষ্ট হবেন। অগত্যা রুবাইয়্যাতের সাথে তুহফাকে পাঠালেন।সাইমা বুয়া প্রায় রুবাইয়্যাতের পা ধরে ফেলেছিলো। এক মূহুর্তের জন্য ভদ্রমহিলা থমকে গিয়ে বুয়াকে দেখছিলেন।পরে তাকেও সাথে যাওয়ার এজাজত দেন।অভ্রও এলো;তার আগে পিছের কোন বাঁধা নেই।
মাহির নিয়ে এলো তাদের।

হসপিটাল থেকে আযাদ শিকদারের ফ্ল্যাটে পৌঁছাতে দেড় ঘণ্টার মতো সময় প্রয়োজন পড়তে পারে। রুবাইয়্যাত,তুহফা এবং অভ্রকে ফ্ল্যাটে যেতে বললে রুবাইয়্যাত না করে দেয়। ভদ্রমহিলা আঁচলে মুখ গুঁজে কেঁদেই যাচ্ছে শুরু থেকে।তাকে সামলাতে তুহফাকে রেখে অভ্র’কে নিয়ে ফ্ল্যাটে চলে গেলেন আযাদ।সাইমা বুয়াও যায়নি।সে রুবাইয়্যাতের পাশে বসে তাকে স্বান্তনা দিচ্ছে।

ঘড়ির কাঁটা ধরা ৫টা ৬মিনিটে ডঃ বেরিয়ে এলে রুবাইয়্যাত ছুটে আসে। অশ্রুসিক্ত চোখে অবর্ণনীয় উৎকণ্ঠা। বুয়ার কাঁধে মাথা ঠেসে প্রায় চোখ লেগে এসেছিল তুহফার।মেয়েটাও কাঁদেছে প্রচুর।চোখ দুটো ফোলে উঠেছে র/ক্তিম হয়ে।বুয়া ডেকে দিলো তাকে।

তামিজ শিকদার ভয়ার্ত গলায় জানতে চাইলেন,
“ আ_আমার আম্মা…

কন্ঠরোধ হয়ে আসে তার। ডঃ মেহরাব মাস্ক খুলে ফেললেন একহাতে টেনে। ঘনকালো চোখের মণি দুটো গম্ভীর। উজ্জ্বল শ্যামা মুখশ্রীতে আভিজাত্য বিরাজ করে।একপল ক্রন্দনরত রুবাইয়্যাতকে দেখে চাপা দীর্ঘ শ্বাস ফেলে পাশে থাকা ডঃ আঁচলকে কিছু একটা ইশারা দিয়ে তিনি চলে গেলেন জায়গা ছেড়ে।

বর্ণ দূরেই দাঁড়িয়ে। চোখদুটো র-ক্ত লাল।ঘাড় মালিশ করছে ক্ষণে ক্ষণে। ডঃ আঁচল প্রথমেই জানতে চাইলেন,

“ জানতে পারি এসব কীভাবে ঘটলো?”

বলার ফাঁকে গলা ধরে আসছিল তামিজ শিকদারের।একে একে সবটা বিশদভাবে ব্যাখ্যা করলেন।সুখকে কোথায় কোন অবস্থায় পেয়েছিল। সব শুনে আঁচল রুবাইয়্যাতের দিকে চাইলেন ভরাট চোখ।

“ আপনি কাঁদছেন? আপনার তো একজন সাহসী মেয়ে আছে বলে গর্ব বোধ করা উচিত — যে কীনা নিজের সম্ভ্রম রক্ষা করতে জীবনটাও দিয়ে দিতে প্রস্তুত!”

#চলবে🥀
[যান,আপনাদের কারো কারো আকাঙ্ক্ষিত মেহরাবকে বরণ করে নিন।
.
পেইজের রিচে রেড লাইট জ্বলে। সাইলেন্ট রিডার্সদের পড়া শেষে রেসপন্স করার অনুরোধ।ভুল ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here