আমার_বোবাফুল(০৯) #তৃপ্তি_এহসান_নাওরা

0
73

#আমার_বোবাফুল(০৯)
#তৃপ্তি_এহসান_নাওরা

“ খুশি হচ্ছিস কেনো?আমি কিন্তু তোকে ভালোবাসবো না ”

কানের গোড়ায় বর্ণ’র আকম্মাৎ ফিসফিসিয়ে বলা কথায় সুখ প্রতিক্রিয়া হারায়। ফ্যালফ্যাল করে হতবুদ্ধির ন্যায় চেয়ে রয়।

পুরুষটির সাথে তার কথা বলতে ইচ্ছে নেই, কিন্তু উনার ভুল ধারণাটা তো ভেঙে দিতে হবে?হাস্য হীন মুখে অনিচ্ছা সত্ত্বেও ইশারায় জানতে চাইলো সুখ,

“ আমার খুশি অখুশি আপনি কীভাবে বুঝলেন?”
“ মুচকি মুচকি হাসছিলিস না? ”

অত্যাধিক হতভম্বে চোখ পাকিয়ে আসে সুখের।আনমনে হাত চলে যায় ঠোঁটে। সেথায় আলতো ছুঁয়ে ছুঁয়ে পরখ করে দেখে -ঠোঁট তো সরেনি। স্থির আছে।তবে বর্ণ ভাইয়ের এমন উক্তির কারণ?সে ইশারায় প্রশ্ন করলো,

“ আমি কবে হাসলাম?”
“ সেটা তুই না বুঝলেও আমি ঠিকই বুঝেছি!’’

বর্ণ’র ঠোঁট বাঁকানো নিঃশব্দ, নিসংকোচ হাসি।
সুখ আশ্চর্য না হয়ে থাকতে পারলো না। নিষ্ঠুর মানব কীভাবে হাসছে দেখো!তার সাথে সেদিন এতো বাজে ব্যবহার করার পরো এতোটা স্বাভাবিক? চোখে মুখে নেই কোন অপরাধ বোধ,নেই কোন অনুশোচনা। চক্ষুলজ্জাটাও ক্ষুয়েছে নাকি?

কিন্তু তার তো আছে –লজ্জা, আত্মসম্মান বোধ।মিশ্মির সাথে বিয়ে ভেঙ্গেছে তাতে কী।সেতো দ্বিতীয় বার ভালোবাসা ভিক্ষে চাইতে যাবে না এই পাষণ্ড পুরুষের দোয়ারে।না তার পক্ষ হতে কোন প্রকার ভালোবাসা পাওয়ার আশা রাখবে।

যে মানুষটি একবার মুখের উপর প্রত্যাখ্যান করে সুখের সুপ্ত অনুভূতির অপমান করে পায়ে পিষেছে;চোখের সামনে তার হৃদয়ের একেকটা অব্যক্ত অনুভূতি ফুটিয়ে তোলা চিরকুট খন্ড বিখন্ড করে ছুঁড়ে ফেলেছে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে;সে বার বার এমনই করবে। সুখের এখনো সেই দৃশ্য চোখের তারায় ভাসলে চিৎকার করে কাঁদতে ইচ্ছে করে। অন্তঃস্থলের অভ্যন্তরে হুঙ্কার উঠে “এই সুখ আর কখনো বর্ণকে ভালোবাসার কথা বলতে যাবে না! ভালোবাসার কোন অধিকারই যে তার নেই!”

সুখ শক্ত মুখে দুহাত বুকে বেঁধে অন্যত্র নজর ফেরায়।সে তাকাবেনা ওই ধূসর কালো মণি চোখের ক্ষুরধার দৃষ্টিতে।না মনের দূর্বলতা প্রকাশ করবে নিজের।

হ্যাঁ,সে এখনো ভালোবাসে বর্ণকে। ভীষণ ভীষণ ভালোবাসে।হয়তো আজীবন নিরবে ভালোবেসেও যাবে। কিন্তু বিনিময়ে আর দ্বিতীয় বার ভালোবাসা খুঁজতে যাবে না।কক্ষনো না। অপমানিত হতে তার খুব ভয় লাগে। নিজেকে তখন পৃথিবীর সবচেয়ে নিকৃষ্ট প্রাণী মনে হয়।

বর্ণ ভ্রু গুটিয়ে গালের ভেতরে জিভ নেড়েচেড়ে দ্রুত কদমে সিঁড়ি পার করে উপরের উদ্দেশ্যে হাঁটা ধরলো।বোবাফুল তার সাথে কথা বলতে অনিহা দেখাচ্ছে?তার সাথে?এটা কী অভিমান?সেতো অভিমান ভাঙাতে অভ্যস্ত নয়।এসব তার ক্যারেক্টারের সাথে যায়..ও না!

সুখ কক্ষে এসে ধফ করে বিছানায় বসে পড়লো। মনটা অন্যমনস্ক হয়ে আছে। থুতনিতে হাত ঠেসে রমণী অদৃশ্যে চেয়ে রয় অল্পক্ষণ। অযথাই হৃদয় ছটপট করছে। সত্যিই ভেতরে ভেতরে সে প্রফুল্ল। বর্ণ ভাই বিয়ে ভেঙে দিয়েছে। পুরুষটি তার না হলেও আপাতত অন্য কারো হয়ে যায়নি চিরতরে।এই ভেবে মনে প্রজাপতিরা ডানা ঝাপটে উড়ছে যেমন।

অজান্তেই ঠোঁটের কোণে মুচকি হাসি ফুটে সুখের। পরপরই ধরাম করে বেডে গা ভাসিয়ে দেয়।সেতো খুশি টুকু ভেতরে ভেতরে হয়েছিল কিন্তু বর্ণ কীসব বলে গেলো তখন!

“ এই সুখ তুমি এখনো ফ্রেশ হওনি?”
ভেতরে প্রবেশকালে অবাকতার স্বরে বলে উঠলো নূরা।সুখ তড়িৎ ঘাড় উঁচিয়ে চাইলো।মুখে অসন্তোষ ফুটিয়ে তৎক্ষণাৎ দরজার দিকে আঙুল তাক করে বুঝালো কঠোর মুখাবয়বে,

“ এখনি বের হও।আর অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করো!”

বাচ্চা মেয়েটার মুখ চুপসে আসে।থেমে গেলো পথিমধ্যেই।সুখ সব সময় এমনই করে। কিন্তু তার এসব অনুমতি নিতে ভালোলাগে না। অনুমতি চাইলে যদি উত্তর ‘না’ হয়।মান সম্মান সব শেষ।

“ আমি তো ছোট। অনুমতি নিয়ে কী করবো?”

“ ছোট হোক বা বড়!কারো জিনিস ধরার আগে অথবা রুমে প্রবেশের আগে অনুমতি চেয়ে নেওয়া জরুরি।যাও.. আর অনুমতি নাও”

সুখ নিজের মনের ভাব হাতের ইশারায় বুঝিয়ে দিলেও নূরা সবকিছু পুরোপুরি ভাবে বুঝতে অক্ষম হলো।তবে এটুকু বুঝলো -তার অনুমতি নিতেই হবে!সে গোমড়া মুখে দরজার বাইরে গিয়ে দাঁড়ায়।মিইয়ে যাওয়া স্বরে জানতে চাইলো,

“ অসুখ.. আসবো?”

সুখের ঠোঁটে অদৃশ্য হাসি খেলে গেলো। গাম্ভীর্য মুখে ডান হাত উঁচিয়ে তর্জনী এদিক ওদিক নাড়িয়ে অস্ফুট স্বরে বলল “আ..আ”! যার অর্থ ‘না’ নূরা অনুমতি পায়নি। সঙ্গে সঙ্গে ছটপটে কন্ঠে তেতে উঠল সে,

“ এজন্য আর অনুমতিই নেবো না। যখনই দরজা খোলা পাবো মন চাইলে ওমনিই ভেতরে ঢুকে পড়বো।দেখে নিও”

ঠোঁট এলিয়ে হুট করে হেসে ফেললো সুখ।হাত উঁচিয়ে এবার আসার জন্য অনুমতি দেয়।নূরা ধুপধাপ পা ফেলে বেডে এসে বসলো সুখের কাছাকাছি।

“ চাচ্চু তোমায় ডাকছে!”

হঠাৎ কিছু মনে পড়ার মতো চোখ পাকিয়ে মাথা ঝাঁকালো সুখ। আব্বুর সাথে তেমন একটা কথাই হয়নি কাল থেকে।সে উঠে গেলো বেড ছেড়ে। কাভার্ডের দিকে ছুটে গিয়ে জামা নিতে নিতে নূরাকে বুঝালো,

“ ব্যাস,এখনি চেঞ্জ করে নিচ্ছি। তারপর যাবো!”

“ ফোনটা দাওনা সুখপাখি”

কী দারুণ আবদার।সুখ এবার বুঝে গেলো নূরা ‘চাচ্চু ডাকছে’ খবরটা দেওয়ার চেয়ে বেশি ফোনের আশায় এসেছে। দুধারে মাথা ঝাঁকিয়ে বালিশের নিচ হতে ফোন তুলে তার হাতে দিয়ে বাথরুমে ঢুকে গেল সুখ।গরম লাগছে প্রচুর।গোসল না দিলেই নয়।

নূরা মুখ কুঁচকে ঠোঁট উল্টে গেইম খেলা স্ট্যার্ট করে। এই একটা ফোল্ডার ছাড়া বাকি সব লক করা।তাও ভালো।তুহফা,অভ্র তো নিজেদের ফোন-ই ধরতে দেয়না।

আর বর্ণটা?মুড ভালো থাকলে কতো সুন্দর করে কথা বলে।অন্যথায় ধমকে ধামকে কলিজা নড়বড়ে করে দেয়।

সেদিন অপরাজিতা ফুল ছিঁড়েছিল নূরা।গাছটা বর্ণ’র পছন্দ অনুযায়ী মাহির এনে লাগিয়েছে গার্ডেনে।
ফুল ছেঁড়ার অপরাধে দুঘন্টা যাবৎ টাটকা রোদে দাঁড় করিয়ে রেখেছিল। রৌদ্রের তীর্যক রশ্মি সহ্য করতে না পেরে সে কেঁদেছিল। ফর্সা মুখশ্রী রক্তাভ বর্ণ ধারণ করেছে।টোকা দিলেই রক্ত ঝড়বে যেমন।ক্রন্দনরত গলায় বার বার মাফ চেয়ে নিচ্ছিল কিন্তু পাষাণ বর্ণ কানে নেয়নি তার আকুতি।ছায়ায় বসে তৃপ্ত চোখে তার কান্না দেখে গেছে।যেনো চোখের আর মনের তৃষ্ণা মিটাচ্ছিল নূরা’র চোখের পানিতে।

বাড়ির প্রতিটি সদস্য হাজির হয়েছিল সেদিন।আইজা ছুটে নূরার কাছে যেতে চাইলেই কেমন উগ্র হয়ে উঠে বর্ণ। চোখের দৃষ্টি পাথুরে।মণিদ্বয় টকটকে লাল।সেই প্রথম বারের মতো আইজা’ ভয় পেয়েছিল ছেলের আচরণে। কেমন হিংস্র কন্ঠে বলছিল হিসহিসিয়ে,

“ ভুল তো ভুলই!সেটা ছোট হোক বা বড়; সামান্য কিংবা অসামান্য। অপরাধ করেছে শাস্তি তো পেতেই হবে।”

আশ্চর্যজনক ব্যাপার হলো বর্ণ তার কিছুক্ষণ পরেই আবার তার সামনে হাঁটু গেড়ে বসেছিল আচমকা। কেমন অসহায় চোখে দুহাতে কান ধরে নূরার কাছে ‘স্যরি’ বলছিল।মুখে গলায় হাত বুলিয়ে জানতে চাইছিল উম্মাদের মতো,

“ উত্তপ্ত রোদে শরীর অনেক জ্বলছে না? বর্ণ বুঝতে পারেনি তার পাকনির কষ্ট হবে। স্যরি!তুই চাইলে আমিও এই রোদে দাঁড়িয়ে সুদ বুদ করে দিতে পারি”

নূরার বাচ্চাসুলভ মন।একটু ভালোবাসা, একটু মমতা পেলেই তারা গলে যায়। পূর্বের জমায়িত দুঃখ, অভিমান ভুলে যায় নিমেষেই।সেদিন সে বর্ণকে ক্ষমা করেছিল।আর এটাই ছিল বর্ণ’র উগ্র ব্যবহারের প্রথম দিন।

ঘটনাটা ঘটেছে আজ থেকে প্রায় বছর খানেক আগে।আইজা সেদিন নির্বাক চোখে ছেলেকে দেখে গেছে।সবার ছোট হওয়ায় সুবাদে নূরা সকল ভাই বোনের চোখের মণি।এমন একটা সময় ছিল রোদে গেলে নূরার ত্বকে সমস্যা হবে বলে বাড়ি থেকে বের হতে দিত না।মাটিতে হাঁটলে পায়ে ব্যাথা হবে দেখে ঘন্টার পর ঘন্টা আইজাকে কোলে নিয়ে বসে থাকতে বাধ্য করতো বর্ণ।অনেক সময় নিজেও নিতো।যাকে সে নিজের চেয়েও বেশি ভালোবাসে সেই ছোট্ট নূরার প্রতি এতোটা রুড় আচরণ কীভাবে করতে পারে বর্ণ?

গাড়ির চাকা চলছে নিজ গতিতে।ধরনী অন্ধকারে। ধূসর রঙা মেঘলা আকাশে গুটি কয়েক নক্ষত্র দৃশ্যমান।গাড়ির জানালায় হাতের কুনুই ঠেকিয়ে বাহিরে দৃষ্টি নিবদ্ধ করে আনমনে তাকিয়ে রইলো মিশ্মি।ক্ষণে ক্ষণে ভারী নিঃশ্বাসের শব্দ ভেসে বেড়াচ্ছে।গায়ে সেই বিয়ের পোশাক।কোলের উপর স্থান প্রাপ্ত হাত মুঠো বদ্ধ। দাঁতে দাঁত খিচে রয়েছে। মস্তিষ্ক তার বিক্ষিপ্ত।সময়ের সাথে সাথে রাগের বহর বেড়ে চলছে থরথর। সবকিছু জ্বালিয়ে দেয়ার বাসনা জাগছে। হাজারোধিক মানুষের সামনে বর্ণ আজ তাকে যতটা অপমান, অপদস্থ করেছে। জন্মের পর থেকে এই অব্দি কেউ এমন করেনি।এই অপমান তাকে দ্বিগুণ ফিরিয়ে দিতে হবে, নয়তো বর্ণকে তার হতেই হবে।

পাশ থেকে সামিয়া সময় সময় রাগি চোখে মেয়েকে দেখছে।আজ শুধু মিশ্মির নয়, তাদেরও চরম অপদস্থ হতে হয়েছে।এসবের পেছনে কোথাও না কোথাও তাদের নিজের মেয়েই তো দায়ি!

সুখ যখন তামিজ শিকদারের রুমে ঢুকলো তখন হানিফা বেগম সেখানেই উপস্থিত। এতো দিন ছেলে দেশের বাইরে ছিল। কেমন কেটেছে,ভালো মন্দ জানতে এসেছিলেন। সুখকে দেখেই আড়চোখে চেয়ে মুখ বাঁকান। এখন নিশ্চয়ই তামিজ ওই মেয়েকে কাছে টেনে নেবে!এই রুমে যে তিনিও আছেন -এক মূহুর্তের জন্য সেটাই ভুলে যাবে। বৃদ্ধার ধারণা কিছুটা সঠিক হলো।সুখকে সহাস্যে কাছে ডাকলেন ভদ্রলোক,

“ আম্মা.. তোমার অপেক্ষায় ছিলাম!কাছে এসো!”

সুখ প্রফুল্ল মনে বাবার নিকটে ছুটে যায়। ঝাঁপ্টে ধরে চোখ তুলে তামিজ শিকদারের মুখশ্রী দেখার চেষ্টা করলো।

“ আমার আম্মাকে যে কতোবার মনে পড়েছিল!খেয়াল আছে?”

সুখ ঠোঁটে হাসি ঝুলিয়ে দ্রুতবেগে মাথা দুলানোর ফাঁকে সোফায় বসা হানিফা বেগমের ঠোঁট কুঁচকানো রক্ষ মুখের দিকে নজর যেতেই খানিকটা চুপসে গেলো। পরপরই তামিজ শিকদারকে চোখের ইশারায় সেদিকে দেখিয়ে দিলো। ভদ্রলোক তাকিয়েই দেখতে পেলেন মায়ের ক্ষিপ্র দৃষ্টি।খানিক থমথমে হয়ে এলো তার মুখ, আমতা আমতা করে বলল,

“ আপ_নাকেও মনে পড়েছে!”

“ থাক আর ঢং করতে হইবো না।ওই মাইয়ারে নিয়াই পইরা থাক।আম্মা আম্মা ডাইকা গলার পানি শুকাইয়া কাট কইরা পালা।আমি কে?বুড়ি একটা।পারলে নিজের জন্মের ক্রেডিট না কী কয়?ওইটা ওরেই দিয়া দে..”

বলতে বলতে অসন্তোষ মেজাজে তিনি বেরিয়ে এলেন কুঁড়া পায়ে ধীর লয়ে।বয়স বেড়েছে। শিরদাঁড়া সোজা রেখে শক্ত পায়ে হাঁটতে অসুবিধা হয়।

তামিজ শিকদার পিছু থেকে মাকে যেতে নিষেধ করার নিয়তে হাত তুলে ফের মেয়ের দিকে তাকালেন আহত নজরে।সুখের আঁখিদ্বয় টলমলে।বাবাকে শক্ত বাঁধনে ধরে রাখা হাত আলগা হয়ে আসে আপনাআপনি।

“ কাঁদে না আম্মা!বার বার বলেছি না দাদুর খারাপ কথাগুলো গায়ে না মাখতে?তুমি তো জানোই উনি তোমায় কষ্ট দিতেই এসব বলে?”

গাল বেয়ে টুপ করে অশ্রু গড়িয়ে পড়ে সুখের। ভদ্রলোক বিচলিত হাতে পানি মুছে দিয়ে মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে দেন পরম আদরে।হাতের ইশারায় আপন ভাষা প্রয়োগে সুখ বললো তখন,

“ আমাকে আর আম্মা বলে ডেকো না!”

শাশুড়িকে রুমে রেখে রুবাইয়্যাত গিয়েছিল কিচেনে। পুণরায় ফিরে এলেন নাস্তার ট্রে হাতে। কিন্তু দরজায় এসে শাশুড়ির দেখা পেলেন না।পেলেন মেয়ের অশ্রুসিক্ত চোখ আর তার নিঃশব্দ কথাটি।

টিচার আসতেন বাসায়।সাইন ল্যাঙ্গুয়েজ আয়ত্ত করতে সুখের পাশাপাশি উনারাও যথেষ্ট চেষ্টা করেছেন পূর্বে। তাই সুখের ইশারা বুঝতে খুব একটা কষ্ট হলো না। মুখে একরাশ তিক্ততা নিয়ে রুবাইয়্যাত কাছে এগিয়ে এলেন।সুখের প্রতি শাশুড়ির এই আচরণ সহ্যসীমা পার করে যাচ্ছে দিন দিন।

#চলবে🕊️
[বর্ণ’র কী অন্যের চোখের পানি পছন্দ?তার এমন উগ্র ব্যবহারের কী কারণ থাকতে পারে রিডার্স?]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here