আমার_বোবাফুল(১৩) #তৃপ্তি_এহসান_নাওরা

0
71

#আমার_বোবাফুল(১৩)
#তৃপ্তি_এহসান_নাওরা

সুইমিং পুলের কালচে সবুজ জলে সূর্যের রশ্মি ঠিকরে পড়ে মুক্তর ন্যায় দীপ্তি ছড়াচ্ছে।তার পাশ ঘেঁষে মূল ফটকে যাওয়ার সরু পথ। আবার তার সামনেই শিকদার বাড়িটি দাম্ভিকতার সাথে অভিযোগ বিহীন দণ্ডায়মান। শুভ্র এবং বাদামি আস্তরণে আবৃত বাড়িটি মোট পাঁচ তলা।পুল থেকে বাড়ির দিকে এক নজরে লক্ষ্য করলে দেখা যায় প্রতিটি ব্যালকনির রেলিং ভেদ করে সবুজ ফুল গাছের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র লতা বেয়ে পড়ছে। চোখ জুড়ানো অদ্ভুত এক দৃশ্য।

সুখদের ফিরতে দেখে রুবাইয়্যাত নিজের হাতে ঠান্ডা লেমন জুস তৈরি করছেন। উত্তপ্ত গরম থেকে ফিরছে তারা। ঠান্ডা পানীয় পান করলে ভালো লাগবে।রোজ কাজটা হয়তো তিনি , নয়তো সাইমা বুয়া করে থাকেন,অথবা যেকোনো পরিচারিকা ।বুয়া এ বাড়ির একজন বিশ্বস্ত। পরিবারের একজন অলিখিত সদস্যও বলা যায়।কেননা তিনি এবাড়িতে আছেন বিগত উনিশ বছর ধরে।

সুখকে অতিরিক্ত আম্মা সম্বোধন করার জন্য যদিও রুবাইয়্যাত উনার প্রতি কিঞ্চিৎ বিরক্ত। রুবাইয়্যাত চাননা একমাত্র মেয়েকে তার মতো মমতায় অন্যকেউ সম্বোধন করুক। এতে মনে মনে হিংসে হয়।এই বুঝি মেয়ে তার কাছ থেকে দূরে সরে গেলো।কিন্তু তিনি কখনো নিষেধও করেনি।হয়তো বুয়ার আপন কোন সন্তান নেই বলেই এ বাড়ির ছেলে মেয়েদের নিজের ভাবেন।

আপন মর্জিতে চলার পথে তুড়ির শব্দ কানে বাজতেই থেমে গিয়েছিলো বর্ণর পদযুগল।সজাগ মস্তিষ্কে সেকেন্ড কয়েক স্থির থেকে ভ্রু আড়াআড়ি করে পিছু ঘুরে তাকালো হঠাৎ।সুখ হাস্য রস হীন শীতল চোখে তাকিয়ে।পরপরই বর্ণকে ডিঙিয়ে যেতে যেতে হাতের ইশারায় বুঝিয়ে দিলো একটি বাক্য।

“ আমি মেইড নই!”

বর্ণ’র নজর তীর্যক হয়।মসৃন টানাটান কপালে ভাঁজ পড়ে।সেও সমানে সুখের পাশাপাশি এগিয়ে যেতে যেতে ব্যঙ্গাত্মক সুরে বললো,

“ তাহলে আমায় কী ভেবেছিস?নিজের প্র্যাকটিস, সকল কাজ পেছনে ঠেলে তোকে সারা শহর ঘুরিয়ে আনলাম।আমি তোর ড্রাইভার?”

“ আমি কী একবারও বলেছি –রকস্টার সাহেব আসুন.. আমাকে শহর ঘুরিয়ে দেখান?”

ইশারায় মনের ভাব বুঝিয়ে দিয়ে ক্ষান্ত হলো সুখ। বিপরীত মানুষটি বুঝলো কী না কে জানে?নিজ থেকে সেধেঁ সেধেঁ সব করে এখন তার উপর দোষ চাপানোর কী মানে?

“ একা একা ওই রাস”কেলের সাথে দেখা করতে কেনো গিয়েছিলি? সঠিক সময়ে না পৌঁছালে আজ… ”
বর্ণ’র স্বর কিছুটা কঠিন,রুক্ষ অথচ গম্ভীর শুনালো।যার গহীনে রূপম নামের ওই কীটের জন্য উপচে পড়া সীমাহীন রাগ।

পায়ের গতি থেমে থাকেনি কারো। মৃদু মন্দ আওয়াজ তুলে এগিয়ে চলছে উভয়েই।সুখ জবাব দিলো না। মৌন রয়।এরি ফাঁকে থার্ড ফ্লোর পার করে ফোর্থ ফ্লোরের করিডোরে উঠে এলো তারা।

প্রত্যুত্তর না পেয়ে পুণরায় বর্ণ’র চোয়াল শক্ত হলো ।সুখের নিকটে চলে এলো সে। হিসহিসিয়ে বললো দাঁতে দাঁত চেপে,

“ কিছু বলছি তোকে?ওর মতলব ভালো নয় জেনেও কেনো গিয়েছিলি একা?”

সুখ থেমে গেলো হঠাৎ। অতঃপর ব্যাগে হাত চেপে ধীর লয়ে ঘাড় বাঁকিয়ে চাইলো তার দিকে।এক বুক সাহস সঞ্চয় করে প্রথম বারের মতো সামনাসামনি দাঁড়িয়ে চোখে চোখ রাখলো। অদ্ভুত ভাবে বর্ণ টের পেলো তার বুকটা যেনো ধ্বক করে উঠলো। চিনচিনে সুক্ষ্ম একটা ব্যথা হানা দিলো অন্তঃপুটে। কিন্তু এর কারণ কী হতে পারে?সুখের নির্লিপ্ততা?

সুখ সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে ভুললো না আজ। বুকের নিঃশব্দ হাহাকার ধামাচাপা দিয়ে বর্ণ’র নিষ্ঠুর পাষণ্ডের মতো বলা সেদিনের কথা অনুযায়ী হাতের ইশারায় জবাব দিলো তাচ্ছিল্য হেসে,

“ আপনিই তো সেদিন বলেছিলেন এই সুখ জন্ম পরিচয় হীন,আশ্রীতা?তার কিছু হয়ে গেলে কার কী যায় আসবে?”

কক্ষে এসে স্তব্ধ প্রতিক্রিয়ায় বেডে গাঁ এলিয়ে দিলো বর্ণ। এতোক্ষণে তার শাওয়ার সেরে কফি হাতে ব্যালকনিতে গিটার নিয়ে বসার কথা। অথচ সে করিডোর হতে থমকে আসা পদোচ্ছাপে কোনরকম রুমে এসে থেমেছে।আনমনা দৃষ্টি। চারদেয়ালের গুমোট পরিবেশটা নিতান্তই অসহ্যকর ঠেকছে আচমকাই।বুকের ভেতরটা অস্থির অস্থির লাগছে কেনো? বোবাফুলের কথাটায় এতোটা অস্বস্তিই বা কেনো হচ্ছে?
সেতো তাকে ভেঙেচুরে গুঁড়িয়ে দিতে চেয়েছিলো। যেভাবে স্বচ্ছ আয়না অসামান্য আঘাতে ঝরঝর করে ভেঙে চুরমার হয়।অদৃশ্য জখমে ক্ষতবিক্ষত করে দিতে চেয়েছিলো তার কোমল হৃদয়।যেনো শুধু সে নয় দ্বিতীয় কাউকেও ভালোবাসি বলতে রূহ কাঁপে শঙ্কায়।দেহ অবশ হয়ে আসে। হৃদয় নিথর হয়ে যায়।সেতো সফলও হয়েছিল।সুখের ছোট্ট ভীত,হৃদয় খন্ড বিখন্ড করে দিতে পেরেছে।তবে আজ ফুলের নির্লিপ্ততা, তাচ্ছিল্য ভরা কথায় তার অন্তর কেনো হাঁসফাঁস করছে?

ট্রেতে কফি এবং জুস দুটো সাথে নিয়েই এলো সাইমা বুয়া।যেটা ইচ্ছে সেটা খাবে।সুখ আসেনি। অথচ বর্ণ তাকেই আশা করেছিল। পরপরই নিজের প্রত্যাশায় নিজেই অবাক হলো।হঠাৎ মনে পড়ে –সে-ই তো সেদিন বোবাফুলকে তার রুমের ত্রিসীমানায়ও ঘেঁষতে বারণ করেছিল।তাই বলে মেয়েটা ফিরেও তাকাবে না আর?সব ভালোবাসা শেষ?

“ বর্ণ আব্বা.. এখানে থুইয়া গেলাম।খাইয়া নিয়েন।আর কিছু লাগবো?আইনা দিবো?”

টি টেবিলের ট্রে রাখতে রাখতে সাইমা বুয়া অকপটে বলে গেলো কথাগুলো।বর্ণ গলা খাঁকারি দেয়। ফোঁস করে শ্বাস ফেলে উঠে দাঁড়ায় বেড ছেড়ে।

“ নো..আর কিছু লাগবে না বুয়া.. তুমি এখন যাও!”

হাঁটুতে মুখ গুঁজে রুমে দোর আটকে বসে রইলো সুখ। এতো দিন কঠোর প্রতিজ্ঞায় দমিয়ে রাখা মনটা আজ আবারো বিষন্ন হয়ে উঠেছে অযথাই।বুক ভার হয়ে আসছে। পুণরায় কান্না পাচ্ছে কী?

দুপুর বেলা সবাই লাঞ্চ করলেও সে যায়নি টেবিলে।রামসা দুবার ডেকে যাওয়ার পরেও না। অগত্যা খাবার প্লেট নিয়ে রুবাইয়্যাত এলো মেয়ের কাছে।

“ কী হয়েছে আমার আম্মার?কলেজ থেকে ফেরার পর থেকে এমন বিষন্ন কেনো দেখাচ্ছে?”

কলেজের ঘটনাটা চুপে গেলো সুখ।আম্মু আবার টেনশন করবে। মুখ গুঁজ করে বুঝালো অন্যকথা,

“ কলেজে যেতে ইচ্ছে করেনা।সবার মাঝে নিজেকে বুড়ি বুড়ি লাগে?”

রুবাইয়্যাত না চাইতেও হেসে ফেললেন,–

“ ব্যাস এই ব্যাপার? একজন মেয়ের জীবনে সবচেয়ে ইম্পর্ট্যান্ট মানুষ তিনজন –মা ,বাবা আর স্বামী। পৃথিবীর বাকিরা যা বলবে বলুক আমার আম্মা আমাদের কাছে সেই ছোট্ট সুখ পাখি।যে আমাকে মাতৃত্বের সাধ গ্রহণের সুযোগ দিয়েছে। ছোট্ট ছোট্ট হতে আমার চোখের জল মুছে দিয়ে ঠোঁটে হাসি ফুটিয়েছে। গুটিগুটি পায়ে পিলপিল ছুটে বেড়িয়েছে পুরো বাড়ি।”

‘মা বাবা ডাকতে প্রতিবার ব্যর্থ হয়ে কেঁদে কেঁদে বুক ভাসিয়েছে সময়ের পর সময়’ –কথাটা গলায় এসে আটকে গেলো তার।চোখ জল হয়ে ঝরে আসার আগে ঠোঁটে হাসি ফুটিয়ে মেয়েকে কাছে টেনে নিলেন। অনেক বড় বড় ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়েছিলেন তারা সুখের কন্ঠে কথা ফুটাতে। আজও তারা ব্যর্থ।

পরদিন শুক্রবার থাকায় ক্ষুদে সদস্যদের স্কুল, কলেজ, ভার্সিটি অফ। বর্ণ’ও বেরোয়নি বাড়ি থেকে।তামিজ শিকদার এবং আযাদ শিকদারও বাড়িতেই আছেন।সকালের ব্রেকফাস্ট টেবিল ছেড়ে একে একে উঠে গেলো সকলেই।মেইড রামসা এবং সাইমা বুয়া টেবিল পরিষ্কার কার্যে নিয়োজিত হলো। রুবাইয়্যাত আর আইজাও তখন বেরিয়ে এলেন রান্নাঘর থেকে। আপাতত আর কোন কাজ নেই সেখানে।

তামিজ,আযাদ সাহেব ড্রয়িং রুমে এসে বসলেন। পরপর হানিফা বেগম আর অভ্রও এলো। বর্ণ উপরে যাওয়ার লক্ষ্যে সিঁড়ির কাছাকাছি যেতেই তামিজ শিকদার ডাক ছুড়লেন,

“ বর্ণচোরা.. কোথায় যাস!বোসনা আমাদের সাথে!”

সে থেমে গেলো তখনই। অল্পক্ষণ চুপ থেকে পা উল্টো চালিয়ে সবার মাঝে এসে বসলো। মুখশ্রী যথেষ্ট গম্ভীর।পড়নে গ্রিন টি শার্ট। হাঁটু পর্যন্ত প্যান্ট।গলায় চেপে আছে হেডফোন।

তামিজ শিকদারের সাথে তার গলায় গলায় ভাব। বয়সের বিস্তর ফারাক থাকলেও চাচা-ভাতিজা পরষ্পরের নিকটের বন্ধু বললেই চলে।বর্ণ একপ্রকার তামিজ শিকদারের নেওটা সেই ছোট থেকেই।

এমন ছুটির দিনে পরিবারের সকলে একত্রিত হলে ছোট বড় সকলেই ক্রিকেট অথবা ফুটবল খেলায় নেমে পড়ে। ইদানিং যে যার কর্তব্যে ব্যস্ততায় অনেকদিন ধরে খেলা হয়ে উঠে না।অভ্র কথাটি তুলতেই নূরা লাফিয়ে উঠলো।

“ ইয়ে.. আমি বাবার পক্ষে আর বর্ণ’র পক্ষে!”

অভ্র মাথায় গাট্টা দিলো,
“ ওরা দুজন প্রতিদ্বন্দ্বী বোনটি!”

বর্ণ নাকচ করে দেয়।ঘুম হয়নি রাতে।আজ বেলা দুটো পর্যন্ত ঘুমাবে। কিন্তু তামিজ শিকদার মেকি ধমকে উঠলেন,

“ বহুদিন পর সবাই একত্রিত হয়েছি।একটা খেলা হয়েই যাক!”

বাড়ির একপাশে গার্ডেন হলেও তার বিপরীত পাশে বিশাল খোলা জায়গা।ভূমিতে ছোট ছোট দূর্বা ঘাসে আবৃত হওয়ায় অনেকটা মাঠের মতোই লাগছে।সকলে প্রস্তুতি নিয়ে বাড়ি ছেড়ে খোলা স্থানে চলে এলো।

কিন্তু বরাবরের মতো সমস্যা একটাই।প্লেয়ার কম।ঠিক এই মূহুর্তে এসেই নূরার ঠোঁট উল্টেপাল্টে এলো। টিভিতে কতোজন প্লেয়ার দেখায় সেই তুলনায় তাদের বাড়ির সদস্য সংখ্যা নেহায়েত কম।সে ক্ষুণ্ন মনে আইজার উদ্দেশ্য বললো,

“ আরো দশ বারোটা বাচ্চা কিনে আনতে পারতে তো?তালে আজ এই দশা দেখতে হতো না!”

মাহির এলো খানিক পর।তাকেও খেলায় নেওয়া হলো।তামিজ,আযাদ, দারোয়ান কাকা,গার্ড আতিফ,মেইড রামসা একদলে।তাদের বিপরীত পক্ষে আছে বর্ণ, মাহির,মেইড সিফাত, গার্ড আসলাম, অভ্র,তুহফা।অভ্র দুষ্টু হেসে ছুটে গিয়ে হানিফা বেগমের হাত ধরে টান দিলো। বৃদ্ধা তড়িঘড়ি করে ছাড়িয়ে নিয়ে রাগি দৃষ্টি নিক্ষেপ করে চোটপাট দেখালেন। কতো বড় ধুরন্ধর হয়েছে নাতিটা?এই শরীর নিয়ে তাকে খেলতে টানাটানি করে?

সুখ এসে নূরার পাশে আসন নিলো।খেলা শুরু হয়েছে ইতোমধ্যে। ক্রিকেট বল বর্ণ’র হাতে। বেটিং-য়ে আছেন তামিজ শিকদার।নূরার উচ্ছাস দেখে কে?ক্ষণে ক্ষণে হাততালি দিয়ে একেকজনকে চেয়ারস্ দিচ্ছে।হানিফা বেগম একজনেরই পক্ষে।অতি আদরের নাতি -বর্ণ!পাশে রুবাইয়্যাত এবং আইজাও এলেন।উনারা পক্ষপাতীত্বে জড়াবেন না ভুলেও। ছেলে মেয়েদের পক্ষে যাবেন নাকি স্বামী?

সুখ অস্ফুট স্বরে তিনটি শব্দ উচ্চারণ করতে পারে।আ.. মা.. বা!তামিজ শিকদারের জন্য ‘বা’ ‘বা’ শব্দ করে এতোক্ষণের উচ্ছাস নিমেষেই চুপসে গেলো।আউট হয়ে গেছেন ভদ্রলোক।আযাদ শিকদার বেটিংয়ে নামলেন। সুখের ঠোঁট থেকে পুরোপুরি হাসি মুছে যায়নি।

একসময় বর্ণ’দের বেটিং এলো।সুখ মিইয়ে এলো হঠাৎ। নিষ্ফল চোখে অপলক চেয়েই রইলো কেবল।হৈ হৈ পরিবেশ।এবারে হানিফা বেগমের উচ্ছ্বাস বেশি চোখে পড়ছে। বৃদ্ধা বর্ণর নাম জপছেন শুধু।

মানতেই হবে বর্ণ’র বেটিংয়ের হাত ভালো।সিক্স,ফোর নিচ্ছে খানিক পরপরই।মাঠের একবারে শেষ প্রান্তে বসেই দর্শকের ভূমিকা পালন করছিল সুখেরা।তামিজ শিকদারের বলিংয়ে আচমকা ব্যাটে ঠাং শব্দ তুললো বর্ণ।

সুখ হতবুদ্ধি হয়ে নিজের জায়গায় থম মেরে বসে রয়।খানিক দূর থেকে অভ্র চেঁচিয়ে তাকে সরে যেতে বলছে বারবার। রুবাইয়্যাতও আতঙ্কে মুখে হাত রেখে স্তম্ভিত।সুখের কানে তালা পড়েছে যেমন। পাথর বনে উর্ধ্বমুখী হয়ে রইলো মুখে হাত চেপে।বল তীব্র গতিতে তেড়ে পড়ছে তারদিকে।মুখের উপর পড়লে কী হবে তা কল্পনাতীত।বল দাবিয়ে রাখার লক্ষ্যে দুহাত কপাল ঘেঁষে তুলে ধরে তড়িৎ চোখ খিচে নিলো সে।

অল্পক্ষণ পর পিটপিট চোখ মেলে তাকাল। চূড়ান্ত বিষ্ময় নিয়ে হাতের দিকে তাকায়।বল তার হাতের ফাঁকে।মনে হচ্ছে হাত দুটো ভেঙেচুরে এলো এক মূহুর্তের জন্য।ব্যথায় অবশ হয়ে আসছে ক্রমশ। ঠোঁটে ঠোঁট গুঁজে সামনে তাকাতেই তামিজ শিকদার হাত উঁচিয়ে চিৎকার করে উঠলেন,

“ আউট!”

#চলবে🕊️
®তৃপ্তি এহসান নাওরা•

[বর্ণকে আউট করে দিলো সুখ পাখি! ছিঃ ছিঃ গজব বেইজ্জতি 🦋]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here