আমার_বোবাফুল(১৭) #তৃপ্তি_এহসান_নাওরা

0
73

#আমার_বোবাফুল(১৭)
#তৃপ্তি_এহসান_নাওরা

“ শোন..”

এই পিছুডাক সুখ পরোয়া করলে ,তো?পা উল্টো চালিয়ে সে নিঃশব্দে এগিয়ে গেলো সামনে। মেজাজ এখনো ক্ষিপ্র। পিছু হতে বর্ণ ফের গলা উঁচিয়ে ডাক দেয়,

“ শুনে তো যা!”

এবার অজান্তেই থেমে যায় সুখের পদ যোগল।পা-দুটো যেনো একপলের জন্য অদৃশ্য শিকল বন্দী হয়ে গেল।চেয়েও কদম বাড়াতে পারেনি। দাঁতে দাঁত নিষ্পেষিত করে পাথর অনুরূপ শক্ত চোয়ালে জলন্ত দৃষ্টি মেলে পিছু ঘুরে ধীরস্থির।

‘ আবার কী?’

পকেটে এক হাত পুরে বর্ণ নিজ পদক্ষেপে কয়েক ধাপ এগিয়ে এলো। এলোমেলো সিল্কি চুল কিছু কিছু কপালে এসে হামলে পড়েছে যেমন।নিম্নাষ্ঠ কামড়ে ধরে চোখ কুঁচকে সুখকে উপর নিচ পর্যবেক্ষণ করে সুগভীর দৃষ্টিতে।

হালকা গোলাপ রঙা পাতলা অধর,সরু নাকের পাটাতন ক্ষণে ক্ষণে ফোঁস ফোঁস শ্বাস টানছে,ঘন পাপড়ি যুক্ত দীঘল কালো আঁখি –যাতে এখন উপচেপড়া অসন্তুষ্টি।ঝরঝরে কালচে চুল বাতাসে উড়ছে এলোপাথাড়ি।

বর্ণ ঠোঁট বাঁকিয়ে মৃদু হাসলো বোধহয়।আরো কদম দুয়েক সামনে বাড়ায়। দুজন প্রায় মুখোমুখি।ব্যাস,এক হাত সম দূরত্ব।সুখের সুশ্রীতে রাগ,ক্ষোভ, অসন্তোষ যা ছিল নিমেষেই ফেরার হয়ে গেলো সব।বর্ণকে এতোটা কাছাকাছি দেখে হৃদয়ে অস্থিরতা হানা দেয় মূহুর্তেই। হাঁসফাঁস করে উঠে ভেতরে,কিন্তু বাহিরে সেটা প্রকাশ করল না।

বর্ণ অমনোযোগী ভঙিমায় কপালে আঁচড়ে আসা চুল পেছনে ঠেলে দিয়ে আচমকা চোখে চোখ রাখে সুখের।নেত্রদ্বয় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র করে বললো ঠোঁট বাঁকিয়ে,

“ রাগলে তোকে খুব একটা মন্দ দেখায় না।দ্যাটস্ গুড!”

উচ্ছল হীন মুখে সূচালো চাউনিতে চোখ তুলে সুখ।পুরুষটি মজা করছে তাকে নিয়ে?বর্ণ’র দৃষ্টি তখনো তার চোখে স্থির। আচমকা ভ্রু নাচাতেই সুখ অবিলম্বে নজর সরিয়ে আনে। নির্লজ্জ মানব!

শহর ছাপিয়ে আঁধারের আস্তরণ নেমে এলো আরেকটি বার। মানুষের অজান্তেই ভাগ্যরেখা জানান দিচ্ছে হায়াতের ভাগ থেকে আরো একটি দিন ফুরিয়ে গেলো।

সুখ বই হাতে নিয়ে নেমে এলো গ্রাউন্ড ফ্লোরে।বাড়িটার উপর বিরক্ত লাগছে এখন। মানুষ অল্প অথচ দালান কতো উঁচু।এতো এতো সিঁড়ি।উপরে গেলে নিচে নামতে মন মানেনা,নিচে থাকলে উপরে উঠতে ইচ্ছে করে না।

স্টাডি রুমে নূরাকে পড়াচ্ছেন রুবাইয়্যাত। দায়িত্বটি আইজা তুলে দিয়েছেন তাকে।মেয়ের ফাঁকি বাজিতে অতিষ্ঠ ভদ্রমহিলা। মাত্র ক্লাস টু’তে পড়ছে অথচ এখন থেকেই পড়াচোর তৈরি হচ্ছে।

নূরা’র ছোট মা’কে ভীষণ পছন্দ।কথায় কথায় আম্মা ডাকলে দুরন্ত মনটা আইসক্রিমের মতো গলে না চাইতেও পড়ালেখায় সেঁটে যায়। এমন আদুরে ডাক উপেক্ষা করে পড়ায় ফাঁকি দিতে ইচ্ছে করে না ছোট্ট নিষ্পাপ মনটারো।

সুখ গিয়ে টেবিলের একপাশে গিয়ে বসলো সন্তর্পণে। টেবিলের আয়তন বড়সড় আছে। বাড়ির প্রতিটি ছেলেমেয়ে যেনো একত্রে পড়তে পারেন সেভাবেই বানিয়েছেন আযাদ শিকদার।

রুবাইয়্যাত মেয়ের দিকে চাইলেন।দু সপ্তাহ হলো সুখের জন্য রাখা টিউটর আসছেন না। আসছেন না বললে ভুল হবে –তাকে আসতে নিষেধ করেছে এ বাড়ির কেউ।তামিজ শিকদার সংবাদটা শুনে হতভম্ব। তিনি কাজটা করেননি।তবে স্যারকে জোর দেওয়ায় কিছু ইঙ্গিত দিয়েছেন।যা থেকে সন্দেহের তীর বর্ণ’র দিকে গিয়ে লাগছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো –বর্ণ কেনো টিউটর মুহাবকে এ বাড়ি এসে সুখকে পড়াতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে? ব্যবহারে ছেলেটা যেমন অমায়িক তেমনি পড়ায়ও ভালো করে।তবে বর্ণ তার দোষ পেলো কোথায়?

তামিজ শিকদার অবশ্য এই নিয়ে বর্ণকে প্রশ্নবিদ্ধ করেনি।উনার দৃঢ় বিশ্বাস বর্ণ যা করেছে হয়তো ভালোর জন্যই করেছে।তার প্রতি আস্থা আছে ভদ্রলোকের।

“ অসুবিধা হচ্ছে আম্মা?আগামী সপ্তাহে তোমার নতুন টিউটর আসবে।এই পর্যন্ত মানিয়ে নাও!”

সুখ তড়িৎ সহাস্যে হাত নাড়িয়ে বুঝায়,

“ নাতো আমার তো বেশ ভালো লাগছে। কতোদিন রেস্ট পেলাম ”

নূরা ছোট ছোট চোখে ক্ষণকাল চেয়ে রইল মুখে কলমের নিব খুঁটে খুঁটে। মস্তিষ্কে চাপ প্রয়োগ করে সুখের ইশারা গুলো কথায় রূপান্তরিত করে বললো হুট করে,

“ এই সুখ তোমার গায়ে দেখছি আমার হাওয়া লেগেছে।দিন দিন ফাঁকি বাজি হচ্ছো আমার মতো?”

ধাপ করে হাসি মিইয়ে গেল সুখের।চোখ পাকিয়ে তাকালো। রুবাইয়্যাত ঠোঁট টিপে হাসেন।বললেন,

“ তাই তো!আম্মারা বাকি সবে ফাঁকি দিলেও পড়ালেখা কিন্তু খুব মনোযোগ দিয়ে করতে হবে।আম্মু-আব্বুর মুখ উজ্জ্বল করতে হবে তো ভালো রেজাল্ট করে!”

অভ্র এলো হন্তদন্ত। চতুর্দিকে নজর বুলিয়ে বললো ,

“ দাদু কোথায়?”
“ এই তো চলে এসেছে আরেক ফাঁকি বাজ!”

তড়িৎ মাথায় গাট্টা পড়লো নূরার।দিয়েছে অভ্র,

“ দাদু কে দেখছি না যে? কোথায় আমার দাদু মণিটা!”

কী সুন্দর সম্বোধন।নূরার চোয়াল ঝুলে পড়ে।সে জবাব দিলো,

“ চোখ কী হাতে নিয়ে এসেছো?দেখছো না দাদু নেই এখানে?”

আরেকটা মাথায় থাবা দিয়ে অভ্র বেরিয়ে এলো।হানিফা বেগম নিজ কক্ষে নেই।অভ্র সেখানে খুঁজে পায়নি বৃদ্ধাকে। ড্রয়িং রুমেও দেখা যাচ্ছে না।গেলো কোথায় তিনি?

উনার দেখা না পেলে হবে না। কিচেন রুম, ডাইনিং স্প্যাস সবখানে চোখ বুলিয়ে দাদুকে না পেয়ে রুবাইয়্যাতের কক্ষে গেলো অভ্র।তামিজ শিকদার ফিরেছেন খানিক আগে। ভেতরে আছেন ভদ্রলোক।উনার সাথেই কথা বলছেন হানিফা বেগম।

“ আসবো চাচ্চু!”

তামিজ শিকদার ঘাড় বাঁকিয়ে চেয়ে মাথা ঝাঁকিয়ে ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দিলো। অভ্র সময় নিলো না। দ্রুত গতিতে গিয়ে হানিফা বেগমের হাত আঁকড়ে ধরলেন,

“ আরে.. কই নিয়া যাইবি?”
“ আগে চলো আমার সাথে!”

সোফা থেকে টেনে তুললো দাদুকে।তামিজ শিকদার ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে জানতে চাইলেন,

“ এভাবে টেনেটুনে কোথায় নিয়ে যাচ্ছো আম্মাকে?”

“ একটু পরেই আবার আসতে পারবে চাচ্চু।ব্যাস,একটা ইম্পর্ট্যান্ট কথা আছে দাদুর সাথে!”

হানিফা বেগম সমানে তাড়া দিয়ে যাচ্ছে হাত ছেড়ে দিতে কিন্তু অভ্র ছাড়লো না।এক কিনারে নিয়ে গিয়ে ছেড়ে দিয়ে কঠিন দৃষ্টি নিক্ষেপ করলো। বৃদ্ধা হয়তো বুঝলেন তার মতিগতি। নড়েচড়ে দাঁড়িয়ে আড়চোখে তাকিয়ে বললেন মৃদু স্বরে,

“ এভাবে ক্ষেপে আছোস ক্যান?আমি আবার কী করলাম?”

কোমরে এক হাত চেপে অন্যহাতে চুল খামচে ধরে অভ্র। পরপর আমতা আমতা করে কঠিন গলায় বললো,

“ ত্_তুমি আমার ফোন ধরেছিলে?”

“ আসতাগফিরুল্লাহ.. আমি ক্যান তোর ফোন
নিতে যাবো?আমি কী ওসব টিপতে
জানি?” –আশ্চর্য কন্ঠে জানালেন তিনি।

“ ড্রয়িং রুমে তখন তুমিই ছিলে।উমামার ফোন তুমিই তুলেছিলে, না?কী বলেছো ওকে?”

মিছেমিছি গম্ভীর কন্ঠে শুধালো অভ্র।আব্বু আম্মুর কানে যদি কথাটি উঠে?ভাইয়া যদি জানতে পারে তার অল্প বয়সের পাকনামি? নির্ঘাত পশ্চাৎদেশের লাঠির বাড়ি একটাও মাটিতে পড়বে না!

“ কিয়ের মামা?কী কস এসব?”
“ মামা নয় উমামা!ওকে বলেছো তুমি আমার গার্লফ্রেন্ড?”

সঠিক জবাব না দিয়ে হানিফা বেগম ফিসফিসিয়ে বললেন,

“ মাইয়া আর পুলার সম্পর্ক ছিন্ন হইয়া গেলে ইংরেজিতে কী কয় যেনো?”

অভ্র বিরক্তি প্রকাশার্থে কুঞ্চিৎ কপালে চাইলো।বললো,

“ ব্রেকআপ?”
“ হ্ হ্!ওইটাই.. হইয়া গেছে তোর আর তোর মামার?”

“ তারমানে তুমিই….”
“ আমার উপর এমন চেঁচাইতেছোস মানে বেকাপ হইছে!আমিন!”

“ আমিন বললে তুমি?”
“ হ্.. দোয়া কবুল হইলে এটাই বলে।কেনো তুই জানোস না?”

“ লা-নত ওইসব মুখের উপর।যেসব মুখ তাহসিন অভ্র’র ব্রেকআপের জন্য বিনে পয়সায় রবের দরবারে প্রার্থনা করে!”

বিষ্ময়ে মুখের উপর হাত উঠে যায় হানিফা বেগমের।অভ্র ধুপধাপ পা ফেলে চলে গেল নিজ কক্ষে। মেজাজ তুঙ্গে।তার জীবনের প্রথম প্রেম.. প্রথম ভালোবাসা। একমাসও পেরোয়নি উমামার সাথে তার সম্পর্কের। অথচ দাদু কী করলো?

এখন মেয়েটাকে মানাবে কী করে? তাছাড়া .. দাদুকে তো অনুরোধ করা হয়নি –উমামার কথা বাড়ির কাউকে না জানাতে। বিশেষ করে তার আদরের নাতি আসফিয়ান বর্ণ’কে!


রাতের খাবার টেবিলে বর্ণ’র উপস্থিতি অস্বস্তিতে ফেলে দিয়েছিল সুখকে।যদিও বর্ণ একবারের জন্যও চোখ তুলে তাকায়নি, আপনমনে নিজের প্লেটে চোখ নিবদ্ধ রেখেছে পুরোটা সময়।কিন্তু তার কেন যেন মনে হচ্ছিল পুরুষটি তাকে দেখেছিল অগোচরে।হতে পারে এটা মনের ভুল।
কেননা বিকেল থেকেই তার মস্তিষ্ক জুড়ে বর্ণ’র একটা কথাই কেবল বাজছিলো,

“ রাগলে তোকে খুব একটা মন্দ দেখায় না”

জানে না ওই বাক্যে কী এমন ছিল।কোন কাজেই মন বসছিল না সুখের।মনে হচ্ছিল চারপাশ হতে এই বাক্যটিই উচ্চারিত হচ্ছে সমস্বরে।

হয়তো এখনো সে পুরুষটিকে ভালোবাসে বলে তার একটু সামান্য প্রসংশা পেয়ে মন চলকে উঠেছে হৃদয়ের কড়া নিষেধের বিরুদ্ধাচরণ করে।

সুখ খুব চাইছে ওই মূহুর্তটা ভুলে যেতে অথচ ,চোখের তারায় না চাইতেও ভেসে উঠছে দৃশ্যটা –তারা দুজন কাছাকাছি,খুব নিকটে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে।

সুখ আয়নার সামনে বসে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছে নিজেকে।তবে রাগি মুখটা দেখতে পাচ্ছে না।রাগটা আসছে না এখন।

সুখ উঠে গিয়ে ফোন হাতে নিলো। আড়াইটা পেরিয়ে গেছে অথচ চোখে ঘুম নেই। চোখে সহজে নিদ্রা ধরা দেয়না আজ বহুদিন।চোখ বুজলেই সেদিনের কথাগুলো কানে বাজে এখনো। বর্ণ’র বলা প্রতিটি বিষবাক্য যেনো তাকে সজাগ করে রাখে মধ্যরাত্রী পর্যন্ত। অতঃপর একসময়..একসময় অজান্তেই চোখ গেলে যায় শেষ রাতে।

দুঃখ লাগে সুখের, ভীষণ যন্ত্রণা হয় হৃৎপিণ্ডে, অভিমানে মন ভারী হয়ে আসে,জল ভীড় করে চোখের কৌটায়। কিন্তু এসবে কী আসে যায়? বিপরীত মানুষটি হয়তো কখনো তার অভিমান , অভিযোগ,তার নির্ঘুম রাতের ইতিকথা জানতেই পারবে না কখনো, কোনোদিন।

“ এতো রাতে অনলাইনে কী?ঘুমাওনি যে?”

তুহফা ধড়পড়িয়ে শুয়া থেকে উঠে বসে।চোখ কচলে পুণরায় ফোন চোখের সামনে ধরে। সত্যিই মাহির ভাইয়ের মেসেজ!এই প্রথম বার.. তাও নিজ থেকে করেছে।

বুক ধড়ফড় করে তার।পুরোদমে ফ্যান চলছে তবুও ঘামছে। জিভে ঠোঁট ভিজিয়ে ঢোক গিলে তুহফা। ফোনের ফ্লাশ অন করে বেড সাইড টেবিল হতে পানির গ্লাস তুলে ঢকঢক করে পানি খায়। এখন একটু ভালো লাগছে।

কাঁপা কাঁপা হাতে কীবোর্ডে আঙুল রাখে সে। কিন্তু কী রিপ্লাই করবে খুঁজে পায় না। অস্থির চিত্তে হাঁসফাঁস করতে করতে সংকোচ নিয়ে লিখে পাঠালো,

“ এমনিতেই.. ঘুম আসছিল না।তাই ফোন স্ক্রল করছিলাম!”

“ কোন সে স্বপ্ন পুরুষ যে তোমার চোখের ঘুম কেড়ে নিলো?”

সেকেন্ডের মাথায় মাহিরের এহেন প্রতিক্রিয়ায় তুহফা হতভম্ব।থম মেরে বসে রয়। পরপরই ধুম করে বালিশে মাথা রাখে।সে কী রিপ্লাই দেবে, –“আপনিই সেই কল্পপুরুষ।যে আমার চোখের ঘুম কেড়ে নিয়েছেন বড্ড নিষ্ঠুর কায়দায়।”


অবিরত ফ্যানের বাতাসে ডায়রির পাতা থপ থপ উল্টেপাল্টে আবার সময় সময় স্থির হয়ে যাচ্ছে স্বেচ্ছায়।হাতে কলম ধরে আছে সুখ।মাথা ঠেকিয়েছে টেবিলে।চোখ জোড়া বন্ধ।ঘুমে তলিয়ে , নাকি আধো জাগ্রত ঠাহর করা কঠিন। পল্লব নড়ছে ক্ষণে ক্ষণে।

দ্বোর লক করা। একবার টোকা দিলো কেউ।পরপর আরো দুবার। এভাবে ওপাশ থেকে কারো অবিরাম করাঘাতে ধড়পড়িয়ে মাথা তুলে সুখ।

অপ্রত্যাশিত ঘটনায় আতঙ্কে শরীর ঝাঁকি দিয়ে উঠে।

‘ ক্_কে?’ –কথাটি শব্দ হয়ে বের হয়না মুখ ফুটে।বুকে হাত চেপে ঘুম ঘুম চোখে দরজার দিকে চায় সুখ। তুমুল হারে করাঘাত পড়ছে এখনো। কিন্তু ওপাশের মানুষটির মুখে রা নেই।

তড়িঘড়ি করে সুখ সময় দেখে নেয়।তিনটে বাজতে আর মাত্র পাঁচ মিনিট।এতো রাতে তার রুমের সামনে কে আসতে পারে?

#চলবে🥀
®তৃপ্তি এহসান নাওরা•

||রিডার্স.. সুখের দরজার সামনে কে এলো গভীর রাতে?রাতের এই সময় নাকি ভুতের আনাগোনা থাকে? সেখানের কেউ এখন সুখপাখির সাথে সাক্ষাৎ করতে এলো নাকী?||

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here