গল্প_তোর_কারণে_ফিরে_আসা #পর্ব_৭

0
44

#গল্প_তোর_কারণে_ফিরে_আসা
#পর্ব_৭
#লেখিকা_ছায়ালিপি

সকালে উঠে তূবা ফ্রেশ হয়ে কলেজে গেলো, অনির সাথে দেখা হতেই অনি বলে কি রে তুমি নাকি কলেজে আসবানা ১ দিন হতে না হতেই চলে এসেছো।

তূবা: তোমাকে ছাড়া ভালো লাগে না তাই চলে আসলাম।

অনি: থাক আর ঢং করতে হবে না।

তূবা: জানোতো আমার বোনের বিয়ে ঠিক হইছে, তোমাকে কিন্তু ৭ দিন আগে যেতে হবে বিয়েতে।

অনি: তোমার আপুর বিয়ে আর আমি জাবো না, অবশ্যই আগে যাবো।

—————————————————-

নিলয়: দোস্ত তোর ফ্যামিকে কি দাওয়া করবো?

গালিব: তোর যদি এতই শখ তাহলে আমার জন্য এত দিন অপেক্ষা করেছিস কেনো। সবাইকে নিয়ে বিয়েটা সেরে নিতি।

নিলয় : না মানে….

গালিব: কোনো মানে নেই, অনিকে বললে বলতে পারিস।

নিলয় : অকে।

ফিরোজ আহমেদ ব্যস্ত হয়ে পরেছে বিয়ের আয়োজন নিয়ে, মিসেস ফাতেমা কাকে কাকে দাওয়াত দিবে সেটার লিস্টে করছে, আর বউ তো মহা খুশি ১০ বছরের প্রেম তাদের সফলতা পাবে, সে কোন দিন কিভাবে সাজবে সেটা নিয়েই ব্যস্ত।

—————————————————
তূবা আর অনি ক্লাস করে বের হলে অনি তূবা কে বলে চলো একটা জায়গায়,

তূবা: কোথায়?

অনি: গেলেই বুঝতে পারবা।

দুজন মিলে নিলয়ের বাসায় গেলো, তূবা আগে কখনো নিলয় এর বাসায় আসেনি তাই জানেনা। গেটে এসে কলিং বেল বাজালে দরজা খুলে দিলো গালিব, তূবা একটু এনইজি ফিল করলো দেখে গালিব কিছু বললো না, অনির সাথেই কথা বলছিলো। সেখানে নিলয় আসে,

নিলয়: আরে আমার হবু শালি যে আমার বাসায়, হঠাৎ কি মনে করে।

তূবা: আসালামু আলাইকুম ভাইয়া, আসলো আমি জানতাম না অনি এখানে নিয়ে এসেছে।

অনি: নিলয় ভাইয়া তুমি কি তাহলে তূবার বোন কে বিয়ে করবে?

নিলয় : হুম, আমি তূবার একমাত্র দুলাভাই।

গালিব: তোকে তো আমি একা আসতে বলেছিলাম তাহলে তুই সাথে করে অকে কেনো নিয়ে এসেছিস।

অনি: আমার একা বোরিং লাগবে তাই, তুমি আর নিলয়ভাইয়াই তো পারবে বাড়ি খুজতে আমি খামোখা গিয়ে কি করতাম তাই তূবাকে নিয়ে এসেছি।

গালিব: আচ্ছা এবার চল সবাই যাওয়া যাক,

সবাই মিলে একটা বাড়ি দেখতে গেলো, বাড়িটা ডুপ্লেক্স বিশাল এরিয়া, তূবা মনে মনে বললো-
এত বড় একটা বাড়ি নেয়ার কি দরকার, একা একজন মানুষের জন্য একটা ছোট্ট ফ্লাট নিলেই তো হত।

সবাই ভিতরে গেলো, ভিতরে ডুকার সাথে সাথে তূবা ওয়াও বলে উঠে বাইরে থেকে এই বাড়ির সৌন্দর্য দেখা যায় না, বাড়ির মেইন দরজার সাথে ডুকে বিশাল বড় ফুলের বাগান যেখানে অনেক রকমের ফুল। তার পরে বাড়িটি এবং বাড়ির পিছনে সবুজ ঘাসে ভরা মাঠ এবং সুইমিংপুল। তূবা যতই দেখছে তখই অবাক হচ্ছে। এত সুন্দর একটা বাড়ি শুধু একজন থাকবে, অনির তেমন কোনো রিয়েকশ নেই কেনোনা খান বাড়ি এর তুলনায় অতি সামান্য, কিন্তু অনি তবুও খুশি।

গালিব : অনি বাড়ি পছন্দ হয়েছে,

অনি: হ্যাঁ ভাইয়া, বাড়িটা সুন্দর অনেক, কিন্তু আমার ভয় হচ্ছে যদি কোনো পেত্নি থাকা। তুমি তো একা থাকবে, তার থেকে বরং তুমি বিয়ে করে নাও ভাইয়া। দেখবে ভাবিকে দেখে পেতনি এমনি ভয়ে চলে যাবে।

অনি তূবাকেও জিগ্যেস করলো, কিরে তূবা বাড়িটা কেমন লাগলো তোমার কাছে-

তূবা: আমার কাছে অনেক সুন্দর লেগেছে, একি বাড়ে আমার ড্রিম হাউজ এর মত।

গালিব এই কথা শুনে ঠোঁট বাকা করে হাসে,( গালিব সেদিন নিলাদের বাড়িতে এরকম একটা বাড়ির পেইন্টিং দেখেছিলো নিলাকে জিগ্যেস করায় নিলা বলেছিলো এটা তূবা একেছে ও প্রায় নাকি এই বাড়িগুলো দেখে, তূবার ড্রিম হাউজ)

গালিব: অনি আমি কি তাহলে পেমেন্ট করে দিবো?

অনি: হ্যাঁ ভাইয়া,

গালিব পেমেন্ট করে দিলো, সবাই মিলে রেস্টুরেন্টে চলে গেলো। গালিব কিন্তু তুবার সাথে একটা বার ও কথা বলেনি। তূবার একটু মন খারাপ হয়, গালিব তাকে ইগনোর করছে এটা দেখে। আবার নিজেই বলে উনার ইগনোর এ আমি কষ্ট পাচ্ছি কেনো, তূবা কুল ডাউন এভাবে হার মানবি না। একবার ছোট্ট বেলায় পা পিছলে পরেছিস এক ভুল বার বার করিস না।

গালিব আর চোখে তূবার বিরবির করা কথা গুলো শুনতে পাচ্ছে তাই আড় চোখে দেখছে। গালিব এত সহজে হাসে না, তাই তার হাসি দেখা আকাশে চাঁদ দেখার মত।

তূবা খুব মনযোগ দিয়ে গালিব এর হাত দেখছে, কি সুন্দর হাত ছেলে মানুষের ও এত সুন্দর হাত হতে পারে, হাতের পরে তূবা ফেস দেখিতে গিয়ে মনে মনে মাশাল্লাহ বলে দিলো। সেই ছোট্ট বেলার ইনোসেন্ট ফেস আর নেই, আগের থেকে এখন আরো বেশি সুন্দর লাগছে, কিন্তু মুখ গম্ভীর হয়ে থাকে।

গালিব: লিটিল বার্ড মুখে মশা ডুকে যাবে।

তূবা গালিবের কথায় হুস ফিরে, তূবা লজ্জায় পরে যায়

তূবা: ছি কি নিলজ্জ হয়েছি আমি, এভাবে একটা ছেলেকে দেখিছিলাম।

গালিবের কথা শুনে অনি বলে উঠে কিরে তুমি কি ঘুমিয়ে গিয়েছিলে।

তূবা: আমি বাড়িতে যাবো আমার লেট হয়ে যাচ্ছে।

তূবা বাইরে বের হয়ে আসলো, গালিব নিলয় কে বললো তূবাকে রেখে আসতে,

নিলয় : চলো তূবা তোমাকে দিয়ে আসি।

তূবা: থাক ভাইয়া একা যেতে পারবো, আপনার যাওয়া লাগবে না।

গালিব: নিলয় তুই নিজ দায়িত্বে বাড়িতে গিয়ে দিয়ে আসবি, রাস্তায় হারিয়ে গেলে আবার আমাদের দোষ হবে।

( আমি মনে হয় ছোট্ট বাচ্ছা যে হারিয়ে যাবো)
তূবা আর কিছু না বলে নিলয়ের সাথে চলে গেলো। অনি বলে ভাইয়া তুমি এভাবে বললে কেনো তূবাকে।

গালিব: তুই বুঝবি না, চল বাসায়, অনেক কাজ আছে।

—————————————————-

অনিকে বাড়িতে পাঠিয়ে, নিলয় কে নিয়ে গালিব তার বাড়ির জন্য জিনিস পত্র কিনতে গেলে। যত তারাতাড়ি সম্ভব বাড়িটি গুছিয়ে ফেলবে। আর নিলয় এবং নিলার বিয়ে গালিবের সেই ডুপ্লেক্স বাড়িতেই হবে। তাই এত তারাহুরো, আরো একটি কারণ আছে, সেটা সবার জন্য সারপ্রাইজ –

তূবা বাসায় এসে চিন্তা করছে গালিব এই কয়েকদিন এ কেমন তার পিছনে লেগেছিলো কিন্তু কালকে থেকে কেমন জানি অন্য রকম ব্যবহার করছে। আবার নিজেই বলছে আমি এত ভাবছি কেনো ঐ মনস্টারটাকে নিয়ে। যা ইচ্ছে করুক আমার কি-

—————————————————-

বিয়ের দিন চলে এসেছে আর ১০ দিন পরে বিয়ে এখনো শপিং করা হয় নি, আজ সবাই শপিং এ যাবে। তাই সবাই রেডি হচ্ছে-

নিলা: কিরে তূবা তুই কি রেডি হয়েছিস?

তূবা: হুম আমি তো রেডি, চলো।

নিলা: কি কি নিবি লিস্ট করেছিস?

তূবা: চারটা টপ্স আর চারটা জিন্স প্লাজু আর দুই জোরা জুতা।

নিলা: বোন একটা কথা বলি?

তূবা: হুম আপু বলো-

নিলা: আমার তো বিয়ে বিয়ে হয়ে চলে যাচ্ছি, তাই আমি চাই তুই আমার বিয়েতে আমি যেভাবে চাইবো সেই ভাবে সাজবি। কথা দে।

তূবা: আচ্ছা আপু তুমি আমার এক মাত্র বোন, তোমার কথাই রাখলাম। কিন্তু আমি যে শাড়ি পরতে পারি না আপু শাড়ি যদি খুললে যায় তখন কি হবে।

নিলা : সেটা আমি দেখবো, তকে টেনশন করতে হবে না।

সবাই শপিং এ চলে গেলো-
শপিং মল এর সামনে নিলয়ের পরিবার ও গালিব আর অনি দারিয়ে আছে। অনি কে ফোন করে তূবা আসতে বলেছিলো তাই অনি এসেছে।তূবা আজ গোলাপি কালারের একটা টপ্স করেছে সাথে চুল গুলো ক্লিপ দিয়ে আটকে দিয়েছে, সাজ গুজ না করেও তূবাকে গোলাপ ফুলের মত লাগছে-

গালিব দূরে দারিয়ে তূবার পাশে তাকিয়ে আছে, তূবা সেটা বুঝতে পেরে যখনি ঘুরে দেখেছে, তখন দেখে গালিব ফোন টিপছে। তূবা আবার চোখ শরিয়ে নেয়-

সবাই শপিং মল এ ডুকে কাপর দেখা শুরু করলো, নিলা আর নিলয় সব কিছু দেখে দেখে কিনছে, আর নিলার বাবা / মা আর নিলয়ের বাবা/ মা গল্প করায় ব্যস্ত, তূবা আর অনি একটা শাড়ির দোকানে গেছে সেখানে অনি শাড়ি দেখছে তূবাকে বেশ কয়েকবার বলেছে কিন্তু তূবা না করেছে। গালিব এসে অনিকে কার্ড দিয়ে গেলো যা যা লাগবে কিনে নে, যাওয়ার সময় একটা ব্লাক শাড়ি ভালো লাগে গালিবের।

সবার শপিং করা শেষ এখন জুয়েলারি কিনতে গেলো সবাই, যেখানে গিয়ে গালিবের একটা সুন্দর লকেট সহ চেন ভালো লাগে, নিলয়র ও সেটা ভালো লাগে, গালিব ইশারা করলে সেলস ম্যান নিলয় কে বলে সরি স্যার একটা বুকিং হয়ে গেছে। আপনি অন্য গুলো দেখেন। জুয়েলারি কিনা শেষ করে সবাই বাড়ির উদ্দেশে রওনা হলো।

গালিব : তোরা সবাই যা আমার একটা কাজ আছে সেটা শেষ করে আসছি আমি।

নিলয়: তারাতাড়ি ফিরে আসিস, আমরা গেলাম।

গালিব সবাইকে বিদাই দিয়ে সেই শাড়িটা আর জুয়েলারি সেট টা নিলো সাথে কালো কাচের চুরি বিয়ে একটা বক্স এ রেপিং করে নিলো।

—————————————————-

নিলা বাড়িতে এসে সবার সব জিনিস বুঝিয়ে দিচ্ছে, তূবা তার শপিং দেখে অবাক, শাড়ি, লেহেঙ্গা, গাউন এগুলো সব।

তূবা: আপু এটা কি ঠিক, তোমার বিয়েতে তোমার ইচ্ছেতে সাজবো তাই বলে সব কিছু এইগুলো নিয়ে এসেছো।

নিলা: তোকে এই ড্রেস গুলতে সুন্দর লাগবে বোন দেখে নিস।

তূবা আর কথা না বাড়িয়ে রুমে চলে গেলো,
সকালে উঠে তূবা কলেজের সামনে গালিব কে দেখতে পেলো তূবা ।

তূবা : এই লোকটার এত রাগ কেনো আল্লাহ ভালো জানে, বাপের এত এত টাকা তবুও কি সুন্দর হেটে হেটে ঘুরে বেরাচ্ছে। আগে তো তবুও একটা বাইক ছিলো এখন সেটাও নাই।

গালিব তূবাকে দেখতে পেয়ে ডাক দিলো-
গালিব: এই তূবা এদিকে এসো,
তূবা এই প্রথম গালিবের কাছে তার নিজের নাম শুনলো।
লিটিল বার্ড ডাক টাই তো সুন্দর ছিলো।

তূবা গালিবের কাছে গেলো, গালিব আর কিছু না বলে একটা রিকশা ডাক দিলো –

তূবা: কোথায় যাচ্ছি আমরা?

গালিব: সেটা গেলেই দেখতে পাবে।

তূবা চুপচাপ বসে আছে, খুব টেনশন হচ্ছে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে, এবার তো আমি কিছু বলিনি তাহলে কেনো। আবার কি আগের মত কিছু করবে এখন তো আমি বড় হয়ে গেছি। আবার ভাবছে আরে না সেদিন তো আমাকে ভয় দেখিয়েছিলো।

তূবা: ভাইয়া আমরা কোথায় যাচ্ছি প্লিজ বলুন। দেখেন আমি কিন্তু আগে বলে দিয়েছি আপনাকে আনার কারণ তাই আমি আপনাকে কিছু দিতে পারবো না। প্লিজ আমাকে নামিয়ে দিন ভাইয়া আমি কলেজে যাবো।

গালিব: এই মেয়ে চুপ করে বসে থাকতে পারো না, তখন থেকে কথা বলেই যাচ্ছো। এমনি সময় তো মুখ দিয়ে কথা বের হয় না আর যখন কথা বলতে শুরু করে তখন বলতেই থাকে। একদম চুপ করে বসে থাকবে।

তূবা: চুপচাপ বসে আছে, খুব কান্না পাচ্ছে তার কিন্তু কিছু বলতে পারছে না।

একটা গাড়ির শো-রুম এ এসে থামলো রিকশাটা, গালিব তূবাকে নামিয়ে ভাড়া দিয়ে ভিতরে চলে গেলো। তূবা গালিবের পিছন পিছন যাচ্ছে, যদিও তূবা লম্বা তবুও গালিব এর সাথে থাকলে তূবাকে পিচ্চি লাগে।

গালিব তূবাকে বললো এখান থেকে একটা গাড়ি চুজ করো যেটা তোমার ভালোলাগে।
ভাইয়া আমি তো আপনাকে এতদাম দিয়ে গাড়ি কিনে দিতে পারবো না, বড় জোর খেলনা গাড়ি কিনে দেয়ার টাকা আছে আমার কাছে।

গালিব: তোমাকে কিনে দিতে হবে না তুমি চুজ করে দাও। বাকিটা আমি দেখবো তারাতাড়ি করো হারিয়াপ।

তূবা অনেকক্ষন ধরে গাড়ি দেখছে ম্যানেজার সব কিছু বলে দিচ্ছে, গালিব দূর থেকে বসে তূবাকে দেখছে তূবার সেদিকে মন নেই।

তূবা গালিবের কাছে এসে ডাকছে ভাইয়া…… ভাইয়া…..
( এই ভাইয়া ডাকটা মনে হচ্ছে নিজের সম্পত্তি বানিয়ে ফেলেছে, যখন তখন ভাইয়া ভাইয়া করতেই থাকে)

গালিব: হ্যাঁ ম্যাডাম বলুন কি সেবা করতে পারি আপনার?

তূবা: ভাইয়া আমি তো গাড়ি সম্পর্কে তেমন কিছু জানিনা তাই বলছিলাম আপনি দেখে শুনে একটা নিয়ে নিন না।

গালিব: এত কিছু দেখা লাগবে না তুমি শুধু চুজ করে দাও।

তূবা একটু চিন্তা করে একটা ব্লাক মার্সিডিজ দেখিয়ে দিলো
গালিব: ( লিটিল বার্ড তোমার পছন্দ আছে)
গালিব ম্যানেজার কে বলে সব কাগজ পাতি ঠিক করে গাড়ি নিয়ে বের হল।

তূবা: ভাইয়া এবার তাহলে আমি যাই, আমার তো মনে হয় না আর কোনো কাজ আছে।

গালিব: গাড়িতে বসো।

তূবা:…….

গালিব: কি হলো কথা কানে যায় না।

তূবা তারাতাড়ি করে গাড়িতে উঠে বসলো, গালিব গাড়ি ড্রাইভ করছে।

তূবা: ভাইয়া আপনি কি গাড়ি চালাতে পারেন?

গালিব: কি মনে হয়? আর যদি নাও পাড়ি তাহলে এক সাথে দুইজন অপারে চলে যাবো।

তূবা: এই না আমার অনেক স্বপ্ন আছে আমি এত তারাতাড়ি অপারে যেতে চাই না।

গালিব: তাই নাকি তা শুনি তোমার কি কি স্বপ্ন আছে।

তূবা: জামাইর সাথে লং ড্রাইভিং এ যাবো সাথে রোমান্টিক মিউজিক বাজবে আর আমার জামাই এর সাথে হাতে হাত রেখে বাইরের ন্যাচারাল দৃশ্য দেখবো।

গালিব তূবার হাত ধরে নিলো, আর সাথে রোমান্টিক মিউজিক ছেরে দিলো।

তূবা: আরে ভাইয়া কি করছেন কি, আমি আমার জামাই কথা বলেছি আপনার কথা নয়।

গালিব: অপারে যদি চলে যাই তাই তোমার স্বপ্নটা পূরণ করে দিচ্ছি।

গালিব গাড়ি জোরে ড্রাইভ করা শুরু করে, তূবা ভয়ে চোখ বন্ধ করে গালিবের হাত শক্ত করে ধরে। আর জোরে জোরে চিল্লাতে শুরু করে, ভাইয়া আস্তে চালান ভয় পাচ্ছি ভাইয়া।

গালিব: যত বার ভাইয়া ডাকবে ততবার গাড়ি জোরে চলবে।

চলবে……..

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here