#চাঁদের_হাসি
#লেখিকা_সিনথিয়া_জাহান
#পর্বঃ১৩
কেনাকাটার পর্ব বেশ ভালোই চলছে ৷ অনন্যা মুগ্ধ হয়ে সবকিছু দেখে চলেছে ৷ ওর মন চাচ্ছে সবগুলো কিনে নিয়ে যেতে কিন্তু সেটা তো আর সম্ভব না ৷ ও তো আর বিল গ্রেটস না ৷ তাই সুন্দর মতো একটা ঝুড়ি কিনল ও ৷
আলমগীর প্রামানিক কুস্তির ব্যাপার টা ক্ষণকালের জন্য স্থগিত রেখেছে ৷ আপাতত কি কেনা যায় সেই চিন্তাই উনি করছেন ৷ কিন্তু কেনার মতো কিছু খুঁজে না পেয়ে উনি চা খেতে চলে গেলেন ৷ এরা চা টা বেশ ভালোই বানায় ৷ মুখে লেগে থাকার মতো চা ৷
অনন্যা বাবা মায়ের জন্যেও টুকটাক কিছু কিনল ৷ পাশাপাশি আলমগীর প্রামানিকের জন্য একটা চায়ের কাপ কিনল ৷ এই বুড়োর চায়ের খুব নেশা ৷ সুযোগ পেলেই চা খেতে শুরু করে দেয়!
অন্যদিকে অলি বিল্টুকে খুশি করা শেষে বাকিদের কোনো দরকার আছে কিনা সেটা দেখতে গেল ৷ টুকটাক সাহায্য করতে করতে ও সকলের খোঁজ খবর নিতে লাগল ৷ হঠাৎ মাহির দিকে নজর যেতেই ওর ভ্রু কুঁচকে গেল ৷ এই ছেলেটাকে একটা শিক্ষা দিতে হবে ৷
ও ত্রস্ত পায়ে মাহির দিকে এগিয়ে গেল ৷ অতঃপর বেশ খানিকটা গম্ভীর গলায় বলতে লাগল,,,
তুই কি আদৌ মানুষ?
মাহি হঠাৎ এমন প্রশ্নে হকচকিয়ে গেল ৷ ও আমতা আমতা করে বলল,,,
মা-মানে?
মানে তুই কি মানুষ না অন্যকিছু?
এই এমন প্রশ্ন করছিস কেন? আমার মুখে কি কিছু লেগে আছে নাকি?
কথাটা বলে মাহি নিজের আপাদমস্তক ঘুরে ঘুরে দেখার চেষ্টা করতে লাগল ৷ ওর দেখাদেখির মাঝেই অলি বলতে লাগল,,,
কিছু লেগে নেই তবে কয়েকটা জিনিসের অভাব দেখতে পাচ্ছি ৷
কী? আমি তো প্যান্ট শার্ট সব পড়েছি ৷ তাহলে কিসের অভাব থাকতে পারে?
আছে অভাব আছে ৷ সেই অভাবগুলো হচ্ছে কমনসেন্স, দায়িত্বজ্ঞান আর সবচেয়ে ইম্পর্ট্যান্ট জিনিস ব্রেন ৷ সত্যি করে বল তো এগুলো কোথায় রেখে এসেছিস? বল আমি এনে দিচ্ছি তবুও এসব ছাড়া ঘুরিস না ৷
মাহি প্রথম দফায় সিরিয়াস ছিল, এবার ও দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলতে লাগল,,,
বুঝেছি ৷ আমি কর্তৃক কোনো ভুল সংঘটিত হইয়াছে ৷ দয়া করিয়া আমাকে সে বিষয়ে অবগত করুন জাহাপয়া ৷
বিল্টুর দায়িত্ব কার উপর ছিল?
মাহি নিজেই নিজের পিঠ চাপড়ে বলল,, কার আবার? আমার ঘাড়ে ৷
তাহলে ও তোর সাথে নেই কেন? তার চেয়েও বড় কথা বল তো ও কিছুক্ষণ আগে কোথায় ছিল?
আদিবাসী গ্রামে ৷
অলি মাহির পিঠে একটা থা**প্পড় মে**রে দাঁতে দাঁত চেপে বলতে লাগল,,, এই জন্যেই মাঝে মাঝে তোকে রামছাগল বলি আমি ৷ বেয়াদবের বে’য়াদব দায়িত্ব নিলে দায়িত্ব নেওয়ার মতো নিবি ৷ গায়ে ফু দিয়ে বেড়ানোর মতো দায়িত্ব নিলে কংলাক পাহাড়ে নিয়ে গিয়ে তোকে কঙ্কাল বানিয়ে ফেলব!
মাহি নরম গলায় বলতে লাগল,,, এই রে*গে যাচ্ছিস কেন?
আমি রেগে যাচ্ছি? তো রাগব না কেন বল? বিল্টুকে কাঁদতে দেখলে আমার মাথা ঠিক থাকার কথা?
মাহি চিন্তিত গলায় বলল,,, কেঁদেছিল মানে?
কেঁদেছিল মানে চোখ দিয়ে অশ্রুকণা বের হয়েছিল ৷ নাকি সে বিষয়ে তোর কোনো জ্ঞান নেই?
মাহি হতাশ শ্বাস ফেলে বলল,,, তুই ভাই আসলেই রেগে গেছিস ৷ তাই কি বলছিস নিজেও জানিস না ৷
জানাজানির কোনো কথা শুনতে চাচ্ছি না আমি ৷ তুই বিল্টুকে এক সেকেন্ডের জন্যেও চোখের আড়াল করবি না ৷ কয়েকটা আদিবাসী বাচ্চা ভীষণ পাজি ৷ ওদের সাথে যেন বিল্টু একলা না থাকে বুঝেছিস?
হ্যাঁ বাবা বুঝেছি ৷ দরকার পড়লে বিল্টুকে আমি আমার হৃদয়ে বসিয়ে রাখব ৷
উহু ওটা করিস না ৷ ওখানে অনেক ভীড় ৷ ভীড়ের মধ্যে ছোট একটা বাচ্চাকে রাখা ঠিক হবে না ৷ তার চেয়ে বরং তুই ওর হাত ধরে রাখিস ৷
মাহি আহাম্মক হয়ে বলল,,, একটু বেশি বললি না?
আমার তো মনে হলো কম বলে ফেলেছি ৷
কথাটা বলে অলি জায়গা প্রস্থান করল ৷ ওর জরুরি কিছু কাজ বাকি রয়েছে ৷ যারা এখানে থাকতে ইচ্ছুক না তাদের রিসোর্টে পৌঁছে দিয়ে আবার ফিরে আসতে হবে ৷ মাহি অলির গমনপথের দিকে ক্ষণকাল তাকিয়ে থাকল হতভম্ভ চোখে ৷ অতঃপর জোরে জোরে শ্বাস নিয়ে নিজের হতভম্ভ ভাব কাটাল এবং অস্ফুট স্বরে বলতে লাগল,,,
এই গা*ধা কিছুক্ষণ পর এসে মাফ পাওয়ার জন্যে পায়ে ঝুলে যাবে! তোকে নিয়ে ভাই ভীষণ টেনশিত আমি ৷ তোর বউ তোকে আছাড় মা**রলেও তুই মেঝেকে গিয়ে বলবি, “মাফ কর ভাই, আমার জন্য খামোখা তুই ব্যা*থা পেলি!”
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
অনন্যা হেনিনের সাথে বসে আছে ৷ অবশ্য পিকুও ওদের সাথে আছে ৷ ও বর্তমানে খেলনা নিয়ে খেলছে ৷ একটা পুতুলকে কোলে নিয়ে বলছে,,,
কান্না করো না ৷ এমন করলে কি হবে? স্কুলে যেতে হবে না? এখন ভালো বাচ্চার মতো মায়ের কথা শোনো ৷
এসব বলে পিকু পুতুল টার মুখে নকল খাবার ধরল যেগুলো পিকু নিজ হাতে রান্না করেছে ৷ পুতুল টার মুখের কাছে এক মিনিট করে খাবার রেখে ও সেসব নিচে নামিয়ে রাখছে আর বলছে,,,
এই তো ভালো মেয়ে ৷ বলেছিলাম না আমার রান্না খেলে তুমি মুগ্ধ হয়ে যাবে? এবার বিশ্বাস হলো?
কিছু পাথরের টুকরো ছোট একটা হাড়িতে রেখে ও সেগুলোকে গরুর গোশত বলছে ৷ আর সেই গোশত খেতে হচ্ছে বেচারা পুতুল টাকে ৷ ওর কথাবার্তা আর কান্ডকারখানা দেখে অনন্যার ভীষণ হাসি পাচ্ছে কিন্তু ও যথাসম্ভব চুপচাপ বসে থাকার চেষ্টা করে চলেছে ৷
হাসি আটকানোর জন্য ও হেনিনের দিকে তাকাল ৷ হেনিন মেয়েটাকে ওর খুব ভালো লাগে ৷ এমন রুপবতী মেয়েদের দিকে তাকানোর মধ্যেও একটা আনন্দ কাজ করে ৷ অনন্যা সেই আনন্দ থেকে বঞ্চিত হতে চায় না ৷
তবে হেনিন বরাবরের মতোই চোখ বড় বড় করে ওর দিকে আগে থেকেই তাকিয়ে আছে ৷ ওর অবস্থা দেখে অনন্যা মৃদু হেসে বলল,,,
এভাবে কি দেখো?
তোমার হাসি অনেক সুন্দর ৷ সেই সুন্দর হাসি দেখতে আমার অনেক লোভ হচ্ছে ৷ তাই তাকিয়ে আছি ৷
ওর কথা শুনে অনন্যা হেসে ফেলল ৷ হেনিন মুগ্ধতা নিয়ে সেই হাসি দেখল ৷ ও বলতে লাগল,,,
তোমার স্বামী অনেক ভাগ্যবান হবে ৷ আমার বিশ্বাস সে রোজ রাতে তোমাকে সামনে বসিয়ে রেখে মুগ্ধ হয়ে তোমার হাসি ঘন্টার পর ঘন্টা দেখার ইচ্ছা পোষণ করবে ৷
অনন্যার হাসি থেমে গেল ৷ বিয়ে , স্বামী এই বিষয়গুলো ওকে ভীষণ পীড়া দেয় ৷ এই যে যেমন এখন দিচ্ছে ৷ বিয়ে নিয়ে সব মেয়ের মধ্যে কিছু না কিছু স্বপ্ন থাকে ৷ অনন্যারও ছিল কিন্তু এখন আর নেই বরং বিয়ে না করতে পারলেই যেন ও বেঁচে যায় ৷
হেনিন অনন্যার অবস্থার পরিবর্তন ভালোভাবেই দেখে ফেলল ৷ ওর দ্বিধান্বিত মুখটার দিকে তাকিয়ে অনন্যা বলল,,,
এমন পাকা পাকা কথা বলো না ৷ বয়স এখনও হয়নি বুঝেছো?
হেনিন হেসে ফেলে বলল,,, বয়স ব্যাপার না আপু ৷ তবে আমি যথেষ্ট বড় হয়েছি ৷
আচ্ছা তাই?
হু ৷
আর কোনো কথা হলো না ৷ আবারও পিকুর সাজানো সংসারের দিকে ওদের চোখ চলে গেল ৷ পিকু এখন নিজের মেয়েকে স্কুলে পাঠাচ্ছে কিন্তু মেয়ে স্কুলে না যাওয়ার জন্য হয়তো কাঁদছে যেটা পিকু ছাড়া কেউ দেখছে না ৷
এমন সময় সেই আদিবাসী বাচ্চাগুলো সেদিকে চলে আসল ৷ ওরা অনন্যাকে উদ্দেশ্য করে বলতে লাগল,,
ট্যারা , ট্যারা, ট্যারা ৷
বলে সকলে হাসতে লাগল ৷ হাসির মাঝেই বারবার একই কথা বলতে লাগল ৷ অনন্যা নিষ্প্রাণ চোখে ওদের দিকে একপলক তাকাল ৷ অতঃপর চোখ সরিয়ে নিল ৷ বিল্টুকে তখন বাঁচানোর জন্য আর বকা খাওয়ায় নিশ্চয়ই ছেলেগুলো বদলা নিতে চাচ্ছে ৷ আর সেটা ওরা বেশ ভালোই করতে পেরেছে ৷ ওরা অনন্যার মুখ্য জায়গায় আঘাত হেনেছে ৷
অনন্যা পুরো বিষয়টাতে নির্জীব থাকলেও হেনিন বেশ রেগে গেল ৷ ও কটমট দৃষ্টিতে ছেলেগুলোর দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ করে বলল,,,
বিদায় হ তোরা ৷
ওর কথায় যেন ওরা আরো উৎসাহ পেল ৷ তাই আরও বেশি করে ‘ট্যারা’ বলতে লাগল ৷ হেনিনের মেজাজ গরম হয়ে গেল ৷ ও মনে মনে কোনো একটা বুদ্ধি বের করার চেষ্টা করতে লাগল ৷ এরই মাঝে পিকু গিয়ে দুই তিনজনকে কা*মড় দেওয়া শুরু করে দিয়েছে ৷
অনন্যা হতভম্ভ চোখে সেই দৃশ্য দেখল এবং চট জলদি সেদিকে ছুটে গেল ৷ বহুকষ্টে পিকুকে ওদের থেকে আলাদা করতে লাগল ৷ কিন্তু পারল না ৷ একপর্যায়ে পিকু যাকে কামড় দিয়েছে সে ওকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিল ৷ অনন্যা জলদি গিয়ে পিকুকে ধরে ফেলল ৷
ওদিকে হেনিন ইতোমধ্যে একটা বুদ্ধি পেয়ে গেছে ৷ ও চিৎকার করে কাউকে ডাকতে লাগল ৷ ডাকার কিছু সময়ের মধ্যেই কয়েকজন মহিলা চলে আসল ৷ তাদেরকে উদ্দেশ্য করে হেনিন গলার স্বর কাঁদো কাঁদো বানিয়ে বলতে লাগল,,,
আপনার ছেলেরা টুরিস্টদের মধ্যকার এক ছোট বাচ্চা কে মা**রছিল ৷
মহিলাগুলো রেগে আগুন হয়ে গেল ৷ ছেলেগুলো ভীত চোখে একে অপরের দিকে তাকাচ্ছে ৷ ওরা যতই দুষ্টু হোক না কেন নিজেদের মায়েদের ওরা মারাত্মক ভয় পায় ৷ ওরা কম্পিত গলায় বলতে লাগল,,,
কাঁকাত মিথ্যা বলছে ৷ আমরা কিছু করিনি ৷
কেউ ওদের কথা বিশ্বাস করল না কারন সবাই হেনিন কে চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে পারে ৷ সকলের আদরের পাত্রী হেনিন ৷ মহিলাগুলো টানতে টানতে ছেলেগুলোকে নিয়ে গেল তবে তার আগে অনন্যা আর পিকুর থেকে মাফ চাইতে ভুলল না ৷
ওরা চলে যেতেই হেনিন বাকা হেসে বলল,,, তোদের আজ বেশ বড় শিক্ষা হতে চলেছে ৷ আশা রাখছি আগামী এক বছর তোরা ভদ্র থাকবি ৷
বলে ও হাসতে লাগল ৷ ওর হাসি দেখে পিকুও খিকখিক করে হাসতে লাগল ৷ দাঁতের শক্তি ওর দ্বিগুন বেড়ে গেছে আজ ৷ অন্যদিকে অনন্যা হতভম্ভ হয়ে ওদের দুজনের দিকে তাকিয়ে আছে ৷
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
আকাশ দিয়ে একটা চিল উড়ে গেল ৷ জমিনে মাহি দাঁড়িয়ে আছে কোমড়ে দু হাত গুজে ৷ তার পাশাপাশি একটা গোঙানির আওয়াজ আসছে ৷ সেই আওয়াজ টা মাহির মুখ থেকে বেরোচ্ছে না ৷ কারন ও কঠিন আর আহাম্মক মুখে দাঁড়িয়ে আছে ৷
আওয়াজ টা আসছে ওর পায়ের কাছ থেকে ৷ অলি ওর পা জড়িয়ে ঘাসের উপর বসে আছে ৷ গোঙানির মতো করে ও ক্রমাগত বলতেছে,,,
আমাকে মাফ করে দে ৷ তখন একটু বাড়াবাড়ি করে তোকে গা*লাগাল করে ফেলেছি ৷ তুই মাফ না করলে আমি পা ছাড়ব না ৷
মাহি হাসতে চাচ্ছে কিন্তু হাসল না বরং কন্ঠটা যথাসম্ভব স্বাভাবিক করে বলল,,,
দোষটা আমারই ছিল তাই মাফ চাওয়ার মতো কিছু হয়নি অলি ৷
আলবাত হয়েছে ৷ মানুষের জন্মই হয়েছে ভুল করার জন্য ৷ তুইও মানুষ তাই ভুল করেছিস ৷ সেই জন্যে কি আমি যা ইচ্ছা তাই বলব তোকে? না এটা একদম ঠিক হয়নি ৷ তুই আমাকে মাফ করে দে ভাই!
মাহি অলিকে ধরে বলল,,, পা ছাড় তুই ৷
অলি আরো শক্ত করে পা ধরে বলল,,, না ছাড়ব না ৷ আগে বল মাফ করেছিস ৷
যা বা**ল মাফ করেছি ৷ উঠে পড় আমার লজ্জা লাগছে ৷
সত্যি মাফ করেছিস?
মিথ্যা মিথ্যা মাফ করা যায় সেটা তো জানতাম না ৷
তার মানে মাফ করেছিস ৷
হ্যাঁ রে ভাই করেছি ৷
অলি পা ছেড়ে উঠে দাঁড়াল ৷ ওর মুখ রাতের তারার মতো ঝিকমিক করতেছে ৷ মুখে পেপসুডেন্টের এড মার্কা হাসি ৷ ওর হাসির মাঝেই কোথা থেকে পিকু কাঁদতে কাঁদতে সেখানে উপস্থিত হলো ৷
অলি ওকে কোলে তুলে নিয়ে ভ্রু কুঁচকে বলল,,, কি হয়েছে? কাঁদছো কেন?
পিকু কাঁদতে কাঁদতে বলল,,, আম্মু দৌঁড়ানি দিয়েছে ৷
কি করেছো?
পিকু নিজের দু হাতে মুঠো করে রাখা শামুক আর ঝিনুক বের করে বলল,,,
এগুলো রান্না করতে বলেছিলাম ৷
অলি আর মাহি আহাম্মক হয়ে একে অপরের দিকে তাকাল ৷ পিকু পুনরায় বলতে লাগল,,,
আমি মোবাইলে দেখেছি চাইনিজরা এগুলো রান্না করে খায় ৷
অলি আর মাহি এক সেকেন্ড নিশ্চুপ থেকে জোরে জোরে হেসে ফেলল ৷ অলি হাসতে হাসতে বলল,,,
এই চাইনিজদের পোকামাকড় খাওয়ার কারনেই করোনা ভাইরাস বাংলাদেশে এসে সকলের সাথে ইটিশপিটিশ করার চেষ্টা করেছিল!
চলবে,,,,

