#মন_হারালো_বেঘোরে
#লেখনীতে_মেহেরীন
#পর্ব_১১ [ 𝗙𝗶𝗿𝘀𝘁 𝗧𝗮𝘀𝘁𝗲 𝗼𝗳 𝗢𝗯𝘀𝗲𝘀𝘀𝗶𝗼𝗻 🥀 ]
আরশানের ঘরের কোণে থাকা ছোট স্টোররুমের মতো জায়গাটা ধুলোবালিতে ভরা। পুরনো কিছু ফাইল, অগোছালো কাগজপত্র আর কিছু অপ্রয়োজনীয় জিনিস অযত্নে পড়ে আছে। রিমি একটা সুতি কাপড়ে মুখ ঢেকে একমনে একটা বড় কার্টন থেকে পুরনো ফাইলগুলো আলাদা করছে। ঘড়িতে সময় প্রায় এগারোটা। বাইরের নিস্তব্ধতা ছাপিয়ে রিমির দীর্ঘশ্বাসের শব্দটাই যেন এই বদ্ধ ঘরে প্রকট হয়ে উঠছে। কিছুক্ষণ আগে আরশানের সেই তীব্র চাহনি আর দেয়ালের সাথে চেপে ধরে করা প্রশ্নের উত্তরে রিমি ভেবেছিল আজ বোধহয় কোনো এক চরম অপ্রত্যাশিত মুহূর্তের সম্মুখীন হতে যাচ্ছে ও। হৃৎপিণ্ডের অস্বাভাবিক স্পন্দন ওকে যখন প্রায় দিশেহারা করে দিচ্ছিল, ঠিক তখনই আরশান খুব শান্তভাবে ওকে নিয়ে এই ছোটো ও অন্ধকার ময়লা ভরা ছোট ঘরটায় ঢুকিয়ে দিয়ে বলেছে এটা এখুনি পরিষ্কার করতে হবে। রিমি কতক্ষণ হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলো, পরে আর উপায় না পেয়ে কাজে লেগে পড়লো ঠিকই কিন্তু এই মুহূর্তে আরশানের ওপর ওর ভীষণ রাগ হচ্ছে। বিড়বিড় করে বলল — “এই লোকটা আসলেই আস্ত একটা পা’গল! কোথায় ভেবেছিলাম কী না কী আর উনি কিনা আমাকে দিয়ে এখন ঘর পরিষ্কার করাচ্ছেন!”
খানিকটা দূরে সিঙ্গেল সোফাটায় বসে আরশান একটা ফাইল উল্টেপাল্টে দেখছিল আর ল্যাপটপে কিছু করছিলো। স্টোররুমে ভেতরে দাড়িয়ে রিমি যে বিড়বিড় করছিলো সেগুলো কানে গেলেও সে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাল না। বরং খুব নিস্পৃহ গলায় বলল….
“Keep your mouth shut & make your hands faster। দরজা আটকে পরিষ্কার করো। বাইরে যেনো ধুলো না আসে”
রিমির ইচ্ছে করছিল হাতের কাছে কিছু একটা পেলে ভালো হতো, ছুঁড়ে দিতে পারতো! কিন্তু আরশানের ওই শীতল কণ্ঠস্বরের অবাধ্য হওয়ার সাহস ওর নেই। ও বাধ্য হয়ে দরজার পাল্লাটা সামান্য চাপিয়ে দিল। স্টোররুমের ভেতরে থাকা ছোট্ট হলদেটে বাল্বটা জ্বেলে দিয়ে ও আবার কাজে মন দিল। ঘরের নিস্তব্ধতা ভেঙে আরশানের গম্ভীর কণ্ঠস্বর আবার কানে এল। ও ফোনের ওপাশে থাকা কাউকে খুব সিরিয়াসলি কোনো প্রজেক্টের ইনস্ট্রাকশন দিচ্ছে। ওর কথার ধরন শুনে রিমি এক মুহূর্তের জন্য থমকাল। ও বুঝতে পারল, এই লোকটা শুধু ব্যক্তিগত জীবনেই কঠিন নয়, নিজের কাজের ব্যাপারেও প্রচণ্ড সংবেদনশীল আর সিরিয়াস!
রাত তখন সোয়া বারোটা। আরশানের ঘরের সেই ছোট স্টোররুমটা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি গোছানো দেখাচ্ছে। ধুলোর আস্তরণ সরিয়ে রিমি ফাইলগুলো থরে থরে সাজিয়ে রেখেছে, যদিও সেই ধুলো এখন রিমির নিজের শরীরের ওপর জেঁকে বসেছে। রিমির হাত দুটো ধুলোয় কালো হয়ে গেছে, এমনকি ওর কপালের একপাশেও কিছুটা কালির দাগ লেগেছে। জামার হাতার ওপর দিয়েও ধুলোর আস্তরণ স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। দীর্ঘক্ষণ ধরে একনাগাড়ে কাজ করার ফলে ওর শরীর এখন ক্লান্তিতে ভেঙে আসছে। আরশান এতক্ষণ নিজের টেবিলে বসে ল্যাপটপে ডুবে থাকলেও ওর তীক্ষ্ণ নজর মাঝেমধ্যেই রিমির ওপর ঘুরে আসছিল। রিমিকে ধুলোবালির মধ্যে ওভাবে অগোছালো অবস্থায় দেখে আরশানের ভেতরের সেই খুঁতখুঁতে স্বভাবটা বারবার চাড়া দিয়ে উঠছিল। ও অগোছালো বা নোংরা কিছু একদম সহ্য করতে পারে না, অথচ রিমির এই দশা দেখে ওর মনে এক ধরণের বিচিত্র অস্বস্তি আর কৌতূহল কাজ করছিল। রিমি কাজ শেষ করে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে আরশানের দিকে তাকাল। আরশান ফাইল থেকে চোখ সরিয়ে খুব শীতল আর নির্লিপ্ত গলায় বলল — “হাত-মুখ মুছে এখন আস্তে আস্তে বেরিয়ে যাও। তোমার সারা গায়ে ধুলোবালি লেগে আছে। Go and clean yourself.”
আরশানের এই “Use & Throw” মার্কা ব্যবহার রিমির ক্লান্ত মনে যেনো আ’গুন ধরিয়ে দিল। ও ভেবেছিল হয়তো আরশান ওকে একটু কৃতজ্ঞতা জানাবে অথবা এত্ত রাতে কাজ করার জন্য অন্তত এক গ্লাস পানি অফার করবে। কিন্তু তার বদলে এই দূর-দূর করে তাড়িয়ে দেওয়া! রিমির মাথায় হুট করেই এক শয়তানি বুদ্ধি খেলে গেল। ও নিজের বিরক্তিটা চেপে রেখে মুখে এক ধরণের কৃত্রিম কৃতজ্ঞতার হাসি ফুটিয়ে তুলল। ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে ও দরজার কাছে থমকে দাঁড়াল। আরশানের দিকে ফিরে তাকিয়ে খুব মিষ্টি গলায় বলল — “আপনাকে অনেক ধন্যবাদ”
আরশান ভ্রু কুঁচকে ল্যাপটপ থেকে মুখ তুলল। ওর চোখে একরাশ প্রশ্ন। রিমি এবার আরও একটু এগিয়ে এসে বলল…
“এই যে রাত দুপুরে আমাকে দিয়ে এত পরিশ্রম করালেন, এতে কিন্তু আমার বিনা খরচে বেশ ভালো একটা এক্সারসাইজ হয়ে গেল। জিম করার টাকাটা বেঁচে গেল আমার! সেজন্যই আপনাকে থ্যাংক ইউ বলছি”
আরশান রিমির গলার সেই প্রচ্ছন্ন রাগের সুরটা ঠিকই ধরতে পারল। ও চেয়ারে হেলান দিয়ে বসে ঠোঁটের কোণে সেই পরিচিত বাঁকা হাসিটা ফুটিয়ে তুলল। রিমির তালে তাল মিলিয়ে ও খুব শান্ত গলায় বলল — “You’re welcome। তোমার যখন এতই পছন্দ তাহলে এখন থেকে জন্য আমার এই ‘ফ্রি জিম’ সার্ভিসটা তোমার জন্যে সবসময় খোলা”
রিমির রাগ এবার সপ্তমে চড়ল। ও এক মুহূর্ত দেরি না করে আরশানের একদম কাছে চলে এল। আরশান কিছুটা হকচকিয়ে গেল, কারণ রিমির সারা শরীর ধুলোয় মাখামাখি। রিমি এবার ওর দুষ্টুমিভরা চোখদুটো বড় বড় করে বলল….
“আপনার এই মহান উপকারের পর আমার তো উচিত আপনাকে কিছু রিটার্ন গিফট দেওয়া। আপনি আমার এত বড় উপকার করলেন, অন্তত একটা থ্যাংক ইউ হাগ তো আপনার পাওনা!”
বলেই রিমি দুই হাত বাড়িয়ে আরশানকে জড়িয়ে ধরার ভান করে ওর দিকে এগিয়ে গেল। আরশান মুহূর্তের মধ্যে সিট ছেড়ে উঠে দাঁড়াল। ওর দুচোখে স্পষ্ট আতঙ্ক না, রিমির প্রতি কোনো ভয় নয়, বরং ওই ধুলোময়লার প্রতি বিরক্তি কাজ করছে। কিন্তু ও সোফা থেকে উঠলো না বরং রিমিকে চোখ গরম করে বললো — “Don’t you dare come any closer. Look at yourself, you are covered in dust!”
আরশানের চোখেমুখে বিরক্তি দেখে রিমি আরও এক পা এগিয়ে গেল, ওর মুখে এখন এক বিজয়ী হাসি। ও আরশানের অস্বস্তিটা প্রাণভরে উপভোগ করছে। ও খুব আদুরে গলায় বলল….
“আরে ঘাবড়াচ্ছেন কেন? ধুলোবালি তো সামান্য জিনিস, আমার এই কৃতজ্ঞতার কাছে ওসব কিছুই না”
“তোমার কৃতজ্ঞতা আমার চাইনা রিমি, ঘরে যাও”
রিমি এবার মজা পেয়ে একটু হেসে উঠল। আরশানের এই অসহায় অবস্থা দেখে ওর সব ক্লান্তি যেন নিমেষে ধুয়ে গেল। ও আরো এগিয়ে আসতেই আরশান কিছুটা নড়েচড়ে বসলো! ল্যাপটপটা সামনের কাচের ছোটো টেবিলটায় রেখে বললো — “Rimi, If you touch me, I’ll make sure you regret it for the rest of your life!”
আরশান চেয়ার ছেড়ে ওঠেনি, বরং চেয়ারে হেলান দিয়ে স্থির হয়ে বসে রইল। ওর কপালে বিরক্তির সূক্ষ্ম ভাঁজের রেখা ফুটে উঠেছে। রিমি ভেবেছিল ওর এই ধুলোমাখা অবস্থা দেখে আরশান হয়তো নিজেকে ঠিক রাখতে পারবে না। ও ভয়ে বা বিরক্তিতে ঘর ছেড়ে পালাবে, আর ও তাড়া করবে। কিন্তু আরশানের এই নিস্পৃহতা রিমির জেদ আরও বাড়িয়ে দিল। ও এবার সাহসে ভর করে আরশানের একদম গা ঘেঁষে দাঁড়াল। আরশান ল্যাপটপ থেকে চোখ সরিয়ে রিমির দিকে তাকাল। ওর সেই তীক্ষ্ণ চাউনিতে এক ধরণের নীরব সতর্কবার্তা ছিল, কিন্তু রিমি আজ যেন পণ করেছে যে আরশানকে একটা শিক্ষা দিয়েই ছাড়বে। ও হুট করেই নিজের ধুলোমাখা ডান হাতটা বাড়িয়ে আরশানের ধবধবে সাদা শার্টের হাতায় সজোরে মুছে দিল। সাদা কাপড়ের ওপর কালচে ধুলোর ছাপটা পড়ার সাথে সাথেই রিমি একটা বিজয়ী হাসি দিয়ে ফিক করে হেসে উঠল — “কেমন লাগলো এবার? দেখেছেন তো আমি কতটা কৃতজ্ঞ?”
রিমি হাসছিল ঠিকই, কিন্তু আরশানের প্রতিক্রিয়ায় ওর হাসিটা মুহূর্তেই মিলিয়ে গেল। আরশান এক চুলও নড়ল না। ও কেবল ধীরস্থিরভাবে নিজের কলারের দিকে তাকাল, যেখানে রিমির আঙুলের ধুলোর ছাপ লেগে আছে। আরশান কয়েক মুহূর্তের যেনো যেনো থমকালো, যেনো কিছু একটা ভাবলো। এরপর ও মাথা তুলে রিমির দিকে এমন এক জোড়া চোখে তাকাল, যা রিমি আগে কখনো দেখেনি। সেই চাহনিতে রাগ ছিল না, বিরক্তিও ছিল না, ছিল এক ধরণের অদ্ভুত আচ্ছন্নতা।রিমির বুকের ভেতরটা হঠাৎ এক অজানা ভয়ে কেঁপে উঠল। ও বুঝতে পারল, বাঘের লেজে ও আজ একটু বেশিই টান দিয়ে ফেলেছে। ও অপ্রস্তুত হয়ে দুপা পিছিয়ে যেতে চাইল — “ঠিক আছে, আ..আমার কাজ হয়ে গেছে। আমি আসি”
রিমি কথা শেষ করতে পারল না। ও সরে যাওয়ার জন্য যেই না ঘুরেছে, ঠিক তখনই আরশান কোনো কথা না বলে বিদ্যুৎগতিতে ওর কোমর জড়িয়ে ধরল। রিমির কিছু বুঝে ওঠার আগেই আরশান এক হ্যাঁচকা টানে ওকে নিজের কোলের ওপর বসিয়ে দিল।ঘটনার আকস্মিকতায় রিমির নিশ্বাস বন্ধ হয়ে আসার উপক্রম। আরশানের এক হাত ওর কোমরে শক্ত হয়ে চেপে বসেছে, আর অন্য হাতে ও রিমির সেই ধুলোমাখা হাতটা মুঠোয় পুরে নিল। আরশানের শরীরের তপ্ত উত্তাপ আর দামী পারফিউমের ঘ্রাণে রিমির মাথা ঝিমঝিম করে উঠল। আরশানের ঠোঁটের কোণে হঠাৎ সেই রহস্যময় বাঁকা হাসিটা ফিরে এল যা দেখে রিমির পুরো গা শিউরে উঠলো! মানুষটার তো সামান্য ধুলোতেই সমস্যা, কিন্তু আজ আস্ত ধুলোমাখা অগোছালো অবস্থার একটা মানুষকে এতো কাছে এনেও ওর মধ্যে বিন্দুমাত্র বিরক্তি নেই কেনো! রিমির মস্তিষ্ক যেনো ঠিক কাজ করছেনা, কি হচ্ছে এসব! এরই মধ্যে আরশান ওর কানের খুব কাছে মুখ নিয়ে সে অস্বাভাবিক নিচু আর গম্ভীর স্বরে ফিসফিস করে বলল….
“You like leaving marks, don’t you? But remember, once you touch me, you don’t get to walk away that easily.”
রিমি এবার থরথর করে কাঁপছে, ও ওঠার চেষ্টায় আছে কিন্তু আরশান এতো শক্ত করে ওর কোমড় ধরে রেখেছে যে নড়তেই পারছেনা আবার আরশানের চোখের দিকেও তাকাতে পারছে না। নিজের জন্যে কি তবে সেধে বিপদ ডেকে আনলো? হঠাৎ আরশান ওর ধুলোমাখা হাতের আঙুলগুলো নিজের আঙুলের ভাঁজে আটকে দিয়ে আরও নিবিড়ভাবে বলল….
“You wanted to give me a return gift, right? Well, now it’s my turn. And I promise, this gift will be unforgettable”
রিমির মনে হলো ওর চারপাশের বাতাস ভারী হয়ে আসছে। আরশানের সেই শীতল গাম্ভীর্য আজ এক উষ্ণ আচ্ছন্নতায় রূপ নিয়েছে। রিমি নিচু স্বরে অস্ফুট গলায় বলল — “আ..আমার ভুল হয়ে গেছে, প্লিজ আমাকে এবারের মত ক্ষমা করে দিন”
রিমির অস্ফুট মিনতি আরশানের কানে পৌঁছাল কি না বোঝা গেল না। আরশান ওর কোমরের বাঁধন আরও শক্ত করে এক হাত বাড়িয়ে টেবিল থেকে নিজের চশমাটা খুলে পাশে সরিয়ে রাখল। চশমা ছাড়া ওর চোখের সেই ধারালো চাহনি এখন যেন বুঝিয়ে দিচ্ছে যে এখান থেকে নিস্তার পাওয়ার সব পথ আজ বন্ধ। রিমির সারা গায়ে লেগে থাকা ধুলোবালি, ওর অগোছালো চুল কিংবা এই অপ্রস্তুত অবস্থা আরশানের কাছে এখন আর বিরক্তির কারণ নয়, বরং এক তীব্র আকর্ষণের উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে! ও রিমির খুব কাছে ঝুঁকে এল। ওর তপ্ত নিশ্বাস রিমির গালের ওপর আছড়ে পড়ছে। আরশান খুব ধীর লয়ে, প্রায় ফিসফিস করে বলল….
“You started this game. Now, let me finish it the way I want.”
রিমি কথা বলার সুযোগ পেল না। আরশান ওর ধুলোমাখা আঙুলগুলোর ভাঁজে নিজের আঙুল আটকে রেখে অন্য হাত দিয়ে রিমির চিবুকটা আলতো করে উঁচিয়ে ধরল। রিমির চোখের পলক কাঁপছে, ও ভয়ে চোখ দুটো শক্ত করে বুজে ফেলল। ঠিক সেই মুহূর্তেই আরশান নিজের ঠোঁট ডুবিয়ে দিল রিমির ঠোঁটে। এক গভীর এবং প্রগাঢ় চু’ম্বনে সে যেন নিজের দীর্ঘদিনের জমানো সব তৃষ্ণা আর অধিকারবোধ ঢেলে দিল। রিমির শরীরের প্রতিটি কোষ এক অজানা শিহরণে কেঁপে উঠল। আরশানের এই আচমকা আর তীব্র আক্রমণ রিমিকে স্তব্ধ করে দিলো!
চলবে…
[Our Arshan is not a gentleman & you should have take this warning seriously Rimi darling🤌]
আগের পর্বের লিংক: https://www.facebook.com/share/p/14dLWbnkvLQ/?mibextid=oFDknk

