মন_হারালো_বেঘোরে #লেখনীতে_মেহেরীন #পর্ব_১২

0
28

#মন_হারালো_বেঘোরে
#লেখনীতে_মেহেরীন
#পর্ব_১২

জানলার বাইরে ভোরের হালকা আলো ফুটতে শুরু করেছে, কিন্তু রিমি এক নির্ঘুম রাত পার করেছে! সারা রাত বিছানায় এপাশ-ওপাশ করেছে। গত রাতের সেই প্রগাঢ় মুহূর্তের রেশ ওর ঠোঁটে, ওর ঘাড়ের কাছে আরশানের তপ্ত নিশ্বাসের অনুভূতিতে এখনও মিশে আছে। রিমি গা ঝেড়ে উঠে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের ঠোঁট দুটো ছুঁয়ে দেখল। আরশানের মতো একজন মানুষ, যে কি না সামান্য ধুলোবালি দেখলে ঘর মাথায় তোলে, সেই কিনা কাল ওকে ওভাবে…! সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, আরশানের সেই অতর্কিত আক্রমণে রিমি ভয় পেয়েছিল ঠিকই, কিন্তু ওর মনে বিন্দুমাত্র বিরক্তি কাজ করেনি। ও নিজের মনেই বিড়বিড় করল — “আমি পা’গল হয়ে যাচ্ছি? যে লোকটা অনুমতি ছাড়াই আমাকে স্পর্শ করলো তার প্রতি আমার এই টান কেন? আমি কি ওনাকে পছন্দ করতে শুরু করেছি?”

রিমি নিজের ভাবনাগুলো সামলাতে পারল না। সাত পাঁচ না ভেবে চলে গেলো ফ্রেশ হতে, এই মুহূর্তে মাথা ঠান্ডা করা জরুরি! আগামীকাল দুপুরে একটা জরুরী মিটিং আছে, অনেক প্রস্তুতি বাকি, ডেস্কের ওপর সাইন করার জন্যে সেক্রেটারি ইয়াসির কিছু ফাইলও রেখে গেছে কিন্তু সেসবে এই মুহূর্তে আরশানের মন নেই। ও চেয়ারে হেলান দিয়ে জানলার বাইরে আকাশ ছোঁয়া দালানগুলোর দিকে তাকিয়ে আছে। ওর ডান হাতের আঙুলগুলো অবচেতনভাবেই নিজের শার্টের সেই হাতায় গিয়ে থামল, যেখানে কাল রিমির ধুলোমাখা হাতের ছাপ পড়েছিল। যদিও এখন ও অন্য শার্ট পরে আছে। সকালে শাওয়ার নেওয়ার সময় আরশান নিজেকে কয়েকবার প্রশ্ন করেছে “কেন করলো এমন?” ওর তাতে তো রিমির ওই ধুলোমাখা অবস্থা দেখে ওকে ধরে বের করে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তেমনকিছু হয়নি উল্টে রিমি যখন মজার ছলে কাছে আসছিল তখন তখন আরশানের মস্তিষ্কে ওইসব কিছু একবারের জন্যেও আসেনি যে রিমি ধরলে ও অপরিষ্কার হয়ে যাবে! যে অদৃশ্য দেওয়ালটা আরশান বছরের পর বছর ধরে বানিয়েছিল, কাল রাতে রিমি কাছে এসে যেনো এক চরম আঘাতে তা ভে’ঙে দিয়েছে। আরশান একটা বাঁকা হাসি হাসল। অফিস কক্ষের এই পিন-পতন নিস্তব্ধতায় ওর নিজের কণ্ঠস্বরই ওর কাছে এক নতুন আবিষ্কার মনে হলো। যেনো ও বুঝে গেছে যে রিমির প্রতি ওর কেনো কোনো বিরক্তি কাজ করেনি। আরশান ল্যাপটপটা সজোরে বন্ধ করে সোজা হয়ে বসে বিড়বিড়য়ে বললো…

“I don’t care about the dirt anymore, as long as it’s her. She’s the only contamination I allow in my system”

আরশান এখন আরো ভালোভাবে অনুভব করছে যে ও রিমির প্রতি এক ধরণের অদ্ভুত আকর্ষণে ভুগছে। যে মানুষটা নিজের আশেপাশে কাউকে সহ্য করতে পারত না, সে এখন চাইছে যেভাবেই হোক ঐ মেয়েটা আশেপাশে থাকুক! রিমির সেই হাসি, ওর ওই ভীত চাহনি সবটুকুই এখন প্রচন্ডভাবে আরশানের মস্তিস্কে রাজত্ব করছে।
_________________________________

লাইব্রেরিতে নিস্তব্ধতা বিরাজ করছে, মাঝে মাঝে যদিও উপস্থিত বাকিদের ফিসফিস কথা শোনা যাচ্ছে। ওপরের ফ্যানগুলো পূর্ণ বেগে ঘুরলেও এই গুমোট গরমকে কিছুতেই দমানো যাচ্ছে না। জানলার ওপাশে দুপুরের তপ্ত রোদ গাছের পাতায় লুটিয়ে পড়ছে। লাইব্রেরির এক কোণের টেবিলে শাফিন, ইনায়া, আবিদ আর রিমি বসেছিল। শাফিন আর ইনায়া গরমে অস্থির হয়ে শেষমেশ ক্যাফেটেরিয়া থেকে ঠান্ডা কিছু আনতে গেছে। টেবিলে এখন শুধু রিমি আর আবিদ।রিমির সামনে একটা মোটা টেক্সটবুক খোলা থাকলেও ওর মন সেখানে নেই। কিছুদিন যাবত রিমি অনুভব করছে যে পড়াশুনায় ও ভীষণ অমনোযোগী হয়ে গেছে। তার ওপর আরশানের মুখোমুখি হওয়ার কথা ভাবলেই রিমির বুকের ভেতরটা এক অজানা আশঙ্কায় আর লজ্জায় কুঁকড়ে যায়। সেই রাতের পর থেকেই ও সাধ্যমতো আরশানকে এড়িয়ে চলেছে। ড্রয়িংরুমে আরশানের গলার আওয়াজ পেলেই ঘরে লুকিয়ে পড়েছে।রিমিকে ওভাবে অন্যমনস্ক হয়ে বইয়ের পাতায় আঙুল বোলাতে দেখে আবিদ বই থেকে মাথা তুলল। আবিদ ছেলেটা বরাবরই খুব ধীরস্থির আর পর্যবেক্ষণশীল। ও বেশ কিছুক্ষণ ধরে লক্ষ্য করছে, রিমির চঞ্চলতাটা কোথায় যেন হারিয়ে গেছে। আবিদ খুব নিচু স্বরে ডাকল — “রিমি?”

রিমি চমকে উঠে আবিদের দিকে তাকাল। ওর ঘাবড়ে যাওয়া মুখটা দেখে আবিদ একটু হেসে বললো….

“কোথায় হারিয়ে গিয়েছিলে? অনেকক্ষণ ধরে দেখছি একই পাতায় আটকে আছ। কোনো বিষয়ে কি খুব টেনশনে আছ? বাসায় কি কোনো সমস্যা হয়েছে?”

রিমি থতমত খেয়ে নিজেকে সামলে নিল। চট করে বইয়ের পাতা উল্টে একটু ব্যস্ততা দেখানোর চেষ্টা করে বললো বলল — “তেমন কিছু না। আসলে এই গরমে পড়াশোনায় ঠিক মন বসছে না, এই আর কি”

আবিদ এবার চেয়ারটা রিমির একটু কাছে টেনে আনল। ও হুট করেই টেবিলের ওপর রাখা রিমির হাতটার ওপর নিজের হাতটা রাখল। আবিদের হাতের স্পর্শে রিমি বিদ্যুদ্বেগে ওর দিকে তাকাল। আবিদ রিমির চোখের দিকে তাকিয়ে খুব নরম গলায় বলল…

“যেকোনো প্রয়োজনে, যেকোনো বিপদে আমি তোমার পাশে আছি রিমি। কোনো ধরণের সাহায্য লাগলে নির্দ্বিধায় আমাকে বলতে পারো।”

আবিদের এই আকস্মিক ঘনিষ্ঠতা আর হাতের ওপর অন্য কারো স্পর্শ রিমিকে মুহূর্তেই এক চরম অস্বস্তিতে ফেলে দিল। রিমি সঙ্গে সঙ্গে হাত না সরিয়ে একটা জিনিস পরীক্ষা করার চেষ্টা করলো। সেদিন রাতে আরশানের সেই শক্ত বাঁধনেও বিরক্তি লাগেনি কিন্তু আজ আবিদের এই স্পর্শ ওকে কোনো স্বস্তি দিচ্ছে না। এটাই আরো ভালোভাবে প্রমাণ করছে যে আরশানকে ও অন্য ছেলেদের তুলনায় বিশেষ নজরে দেখে। রিমি খুব সন্তর্পণে আবিদের হাতের নিচ থেকে নিজের হাতটা সরিয়ে নিল। ওর হাত সরানোর ভঙ্গিটা এতই দ্রুত আর স্পষ্ট ছিল যে আবিদ থমকে গেল। ওর বাড়িয়ে দেওয়া সাহায্যের হাতটা এখন শূন্য টেবিলের ওপর পড়ে আছে। আবিদের হাসিমাখা মুখটা মুহূর্তেই মলিন হয়ে গেল। ও বড় একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে নিজের হাতটা সরিয়ে নিয়ে চশমাটা একবার ঠিক করল। রিমির এই দূরত্ব বজায় রাখাটা আবিদের মনে এক গভীর ক্ষতের মতো বিধল! ক্যাফেটেরিয়ায় ভিড় তাই লাইনে দাঁড়াতে হয়েছে। ইনায়ার কপালে বিরক্তির ভাঁজ, গরমে ওর ফরসা মুখটা টকটকে লাল হয়ে আছে। শাফিন অবশ্য বেশ খোশমেজাজেই হাঁটছে, গরমে ওর খুব একটা সমস্যা হচ্ছে বলে মনে হয় না। ক্যাফেটেরিয়ার সামনে পৌঁছাতেই একটি মেয়ে বেশ লাজুক ভঙ্গিতে শাফিনের সামনে এসে দাঁড়াল। মেয়েটি ওদেরই সেশনের, কিন্তু অন্য ডিপার্টমেন্টের। মেয়েটির হাতে ছোট একটা চকোলেট আর একটা চিরকুট। মেয়েটি কাঁপা কাঁপা গলায় বলল — “শাফিন, এটা তোমার জন্য। অনেকদিন ধরেই দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু সুযোগ পাইনি”

শাফিন এক উজ্জ্বল হাসি দিয়ে চকোলেটটা গ্রহণ করল। মেয়েটির দিকে তাকিয়ে খুব অমায়িক গলায় বলল মেয়েটাকে ধন্যবাদ জানালো। মেয়েটি লজ্জায় লাল হয়ে দ্রুত ওখান থেকে চলে গেল। পাশে দাঁড়িয়ে ইনায়া এতক্ষণ হাত কুঁচকে দাঁড়িয়ে পুরো দৃশ্যটা দেখল। ওর চোয়াল শক্ত হয়ে আসছে। শাফিন যেই না চকোলেটটা পকেটে ভরতে যাবে, ইনায়া তীক্ষ্ণ গলায় বলে উঠল—

“মেয়েরা কিছু দিলেই সেটা এভাবে দাঁত কেলিয়ে নিতে হয় বুঝি? লজ্জাশরম কি একদম নেই তোমার?”

শাফিন অবাক হয়ে ইনায়ার দিকে তাকাল। ওর ভ্রু কুঁচকে গেল — “এতে লজ্জা পাওয়ার কী আছে? মেয়েটা এত কষ্ট করে একটা জিনিস দিল, রিফিউজ করাটা কি ভদ্রতা হতো?”

ইনায়া এবার আরও রেগে গেল। গলার স্বর এক পর্দা চড়িয়ে বলল — “ভদ্রতা না ছাই! তোমার মতো ছেলেদের জন্যই এই মেয়েগুলোর এত সাহস বাড়ে। কেন নিতে হবে শুনি? ওই চকোলেটে কী মিশিয়ে এনেছে কে জানে!”

শাফিন এবার একটু মজা করার সুযোগ পেল। ও হাসিমুখে পালটা প্রশ্ন করল — “এত রাগ করছ কেন ইনায়া? কেউ যদি ভালোবেসে কিছু দেয়, সেটা কেন নেব না? কারো ভালোবাসার অমর্যাদা করা কি ঠিক?”

ভালোবাসার আলাপ শুনতেই ইনায়ার ভেতরে যেন কিছু একটা জ্বলে উঠল। ও এক মুহূর্ত আর ওখানে দাঁড়াল না। রাগে গটগট করে কাউন্টারের দিকে হেঁটে গেল। কাউন্টার থেকে দুটো কোল্ড ড্রিংকসের ক্যান কিনে নিয়ে শাফিনের দিকে একবারও না তাকিয়ে লাইব্রেরির দিকে হাঁটা দিল। ওর হাঁটার ভঙ্গি বলে দিচ্ছে ও এখন কতটা চটে আছে।

শাফিন হতভম্ব হয়ে ওখানেই দাঁড়িয়ে রইল। ও নিজের মাথায় একবার হাত বুলাল, তারপর নিজের মনেই বিড়বিড় করল — “মেয়েদের মন বোঝা সত্যিই দায়! চকোলেটটা দিল একজন আর রাগ দেখাচ্ছে আরেকজন!”
__________________________________

আজ ভার্সিটি থেকে বাসায় ফিরতে সন্ধ্যা হয়ে গেছে, ফ্রেশ হয়ে নিয়ে যেই একটু বিছানায় গা এলিয়ে দিলো তখনই রিমির মায়ের ফোন এলো! উনি ফোন করে জানালেন যে ওনার পরিবারের সবাই রাজি হয়ে গেছে। রিমি এবার ওখানে গিয়ে থাকতে পারবে। কথাটা শোনামাত্র রিমি স্বস্তি পেলো ঠিকই কিন্তু অজানা এক কারণে ওর মনটা হঠাৎ বিষণ্ণতায় ছেয়ে গেলো। রিমির মা জানাল রিমি চাইলে যেকোনো সময় চলে যেতে পারবে। মায়ের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা শেষে রিমি ফোনটা রেখে ভাবলো এ বাসা থেকে বিদায় নেওয়ার সময় অবশেষে চলেই এলো! কিছুক্ষণ বিশ্রাম শেষে ড্রইংরুমে গিয়ে রিমি জানতে পারলো যে সুরভী বেগম ও আরাফাত সাহেব কোনো এক জরুরি জমি সংক্রান্ত কাজে দুপুরেই বেরিয়ে গেছেন। কাল ফিরবেন! রিমি ভাবলো সন্ধ্যার নাস্তা আর রাতের রান্নাটা না হয় ওই করে নেবে। আয়ান খেলতে গেছিলো, এসেই বলল…

“আজ আম্মু বাসায় নেই, নাস্তা কি কিছু পাওয়া যাবে না কিনে আনবো?”

রিমি বললো — “লাগবেনা, আমি খাওয়ার জন্যে কিছু বানিয়ে আনছি”

তখন আরশান ওপর থেকে নামতে নামতে বললো — “আজকের নাস্তা ইনায়া বানাবে!”

ইনায়া সোফায় বসে আরামে ফোনে চ্যাটিং করছিলো, ভাইয়ের কথা শুনে অসহায় নজরে তাকালো — “আমি?”

আরশান এসে সোফায় বসে নিজের ফোনটা বের করে কিছুটা আদেশের ভঙ্গিতে বললো — “আম্মুর অনুপস্থিতিতে এই বাসার রান্নার দায়িত্ব কার নেওয়া উচিত? আর রান্না না করলে প্রাকটিস কিভাবে হবে? আরাম বাদ দিয়ে গিয়ে কাজে লেগে পড়”

ইনায়া ভেবে দেখল ভাই তার কথাটা মন্দ বলেনি, ও পরে আগ্রহ নিয়ে নিজেই রান্নাঘরে গেলো। রিমি ওর পিছু যাচ্ছিলো কিন্তু আরশান ওকে থামিয়ে দিলো। গম্ভীর স্বরে বললো — “চুপচাপ এখানে বসো”

রিমি পেছনে না ঘুরে ওভাবে দাঁড়িয়েই উত্তর দিলো — “ও একা পারবে না, আমি ওকে সাহায্য করি গিয়ে”

“তুমি যখন একা করতে পারো, তোমার বান্ধবীও পারবে। তোমাকে ওর ভাবনা ভাবতে হবেনা”

আরশানের কথা শুনে রিমি আর এগোনোর সাহস পেলো না, আরশান বড় সোফাটায় বসে আছে। রিমি গিয়ে ওটার একদম শেষপ্রান্তে বসলো। আরশান আরচোখে একনজর দেখলো যে কতটা দূরত্বে বসেছে, আয়ান আবার তখন ফ্রেশ হয়ে এসে পাশের সিঙ্গেল সোফাটায় বসেছে। গরমে ফুটবল খেলে নাজেহাল অবস্থা হয়েছে ছেলের! ও একটু আরাম করে গা এলিয়ে বসেছিলো তখন ওর চোখের সামনেই রিমিকে সজোরে টেনে নিজের গা ঘেঁষে বসালো! আরশানের এহেন কাণ্ডে রিমি ও আয়ান দুজনেই হতভম্ব হয়ে একে অপরের দিকে তাকালো! রিমির বুক দুরুদুরু কাঁপতে শুরু করলো, আরশান ভাইয়ের সামনে এটা কি করছে? ও আবার একটু সরতে গেলে আরশান শক্ত করে ওর হাতটা ধরে নিলো, আরেক হাতে তো ফোনে কিছু স্ক্রল করছে! রিমি হাত ছড়াতেই পারছেনা, এদিকে আয়ানের চোখ ছানাবড়া হয়ে গেছে। ওর ভাই একটা মেয়েকে জোর করে নিজের কাছে বসাচ্ছে? নিজের চোখকেই যেনো বিশ্বাস করতে পারছেনা। রিমি হাত ছাড়ানোর চেষ্টা অব্যাহত রেখে ধীরস্বরে আরশানকে বললো — “কি করছেন আপনি? আয়ান এখানে আছে”

এ কথা শুনে আরশান একনজর শুধু আয়ানের দিকে তাকিয়েছে, ওমনি আয়ান একটা ঢোক গিলে দ্রুত সোফা থেকে উঠে দাঁড়িয়ে নিজের বডি একটু এদিক ওদিক ব্যায়ামের ভঙ্গিতে নাড়িয়ে নিজের ঘরের দিকে হাঁটা শুরু করে বললো — “উফফ! শরীরটা একদম ব্যথা করছে আমার। আমি বরং গিয়ে একটু শুয়ে থাকি। এই ইনায়া, আমাকে ডাকিস তোর নাস্তা বানানো হলে। কি অখাদ্য বানাবি কে জানে”

চলবে…

আগের পর্বের লিংক: https://www.facebook.com/share/p/1NrZQN8naQ/?mibextid=oFDknk

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here