প্রভামঞ্জরী☜ #নওরোজ_মীম পর্বঃ ০৩

0
26

#প্রভামঞ্জরী☜
#নওরোজ_মীম

পর্বঃ ০৩
(কপি করা নিষিদ্ধ)
__________________________

ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এর মিটিং বোর্ড রাত নয়টা। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হামিদুর রহমান, জেনারেল আবদুর ওয়াহিদ, মেজর জেনারেল নারায়ণ কর্মকার, পুলিশ কমিশনার জিল্লুর আহমেদ এর সামনে চোয়াল শক্ত করে বসে আছে সদ্য একমাস আগে পদোন্নতি হয়ে বদলি হয়ে আসা মেজর এএকে। আর তা পাশেই রাগে চোখ লাল করে বসে ক্যাপ্টেন তাহমিদ। সেও এসেছে বদলি হয়ে কিছুদিন আগেই।

তাদের আজকের মিটিংয়ের ব্যাপার হলো ঘটে চলা এই খু**নগুলা। এই কে*স আরও দুদিন আগে পুলিশের থেকে সেনাবাহিনীর কাছে ট্রান্সফার হয়েছে। কিন্তু সেনাবাহিনীর কাজে নাক গলিয়ে আজ এই কে*সে*র আ*সামি করে পুলিশ একটা মেয়েকে থানায় নিয়েছে। এই ব্যাপারে জেনে সেনাবাহিনীর যারা এই কে*সে যুক্ত তাদের কে ডাকা হয়েছে। সাথে পুলিশ কমিশনার ও যে অফিসার আজ এই কাজ করেছে ডাকা হয়েছে তাদেরও। কিন্তু সবাই মিলে চার মিনিট বায়ান্ন সেকেন্ড বসে আছে। কারণ সেই পুলিশ অফিসার লেট। আর সেনাবাহিনীতে লেট বলে কোনো শব্দ নেই। পুলিশ কমিশনার বিব্রতকর পরিস্থিতিতে বসে রয়েছেন।
ঠিক চার মিনিট ঊনষাট সেকেন্ডে মিটিংয়ে উপস্থিত হয় পুলিশ অফিসার।

এতগুলো লোকের তির্যক দৃষ্টি নিজের উপর অনুভব করে বেশ ঘাবড়ে যায় অফিসার। এমনিতেই আজ একটা ব্লান্ডার করে ফেলেছে সে সেনাবাহিনীর কাজে হস্তক্ষেপ করে। তাও যেই কে*সের দায়িত্বে স্বয়ং মেজর এএকে রয়েছে। শুকনো ঢোক গিলে অফিসার তার জন্য বরাদ্দকৃত চেয়ারে বসে।
ক্যাপ্টেন তাহমিদ পুলিশ অফিসারকে দেখেই রাগে রি রি করে ওঠে। মেজর এএকে তাকে ইশারায় শান্ত থাকার নির্দেশ দিলে সে শান্ত হয়। কিন্তু টেবিলের নিচে থাকা হাতদুটো মুষ্টিবদ্ধ। তার এতো রাগের কারণ এই অফিসার। একে তো অপরাধ করেছে তারউপর লেট। সময় জ্ঞান সম্পর্কে ধারণা নেই নাকি?

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হামিদুর রহমান প্রশ্ন করেন কেন সে সেনাবাহিনীর কাছে ট্রান্সফার করা কে*সে হস্তক্ষেপ করেছে।
আবারও শুকনো ঢোক গিলে অফিসার জানায় মেয়েটির নামে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে ভি*ক্টিম রনির পরিবার। তাই এই কাজে বাধ্য হয়েছে সে।
পুলিশ কমিশনার জিল্লুর আহমেদ প্রশ্ন করেন যে কেন অফিসার তাদের জানায়নি যে এই কে*স এখন আর পুলিশের কাছে নেই। সেনাবাহিনী হ্যান্ডেল করবে সব।
অফিসার জানায় যে এই খবর সে নিজেই জেনেছে মেয়েটিকে ছেড়ে দেওয়ার পরে। তিনদিন ছুটি কাটিয়ে আজ বিকেলে থানায় এসেই এই অভিযোগ পেয়ে সে কোনকিছু না ভেবেই মেয়েটিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকেন।

তাকে আর কিছু না বলে জেনারেল আবদুর ওয়াহিদ বলেন-

“এখন তবে মিডিয়ায় জানিয়ে দেওয়া হোক এই কে*স এখন থেকে সেনাবাহিনী হ্যান্ডেল করবে।”

তার কথায় রাজি হয় সবাই। মেজর জেনারেল নারায়ণ কর্মকার মেজর এএকে কে উদ্দেশ্য করে বলেন প্রেস কনফারেন্স ডেকে এই ব্যাপারে কথা বলতে।

এতক্ষণে এই প্রথম মুখ খুলে কিছু বলে মেজর এএকে।

“সরি স্যার। কিন্তু আমি চাইনা এখন সবার সামনে আসতে। আড়ালে থেকে কাজ করলে হয়তো জলদি রেজাল্ট আসবে। তবে যদি আমাকে অর্ডার করা হয় তবে তা আমি ডেফিনেটলি করবো।”

“আপনার হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে এই কে*স। এখন আপনি আপনার পদ্ধতি অবলম্বন করেই সলভ করবেন এই কে*স। আপনি এবং আপনার কাজের উপর ভরসা আছে আমাদের মেজর।”

মেজরের কথার জবাবে বলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হামিদুর রহমান।

“ধন্যবাদ স্যার।” (মেজর এএকে)

“তবে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ক্যাপ্টেন তাহমিদ যাক নাকি?”

মেজর জেনারেল নারায়ণ কর্মকার বলেন।

” না স্যার। আমি চাইনা এই কে*সের সাথে জড়িত কেউ লোক সম্মুখে আসুক। আর ক্যাপ্টেন তাহমিদ তো একদমই নয়।”

মেজর জেনারেল এর কথায় অসম্মতি জানিয়ে মেজর এএকে বলেন।

” ওকে মেজর। তাই হবে।” (জেনারেল আবদুর ওয়াহিদ।)

তাদের কথায় মেজর জেনারেল নারায়ণ কর্মকার বলেন-

“তবে প্রেস কনফারেন্স আমিই না হয় করবো। আর কমিশনার সাহেব তো আছেনই। ”

“অবশ্যই।”

মেজর জেনারেল এর কথায় সম্মতি জানিয়ে কমিশনার জিল্লুর আহমেদ।

“তো মেজর এএকে এবং ক্যাপ্টেন তাহমিদ আপনারা আপনাদের টিম নিয়ে কাজে লেগে পড়েন। যতদ্রুত সম্ভব রেজাল্ট চাই।

ডিসমিস। ” ( জেনারেল আবদুর ওয়াহিদ।)

স্যালুট জানিয়ে মিটিং রুম থেকে বের হলো মেজর এএকে এবং ক্যাপ্টেন তাহমিদ।

তারা চলে গেলে পুলিশ কমিশনার জিল্লুর আহমেদ প্রশ্ন করেন –

“মেজর এএকে তার পদবী হিসেবে একটু বেশিই ইয়াং। এতটা সুদর্শন আর ব্যক্তিত্ববান পুরুষ। তবুও তাকে ইউনিফর্ম পরে পেশাদারিত্বে দেখলে সামনের ব্যক্তির গলা শুকিয়ে যেতে বাধ্য।”

তার কথায় হালকা হাসলো সেনাবাহিনীর তিন কর্মকর্তা। হেসেই গর্বের সঙ্গে বললেন জেনারেল আবদুর ওয়াহিদ-

“এএকে বয়স এখনো ত্রিশ হয়নি। তার অদম্য সাহসিকতা, হার না মানা জেদ, জীবনের পরোয়া না করে দেশ সেবায় নিয়োজিত থাকা তাকে বানিয়েছে অসাধারণ। অনেকের মধ্যে অন্যতম। এনে দিয়েছে সাফল্য। এতো অল্প বয়সে তার ইউনিফর্মের ব্যাজ গুলো তার বার বার মৃ*ত্যু*কে হারিয়ে দেয়ার স্বাক্ষী হিসেবে প্রমাণ দেয়। এতো অল্প বয়সে মেজর হতে পেরেছে সে। কিছুদিন আগেই পদোন্নতি ঘটে ক্যাপ্টেন থেকে মেজর হয়েছে সে। তারপর ট্রান্সফার হয়েছে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে। আর মেজর হিসেবে এটাই তার প্রথম কে*স। এবং আমি শতভাগ নিশ্চিত এই কে*সের রহস্য ভেদ সে করবেই।”

পুলিশ কমিশনার নির্নিমেষ তাকিয়ে দেখেন তিনজন সেনাকর্মকর্তার এক অল্পবয়সী নব্য মেজর এএকের কথা বলতে বলতে জ্বলজ্বল করে ওঠা চোখগুলো।
______________________________

ক্যান্টনমেন্ট থেকে বের হয়ে তাহমিদের ফ্ল্যাটে আসে মেজর এএকে। সেখানেই তাদের এই কে*সের জন্য গঠিত টিমের অন্যতম কয়েকজনকে ডেকেছে ইমার্জেন্সি কিন্তু আন অফিসিয়াল গোপন মিটিংয়ের জন্য। ক্যাপ্টেন তাহমিদের বাসা বেছে নেওয়ার কারণ তার বাবা মা আর ভাই গ্রামের বাড়িতে গিয়েছে তার বোনের জন্য সেখানে দোয়া মাহফিল করতে।

গোপন মিটিং শেষ হলে মেজর এএকে বাদে বাকি সবাই তাহমিদের বাসা থেকে চলে যায়। তাহমিদ তাকিয়ে আছে মেজরের দিকে। একবার ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখে সময় রাত বারোটা বেজে ত্রিশ মিনিট। কিন্তু এই বান্দার নিজের বাসায় যাওয়ার কোনো ভাব লক্ষণ নেই। না পেরে বাধ্য হয়ে তাহমিদ বলে-

“স্যার সবাই চলে গিয়েছে।”

“দেখেছি আমি তাহমিদ।” (মেজর এএকে)

“অনেক রাত হয়েছে। আপনার বাড়ির লোক চিন্তা করছে হয়তো। আপনি যাবেন না?” (ক্যাপ্টেন তাহমিদ)

“বাড়িতে বলে দিয়েছি যে আজ আমি আমার বন্ধুর বাসায় থাকবো। তাই কেউ চিন্তা করবে না।” (তাহমিদের দিকে তাকিয়ে শয়তানি হাসি দিয়ে মেজর এএকে।)

“তুই এক্ষুনি আমার বাসা থেকে বের হ। এতো রাতে তোকে আমি রেঁধে খাওয়াতে পারবো না। আশ্চর্য! আমি কি তোর বউ লাগি যে এতো রাতে তোর জন্য রান্না করবো? দুইদিন পর পর আমাকে না জ্বালালে কি তোর হয় না?”

মেজরের কথায় প্রচন্ড চোটে গিয়ে দাঁড়িয়ে মেজরের মুখের উপর কুশন ছুড়ে গরগর করে বলে ক্যাপ্টেন তাহমিদ।
তার রাগ দেখে এবার হেসেই ফেলে এএকে।

“পারলি না তো বেশি সময় ক্যাপ্টেন হয়ে আচরণ করতে! যেই বললাম আমি এখানে থাকছি ওমনি তোর ভেতরের বন্ধু কেমন জেগে উঠলো দেখ। আর যা তোকে ছেড়ে দিলাম আজ আমিই তোকে রান্না করে খাওয়াবো।”

ক্যাপ্টেন তাহমিদ গা ছাড়া দিয়ে সোফায় বসে বলে-

“তুই ডিউটি টাইমের বাইরেও আমার থেকে সম্মান কিভাবে এক্সপেপ্ট করিস আমি ভেবেই পাইনা। সেখানে ক্যাপ্টেন তাহমিদ মেজরকে সম্মান দিতে বাধ্য। কিন্তু তার বাইরে তুই কোন খেতের মুলা রে! যা যা রান্না কর। ভালো কিছু করিস। যাবিই না যখন রান্না কর যা। কাম করে খা।”

বন্ধুর থেকে পাত্তা না পেয়ে বেপাত্তা মেজর এএকে যায় তার নতুন মিশন রান্না ঘরে। রান্নাঘরটা তার জন্য যু*দ্ধক্ষেত্রই বটে।

এএকে রান্নাঘরের দিকে চলে গেলে সেদিকে তাঁকিয়ে হেসে ফেলে তাহমিদ। সে জানে আজ তার বন্ধু শুধু তার জন্যই এখানে থেকে গিয়েছে। এটা প্রথমবার নয় কিনা! কর্মসূত্রে তাদের পজিশন আলাদা। সিনিয়র জুনিয়র। এতো বছর তারা আলাদা জায়গায় থাকলেও তাদের ছোটবেলার বন্ধুত্বে ভাটা পড়েনি এক বিন্দুও। আজও তারা একে অপরকে বুঝতে পারে। না বললেও মনের অবস্থা জেনে যায়। এতো বছর পরে এই প্রথম তারা কর্মসূত্রে ও একি ক্যান্টনমেন্টে রয়েছে কয়েকদিন ধরে। এবং একই কে*সের সাথে জড়িত।

আজ তাহমিদের বাড়িতে কেউ নেই আর তারও মন খারাপ তাই খাওয়া দাওয়া যে করবে না এটা ভালো করেই জানে এএকে। তাইতো এখানেই থেকে গিয়েছে সে। তার বাহানায় ছেলেটার যদি মন খারাপ দূর হয় এটাই উদ্দেশ্য।

তাহমিদ আর এএকে সেই ছোটবেলার বন্ধু। তারা একসাথে পড়েছে। একই ক্যাডেট কলেজে পড়েছে। তারপর কর্ম সূত্রে আলাদা হয়েছে। কাজের ক্ষেত্রে নিজের অর্জনের জোরে আজ এএকে মেজর হয়েছে। তাহমিদও অত্যন্ত মেধাবী, কর্মঠ, নির্ভয় একজন সেনা। তাদের মধ্যে পদবীর পার্থক্য থাকলেও তাহমিদ কখনো এটা নিয়ে হিংসা করেনি। উল্টো তার বন্ধুর বীরত্বের ঘটনা যখন অন্যের মুখে শোনে গর্বে তার বুক ভরে যায়।
এএকের ক্ষেত্রেও সেইম। আর তারা দুইজনই নয় শুধু। আরও তিনজন সহ তারা মোট পাঁচ বন্ধু। যাকে বলে জানে-জিগার।

এএকের জন্য যে রান্না করার থেকে যু*দ্ধ করা বেশি সহজ তা অজানা নয় তাহমিদের। তাই সে রান্নাঘরের দিকে এগিয়ে যায়। এবং যেয়ে দেখে সে যা ভেবেছিলো তাই-ই হয়েছে। পুরো রান্নাঘরে আটা, হলুদ, কফি পাউডার সব ছড়িয়ে আছে। জায়গা টাকে যু*দ্ধক্ষেত্রই লাগলো তাহমিদের কাছে। সে আরেকটু এগিয়ে রান্নাঘরের দরজায় হেলান দিয়ে দাড়ালো। এখান থেকে রান্নাঘর পুরোটা দেখা যায়।

চুলার সামনে একটা পাত্রে পানি রেখে চুলা জ্বালানোর চেষ্টায় থাকা মেজর এএকে কে দেখে নিজের হাসি খুব কষ্ট করে আটকে রেখে ফোন বের করে কয়েকটা ছবি তুলে নেয় তাহমিদ। তারপর ফোন ধরে রেখেই হুহা করে হেসে ওঠে তাহমিদ।
পুরো শরীরে আটা মাখা এই ছেলেকে দেখে কেউ বিশ্বাস করবে এই সেই মেজর এএকে যার ডিকশিনারিতে হাসি নামের কোনো শব্দ নেই। আর না আছে অপারগতা বলে কোনো কিছু।

তাহমিদকে হাসতে দেখে শান্তি পেলো এএকে। সে যে তার বন্ধুর কষ্ট দেখতে পারে না।
তাহমিদ রান্নাঘরে ঢুকে এএকে কে সরিয়ে নিজেই খাবার বানাতে লেগে যায়। কারণ এএকের ভরসায় থাকলে না খেয়েই থাকা লাগবে। তাই নিজেই কাজে লেগে পড়ে। বেশ ভালো রান্না করে কিনা সে! আর বন্ধুকে দায়িত্ব দেয় রান্নাঘর পরিষ্কার করার।
_______________________________

রাতে খেতে বসে ডাইনিং টেবিলে তনিমা তার বাবা আর মা কে সব ঘটনা খুলে বলে। কিভাবে চিত্রাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। আবার কিভাবে অনিলের উপস্থিত বুদ্ধির দ্বারা চিত্রাকে ছাড়িয়ে আনে।

সব শুনে জলিল শেখ অনিলের বেশ প্রশংসা করেন। তিনি এও বলেন যে আজকাল অনিলের বুদ্ধির তারিফ বিজনেস জগতেও চর্চার বিষয়। অল্প দিনেই তার বাবার ব্যবসায় জড়িত হয়ে বেশ ভালোই উন্নতি করছে।
এবং তিনি নিজ মেয়েকে সাবধান হতে বলেন। এমন হুটহাট একা একা বাইরে বেরিয়ে যাওয়া তাও সন্ধ্যার পরে মোটেই উচিত নয়। এমন কিছু হলে যেনো পরবর্তীতে তাকে ফোন করে অথবা গাড়ি নিয়ে যাতে বলেন।

তনিমা তার বাবার চিন্তা এবং নিজের ভুল দুটোই বুঝতে পেরে বাবার কথায় সম্মতি প্রকাশ করে।

খাওয়া শেষ করে নিজের রুমে যেয়ে বই নিয়ে বসে তনিমা। কিন্তু কিছুতেই সে পড়ায় মন বসাতে পারছে না। বারবার তার চোখের সামনে অনিল ভাইয়ের চেহারা ভেসে উঠছে। অনিল ভাইয়ের সুদর্শন চেহারা তনিমার মনে হচ্ছে সে এতটা সুদর্শন কোনো পুরুষ আজ পর্যন্ত দেখে নাই। তারপর আজকের ঘটনাতে সে বুঝতে পারছে যে অনিল ভাই বেশ কেয়ারিং। সে একা বলে তার সাথে থানায় যাওয়া। চিত্রার ব্যাপারে সবাই যখন হাল ছেড়ে দিয়েছে একপ্রকার তখন সে যেভাবে এগিয়ে এসেছিলো সেসব তনিমার মনে গভীর দাগ কেটেছে।
না চাইতেও তনিমা থানা থেকে ফিরে এসে অনিল ভাইকে নিয়েই ভেবে চলেছে।

নিজের এহেন কাজে নিজের উপরেই রাগ হলো তনিমার। সে বারান্দায় যেয়ে দাড়ালো। চেষ্টা করলো অন্যকিছু ভাবার। কিন্তু বিধি বাম!
বিরক্তিকর শ্বাস ফেলে আকাশের দিকে তাকিয়ে তনিমা বলে উঠলো-

“একি করলেন আপনি আমাকে অনিল ভাই?”

..
..
চলবে___

(নেন এনেছি আপনাদের মেজর এএকে কে।)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here