১.
ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকার একটা পরিত্যক্ত বাড়ির পিছনের পুকুর থেকে বস্তা বন্দি লা**শ উদ্ধার করেছে স্থানীয় পুলিশ। টোটাল চারটা বস্তা ছিলো। কিন্তু কয়টা লা**শ তা সঠিক ভাবে বলা সম্ভব নয় ফরেনসিক এ পাঠানোর আগে। কারণ বস্তায় লা**শগুলো টুক*রো টুক*রো করে কে**টে তারপর পুকুরে ফেলা হয়েছে। কিছুক্ষণ আগে এখানকার একজনের ফোন কল পেয়ে পুলিশের একটা টিম হাজির হয়। এলাকাবাসী দুর্গন্ধের সমস্যায় অতিষ্ঠ হয়ে উৎস সন্ধান করতেই পুরো এলাকা সহ এই পরিত্যক্ত বাড়িতেও খোঁজ চালিয়েছিল। তখন পুকুরের পাড় থেকে তীব্র মাত্রার দুর্গন্ধ এবং শান বাঁধানো ঘাটে শুকিয়ে যাওয়া রক্ত দেখে স্থানীয় পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশের ডুবুরি দল উদ্ধার করে লা**শ গুলো।
এমন খবর গতকাল দুপুরে অফিসে বসে লাঞ্চ টাইমে দেখেছিলেন জালাল শেখ। দেখে অবশ্য দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে ভেবেছিলেন এই দেশের ভবিষ্যৎ কি হবে তা নিয়ে। যেভাবে খু*ন খারাবি শুরু হয়েছে তাতে কি আছে সামনে আল্লাহ ভালো জানেন।
পরেরদিন সকালের নাশতা শেষ করে মেয়েকে এক কাপ চায়ের কথা বলে জালাল শেখ ড্রয়িং রুমে যেয়ে টিভি চালিয়ে খবর এর চ্যানেলে দিলেন আগের দিনের খু*নের ঘটনার পরবর্তী আপডেট জানার জন্য।
ফরেনসিক বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে বস্তায় চারটা ছেলের লা**শ ছিল। চারজনকে একই ভাবে মা*রা হয়েছে। প্রথমে অজ্ঞান করে তারপর ধারালো অ*স্ত্রে*র সাহায্যে অজ্ঞান কিন্তু জীবন্ত অবস্থায় টুক*রো টুক*রো করা হয়েছে। চারজন ছেলের বয়সই বাইশ থেকে সাতাশ এর মধ্যে। লা*শ বেশ পুরনো হওয়ায় পরিচয় এখনো জানা যায়নি। পরিচয় জানতে সময় লাগবে কিছুটা।
‘কেরানীগঞ্জ থেকে আমি ক্রাইম রিপোর্টার সাদাফ আদনান ও ক্যামেরায় আশিক। পরবর্তী আপডেট পেতে সঙ্গেই থাকুন।’
টিভি বন্ধ করে চায়ের কাপ থেকে এক চুমুক দিয়ে দীর্ঘশ্বাস ছাড়লেন জালাল শেখ। এতক্ষণ সোফায় বসে টিভিতে এই খবর দেখছিলেন তিনি। একটু আগেই তার মেয়ে তনিমা চা নিয়ে এসে তার পাশে বসেছে। স্ত্রী রান্নাঘরে থাকায় মেয়ের কাছে আবদার করে চায়ে একচামচ চিনিও দিয়েছেন আজ। অতিমাত্রায় ডায়াবেটিস থাকায় স্ত্রী কন্যা তার এই চিনির শত্রু হয়েছে। মাঝে মাঝে অবশ্য মেয়ের মন ভালো থাকলে তাকে চিনি খেতে দেয় কিন্তু স্ত্রীর কাছে চিনির কথা বললেই একদম পৌরাণিক কাহিনির রাক্ষসীদের মতো চোখ বড়বড় করে তাকায়। বিয়ের এতো বছর পেরিয়ে এসেও জালাল শেখ স্ত্রীর সেই দৃষ্টিতে দমে যান। মেয়েটা অবশ্য মায়ের মতো হয়নি এই যা শান্তি তার।
চিনি দেয়া চায়ে শেষ চুমুক দিয়ে কাপ সেন্টার টেবিলের উপর রাখলেন জালাল শেখ। মেয়ের দিকে ঘাড় কিছুটা ঘুরিয়ে কিছু বলার ভঙ্গিতে বসলেন।
তারপর মেয়ের উদ্দেশ্যে বললেন-
“দেশের অবস্থা দেখছো তনু দিন দিন কি হচ্ছে? কি নির্মম ভাবে ইয়াংস্টারদের খু**ন করা হচ্ছে।
জানো আমার মনে হয় এগুলো কোনো স*ন্ত্রা*সী র্যাকেটের কাজ। আর না হয় কোনো সিরিয়াল কি*লা*রের। কিভাবে জেনারেশনটা শেষ করছে খু*নী বা খু*নীর দল। দেশের ভবিষ্যৎকে একদম অন্ধকার বানিয়ে ফেলছে। এই চারজন নিয়ে এই মাসে মোট সাতটা খু*ন হলো। আগের তিনজন তো মেয়ে ছিলো। একই ভাবে অজ্ঞান করে কেটে টুক*রো টুক*রো করে মে*রেছে।”
তার মেয়ে তনিমাও বাবার দিকে তাকিয়ে নিজের মন্তব্য জানায়। তাদের বাবা মেয়ের থেকে বন্ধুত্বের সম্পর্ক যেন বেশি চোখে পড়ার মতো। তাই কেউ কারো সামনে নিজের মনের কথা জানাতে দ্বিতীয় বার ভাবে না।
তনু বলে-
“আমারও তাই মনে হয় বাবা। এগুলো সব একজন বা এক দলেরই কাজ। না হলে খু*নের স্টাইল একই ভি*ক্টিম দের বয়স পারিবারিক অবস্থা প্রায় একই রকম। আমার কি মনে হয় জানো, খু*নি এই লোকগুলোকে টার্গেট করে মা*রছে।”
মেয়ের সঙ্গে একমত প্রকাশ করে মাথা দুলিয়ে আবার বলেন জালাল শেখ-
“হতেই পারে। কিন্তু পুলিশ এখনো এর কোনো সমাধান করতে পারা তো দূর কোনো ক্লু পর্যন্ত পাচ্ছেনা। একটা খু*নি এভাবে একের পর এক খু*ন করেই যাচ্ছে আর পুলিশ বারবার অপারগতা দেখাচ্ছে ভাবলেই অবাক হচ্ছি। দেশের আইন ব্যবস্থার এই দূরাবস্থা দেখে হতাশ হয়ে পড়ছি বারংবার।
খু*নি কি মারাত্মক চালাক ভাবো! সবসময় পুলিশের চেয়ে কয়েক কদম এগিয়ে থাকছে।”
বাবার কথায় তনুর কপালে ভাজ পড়ে। সে কিছুটা বিরক্ত তার চেহারা দেখে স্পষ্ট। সেভাবেই বলে-
“উফফো বাবা পুলিশের কথা বাদ দাও। এরা কি কাজ করে নাকি যে খু*নের আ*সামি ধরবে। এগুলো শুধু বাংলাদেশের সিনেমাতেই সম্ভব। খু*নি যে যে স্টেপ নিচ্ছে সেভাবে চিন্তা করার মতো বুদ্ধিসম্পন্ন কেউ কি আদৌও আছে ডিফেন্সে? আমার তো মনে হয়না।”
তাদের কথার মধ্যেই একটা মেয়েলী আওয়াজে ঘুরে তাকায় বাবা মেয়ে।
“তোমরা বাপ মেয়ে আবার শুরু করেছো এই খু*ন খারাবি নিয়ে আলোচনা?”
শাড়ির আঁচলে হাত মুছতে মুছতে এসে বললেন খাদিজা বেগম।
“দেশের ব্যাপারে জানতে হয় তনুর মা। দেশে এতো অঘটন ঘটছে সে ব্যাপারে জানা থাকা প্রত্যেকের প্রয়োজন বুঝলে।
তনু তুমি কখন বের হবে?”
স্ত্রীর উদ্দেশ্যে কথাগুলো বলেই জালাল শেখ মেয়ের দিকে ফিরে জিজ্ঞাসা করেন
“আর আধঘন্টা পর বাবা। আজ এগারোটা বাজে ক্লাস তাই একটু দেরিতে যাবো।”
বাবার প্রশ্নের উত্তরে বলে তনিমা। মেয়ের থেকে শুনে নিজে বলেন জালাল শেখ-
“আচ্ছা আমি পৌঁছে দিয়ে আসবো। ”
“বাবা তোমার মেয়ে এমন কিছু করেনাই যে ওই কি*লার তোমার মেয়েকেও টু*করো টু*করো করে কাটবে।”
হাসতে হাসতে বলে তনিমা।
অথচ তার কথা শুনেই কিছুটা রেগে যায় তার বাবা জালাল শেখ। তিনি রাগান্বিত স্বরেই বলেন-
“এখন অব্দি যাদের কে খু*ন করা হয়েছে তাদের কি জন্য মা*রা হয়েছে তা কি জানে কেউ? খু*নের মোটিভ বের করতে পেরেছে পুলিশ বা কেউ?”
বাবার কথার মানে বুঝতে দেরি হলো না তনিমার। সে উত্তর দিলো
“না বাবা।”
মেয়ের জবাবে নরম গলায় বলে উঠলেন জালাল শেখ-
“তবে এতো রিল্যাক্স বা হচ্ছো কিভাবে তুমি? তাছাড়া আমি তো বলিনি তোমার সাথেও কিছু ঘটবে। কিন্তু সাবধান থাকতে সমস্যা কোথায়?”
বাবা মেয়ের কথার মাঝে মেয়েকে কিছুটা শাসনের সুরে বললেন খাদিজা বেগম-
“তনু তোর বাবা কিছু ভেবেই বলছে তো তাইনা? তাহলে তোর কিসের আপত্তি?”
মায়ের কথায় অসম্মতি জানিয়ে তনিমা ফের বলে-
“আহহা আম্মু আপত্তি কখন করলাম? আমি তো শুধু বাবার আমাকে দিয়ে আবার অফিস যেতে কষ্ট হয়ে যাবে ভেবেই বললাম। ”
মেয়ের তার প্রতি চিন্তা দেখে সন্তুষ্ট হন ভদ্রলোক। কিন্তু তাও বলে উঠলেন-
“এখনো জলিল শেখ এতো বুড়ো হয়নি যে একটু কষ্ট করতে পারবে না।”
বাবার মুখে বুড়ো কথার প্রতিবাদ করে তনিমা-
“আমার বাবা বুড়ো কে বললো শুনি? চাইলে এখনো আমার বাবাকে তার বাকি থাকা তিনটা বিয়ে দেয়া যাবে। ইসলামে চারটা বিয়ের অনুমতি আছে কিনা!আম্মু মত দিলে বাবার বিয়ে গুলো করিয়ে দেই।”
“অসভ্য মেয়ে। নিজে বিয়ে করার বয়সে বাপের বিয়ে দিয়ে মায়ের সংসার ভাঙতে উঠেপড়ে লেগেছিস কেন?”
মেয়ের কান টেনে ধরে খাদিজা বেগম বললেন।
“আহা আম্মু ছাড়ো দেরি হয়ে যাচ্ছে। লেটস গো ইয়াং ম্যান।”
বাবার হাত ধরে যেতে যেতে বলে তনিমা।
বাবা মেয়ে বেরিয়ে যেতেই খাদিজা বেগম আল্লাহর কাছে দোয়া করলেন তার এই ছোট্ট সুখী পরিবারে যেনো কারো নজর না লাগে।
_____________________________
বাবার সাথে ভার্সিটি আসে তনিমা। স্বনামধন্য একটা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমেস্ট্রি ডিপার্টমেন্টের শেষ বর্ষের ছাত্রী তনিমা। পুরো নাম সুরাইয়া তনিমা জালাল। কাছের মানুষেরা ভালোবেসে তনু ডাকে। দেখতে আহামরি সুন্দরী বলা না গেলেও বেশ মায়াবী বলা যায় নিঃসন্দেহে। উজ্জ্বল শ্যামলার থেকেও ফর্সা তবে পুরোপুরি দুধ সাদা নয়প চেহারায় মায়াবী মুখ। কোমরের একটু উপরে এসে চুলের আগা পড়েছে। উচ্চতায় বেশ ভালো পাঁচ ফুট ছয় ইঞ্চির হাইট বাংলাদেশি মেয়েদের জন্য ঈর্ষনীয় বটেই।
চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করতে গেলে সে ডিপার্টমেন্ট টপার। এবং টপাররা যেমন হয় তার সমস্ত গুণের অধিকারিণী সে। যেমন প্রচন্ডরকম চুপচাপ। বন্ধুদের সংখ্যা হাতে গোনা। এক কোনায় বইয়ে মুখ গুজে রাখা যে মেয়েটা থাকে না প্রতি ডিপার্টমেন্টে, তনু ওই মেয়েটাই কেমেস্ট্রির। আর বেশির ভাগ সময় তাকে ভার্সিটির লাইব্রেরিতে পাওয়া যায়। প্রেমের ক্ষেত্রে যে তার নাবোধক ধারণা এমন নয়। কিন্তু তাও ছেলেদের থেকে দুরত্ব বজায় চলে সবসময় কারণ সে তার জীবনে তার বাবার মতো কাউকে চায়। সেরকম কাউকে পায়নি আজ অব্দি তাই এখনো একাই সে। তার এই দীর্ঘ ২৫ বছর বয়সে তার স্টাটাস সর্বদা সিঙ্গেলই।
তনিমা ক্লাসে যেয়ে বসলে কিছুক্ষণ পর তার বান্ধবী চিত্রা এসে বসে তার পাশে। আজ একটা গুরুত্বপূর্ণ ক্লাস টেস্ট থাকায় তনিমা বই খুলে মনোযোগ সহকারে পড়ছিল। কিন্তু চিত্রা এসে বসেছে প্রায় পাঁচ মিনিট তাও একটা কথা বলেনি দেখে বই থেকে চোখ উঠিয়ে তার দিকে তাকিয়ে তনিমা দেখে চিত্রা খুবই চিন্তিত হয়ে বসে আছে।
“কি ব্যাপার আমার কথা বলার মেশিন টিয়া পাখি আজ একদম চুপচাপ যে! কোনো সমস্যা চিত্রা?”
তনিমার কথায় ধ্যানভঙ্গ হয় চিত্রার। সে চিন্তিত চেহারা ধরে রেখেই বলে-
“তনু জানিস রনি নাকি নয় দিন ধরে নিখোঁজ। ”
চিত্রার কথায় কপাল কুচকালো তনিমা।
“আশ্চর্য চিত্রা! তুই তোর ওই ঠকবাজ প্রাক্তনের জন্য চিন্তায় এমন কাঙালিনী চেহারা বানিয়ে রেখেছিস? আর আমি ভাবছি কি না কি হয়েছে?”
” রনি একা নয় তনু সাথে ওর আরও দুইজন বন্ধু আর ওর থেকে কিছুটা বড় ওর ওক কাজিনও নিখোঁজ।”
মুখ কাঁচুমাচু করে বলে চিত্রা।
চিত্রায় কথায় পাত্তা না দিয়ে উল্টো প্রশ্ন করে তনিমা-
“তো কি হয়েছে?”
“বলদের বলদ বই থেকে বের হয়ে মাথাটা একটু অন্যদিকে কাজে লাগা তাহলে বুঝতে পারবি আমি কি বলছি।”
রেগে গিয়ে তনিমাকে ধমকে বলে উঠলো চিত্রা।
“আমার উপর রেগে যাচ্ছিস কেন? কি হয়েছে তাই বল ভাই।”
চিত্রার ধমক খেয়ে চুপসে যেয়ে বললো তনিমা।
“গতকাল থেকে নিউজ দেখিসনি তুই? খু*নের ঘটনা জানিস না?”
“হ্যা বাবার সাথে বসে দেখছিলাম সকালে। ওইতো চারজন ছেলের লা*শ পাওয়া গিয়েছে বয়স…….”
বলতে বলতে হঠাৎ থেমে চিত্রার দিকে চোখ বড়বড় করে তাকায় তনিমা।
“তার মানে চিত্রা তুই বলতে চাইছিস ওই লা*শগুলো রনি আর ওর বন্ধু কাজিনের?”
” শিওর না আমি। তবে ঘটনা শুনে মনে হচ্ছে তো তাই।”
“কিন্তু ওদের কে মা*রবে?”
” যেই মারুক বিপদে তো আমি পড়বো। ”
” তুই কেন বিপদে পড়বি? তুই তো আর খু*ন করিসনি।”
“হ্যা করিনি। কিন্তু রনি যেদিন নিখোঁজ হয় মানে নয়দিন আগেই কিন্তু আমাদের ব্রেকাপ হয়েছিলো। আর আমি ওর সাথে ব্রেকাপ করেছিলাম। তাই পুলিশের আমার উপর সন্দেহ হতে পারে।”
” আরে ওই অসভ্য ছেলে যে তোর সাথে চিট করেছে তাই তো তুই ব্রেকাপ করলি। তোর কি দোষ এখানে যে তোকে সন্দেহ করবে?”
তনিমার কথায় আবারও রেগে যায় চিত্রা। এই মেয়েকে নিয়ে যে সে কি করবে মাঝে মাঝে বুঝে উঠতে পারে না সে।
“তনু তোর মাথাটা না বই থেকে সরিয়ে একটু অন্যদিকে দে বোন। ও আমার সাথে চিট করেছে তা ধরে আমি ব্রেকাপ করেছি। রাগের বসে খু*ন করে দিয়েছি তা কি পুলিশ ভাবতে পারে না?”
“হ্যা তাইতো!” (তনিমা বলে।)
তনিমা মাঝে মধ্যে ভাবে সে কি আসলেই এই দুনিয়ার তুলনায় একটু বেশি বোকা? তাই কি তার বাবা মা তাকে নিয়ে সর্বদা এতো ভয়ে থাকে? এখন যেমন এই সামান্য একটা বিষয় তাকে বিস্তারিত বলার আগে সে বুঝতেই পারেনি, এমনই তো হয় তার সাথে সবসময়।
–
………..
চলবে___
#প্রভামঞ্জরী
#নওরোজ_মীম
(এই গল্পের শুরুটা হয়েছিলো সেই ২০১৯ সালে। কিন্তু শেষ হয়নি এখনো। গল্পের নাম অনেক ভেবেচিন্তে একটু আগেই ঠিক করেছি #প্রভামঞ্জরী যার অর্থ হচ্ছে আঁধার রাতের পর ভোরের প্রথম আলো।
এটা মোটেই লাভ স্টোরি নয়। তাই এতে কেউ প্রেমের মাখোমাখো ব্যাপার খুঁজবেন না অনুরোধ রইলো। তবে হ্যা রহস্য থাকবে ভরপুর। ভায়োলেন্স থাকবে। হালকা পাতলা প্রয়োজন অনুযায়ী প্রেম তো থাকবেই কিন্তু অত্যন্ত রোম্যান্টিক কিছুই হবে না।
গল্পটা কন্টিনিউ করা হবে কি না তা আপনাদের উপর নির্ভর করছে। আপনাদের ভালো লাগলে তবেই চলবে না হলে আর দেব না। আগে লিখতাম নিজের স্যাটিফেকশনের জন্য। কিন্তু যখন থেকে গল্প পোস্ট করি তখন থেকে নিজের সাথে সাথে আপনাদের জন্যও লিখি। তাই আপনাদের পছন্দ অপছন্দ অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আপনার অত্যন্ত মূল্যবান মতামত জানাবেন প্লিজ।)

