#মন_হারালো_বেঘোরে
#লেখনীতে_মেহেরীন
#পর্ব_৩৯
মেলায় গিয়ে রিমির আনন্দঘন মুহূর্তটা যে এভাবে বিষাদে রূপ নেবে, তা আরশান কল্পনাও করেনি। রিমিকে যখন ও হাসপাতালে নিয়ে আসে, তখন ওর নিজের হাত কাঁপছিল। জরুরি বিভাগে রিমিকে যখন বেডে শোয়ানো হলো, আরশান অস্থিরভাবে করিডোরে পায়চারি করছিল। কর্তব্যরত ডাক্তার রিমির শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে তলপেটের তীব্র ব্যথার কারণ নিশ্চিত হতে আল্ট্রাসনোগ্রাফি, রক্তের রুটিন পরীক্ষার পাশাপাশি বিটা-এইচসিজি টেস্টের পরামর্শ দেন। আরশান তখনো বুঝতে পারছিল না কেন ডাক্তার প্রেগন্যান্সি টেস্টের কথা বলছেন, ওর মাথায় শুধু ঘুরছিল রিমির সেই যন্ত্রণাকাতর মুখটা। ব্যথা কমানোর ইনজেকশন দেওয়ার পর রিমি কিছুটা সুস্থবোধ করলে ওই রাতেই ওকে বাসায় নিয়ে আসা হয়। কিন্তু আরশানের চোখে এক ফোঁটা ঘুম নেই। সারারাত ও রিমির মাথার পাশে বসেছিলো। বারবার ওর মনে হচ্ছিল, কেন ও রিমিকে মেলায় নিয়ে গেল? কেন ওই অস্বাস্থ্যকর খাবার খেতে দিল? এ জন্যেই কি এমন হয়েছে? এমন নানান ভাবনায় রাতটা কোনোরকম পার হলো, পরদিন আরশান নিজেই ড্রাইভ করে রিমিকে নিয়ে ডাক্তারের চেম্বারে পৌঁছাল। রিমিকে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্য হলো, রিপোর্টে যদি রিমির কোনো সমস্যা ধরা পরে তাহলে যেনো সঙ্গে সঙ্গেই চিকিৎসা শুরু করা যায়। রিপোর্টগুলো হাতে পাওয়ার পর যখন ওদের ভেতরে ডাকা হলো, আরশান রিমির হাতটা নিজের শক্ত মুঠোয় পুরে ডাক্তারের সামনে গিয়ে বসল। ডাক্তার সাহেব বেশ সময় নিয়ে রিপোর্টের ফাইলটা উল্টেপাল্টে দেখলেন। রুমের ভেতর এক পিনপতন নীরবতা। আরশানের তপ্ত নিশ্বাসের শব্দও যেন স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে। হঠাৎ ডাক্তার সাহেব চশমাটা নাক থেকে নামিয়ে দুজনের দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসলেন…
“Congratulations! You are pregnant, Mrs. Rimi. আট সপ্তাহ চলছে।”
মুহূর্তের জন্য মনে হলো পুরো ঘরটা বনবন করে ঘুরছে। রিমির কানের ভেতর শব্দগুলো প্রতিধ্বনিত হতে লাগল ‘প্রেগন্যান্ট’। রিমির বিশ্বাসই হচ্ছিল না। ওর মনের গহীনে যে সুপ্ত ইচ্ছা ছিল আরশানকে ঘিরে, তা কি তবে সত্যিই পূর্ণ হতে চলেছে? ও বিমূঢ় হয়ে ডাক্তারের দিকে তাকিয়ে আমতা আমতা করে বলল…
“এটা কীভাবে সম্ভব ম্যাম? আমি লাস্ট বার কিট দিয়ে চেক করেছিলাম কিন্তু রেজাল্ট নেগেটিভ এসেছিল!”
“দেখুন, অনেক সময় কিটের রেজাল্ট ভুল আসতে পারে। হয়তো কিটের কোয়ালিটি ভালো ছিল না বা মেয়াদ ছিল না। আবার অনেক সময় এইচসিজি হরমোনের লেভেল খুব কম থাকলে কিট তা ধরতে পারে না। কিন্তু র’ক্তের রিপোর্ট এবং আল্ট্রাসাউন্ড ভুল হয় না”
এ কথা শুনে রিমি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললো। অবশেষে ওর স্বপ্ন সত্যি হচ্ছে। একরাশ তৃপ্তি আর চিকচিক করা চোখের জল নিয়ে আরশানের দিকে তাকালো। ওর ধারণা ছিলো, আর পাঁচজন ছেলেদের মত আরশানও হয়তো বাবা হওয়ার কথাটা শুনে অনেক খুশি হবে কিন্তু কিন্তু আরশানের দিকে তাকাতেই রিমির সব আনন্দ যেন মুহূর্তেই বাষ্প হয়ে উড়ে গেল। তার চোখেমুখে আনন্দের বিন্দুমাত্র ছোঁয়া নেই। বরং ওর কপালে জমেছে গভীর উদ্বেগের ভাঁজ, চোখের দৃষ্টি তীক্ষ্ণ আর চোয়াল শক্ত হয়ে আছে। ও ডাক্তারের দিকে তাকিয়ে খানিকটা রুক্ষ গলায় প্রশ্ন করল…
“আপনি আমাকে আগে এটা বলুন, ওর পেটে অত ব্যথা কেন হচ্ছিল? Is this because of this pregnancy? এই বাচ্চা কি ওর শরীরের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে?”
ডাক্তার সাহেব আরশানের কথায় একটু থতমত খেয়ে গেলেন। সাধারণত এমন খবরে স্বামীরা খুশি হয়, কিন্তু আরশানের প্রতিক্রিয়া একদম উল্টো। ও যেন এই খবরটা উপভোগই করছে না। ডাক্তার নিজেকে সামলে নিয়ে বললেন…
“আর্লি প্রেগন্যান্সিতে হালকা ক্র্যাম্পিং বা লিগামেন্টে টান লেগে ব্যথা হওয়া খুব স্বাভাবিক। বিশেষ করে যদি উনি গত কয়েকদিন বেশি দৌড়ঝাঁপ বা পরিশ্রম করে থাকেন তাহলে…”
আরশান ডাক্তারকে কথা শেষ করতে না দিয়ে গর্জে উঠল!
“স্বাভাবিক মানে কী? গতকাল ওর কতটা যন্ত্রণা হচ্ছিলো আপনি জানেন? কথা বলার শক্তি অব্দি পাচ্ছিল না ব্যথার জন্যে আর আপনি বলছেন এটা স্বাভাবিক মনে? আমি জানতে চাই, এই প্রেগন্যান্সি কি ওর জীবনের জন্য কোনো ঝুঁকির কারণ হবে? দেখুন, I just want her to be safe and healthy!”
ডাক্তারের চেম্বারে এক নিস্তব্ধতা নেমে এল। রিমি স্তব্ধ হয়ে আরশানের দিকে তাকিয়ে রইল। রিমি যা ভেবেছিল এখন যেনো তার উল্টো প্রতিক্রিয়া হচ্ছে। ও জানত আরশান ওকে হারানোর ভয়ে তটস্থ থাকে, কিন্তু বাচ্চার খবর শুনেও যে তার প্রতিক্রিয়া এমন হবে রিমি ভাবতেও পারেনি। আরশানের এই উগ্র ভালোবাসা আর অমানুষিক প্রোটেক্টিভ নেচার দেখে রিমির মনে হলো ও কি সত্যিই খুশি হবে, নাকি এই বাচ্চাটা আসার পর আরশানের মানসিক চাপ আরও বেড়ে যাবে? রিমি এবার চিন্তায় পড়ে গেলো।
ডাক্তারের কেবিন থেকে বেরোনোর পর আরশানের নীরবতা রিমিকে আরও বেশি শঙ্কিত করে তুলল। আরশানের হাঁটার গতি আজ মন্থর আর ওর দৃষ্টি সামনের কোনো এক শূন্যতায় নিবদ্ধ। রিমি বারবার আড়চোখে ওর দিকে তাকাচ্ছিল, ভেবেছিল হয়তো আরশান ওকে জড়িয়ে ধরে কিছু বলবে কিন্তু আরশানের কপালে চিন্তার ভাঁজগুলো যেন আরও গভীর হয়েছে। রিমি কিছু একটা জিজ্ঞাসা করার জন্য আরশানের হাত ছুঁতে যাবে, ঠিক তখনই আরশান ওকে কেবিনের বাইরের একটা খালি চেয়ারে বসিয়ে দিল। করিডোরে তখন মানুষের যাতায়াত আর নার্সদের ব্যস্ততা। সেই হট্টগোলের মাঝে আরশান হঠাৎ করে মেঝেতে এক হাঁটু মুড়ে রিমির সামনে বসে পড়ল। সে রিমির দুটো হাত নিজের হাতের মুঠোয় শক্ত করে পুরে নিল। ওর হাত দুটো আজ অস্বাভাবিক ঘামছে। আরশান বেশ কিছুক্ষণ মাথা নিচু করে রইল, তারপর রিমির চোখের দিকে তাকিয়ে বললো — “I’m sorry. I should have been more careful”
রিমি একদম থতমত খেয়ে গেল। ও ভেবেছিল ডাক্তারের চেম্বারে আরশানের ওই উগ্র মেজাজটা বোধহয় রিমির ওপর আছড়ে পড়বে। ও ভেবেছিল আরশান হয়তো খুশি নয় বলেই ওইভাবে রিয়েক্ট করছিল। কিন্তু এখন আরশানের চোখের দিকে তাকিয়ে রিমি এক গভীর অপরাধবোধ দেখতে পেল। ও ঝটপট নিচু হয়ে আরশানকে টেনে তোলার চেষ্টা করে বলল…
“আরে! আরশান, আপনি নিচে এভাবে কেন বসেছেন? লোকে কী ভাবছে দেখুন! উঠুন, আমার পাশে এসে বসুন।”
আরশান নড়ল না। ও একইভাবে রিমির দিকে তাকিয়ে রইল। রিমি এবার নরম গলায় বলল….
“আপনি কেন সরি বলছেন? আপনি জানেন না আমি এই বেবিটা কতটা মন থেকে চাচ্ছিলাম! আপনি না চাইলেও আমার কিন্তু খুব ইচ্ছে ছিল। আমার জন্যে এটা তো একটা মিরাকল!”
আরশান এবার দীর্ঘশ্বাস ফেলে রিমির পাশে এসে বসল। ওর দুশ্চিন্তা যেন এক বিন্দুও কমেনি। ও গম্ভীর স্বরে বলল — “তোমার এখনও মা হওয়ার বয়স হয়নি”
রিমি এবার একটু অভিমানী সুরে মুখ ফুলিয়ে বলল — “বয়স হয়নি মানে কী? আমি কি ছোট বাচ্চা নাকি?”
আরশান রিমির সেই অভিমানী মুখের দিকে তাকিয়ে অস্ফুট স্বরে হাসল ঠিকই, কিন্তু পরক্ষণেই ওর কণ্ঠে সেই চিরচেনা আধিপত্য ফিরে এল—
“Don’t try to argue with me, You are still a kid!”
রিমি এবার আরশানের হাতটা নিজের কোলের ওপর টেনে নিল। ও আরশানের চোখের ওই ভয়টা পড়তে পারছে। ও শান্ত গলায় বলল….
“আপনি আমাকে যা ইচ্ছে তা-ই বলুন বকা দিন বা বাচ্চা বলুন তাতে কিচ্ছু যায় আসে না। কিন্তু আমাদের বেবি তো আসছে, এটা তো পরম সত্য! আপনি কি ওর আসার খবরে একটুও খুশি হননি?”
আরশান এবার রিমির দিকে ফিরে তাকালো। ও খুব ধীরস্থির কণ্ঠে বলল — “ডাক্তার কি বললো শুনলে না? তোমার শরীর অনেক দুর্বল। তোমার হিমোগ্লোবিন কম, তার ওপর কালকের ওই ব্যথা। এই অবস্থায় একটা বাচ্চাকে ক্যারি করা তোমার স্বাস্থ্যের জন্য কতটা চাপের হতে পারে সেটা কি জানা আছে?”
রিমি এবার আরশানের কাঁধে আলতো করে নিজের মাথাটা রেখে বললো — “তাতে কী হয়েছে? ডাক্তার তো কিছু নিয়ম মেনে চলতে বলেছে। আর আমার পাশে তো আপনি আছেন! আপনি আমার সব খেয়াল রাখবেন, আমার খাওয়া দাওয়া, বিশ্রাম সবকিছুর ওপর নজরদারি করবেন। আপনি পাশে থাকলে আমার কিচ্ছু হবে না আরশান।”
আরশানের মনে তখন এক তীব্র দ্বন্দ্ব চলছিল। সত্যি বলতে, কয়েক মিনিট আগেও ও এই প্রেগন্যান্সি নিয়ে দ্বিতীয়বার ভাবছিল। ও চাইছিল না রিমি এখনই এই যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যাক। ও চেয়েছিল রিমির পুরো সময়টুকু আরো অনেকটা সময় শুধু ওর একার জন্য থাকুক। কিন্তু না হওয়ার খবর শুনে রিমির চোখে যে আনন্দ আর তৃপ্তি দেখেছে তাতে আরশান নিজের সব যুক্তি ভুলে গেল। এই আনন্দের অপমৃত্যু ঘটানোর অধিকার ওর নেই!
______________________________________
বাড়িতে রিমির প্রেগনেন্সির খবরটা যেন এক পশলা খুশির জোয়ার নিয়ে এল। সুরভী বেগম তো খুশিতে কেঁদেই ফেললেন, বড় ছেলের ঘরের প্রথম সন্তান আসবে এই আনন্দে তিনি সারাবাড়ি মাথায় তুলেছেন। আয়ান আর ইনায়াও চাচা ও ফুপি হিসেবে নতুন পরিচয় পাওয়ার উত্তেজনায় গদগদ হয়ে উঠেছে। কিন্তু এই সব খুশির আবহের মাঝে একজন মানুষ একদমই স্বাভাবিক হতে পারছে না, সে আরশান। বরং তার দুশ্চিন্তা আর সতর্কতা এখন আকাশচুম্বী। ও আগে থেকেই ছিল নিয়মনিষ্ঠ আর মেপে চলা মানুষ, কিন্তু এখন সেই অভ্যাস এক চরম পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। রিমির জন্য ও একটা কড়া রুটিন তৈরি করে দিয়েছে, যা ভাঙার সাধ্য কারো নেই!
সেদিন দুপুরে রিমি একটু দেরি করে পড়ার টেবিল থেকে উঠেছিল। ভার্সিটির নোটসগুলো গোছাতে গিয়ে খাওয়ার সময়টা ১৫ মিনিট পেরিয়ে গেছে। তখন আরশানের ভিডিও কল এলো, রিমি কল ধরতেই আরশান ওকে টেবিল দেখাতে বললো। টেবিলে কোনো খাবার নেই দেখে ও গম্ভীর কণ্ঠে প্রশ্ন প্রশ্ন করল…
“দেড়টায় খাওয়ার কথা ছিল রিমি। এখন একটা পঁয়তাল্লিশ। পনেরো মিনিট দেরি হয়ে গেছে এখনও খেতে বসোনি কেনো?”
রিমি থতমত খেয়ে চেয়ার টেনে বসল। ও ভেবেছিল এই সময় অন্তত একটু ছাড় পাবে — “আরে আরশান, মাত্র পনেরো মিনিট তো! একটু নোটসগুলো গুছাচ্ছিলাম। আমি এখুনি…”
“No excuse! নিজের যত্ন যদি নিজে নিতে না পারো, তবে কাল থেকে তোমার ক্লাসে যাওয়া বন্ধ!”
রিমির মনে হলো ও কোনো কঠিন জেলখানায় বন্দি। শুধু খাওয়ার সময় নয়, ঘুমের বেলাতেও আরশান একচুল ছাড় দিচ্ছে না। রাত দশটা বাজার আগেই আরশান ল্যাপটপ বন্ধ করে ঘরে চলে আসে। রিমি হয়তো তখন ফোনে কোনো গল্পের বই পড়ছিল বা ইনায়ার সাথে মেসেজে কথা বলছিল। আরশান ঘরে ঢুকেই ফোনটা হাত থেকে নিয়ে নিল — “দশটা বেজেছে। ফোন অফ করো আর চোখ বন্ধ করো।”
রিমি বিরক্ত হয়ে বলল — “আরশান! আমার তো এখন ঘুম পাচ্ছে না। অন্তত আরও আধঘণ্টা…”
আরশান কোনো তর্কে গেল না। ও রিমিকে আলতো করে শুইয়ে দিয়ে ওর গায়ের ওপর চাদরটা টেনে দিল।
“তোমার শরীর এখন শুধু তোমার নয় রিমি। তুমি বিশ্রাম না নিলে ওর ওপর চাপ পড়বে। আর ওর ওপর চাপ পড়া মানেই তোমার অসুস্থ হওয়া যেটা আমি কোনোভাবেই হতে দেব না।”
রিমি অন্ধকারের মাঝেও আরশানের অস্থিরতা অনুভব করতে পারল। ও বুঝতে পারছে, আরশান আসলে ওকে নিয়ে ভীষণ আতঙ্কিত। বাচ্চার প্রতি মায়ার চেয়েও রিমির ভালো থাকাটা আরশানের কাছে বড় দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ও রিমিকে এতটাই চোখে চোখে রাখতে শুরু করেছে যে, রিমি এখন বারান্দায় দাঁড়িয়ে একটু বাতাস খেতে গেলেও আরশান পেছন থেকে এসে গায়ে কিছু জড়িয়ে দেয় বা বলে— “ভেতরে এসো, ঠান্ডা লেগে যাবে।”
রিমি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে আরশানের হাতটা নিজের হাতের মুঠোয় নিল। ও ভেবেছিল প্রেগনেন্সিতে ও একটু আদুরে আবদার করবে, আরশানকে দিয়ে যা খুশি করিয়ে নেবে। কিন্তু ফল হয়েছে উল্টো আরশান এখন ওর ওপর অদৃশ্য এক পাহাড়ের মতো দাঁড়িয়ে আছে, যে রিমির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে গিয়ে নিজেকেও শান্ত হতে দিচ্ছে না। রিমি আরশানের দিকে ফিরে শুয়ে ম্লান হেসে বলল…
“আপনার এই শাসন তো আমাকে হাপিয়ে তুলছে। একটু তো রিল্যাক্স হতে দিন আমায়!”
আরশান ওর কপালে একটা দীর্ঘ চুমু খেয়ে ফিসফিস করে বলল…
“বেবি না আসা পর্যন্ত এভাবেই চোখে চোখে রাখা হবে তোমাকে। Get used to it”
চলবে…
[সম্ভবত আগামীকালই শেষ হবে গল্পটি ‼️]
আগের পর্বের লিংক: https://www.facebook.com/share/p/1EtamzuSgq/?mibextid=oFDknk

