#বোকামন
#পর্ব_৩৭
#Tahsin_Atoshi
রাস্তার জ্যাম পেরিয়ে মেয়ের বাড়ি অবশেষে হাজির হলো সকলে। সকলকে আসতে দেখে অর্নির বাবা-মা সহ বাকি বড়রাও এগিয়ে এলেন। বড়রা বড়দের মতো কথাবার্তায় ব্যস্ত হওয়া দেখে হুমায়রা,স্মৃতি ও মিষ্টি মিলে ধীর পায়ে হাজির হয় অর্নিদের রুমে। অর্নি ও তুলি দুজনকেই হলুদের সাজে পুতুলের মতো লাগছে। হুমায়রা একটা চেয়ার নিয়ে উল্টো হয়ে বসে বলল,
-হায়…! তোমাদের দেখলে আমার ভাইয়েরা অকালে মৃত্যুবরণ করবে গো ভাবি…!
হুমায়রার এমন কথা শুনে ভরকায় তুলি। মন খারাপ করে বলে,
-কি বলছো হুমু…! দেখতে কি বেশি খারাপ লাগছে?
-আরে পরীদের মতো সুন্দর লাগছে তোমাদের। বুঝলাম এবার আমার ভাইয়েদের ডায়বেটিস হতে বেশি সময় লাগবে না।
হাসে দু’জন। অর্নি তুলিদের সাথে আরো দুজন মেয়ে বসে ছিল। হুমায়রা তাদেরকে এক নজর দেখে বলে,
-আপু আপনারা কিছু মনে না করলে বাইরে যাবেন একটু? না মানে আমি আমার ভাবিদের সাথে একটু কথা বলতাম।
মেয়ে দুটোও আর না করে না। চুপচাপ স্থান ত্যাগ করে। ওরা বাইরে বের হতেই মিষ্টি দরজা আটকে বিছানার একপাশে এসে বসে। অর্নি কৌতুহল নিয়ে বলে,
-কি এমন কথা বলবে যে আমার বোনদের বের করে দিলে?
-আরে আরে ভাবি গণ পারসেনাল কথা। একটু অপেক্ষা করো।
আবার কিছু ভেবে বলল,
-তোমাদের ফোন কোথায়?
মন খারাপ হয় দুজনারই। তুলি মন খারাপ করে বলে,
-আম্মু নিজের কাছে রেখে দিয়েছে। বলে কিছুদিন কথা না বলে থাকতে। দূরে থাকলে নাকি ভালোবাসা বারে।
এই কথাশুনে সকলেই হাসে। স্মৃতি মুচকি হেসে বলে,
-আন্টি মনে হয় খুবই রোম্যান্টিক। আঙ্কেলকেও বোধহয় এভাবেই অপেক্ষা করিয়েছে।
স্মৃতির কথায় আরেক দফা হাসে সকলে। হুমায়রা আর উপায় না পেয়ে নিজের ফোন দিয়ে কল করে অনিলকে। কল রিসিভ হতেই অর্নির হাতে ধরিয়ে বলে,
-নেও ভাবি টু তুমি আগে কথা বলো।
তুলি এবার মুখটা বাংলার পাঁচের মতো করে ফেলে। তা দেখে হুমায়রা তুলির দুই গাল টেনে বলে,
-ওলে আমার ভাবিটা এভাবে মন খারাপ করতে হবে না। তোমার ব্যবস্থাও করে দিচ্ছি ওয়েট।
বলেই দরজা খুলে বাইরে আসে হুমায়রা৷ আশেপাশে ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে খুঁজতে থাকে শুভকে। কিন্তু না লোকটাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়না৷ এরই মাঝে পেছন থেকে কারো ডাক পরতেই দ্রুত পেছনে তাকায়। একটা ছেলে দাঁড়িয়ে আছে। বয়স আনুমানিক ২৫/৩০ এর মাঝামাঝি হবে। হুমায়রাও কৌতুহল নিয়ে তাকায়। ছেলেটা হেসে বলে,
-হায় আমি রাহাত। আপনি ছেলের কি হন?
হুমায়রাও এবার নরমাল ভাবেই উওর দেয়,
-ছোট বোন। আর আপনি?
-আমি মেয়ের খালাতো ভাই। তাহলে আপনি তো আমার বেয়ান। ভালোই মজা করা যাবে।
ঠোঁট উল্টায় হুমায়রা। একা একা বিরবির করে বলে,
“আর মজা করতে দিলে হয়। এইটুকু কথা বলছি তা দেখেই না বারোটা বাজায় আমার।”
বলতে দেরি পেছন থেকে কাশির আওয়াজ পেতে খুব একটা দেরি হয়না। হুমায়রাও হেসে তাকায়। শুভ মুখটা ভার করেই তাকিয়ে আছে। তাকে দেখে হুমায়রা হেসে ছেলেটার দিকে তাকিয়ে বলে,
-এটা আমার হাসবেন্ড। ওনার সাথে আড্ডা দিন।
বলে শুভর পাঞ্জাবির পকেটে হাত দিয়ে মেবাইলটা নিয়েই ঘরের দিকে দৌড় দেয়। ছেলেটা যাওয়ার পানে তাকিয়ে আবার শুভর দিকে তাকায়। ভ্রু কুঁচকে বলে,
-আপনি সত্যিই ওনার হাসবেন্ড? দেখে তো বিবাহিত মনে হয়না।
ভ্রু কুঁচকায় শুভ। গম্ভীরতা নিয়েই বলে,
-চেহারায় লেখা থাকে নাকি বিবাহিত নাকি বিবাহিত না। নিজের চরকায় তেল দিন।
বলেই স্থান ত্যাগ করে শুভ।
হুমায়রা হাপাতে হাঁপাতেই ঘরে এসে বসে। তা দেখে অবাক হয় সবাই। স্মৃতি কৌতুহল নিয়ে বলে,
-কোথায় গিয়েছিলি? আর এমন হাঁপাচ্ছিস কেন?
বিছানায় বসে হাফ ছেড়ে বসে হুমায়রা। শুভর ফোন দিয়ে অমিতকে কল করে তুলির হাতে দেয়। এরপর স্মৃতির দিকে তাকিয়ে বলে,
-কপালে জুটেছে না একটা হাসবেন্ড। আর শান্তি আমার।
-এই একদম আমার ভাইকে নিয়ে কিছু বলবি না। কি করেছে কি হ্যাঁ।
ভ্রুঁ কুঁচকায় হুমায়রা। গম্ভীরতা নিয়ে বলে,
– আর কি ভাবিদের খালাতো ভাই একটু আমার সাথে কথা বলেছে। ওমনি কোথা থেকে টপকে পরে এমন ভাবে তাকিয়ে ছিল মনে হয় যেন এক্ষুনি কাটা চামচ দিয়ে চিবিয়ে খেয়ে ফেলবে।
-ভালো হয়েছে। তুই কথা বলেছিস কেন?
হুমায়রা আর কথা বলে না। বলেই বা কি লাভ। তার বেস্টফ্রেন্ড কি আর আগের মতো আছে? সে এখন ভাই পাগল হয়ে গেছে। স্মৃতিও কথা বাড়ায় না। চুপচাপ নিচে চলে আসে। আসেপাশে তাকিয়ে আহানকে খোঁজার চেষ্টা করে। ওমনি চোখ যায় এক কোণে। সেখানে দাঁড়িয়েই ফোন ঘাটাঘাটি করছে আহান। পাশে দাড়িয়ে আছে শুভ,তুহিন। সেদিকে পা বাড়াতেই হুট করে সামনে একটা ছেলে হাজির হয়। মুচকি হেসে বলে,
-হায় আমি রাহাত। আপনিও কি ছেলের বোন?
স্মৃতির কেন জানি সহ্য হয়না বিষয়টা। কিছু বলবে তার আগেই পেছন থেকে আহানের কন্ঠ শোনা যায়। হেসে বলে,
-আরে রাহাত কি অবস্থা? আমার বউয়ের সাথে কি কথা হচ্ছে শুনি?
রাহাত ভরকায় কিছুটা। আহানের দিকে তাকিয়ে বলে,
-বুঝলাম না দুলাভাইয়ের বাড়ির সব মেয়েই কি বিবাহিত? সিঙ্গেল কি একটাও পাবো না?
হাসে আহান। পাশ থেকে তুহিন বলে,
-একজন আছে সিঙ্গেল। সেখানে চান্স মারতে পারিস।
রাহাতও যেন আশার আলো পায়। ইশারায় জিজ্ঞেস করে কে সে। তুহিনও ইশারায় সামনে আঙুল তাক করে। আঙুলটা ঠিক মিষ্টির বরাবর। তা দেখে স্মৃতি বলে,
-কিন্তু মিষ্টি তো….
-কিছুই না।
স্মৃতির কথার মাঝেই বলে দেয় তুহিন। স্মৃতিও কথা বাড়ায় না। চুপচাপ স্থান ত্যাগ করে।
মিষ্টি কিছুক্ষণ যাবৎ তুহিনকেই খুজছিল। হঠাৎ তুহিনকে নিজের দিকে আঙুল তাক করতে দেখে একটু অবাক হয়। ধীরে ধীরে সামনে পা বাড়াতেই একটা মেয়ে এসে হাজির হয় তুহিনের সামনে। তাই দেখেই থেমে যায় মিষ্টি। মন খারাপ করে দেখতে থাকে তুহিন কীভাবে হেসে হেসে মেয়েটার সাথে কথা বলছিল। এরই মাঝে পেছন থেকে রাহাত মিষ্টির পাশে এসে দাড়ায়। হালকা কাশি দিয়ে বলে,
-হাই বেয়ান কেমন আছেন?
মিষ্টি এক নজর দেখে রাহাতকে। বিরক্তি মাখা চেহারা নিয়ে নাক কুঁচকে পা বাড়ায় তুহিনের কাছে। ততক্ষণে প্রায় সকলেই ড্রইং রুমে হাজির হয়েছে। হুমায়রা আর স্মৃতি মিলে অর্নি ও তুলিকে নিয়ে নামছে। সেদিকে ভ্রুক্ষেপ করে না সে। তুহিনের সামনে এসে দাঁড়িয়ে বলে,
-মেয়েটা কে ছিল?
মিষ্টির প্রশ্নে অবাক হয় তুহিন। তবুও গম্ভীরতা নিয়েই বলে,
-অর্নিদের চাচাতো বোন কেন?
-হেসে হেসে কি কথা বলছিলেন?
-তা জেনে তোমার কাজ?
তুহিন সামনের দিকে তাকিয়ে তাকিয়েই কথা বলছিল। রাগ হয় মিষ্টির। তুহিনের পাশ থেকে এবার সামনে এসে দাড়ায়। কিছু বলতে যাবে তার আগেই তুহিন বলে,
-সামনে থেকে সরো। যেতে দাও আমায়।
এবার আরো জেদ হয় মিষ্টির। রাগে চোখে পানি চলে আসে। সেভাবেই পথ আটকে বলে,
-আপনি কেন অন্য মেয়েদের সাথে কথা বলবেন? এতো কথা কিসের আপনার? আপনি কেন বুঝেন না আমি আপনাকে ভালোবা…
কথা শেষ হওয়ার আগেই সজোরে একটা থাপ্পড় পরে মিষ্টির গালে। সাথে সাথেই পুরো ঘর যেন স্তব্ধ হয়ে যায়। ড্রইং রুমের মাঝেই দাঁড়িয়ে আছে দু’জন। তুহিন রাগ নিয়ে বলে,
-সমস্যা কি তোমার মেয়ে? বুঝো না আমি তোমাকে ইগনোর করছি? আমি ভালোবাসি না তোমাকে। কথাটা মাথায় ভালোমতো ঢুকিয়ে নাও। আর একবার যদি আমার পিছু পিছু আসতে দেখেছি বা অধিকার খাটাতে দেখেছি আমার থেকে খারাপ কেউ হবে না। নাউ গেট লস্ট..!
পুরো মহলটা কেমন নিস্তব্ধ হয়ে রয়। সবার সামনে এমন অপমান হওয়াটা মিষ্টিরও খুব একটা ভালো লাগে না। সাথে সাথেই সেখান থেকে চলে যায় সে। হুমায়রা পিছু যেতে চাইলে শুভ হাত আটকে দেয়। চোখের ইশারায় এখানেই থাকতে বলে। তুহিনেরও রাগ হয়। সবার দিকে তাকিয়ে বলে,
-আপনারা নিজেদের কাজ করুন। সরি ফর দ্যাট।
বলে সেও স্থান ত্যাগ করে। হলুদ সন্ধ্যা কেটে যায় মজাহীন নিস্তব্ধতা নিয়েই। আহান ও স্মৃতিও তাদের বাসায় চলে আসে। স্মৃতি এসেই জামা কাপড় নিয়ে ঢুকে পরে ওয়াশরুমে। আহানও একই কাজ করে অন্য রুমে গিয়ে। ফ্রেশ হয়ে বাইরে আসতেই স্মৃতিকে বিছানায় সুয়ে থাকতে দেখে অবাক হয়। সেও পাশে সুয়ে বলে,
-দুজন একসাথেই ওয়াশরুমে গেলাম। তাহলে তুমি এতো জলদি বের হলে কীভাবে?
দীর্ঘশ্বাস ফেলে স্মৃতি। আহানের দিকে তাকিয়ে বলে,
-কালো মানুষ আমি। আমার এতো রূপ চর্চার প্রয়োজন হয়না। তাই। আপনারা তো সবাই সুন্দর।
হাসে আহান। স্মৃতি এবার উঠে বসে। জিজ্ঞেস করে,
-রাতে কি খাবেন? কি রান্না করবো?
উঠে বসে আহান। স্মৃতির দিকে তাকিয়ে বলে,
-রান্না করতে হবে না। বাইরে থেকে অর্ডার করে নিবো না হয়।
স্মৃতিও কথা বাড়ায় না। উঠে বাইরে আসতে চাইলেই হাত ধরে আটকে দেয় আহান। স্মৃতির দুই কাঁধে হাত রেখে জিজ্ঞেস করে,
-এখন বলো কি বলা বাকি আছে তোমার? আজ সব জানতে চাই।
হুট করেই স্মৃতির হাসি মাখা মুখটা মলিন হয়ে যায়। মন খারাপ করে আহানের চোখেচোখ রাখে। কিছুক্ষণ নিরবতা কাটে দু’জনের মাঝে। একটা বড় শ্বাস নিয়ে স্মৃতি বলে,
-আ….আমি কখনো মা হতে পারবো না আহান।
স্মৃতির কথায় সোজা হয়ে দাড়ায় এবার। কৌতুহল নিয়ে তাকাতেই হ্যা সূচক মাথা নাড়ায় স্মৃতি। চোখ থেকে গড়িয়ে পরে দুফোঁটা পানি। আবারো কিছুক্ষণ নিরবতা কাটে। হুট করেই আহান মুচকি হাসে। স্মৃতির দিকে তাকিয়ে বলে,
-এর জন্য তুমি….
হ্যা সূচক মাথা নাড়ায় স্মৃতি। আহান দুই কাঁধে হাত রেখে নাকের সাথে নাক ঘষে বলে,
-আল্লাহ চাইলে সব সম্ভব। ডাক্তার দেখালেই হলো। আর এতে তো আমার কোনো সমস্যা নেই ম্যাম। বাচ্চা আমার এমনিতেও পছন্দ না।
ঠোঁট উল্টায় স্মৃতি। আহান আবারো স্থির হয়ে দাড়ায়। কোমড় জড়িয়ে কাছে টেনে বলে,
-তখন রাহাতের সাথে কি কথা বলছিলে তুমি?
-কিছু না।
-মিথ্যা..!
-সত্যি। আমি আপনার কাছে যাচ্ছিলাম তখন পথ আটকে জিজ্ঞেস করলো আমি ছেলের বোন কিনা। আর কিছুই না।
-ওকে মেনে নিলাম। তবুও শাস্তি পেতে হবে।
-কিসের শাস্তি? আ্ আমি কি করেছি।
-অনেক কিছু।
-কিন্তু আমি তো….
কথা শেষ হওয়ার আগেই চুপ হয়ে যায় স্মৃতি। হুট করে আহানের করা কান্ডে নিজেই ভরকে যায়। যখন নিজে বুঝে উঠতে পারে আসলে কি করছে লোকটা আর বাধা দেয়ার প্রয়োজন মনে করে না সে। এবার সায় দেয় আহানের সাথে। কিছু সেকেন্ড পর অধর জোড়া ছাড়ে আহান। স্মৃতির মন খারাপ হয় কিছুটা। পুরোনো স্মৃতি হানা দিচ্ছে আবারো মাথায়। সাথে সাথেই জড়িয়ে ধরে আহানকে। হঠাৎ স্মৃতির এমন আচরণে একটু অবাক হয়। হয়তো কিছুটা আন্দাজ করতে পারে সেও। তাই আর কোনো কথা ছাড়াই নিজেই সাথে জড়িয়ে রাখে।
.
বাসায় এসেই নিজেকে ঘর বন্দি করে ফেলেছে মিষ্টি। বিষয়টায় খুব অবাক হয় মিষ্টির মামি রেহেনা বেগম। দরজার কাছে এসে কিছুক্ষণ ডাকাডাকি করে। কিন্তু ভেতরে থেকে উওর আসে না। দরজায় হাত রাখতেই দরজা খুলে যায়। ধীরে ধীরে পা বাড়ায় ঘরের ভেতর। পুরো রুম অন্ধকার করে বসে আছে মিষ্টি । এটা তার কাছে নতুন কিছু নয়। মিষ্টির বাবা-মায়ের কথা মনে পরলেও কান্না করার জন্য এভাবেই ঘর অন্ধকার করে বসে থাকে সে। আলো জালানোর প্রয়োজন মনে করে না রেহেনা বেগম। ধীরে পায়ে বাইরে আসা আলোতেই মিষ্টিকে দেখে পাশে গিয়ে বসে। মাথায় হাত বুলিয়ে জিজ্ঞেস করে,
-আমার মামনি কাঁদছে কেন? কেউ কি কিছু বলেছে?
মিষ্টিও সাথে সাথে জড়িয়ে ধরে শব্দ করেই কান্না করে। কান্না করতে করতে বলে,
-সবাই আমাকে ছেড়ে চলে যায় কেন মামি। কি দোষ আমার। কোন পাপের শাস্তি দিচ্ছে আল্লাহ আমাকে। যদি শাস্তি দেয়ারই হয় আমাকেই তো মেরে ফেলতে পারে তাই না। এটা কেমন শাস্তি…?
রেহেনা বেগম ঠিক কি বলবেন বুঝতে পারেনা। চুপ থেকেই জড়িয়ে রাখেন নিজের সাথে। হঠাৎ করেই মিষ্টি ছেড়ে দেয় রেহেনা বেগমকে। চোখের পানি মুছে নিজেকে ঠিক রাখার চেষ্টা করে। এরপর বলে,
-মামি মামা আমার জন্য বিয়ের প্রস্তাব এনেছিল না? আমি রাজি। বিয়ে করবো আমি। মামাকে কথা বলতে বলো।
#চলবে……..!
(গল্প প্রায় শেষের পথে। আশা করি যারা নিঃশব্দে পড়েন তাদের রেসপন্স পাবো 🫡)

