বোকামন #পর্ব_৪৪

0
3

#বোকামন
#পর্ব_৪৪
#Tahsin_Atoshi

কেটে যায় প্রায় এক সপ্তাহ। সবাই ব্যস্ত নিজেদের কাজকর্মে। সকাল সকাল অফিস যাওয়া, কাজ করে আবার ক্লান্ত হয়ে রাতে ফিরে আসা এটাই যেন ছেলেদের রুটিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিনের মতো শুভও আজ ক্লান্ত হয়েই বাসায় ফেরে। বাসায় এসে হুমায়রাকে ঘরে না পেয়ে একটু অবাক হয়। আবার ভেবে নেয় হয়তো মৌমিতার সাথে আছে। তাই ওয়াশরুমে ঢুকে ফ্রেশ হয়ে নেয়। বাইরে এসে তখনও রুম খালি দেখে বিরক্ত হয় খুব। একা একা বিরবির করে বলে,,

„ মেয়েটা কি বুঝে না অফিস থেকে ফিরে মেয়েটাকে না দেখলে মনটা ভালো লাগে না। তবুও এমন করবেই। ”

ঘরের বাইরে পা বাড়াবে তখনই ফোনে একটা ম্যাসেজ আসে। হুমায়রার ম্যাসেজ। ছোট্ট করে লেখা,,,,

“রেস্ট নেয়া হয়ে গেলে ছাদে আসুন। ”

ম্যাসেজ দেখে একটু অবাক হয় শুভ। পা বাড়ায় ছাদের দিকে। দরজার কাছে এসে থামে। দরজা খুলতেই ছাদের পরিবেশ দেখে একটু অবাক হয়। মনে পরে হুমায়রা ও তার সেই মুহূর্তের কথা যেদিন সে হুমায়রার কাছে একটা সুযোগ চেয়েছিল। হাসি মুখেই সামনে পা বাড়ায়। হুমায়রার দিকে চোখ পরতেই আবারো থমকে দাড়ায় সে। গাড় নীল রঙের একটা শাড়ি পরে আছে হুমায়রা৷ চুল খোলা আর মুখে হালকা মেকআপ। এতেই অপরূপা লাগছে। ধীরে ধীরে হুমায়রার দিকে পা বাড়াতেই হুমায়রা থামিয়ে বলে,

-ওখানেই চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকুন।

শুভও থামে। কৌতুহল নিয়ে তাকিয়ে রয় শুধু। হুমায়রা ছাদের অন্যপাশে চলে যায়। এরপর ধীর পায়ে একটা কেক হাতে হাজির হয় শুভর সামনে। মুচকি হেসে বলে,

-আপনার মতো এতো ভালো আয়োজন করতে পারিনি। একা হাতে কতটুকু করা যায় বলুন।সে যাই হোক…

Happy Birthday Mr. Oshuvho..Many many happy returns of the day.

শুভ অবাক হয়। পকেট থেকে ফোন বের করে তারিখটা দেখে নেয়। হ্যাঁ আজ তার জন্মদিন৷ কিন্তু হুমায়রা কীভাবে জানলো তাই তো মাথায় ঢুকছে না৷ সে কখনো বলেনি তার জন্মদিনের কথা। তাহলে? শুভকে ভাবনায় পরে থাকতে দেখে হুমায়রা ঠোঁট উল্টে বলে,

-পছন্দ হয়নি? সাঈমার মতো এতো সুন্দর করে হয়তো করতে পারিনি।

হাসে শুভ। হুমায়রার হাত থেকে কেকটা নিয়ে টেবিলের উপরে রেখে কাছে এসে দাঁড়ায় এবার। কৌতুহল নিয়ে জিজ্ঞেস করে,

-তুমি কীভাবে জানলে আজ আমার জন্মদিন?

-ও্ ওই আসলে বিয়ের দিন ডেটটা দেখেছিলাম।

অবাক হয় শুভ।

– বিয়ই তো করতে চাইছিলে না। অথচ বার্থ ডেট দেখে তা মনেও রেখেছ….!

-চ্ চোখে পরেছে তাই আর কি? কেক কাটবেন আসুন।

-চলো..!

দুজন এগিয়ে যায় কেকের দিকে৷ কেক কেটে শুভ একটুখানি খায়িয়ে দেয় হুমায়রাকে। হুমায়রাও একটু কেক হাতে তুলে নেয়। আবারো জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে একটু কেক এগিয়ে দেয় শুভর মুখের দিকে। শুভও হেসে হা করতেই পুরো কেক মাখিয়ে দেয় মুখে৷ হঠাৎ এমন কান্ডে অবাক হয় শুভ৷ এটা সে একদমই আশা করেনি৷ সেও একটু কেক নিয়ে মাখাতে যাবে তার আগেই হুমায়রা দৌড় দিয়ে ঘরে চলে আসে। পিছু পিছু শুভও আসে এবার৷

দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করে আসেপাশে ভালোমতো দেখে৷ কিন্তু নাহ হুমায়রা নেই। কোথায় গেল মেয়েটা? বুঝে উঠতে পারে না সে৷ মুখে ক্রিম লেগে থাকায় একটু বিরক্তও লাগে। চুপচাপ মুখ ধুয়ে বাইরে চলে আসে। সেই মুহূর্তেই বিছানায় চোখ যায়৷ হুমায়রা পা ঝুলিয়ে বিছানায় সুয়ে আছে৷ শুভও গিয়ে পাশে সুয়ে পরে। মাথাটা হুমায়রার দিকে ঘুরিয়ে বলে,

-আমার জন্মদিনের গিফট?

হুমায়রাও উপরের সিলিং এর দিকেই তাকিয়ে ছিল। এমন প্রশ্নে ভ্রুঁ কুঁচকে তাকায় । এরপর বলে,

-আপনার জন্য কষ্ট করে কেক বানালাম৷ আর কি গিফট দিবো? আমার কাছে টাকা আছে নাকি হ্যাঁ?

-কেক তো আর খায়িয়ে দিলে না৷ আর টাকা দিয়েই সব উপহার দিতে হবে এর কোনো মানে নেই৷

ভ্রু কুঁচকে তাকায় হুমায়রা। এবার এক হাতে ভর দিয়ে ভালোমতো শুভর দিকে তাকায়৷ কৌতুহল নিয়ে জিজ্ঞেস করে,

-টাকা ছাড়া কি গিফট আছে? আমি তো জানি না৷ বলুন আমি দিচ্ছি।

-সত্যি দিবে?

-হুম দিবো তো।

ঠোঁট কামড়ে হাসে শুভ। এরপর বলে,

-আজকের রাতটা স্মৃতিময় করতে দিবে?

শুভর কথার মানেটা ঠিক বুঝে উঠতে পারে না হুমায়রা৷ কিছুক্ষণ সেভাবেই তাকিয়ে থাকে৷ যখন বুঝতে পারে সাথে সাথেই অন্যদিকে ফিরে চায়। ঠোঁট উল্টায় শুভ৷ মন খারাপ করে বলে,

-এই যে ম্যাম। আপনি আমার বিয়ে করা স্ত্রী৷ অথচ কাছে আসার সুযোগই দেন না। কিসের স্পেশাল ডে অপেক্ষা। এখনো কি আসেনি সেই দিন?

কথা বলেনা হুমায়রা। অন্যদিকে তাকিয়ে থাকে। এখন একটু রাগ হয় শুভর। গম্ভীর কন্ঠে বলে,

-বন্ধুদের মাঝে সবার আগে বিয়ে করেছি আমি। অথচ আমার বউ আমাকে পাওাই দেয়না৷ কি যে করবো।

তবুও হেলদোল পাওয়া যায়না হুমায়রার৷ শুভও এবার রাগ দেখিয়ে বলে,

-ওকে যাও৷ আর কখনো যাবো না তোমার কাছে৷ থাকো তোমার স্পেশাল…

কথা শেষ করার আগেই অধর জোড়া নিজের দখলে নিয়ে থামিয়ে দেয় হুমায়রা। কিছুক্ষণ পর ছেড়ে বিছানায় আবারো সুয়ে পরে। শুভ তখনও থমকে আছে। মাত্র হওয়া ঘটনাটা যেন তার ভাবনার বাহিরে ছিল। হুট করেই ঠোঁটে হাসি ফুটে ওঠে৷ আবারো হুমায়রার অধর জোড়া নিজের দখলে নিয়ে নেয়। হুমায়রা বাধা দেয়না এবার। কিছুক্ষণ বাদে ছেড়ে ইশারায় জিজ্ঞেস করে সে তার বউকে কি এবার নিজের করে নিতে পারবে?

___

স্মৃতি চুপচাপ ছাদের উপর দাঁড়িয়ে আছে। গোধুলি বিকেল। সূর্যটাও ধীরে ধীরে নিচে নেমে আসে। চারিপাশের লাল আভা দেখতে ভালোই লাগছে। মাত্রই ফুল গাছগুলো একটু ভালোভাবে পরিষ্কার করে এখন দাঁড়িয়েছে। বাসায় একা একা থাকতে থাকতেও বিরক্ত লাগছে।
ভার্সিটিতে গেলে সবার সাথে একটু দেখা হয়। কিন্তু বাসায় পুরো একা। দু’দিন যাবৎ শরীরটাও খুব একটা ভালো লাগছে না৷ ভেবেছিল ডাক্তার দেখাবে। কিন্তু আবার নিজের অলসতার জন্য যাওয়া হয়না। মন খারাপ করে আকাশের দিকে তাকিয়ে রয়। ফোনটা হাতেই রিং হতে এক পলক দেখে নেয় কে কল করলো। আননোন নাম্বার দেখে একটু কৌতুহল হয়। তবুও রিসিভ করে সালাম দেয়৷ অপর পাশ থেকেই সালামের উওর আসে।

-জ্বী কে বলছেন?

-আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী।

-দুঃখিত আমার কোনো শুভাকাঙ্ক্ষী নেই।

-নেই তাহলে বানিয়ে ফেলুন। বাই দা ওয়ে আপনি কি সিঙ্গেল?

লোকটার এইটুকু প্রশ্ন শুনতেই সাথে সাথে কল কেটে নাম্বার ব্লক করে দেয়৷ আবারো দূর আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে।

___

সন্ধ্যা হওয়ায় একটু বই নিয়ে বসেছে মিষ্টি৷ কিছুদিন পর পরীক্ষা পড়তে তো হবেই৷ তুহিনের কড়া নির্দেশ। সে নিজেই বই পড়ায়৷ আর পড়া দেয় এক গাদা৷ সারাদিন তাই পড়তে পড়তেই জীবন শেষ হয় মিষ্টি৷ বেচারি মাঝে মাঝে নিজেকে নিজেই বকে৷ বিরবির করে বলে,

“বিয়ে করলাম না জানি প্যারায় পরলাম৷ দূর বিয়ে ছাড়াই শান্তিতে ছিলাম। ”

-আচ্ছা…? কে জানি পাগলামি করেছিল আমার জন্য?

হঠাৎ তুহিনের কন্ঠ শুনে ভরকায় মিষ্টি৷ জোরপূর্বক হেঁসে বলে,

-ক্ কেন কি হয়েছে?

-কি বলছিলে যেন?

-ক্ কই কিছু না তো।

তুহিন হাতের ব্যাগটা রেখে বিছানার উপর বসে৷ দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে,

-হুম তা পরে বুঝবো। এখন এক গ্লাস পানি দাও৷ অনেক পানি তৃষ্ণা পেয়েছে।

মিষ্টিও কথা বাড়ায় না৷ ধীর পায়ে উঠে এক গ্লাস পানি এগিয়ে দেয়। তুহিন এক নিশ্বাসে পানি পান করে বলে,

-হুম যাও পড়তে বসো।

ঠোঁট উল্টায় মিষ্টি৷ একটু তুতলে বলে,

-প্ পড়তে ভালো লাগে না আমার৷ এই পড়াশোনা ঝামেলা খুব। বিয়ের পর কেউ পড়াশোনা করে নাকি হ্যাঁ?

ভ্রুঁ কুঁচকায় তুহিন৷ এরপর বলে,

-আচ্ছা..! তাহলে কি ভালোলাগে শুনি?

-ঘুরতে,খেতে আর ঘুমাতে।

-আচ্ছা? আমার পড়াশোনা ভালো লাগে। তাই তুমি এখন পড়বে। যাও৷

মন খারাপ হয় মিষ্টির৷ ঠোঁট উল্টে টেবিলে বসে বিরবির করে বলে,,

“দূর বিয়ে করেছি একজনকে৷ পুরো আনরোমান্টিক একটা হাসবেন্ড। শুধু পড়া আর পড়া…! ”

-রোমান্টিকতা দেখালে তখন কিন্তু সামলাতে পারবে না বলে দিলাম৷

হঠাৎ তুহিনের কথায় দ্রুত বইয়ের দিকে মনোযোগ দেয় মিষ্টি। তা দেখে হালকা হেসে ফ্রেশ হতে ওয়াশরুমে চলে যায় তুহিন ।

___
তুলি বসে বসে অমিতের কাজ দেখছে। অফিসে না গেলেও ঘরে বসে একটু আধটু সাহায্য করে সে। এতেই খুশি। কিন্তু অমিতের সব সময় কাজ করতে দেখে বিরক্ত হয় খুব। মন খারাপ করেই তাকিয়ে থাকে। এদিকে অমিত ল্যাপটপে কাজ করা অবস্থায় বুঝতে পারছে প্রেয়সীর রাগ করতে বেশি সময় লাগবে না। হালকা হেসে বলে,,

-আর কিছুক্ষন ম্যাম। এইটুকু শেষ করেই আপনার সাথে গল্প করবো।

ঠোঁট উল্টায় তুলি। মন খারাপ করে বলে,

-সারাদিন শুধু কাজ। আমি হেল্প করি যাতে একটু দ্রুত শেষ করে আমার সাথে গল্প করো। কিন্তু কি লাভ হয়?

-কাজ না করলে চলবো কীভাবে?

-তাই বলে সব সময়?

হাসে অমিত। ল্যাপটপ অফ করে এবার তুলির পানে তাকায়। মুচকি হেসে বলে,

-শেষ ম্যাম। এখন কি গল্প করবেন শুনি?

হাসে তুলি। অমিতের কোলের উপর বসে গলা জড়িয়ে ধরে বলে,

-জানি না। কিন্তু কাজও করতে দিবো না।

_____

অর্নি ঘরে একা বসে আছে। সন্ধ্যার সময় হলেই তুলি,অর্নি ও নীলা বেগম গল্প করে। কিন্তু হুট করেই নীলা বেগম চলে যান তার বোনের বাসায়৷ তাই এখন একাই বসে থাকা। এদিকে তুলি অমিতের সাথে কথা বলছে। অথচ অনিলের এখনো দেখা মেলেনি। অমিতের কাছে শুনেছে কোনো একটা কাজে দেরি হবে বলেছে৷ কিন্তু কি কাজ তা অজানাই তার কাছে৷ মন খারাপ করেই আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে।

ইচ্ছে হয় তার মায়ের সাথে কথা বলতে৷ ফোনটা হাতে নিয়ে আবার রেখে দেয়৷ ভেবে নেয় আগামীকাল কল করবে। আবারো ঘরে এসে বিছানায় চোখ বন্ধ করে সুয়ে পরে। চোখের কোন থেকে গড়িয়ে পরে দুই ফোঁটা জল ।

আজ তার জন্মদিন অথচ সকাল থেকে কেউ উইষও করেনি৷ বাসায় থাকলে তার মা নিশ্চয়ই আজ তার পছন্দের খাবার রান্না করতো। কিন্তু এবার তো বাসায় নেই৷ তাই বলে কি একবার কলও করবে না? অভিমান হয় তার৷ তুলিও উইষ করেনি তাকে। করবেই বা কেন? সেও তো তার হাসবেন্ডের সাথে ব্যস্ত। আর অনিল তার এতে কোনো ইন্টারেস্টই নেই যেন৷

দরজার আওয়াজে একবার চোখ খুললো অর্নি৷ অনিলকে দেখে চোখের পানি মুছে আবারো চোখ বন্ধ করে সুয়ে রইলো। অনিলও কিছু বললো না৷ চুপচাপ ফ্রেশ হয়ে অর্নির পাশেই সুয়ে পরলো। কাটলো দু’জনের মাঝে কিছুক্ষণের নিস্তব্ধতা। এরপর নিরবতা ভেঙে অনিলই জিজ্ঞেস করলো,

-বাইরে হাঁটতে যাবে?

চোখে খোলে অর্নি৷ তার ইচ্ছে হচ্ছিল বাইরে হাটতে যাওয়ার৷ মাথা নাড়িয়ে হ্যাঁ বুঝায়। অনিলও ইশারা করে রেডি হওয়ার জন্য।

রেডি হয়ে বেরিয়ে পরে রাতের অন্ধকারে। অর্ধপূর্ণ চাঁদটা মাথার উপর তাদের সাথেই চলতে থাকে। অর্নির নিস্তব্ধতা ঠিক লাগে না অনিলের। অর্নির দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করে,

-মন খারাপ?

অর্নি এক পলক দেখে নেয় অনিলকে। আবারো সামনে তাকিয়ে না সূচক মাথা নাড়ায়। কারণটা বললেও তো কিছুই হবে না। এতো বছরে কখনোই উইষ করেনি অনিল। তাহলে এবারই বা করবে কেন?

-আন্টির সাথে কথা বলোনি?

মাথা নাড়িয়ে আবারো না বুঝায় অর্নি। অনিলও কথা বাড়ায় না। ধীরে ধীরে সামনে এগিয়ে। নদীর পাশে ছোট্ট একটা পার্ক। সেখানেই দাড়ায় দু’জন। কিছুক্ষণ দাড়াতেই একটা নৌকা সামনে আসে। ভ্রু কুঁচকে তাকায় অর্নি৷ অনিলের দিকে তাকাতেই মুচকি হাসে অনিল। নিজে নৌকায় উঠে অর্নির দিকে হাত বাড়িয়ে দেয়। একটু খুশি হয় অর্নি। জন্মদিন মনে না রাখলেও এইটুকুই তার কাছে জন্মদিনের গিফট মনে হয়৷ নৌকায় এক কোণে বসে দুজন। মাঝি নিজ মনে নৌকা বাইতে শুরু করে। কিছুক্ষণ আবারো কাটে নিরবতা। এরপর অনিল বলে,

-জানি আজ তোমার জন্মদিন। কিন্তু এসব জন্মদিন পালন করা,উইষ করা আমার পছন্দ না। তাই আর উইষ করিনি। তবুও যেহেতু স্পেশাল ডে তাই আজকের মুহূর্তটাকেই না হয় গিফট হিসেবে নাও।

-তোমার মনে ছিল?

-মনে না রাখার বিষয় কি এটা? আমার প্রেয়সীর জন্মদিন বলে কথা। ভুলে যাই কীভাবে? আমার সব সময়ই মনে থাকে।

মুচকি হেঁসে তাকায় অর্নি৷ মনে মনে এইটুকুই বলে,,,

“কিছু ভালোবাসা নিঃশব্দেই সুন্দর..! ”

#চলবে….!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here