কথা_দিলো_রোদ্দুর (১৬) #তুসিকা

0
1

#কথা_দিলো_রোদ্দুর (১৬)
#তুসিকা
চোখ বাঁধা অবস্থায় অর্থি বুঝলো না সবাই এমন হেসে উঠেছে কেন, তাই তার হাতে ব্যাক্তিটি র হাতের বাঁধন আরো শক্ত করে বলল;
–” কি হয়েছে তোমরা হাসছে কেন,, আর কাকে ধরেছি তাও তোমরা বলছো না,, এখন ছেড়ে দিলে তো তোমরা আমাকে আবার চোর বানিয়ে দিবে।

কিন্ত অর্থির কথা যেন কেউ শুনছেই না,, সবাই তখনও খিলখিল করে আসছে,, তবে ফারিন হাসি চেপে রেখে বলল;
—”আপু চোখ খুলে দেখ, তুমি ইয়া বড় কাতল মাছ ধরেছো,,,,

অর্থির ও মনে হচ্ছে ভুল মানুষ কে ধরেছে, যাদের সাথে খেলছে তারা হলে তো চোখের বাঁধন খুলে দিত,, তাই অর্থি হাতের বাঁধন আলগা করে নিজেই চোখ থেকে গামছা টা খুলে নিল, প্রথমে চোখটা একটু ঘোলাটে লাগলে ও কয়েকবার চোখ পিটপিট করার পর নজরে আসলে সাম্যকে। মুখে তার মিটমিট হাসি,, এক হাত পকেটে দিয়ে ঠাঁই তাকিয়ে আছে অর্থির দিকে। অর্থি তাকে দেখে একটু ভ্যাকাচ্যাকা খেয়ে যায়,, এই সময়ে সাম্য কে সে হয়ত এখানে আশা করেনি,, তিনি হয়ত বিয়ে উপলক্ষে ই এসেছে,, আর সাম্য কে দেখছে সে কয়েকমাস পরই তাই অর্থির মুখের ভাব ভঙ্গি ও একটু পরিবর্তন হয়ে যায়,, মানে একটু চুপসে যায়।
ভুল বশত ফারিন ফাহা আর বাকিদের ভেবে সাম্য এভাবে আঁকড়ে ধরায়।

তাই অর্থি স্লান কন্ঠে বলল;
—” আপনি!! দুঃখিত আমি বুঝতে পারিনি,

তবে ফারিন তখন বলে ওঠে;
—” দুঃখিত কি বলছো অর্থি আপু,, সাম্য ভাইয়াকে ধরেছো না তুমি, তাই ভাইয়াকে এখন চোর হতে হবে।

বাকি সবাই ও বলে উঠলো; —- হ্যাঁ সাম্য ভাই এখন কানামাছির চোর হবে।

সবার কথা শুনে অর্থি কিছু টা আন্দাজ করতে পারছে সাম্য হয়ত আগে থেকেই এখানেই ছিল,, আর এই বাড়িতে ও তার আনাগোনা হয়েছে,, না হলে সবাই তার সাথে যেভাবে কথা বলছে অর্থির তো তাই মনে হচ্ছে।

তবে বাকিদের কথায় সাম্যের কোনো হেলদোল হলো না,, সে কেমন শান্ত চোখে তার সামনে অবয়ব টির দিকে তাকিয়ে আছে,, কি সেই চাহনি,, কি যেন পরখ করছে,, কি চলছে তার মনে একমাত্র সেই জানে তবে তার ধ্যান চুত্য হলো জুনের কথায়,, জুন সাম্যের কাছে গিয়ে তার হাত ঝাকিয়ে বলল;

—”কি হলো ভাইয়া কানামাছিতে চোর হবে না,, তুমি তো খেলায় অর্থি আপুর কাছে ধরা পরছ,,

সাম্য হাসলো,, আর বলল;
—” এখনো তো ঠিক ভাবে ধরা পড়িনি,, তাই পড়ে খেলবো, এখন তোমরা খেল। আমার একটু কাজ আছে।
এই বলে সাম্য অর্থির দিকে একবার তাকিয়ে ফাহা দের ঘরে চলে গেল,, সেখানে ফাহার মা শারমিন বেগম আছেন, তাকে দেখে সাম্য বলল;

—” আন্টি ক্যামেরা টার চার্জ ফুল হয়েছে!

শারমিন বেগম হাতের কাজ করতে করতে বললেন;
–” ওখানেই তো আছে সাম্য, তুমি গিয়ে দেখ বাবা!
সাম্য গিয়ে তার ক্যামেরার চার্জ হয়েছে কিনা দেখলো,, তার প্রিয় একটি জিনিস,, প্রিয় নয় বরং শখের একটি জিনিস,, খুব আগলে রাখে সে ক্যামেরা টিকে। তাই ভালো করে দেখে নিয়ে ক্যামেরা টি যত্ন করে ব্যাগে রেখে দিল,, মাহা র বিয়ের এই কয়দিন তারা ফাহা দের বাড়িতেই থাকবে, তাই সাম্য নিজের ব্যাগ পত্র গুলো ঠিক করে রেখে ঘর থেকে বেরিয়ে আসলো।

বাইরে তখন খেলায় ভাটা পড়েছে, উঠোনে র বড় আম গাছের নিচে সবার বসে আছে,,
এর ই মাঝে মুসাব আর ইমরান আসলো সেখানে, মুসাবের পাশে অর্থ তার হাত ধরে দাঁড়িয়ে আছে,, তার ভেলকি দেখেই বোঝা যাচ্ছে সে মুসাব দের পেয়ে বেশ খুশি হয়েছে।
আগের বার তার সাথে মুসাব, সাম্য এদের সাথে ভালো একটা বন্ডিং তৈরি হয়েছে,, তাকে তাদের ফোনে ফ্রি ফায়ার খেলতে দিয়েছিল, তাই তো ওই লোভে তাদের সাথে আঁটকে রয়েছে। তারা এসে ঘরের দিকে পা বাড়ালো না,, সবাই যেখানে গোল হয়ে বসেছে সেখানে গেল। ইমরান অর্থি কে দেখে একটু অবাক হলো, সে মুসাবের কানে ফিসফিস করে কি যেন বলল, তবে মুসাব তার পেটে একটা গুতা দিয়ে চোখ রাঙানি দিল।

আর সবার সামনে গিয়ে অর্থিকে উদ্দেশ্য মুসাব বলল;
—” আরে অর্থি যে! কতদিন পর দেখলাম তোমায়, কেমন আছো,,

—” আলহামদুলিল্লাহ! আপনি কেমন আছেন ভাইয়া!

—” এই চলে যাচ্ছে দিন,, তা তোমার কি খবর বলো, দিনকাল কেমন যাচ্ছে। আমরা এখন একই শহরে থাকি অথচ কতোদিন পর তোমাকে দেখলাম,,

মুসাবের কথাবার্তা অর্থির ভালোই লাগে,, দেখলেই কি সুন্দর করে কথা বলে, তাই অর্থি বলল;
—” তেমন একটা বাসা থেকে বের হই না, তাই হয়তো দেখা হয় না ভাইয়া।

ফাহা এতটা সময় ধরে মুসাবের দিকে তাকিয়ে রইল, তার চোখ দুটো ভরে আছে নরম এক হাসি তো। সে এতক্ষণ ধরে অর্থির আর মুসাবের কথা শুনছিল, তবে তার হাসি মাখা নেত্রপল্লব জুড়ে বিচলিত ভাব বিরাজমান হলো, অবাক হয়ে মুসাব কে জিজ্ঞেস করলো;
–’ ভাইয়া আপনি ফেনীতে থাকেন, বলেন নি তো,, এমনটা জানলে কিছু আগে আপুদের বাসায় যখন গিয়েছি আপনার সাথে দেখা করে আসতাম।

মুসাব বলল,
—” কাজের সূত্রেই থাকি, আর আমি কাউকেই বলিনি তাই জানো না,, আর আগে তুমি তো টুকটাক মেসেজ দিতে এখন তো ভাইয়া কে তা ও দাও না জানবে কিভাবে।

ফাহা মুসাবের কথা শুনে বিরবির করে বলল;
–” মেসেজ দিয়ে কি করবো, আপনি তো ঠিক মতো রিপ্লাই ই দেন না,,, আজ মেসেজ দিলে দুদিন পর সিন করেন হুমম।

—” কিছু বললে ফাহা!

—” না মুসাব ভাই,, আচ্ছা আপনারা কি কোথাও যাচ্ছেন। তৈরি হয়েছেন দেখছি।

তখন মুসাব বলল, মেহেদীর সাথে তারা সবাই বাজারে যাবে,, একটু কাজ আছে, আর এখানে সাম্যের জন্য অপেক্ষা করছে, সাম্য আসলেই তারা বেরিয়ে পড়বে,, অর্থ ও তাদের সাথে যাচ্ছে, সে তো বারবার তাড়া দিচ্ছে,, বাজার থেকে ফিরলে সাম্য তাকে বলেছে তার ফোনের ফ্রি ফায়ার খেলতে দিবে। তাই অর্থর যেন ব্যস্ততার শেষ নেই।

শেষে দেখে সাম্য আরেকটি জামা পাল্টে ঘর থেকে বেরিয়ে আসে,, মুসাবের কাছে আসতে মুসাব তার দিকে তাকিয়ে হাসে, আর অর্থিকে উদ্দেশ্য করে বলে;
—” আচ্ছা অর্থি ফারিশ আসবে না,, সে তো হইহুল্লোর এর দিকে সব সময় এগিয়ে থাকে দেখি। আসবে না নাকি?

—” কখন আসবে তা তো জানি না ভাইয়া, তবে খালামনি বলেছিল তারা সন্ধ্যার দিকে আসবে। আর না হলে কাল আসবে।

—’ ওও আচ্ছা, গেলাম আমরা, চল সাম্য।

সাম্য রা তখন চলে গেল, যাওয়ার আগে অবশ্য ঘাড় ঘুরিয়ে সাম্য শীতল নজরে সবার দিকেই তাকালো,, যা চোখ এড়ালো না মুসাবের।

এখন এই দৃষ্টি সে কাকে দিয়েছে সে ভালোই জানে,, শুধু সাম্য শয়তান টা নিজে মুখে শিকার করছে না এই যা,,

——-
গ্রাম যেহেতু লোডশেডিং এর সমস্যা অতিরিক্ত তাই মেহেদী রা যাচ্ছে লোকাল বাজার থেকে জেনারেটর এর ব্যাবস্থা করতে, যেন লোডশেডিং হলে বিয়ে বাড়িতে অন্তত কারেন্ট থাকে, ফারুক সাহেব তাকে টাকা ও দিয়েছিল, বলেছে যদি পায় দুটো জেনারেটর যেন নিয়ে আসে,, কিন্ত ভাগ্য খারাপ বাজারে এসে দেখে দোকান বন্ধ আর দোকান দার কে ফোন করলে জানায় সে দূরে আছে, দুদিন জেনারেটর পাওয়া যাবে না,, তাই কিছু জিনিস পত্র কিনে তারা আবার বাসার দিকে ফিরে চলল।

মেহেদী দের এইদিকে ভ্যান গাড়ি আবার চলাচল বেশি, রিকশা নেই,, তাই আসার সময় ভ্যান গাড়ি পেয়েছে কিন্ত যাওয়ার সময় দুপুর হয়ে আসছে দেখে কোনো ভ্যান গাড়ি নেই। তাই মেহেদী, নাঈম, ইমরান, সাম্য, মুসাব এরা হেঁটে হেঁটে ই যাচ্ছে। মেহেদী সহ বাকি দুই সামনে এগিয়ে গেছে,,,

পেছনে সাম্য, মুসাব, আর অর্থ আসছে, গরম পড়েছে দেখে সাম্য অর্থ কে আবার ঠান্ডা কোক আর চিপস ও কিনে দিয়েছে,, ছেলেটা তাদের সাথে খাতির জমিয়েছে ভালো।
তবে অর্থ কে তাদের সাথে নিয়ে এসে বোধ হয় ভালোই হয়েছে,, গুগলের মতো অর্থর থেকে এখন কিছু ইনফরমেশন কালেক্ট করা যাবে সে সুবাদে। তাই সাম্য ই প্রথমে তার কথা জিজ্ঞেস করলো,, অর্থ নিজের কথা গুলো বললো,,

এবার সাম্য কায়দা করে অর্থির কথা জিজ্ঞেস করলো;
—” অর্থ তোমার আপুর কি সব সময় এমন চুপচাপ থাকে,, বাসা ও কি সব সময় এমনই থাকে।

অর্থ কোকের বোতলে চুমুক দিয়ে বলে;
—” আরে আস্ত একটা পাগল ও,, দেখায় যে, কিন্ত বাসায় আমার সাথে কি ঝগড়া করে,, আমার জীবনটা পুরো ত্যানাত্যানা বানাই দে।

মুসাব এই কথা শুনে হেসে দিল,,— কি রে সাম্য!! এত কিছু কেন জানতে চাইছিস মামা,,,

সাম্য মুসাবের কথায় কান না দিয়ে তাকে আবারো জিজ্ঞেস করলো;
—” তোমার আপু কি ঝগড়া করতে পছন্দ করে নাকি!!

—” আরে না,, ঝগড়া ছাড়া মহারানী আরো কত কিছু পছন্দ করে,, একদম হাই ডিমান্ড!!

—” যেমন!!

—” আপুর প্রথম পছন্দ ডোরেমন,, জানে এই বিলাই ডারে আপুর খুব পছন্দ,, সাথে আপু ঘুরতে যেতে ভীষণ পছন্দ করে,, আরো নাকি একা একা ঘুরবে, কিন্ত মুখেই বলে তবে সে কোনোদিন আম্মু আব্বু কে ছাড়া এক পা বাইরে রাখে নি পাগল একটা।

—” বুঝেছি,, আচ্ছা তোমার আপুর প্রিয় রং কি,,

—” আকাশি, নীল এই দুটাই মহারানী বেশি পছন্দ করে,,

—” ওও,, আচ্ছা অপছন্দ করে এমন কিছু আছে,,

অর্থের কোকের বোতল তখন প্রায় শেষের দিকে,, তাই শেষ চুমুক দিয়ে বলল;
—” ওর জিনিস কেউ ধরলে! আমি যখন ওর রুমে কোনো জিনিস ধরি তখন তো ভীষণ রেগে যায়,, আর ওর ব্যাপারে যদি কেউ স… সচলামনা… করে।

মুসাব বলল;
—” সমালোচনা হবে!

অর্থ বলল;
—” হ্যাঁ ওই টাই!! তবে আরেকটা জিনিস আছে,, যেটা আপুর একদমই পছন্দ নয়।

—” কি সেটা,,

অর্থ ফিক করে হেসে বলল;
—” আপুকে যদি কেউ নোয়াখাইল্ল্যা বলে ডাকে আপু তখন ভীষণ ক্ষেপে যায়,,

—” ওও এই ব্যাপার!!

এসব শুনে মুসাব আড়চোখে সাম্যের দিকে তাকালো,, অর্থ পাশে থাকায় মুসাব সাম্য কে কিছু জিজ্ঞেস করলো না,, আর জিজ্ঞেস করলে ও সাম্য সেই অস্বীকার করবে যে সে অর্থি কে পছন্দ করে,, তাই মুসাব চুপ করে রইল শুধু একটু খানি সময়ের অপেক্ষায়।

___________

তপ্ত দুপুর এখন,, মাথার উপর সূর্যের ঝিলিক এমন ভাবে পড়ছে যেন মরুভূমির উত্তপ্ত বালি মেখেছে সারা গায়ে এমন মনে হচ্ছে,, তার উপর গ্রামে সর্বদা কারেন্ট থাকে না,, এই এক বিরক্তিকর ব্যাপার,,তখন ঘরে থাকলে মনে হয় গরম যেন আরো বেশি করে গায়ে লাগে।

তবে গাছের ছায়া তলে বসে প্রকৃতির হাওয়া গায়ে লাগিয়ে বিশ্রাম করার মজাই আলাদা। ঘন পাতার ফাঁক দিয়ে সূর্যের আলো টুকটুক করে পড়ে, আ হালকা বাতাস যখন গায়ে লাগে তখন মনে হয় এই বুঝি শান্তি,,

অর্থিরা সে যে আম গাছটার নিচে বসেছে, এখন পর্যন্ত সেখানেই আছে,, গাছে আবার আম ধরেছে, বেশিরভাগই কাঁচা, তাই ফাহা গাছ থেকে কয়েকটা পেড়ে কেটে সবাই কে দিল, সবাই সেগুলোই লবণ, শুকনো মরিচের গুড়া লাগিয়ে খাচ্ছে,, এর থেকে মজার বোধ হয় আর কিছু নেই,, বেশ ভালোই লাগছে অর্থির কাছে,,

সবাই মিলে কত কত প্ল্যান করছে, এই কয়দিন সব কাজিন রা যখন একসাথ হবে তখন তারা কিভাবে কি করবে, মাহা র হলুদে কি কি করবে,, বিয়েতে কি করবে,, এসব কিছু বলছে,, আর অর্থির কাছে এসব খুব ভালো লাগছে,,, এবার তাকে সাথে রেখে সবার প্ল্যান করছে দেখে। নিপা থাকলে তো এটা হয়ত কখনো না হতো না,, তাই এবার ফাহা নিজে ঠিক করেছে সে আর অর্থি ম্যাচিং শাড়ি পড়বে,, আগের বার অর্থি যে শাড়ি পড়েছিল ফাহার কাছে নাকি খুব ভালো লেগেছে, তাই নিপা থাকুক তার মতো, অর্থি, ফাহা, ফারিন, একই রকমের শাড়ি পড়বে,, তারা একই রকমের শাড়ি ও এনেছে,, আর জুনের জন্য ছোট বেবি শাড়ি গুলো এনেছে,,,

তারা বসে এসবই বলছিল, তখন নাচতে নাচতে অর্থ হাজির হয়, পেছনে মুসাব, সাম্য, নাঈম আর ইমরান ও আছে,, তারা সবার জন্য আইসক্রিম এনেছে,, অর্থ নিজের হাতে সবাই কে দিল, কিন্ত অর্থি আইসক্রিম খায় না। তাই সে একপাশে বসে ছিল। আর বাকিরা আইসক্রিম খাচ্ছে। তবে কিছুক্ষণ পর সাম্য এসে তাকে উদ্দেশ্য করে বলল;

—” একটু পানি দিতে পারবে,,

পেছনে তাকিয়ে দেখে সাম্য,, সবাই এখন মজা করে আইসক্রিম খাচ্ছে তাই অর্থি কাউকে না ডেকে নিজে গেল সাম্য কে পানি দিতে,, সাম্য ও গেল অর্থির পেছনে। গ্লাস ভর্তি ঠান্ডা পানি এগিয়ে দিল আর সাম্য যেন প্রচন্ড তৃপ্তি সহকারে পানি টা খেল।
আর অর্থি কে বলল;

—” পানিটা খেয়ে ভালো লাগলো,, ধন্যবাদ নোয়াখাইল্ল্যা।

চলবে।

আপনাদের কথায় সাম্য কে ই রাখলাম,, কেমন হয়েছে জানাবেন,, জন্ম সিঙ্গেল আমি কিভাবে যে এই প্রেমময় পর্ব লিখবো,, হা,, এই দুঃখু কই রাখবো জনগণ।

তবে যাই হোক আপানারা ৪০০+ রিয়েক্ট করেছেন তাই আজ এইটুকুই লিখে গল্প দিয়েছে,, পরে যদি এমন ভাবে রিয়েক্ট করেন তাহলে সম্ভব হলে বড় করে দেব কেমন,, তাই বেশি বেশি রিয়েক্ট করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here