মেঘের মুলুকে চল’ আয়রা তাবাস্সুম পর্ব১০

0
2

‘মেঘের মুলুকে চল’
আয়রা তাবাস্সুম
পর্ব১০

[ সারপ্রাইজ!! পরবর্তী তিন দিন গল্প আসবে না। পরিবারের সাথে আনন্দে ঈদ উদযাপন করুন সবাই ]

পরদিন আযানের অফ ডে ছিল৷ তাই নির্দ্বিধায় বেলা এগারোটা অব্দি ঘুমিয়েছে৷ ঘুম থেকে উঠে বেকুবটাকে পাশে না দেখায় চোখমুখ কুঁচকে এলো তার৷ মনে পড়ল কাল রাতে কেমন টাইম বম্ব হয়ে ছিল মেয়েটা! সারাক্ষণ নাগিনীর মতন ফণা তুলে ফুঁসে উঠছিল তারপর শেষ রাতে ঘুমিয়েছে বোধহয়৷ আযানের অবশ্য মাথাব্যথা নেই তাতে। এমন জড়িয়ে ধরে ভালো ঘুম হয়েছে তার পাশাপাশি বাদরঁ টার উথালপাথাল ও কমেছে বিছানাজুড়ে। পারলে রোজ ই এভাবেই ঘুমোবে সে। বেকুব টা অভ্যস্ত হয়ে গেলেই ভালো। মনে মনে ভাবল এসব৷

ফ্রেশ হয়ে ডাইনিং রুমে আসতেই চোখে পড়ল বেকুব টাকে। পাশের রুমে বসে ফুপির সাথে দাঁত কেলিয়ে হাসছে কথাবার্তায়। মুখ থেকে হাসি সরছে না তার। অথচ আযানের সামনে এই মুখ থেকে শুধু গালির নহর বের হয়। সে চুপচাপ ব্রেকফাস্ট সারল। আড়ে আড়ে দেখল বেকুবটাকে৷ কাল থেকে কি যে হয়েছে তার মেয়েটা বেশিক্ষণ চোখের আড়ালে থাকলে মেজাজ বিগড়ে যায়। সবকিছু বিরক্ত লাগে।

খাওয়া শেষে চুপচাপ রুমের দিকে পা বাড়াবে এমন সময়ে কানে এলো মেয়েটার গলার আওয়াজ।
‘অ্যাই অ্যাই দাড়ানঁ একটু দাড়ানঁ প্লিজ।’
বাঁদর টা হুবহু বাঁদরের মত লাফাতে লাফাতে হুড়মুড়িয়ে তার সামনে এসে দাঁড়াল। একনাগাড়ে তোতাপাখির মতন বলে গেল, ‘ফুপির ওখানে আজ দুপুরে যেতে বলেছে আমাদের। খাবারের আয়োজন করেছে উনি আমাদের জন্য। আমরা না গেলে উনি খুউব রাগ করবে। এমনকি হয়তো সব সম্পর্ক শেষ করে দেবে এই বাড়ির সাথে। আর কখনো পা মাড়াবে না এই বাড়ির।’

শেষের দু লাইন নাজিয়া ইচ্ছে করে বাড়িয়ে বলল। বদ টার মতিগতি ত সে বুঝে। নাজিয়ার সুখশান্তি সহ্য হয়না তো তার। কাল কেমন পড়তে বসালো আজ হয়তো নাজিয়া যে একটু বেড়াতে যাবে সেটাও পন্ড করবে। কিন্তু এটা ত নাজিয়া কিছুতেই হতে দেবে না। প্রয়োজনে নাজিয়া একা গিয়ে ফুপির বাসা বেড়িয়ে আসবে। বদ টা গেলে ভালো না গেলে আরো ভালো। বদ টার যা স্বভাব দেখা যাবে ওখানে গিয়েও চোটপাট দেখাচ্ছে।

আযান গম্ভীরমুখে দেখতে দেখতে নিমিষেই মেয়েটার চেহারা পড়ে ফেলল যেন। এক লহমায় সে বুঝে ফেলেছে শেষের কথাগুলো বলার মানুষ তার ফুপি না। বেকুব টা যাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে দেখে এমন বানোয়াট কথাবার্তা বলছে। দেখে ত মনে হচ্ছে আযানকে রেখে যেতে পারলেও তার সমস্যা নেই৷ পাড়া বেড়িয়ে আসতে পারলেই হলো! পাড়াবেড়ানি একটা! আযান মনে মনে মেয়েটাকে ভর্ৎসনা করল।

বিয়ের দুদিনের ঝামেলায় যথেষ্ট কাজ পড়ে আছে তার। এমনিও অফ ডে তে ডেডলাইনের কাজ সেরে ফেলার অভ্যেস টা তার বহুদিনের। তার উপর এ দুদিনের ব্যস্ততায় বেশ কিছু ডিজাইন রেন্ডারিংস বানানো বাকি আছে যেগুলো সাবমিটের বেশি দিন নেই৷ কলিগের সাথে ভার্চুয়ালি কিছু ডিসকাশন ও করার ছিল সাইট ভিজিটের ব্যাপারে । এত সব কাজকারবার ফেলে ফুপির বাড়ি খেতে যাওয়া যুতসই মনে হলো না তার৷ তাতে যতই বেকুব টা কেঁদেকেটে মরুক এমন আবেগে গলে যাওয়ার মত বউপাগলা আযান ইয়াসীর ভুইঁয়া অন্তত নই৷

সমস্ত ভাবনা মনেমনে গুছিয়ে নিয়ে আযান বেকুব টার সাথে নজর মেলাল না আর। না তাকে কিছু বলল। কেবল ধীরস্থির পায়ে ফুপির রুমে গিয়ে জানিয়ে আসলো তার সিদ্ধান্ত। নাজিয়া বজ্জাত টাকে বলতে শুনল, ‘ফুপি আজ যাওয়া হবে না। আমার যথেষ্ট কাজ পড়ে আছে অফিসের। আজকের দিনটা তাই কাজে লাগাতে হবে। আমরা আরেকদিন যাবো নাহয়৷ রাগ করো না তুমি৷’

‘আমরা না। শুধু আপনি! আপনি আরেকদিন যাবেন। আমি আজই যাবো।’
কখন যে বেকুব টা রুমে ঢুকে একেবারে ফুপির পিছে নেওটা আদুরে বিড়ালটির মতন কান পেতে কথা শুনছে আযান খেয়াল করতে পারেনি সেটা। আর এখন আত্নগোপন থেকে বেরিয়ে এসে জোর গলায় নিজের দুঃসাহসী সিদ্ধান্ত জানাচ্ছে! রুমে গেলেই বেকুবের দুঃসাহস আযান বার করবে! কেমন ফুপির সামনে আযানের মুখের উপর বলছে দরকার হলে আযানকে ফেলে যাবে তবুও যাবে। মানে বাদরঁ টার বেড়িয়ে আসা চাই ই চাই!

আযানের ফুপির এবার বড় অসহায় লাগল। পাছে ছেলেটা তার সামনেই না বউ টাকে ধমকে বসে। তখন তার সামনাসামনি হতেও মেয়েটার সংকোচ জড়তা কাজ করবে। বড্ড নিরুপায় হয়ে তিনি তাই নাজিয়াকে বুঝাতে চাইলেন৷ বললেন, ‘আম্মু তুমি আযানের সাথে ই এসো। বিয়ের পরপর এমন ছাড়া ছাড়া থাকা ভালো না। তোমরা একসাথে আসলেই আমার ভালো লাগবে। এবারে যেহেতু ওর কাজ বেশি পরেরবার যেয়ো।’

আযান খেয়াল করলো ফুপির কথায় কেমন মেয়েটার চোখমুখ মলিন হয়ে গেলো৷ আযান আর কিছু না বলে চুপচাপ বেরিয়ে এলো ৷ নিজের রুমের দিকে পা বাড়াল। বেডে হেলান দিয়ে ল্যাপটপ কোলে পুরো মনোযোগে কাজ করার জন্য বসলেও কাজের কিচ্ছুটি হলো না। থ্রিডি মডেলিং টুলস গুলোর সাহায্যে ড্রাফট বানানো নিখুঁত ভাবে করতে হলেও তার ভুল হতে লাগল একের পর এক৷ কারণ মন ত পড়ে আছে অন্যত্র৷ এক দেড় ঘন্টা হয়ে গেলো অথচ বাঁদর টা রুমে আসলো না৷ বাইরে এতক্ষণ করছে টা কি! নাকি ফুপিকে এটাসেটা বলে ভুলিয়েভালিয়ে তার বাড়ি গিয়ে উঠেছে আযানকে ফেলে। এমন অবাধ্য বেয়াদপ বউ আযানের!

সমস্ত কাজকারবার ফেলে ত্যক্ত বিরক্ত হয়ে রুমের বাইরে পা বাড়াল সে৷ এরুম ওরুম খুঁজে বেকুব টাকে সে পেলো ইশিতার রুমে। ইশিতা ভার্সিটি তে। তবুও খালি রুমে বেকুব টা একা একা গাল ফুলিয়ে চোখেমুখে রাজ্যের মনখারাপ নিয়ে বসে আছে কারণ আযানের রুমে সে যাবে না। আযানের সাথে রাগ তার। আযানের বড্ড হাসি পেলো এমন ছেলেমানুষি রাগ দেখে। মেয়েটার মলিন চেহারাটাও দেখল খানিকক্ষণ৷ তারপর কি যেনো ভেবে মুখটা যথাসম্ভব গম্ভীর বানিয়ে গমগমে আওয়াজে রুমের বাইরে দাড়িয়েঁ ই বলল, ‘যা হাতিঘোড়া রেডি হবার হয়ে নাও। দশ মিনিটের বেশি সময় নিলে রেখে চলে যাবো! নেহাৎ ফুপি মন খারাপ করবে তাই নিয়ে যাচ্ছি। নাহলে ভরদুপুর বেলায় মানুষের বাসায় গিয়ে উঠার বিশ্রী বদঅভ্যেস আমার নেই’

নাজিয়া ভাবল ফুপি হয়তো আলাদা করে বুঝিয়েসুঝিয়ে রাজি করেছে তাকে৷ নাহলে বদ টা যে লেভেলের বজ্জাত নাজিয়া হাত পা ছড়িয়ে কাঁদলে ও যেতে রাজি হবার মতন মনুষ্যত্ববোধ তার নেই। মনে মনে খুব খুশি হলেও বাইরে বাইরে রাগ টা জিইয়ে রাখল। তবুও দ্রুত পা চালিয়ে নিজের রুমে গেলো চটজলদি রেডি হতে পাছে বদ টা মতিগতি পাল্টে ফেলে৷

নাজিয়াকে রেডি হয়ে নিচে নামতে দেখে আযানের ফুপির চোখ জুড়িয়ে এলো। এত মিষ্টি দেখতে বউ ছেলেটার! চেহারায় যতটা কোমলতা আচরণেও তেমন নমনীয়তা মিষ্টতা৷ তিনি ঠিক জানতেন গোঁয়ার টা এমন আদুরে বউটাকে কষ্ট দিতে ই পারবে না৷ নাহলে যে ছেলে ঘন্টাখানেক আগে না যাওয়ার বিষয়ে নিজের সিদ্ধান্তে অনড় ছিল তার এমন মতিগতি পাল্টাল কেনো! তিনি খুউব খুশি হলেন দুজনের জন্যে। নাজিয়ার মেরুন কালারের ছেড়ে দেয়া শাড়ির আঁচলের একাংশ নিয়ে নতুন বউয়ের মত তার মাথায় ঘোমটা তুলে দিয়ে তার থুতনিতে চুমু খেলেন। আযান কে ডেকে দেখাতে চাইলেন তার পরীর মত বউটাকে।

আযান তখন ফোনে ব্যস্ত ছিল। কিন্তু ফুপির গলা কানে যেতেই নজর ফুপির মুখে না গিয়ে আটকালো বেকুব টার উপর৷ সেই যে নজর গিয়ে থেমেছে দু মিনিট অব্দি চারপাশের আর কিছুর খবর হলো না৷ ফুপি কি কি বলেছে সেসব ও শুনে নি যেন হুঁশ হারিয়ে বসে ছিল সামনের মেয়েটাকে দেখে। আশ্চর্য! বিয়ের দিন ও ত মেয়েটা সেজেগুজে ছিল কই সেদিন ত এমন হুঁশ হারায়নি আযান। তবে আজ কি হলো!

নিজের ই নিজেকে ঢিলা পুরুষমানুষ মনে হলো৷ নেহাৎ বউ তার সুন্দর তাই বলে এমন ভ্যাবলার মতন তাকিয়ে থেকে নিজের ব্যক্তিত্ব খুঁয়াবে সে! এমনিতেও মেয়েটা এখন তাকে কম মান্য করে, ভয়টয় ও পায় না৷ পরে যদি বুঝে আযান তার রুপে কাত হয়ে পড়েছে গলায় দড়ি দিয়ে ঘোরাবে বোধহয় আযানকে। নিজের এহেন ভাবনায় তার নিজের ই গাঁ কাটাঁ দিয়ে উঠল৷ আযান ইয়াসীর ভুইঁয়া আর যা ই হোক কখনো বউপাগলা হবে না! নিজের সিদ্ধান্ত নিজেকে দম্ভ ভরে জানিয়ে মনে মনে চলা দীর্ঘ আলোচনার ইতি টানল সে৷

তার ফুপির কথাবার্তা এক জায়গা তেই থেমে আছে। এবার খানিকটা যেন ভর্ৎসনা করে বললেন, ‘তোর মতন গোঁয়ার যে এত মিষ্টি বউ পেয়েছে সেটাই ত তোর পাঁচ কপাল৷ বউয়ের সাথে রাগারাগি করিস কোন সাহসে তুই’ আযান এসব কথাবার্তা গায়ে মাখল না তেমন তবে খেয়াল করল এসব কথায় বেকুব টা মহাখুশি। মুখ থেকে মুচকি হাসি সরছে না তার৷ আযানকে কেউ কথা শুনালে বেকুব টার এত খুশি লাগে। বাহ! আযান বার করবে তার খুশি! সেই ভাবনায় মেয়েটার খুশি পন্ড করতে সে তাচ্ছিল্য করে বলে বসল, ‘তিন ঘন্টা টাইম লাগিয়ে মেকআপ করলে জরিনাকে ও ক্যাটরিনা লাগে৷ মিষ্টি বউ বলে বলে মুখে ফ্যানা তুলো না এতো!’

নাজিয়া তখনই মনস্থির করে ফেলল এই লোক কে নাজিয়া মরে ভুত হয়ে গেলেও ভালবাসবে না! নাজিয়া মোটেও সাজে নি। একটু লিপগ্লস আর ব্লাশ দিয়েছে কেবল অথচ বদ টা কি বিশ্রীভাবে কথাটা বললো তাকে! ফুপির সামনে নিজের লক্ষী বউয়ের ইমেজ বাঁচাতে সে চুপ করে থাকলেও চোখেমুখে ভয়ংকর রাগ এনে চোখ পাকিয়ে দেখল আযানকে৷ আযানের অবশ্য হেলদোল নেই তাতে৷ সে ঠিকই বুঝেছে বেকুব টা ফুপি আছে দেখেই আযানের সাথে কোনো মহাবেয়াদবি করতে পারছে না। নাহলে অন্তত দু তিনটা গালি ত বেকুব টা দিতোই। মেয়েটার এমন নাস্তানাবুদ দশা তে সে ভিতরে ভিতরে হেসে মরলেও মুখটা একদম স্বাভাবিক বানিয়ে রাখল।

আযানের ফুপির যমজ দুই মেয়ে৷ নিধি আর নোভা। বয়সে নাজিয়ার দু তিন বছরের ছোট তারা। দুজনের ই তর সয়ছিল না খাওয়া শেষে ভাবিমনির সাথে গল্প করার৷ নাজিয়াকে ভীষণ ভালো লেগেছে তাদের। অবশ্য তারা খানিকটা দুঃখ ও পেয়েছে আযান ভাইয়ের এমন মিষ্টি নরমসরম বউ দেখে। তারা খুব করে চেয়েছিল একটা দজ্জাল নাকউঁচু মেয়েমানুষ তার বউ হয়ে আসুক যাতে আযান ভাইয়ের জীবনের সমস্ত শান্তি গায়েব হয়ে যায়। যত প্যারা আযান ভাই ছোটবেলায় তাদের দিয়েছে সবটা উসুল হোক। সব শুনে নাজিয়া অবশ্য তাদের স্বান্তনা দিলো। এটাও বলেছে দজ্জাল নাকউঁচু মেয়েমানুষ না হতে পারলেও নিজের কায়দায় বজ্জাত টাকে শায়েস্তা করবে সে৷ যদিও এটা বললো না বিয়ের পর থেকে প্রতিটা মুহুর্তে সে নিজেই তার বজ্জাত বরের হাতে চূড়ান্তভাবে শায়েস্তা হচ্ছে।

খাওয়াদাওয়া শেষে বিকেল অব্দি থেকেও নাজিয়ার মন ভরেনি৷ মোটেও ইচ্ছে হচ্ছিল না তার বাড়ি ফিরে যেতে। গেলেই বদ টা তাকে সন্ধ্যা থেকে রাত অব্দি পড়তে বসাবে। নতুন বউয়েরা কত এখানে সেখানে যায় অথচ কপাল করে এমন বর হলো তার যে নিজেও কোথাও যায় না আবার নাজিয়াকে ও যেতে দেয় না। যেমন অসভ্য বদ টা! কোথাও নিয়ে যাবার কথা বললে যদি বলে বসে হানিমুনে যাবে কিনা তখন নাজিয়া কি করবে! সেই ভয়ে সে কিচ্ছুুটি না বলে কুলুপ এঁটে থাকে।

আযান অবশ্য বউয়ের মনোভাব ধরতে পেরেছে। পাড়াবেড়ানি টার যে রাতেও গল্প করে করে থেকে যাবার পায়ঁতারা সেটা সে আসার কয়েক ঘন্টাতেই বুঝে ফেলেছে। কেমন আযানকে বসার রুমে বসিয়ে রেখে ঘন্টার পর ঘন্টা নিধি নোভার সাথে গল্প করলো! একটাবার চোখের দেখা ও দেখতে আসল না আযানকে। বরের কোনো খবরই নেই বেকুব টার!

আযান এটুকু ঠিকই জানে ভালো কোনো কথা বলেনি তারা। বেয়াদব দুটো বেকুব টার কানে তার নামে যত বদনাম করার সময় সুযোগ পেয়েছে সব করেছে। সে বড়সড় দীর্ঘশ্বাস ফেলে ফুপি আর বেকুবটার ইমোশনাল ড্রামা দেখতে থাকল। মেজাজও খারাপ হলো তার। ফুপির ত মেয়ের অভাব নেই। দু দুটো বেয়াদব মেয়ে আছে। তাহলে তার বউকে আবার রাতে রেখে দেবার এত তোড়জোড় কেনো!

ক্ষণে ক্ষণে মেজাজ খারাপ হতে থাকল তার। শেষমেশ আর ধৈর্য্য না ধরে ফুপির সামনেই বেকুবটার কবজি ধরে সে, ‘আসছি ফুপি। তুমি বাসায় এসো ‘ বলে বেরিয়ে পড়ল আগেপিছে না তাকিয়ে৷ ফুপি যা ভাবার ভাবুক কিন্তু এই নাটকীয় বিদায় পর্ব আযানের আর সহ্য হচ্ছিল না।

[ দেখতে দেখতে গল্পের দশ টা পর্ব লিখে ফেললাম! এখন অব্দি তোমাদের ভাল মন্দ লাগা জানাতে পারো। গল্পের প্লট বাদে অন্য কোনো কিছু সংশোধন করতে হলে আমি অবশ্যই করবো যেমন ধর ওদের সংলাপ ব্লা ব্লা ]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here